Jayed's Edu Topia

Jayed's Edu Topia

Share

This is an educational page for science background student of SSC and HCS.

Photos from Jayed's Edu Topia's post 05/01/2026




04/01/2026
12/12/2025

➡️অধ্যায়:৬ষ্ঠ(মোলের ধারণা ও রাসায়নিক গণনা)
➡️Topic:প্রত্যাশিত উৎপাদ না পাওয়ার কারণ
➡️ Lecture:8️⃣
✅[Last lecture of chapter 6]
➡️ Lecturer:Jayed Hasan

08/12/2025

জাপান সময় রাত ১১:১৫ মিনিটে
৭.৬ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত।
"১০ ফিট উচ্চতার সুনামি সতর্কতা জারি''

29/11/2025

➡️অধ্যায়:৬ষ্ঠ(মোলের ধারণা ও রাসায়নিক গণনা)
➡️Topic:উৎপাদের শতকরা পরিমাণ
➡️ Lecture:7️⃣
➡️ Lecturer:Jayed Hasan

Photos from Jayed's Edu Topia's post 21/11/2025

*🗨️ভূমিকম্পের কারণ কী?*
পৃথিবীর ভূ-পৃষ্ঠ আলাদা বিট দিয়ে গঠিত, যাকে প্লেট বলা হয়, যা একে অপরের পাশাপাশি অবস্থান করে। এই প্লেটগুলি প্রায়শই নড়াচড়া করার চেষ্টা করে। কিন্তু পাশে থাকা অন্য আরেকটি প্লেটের সাথে ঘর্ষণের মাধ্যমে এই নড়াচড়া প্রতিরোধ করা হয়। তবে চাপ বেশি বেড়ে গেলে কখনো কখনো একটি প্লেট হঠাৎ করে ঝাঁকুনি দেয়ায় ভূ-পৃষ্ঠের উপরিভাগ সরে যায়।এবার এরাবিয়ান প্লেটটি উত্তর দিকে সরে যায় এবং উত্তর দিকে সরে যাওয়া আনাতোলিয়ান প্লেটে গিয়ে ধাক্কা দেয়। প্লেটগুলোর এ ধরণের ঘর্ষণের কারণে অনেক ভয়াবহ ভূমিকম্প হয়েছে।
*🗨️ভূকম্পনের মাত্রা যেভাবে রেকর্ড করা হয়:*
ভূমিকম্পের কারণে সৃষ্ট কম্পন বা কম্পনের ঢেউ রেকর্ড করা হয় সিসমোমিটার দিয়ে। এই কম্পনের মাত্রা দিয়ে যে রেখাচিত্র তৈরি করা হয় তাকে বলা হয় সিসমোগ্রাফ।ভূকম্পনের সময় যে সিসমিক ঢেউ তৈরি হয়, সেটি বিশ্বজুড়ে কম বা বেশি মাত্রায় প্রবাহিত হয়। পৃথিবীর যেকোনও স্থানে মাটির নিচের কম্পন সৃষ্টি হলে তার সিসমোগ্রাফ তৈরি হয়। সিসমোগ্রাফ স্টেশনে রেকর্ড হওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল, সময়কাল ও স্থায়িত্বকাল নির্ধারণ করা হয়।
*🗨️যে স্কেলে মাপা হয় ভূমিকম্প:*
ভূমিকম্পের মাত্রা নির্ধারণে ব্যবহৃত স্কেলের নাম রিখটার স্কেল।রিখটার স্কেল একটি লগারিদমিক স্কেল, যা ভূমিকম্পের তীব্রতা বা আকার মাপার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ১৯৩৫ সালে ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির ভূতাত্ত্বিক চার্লস এফ. রিখটার (Charles F. Richter) উদ্ভাবন করেন। এই স্কেল ভূমিকম্পের তরঙ্গমাত্রার ওপর ভিত্তি করে তার তীব্রতা নির্ধারণ করে। সিসমোগ্রাফ থেকে পাওয়া তথ্য এবং রেখাচিত্র বিশ্লেষণ করে গাণিতিকভাবে ভূমিকম্পকে মাপা হয় রিখটার স্কেলের মাধ্যমে। রিখটার স্কেলে ০ থেকে ১০ মাত্রা পর্যন্ত মাপা যায় ভূমিকম্পের তীব্রতাকে।
সিসমোমিটারে রেকর্ড হওয়া ভূকম্পনের বিস্তার, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল থেকে সিসমোমিটারের দূরত্ব বিবেচনা করে ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপা হয়। সেই সঙ্গে যোগ করা হয় ভূমিকম্পের স্থায়িত্ব। এসব মিলিয়ে রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপা হয়।
ভূমিকম্পের মাত্রা অনুযায়ী এর প্রভাব নিম্নরূপ :
- *০-২ মাত্রা*: সাধারণত অনুভূত হয় না
- *৩-৪ মাত্রা*: হালকা কম্পন, ক্ষতি সাধারণত হয় না
- *৫-৬ মাত্রা*: মাঝারি ক্ষতি, দুর্বল কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে
- *৭-৮ মাত্রা*: প্রচণ্ড ক্ষতি, বড় বড় ভবন ধসে পড়তে পারে
- *৯-১০ মাত্রা*: অত্যন্ত ধ্বংসাত্মক

