26/04/2026
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ
ময়মনসিংহ, ২৬ এপ্রিল ২০২৬।
বাকৃবিতে নিরাপত্তা শাখার বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠিত।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) নিরাপত্তা শাখার তত্ত্বাবধানে নিরাপত্তাকর্মীদের অংশগ্রহণে তিন সপ্তাহব্যাপী 'বুনিয়াদী প্রশিক্ষণ' কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৬ এপ্রিল ২০২৬, রবিবার সকাল ০৯.০০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিভাগে উক্ত প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া প্রশিক্ষণার্থীদের সার্টিফিকেট বিতরণ করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মো: শহীদুল হক। নিরাপত্তা কাউন্সিলের পরিচালক প্রফেসর ড. মো: আরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং প্রশিক্ষণ সমন্বয়ক ও প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান মোহাম্মদ খায়রুল ফাত্তাহ এর সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো: হেলাল উদ্দীন, ভারপ্রাপ্ত ট্রেজারার মোঃ সাজ্জাদ হোসেন মন্ডল।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন "নিরাপত্তা কর্মীরা যেন সততা ও নিষ্ঠার সাথে তাদের দায়িত্ব পালন করেন এই বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। তিনি এধরণের প্রশিক্ষণ সবসময় চলমান থাকবে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, তিন সপ্তাহব্যাপী অনুষ্ঠিত এই প্রশিক্ষণে নিরাপত্তা শাখার ২৭জন কর্মী সফলভাবে তাদের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন।
জনসংযোগ ও প্রকাশনা দফতর
বাকৃবি, ময়মনসিংহ-২২০২।
25/04/2026
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
ময়মনসিংহ, ২৫ এপ্রিল ২০২৬।
প্রধানমন্ত্রীর গবেষণা ও উচ্চশিক্ষা সহায়তা তহবিল-এর আওতায় নতুন বৃত্তি কার্যক্রম শুরুর সিদ্ধান্ত গ্রহণ।
-----------------------------------------------------
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গবেষণা ও উচ্চশিক্ষা সহায়তা তহবিল-এর আওতায় দেশের বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে পিএইচডি প্রোগ্রামে বৃত্তি প্রদানের কার্যক্রম শুরুর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এই বৃত্তির আওতায় একজন পিএইচডি গবেষক প্রতি মাসে ৫০ হাজার টাকা পাবেন।পূর্বের প্রচলিত বৃত্তির আর্থিক অনুদানের চেয়ে প্রস্তাবিত বৃত্তিতে টাকার পরিমাণ বেশি হওয়ায় বাংলাদেশ সরকারের এই উদ্যোগটি দেশের উচ্চশিক্ষা এবং গবেষণার মানোন্নয়নে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে গণ্য হবে।
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারের সভাপতিত্বে এ সহায়তা তহবিলের স্টিয়ারিং কমিটির সভায় বৃত্তি প্রদান সংক্রান্ত নীতিমালাটি চূড়ান্ত করা হয়।নীতিমালা অনুযায়ী, তিন বছর মেয়াদি এ বৃত্তির জন্য নির্বাচিত একজন পিএইচডি গবেষক প্রতি মাসে ৫০ হাজার টাকা বৃত্তিসহ অন্যান্য সুবিধা পাবেন। সভায় ২০২৬–২৭ অর্থবছরে বৃত্তির জন্য আবেদন আহ্বান করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়।
উল্লেখ্য, সভায় বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মোবাশ্বের মোনেম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু বোরহান মোহাম্মদ বদরুজ্জামান, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট মহাপরিচালক ও পরিচালকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তথ্যসূত্রঃ দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস (২৫.৪.২০২৬)
জনসংযোগ ও প্রকাশনা দফতর
বাকৃবি, ময়মনসিংহ।
25/04/2026
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
প্রেস রিলিজঃ
ময়মনসিংহ, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬।
