15/12/2020
সকলকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা
Best Nursing Admission Coaching in Mymensingh
15/12/2020
সকলকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা
রিদম নার্সিং ভর্তি কোচিং
বাউন্ডারি রোড, রুমডো মেডিকেল হেলথ টেকনোলজি, ময়মনসিংহ।
©বি,এস.সি ইন নার্সিং
©ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স এণ্ড মিডওয়াইফারি
©ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি
🟥 নার্সিং এ চান্স পেতে চান মন দিয়ে পড়ুন ও মেনে চলার চেষ্টা করুন। জেনে নিন চান্স পাওয়ার শর্টকাট টেকনিক🟥
💠প্রথমেই চটকদার টাইটেল দেখে বিস্মিত হওয়ার কিছু নেই। চান্স পাওয়ার জন্য দরকার হয় কঠোর পরিশ্রম এবং অধ্যবসায়।
➡️ যেকোন ভর্তি পরীক্ষায় ভালো করার প্রথম ধাপ হলো কোশ্চেন ব্যাংক৷ আপনি বিএসসি, ডিপ্লোমা বা মিডওয়াইফারি যেকোনো একটা পরীক্ষা দেবেন বলে ঠিক করেছেন, সেই প্রশ্ন ব্যাংক কিনতে হবে।
শুধু কিনলেই হবে নাহ, প্রশ্নগুলো সলভ করতে হবে এবং প্রশ্নের ধরন বুঝতে হবে। যেমনঃ প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে বুঝতে হবে, স্যাররা আসলে কোন জায়গা হতে প্রশ্ন করতে পছন্দ করেন, প্রশ্নগুলো কোন ধাচের হয় এবং কোনখান থেকে কতগুলো প্রশ্ন হয়. উদাহরণস্বরূপঃ প্রতি বছর ধ্বনি পরিবর্তন থেকে একটা প্রশ্ন আসেই। অর্থাৎ, দুই পেজ পড়ে এক নাম্বার কমন।
➡️. সময়ের সৎ ব্যবহার করতে হবে। দাগিয়ে দাগিয়ে বই পড়া উচিত ইন্টার থেকেই। নাহ হলেও সমস্যা নাই, এখন থেকে করেন। ফাও দাগালে চলবে নাহ, এমন এমন বাক্য দাগাতে হবে, যেটা দেখলে আপনার পুরো জিনিসটাই আবার মাথায় চলে আসবে। খুব ভালোমত দাগানো ও মনে রাখার বিভিন্ন টেকনিক ব্যবহার করে আমি ১০ মিনিটে একটি অধ্যায়ের সব খুটিনাটি রিভিশন দিতে পারতাম। এখানেই একটা পার্থক্য তৈরি হয়।
➡️. এডমিশন টাইমটা জীবণের সবচেয়ে প্রতিকূল সময়। দেখবেন, সময়, পরিস্থিতি, আবেগ এমনকি মাঝে মধ্যে বাবা-মাও আপনার পক্ষে নাহ। বাবা-মা এসে বলতে পারেন, ওমুখের ছেলে একাধারে বুয়েট, ঢাবি, মেডিক্যালে চান্স পাইছে তোকেও পাইতে হবে!!! বিশ্বাস করেন, আমার জানা মতে সবগুলার প্রস্তুতি নিয়ে কেও কখনও ভালো করেনি এডমিশন টেস্টে। যারা একাধিক জায়গায় চান্স পায়, তাদের হয়ত এইচ এস সি তে প্রস্তুতি ভালো থাকে এজন্যই হয়। যে কোন একটি লক্ষ্য কে সামনে রেখে লড়তে হবে৷✋
➡️. নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা শিখতে হবে। পড়া-শোনা ভালো করেও চান্স নাহ পাওয়ার একটা বড় কারণ নিজেকে কন্ট্রোল করতে না পারা। আবেগ, দূর্বলতা এগুলা নিজের থেকে ঝেড়ে ফেলতে হবে।👆
ওমুখ ছেলে পড়ে শেষ করে ফেললো, তোমুখ পরীক্ষায় হায়েস্ট পায় এগুলা দিয়ে আপনার কি হবে? আপনার নিজের কমপিটিশন নিজের সাথে ওমুখ-তোমুখের সাথে নয়। কান্না, ভয়-ভীতি, ম্যা ম্যা স্বভাব ভুলে যান, বাস্তবতাকে বুঝতে শেখেন। বাস্তবতা অনেক কঠিন। 😴
