Bigganjatra - বিজ্ঞানযাত্রা

Bigganjatra - বিজ্ঞানযাত্রা

Share

বিজ্ঞান হোক আনন্দের উৎস। বিজ্ঞান পৌঁছে যাক ঘরে ঘরে।

অন্য সকল মহাকাব্যের মতই বিজ্ঞানের গল্পও শুরু হয় “সে অনেককাল আগের কথা” দিয়ে। সেই প্রাচীনকালে, মানুষ যখন চিন্তা করার সক্ষমতা অর্জন করেছে; তখন থেকেই নিরবচ্ছিন্নভাবে প্রকৃতিকে বুঝতে চেয়েছে, ব্যাখ্যা করতে চেয়েছে। মানবপ্রজাতির সেই প্রচেষ্টার ধারাবাহিক যাত্রাতেই, ধীরে ধীরে আমরা আজকের বিজ্ঞানসম্মত চিন্তাগুলোতে উপনীত হয়েছি।

আমাদেরকে দুটো জিনিস মনে রাখতে হবে। এক, এই যাত্রা সম্ভব হয়েছে পরিচিত ধারণার বাইরে ব

08/05/2026

David Attenborough, পরিচিতদের কাছে ৫ সেকেন্ডই যথেষ্ট, কণ্ঠ দিয়ে সনাক্ত করার জন্য। অসাধারণ একজন প্রকৃতিপ্রেমী লোক তিনি। ওনার কণ্ঠে আমরা শুনেছি Planet Earth, Life Series, The Blue Planet, BBC Wildlife Special… তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি সাদাকালো, রঙ্গিন, এইচডি, থ্রি-ডি – সবরকম অনুষ্ঠানের জন্য বাফটা পুরষ্কার পেয়েছেন।

আজ থেকে একশো বছর আগে জন্মেছিলেন এই মহাপুরুষ। আসুন, তার সংক্ষিপ্ত জীবনী একটু করে দেখে নিই।

May 8, 1926 এ তার জন্ম, ইংল্যান্ডের ওয়েস্ট লন্ডনে। তিন ভাইয়ের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়। অবশ্য তার বাবা-মা আরো দুটো মেয়েকে পালক হিসেবে নিয়েছিলেন। ছোটোবেলা থেকেই জ্ঞানের আশেপাশে বড় হয়েছেন তিনি। বাবা ছিলেন কলেজের প্রিন্সিপাল। আবার তিনি নিজেও ফসিল, শিলা, এগুলো সংগ্রহ করে কাটাতেন। মাত্র ১০ বছর বয়সে প্রকৃতি সংরক্ষণের মত বিষয় নিয়ে একটা সেমিনারে বক্তৃতা শুনতে গিয়েছিলেন। এই ছেলে বড় হয়ে ডেভিড এটেনবরো হবে না তো আর কে হবে?

১৯ বছর বয়সে ন্যাচারাল সায়েন্স নিয়ে অনার্স করলেন কেম্ব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লেয়ার কলেজ থেকে। ওখানে আরো বেশি করে জানলেন ভূ-তত্ত্ব আর প্রাণীদেরকে নিয়ে।

বিজ্ঞান আর প্রকৃতিকে এতো সুন্দর করে কীভাবে তুলে ধরেন তিনি? জানতে হলে দেখতে হবে তার প্রথমদিকের কর্মজীবনের কথা। একটা প্রকাশনা সংস্থার হয়ে কাজ করতেন তিনি। সেখানে বাচ্চাদের বিজ্ঞান বইগুলো সম্পাদনা করতেন তিনি। স্বভাবতই তাকে যে কোনো তথ্যের সবচেয়ে সহজ ভার্সনটা নিয়ে ভাবতে হতো ঐ সময়টাতে। খুব দ্রুত অবশ্য সেই চাকরি ছেড়ে দিয়েছিলেন। ১৯৫০ সালে বিবিসির রেডিওতে চাকরি করতে চাইলেন, চাকরিটা পেলেন না। কিন্তু চোখে পড়ে গেলেন বিবিসির টেলিভিশন প্রযোজকের। এরপর থেকে শুরু করলেন ব্যাকগ্রাউন্ডে কণ্ঠ দেয়া।

এরপর থেকেই অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন তিনি। তার কণ্ঠে প্ল্যানেট আর্থ আর লাইফ সিরিজ যদি না দেখা থাকে, তাহলে কী জিনিস মিস করেছেন, আপনি নিজেও জানেন না। পৃথিবীর সবচেয়ে এক্সট্রিম জিনিসগুলো দেখা হয়েছে শুধু তার হাত ধরে। এমনকি কিছু দেশে ড্রিংকিং গেইম বানানো হয়েছে তাকে নিয়ে। খেলাটা এমন, উনি যতবারই কোনো superlative degree (largest, coldest, hottest, most remote, most exemplary, ইত্যাদি) বলবেন, ততবারই তারা এক পেগ ড্রিংক করবে। একদম সহজ-স্বাভাবিক জিনিসও তার কণ্ঠে আর ঢঙয়ে অসাধারণ হয়ে ওঠে।