বাকৃবিতে হাইব্রিড ড্রায়িং সিস্টেম প্রযুক্তির সমাপনী কর্মশালা অনুষ্ঠিত।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) 'হাইব্রিড ড্রায়িং সিস্টেম ফর রিডিউসিং পোস্ট-হার্ভেস্ট লসেস অফ নিউট্রিয়েন্ট-এনরিচড ক্রপস অ্যান্ড ফিশেস ইন বাংলাদেশ' শীর্ষক প্রকল্পের সমাপনী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (শনিবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের কনফারেন্স হলে এই কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া।বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এফএও (FAO) বাংলাদেশের ন্যাশনাল সিনিয়র প্রিসিশন এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার অধ্যাপক ড. মো. মঞ্জুরুল আলম এবং মারকেন্টাইল ব্যাংক পিএলসি-এর উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিএফও তাপস চন্দ্র পাল, পিএইচডি।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন ব্যুরো অব রিসার্চ টেস্টিং এন্ড কন্সাল্টেশন চেয়ারম্যান ও কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন প্রকল্পের সহ-প্রধান গবেষক এবং ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. পলি কর্মকার।অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকল্পের প্রধান গবেষক এবং ফার্ম পাওয়ার অ্যান্ড মেশিনারি বিভাগের অধ্যাপক ড. চয়ন কুমার সাহা। তিনি তার উপস্থাপনায় জানান, এই হাইব্রিড ড্রায়িং সিস্টেম ব্যবহারের মাধ্যমে ফসল ও মাছের সংগ্রহোত্তর পুষ্টিমান বজায় রেখে অপচয় উল্লেখযোগ্য হারে কমানো সম্ভব, যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষি অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রধান পৃষ্ঠপোষকের বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূইঁয়া শুরুতে মার্কেটাইল ব্যাংককে এ
আন্তরিক ধন্যবাদ জানান এবং সাথে সাথে যে সমস্ত প্রতিষ্ঠানগুলো, যে সমস্ত স্টেকহোল্ডাররা এই প্রকল্পের কাজগুলোতে বিভিন্ন পর্যায়ে ল্যাব পর্যায়ে সহযোগিতা করেছে তাদেরকেও প্রশংসা ও ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন যে বাংলাদেশকে বিশ্বে টিকে থাকতে হলে এধরণের উদ্যোগের বিকল্প নেই। তিনি বাকৃবির শিক্ষক ও গবেষকদের দক্ষতার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন যে আমরা কখনো পিছপা হবো না যেকোনো নতুন জিনিস আবিষ্কারের পথে, খামারিদের পাশে থেকে দেশকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে। আমাদের কৃষি ব্যবস্থাপনায় আমরা আমাদের দেশের পণ্যগুলো কীভাবে বাণিজ্যিকভাবে এগিয়ে নিতে পারি এবং কৃষক/খামারিরা আরও বেশি আয় করতে পারে সে সকল লক্ষ্যগুলোকে সামনে রেখেই এদেশের কৃষি, কৃষক, উদ্যোক্তা এবং সাধারণ মানুষের জীবনমান এবং আর্থিক উন্নতি এবং আমাদের কৃষি খাত সার্বিক অর্থে আমাদের আরো লাভজনক করাই মূল উদ্দেশ্য। সেই লক্ষ্য অর্জনে সহায়তার জন্য তিনি মার্কেটাইল ব্যাংককে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান এবং সামনের দিনেও এই দরজা মার্কেটাইল ব্যাংক উম্মুক্ত রাখবে সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, মারকেন্টাইল ব্যাংক পিএলসি-এর সিএসআর ফান্ডের অর্থায়নে এই প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়েছে।অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক, গবেষক, মারকেন্টাইল ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং কৃষক ও উদ্যোক্তারা অংশ নেন। বক্তারা এই প্রযুক্তির মাঠপর্যায়ে দ্রুত প্রসারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন যাতে সাধারণ কৃষক ও ব্যবসায়ীরা এর সুফল ভোগ করতে পারেন।
জনসংযোগ ও প্রকাশনা দফতর
বাকৃবি, ময়মনসিংহ-২২০২।
25/04/2026
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
প্রেস রিলিজঃ
ময়মনসিংহ, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘আঞ্চলিক পরিসংখ্যান সম্মেলন ২০২৬’ অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কৃষি ও ফলিত পরিসংখ্যান বিভাগ এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান সমিতি (BSA)-এর যৌথ উদ্যোগে আজ শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে "আঞ্চলিক পরিসংখ্যান সম্মেলন ২০২৬" অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল— "টেকসই কৃষি ও জনস্বাস্থ্য শক্তিশালীকরণে পরিসংখ্যানের ভূমিকা" (Role of Statistics in Strengthening Sustainable Agriculture and Public Health)।সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফারাহ শাম্মী, এনডিসি, বিভাগীয় কমিশনার, ময়মনসিংহ; প্রফেসর ড. সৈয়দ শাহাদাত হোসেন, সভাপতি, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান সমিতি (BSA);
