Islam & Muslims History

Islam & Muslims History

Share

আল্লাহু আকবর

02/08/2023
04/10/2022

তিনি ধর্মপ্রান ছিলেন এবং দরবেশদের গভীরভাবে শ্রদ্ধা করতেন। কুতুবউদ্দিন বখতিয়ার কাকি তার সময়ের একজন বিখ্যাত দরবেশ। তিনি কখনো নামায কাযা করেন নি। তিনি কুতুব উদ্দীন বখতিয়ার কাকীর জানাযার ইমামতি করেন।৷ (শামসুদ্দিন ইলতুতমিশ
দিল্লী সালতানাতের প্রতিষ্ঠাতা)

Photos from Islam & Muslims History's post 19/09/2022

ষোলো শতকের একজন সুপরিচিত অটোমান-তুর্কি অ্যাডমিরাল পিরি রেইস। ভূগোলবিদ ও মানচিত্রকর হিসেবেও খ্যাতি রয়েছে তাঁর। ১৫১৩ সালে পিরি রেইস একটি বিশ্বমানচিত্র প্রণয়ন করেন, যেটি ১৯২৯ সালে ইস্তাম্বুলের তপকাপি প্যালেসে আবিষ্কৃত হয়। একে সবচেয়ে পুরনো তুর্কি মানচিত্র বিবেচনা করা হয়, যেখানে নতুন বিশ্ব ও আমেরিকাকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

ধারণা করা হয় ১৪৬৫ থেকে ১৪৭০ সালের মধ্যে কোনো একসময়ে তুরস্কের এজিয়ান উপকূলের গাল্লিপোলিতে তাঁর জন্ম। সমুদ্রজীবনের শুরুটা পনেরো শতকের শেষের দিকে; চাচার হাত ধরে। তাঁর চাচা কামাল রেইস ছিলেন সে সময়ের নামকরা নাবিক। চাচার সঙ্গে বেশকিছু লড়াইয়ে অংশ নিয়েছেন তিনি। বিখ্যাত অটোমান অ্যাডমিরাল হায়রেদ্দীন বারবারোসার অধীনেও কাজ করেছেন। লোহিত সাগর ও ভারত মহাসাগরে পর্তুগিজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অটোমান বাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছেন।

১৫৪৭ সালে রেইস (অ্যাডমিরাল) হিসেবে পদোন্নতি পান তিনি। তার পরের বছর পর্তুগিজদের কাছ থেকে এডেনের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করেন তিনি। ১৫৫২ সালে দখল নেন মাস্কটের, যেটি ১৫০৭ সাল থেকে পর্তুগিজদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। ১৫২১ সালে কিতাব-ই-বাহরিয়ে (বুক অব নেভিগেশন) বই লেখার কাজ শেষ করেন। এতে বেশ কিছু মানচিত্র ও নকশার সন্নিবেশ ঘটান, যার কারণে তিনি পরবর্তী প্রজন্মের সমুদ্রচারীদের কাছে গুরুত্ববহ হয়ে ওঠেন। চাচার সঙ্গে ভূমধ্যসাগর ভ্রমণকালে তিনি এই নকশাগুলো আঁকেন।

১৫১১ থেকে ১৫২১ সালের মধ্যে তিনি কিতাব-ই-বাহরিয়ে লেখেন। পরবর্তী ১৫২৪ ও ১৫২৫ সালে বইটিতে কিছু সংশোধন ও পরিমার্জন এনে বিখ্যাত অটোমান সুলতান সুলেমানকে উপহার দেওয়া হয়। ১৫৫৪ অথবা ১৫৫৫ সালে এই দিকপাল নাবিক ও অ্যাডমিরাল মৃত্যুবরণ করেন।

18/09/2022

--নবীজির স্ত্রীদের নাম ও নামের তালিকা অর্থসহ--
🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹

নবীদের সর্দার প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর উপর নাযিলকৃত সর্বশেষ গ্রন্থ আল কুরআনুল কারীমে আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীন মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রীদের বিশেষ মর্যাদা ও সম্মান দান করেছেন। রাসূল (সাঃ)-মের স্ত্রীদেরকে মুমিনদের মা বলে সম্বোধন করা হয়েছে। মহাগ্রন্থ আল কুরআনে আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীন বলেন..

