উজানদাসপাড়া নুরুল কুরআন মহিলা মাদ্রাসা

  • Home
  • Bangladesh
  • Mymensingh
  • উজানদাসপাড়া নুরুল কুরআন মহিলা মাদ্রাসা

উজানদাসপাড়া নুরুল কুরআন মহিলা মাদ্রাসা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পড়া ল?

06/10/2022
*******বিসমিহী তায়ালা*******জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পড়া লেখার মান ও উসউয়ে হাসানাহ এর রুপায়ক একটি প্রতিষ্ঠান   ...
21/07/2022

*******বিসমিহী তায়ালা*******

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পড়া লেখার মান ও উসউয়ে হাসানাহ এর রুপায়ক একটি প্রতিষ্ঠান
المدرسة النورالقران للبنات اذندشبره

©উজানদাসপাড়া নুরুল কুরআন মহিলা মাদ্রাসা,
উজানদাসপাড়া, ত্রিশাল, ময়মনসিংহ।

©আবাসিক

আলহামদুলিল্লাহ। নুরুল কুরআন মহিলা মাদ্রাসা ছাত্রীদের হাতের লিখা😍😍😍
24/08/2021

আলহামদুলিল্লাহ। নুরুল কুরআন মহিলা মাদ্রাসা ছাত্রীদের হাতের লিখা😍😍😍

আল্লাহ জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুক হযরত কে আমিন
20/08/2021

আল্লাহ জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুক হযরত কে আমিন

আমীরে হেফাজত আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরী ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ও ইন্না ইলাইহি রাজিউন।😭😭😭
19/08/2021

আমীরে হেফাজত আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরী ইন্তেকাল করেছেন।
ইন্নালিল্লাহি ও ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
😭😭😭

18/06/2021

ইসলামি বক্তা মো. আফছানুল আদনানের (আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনান) খোঁজ পাওয়া গেছে। এখন তিনি রংপুরের কোতোয়ালি থানায় আছেন...

আলহামদুলিল্লাহ ছুম্মা আলহামদুলিল্লাহ, অত্যন্ত আনন্দের সহিত জানানো যাচ্ছে যে, মহান আল্লাহ তা য়ালার মেহেরবানিতে দ্বিনী - ম...
26/03/2021

আলহামদুলিল্লাহ ছুম্মা আলহামদুলিল্লাহ, অত্যন্ত আনন্দের সহিত জানানো যাচ্ছে যে, মহান আল্লাহ তা য়ালার মেহেরবানিতে দ্বিনী - মারকাজের অন্যতম একটি নব প্রতিষ্ঠিত ( ১/২/২১)একটি প্রতিষ্ঠান উজান দাসপাড়া নুরূল কুরআন মহিলা মাদরাসায় গত ১/২/২১ থেকে ধারাবাহিক ক্লাস শুরু করে ১৮ ই মার্চ ২১ ই : তারিখে ক্লাস ওয়ারী বইয়ের পাশাপাশি কেরাত, হামদ- নাত সহ মাসআলা, হাদিস, ১০ টি দোয়া, সালামের কবিতা, ছুটির কবিতা,ও ১৪ জন মাহরাম পুরুষ - মহিলার নাম মুখস্হ ইত্যাদি বিষয়ে প্রতিযোগিতায় ৬৪ জন ছাত্র -ছাত্রী অংশগ্রহণ করেতাদের থেকে ১৪ জনকে বাছাই করে আজ ২০ ই মার্চ মসজিদ ও মাদরাসার মাহফিলে এই প্রথম পুরুস্কার দিলাম, অতএব! মাদরাসা, মাদরাসার ছাত্র - ছাত্রী সহ সম্পৃক্ত সকলের ও এলাকাবাসীর জন্য দোয়া চাই যেন আল্লাহ কবুলিয়াত দান করেন আমিন। প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম ফকির (০১৭৪৮৩৭৫৬৭৯), মোহতামিম মুফতি রাকিবুল ইসলাম সাহেব (০১৬৪২৫৯২৭২৭)

12/03/2021

মোদিকে একবার এনে দেখো জুতা আগেই রেডি ছিলো এখনো রেডি আছে
মুফতি সাখাওয়াত হোসেন রাজি

16/02/2021

নিক্সন ভাই আপনাকে অনেক আগে থেকেই মহব্বত করি আগামী দিনে আপনার এলাকায় আসবো ইনশাআল্লাহ 🤲
আল্লামা মামুনুল হক ✊