প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম, ডিন, কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদ, বাকৃবি;
প্রফেসর ড. এম. হাম্মাদুর রহমান, পরিচালক, বাউরেস (BAURES), বাকৃবি ; এবং ড. দিপঙ্কর রায়, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান সমিতি (BSA)।
কৃষি ও ফলিত পরিসংখ্যান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. রোমিজা বেগম এর সভাপতিত্বে এবং মেহের আফরোজ এর সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন কৃষি ও ফলিত পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আখতারুল আলম।তিনি তাঁর বক্তব্যে টেকসই কৃষি উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সঠিক তথ্য ও পরিসংখ্যানগত বিশ্লেষণের গুরুত্ব তুলে ধরেন।বিশেষ অতিথিবৃন্দ তাদের বক্তব্যে আধুনিক কৃষি ব্যবস্থা এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নির্ভরযোগ্য ডাটাবেজ তৈরি ও আধুনিক পরিসংখ্যানগত পদ্ধতির প্রয়োগের উপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূইঁয়া বলেন যে পরিসংখ্যান বিষয়টি সত্যিকার অর্থেই গুরুত্বপূর্ণ এবং সর্বক্ষেত্রেই প্রয়োজনীয় বিষয়। ব্যক্তি জীবনে, রাষ্ট্রীয় জীবনে, পেশাগত জীবনে পরিসংখ্যান এর বহুমাত্রিক ব্যবহার রয়েছে এবং এটি একটি গতিশীল বিজ্ঞান, যা দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে।
পরিসংখ্যান এর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যে, পরিসংখ্যান ছাড়া কোনো বিজ্ঞান বিবর্তিত বা বিকশিত হবে না। নতুন কিছু আসবে না এবং সেটা প্রমাণিতভাবে আসবে না যেটা অপরিবর্তনীয়। যার জন্য পরিসংখ্যান ছাড়া কোনো বিজ্ঞান সত্যিক্যার অর্থে তার কোনো গবেষণালব্ধ ফলাফল ই প্রকাশ করতে পারে না। এটার যে নির্ভরযোগ্যতা, এটার যে বাস্তববাদ এবং এটার যে গুরুত্ব এবং ন্যায্যতা যে কিছু ফলাফল সত্যিই সত্য অথবা উপকারী অথবা স্পষ্ট অথবা এটি সর্বজনীন হয়েছে কিংবা এটি তত্ত্বে পরিণত হতে পারে। সেই ন্যায্যতা বা প্রমাণ পরিসংখ্যান বিজ্ঞান থেকেই আসে। পরিসংখ্যানগত যুক্তি ছাড়াকোনো বিজ্ঞানই তার স্থান করে নিতে পারে না,সে দিকটাও আমাদের মনে রাখতে হবে। তিনি এই আঞ্চলিক সম্মেলনের সাফল্য কামনা করেন।
উল্লেখ্য, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত শিক্ষক, গবেষক এবং পরিসংখ্যানবিদগণ এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তাদের গবেষণালব্ধ ফলাফল উপস্থাপন করেন।
জনসংযোগ ও প্রকাশনা দফতর
বাকৃবি, ময়মনসিংহ-২২০২।
23/04/2026
ছাত্র বিষয়ক বিভাগ কর্তৃক প্রচারিত "২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (লেভেল-১, সেমিস্টার-১) শ্রেণিতে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের জন্য করণীয়" সংক্রান্ত প্রচারপত্রটি এতদসঙ্গে সংযুক্ত করা হলোঃ
23/04/2026
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
প্রেস রিলিজঃ
ময়মনসিংহ, ২৩ এপ্রিল ২০২৬।
বাকৃবিতে কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের ২য় ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের উদ্বোধন।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদের বি.এস-সি. এজি. ইকন. (অনার্স) লেভেল-৪, সেমিস্টার-২ (সেশন: ২০২০-২১) এর শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘২য় ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম-২০২৬’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ ২৩ এপ্রিল ২০২৬, বৃহস্পতিবার বিকেল ৩:৩০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে ভারপ্রাপ্ত ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. জি.এম. মুজিবুর রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই ইন্টার্নশীপ প্রোগ্রামের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ড. মো. শহিদুল হক, ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা, বাকৃবি, প্রফেসর ড. হুমায়ুন কবির, কোষাধ্যক্ষ, বাকৃবি, ড. মো. আব্দুল মজিদ প্রামাণিক, মহাপরিচালক, পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (RDA), বগুড়া এবং জনাব এ. বি. এম. সিদ্দিক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ক্রান্তি গ্রুপ অফ কোম্পানিজ এবং সভাপতি, পদক্ষেপ। কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে এবং সহকারী প্রফেসর ড. ফারজানা ইয়াসমিন ও লেকচারার ইসরাত জাহানের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ম্যানেজমেন্ট কমিটির সমন্বয়কারী প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন।
