Iqra Qawmi Institute

Iqra Qawmi Institute

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Iqra Qawmi Institute, Education & Learning, Maskanda, Mymensingh.

ইলমে নববীর প্রাঙ্গণে আপনাকে স্বাগতম !💐
যাবতীয় সকল ইসলামী শিক্ষা অর্জন করুন আমাদের অনলাইন সেবার মাধ্যমে ঘরে বসেই,আপনার সুবিধাজনক সময় ও অবস্থানে। 01919465871
কোরআনের আঙ্গিকে জীবন সাজাতে এটিই দারুণ সুযোগ।
জ্ঞান চর্চায় অগ্রগামী, ইসলামের আলোকে জীবন গড়ি🙌

25/02/2025

ভর্তি চলছে! ভর্তি চলছে!! ভর্তি চলছে!!!

আপনার জীবনে ইসলামের আলো ছড়িয়ে দিতে ইক্বরা কওমি ইনস্টিটিউট নিয়ে এসেছে অনলাইনে ইসলামি শিক্ষার সুবর্ণ সুযোগ! 📖🕌

🔹 ১৩টি বিশেষ ইসলামিক কোর্স
🔹 দক্ষ ও অভিজ্ঞ উস্তাদদের তত্ত্বাবধান
🔹 সহজ, কার্যকর ও ব্যক্তিগত মনোযোগের সঙ্গে পাঠদান

📚 কোরআন শিক্ষা, হাদিস, আরবি ভাষা, ফিকহ এবং আরও অনেক বিষয়—সব এক প্ল্যাটফর্মে!

📞 যোগাযোগ করুন এখনই:
📲 01919465871 | 01737-774298

🔗 ফেসবুক পেজ: https://www.facebook.com/iqraqawmiinstitute
🌐 ওয়েবসাইট: https://iqra-client-site.vercel.app/

👉 আজই যুক্ত হোন ইক্বরা কওমি ইনস্টিটিউটের সঙ্গে! ইসলামের আলোয় শুরু হোক আপনার নতুন পথচলা।

#ইসলামী_শিক্ষা #অনলাইন_মাদরাসা #ইক্বরা_কওমি_ইনস্টিটিউট #কোরআন_ও_হাদিস

18/02/2025

❤️❤️

16/02/2025

সামাজিক জীবনে ইসলামী শিষ্টাচার
জুবায়ের বিন মামুন

সামাজিক জীবনে ইসলামী শিষ্টাচার

শিষ্টাচার হলো ভদ্র, মার্জিত ও রুচিসম্মত আচরণ, যা মানুষকে সংযমী ও বিনয়ী করে তোলে। এই গুণ হঠাৎ করেই কারো মধ্যে গড়ে ওঠে না। এর জন্য গ্রহণ করতে হয় দীর্ঘ প্রস্তুতি। শিষ্টাচারের বীজ মূলত বপন করা হয় শিশুকালে।

এ ক্ষেত্রে পারিবারিক ভূমিকাই প্রধান। শিশুরা অনুকরণ প্রিয়। পরিবারের বড়রা যে ধরনের ব্যবহার করে শিশুরাও তা-ই অনুসরণ করে।
আদর্শ ও সুশৃঙ্খল সমাজ গঠনে শিষ্টাচারের গুরুত্ব অপরিসীম।

শিষ্টাচারের গুরুত্ব সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘নিশ্চয়ই উত্তম চরিত্র, ভালো ব্যবহার ও পরিমিত ব্যয় বা মধ্যপন্থা অবলম্বন করা নবুয়তের ২৫ ভাগের এক ভাগ।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ৪৭৭৬)
নিম্নে প্রতিদিনের জীবনে ইসলামী শিষ্টাচারের কিছু দিক তুলে ধরা হলো—

প্রতিদিনের জীবনে শিষ্টাচার

জীবনের প্রতিটি কাজ একটি নীতি-আদর্শ অনুসারে বা শিষ্টাচার অনুযায়ী করতে হয়। শৃঙ্খলা অনুসারে চললে সমাজে ভারসাম্য বজায় থাকে। নির্দেশনা অনুসারে কাজ করা না হলে সে কাজ সুচারুরূপে সম্পন্ন হয় না এবং তাতে কাঙ্ক্ষিত ফলও অর্জিত হয় না।