*******বিসমিহী তায়ালা*******আলহামদুলিল্লাহ আজকে থেকে আপনাদের প্রাণপ্রিয় প্রতিষ্ঠান উজান  দাসপাড়া নূরুল কোরআন মহিলা মা...
03/02/2021

*******বিসমিহী তায়ালা*******আলহামদুলিল্লাহ আজকে থেকে আপনাদের প্রাণপ্রিয় প্রতিষ্ঠান উজান দাসপাড়া নূরুল কোরআন মহিলা মাদ্রাসার ক্লাস শুরু হয়েছে বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন হযরতুল আল্লাম আল্লামা আব্দুল মালেক সাহেব হুজুরের দোয়ার বরকতে আজকে থেকে আমাদের ক্লাস শুরু হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পড়া লেখার মান ও উসউয়ে হাসানাহ এর রুপায়ক একটি প্রতিষ্ঠান
المدرسة النورالقران للبنات اذندشبره
©উজানদাসপাড়া নুরুল কুরআন মহিলা মাদ্রাসা,
উজানদাসপাড়া, ত্রিশাল, ময়মনসিংহ।

©আবাসিক

14/01/2021

এক সাহাবী এক মহিলার গোসল করার দৃশ্য দেখার ঘটনা

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একজন সাহাবা, নাম সা’লাবা। মাত্র ষোল বছর বয়স। রাসূল (সা) এর জন্য বার্তাবাহক হিসেবে এখানে সেখানে ছুটোছুটি করে বেড়াতেন তিনি।
একদিন উনি মদীনার পথ ধরে চলছেন, এমন সময় একটা বাড়ির পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় তাঁর চোখ পড়ল দরজা খুলে থাকা এক ঘরের মধ্যে। ভিতরে গোসলখানায় একজন মহিলা গোসলরত ছিলেন, এবং বাতাসে সেখানের পর্দা উড়ছিল, তাই সা’লাবার চোখ ঐ মহিলার উপর যেয়ে পড়ল। সঙ্গে সঙ্গে উনি দৃষ্টি নামিয়ে নিলেন।
কিন্তু সা’লাবার মন এক গভীর অপরাধবোধে ভরে গেল। প্রচন্ড দুঃখ তাকে আচ্ছাদন করল। তার নিজেকে মুনাফিক্বের মত লাগছিল। তিনি ভাবলেন, ‘কিভাবে আমি রাসূল (সা) এর সাহাবা হয়ে এতোটা অপ্রীতিকর কাজ করতে পারি?!
মানুষের গোপনীয়তাকে নষ্ট করতে পারি? যেই আমি কিনা রাসূল (সা) এর বার্তা বাহক হিসেবে কাজ করি, কেমন করে এই ভীষণ আপত্তিজনক আচরণ তার পক্ষে সম্ভব?’ তাঁর মন আল্লাহর ভয়ে কাতর হয়ে গেল।
তিনি ভাবলেন, ‘না জানি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা আমার এমন আচরণের কথা রাসূল সা এর কাছে প্রকাশ করে দেয়!’ ভয়ে, রাসূল (সা) এর মুখোমুখি হওয়ার লজ্জায়, তিনি তৎক্ষণাৎ ঐ স্থান থেকে পালিয়ে গেলেন।
এভাবে অনেকদিন চলে গেল। রাসূল সাল্লাল্লাহু ওয়ালাইহি ওয়াসাল্লাম অন্যান্য সাহাবাদের কে সালাবার কথা জিজ্ঞেস করতেই থাকতেন। কিন্তু সবাই জানাল কেউ-ই ছা’লাবা কে দেখেনি। এদিকে রাসূল সা এর দুশ্চিন্তা ক্রমেই বাড়ছিল।
তিনি উমর (রা), সালমান আল ফারিসি সহ আরো কিছু সাহাবাদের পাঠালেন সা’লাবার খোঁজ আনার জন্য। মদীনা তন্ন তন্ন করে খুঁজেও সা’লাবার দেখা মিলল না। পরে মদীনার একেবারে সীমানাবর্তী একটা স্থানে, মক্কা ও মদীনার মধ্যখানে অবস্থিত পর্বতময় একটা জায়গায় পৌঁছে কিছু বেদুঈনের সাথে দেখা হল তাদের।