বিশেষ অতিথিবৃন্দ তাদের বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি বাস্তব কর্মক্ষেত্রের অভিজ্ঞতা অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এই ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজ উন্নয়নে সরাসরি মাঠ পর্যায়ের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারবে, যা তাদের ভবিষ্যতে দক্ষ পেশাজীবী হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক হবে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এছাড়াও ইন্টার্ন শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে দুইজন শিক্ষার্থী তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভারপ্রাপ্ত ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. জি.এম.মুজিবুর রহমান শিক্ষার্থীবৃন্দের উদ্দেশ্যে বলেন
"তোমরা কেবল ডিগ্রি অর্জনের শেষ প্রান্তে নও, বরং তোমরা এখন পেশাদার জীবনের প্রবেশদ্বারে দাঁড়িয়ে আছো। এই ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামটি তোমাদের অর্জিত তাত্ত্বিক জ্ঞানকে বাস্তব অভিজ্ঞতায় রূপান্তর করার শ্রেষ্ঠ সুযোগ। কৃষি অর্থনীতি বর্তমান বিশ্বের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং কৃষিকে লাভজনক ব্যবসায় পরিণত করতে তোমাদের ভূমিকা হবে অনন্য"। তিনি আরও বলেন যে , আমরা চাই বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থী দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে দেশ ও দশের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করবে।
উল্লেখ্য, ৬ ক্রেডিটের মাসব্যাপী অনুষ্ঠিতব্য এই প্রোগ্রামে সর্বমোট ১০১জন ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করেছে। উক্ত অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীবৃন্দ ছাড়াও ইন্টার্নশীপ প্রোগ্রামে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্তাব্যক্তিবৃন্দ, আমন্ত্রিত অন্যান্য শিক্ষক -কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জনসংযোগ ও প্রকাশনা দফতর
বাকৃবি, ময়মনসিংহ-২২০২।
23/04/2026
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক(লেভেল-১,সিমেষ্টার-১) শ্রেনীতে ভর্তির সুযোগ পাওয়া ছাত্র-ছাত্রী/অভিবাবকবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট সকলের জ্ঞাতার্থে সংশোধনী বিজ্ঞপ্তিটি এতদসঙ্গে সংযুক্ত করা হলো।
19/04/2026
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
প্রেস রিলিজঃ
ময়মনসিংহ, ১৯ এপ্রিল ২০২৬।
বাকৃবির মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদে নতুন ডিনের দায়িত্ব গ্রহণ।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের নতুন ডিন হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন প্রফেসর ড. মো. আলী রেজা ফারুক। আজ ১৯ এপ্রিল (রবিবার) সকাল ১১.০০টায় অনুষদীয় সম্মেলন কক্ষে(কক্ষ নং ২০০১) আয়োজিত এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি এই দায়িত্ব গ্রহণ করেন।বিদায়ী ডিন প্রফেসর ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার নবনিযুক্ত ডিন প্রফেসর ড. মো. আলী রেজা ফারুকের কাছে অনুষদের প্রশাসনিক দায়িত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন।দায়িত্ব হস্তান্তর ও গ্রহণ অনুষ্ঠানে অনুষদের সাবেক ডিনবৃন্দ, বিভিন্ন বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত এবং কর্মরত শিক্ষকবৃন্দ ও কর্মকর্তা- কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বিদায়ী ডিন প্রফেসর ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার তাঁর কার্যকালে সহযোগিতার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান। অন্যদিকে, নবনিযুক্ত ডিন প্রফেসর ড. মো. আলী রেজা ফারুক অনুষদের শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নে সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।