১০০ বছর বয়সে এসেও তিনি কাজ করে চলেছেন তার প্যাশনের জন্য। পৃথিবীকে এমন করে ভালোবাসতে পারা মানুষের সংখ্যা খুব বেশি নেই।

উৎসঃ https://bigganjatra.org/david_attenborough_short_biography/

04/04/2026

Hello, Earth! - NASA Artemis Mission

Oh, look, it is round.

এক চিমটি বিজ্ঞান: রোজা রাখলে সবার ওজন কমে না কেন? 20/03/2026

রোজায় আমরা কী করি? মাসের শুরুতে ভাবি এই রমজানে ১০ কেজি কমায় ফেলবো। কিন্তু ইফতারের আগে ভাবি: “ আজকের রোজায় ৫ কেজি নামবেই ইনশাআল্লাহ!” তারপর প্লেটে জিলাপি, পিয়াজু, বেগুনি, চপ, শরবত, আবার রাতে ভাত-মাংস, সেহরীতে দুধ-ভাত খেয়ে ঘুমে ফজরের নামাজ ক্বাজা। রমজান শেষে বলি: “রোজা রাখি, তাও ওজন কমে না!”

ওজন কমানোর বিজ্ঞান একটু অন্য কথা বলে। কী বলে? আসুন, পড়ে দেখি -
https://bigganjatra.org/fasting-and-weight/
লিখেছেন - মীর মুবাশ্বির খালিদ

এক চিমটি বিজ্ঞান: রোজা রাখলে সবার ওজন কমে না কেন? রোজাতে দীর্ঘসময় না খেয়ে থাকলেও ইফতারে অস্বাস্থ্যকর ও মাত্রারিক্ত খাবার গ্রহণ, কম পরিশ্রম, পর্যাপ্ত ঘুমের ব্যাঘা....

27/02/2026

এনথ্রপিকের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স Claude AI এর নাম রাখা হয়েছে Claude Shannon এর নামে। ১৯১৬ সালে জন্মগ্রহণ করা এই বিজ্ঞানী ২০০১ সালের এই দিনে (২৭শে ফেব্রুয়ারি) মারা যান।

তাকে ইনফরমেশন থিওরির জনক বলা হয়। কারণ, ১৯৪৮ সালে তিনি একটা পেপার লিখেছিলেন, যেটা পরবর্তীতে আধুনিক ডিজিটাল তথ্যপ্রযুক্তি এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ফিল্ডে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছিলো। কিভাবে তথ্য প্রসেস করা হয়, সংরক্ষণ করা হয়, আদান-প্রদান করা হয়, এগুলোর গাণিতিক ফাউন্ডেশন গড়ে দিয়েছিলেন তিনি। তাই, এনথ্রপিক নিজেদের এআই এর নাম রেখেছে ক্লড।

তিনি MIT থেকে মাস্টার্স, পিএইচডি করেছিলেন। পরে সেখানে ফ্যাকাল্টি হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন। তিনি CIA এর উপদেষ্টা হিসেবেও কাজ করেছেন। কী এক বর্ণাঢ্য জীবন! জীবনের শেষ দিকে তিনি অ্যালঝাইমারে আক্রান্ত হয়েছিলেন। বর্ণিল জীবন শেষে ২০০১ সালে তিনি মারা যান।

ডঃ অভিজিৎ রায় – একজন মুক্তমনার জীবনী 26/02/2026

আজ অভিজিৎ রায়ের একাদশ মৃত্যুবার্ষিকী। ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারির ২৬ তারিখে বইমেলা থেকে ফেরার পথে তাকে ইসলামী মৌলবাদীরা কুপিয়ে হত্যা করে। মুক্তমনা, যুক্তিবাদী এই লেখকের মৃত্যু বাংলাদেশের বিজ্ঞানচর্চার ক্ষেত্রে এক অপূরণীয় ক্ষতি। ক্ষণজন্মা এই লেখক এবং বিজ্ঞানীর জীবন স্বল্পায়ু হলেও ছিলো বর্ণাঢ্য। আসুন, তার ব্যাপারে জানি।

বিজ্ঞানযাত্রা আর্টিকেল -
https://bigganjatra.org/avijit_roy_life_story/
লিখেছেন - অনীক আন্দালিব