দেখানে এসে তারা সা’লাবার সম্পর্কে খোঁজ খবর নিতে শুরু করলেন। ‘তোমরা কি লম্বা, তরুণ, কম বয়সী একটা ছেলেকে এদিকে আসতে দেখেছ?’ বেদুঈনগুলো মেষ চড়াচ্ছিল।
তারা জবাব দিল, সে খবর তারা জানেনা, তবে তারা জিজ্ঞেস করল, ‘তোমরা কি ক্রন্দনরত বালকের সন্ধানে এসেছ?’ একথা শুনে সাহাবীরা আগ্রহী হয়ে উঠলেন এবং তার বর্ণনা জানতে চাইলেন।
উত্তরে ওরা বলল, ‘আমরা প্রতিদিন দেখি মাগরিবের সময় এখানে একটা ছেলে আসে, সে দেখতে এতো লম্বা, কিন্তু খুব দুর্বল, সে শুধুই কাঁদতে থাকে। আমরা তাকে খাওয়ার জন্য এক বাটি দুধ দেই, সে দুধের বাটিতে চুমুক দেয়ার সময় তার চোখের পানি টপটপ করে পড়ে মিশে যায় দুধের সাথে, কিন্তু সেদিকে তার হুঁশ থাকেনা!’ তারা জানালো চল্লিশ দিন যাবৎ ছেলেটা এখানে আছে।
একটা পর্বতের গুহার মধ্যে সে থাকে, দিনে একবারই সে নেমে আসে, কাঁদতে কাঁদতে; আবার কাঁদতে কাঁদতে, আল্লাহর কাছে সর্বদা ক্ষমা প্রার্থনা করতে করতে উপরে চলে যায়।
সাহাবারা বর্ণনা শুনেই বুঝলেন, এ ছা’লাবা ছাড়া অন্য কেউ না। তবে তাঁরা উপরে যেয়ে সা’লাবাকে ভড়কে দিতে চাচ্ছিলেন না, এজন্য নিচেই অপেক্ষা করতে লাগলেন। যথাসময়ে প্রতিদিনের মত আজও সা’লাবা ক্রন্দনরত অবস্থায় নেমে আসলেন, তাঁর আর কোনদিকে খেয়াল নাই।
কী দুর্বল শরীর হয়ে গেছে তাঁর! বেদুঈনদের কথামত তাঁরা দেখতে পেলেন, সা’লাবা দুধের বাটি হাতে নিয়ে কাঁদছে, আর তাঁর অশ্রু মিশে একাকার হয়ে যাচ্ছে। তাঁর চেহারায় গভীর বিষাদের চিহ্ন স্পষ্টভাবে প্রকাশ পাচ্ছে। সাহাবারা তাকে বললেন, ‘আমাদের সাথে ফিরে চল’; অথচ ছা’লাবা যেতে রাজি হচ্ছিলেন না।
তিনি বারবার সাহাবাদেরকে জিজ্ঞেস করতে লাগলেন, ‘আল্লাহ কি আমার মুনাফেক্বী বিষয়ক কোন সূরা নাযিল করেছে?’ সাহাবারা উত্তরে বললেন, ‘না আমাদের জানামতে এমন কোন আয়াত নাযিল হয় নাই।’
উমর (রা) বললেন, রাসূল (সা) আমাদেরকে তোমাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য পাঠিয়েছেন। তুমি যদি এখন যেতে রাজি না হও, তাহলে তোমাকে আমরা জোর করে ধরে নিয়ে যাব। রাসূল (সা) এর কথা অমান্য করবেন এমন কোন সাহাবা ছিল নাহ। কিন্তু সা’লাবা এতোটাই লজ্জিত ছিলেন যে ফিরে যেতে চাচ্ছিলেন নাহ। এরপর সাহাবারা তাকে রাসূল (সা) এর কাছে মদীনায় নিয়ে আসেন।
মহানবী (সা) এর কাছে এসে ছা’লাবা আবারও একই প্রশ্ন করে, ‘আল্লাহ কি আমাকে মুনাফিক্বদের মধ্যে অন্তর্গত করেছেন অথবা এমন কোন আয়াত নাযিল করেছেন যেখানে বলা আছে আমি মুনাফিক্ব?’ রাসূল (সা) তাকে নিশ্চিত করলেন যে এমন কিছুই নাযিল হয়নি।