রিখটার স্কেল ছাড়াও ভূমিকম্প মাপার জন্য মোমেন্ট ম্যাগনিটিউড স্কেল (Mw) ব্যবহার করা হয়, বিশেষত ৭.০-এর বেশি মাত্রার ভূমিকম্পের জন্য। ভূমিকম্পের তীব্রতা নির্ধারণ করা হয় সিসমোগ্রাফ যন্ত্রের মাধ্যমে, যা ভূকম্পনের বিস্তার এবং উৎপত্তিস্থল থেকে দূরত্ব পরিমাপ করে।
🗨️সারা পৃথিবীতে বছরে লাখ লাখ ভূমিকম্প হয়।
যুক্তরাষ্ট্রে ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জিওলজিক্যাল সার্ভে বলছে, প্রত্যেক বছর গড়ে ১৭টি বড় ধরনের ভূমিকম্প হয় রিখটার স্কেলে যার মাত্রা সাতের উপরে। এবং আট মাত্রার ভূমিকম্প হয় একবার।
তবে ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বছরে লাখ লাখ ভূমিকম্প হয়। এর অনেকগুলো হয়তো বোঝাই যায় না। বোঝা যায় না কারণ খুব প্রত্যন্ত এলাকায় এসব হয় অথবা সেগুলোর মাত্রা থাকে খুবই কম।
🗨️বাংলাদেশে গত মে মাস থেকে ছোট ও মাঝারি বেশ কয়েকটি ভূমিকম্প হয়েছে। এসব ভূমিকম্পের উৎপত্তি ছিলো দেশের সীমানার ভেতর অথবা আশেপাশে।
ভারত ও বার্মা প্লেট এবং বাংলাদেশের ভূ-তাত্ত্বিক অবস্থান বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা বলছেন, যে কোনো সময় দেশে বড় ধরনের ভূমিকম্প আঘাত হানবে। বড় মাত্রার ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হবে রাজধানীসহ ঢাকা বিভাগের। ঝুঁকিতে আছে সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগ।
বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অন্যতম শক্তিশালী ভূমিকম্প হয় ১৮২২ ও ১৮১৮ সালে। ১৮২২ সালে সিলেটে হয়েছিলো ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প এবং শ্রীমঙ্গলে হয়েছিলো ৭ দশমিক ৬ মাত্রার ভূমিকম্প।
সিলেট, চট্টগ্রাম ও ঢাকায় ১৫৪৮, ১৬৪২, ১৬৬৩, ১৭৬২, ১৭৬৫, ১৮১২, ১৮৬৫, ১৮৬৯ সালে ভূমিকম্প হওয়ার ঐতিহাসিক উল্লেখ পাওয়া যায়। তবে এসবের মাত্রা কত ছিল তা জানা যায় না।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষক ড. মো. আনোয়ার হোসেন ভূঁঞা বিসিসিকে বলেন, বাংলাদেশে গত ১২০ থেকে ১২৫ বছরে মাঝারি ও বড় মাত্রার প্রায় শতাধিক ভূকম্প অনুভূত হয়েছে। তবে এসবের মধ্যে সাত বা তার চেয়ে বড় মাত্রার ভূমিকম্পের সংখ্যা খুব বেশি নয়
*🗨️ভূমিকম্প সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য:*
*ভূমিকম্পের পরেও পুকুরে কিম্বা সুইমিং পুলের পানিতে আপনি কখনো কখনো ঢেউ দেখতে পারেন। একে বলা হায় শ্যাস। বিজ্ঞানীরা বলছেন, ভূমিকম্প হয়তো শেষ হয়ে গেছে কিন্তু তারপরেও কয়েক ঘণ্টা ধরে অভ্যন্তরীণ এই পানিতে তরঙ্গ অব্যাহত থাকতে পারে।
*মেক্সিকোতে ১৯৮৫ সালে একবার ভূমিকম্প হয়েছিলো ১৯৮৫ সালে যেবার এই মেক্সিকো থেকে ২০০০ কিলোমিটার দূরে অ্যারিজোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুইমিং পুলের পানি ছিটকে পড়তে পড়তে শেষ হয়ে গিয়েছিলো।
*বেশিরভাগ ভূমিকম্পেরই উৎস প্রশান্ত মহাসাগর।পৃথিবীতে যতো ভূমিকম্প হয় তার অধিকাংশ, ৯০ শতাংশই হয় রিং অফ ফায়ার এলাকাজুড়ে। এই এলাকাটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে।
*নেপালে ২০১৫ সালের ২৫শে এপ্রিল আঘাত হানে ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্প। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। কমে আসে হিমালয়ের অনেক পর্বতের উচ্চতাও। মাউন্ট এভারেস্টের উচ্চতা কমে গিয়েছিলো এক ইঞ্চির মতো।