“নবী মুমিনদের নিকট তাদের নিজেদের অপেক্ষা অধিক ঘনিষ্ঠ এবং তাঁর স্ত্রীগণ তাদের (বিশ্বাসীগণদের) মাতা”। (সূরা আল-আযহাব-৬)

রাসূল (সাঃ)-মের স্ত্রীগণ সাধারণ নারী ছিলেন না। তাই মহান আল্লাহ তাদেরকে উদ্দেশ্য করে বলেন….

“হে নবী পত্মীগণ! তোমরা অন্য নারীদের মতো নও।” (সূরা আল আযহাব-৩২)

নবীজির স্ত্রীদের নাম ও অর্থ
বর্তমানে অনেক মুসলিম নারীগণ বিবাহের পর নিজের নামের পাশে স্বামীর নাম যোগ করে পরিচয় দিতে থাকেন। পক্ষান্তরে মহানবী (সাঃ)-এর পবিত্র সহধার্মিণীগণ রাসূল (সাঃ)-মের স্ত্রী হবার সৌভাগ্য লাভ করেও তারা নামের শেষে রাসূল (সাঃ)-মের নাম যোগ করেনি বরং নবীজির স্ত্রীগণ তাদের নামের শেষে পিতার নাম যোগ করেই পরিচয় দিতেন। আর নামের শেষে পিতার নাম যোগ করে পরিচয় দেওয়াই হচ্ছে আল কুরআনের প্রকৃত শিক্ষা। মহান আল্লাহ পাক বলেনঃ

“তোমরা তাদেরকে পিতৃ পরিচয়ে ডাক, এটাই আল্লাহর কাছে ন্যায় সঙ্গত”। (সূরা আল আযহাব-৫)

এ সম্পর্কে মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ

“কিয়ামতের দিন তোমাদেরকে ডাকা হবে তোমাদের নামে এবং তোমাদের পিতার নামে।”

মুহাম্মদ (সাঃ)-মের স্ত্রীদের নাম অর্থসহ
প্রিয় পাঠক পাঠিকা, আপনার নবজাতক শিশু কন্যার নাম যাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রীদের নাম অনুকরণে একটি নাম নির্বাচন করতে পারেন সেজন্য আজ আমি নবীজির স্ত্রীদের নাম ও নামের অর্থগুলি আমার বাংলা পোস্ট.কমের মাধ্যমে আপনাদের সামনে তুলে ধরেছি। প্রিয় নবীজির স্ত্রী হবার সৌভাগ্য যারা লাভ করেছিলেন সেসকল সৌভাগ্য ও মর্যাদাবান নারীদের নাম ও সংক্ষিপ্ত পরিচয় নিচে তুলে ধরা হলো। তাহলে চলুন নবীজির স্ত্রীদের নাম ও নামের অর্থ জানা শুরু করি…

০১. খাদিজাহ ( Khadijah ) = অসম্পূর্ণ।

পূর্ণ নামঃ খাদিজা বিনতে খুওয়াইলিদ (Khadijah Binti Khuwailid)। প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-মের প্রথম স্ত্রী ও সর্ব প্রথম ইসলাম গ্রহণকারী ব্যক্তি ও নারী এবং সফল ব্যবসায়ী। রাসূল (সাঃ) সর্বপ্রথম প্রিয় স্ত্রী খাদিজাহকে ইসলাম গ্রহণের দাওয়াত দিয়েছিলেন এবং উম্মুল মুমিনিন ( বিশ্বাসীগণদের মাতা) হযরত খাদিজা বিনতে খুওয়াইলিদ বিনাপ্রশ্নে নবীজির দাওয়াত কবুল করেছিলেন। পবিত্র চরিত্রের জন্য মা খাদিজাহ বিনতে খুওয়াইলিদ ইসলাম গ্রহণের পূর্বেই তাহিরা উপাধি লাভ করেছিলেন যার অর্থ পবিত্র। তিনি খাদিজাতুল কোবরা নামেও পরিচিত।

