08/09/2024
অ্যাপোলো ১৩ মিশন কেনো ব্যর্থ মিশনে পরিনত হয়েছিলো?
অ্যাপোলো ১৩ চাঁদের ভূত্বকে অবতরণের উদ্দেশ্যে প্রেরিত তৃতীয় মনুষ্যবাহী মহাকাশ অভিযান। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাসা পরিচালিত অ্যাপোলো প্রোগ্রামের একটি অংশ। অভিযানের ক্রু ছিলেন কমান্ডার জেমস লভেল, পরিচালনা মডিউলের পাইলট জ্যাক সুইগার্ট ও চান্দ্র মডিউলের পাইলট ফ্রেড হেইজ। ১৯৭০ সালের ১১ই এপ্রিল এই নভোযানকে পৃথিবী থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়। যাত্রা শুরুর দুই দিন পর অর্থাৎ ১৩ই এপ্রিল অ্যাপোলোর অক্সিজেন ট্যাংকে একটি ফুটো হয়ে যাওয়ায় বিস্ফোরণ ঘটে। এই বিস্ফোরণে সার্ভিস মডিউল বিপুল ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং অক্সিজেন ও বিদ্যুৎশক্তি সরবরাহে ভয়াবহ বিঘ্ন দেখা দেয়। ক্রূরা তখন চান্দ্র মডিউলটিকে মহাকাশে একটি লাইফবোট হিসেবে ব্যবহার করে। পরিচালনা মডিউল তখনও সক্রিয় ছিল, কিন্তু পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশে পুনঃপ্রবেশের মত ক্ষমতা ধরে রাখার খাতিরে সেই মডিউলটিও নিষ্ক্রিয় করে দেয়া হয়। শক্তি, কেবিনের তাপমাত্রা এবং বহনযোগ্য জল সংক্রান্ত প্রচুর সমস্যা সত্ত্বেও ক্রূরা অবশেষে পৃথিবীতে ফিরে আসতে সক্ষম হয়েছিল। এজন্যই এই অভিযানটিকে "সফল ব্যর্থতা" হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
21/02/2022
দৃশ্যমান গ্রহগুলো আমাদের প্রতিবেশী গ্রহ, বলতে পারবেন কোনটার নাম কি?
10/02/2022
আত্মহত্যার দর্শন
আত্মহত্যার দর্শন উদ্ভূত হয়েছে গ্রিক দার্শনিক প্লেটোর চিন্তা থেকে যিনি আত্মহত্যার নৈতিকতার বিষয়টি গভীরভাবে বিবেচনা করেছেন। দর্শনের বিভিন্ন শাখায়, বিশেষ করে নীতিবিদ্যায়, আত্মহত্যা বেশ কিছু কঠিন প্রশ্ন উত্থাপন করে, যার উত্তর বিভিন্ন দার্শনিক বিভিন্নভাবে দিয়েছেন। যখন কেউ রাষ্ট্রীয় আইনে মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত হন, অথবা দুর্ভাগ্যবশত জীবন ধারণে অপারগ হন, অথবা অনিবর্তনীয় অপমানে জর্জরিত হন, তখন দার্শনিক প্লেটো'র মতে আত্মহত্যা করা অনৈতিক নয়। তবে, প্লেটো বিশ্বাস করতেন, যদি কেউ নিস্ক্রীয়তা বা কাপুরুষতার জন্য আত্মহত্যা করেন, তবে সেটা অবশ্যই শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
আত্মহত্যার প্রতিযুক্তি