জনসংযোগ ও প্রকাশনা দফতর
বাকৃবি, ময়মনসিংহ-২২০২।
18/04/2026
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
প্রেস রিলিজঃ
বাকৃবি, ময়মনসিংহ | ১৮ এপ্রিল, ২০২৬
মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো ‘ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী মেলা’ অনুষ্ঠিত।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ক্যাম্পাসে অবস্থিত মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বিদ্যালয়ে অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী মেলা’। আজ শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ১০টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মেলার উদ্বোধন করেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. মো: মাহমুদুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ড. মো. শহীদুল হক, ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা,প্রফেসর ড. মো. সামছুল আলম, কো-অর্ডিনেটর, উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা কমিটি,প্রফেসর ড. মো. ওয়াকিলুর রহমান, গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান বিভাগ এবং কৃষিবিদ ড. মো: হেলাল উদ্দীন, রেজিস্ট্রার, বাকৃবি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন "কচি মনে বিজ্ঞানের প্রতি এই যে ভাবনা ও মানসিকতা তৈরি হচ্ছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। শিক্ষার্থীরা তাদের মেধা ও শ্রম দিয়ে চমৎকার সব প্রকল্প উপস্থাপন করেছে। একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সব ধরনের পেশাজীবী প্রয়োজন, আর আমাদের শিক্ষার্থীরা সেই লক্ষ্যেই বেড়ে উঠছে।"
তিনি বিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, এ বছর ৪৭ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৬ জন বৃত্তি পেয়েছে, যা প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি বড় অর্জন। সভাপতির বক্তব্যে প্রফেসর ড. মো: মাহমুদুল আলম বলেন, "বাচ্চাদের মেধা বিকাশে এই উদ্ভাবনী উদ্যোগ সবার সহযোগিতার ফলেই সফল হয়েছে। আজকের এই শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তাদের এই কঠোর পরিশ্রম ও চিন্তাভাবনা ভবিষ্যতে তাদের অনেক বড় অবস্থানে নিয়ে যাবে।"
ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বিকাশ এবং বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টির লক্ষ্যে আয়োজিত এই মেলায় প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেয়।
মেলায় ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বিজ্ঞানভিত্তিক উদ্ভাবনী প্রকল্প ও সৃজনশীল কাজ প্রদর্শন করে। প্রদর্শন শেষে শ্রেণিভিত্তিকভাবে সেরা প্রকল্পগুলো নির্বাচন করে শিক্ষার্থীদের বিশেষ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, অভিভাবক এবং বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থী উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা জোগান।
জনসংযোগ ও প্রকাশনা দফতর
বাকৃবি, ময়মনসিংহ-২২০২।
17/04/2026
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রফেসর ড. এম. এ. রহিম "স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬" এ ভূষিত
জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের সাবেক ডীন, বাকৃবি জার্মপ্লাজম সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন উদ্যানতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ড. এম. এ. রহিম স্যার ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ প্রাপ্ত হয়েছেন। ১৬ এপ্রিল ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে এ পদক তুলে দেন।
'গবেষণা ও প্রশিক্ষণ’ ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি দেশের এই সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।