মানুষের সঙ্গে ওঠাবসা, পানাহার, বসবাস ও সহাবস্থান সমাজজীবনের মৌলিক কাজ। এসব প্রাত্যহিক কর্মকাণ্ডে শিষ্টাচারের সর্বোত্তম উদাহরণ হলেন মহানবী (সা.)। আল্লাহ বলেন, ‘তুমি অবশ্যই মহান চরিত্রের অধিকারী।’ (সুরা : আল-কলম, আয়াত : ৪)
সালাম বা সম্ভাষণ

ইসলামী জীবন বিধানে ছোট-বড়, পরিচিত-অপরিচিত সবাইকে সালাম দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সালামের জবাব দেওয়ার জন্যও অধিক গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যখন তোমরা সালাম ও অভিবাদনপ্রাপ্ত হও, তখন তোমরা তার চেয়ে শ্রেষ্ঠতর সম্ভাষণ করো অথবা একইভাবে অভিবাদন করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ সব বিষয়ে হিসাব গ্রহণকারী।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ৮৬)
প্রতিবেশীর সঙ্গে সদাচরণ করা

প্রতিবেশীর সঙ্গে সদাচরণ করা মুসলমানের অন্যতম কর্তব্য। সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষার্থে হৃদয়ের সবটুকু ভালোবাসা উজাড় করে দিয়ে প্রতিবেশীর সঙ্গে সুসম্পর্ক স্থাপন করা। প্রতিবেশীকে কষ্ট দেওয়া হারাম। আবু শুরাইহ (রা.) থেকে বর্ণিত, একবার রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘আল্লাহর শপথ সে মুমিন নয়, আল্লাহর শপথ সে মুমিন নয়, আল্লাহর শপথ সে মুমিন নয়। জিজ্ঞেস করা হলো, কে সে জন, হে আল্লাহর রাসুল? তিনি বলেন, যার প্রতিবেশী তার অত্যাচার থেকে নিরাপদে থাকতে পারে না।’ (মিশকাত, হাদিস : ৪৯৬২)

রাগ না করে হাসিমুখে কথা বলা

রাসুলুল্লাহ (সা.) সর্বদা মানুষের সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলতেন। এবং ক্রোধান্বিত হওয়া থেকে বিরত থাকতেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘হাস্যোজ্জ্বল মুখ নিয়ে তোমার ভাইয়ের সামনে উপস্থিত হওয়া তোমার জন্য সদকাস্বরূপ।’ (তিরমিজি, হাদিস : ১৯৫৬)

কুধারণা পরিহার করা

এক মুসলিম অন্য মুসলিম ভাইয়ের প্রতি সুধারণা পোষণ করতে হবে—এটাই ইসলামের শিক্ষা। এটা মানবতার মুক্তির দূত রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর আদর্শ। কুধারণায় পরিবার, সংসার ও প্রতিষ্ঠান—সব কিছু তছনছ হয়ে যায়। ইসলামে কুধারণা পাপ। কোনো মানুষের প্রতি খারাপ ধারণা পোষণ করা সমীচীন নয়। কেননা এতে মানুষ কষ্ট পায়। আল্লাহ বলেন, ‘হে বিশ্বাসীরা! তোমরা বেশি বেশি ধারণা করা থেকে বিরত থাকো। নিশ্চয়ই কিছু কিছু ধারণা পাপ।’ (সুরা : হুজুরাত, আয়াত : ১২)

আন্তরিকতা ও নিরাপত্তা

ইসলামে এর গুরুত্ব অপরিসীম। জীবনে চলার পথে কারো মধ্যে কোনো মন্দাচার দেখলে ব্যক্তিগতভাবে তাকে হিকমতের সঙ্গে বলা, যাতে সে সংশোধন হয়ে যায়। অন্যের ক্ষতি থেকে তাকে রক্ষার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করা। আবু হুরায়রা (রা.) সূত্রে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘এক মুমিন অন্য মুমিনের জন্য আয়নাস্বরূপ এবং এক মুমিন অন্য মুমিনের ভাই। তারা একে অন্যকে ক্ষতি থেকে রক্ষা করে এবং তার অনুপস্থিতিতে তাকে রক্ষা করে।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ৪৯১৮)

আল্লাহ তাআলা সবাইকে শিষ্টাচারসম্পন্ন হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