অনেক দার্শনিক বিতর্কের সারবক্তব্য হলো, আত্মহত্যা একটি অনৈতিক ক্রিয়া। এ প্রসঙ্গে একটি জনপ্রিয় যুক্তি হলো- আত্মহত্যা যেসব কারণে সংঘটিত হয়, যেমন- বিষণ্নতা, মানসিক বেদনা বা অর্থনৈতিক দারিদ্র্য ইত্যাদি সমস্যা সাময়িক এবং এসব কারণের অনেকগুলোই উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে দূর করা সম্ভব। আত্মহত্যা প্রতিরোধের জন্য প্রচলিত মতবাদটিকে এই প্রবচনের মাধ্যমে এককথায় এভাবে প্রকাশ করা যায়: "আত্মহত্যা হচ্ছে সাময়িক সমস্যার চিরস্থায়ী সমাধান"। তবে আত্মহত্যার বিপক্ষে এই যুক্তির প্রতিযুক্তিও আছে। যদিও অধিকাংশ মানুষের ক্ষেত্রে মানসিক বেদনার বিষয়টি সাময়িক, তবুও কোনো কোনো ক্ষেত্রে মানসিক বেদনা এতটাই তীব্র হয় যে, সেটা সহ্য করা ক্ষেত্রবিশেষে অসম্ভব হয়ে পড়ে। তাছাড়া কোনো কোনো ক্ষেত্রে মানসিক বেদনা নিরসনে আন্তরিক পরামর্শও কোনো কাজে আসে না। কিছু ক্ষেত্রে এমন সমস্যা দেখা দেয় যা সমাধানের অতীত। এধরনের কিছু সমস্যার উদাহরণ হলো, অনারোগ্য রোগভোগ অথবা আজীবন মানসিক সমস্যায় ভোগা।
সামাজিক চুক্তি
জাঁ জ্যাক রুশো-এর মতে, একটি সমাজের সাথে একজন মানুষের চুক্তি হলো- প্রতিটি মানুষের নিজের জীবন রক্ষাকল্পে জীবনের ঝুঁকি নেবার অধিকার আছে। হোবেস তার লেভিথান নামক গ্রন্থে বলেছেন, "নিজের জীবন ধ্বংসকারী যেকোনো ক্রিয়াই প্রকৃতিকভাবে নিষিদ্ধ। এই প্রাকৃতিক নিয়ম ভঙ্গ করা অযৌক্তিক এবং অনৈতিক। মানুষের জন্য যৌক্তিক হলো সে মৃত্যুকে ভয় পাবে এবং সে সুখের প্রত্যাশায় থাকবে।
09/01/2022
বিজ্ঞান অারো সহজভাবে উপলব্ধি করুন।
09/01/2022
বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটার যা ছিলো দক্ষিণ এশিয়াতেও ব্যবহার করা প্রথম কম্পিউটার।
বাংলাদেশে কম্পিউটার ব্যবহারের সূচনা হয় ষাটের দশকে এবং নববই-এর দশকে তা ব্যাপকতা লাভ করে। দশকের মধ্যভাগ থেকে এ দেশে তথ্য প্রযুক্তি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করতে শুরু করে। পাকিস্তান পরমাণু শক্তি কমিশনের পরমাণু শক্তি কেন্দ্র, ঢাকা-তে ১৯৬৪ সালে স্থাপিত হয় বাংলাদেশের (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) প্রথম কম্পিউটার। এটি ছিল আইবিএম (International Business Machines - IBM) কোম্পানির 1620 সিরিজের একটি মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe Computer)। যন্ত্রটির প্রধান ব্যবহার ছিল জটিল গবেষণা কাজে গাণিতিক হিসাব সম্পন্নকরণ।এটি ছিল দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম কম্পিউটার।
