22/07/2025
বিনম্র শ্রদ্ধা এমন ক্ষণজন্মা মহীয়সী শিক্ষিকা মেহেরিন চৌধুরী । আল্লাহ উনাকে জান্নাত নসিব করুক।আমিন।
"Develop a passion for learning. If you do, you will never cease to grow." -Anthony J. D'Angelo
22/07/2025
বিনম্র শ্রদ্ধা এমন ক্ষণজন্মা মহীয়সী শিক্ষিকা মেহেরিন চৌধুরী । আল্লাহ উনাকে জান্নাত নসিব করুক।আমিন।
লাল গ্রহ বলা হয় কোনটি কে ?
(১) মঙ্গল গ্রহ
(২) বুধ গ্রহ
(৩) বৃহস্পতি গ্রহ
(৪) শনি গ্রহ
উত্তর : সৌরজগতে ৮টি গ্রহ আছে (পূর্বে ছিল ৯টি)। এগুলোর মধ্যে ১ ৪র্থ গ্রহ হচ্ছে মঙ্গল (Mars)। পৃথিবী থেকে এ গ্রহটিকে দেখতে লালচে দেখায়। তাই একে বলা হয় 'লাল গ্রহ'। সবুজ গ্রহ হচ্ছে ইউরেনাস।গ্রহরাজ বলা হয় বৃহস্পতি কে।
•পরাগায়ন কাকে বলে :-
✓ফুলের পরাগধানী হতে পরাগরেণু একই ফুলে অথবা একই জাতের অন্য একটি ফুলের গর্ভমুন্ডে স্থানান্তরিত হওয়াকে পরাগায়ন বলা হয়। পরাগায়নকে পরাগ সংযোগও বলা হয়। পরাগায়ন ফল ও বীজ উৎপাদন প্রক্রিয়ার পূর্বশর্ত।
•পরাগায়ন কত প্রকার ও কি কি :
✓পরাগায়ন দু'প্রকার। যথা-
১. স্ব-পরাগায়ন এবং
২. পর পরাগায়ন
নগ্নবীজী উদ্ভিদ কাকে বলে?
✓যে সকল উদ্ভিদের ফুল ও বীজ হয় কিন্তু ফুলে গর্ভাশয় নেই বলে ফল উৎপন্ন হয় না বিধায় বীজ নগ্ন অবস্থায় থাকে, তাদের নগ্নবীজী বা ব্যক্তবীজী উদ্ভিদ (Gymnosperm) বলে। যেমন— ডাব, নারিকেল ইত্যাদি। নগ্নবীজী উদ্ভিদ সজীব উদ্ভিদগুলোর মধ্যে প্রাচীন।
গ্রিক শব্দ Gymnos = নগ্ন ও spermos = বীজ থেকে Gymnospermae শব্দটি উদ্ভূত হয়েছে।
আবৃতবীজী উদ্ভিদ কাকে বলে?
✓যে সকল উদ্ভিদের বীজ ফলের অভ্যন্তরে আবৃত অবস্থায় থাকে সে সকল উদ্ভিদকে Angiosperm বা আবৃতবীজী উদ্ভিদ বলে। আবৃতবীজী উদ্ভিদ আবার গুপ্তবীজী উদ্ভিদ নামেও পরিচিত। আম, জাম, কাঁঠাল ইত্যাদি।
গলগন্ড কেনো হয়?
গলগণ্ড হয়ে থাকে, আয়োডিনের ঘাটতির কারণে। থাইরয়েড গ্রন্থি দ্বারা অত্যধিক হরমোন উৎপাদনের কারণেও এটি ঘটতে পারে। ভয়েস বক্সের নীচে গলার বড় হওয়া ভাগ হল গলগন্ড। এই রোগ নিরাময়ের জন্য তেজস্ক্রিয় আয়োডিন চিকিৎসা ব্যবহার করা হয়।
গায়ের বর্ণ কিসের উপর নির্ভর করে?
হাইপার পিগমেন্টেশন: ত্বকের মধ্যে থাকে কোষ দ্বারা উত্পন্ন মেলানিন। এই রঞ্জক পদার্থটির পরিমাণের উপর নির্ভর করে ত্বকের রং কেমন হবে। সাদা না শ্যামলা নাকি কালো। ত্বকে মেলানিনের মাত্রা অতিরিক্ত হলে, তখন ত্বক কালো হয়ে যায়।
ফুল ফল রঙিন হয় কেনো?