Photos from Iqra Qawmi Institute 's post 13/02/2025

মহিমান্বিত রাত পবিত্র শব-ই-বরাতের ফজিলত, করণীয় ও বর্জনীয়

মুসলিম উম্মাহর কাছে একটি মহিমান্বিত, তাৎপর্যমণ্ডিত ও ফজিলতপূর্ণ রাত পবিত্র শব-ই-বরাত। শব-ই-বরাত পালিত হয় শাবান মাসের পঞ্চদশ রজনীতে। রাসূল (সা.) হাদিসে এ মহিমান্বিত রাতকে ‘লাইলাতুন্ নিসফ্ মিন’ শাবান ১৫ শাবানের রাত বলেছেন।ফার্সি শব্দ ‘শব’ অর্থ রাত/রজনী। আর বারাআত অর্থ মুক্তি, নিষ্কৃতি, অব্যাহতি, পবিত্রতা ইত্যাদি। সুতরাং শবে বরাতের শাব্দিক অর্থ দাঁড়ায়- মুক্তি, নিষ্কৃতি ও অব্যাহতির রজনী। এ রাতে যেহেতু আল্লাহ তা‘আলা পাপী লোকদের ক্ষমা করেন, নিষ্কৃতি দেন ও জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন, সেহেতু এ রাতকে লাইলাতুল বারাআত বা শবে বরাত বলা অযৌক্তিক নয়।

এই রাতের ফজিলত :

এই পবিত্র রাতের অনেক ফজিলত ও তাৎপর্য রয়েছে। হাদিস শরীফ অনুসারে এই মহিমান্বিত রাতের গুরুত্ব ও ফজিলত তুলো ধরা হলো।

** এ প্রসঙ্গে হযরত আয়শা (রা.) থেকে একটি হাদিস বর্ণিত আছে যে, নবী করিম (সা.) হযরত আয়শা (রা.) কে সম্বোধন করে বললেন, হে আয়শা! এ রাতে কি হয় জান? হযরত আয়শা (রা.) বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভালো জানেন। রাসূল (সা.) বললেন, এ রাতে আগামী বছর যত শিশু জন্ম নিবে এবং যত লোক মারা যাবে তাদের নাম লেখা হয়, মানুষের বিগত বছরের সব আমল আল্লাহর দরবারে পেশ করা হয় এবং মানুষের রিজিক অবতীর্ণ হয়। (মিশকাত শরীফ ১ম খ- পৃ. ১১৫)।

*** হযরত উসমান (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) ইরশাদ করেছেন, ১৫ শাবান রাতে এ শবে বরাত থেকে পরবর্তী শবে বরাত পর্যন্ত মানুষের বয়স নির্ধারিত হয়। এমনকি এ সময়ের মধ্যে কেউ তো বিয়ে করে তার সন্তান জন্ম নেয় অথচ দুই শাবানের অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে যারা মারা যাবে তাদের তালিকায় তার নাম রয়েছে।

শবে বরাতের করণীয় :

শবে বরাত মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে উম্মতে মুসলিমার জন্য এক বিশেষ উপহার, তাই এ রাতে আমাদের করণীয় ইবাদত সম্পর্কে নিম্নে আলোচনা করা হল :

** রাত জেগে ইবাদত করা। যেমন- নফল নামাজ, বেশি বেশি কাজা নামাজ আদায়, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির, তওবা-ইস্তিগফার ইত্যাদি। কেননা হাদিসে পাকে এসেছে- এ রাতে সূর্যাস্তের সাথে সাথে আল্লাহ তায়ালা পৃথিবীর আকাশে নেমে আসেন এবং ফজর পর্যন্ত মানুষকে তাঁর কাছে ক্ষমা, রোগ মুক্তি, জাহান্নাম থেকে মুক্তি, রিজিক ইত্যাদি বৈধ প্রয়োজনীয় সবকিছু প্রার্থনা করার জন্য আহ্বান করতে থাকেন।

হযরত আবু বকর (রা.) নবী করিম (সা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, নবী করিম (সা.) ইরশাদ করেন- আল্লাহ তায়ালা শবে বরাতে পৃথিবীর আকাশে নেমে আসেন এবং কাফের-মুশরিক ও হিংসুক ছাড়া সবাইকে ক্ষমা করেন।

হাদিসের ব্যাখ্যায় এসেছে এ ধরনের লোকেরাও যদি খালেছভাবে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে এবং ভবিষ্যতে আর কুফরি, শেরেকি ও হিংসা করবে না বলে ওয়াদা করে তবে আল্লাহ এদেরও ক্ষমা করে দেন।