ষাটের দশকে দেশে ও বিদেশে বৈজ্ঞানিক গবেষণাসহ ব্যাংক-বীমা ও ব্যবসা-বাণিজ্যে দ্রুত প্রসার ঘটতে শুরু করে; এবং এজন্য রুটিন হিসাবের পরিমাণ যেমন বৃদ্ধি পায় তেমনি প্রয়োজন হয়ে পড়ে হিসাবে দ্রুততা আনয়নের। বড় বড় অনেক প্রতিষ্ঠানে হাতে-কলমে হিসাব পরিচালনা প্রায় অসম্ভব হয়ে ওঠে। এসময় দেশের কয়েকটি বৃহৎ প্রতিষ্ঠান ব্যয়বহুল মেইনফ্রেম কম্পিউটার স্থাপন করে। ষাটের দশকের শেষ দিকে তদানীন্তন হাবিব ব্যাংক IBM 1401 কম্পিউটার এবং ইউনাইটেড ব্যাংক IBM 1901 কম্পিউটার স্থাপন করে। প্রধানত ব্যাংকের যাবতীয় হিসাব-নিকাশের জন্য ব্যবহূত এসব কম্পিউটার ছিল তৃতীয় প্রজন্মের মেইনফ্রেম ধরনের।
স্বাধীনতার পূর্বে, ১৯৬৯ সালে পরিসংখ্যান ব্যুরোতে স্থাপিত হয় একটি IBM 360 কম্পিউটার। আদমজী জুট মিলেও এ সময় একটি মেইনফ্রেম কম্পিউটার স্থাপিত হয়েছিল। সীমিত পরিসরে হলেও স্বাধীনতা পূর্বকালে দেশের বিশ্ববিদ্যালয় স্তরে গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, ফলিত পদার্থবিজ্ঞান, তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক্স কৌশল প্রভৃতি বিষয়ের পাঠ্যক্রমে কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার-এর অন্তর্ভুক্তি শুরু হয়। ১৯৭২-এর পর থেকে পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো নামক প্রতিষ্ঠানে স্থাপিত হয় IBM 370, IBM 9100 এবং IBM 4341 প্রভৃতি বৃহৎ কম্পিউটার।
05/01/2022
লেনজের আইন: সূত্র, সমীকরণ, প্রয়োগ, উদাহরণ
দ্য লেনজের আইন চৌম্বকীয় ক্ষেত্রের প্রবাহের পার্থক্যের কারণে একটি ক্লোজড সার্কিটে প্ররোচিত বৈদ্যুতিন শক্তি বলয়ের মেরুচরিতা এমনটি প্রমাণিত হয় যে এটি বলা প্রবাহের প্রকরণের বিরোধিতা করে।
ফ্যারাডির আইনের পূর্ববর্তী নেতিবাচক চিহ্নটি লেনজের আইনটিকে বিবেচনা করে, কারণ এটি ফ্যারাডে-লেন্সের আইন বলা হয় এবং যা প্রকাশিত হয়:
হেইনরিচ লেনজের পরীক্ষা-নিরীক্ষা-
হেইনরিচ লেনজ (১৮০৪-১65 scientific) তাঁর বৈজ্ঞানিক কর্মজীবন জুড়ে অসংখ্য পরীক্ষামূলক কাজ সম্পাদন করেছিলেন। হ'ল লুপের মাঝখানে হঠাৎ করে একটি চৌম্বক ফেলে রেখে তৈরি করা চৌম্বকীয় শক্তি এবং প্রভাবগুলি পরিমাপ করার জন্য উত্সর্গীকৃত, আমরা সবেমাত্র বর্ণিত তাদের মধ্যে সর্বাধিক পরিচিত are তার ফলাফলের সাথে তিনি মাইকেল ফ্যারাডেয়ের কাজটি পরিমার্জন করলেন।
ফ্যারাডির আইনে সেই নেতিবাচক চিহ্নটি সেই পরীক্ষায় পরিণত হয়েছিল যার জন্য তিনি আজ সবচেয়ে বেশি পরিচিত recognized যাইহোক, লেনজ তার যৌবনে ভূ-পদার্থবিদ্যায় প্রচুর কাজ করেছিলেন, ইতিমধ্যে তিনি কয়েল এবং টিউবগুলিতে চৌম্বকগুলি ফেলে দেওয়ার কাজে নিযুক্ত ছিলেন। তিনি ধাতব বৈদ্যুতিক প্রতিরোধের এবং পরিবাহিতা সম্পর্কে অধ্যয়নও করেছিলেন।