০২. সাওদাহ (Sawda) = খেজুর গাছের পূর্ণভূমি।

পূর্ণ নামঃ সাওদাহ বিনতে জামআ ( Sawda Bint Jam’a) । তিনি প্রথমে আস-সাকরান ইবনে আমরকে বিয়ে করেন এবং তাদের ছেলে আব্দুর রহমান ইবনে সাকরান জালুলা যুদ্ধে নিহত হন। প্রথম স্বামী আস-সাকরান ইবনে আমর মৃত্যুর পরে নবী মুহাম্মদ (সাঃ) সাওদা বিনতে জাম’আ কে বিয়ে করেন এবং উম্মুল মুমিনিন মর্যাদা লাভ করেন।

০৩. আয়িশাহ ( Aishah)= জীবন্ত।

পূর্ণ নামঃ আয়িশা বিনতে আবু বকর (Aishah Binti Abu Bakar)। উম্মুল মুমিনিন মা আয়িশাহ সিদ্দীকা ছিলেন নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর তৃতীয় স্ত্রী ও প্রসিদ্ধ সাহাবী হযরত আবু বকর (রাঃ) মেয়ে। পিতা আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ) ছিলেন রাসূল (সাঃ) এর একজন বিশ্বস্ত সাহাবী ও সহচর ছিলেন। উম্মুল মুমিনিন মা আয়িশাহসিদ্দীকা (রাঃ) ইসলামের ঐতিহ্যগতআ ইতিহাসেও তার অবদান অনস্বীকার্য এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

০৪. হাফসাহ (Hafsah) = একত্রিত।

পূর্ণ নামঃ হাফসা বিনতে ওমর( Hafsah Binti Umar)। নবীজির স্ত্রী ও উম্মুল মুমিনিন। মা হাফসা (রাঃ) ছিলেন দ্বিতীয় খলিফা ও প্রসিদ্ধ সাহাবী হযরত ওমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) এর মেয়ে। তিনি প্রথমে হুনাইস ইবনে হুজাইফাকে বিয়ে করেন ও পরে বিধবা হন। ইদ্দত শেষ হবার পর পিতা ওমর (রাঃ) প্রথমে হযরত উসমান ইবনে আফফান (রাঃ) ও পরে হযরত আবু বকর সিদ্দিকী (রাঃ) কে হাফসা (রাঃ) কে বিয়ে করার প্রস্তাব দেন। এই দুই সাহাবী প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলে তখন বাবা ওমর নবী মুহাম্মদ (সাঃ)কে বিয়ের প্রস্তাব দিলে নবী মুহাম্মদ (সাঃ) তিনি হাফসাকে বিয়ে করেন।

০৫. জয়নব ( Zaynab )= সুগন্ধি।

পূর্ণ নামঃ জয়নব বিনতে খুযায়মা (Zaynab Bint Khuzayma)। তিনি আরবের সুলাইম গোত্রের মেয়ে। জয়নব (রাঃ) প্রথম স্বামীর নাম আব্দুল্লাহ ইবনে জাহাশ (রাঃ)। সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে জাহাশ (রাঃ) উহুদ যুদ্ধে শাহাদাত বরণ করলে প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সাঃ) জয়নব বিনতে খুযায়মাকে বিয়ের প্রস্তাব পাঠান। মহিলা সাহাবী জয়নব (রাঃ) নবীজির বিয়ের প্রস্তাবে সম্মত হলে আল্লাহর রাসূল (সাঃ) জয়নব (রাঃ)কে ৪০০ দিরহাম মোহরানা দিয়ে জিলহজ্জ মাসের শেষেরদিকে বিয়ে করেন। নবী মুহাম্মদ (সাঃ)-এর সাথে বিবাহের তিন মাসের মাথায় উম্মুল মুমিনিন জয়নব বিনতে খুযায়মা (রাঃ) মৃত্যুবরণ করেন এবং জান্নাতুল বাকিতে সমাহিত করা হয়।