পরদিন রোজা রাখা, কেননা রাসূল (সা.) ইরশাদ করেছেন- ১৫ শাবানের রাত জেগে ইবাদাত কর এবং পরদিন রোজা রাখ।

*** যতদূর সম্ভব অনাড়ম্বরভাবে কবর জিয়ারত করা। যেমন হাদিসে পাকের ইরশাদ : হযরত আয়শা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি এক রাতে রাসূল (সা.) কে হারিয়ে ফেললাম। অতঃপর আমি তাঁকে খুঁজতে বের হলাম। অবশেষে তাকে জান্নাতুল বাকীতে পেলাম। আমাকে দেখে তিনি বললেন, আয়শা তুমি কি আশঙ্কা করছ যে, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল তোমার প্রতি জুলুম করবেন? হযরত আয়শা বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল- আমি ধারণা করেছিলাম, আপনি হয়তো আপনার অন্য কোন স্ত্রীর কাছে গিয়েছেন। অতঃপর রাসূল (সা.) ইরশাদ করেন, ১৫ শাবান আল্লাহ তা‘আলা পৃথিবীর আকাশে অবতরণ করেন এবং বনু-কাল্ব গোত্রের মেষের পশম অপেক্ষা অধিক লোককে ক্ষমা করেন। (তিরমিযী- ১ম খঃ পৃ. ১৫৬) উল্লেখ্য, আরবে বনু কালবের অধিক মেষ ছিল। সুবহানআল্লাহ।

শবে বরাতে বর্জনীয় :

রাসূল (সা.) স্বীয় জীবন মোবারকে এ রাত বারবার পেয়েছেন, আমল করেছেন। এ রাতে কি করতে হবে, কি ভাবে করতে হবে তা বলে এবং সাহাবায়ে কেরামের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করে আমাদের শিখিয়ে গেছেন। তারপর সাহাবায়ে কিরাম, তাবেয়ীন, তাবে তাবেয়ীন এবং যুগে যুগে ওলামা ও মাশাইখে কিরাম এ রাতে ইবাদাত করে গেছেন। তাদের রেখে যাওয়া আদর্শই হুবহু আমাদের অনুসরণ/অনুকরণ করতে হবে। নিজের পক্ষ থেকে বাড়ানো-কমানোর কোনই অবকাশ নেই। আমাদের দেশে শব-ই-বরাতে প্রচলিত কিছু বর্জনীয় কার্যকলাপ নিম্নে পেশ করা হলো।

** অনেকেই এ রাতে মহা ধুম-ধামে হালুয়া রুটির ব্যবস্থা করেন, যার সাথে শবে বরাতের নূন্যতম কোন সম্পর্ক নেই। কোরআন, হাদিস, ইজমা ও কিয়াসের কোন ভিত্তি নেই। বরং এ পবিত্র রাতে হালুয়া রুটি ইবাদাতে বিঘ্ন ঘটায়। এর পেছনে পরে মানুষ বঞ্চিত হয় আল্লাহ প্রদত্ত রহমত, মাগফিরাত ও নাজাত থেকে। কাজেই অন্তত এ রাতে এটা বর্জনীয় (ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া)।

*** অনেকেই এ রাতে আতশবাজি, আলোকসজ্জা, শোরগোল ও হৈ চৈ করে থাকেন যা চরম বিদআত কুসংস্কার, গুণাহের কাজ ও হারাম। এ রাত তো কোন আনন্দ উৎসবের রজনী নয়। অধিকন্তু এটা অপচয়ও বটে। ইসলামে অপচয় করা কবিরা গুণাহ, মহাপাপ। পবিত্র কোরআনে পাকে আল্লাহ পাকের ঘোষণা তোমরা অপচয় কর না নিশ্চয় অপচয়কারীকে আল্লাহ ভালোবাসেন না। (সূরা আ’রাফ আয়াত. ৩১) পবিত্র কোরআন পাকে অন্য স্থানে অপচয়কারীকে শয়তানের ভাই বলে আখ্যা দেয়া হয়েছে। নিশ্চই অপচয়কারীরা শয়তানের ভাই (বনী ইসরাইল – ২৭)।

আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদের যথাযথভাবে শব-ই-বরাত পালন করার তৌফিক দান করুক। আমীন