বিশেষত, প্রতিরোধের মানের উপর তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রভাবগুলিতে। তিনি পর্যবেক্ষণ করতে ব্যর্থ হননি যে যখন তারের উত্তাপ হয় তখন প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায় এবং তাপ অপচয় হয়, এমন একটি বিষয় যা জেমস জোলও স্বাধীনভাবে লক্ষ্য করেছিলেন।
বৈদ্যুতিন চুম্বকত্বের ক্ষেত্রে তাঁর অবদানকে চিরকাল স্মরণে রাখার জন্য, তাঁর নাম বহনকারী আইন ছাড়াও, ইন্ডাক্ট্যান্সস (কয়েল) এল অক্ষর দ্বারা চিহ্নিত করা হয় ।
02/01/2022
কৃষ্ণগহবরের ভেতরের রহস্য
মহাবিশ্বের এই বিশাল রহস্যময় এক গোলকধাঁধায় কৃষ্ণগহবরগুলো আসলে আরেক রহস্যময় দুনিয়ার জন্ম দেয়। কৃষ্ণগহবরগুলো আসলে মহাবিশ্বের ভেতরে অবস্থিত এমন কিছু জায়গার সমষ্টি যেখানে মাধ্যাকর্ষণ বল অত্যন্ত শক্তিশালী; এতোটাই শক্তিশালী যেখানে আলো তার পথ হারিয়ে ফেলে। আসলে কৃষ্ণগহবরের ভেতরের রহস্য নিয়ে কেউই তেমন মজবুত ব্যাখ্যা দিয়ে যেতে পারেননি। বিশিষ্ট বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংস কৃষ্ণগহবরের রহস্যের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ‘ইভেন্ট হরাইজন’ নামক বিশেষ এক তাত্ত্বিক ধারণার কথা বলেছেন। তবে ‘ইভেন্ট হরাইজন’ কৃষ্ণগহবরের বাইরে অবস্থান করার কারণে তত্ত্বটিও অনিশ্চিত এক রহস্যের কথা বলে।
02/01/2022
সবুজ রসায়ন(Green chemistry)
কার্যত সবুজ রসায়ন এমন একটি গবেষণাদর্শন, যার উদ্দেশ্য এমন রাসায়নিক পদ্ধতির উদ্ভাবন ও অবলম্বন করা যাতে শিল্পজাত বর্জ্যের পরিমাণ হ্রাস পায়, ঝুঁকিপূর্ণ রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহার হ্রাস পায় এবং শক্তির অপচয় হ্রাস পায়। এটি রসায়নের একটি নবতর শাখা। এর লক্ষ্য মানবদেহের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ উপাদান বর্জিত পণ্য ও পদ্ধতি আবিষ্কার।
31/12/2021
কমপ্যাক্ট ডিস্ক
কমপ্যাক্ট ডিস্ক (Compact Disc) ইংরেজি শব্দ। তথ্য ধারণের একটি চাকতি বিশেষ, ডিজিটাল তথ্য যেমন- লেখা , ছবি, ভিডিও, গান প্রভৃতি রাখার একটি প্রযুক্তি। গোলাকৃতির ও কয়েক মিলিমিটার পুরু চাঁচ নির্মিত এই ডিস্ক কম্পিউটারের ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখে। আদর্শ সিডিগুলোর ব্যাস প্রায় ১২০ মি.মি. বা ৪.৭ ইঞ্চি হয়ে থাকে এবং এতে প্রায় ৭০০ মেগাবাইট (৭০০×২^২০ বাইট) তথ্য সংরক্ষণ করা যায়। এটি প্রি-রেকর্ডেড, রেকর্ডেবল, এবং রিরাইটেবল তিন ধরনের হয়ে থাকে। এর থেকে তথ্য উদ্ধারের বা পড়ার জন্য একটি ড্রাইভ বা চলক প্রয়োজন হয়।