*ভূমিকম্পের আগে প্রাণীর আচরণে পরিবর্তন ঘটে।ভূমিকম্পের ফলে যে শুধু ব্যাঙের আচরণেই পরিবর্তন ঘটে তা নয়, ইন্দোনেশিয়া এবং ২০০৪ সালে সুনামির আগে প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছেন যে তারা অনেক পশু পাখিকে দেখেছেন উঁচু এলাকার দিকে ছুটে যেতে। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, ভূমিকম্পের আগে ছোট ছোট কম্পন পশুপাখিরা টের পেয়ে যায়।
*ভূমিকম্পের আগে স্থির পানি থেকে গন্ধ বের হয়।বিজ্ঞানীরা বলছেন, ভূমিকম্পের আগে পুকুর, খাল-বিল, হ্রদ, জলাশয়ের স্থির পানি থেকে দুর্গন্ধ আসতে পারে। এমনকি সেই পানি সামান্য উষ্ণও হয়ে পড়তে পারে। প্লেট সরে যাওয়ার কারণে মাটির নিচ থেকে যে গ্যাস নির্গত হয় তার কারণে এটা হয়ে থাকে। এর ফলে ওই এলাকার বন্যপ্রাণীর আচরণেও পরিবর্তন ঘটতে পারে। ওপেন ইউনিভার্সিটির প্রাণী বিজ্ঞান বিভাগ বলছে, ২০০৯ সালে ইটালিতে এক ভূমিকম্পের সময় এক ধরনের ব্যাঙ সেখান থেকে উধাও হয়ে গিয়েছিলো এবং ফিরে এসেছিলো ভূমিকম্পের পরে। বলা হয়, এই ব্যাঙ পানির রাসায়নিক পরিবর্তন খুব দ্রুত শনাক্ত করতে পারে।
*🗨️aftershock:*
সাধারণভাবে দেখা যায় যে বড় ভূমিকম্পের পর আফটারশক (পরবর্তী ছোট তবে অনুভূত সেকেন্ডারি ভূমিকম্প) হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। নিচে বিষয়টি ব্যাখ্যা করে দেওয়া হলো:
✅ *কেন আফটারশক হয়:*
এক ভূমিকম্প (মেইন শক) হলে ভূমির ফাটল/চাপ পরিবেশ স্থিতাবস্থায় আসে না, ফলে আশেপাশের ভূ-তন্ত্রে বাকি চাপ মুক্ত হওয়ার জন্য ছোট ভূমিকম্প হয়।
এই আফটারশক-হারের হার সময়ের সঙ্গে কমে যায়: অর্থাৎ, প্রথম দিনের পর দ্বিতীয় দিনে প্রায় ½ রেট হয়, দশ দিনে ১/১০ হয়ে যেতে পারে (সাধারণ নিয়ম)।
⚠️ তবে, ঠিক কখন ও কত বড় হবে — তা বলা কঠিন
যদিও আমরা বলতে পারি “আফটারশক হওয়ার সম্ভাবনা আছে”, কিন্তু ঠিক সময়ে, ঠিক জায়গায়, কত বড় হবে — সেটা পূর্বনির্ধারণ করা যায় না।
উদাহরণস্বরূপ, একটি মেইন ম্যাগনিচিউড 7 ভূমিকম্পের পর 10 দিন পর “ম্যাগনিচিউড 5 বা বড় এটা হতে পারে” এর মত প্রায় ৫০% সম্ভাবনার রেকর্ড আছে।
যদি আপনি বর্তমানে কোনো বড় ভূমিকম্প অনুভব করে থাকেন, তাহলে অ্যাপ্রোচটা হোক সতর্ক থাকা:
এমন ভবনে প্রবেশ না করা যা মূল ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কারণ একটি আফটারশক নতুনভাবে ক্ষতির কারণ হতে পারে।
ঘরের আশপাশে কখনও কখনও ছোট কম্পন অনুভূত হলে চিন্তার হিসেবে না নিয়ে, সাধারণত সময়ের সঙ্গে কমে যাবে।
🗨️ভূমিকম্প অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো একটি দুর্যোগ হলেও এর পূর্বাভাস করা কঠিন। স্বাভাবিক অবস্থা থেকে এটি হঠাৎ অস্বাভাবিক অবস্থার সৃষ্টি করে। ফলে মানুষ আতঙ্কিত হয়। এতে হতাহতের সংখ্যা বাড়ে। বাংলাদেশে অবশ্য বড় ভূমিকম্প তেমন একটা হয়নি। হতাহতের সংখ্যাও বেশি নয়। তবে হতাহতের কারণ ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কিত হওয়া। এ জন্য দরকার ভূমিকম্প নিয়ে সচেতন হওয়া ও এ সময় কী করণীয় তা ভালোভাবে বোঝা।