13/02/2025

✨ জীবন গড়ি ইসলামের আলোকে – ইক্বরা কওমি ইনস্টিটিউট! ✨

আপনার জীবনে ইসলামের আলো ছড়িয়ে দিতে ইক্বরা কওমি ইনস্টিটিউট নিয়ে এসেছে অনলাইনে ইসলামি শিক্ষার সুবর্ণ সুযোগ! 📖🕌

🔹 ১৩টি বিশেষ ইসলামিক কোর্স
🔹 দক্ষ ও অভিজ্ঞ উস্তাদদের তত্ত্বাবধান
🔹 সহজ, কার্যকর ও ব্যক্তিগত মনোযোগের সঙ্গে পাঠদান

📚 কোরআন শিক্ষা, হাদিস, আরবি ভাষা, ফিকহ এবং আরও অনেক বিষয়—সব এক প্ল্যাটফর্মে!

📞 যোগাযোগ করুন এখনই:
📲 01919465871 | 01737-774298

🔗 ফেসবুক পেজ: https://www.facebook.com/iqraqawmiinstitute
🌐 ওয়েবসাইট: https://iqra-client-site.vercel.app/

👉 আজই যুক্ত হোন ইক্বরা কওমি ইনস্টিটিউটের সঙ্গে! ইসলামের আলোয় শুরু হোক আপনার নতুন পথচলা।

#ইসলামী_শিক্ষা #অনলাইন_মাদরাসা #ইক্বরা_কওমি_ইনস্টিটিউট #কোরআন_ও_হাদিস

12/02/2025

সবাইকে অগ্রিম রমজানের শুভেচ্ছা 💐
রমজান সবার জন্য শুদ্ধতার সুযোগ বয়ে আনুক 🤲
# ইক্বরা

13/01/2025

*ইক্বরা কওমি ইনস্টিটিউট: এক স্থানেই ১৩টি ইসলামিক কোর্সের সমাধান!*
ইক্বরা কওমি ইনস্টিটিউট দেশের একটি স্বনামধন্য অনলাইন ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যা যুগোপযোগী কোরআন শিক্ষা ও ১৩টি বিশেষ ইসলামিক কোর্সের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে।

আমাদের বৈশিষ্ট্য:
✅ দক্ষ ও অভিজ্ঞ উস্তাদের তত্ত্বাবধানে ক্লাস।
✅ অনলাইনে সহজলভ্য ও কার্যকর শিক্ষার ব্যবস্থা।
✅ প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য ব্যক্তিগত মনোযোগ।
✅ কোরআন শেখা ও ইসলামি জীবন গঠনের নিশ্চয়তা।
✅ কোরআন, হাদিস, আরবি ভাষা, ফিকহ, এবং আরো বহু বিষয়ে বিশেষায়িত কোর্স।

**ইক্বরা কওমি ইনস্টিটিউট**
"ইসলামী শিক্ষার নতুন দিগন্ত।"
আমাদের মিশন হলো— জ্ঞান ও আমলের সমন্বয়ে শিক্ষার্থীদের আদর্শিক জীবন গড়ে তোলা।

📞মোবাইল : 01919465871, 01737-774298
🔗 ফেসবুক পেজ লিংক : https://www.facebook.com/iqraqawmiinstitute?mibextid=ZbWKwL
🌐 আমাদের ওয়েবসাইট লিংক : https://iqra-client-site.vercel.app
**ইক্বরা কওমি ইন্সটিটিউট**— “জীবন গড়ি ইসলামের আলোকে।”

11/01/2025

তৈরি হলো আমাদের প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, এখন থেকে যেকোনো তথ্য , নোটিশ সকল কিছু থাকবে ওয়েবসাইটে ইনশাআল্লাহ। ওয়েবসাইটের কাজ চলমান বিধায় কিছু টেকনোলজি ত্রুটি থাকতে পারে বা কোনো তথ্য ত্রুটিযুক্ত থাকতে পারে সময়ের সঙ্গে সেটি আপডেট করা হবে ইনশাআল্লাহ
https://iqra-client-site.vercel.app

30/12/2024

নতুন বছরের শুরুতেই আসছে চমক
যাঁরা এতদিন ধরে আমাদের পথচলায় সঙ্গী ছিলেন তাঁদেরকে ধন্যবাদ
আপনাদের সহযোগিতা আমাদের কাম্য

Want your school to be the top-listed School/college in Mymensingh?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Maskanda
Mymensingh
2200