প্রফেসর ড. এম. এ. রহিম "স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬" প্রাপ্ত হওয়ায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার গর্বিত। জাতীয় পর্যায়ের সম্মান ও পদক প্রাপ্তিতে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া প্রফেসর রহিম স্যারকে অভিনন্দন জানান।
জনসংযোগ ও প্রকাশনা দফতর
বাকৃবি, ময়মনসিংহ।
16/04/2026
বোর্ড বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অনলাইনে এন্ট্রি ও তথ্য সংশোধন সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিটি এতদসঙ্গে সংযুক্ত করা হলোঃ
15/04/2026
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
ময়মনসিংহ- ১৫ এপ্রিল, ২০২৬।
প্রেস রিলিজঃ
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘Green BAU - Clean BAU’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ক্যাম্পাসকে আরও সবুজ, দৃষ্টিনন্দন ও পরিচ্ছন্ন রাখার প্রত্যয়ে আজ ১৫ এপ্রিল (বুধবার) আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো ‘Green BAU - Clean BAU’ নামক জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি। সবুজে ভরুক ক্যাম্পাস, নির্মল হোক প্রশ্বাস’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন সংলগ্ন আমতলায় দুপুর ১২:০০ ঘটিকায় এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। মঞ্চে আরও উপস্থিত ছিলেন ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মো: শহীদুল হক, শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মো: রফিকুল ইসলাম সরদার, রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো: হেলাল উদ্দীন, প্রক্টর প্রফেসর ড. মো: আব্দুল আলীম, এবং চীফ মেডিকেল অফিসার(প্রতিষেধক) ডাঃ মো: শাহাদাৎ হোসেন।
'Green BAU - Clean BAU’ এর সভাপতি প্রফেসর ড. এম. আরিফুল ইসলাম, মেডিসিন বিভাগ এর সভাপতিত্বে এবং একই কমিটির সদস্য তাজিন খন্দকারের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন সংশ্লিষ্ট কমিটির সভাপতি । আরও বক্তব্য প্রদান করেন মঞ্চে উপবিষ্ট অতিথিবৃন্দ এবং বাকৃবি শাখা ছাত্রদলের আহবায়ক ও সদস্য সচিব যযথাক্রমে মো: আতিকুর রহমান আতিক ও মো: শফিকুল ইসলাম শফিক। উপ পরিচালক কৃষিবিদ হাবিব মোহাম্মদ সাইফুর রহমানও বক্তব্য প্রদান করেন। ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা 'Green BAU - Clean BAU’ কমিটির নাম ঘোষণা করেন।
প্রধান পৃষ্ঠপোষকের বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূইঁয়া বলেন,
আমরা বাকৃবির সবাই মিলে একটি পরিবার। এই পরিবারের আঙিনা, সমস্ত এলাকা, সবকিছু পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দায়িত্ব আমাদেরকেই নিতে হবে। বাইরে থেকে যারা আসে তাদেরকে আমাদের বোঝাতে হবে, উদ্বুদ্ধ করতে হবে। আমাদের ময়লা আবর্জনাগুলো যেখানে ডাস্টবিন আছে সেখানে নিয়ে আমরা ফেলে দেব- এটাই হোক আজকের দিন আমাদের অঙ্গীকার। এটা কোনো প্রতিষ্ঠানের বা কোনো একটা সংস্থাকে আত্মপ্রকাশের জন্য জাঁকজমকপূর্ণভাবে আয়োজন করা আমাদের এই আয়োজনের উদ্দেশ্য নয়। উদ্দেশ্য হচ্ছে আমরা বৃহত্তর বাকৃবি পরিবার সবাই মিলে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হচ্ছি- আমিও যেন একটা কাগজের টুকরা যেখানে সেখানে না ফেলি, এটা খেয়াল রাখব। আজকে থেকে বাকৃবিকে আমরা পরিষ্কার রাখব এবং এই প্রতিষ্ঠানের সুনাম দেশ ও বিদেশের বুকে যেন আরও বিস্তৃত হয় সেজন্য আপনাদের সকলের সহযোগিতা কামনা করি"।
উল্লেখ্য, উক্ত কমিটি ইতিমধ্যেই ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে ২০টি ডাস্টবিন স্থাপন করেছে।তাদের মূল লক্ষ্যসমূহ: বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে সবুজে আবৃত করা; পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার মাধ্যমে ক্যাম্পাসের দৃষ্টিনন্দন পরিবেশ নিশ্চিত করা; শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের মাঝে পরিবেশ বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি করা। উক্ত অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ, কর্মকর্তাবৃন্দ, ছাত্র-ছাত্রী ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জনসংযোগ ও প্রকাশনা দফতর
বাকৃবি, ময়মনসিংহ-২২০২।