ক্রোমোপ্লাস্টের কারণে ফুল ও ফল রঙিন হয়। এরা রঙিন প্লাস্টিড তবে এরা সবুজ নয়। এসব প্লাস্টিড জ্যান্থফিল, ক্যারোটিন, ফাইকোএরিথ্রিন, ফাইকোসায়ানিন ইত্যাদি বর্ণের কণিকা ধারণ করে তাই কোনোটিকে হলুদ, কোনোটিকে নীল আবার কোনোটিকে লাল দেখায়। এদের মিশ্রণজনিত কারণে ফুল, ফল ও উদ্ভিদের অন্যান্য অংশ আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে।
12/08/2023
#ক্লোরোপ্লাস্টের গঠন ও কাজ :
সবুজ রঙের প্লাস্টিড হিসেবে পরিচিত ক্লোরোপ্লাস্টের প্রাচীর দুই স্তর বিশিষ্ট। এর বাহিরের স্তরকে বহিঃস্তর এবং ভিতরের স্তরকে অন্তঃস্তর বলে। ক্লোরোপ্লাস্টের অন্তঃস্তরের ভিতরে কতগুলো পিপা সদৃশ চাকতির মত অংশ রয়েছে। এদরকে গ্রানাম বলে। চাকতিগুলো একটির উপর একটি সজ্জিত থাকে স্তুপের ন্যায়। একে গ্রানামচক্র বা থাইলাকয়েড বলে। পাশাপাশি দুটি গ্রানাম চক্রের মধ্যকার সংযোগকারী অংশকে গ্রানাম ল্যামেলাম বলে। ক্লোরোপ্লাস্টের অভ্যন্তরের তরল পানিগ্রাহী অংশকে মাট্রিক্স বা স্ট্রোমা বলে।
প্লাস্টিড / ক্লোরোপ্লাস্টের কাজঃ
১. সালোকসংশ্লেষন প্রক্রিয়ায় শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করা ক্লোরোপ্লাস্টের কাজ।
২. উদ্ভিদের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সঞ্চয় করা ।
৩. উদ্ভিদকে বর্নময় এবং আর্কষনীয় করে এর মূল্য বৃদ্ধি করে এবং দৃষ্টি নন্দন করে তোলে।
৪. ফুল, পাতা ও ফলকে রঙিন ও সুন্দর করে কীটপতঙ্গকে আকৃষ্ট করে যেন পরাগায়ন সহজ হয় ও ফল, বীজের বিস্তার হয়।
৫. ফটোফসফোরাইলেশন ও ফটোরেসপিরেশনে সাহায্য করে।
ত্রিভুজের বৈশিষ্ট্য ২য় পার্ট:
৭. ত্রিভুজের মাত্র একটি কোণ সমকোণ অথবা স্থূলকোণ হতে পারে।
• ৮. ত্রিভুজের কোনো কোণ কখনোই ০" হতে পারে না।
• ৯. ত্রিভুজের কোনো কোণের শীর্ষ বিন্দু থেকে বিপরীত বাহুর মধ্যবিন্দুর সংযোগ সরল রেখাকে মধ্যমা বলে।
• ১০. ত্রিভুজে কেবল মাত্র তিনটি মধ্যমা থাকে ।
• ১১. সমকোণী ত্রিভুজে একটি সমকোণ এবং বাকি দুটি সূক্ষ্মকোণ/সূক্ষকোণ থাকে।
• ১২. স্থূলকোণী/স্থুলকোণী ত্রিভুজে একটি স্থূলকোণ/ স্থুলকোণ এবং বাকি দুটি সূক্ষ্মকোণ/সুক্ষকোণ থাকে।
• ১৩. সূক্ষ্মকোণী/সূক্ষকোণী ত্রিভুজে তিনটি কোণি
সূক্ষ্মকোণ/সূক্ষকোণ ৷ • ১৪. ত্রিভূজ আঁকতে কমপক্ষে ৩ টি নিরপেক্ষ উপাদান
প্রয়োজন হয়।
• ১৫. ত্রিভুজের যে যে কোণ সমান, সেই সেই কোণের বিপরীত বা সামনের বাহু গুলো ও পরস্পর সমান।