ভূমিকম্পের ক্ষতি এড়াতে সব সরকারি ও বেরসরকারি প্রতিষ্ঠনকে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করা জরুরি।
বিশেষ করে ভূমিকম্পে দালানকোঠার নিচে পড়ে অসংখ্য মানুষের মৃত্যু হয়। পরিকল্পিতভাবে বাড়িঘর নির্মাণ না করলে, প্রয়োজনীয় বিল্ডিং কোড মেনে না চললে কী ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে, এ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করা দরকার। এছাড়া গ্যাস ও বিদ্যুৎ লাইন নিরাপদভাবে স্থাপনে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করা।
ভূমিকম্পের সময় যা করবেন
ভূকম্পন অনুভূত হলে আতঙ্কিত হবেন না। নিজেকে শান্ত রাখুন। বাড়ির বাইরে থাকলে ঘরে প্রবেশ করবেন না। একতলা দালান হলে দৌড়ে বাইরে চলে যাওয়ার চেষ্টা করুন। বহুতল ভবনের ভেতরে থাকলে বালিশ দিয়ে মাথা ঢেকে টেবিল, ডেস্ক বা শক্ত কোনো আসবাবপত্রের নিচে আশ্রয় নিন; কাচের জিনিসের কাছ থেকে দূরে থাকুন। লিফট ব্যবহার করেবেন না। উঁচু দালানের জানালা বা ছাদ থেকে লাফ দিয়ে নামার চেষ্টা করবেন না। ভূমি ধসে পড়ার সম্ভাবনা আছে এমন উঁচু ভূমি থেকে দূরে থাকুন। ভূমিকম্পের সময় বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করুন।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অবস্থানকালে স্কুল ব্যাগ মাথায় দিয়ে শক্ত বেঞ্চ অথবা শক্ত টেবিলের নিচে আশ্রয় নিন। ঘরের বাইরে থাকলে গাছ, উঁচু বাড়ি, বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে দুরে খোলাস্থানে আশ্রয় নিন। গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি, হাসপাতাল, মার্কেট ও সিনেমা হলে থাকলে বের হওয়ার জন্য দরজার সামনে ভিড় কিংবা ধাক্কাধাক্কি না করে দুহাতে মাথা ঢেকে বসে পড়ুন। ভাঙা দেয়ালের নিচে চাপা পড়লে বেশি নড়া চড়ার চেষ্টা করবেন না। কাপড় দিয়ে মুখ ঢেকে রাখুন, যাতে ধুলা-বালি শ্বাস নালিতে না ঢোকে। একবার কম্পন হওয়ার পর আবারও কম্পন হতে পারে। তাই সুযোগ বুঝে বের হয়ে খালি জায়গায় আশ্রয় নিন। গাড়িতে থাকলে ওভার ব্রিজ, ফ্লাইওভার, গাছ ও বৈদ্যুতিক খুটি থেকে দূরে গাড়ি থামান। ভূকম্পন না থামা পর্যন্ত গাড়ির ভেতের থাকুন।
ব্যাটারিচালিত রেডিও, টর্চলাইট, পানি এবং প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম বাড়িতে রাখুন। মোবাইল ফোন চার্জ করার সহায়ক উপায় রাখুন। খাবার, পানি ও ওষুধ সংগ্রহ করুন কারণ দোকান ও ফার্মেসি বন্ধ থাকতে পারে।
ভূমিকম্পের পরে করণীয়
ঘর যদি তেমন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় তাহলে ভূমিকম্পের পরে ঘরে ফিরুন। গ্যাস লাইন লিক হয়েছে কিনা তা না জেনে গ্যাসের চুলা জ্বালাবেন না। সতর্কবার্তা শুনুন, আরও ভূমিকম্প হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে কিনা। ধ্বংসাবশেষে খালি পায়ে বা সাধারণ কোনো জুতা পরে হাঁটবেন না।বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হলে বা নিরাপদ না থাকলে বাড়িতে থাকবেন না। মোমবাতির পরিবর্তে ফ্ল্যাশলাইট ব্যবহার করুন। বৈদ্যুতিক সুইচ অন করার আগে বিদ্যুৎ অফিসে ফোন করে জেনে নিন। কেননা বিদ্যুৎ বিস্ফোরণ হতে পারে। আপনার প্রিয়জনকে জানান আপনি নিরাপদ আছেন।
___________Stay safe___________