তিনি ছা’লাবার দুর্বল পরিশ্রান্ত মাথাটা নিজের কোলের উপর রাখলেন। সা’লাবা কাঁদতে কাঁদতে বলে উঠলেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল, এমন গুনাহগার ব্যক্তির মাথা আপনার কোল থেকে সরিয়ে দিন।’ উনার কাছে মনে হচ্ছিল যেন সে এসব স্নেহের যোগ্য নয়।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে সান্ত্বনা দিতেই থাকলেন। আল্লাহর রহমত আর দয়ার উপর ভরসা করতে বললেন। আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে বললেন। এমন সময় ছা’লাবা বললেন,
‘হে আল্লাহর রাসূল আমার এমন মনে হচ্ছে যেন আমার হাড় আর মাংসের মাঝখানে পিঁপড়া হেঁটে বেড়াচ্ছে।’
রাসূল (সা) বললেন, ‘ওটা হল মৃত্যুর ফেরেশতা। তোমার সময় এসেছে ছা’লাবা! শাহাদাহ পড়’।
ছা’লাবা কালিমা শাহাদাহ বলতে থাকলেন, ‘আল্লাহ ছাড়া ইবাদাতের যোগ্য আর কোন ইলাহ নেই, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল’
উনি শাহাদাহ বলতে থাকলেন… বলতেই থাকলেন… এমনভাবে তাঁর রুহ শরীর থেকে বের হয়ে গেল।
মহানবী (সা) ছা’লাবাকে গোসল করিয়ে জানাজার পর কবর দিতে নিয়ে যাচ্ছিলেন। আরো অনেক সাহাবা সা’লাবাকে বহন করে নিয়ে যাচ্ছিলেন। মহানবী (সা) পা টিপে টিপে অনেক সাবধানে এগিয়ে যাচ্ছিলেন।
উমর রাদিয়ালাহু আনহু অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল, আপনি এভাবে কেন হাঁটছেন যেন ভিড়ের মাঝে হেঁটে চলেছেন.. কতো রাস্তা ফাঁকা পরে আছে, আপনি আরাম করে কেন চলছেন না ইয়া রাসুল?’
উত্তরে রাসূল (সা) বললেন, ‘হে উমর, আমাকে অনেক সাবধানে চলতে হচ্ছে। সমস্ত রাস্তা ফেরেশতাদের দ্বারা ভরে গেছে ।ছা’লাবার জন্য এতো ফেরেশতা এসেছে যে আমি ঠিকমত হাঁটার জায়গা পাচ্ছি না’।
সুবহান আল্লাহ !
এই সেই সা’লাবা যে ভুলক্রমে একটা ভুল করার জন্য এতো প্রায়শ্চিত্য করেছেন। গুনাহ-র কাজ করা তো দূরের কথা, গুনাহ না করেও আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে চেয়ে ব্যাকুল হয়েছেন।
কত উঁচু ছিলেন তিনি আল্লাহর চোখে যে তাকে নেয়ার জন্য ফেরেশতাদের আগমনে রাস্তা ভরে গিয়েছিল! এই সব ফেরেশতারা নেমে এসেছে শুধু সা’লাবার জন্য, তাঁর জন্য দুআ করার জন্য, তাকে নিয়ে যাবার জন্য।
আর আমরা সারাদিন কত জঘন্য কিছু দেখে থাকি।অথচ এমন ভাব করব থাকি যেন এ সব কিছুই আল্লাহ হালাল করে দিয়েছেন।
একটা হাদীস আছে, ‘মু’মিন বান্দার কাছে তার গুনাহগুলো এমন যেন এখনই পাহাড় ভেঙ্গে তার মাথার উপর পড়বে; আর একজন দুর্বৃত্তকারীর কাছে গুনাহ এরকম যে মাছি এসে তার নাকের উপর উড়াউড়ি করছে, আর সে হাত নাড়িয়ে সেটা সরিয়ে দিল’।
[বুখারি, বইঃ৭৫, হাদীস নং ৩২০]

09/01/2021

দালাল ও মুশরিকদের কে উদ্দেশ্য করে যা বললেন আল্লামা মামুনুল হক

Address

Uzan Das Para, Chowrasta Bazar
Mymensingh
2263

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when উজানদাসপাড়া নুরুল কুরআন মহিলা মাদ্রাসা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to উজানদাসপাড়া নুরুল কুরআন মহিলা মাদ্রাসা:

Shortcuts

Share