• ১৬. সমবাহু ত্রিভুজের মধ্যমা তিনটি পরস্পর সমান।
• ১৭. ত্রিভুজের যে কোন মধ্যমা ত্রিভুজকে সমান ক্ষেত্রফল বিশিষ্ট দুটি ত্রিভুজে বিভক্ত করে।
১৮. সমকোণী ত্রিভুজে সমকোণের বিপরীত বা সামনের বাহুকে অতিভুজ বলে।
১৯. সমকোণী ত্রিভুজে সূক্ষকোণ/সূক্ষ্মকোণ দুটির যোগফল এক সমকোণ বা ৯০" হয়।
■ ২০. ত্রিভুজের যে কোনো দুই বাহুর যোগফল বা সমষ্টি
তৃতীয় বা বাকি থাকা বাহুর চেয়ে বড় হয়।
ত্রিভুজ কি বা কাকে বলে বা ত্রিভুজের সংজ্ঞাঃ
'ত্রি' অর্থ তিন এবং 'ভুজ' অর্থ বাহু। সুতারং 'ত্রিভুজ' অর্থ তিন বাহু। কিন্তু তিন বাহু থাকলেই কোন ক্ষেত্র ত্রিভুজ হয় না। ত্রিভুজ হতে গেলে তিন বাহু দ্বারা আবদ্ধ ক্ষেত্র বা চিত্র হতে হবে। সুতারং তিনটি রেখা বা বাহু দ্বারা আবদ্ধ চিত্র বা ক্ষেত্র কে ত্রিভুজ বা ত্রিভুজ ক্ষেত্র বলে। ইংরেজীতে ত্রিভুজ কে Triangle বলে।
ত্রিভুজ কি বা কাকে বলেঃ
ত্রিভুজ বলতে সাধারন্ত তিনিটি বাহু দ্বারা আবদ্ধ চিত্র বা অবস্থাকে বোঝায়। অর্থাৎ ত্রিভুজ বলতে কোনো ক্ষেত্ৰ বা জায়গার বাহু গুলোকে বোঝায় বা ক্ষেত্রটির পরিসীমা কে বোঝায়। অর্থাৎ ত্রিভুজ বলতে তিনটি বাহু দ্বারা আবদ্ধ চিত্র কে বা আবদ্ধ বাহু গুলো কে বোঝায়।
ত্রিভুজ ক্ষেত্র কিঃ
ক্ষেত্র বলতে সাধারন্ত জায়গা বা ক্ষেত্র কে বোঝানো হয়। সুতারং কোন ক্ষেত্র যখন তিনটি রেখা বা বাহু দ্বারা আবদ্ধ থাকে তখন সেই ক্ষেত্র বা জায়গা কে ত্রিভুজ ক্ষেত্র বলে।
বাহু ও কোণ ভেদে ত্রিভুজের বৈশিষ্ট্যঃ
ত্রিভুজের পরিসর ব্যপক। এর অনন্য বৈশিষ্ট্য থাকায় ত্রিভুজ পরিমাপ পদ্ধতির বিশাল অংশ দখল করে রেখেছে। পরমাপ ক্ষেত্র তথা শিক্ষা ক্ষেত্রে ত্রিভুজের বৈশিষ্ট্য জানা তাই খুবি আবশ্যক একটি বিষয়। নিম্নে ত্রিভুজের গুরুত্বপূর্ণ কিছু বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হলো-
• ১. ত্রিভুজের তিনটি বাহু থাকে। ২. ত্রিভুজের তিনটি কোণ থাকে।
•
• ৩. ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি ১৮০০ বা এক সরলকোণ বা দুই সমকোণ।
• ৪. ত্রিভুজের যে কোনো এক বাহুকে বর্ধিত করলে বহিঃস্থ বা বাইরে যে কোণ উৎপন্ন হয় তা ত্রিভুজের অন্তস্থ বা ভিতরে অবস্থিত বিপরীত কোণ দুটির সমষ্টির সমান।
• ৫. ত্রিভুজের সমান সমান বাহুর বিপরীত কোণ গুলো পরস্পর সমান হয়।
• ৬. ত্রিভুজের যে কোনো দুই বাহুর মধ্যবিন্দু তৃতীয় বাহুর সমান্তরাল এবং দৈর্ঘ্য তার অর্ধেক হয়।
(বাকি বৈশিষ্ট্য গুলো ধীরে ধীরে দেওয়া হবে)