০৬. জুওয়াইরিয়া (Juwayriyya)= প্রবাহিত ধারা।

পূর্ণ নামঃ জুওয়াইরিয়া বিনতে আল হারিস (Juwayriyya Bint Al Harith) । মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর স্ত্রী ও মুসলমানদের মা। উম্মুল মুমিনিন জুওয়াইরিয়া (রাঃ) তিনি ছিলেন বনু মুস্তালিক গোত্রের প্রধান আল হারিস ইবনে আবি দিয়ারের কন্যা। যখন রাসূল (সাঃ) জুওয়াইরিয়া (রাঃ)-কে বিয়ে করেন তখন তাঁর বয়স ছিল ২০ এবং রাসূলের (সাঃ) বয়স ছিল ৫৮। রাসূল (সাঃ) জুওয়াইরিয়া (রাঃ) কে ৫ হিজরি সনে বিবাহ করেছিলেন।

০৭. মাইমূনাহ ( Maymunah )= বারকাত প্রাপ্তা।

পূর্ণ নামঃ মাইমুনা বিনতে আল হারিস আল হিলালিয়াহ ( Maymunah Binti Al-Harith Al Hilaliyah) । নবীজির স্ত্রী ও মুসলমানদের মাতা। মাইমুনা (রাঃ) এর প্রকৃত নাম ছিল বাররাহ কিন্তু রাসূল (সাঃ) তাঁর নাম পরিবর্তন করে মায়মুনা রেখেছিলেন। মায়মুনা (রাঃ) ছিলেন রাসূলের (সাঃ) স্ত্রীদের মধ্যে সর্বশেষ স্ত্রী।

০৮. সাফিয়া (Safiyah)= ছাটাইকৃত ।

পূর্ণ নামঃ সাফিয়া বিনতে হুওয়াই (Safiyah Binti Huyay )। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী ও উম্মুল মুমিনিন (মুসলমানদের মাতা) । তিনি ছিলেন মদিনার ইহুদী গোত্র বনু নাদিরে গোত্র প্রধান হুওয়াই ইবনে আকতাবের কন্যা। প্রথমে সাফিয়া (রাঃ) সালাম ইবনে মিশকামের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবব্ধ হন ও পরে তালাক প্রাপ্ত হন।

০৯. মারিয়া (Maria) = বাছুরওয়ালি গাভী ।

পূর্ণ নামঃ মারিয়া আল কিবতিয়া (Maria Al Qibtiyya)। রাসূলের (সাঃ) এর স্ত্রী ও উম্মুল মুমিনিন। মারিয়া বিনতে শাম’উন তিনি মারিয়া আল-কিবতীয়া নামে অধিক পরিচিত ছিলেন। তিনি একজন মিশরীয় খৃষ্টান নারী ও কৃতদাসী ছিলেন। তৎকালীন আলেক্সান্দ্রীয় কিবতীয় অর্থডক্স রাজ্যপাল মুকওকিস তাঁকে ও তাঁর বোন সিরিন বিনতে শামউনকে রাসূলের (সাঃ) নিকট উপহার স্বরূপ প্রেরণ করেন। হযরত মারিয়া (রাঃ) ইসলাম গ্রহন করলে রাসূল (সাঃ) তাকে বিবাহ করেন।

১০. রায়হানা (Raihanah)= ফুলের তোড়া ।

পূর্ণ নামঃ রায়হানা বিনতে যায়েদ (Raihanah Binti Zaid)। নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর স্ত্রী ও মুসলিমদের মাতা। হযরত রায়হানা (রাঃ) তিনি ছিলেন বনু নাযির গোত্রের একজন ইহুদি নারী। তিনি ইসলাম গ্রহণের রাসূল (রাঃ) রায়হানা (রাঃ)-কে বিবাহ করেন।

১১. উম্মে সালামাহ (Umme Salamah= নরম হাত-পা ওয়ালী মা।

পূর্ণনামঃ উম্মে সালামাহ হিন্দ বিনতে আবি উমাইয়া ( Umme Salamah Hind Bint Abu Umayya)। উম্মে সালামাহ (রাঃ) এর প্রকৃত নাম ছিল হিন্দ আল-মাখজুমিয়া। তিনি ও তাঁর প্রথম স্বামী আবু সালামা ইবনে আল আসাদ প্রথম যুগে ইসলাম গ্রহণকারী ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম। উহুদ যুদ্ধে উম্মে সালামাহ (রাঃ) স্বামী মারাত্মকভাবে আহত হন এবং শেষ অবধি মারা যান। এ সময় উম্মে সালামাহ (রাঃ) এর সন্তান সংখ্যা চারজন। এই অসহায় অবস্থা থেকে উম্মে সালামাহকে (রাঃ) পরিক্রাণ দিতে মহানবী (সাঃ) তাকে বিবাহ করেন।