20/11/2025

➡️অধ্যায়:৬ষ্ঠ(মোলের ধারণা ও রাসায়নিক গণনা)
➡️Topic:লিমিটিং বিক্রিয়ক🧪
➡️ Lecture:6️⃣
➡️ Lecturer:Jayed Hasan

17/11/2025

➡️অধ্যায়:৬ষ্ঠ(মোলের ধারণা ও রাসায়নিক গণনা)
➡️Topic:রাসায়নিক বিক্রিয়ার আদ্যোপান্ত
➡️ Lecture:5️⃣
➡️ Lecturer:Jayed Hasan

13/11/2025


➡️অধ্যায়:৬ষ্ঠ(মোলের ধারণা ও রাসায়নিক গণনা)
➡️Topic:স্থুল সংকেত ও আণবিক সংকেত(Theory+Math)💥
➡️ Lecture:4️⃣
➡️ Lecturer:Jayed Hasan

12/11/2025

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Ajmaeen Hassan, Alvi Huda, ᎷᎴ ᏗᏁᎥᏦ ᎥᏕᏝᏗᎷ, মো আরাফাত মোল্লা, ঘরে বাইরে, Samiyat Razzak Rifat

Want your school to be the top-listed School/college in Mymensingh?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address


Bangladesh Agricultural University
Mymensingh