➡️. অনেক অনেক পরীক্ষা দিতে হবে৷ শুধু কোচিং এ নাহ। নিলক্ষেতে ভুড়ি ভুড়ি মডেল টেস্টের বই কিনতে পাওয়া যায়, সেগুলো দিয়ে ডেইলি পরীক্ষা দেবেন।👆
৩০০/৪০০ মডেল টেস্ট করা ছাড়া এডমিশন টেস্টে বসা উচিত নাহ। এর মাধ্যমে আত্মবিশ্বাস বাড়বে আর দ্রুততম সময়ে ভালো পরীক্ষা দেয়ার অভ্যাস হবে। কোনটা আগে উত্তর করবে সেটা তোমার ইচ্ছা, যেটা সবচেয়ে ভালো পার আর দ্রুত করতে পার সেটাই উত্তর করবে।✌
➡️. পরীক্ষার হলে ঠান্ডা থাকার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। এডমিশন টেস্টে আমি অনেককে চিনি যারা অনেক অনেক ভালো ছাত্র ছিল, কিন্তু পরীক্ষার হলে ম্যা ম্যা করায় চান্স পায় নাই। আপনি যা প্রিপারেশন নিবেন, পরীক্ষা তেমনই হবে, এটাই বাস্তবতা। বিশ্ববিদ্যালয় একটি বিশাল প্লাটফর্ম মাত্র, ভালো বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া ভালো কিছু করা যায় নাহ এটা হলো আমাদের সমাজের ভুয়া কথা। ভালো সরকারি নার্সিং কলেজে পড়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করুন, কিন্তু এটাকে জীবণ-মরণ সমস্যা বানিয়ে ফেলবেন নাহ। এধরণের মানুষ মানসিক রোগের শিকার।😴✋
➡️. নিজ শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখুন। আমি ২৪ ঘন্টার মধ্যে ২০ ঘন্টা পড়তে বলার মানুষ নাহ। প্রতিদিন ভালোমত ঘুমাবেন এবং সকালে ওঠার চেষ্টা করবেন ভোরে পড়া ভালো হয়। প্রচুর খাওয়া-দাওয়া করা লাগবে। বাবা-মাকে বলবেন পছন্দের জিনিস রান্না করতে। আর আপনার যদি পরিবারে আর্থিক সমস্যা থাকে, বলবেন আপনাকে এগুলা থেকে দূরে রাখতে। আর্থিক চিন্তা আর পেটে ক্ষিদা নিয়ে যাই হোক আর পড়া হয় নাহ। 😴✋
➡️ ফেসবুক ব্যবহার যতটুকু কম সম্ভব কমিয়ে দিন। দিনে ১০-৩০ মিনিটের বেশি ফেসবুক ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। কবে কোথায় পরীক্ষা এবং কবে ফর্ম তুলতে হবে শুধুমাত্র এগুলা জানার জন্যই শুধু মাত্র ফেসবুক ব্যবহার করুন।✋
➡️. অনেক উটকু মানসিক চাপ আছে, যা এডমিশন প্রার্থীরা নিজের মাথায় নেয়। যেমনঃ "আয় হায়!!! ঢাবিতে এক সিটের জন্য ১০০ জন পরীক্ষা দিবে। আমার পক্ষে তো সম্ভব নাহ।" এমন আরও অনেক আছে। তাদের কাছে আমার প্রশ্ন হলো, "আপনি হেরে যেতে পৃথিবীতে আসছেন?" শান্ত থাকেন!!! চিল টাইপের মানুষজন জীবণের সব জায়গায় ভালো করে। মানসিক অস্থিরতা কোন কাজেই সাহায্য করে নাহ, কিন্তু অপকার করে অনেক বেশি। ✋
যোগাযোগঃ ০১৪০০৭৫১৮৩০
03/11/2020
| Monday | 09:00 - 17:00 |
| Tuesday | 09:00 - 17:00 |
| Wednesday | 09:00 - 17:00 |
| Thursday | 09:00 - 17:00 |
| Saturday | 09:00 - 17:00 |
| Sunday | 09:00 - 17:00 |