১২. উম্মে হাবীবাহ (Umme Habibah) = প্রিয় পাত্রীর
মা।

পূর্ণ নামঃ রামালাহ বিনতে আবি সুফিয়ান ( Ramlah Binti Abu Sufyan) । নবীজির স্ত্রী ও উম্মুল মুমিনিন। তিনি উম্মে হাবীবাহ নামে বেশি পরিচিত। রামালাহ বিনতে আবি সুফিয়ান (রাঃ) ছিলেন আবু সুফিয়ান বিনে হারব ও সাফিয়া বিনতে আবি আল আ’স এর মেয়ে। প্রাথমিক জীবনে উম্মে হাবিবাহ (রাঃ) উবায়দুল্লাহ ইবনে জাহাশের স্ত্রী ছিলেন। প্রথম স্বামী উবায়দুল্লাহ হাবশায় হিজরতের পর ইসলাম ত্যাগ করলে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়।

হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর বংশধরদের উপর করুণা ও অশেষ রহমত বর্ষণ করুন। নিশ্চয়ই আপনি সর্বোচ্চ প্রশংসিত এবং সম্মানের অধিকারী।

11/09/2022

সুবহানাল্লাহ
ভারতে নদীতে ডুবে যাওয়া মসজিদ ৩০ বছর পর জেগে উঠেছে!!

ভারতের বিহার রাজ্যের নওয়াদা জেলায় খরার প্রভাবে নদী শুকিয়ে যাওয়ায় নদীর তলদেশে একটি প্রচীন মসজিদ জেগে উঠেছে। মসজিদটি ১২০ বছর আগে নির্মিত বলে ধারনা করা হচ্ছে।
কয়েক যুগ আগে বিহারে ফুলওয়ারিয়া বাঁধের কাজ শুরু হলে তা পানিতে নিমজ্জিত হয়। এবং চার দশক পানির নীচে থাকার পরেও মসজিদটি অক্ষত রয়েছে।

সেখানে অনেকেই মসজিদের ভেতরে প্রবেশ করলেও ভবনটি সম্পূর্ণ অক্ষত দেখে অবাক হয়ে যান। এটি ছিল মসজিদের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ যে কয়েক দশক ধরে নিমজ্জিত থাকার পরেও কাঠামোর সামান্যতম ক্ষতিও হয়নি। মাটি থেকে মসজিদের উচ্চতা ৩০ ফুট।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছেন, ১৯৭৯ সালে বিহারের নওয়াদায় ফুলওয়ারিয়া বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হওয়ার আগে থেকেই মসজিটি বিদ্যমান ছিল। এই জায়গাটিতে একটি বিশাল মুসলিম জনবসতি ছিল যাদের বাঁধ নির্মাণের জন্য উচ্ছেদ করা হয়েছিল। পুরো এলাকাটি সরকার অধিগ্রহণ করে। এ সময় বাঁধের পানিতে মসজিটি নিমজ্জিত হয়ে পড়ে।

এ বছর তীব্র খরার কারনে ফুলওয়ারিয়া বাঁধ জলাধারের দক্ষিণ প্রান্তে পানি শুকিয়ে যাওয়ার পরে বিহারের নওয়াদা জেলার রাজৌলি ব্লকের চিরাইলা গ্রামের একটি নিমজ্জিত মসজিদ টি জেগে উঠে।

বাঁধের তীব্রস্রোতে অনেক ক্ষয়ক্ষতি হলেও মসজিটি অক্ষত থাকে।।

সূত্র: The Saisat Daily

14/01/2022

তারিক জামিল❤️❤️

14/01/2022

মামুনুল হক..
Mamunul Haque❤️❤️

Want your school to be the top-listed School/college in Mymensingh?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Mymensingh