ডঃ অভিজিৎ রায় – একজন মুক্তমনার জীবনী ডঃ অভিজিৎ রায় – একজন মুক্তমনার জীবনী

23/02/2026

আমেরিকার পেনসিলভেনিয়া স্টেটের পিটসবুর্গ শহরের বাচ্চারা ইতিহাসে প্রথমবারের মত পোলিওর টীকা পেয়েছিলো, ট্রায়াল হিসেবে, ইতিহাসের এই দিনে।

জোনাস সাল্ক এই টিকা আবিষ্কার করেছিলেন। কিন্তু তখনো ট্রায়াল শেষ হয়নি। সেই ট্রায়ালের অংশ হিসেবে এই শহরের বাচ্চাদেরকে এই টিকা নিতে আহবান জানানো হয়েছিলো। এক বছর পর, টিকাকে সবার জন্য নিরাপদ ঘোষণা করা হয়। এবং ধীরে ধীরে, কয়েক দশকের মধ্যে পৃথিবী থেকে পোলিওর মত ভয়ংকর একটা রোগ বিদায় নেয়।

Jonas Salk এই টীকার কোনো পেটেন্ট করাননি, যাতে সবাই স্বল্পমূল্যে এই টীকা নিতে পারে। চাইলে তিনি বড়লোক হয়ে যেতে পারতেন।

20/02/2026

Rene Dubos, আজ একই দিনে ওনার জন্মবার্ষিকী এবং মৃত্যুবার্ষিকী। ফরাসি আমেরিকান এই মাইক্রোবায়োলজিস্ট আবার পুলিৎজার বিজয়ী লেখক।

Think globally, act locally, এই কথাটা পরিচিত লাগছে না? বলা হয়ে থাকে, এটা তিনিই প্রচলন করেছিলেন পরিবেশ রক্ষার জন্য।

19/02/2026

আজ নিকোলাস কোপার্নিকাসের জন্মদিন। ১৪৭৩ সালের এই দিনে বর্তমান পোল্যান্ডে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একজন জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও গণিতবিদ ছিলেন, যার কারণে বহু পুরনো একটা তত্ত্ব নতুন করে জনপ্রিয় হয়। অনেকে ভুল করে মনে করে যে তিনিই সৌরকেন্দ্রিক মডেলের প্রবক্তা। আসলে এরিস্টার্কাস তার অনেক শত বছর আগেই এই মডেলের ধারণা দিয়েছিলেন। তবু কোপার্নিকাসের অবদান অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই।তার প্রচেষ্টাতেই সৌরকেন্দ্রিক মডেল জনপ্রিয় হয়।

কোপার্নিকাসের গ্রন্থ De revolutionibus orbium coelestium-এ তিনি সূর্যকে কেন্দ্র করে গ্রহগুলোর গতির ব্যাখ্যা দেন। এই তত্ত্ব তৎকালীন ভুল পৃথিবীকেন্দ্রিক ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করে এবং গ্যালিলিও, কেপলার ও নিউটনের মতো বিজ্ঞানীদের কাজের ভিত্তি তৈরি করে।

-FHM

18/02/2026

আজ কাউন্ট নিকোলাস আলেসান্দ্রো ভোল্টার জন্মদিন। ভোল্টার বানানো তড়িৎ কোষ এর কথা কে না জানে? নামই তো ভোল্টা কোষ। আর মিথেনের আবিষ্কারকও কিন্তু তিনি। তিনি ভোল্টাইক পাইল আবিষ্কার করেন, যা পৃথিবীর প্রথম বৈদ্যুতিক ব্যাটারি এবং ধারাবাহিক বিদ্যুৎ প্রবাহের উৎস। ছবিতে সেটাই দেখা যাচ্ছে। বৈদ্যুতিক বিভবের একক ভোল্ট (Volt) এর নামকরণ করা হয়েছে তারই নাম ধরে।

বিদ্যুৎ ও ইলেকট্রনিক্সের পরবর্তী সব আবিষ্কারের ভিত্তি কিন্তু তারই হাত ধরে। ১৭৪৫ সালের এই দিনে (১৮ ফেব্রুয়ারি) ইতালির কোমো শহরে জন্মেছিলেন তিনি। একই শহরে, ১৮২৭ সালের মার্চের ৫ তারিখে মৃত্যুবরণ করেন।

-FHM

17/02/2026

১৬০০ সালের এই দিনে, ফেব্রুয়ারির ১৭ তারিখ, জিওর্দানো ব্রুনোকে পুড়িয়ে মারা হয়। তার দোষ, তিনি তৎকালীন পৃথিবীকেন্দ্রিক নয়, বরং সৌরকেন্দ্রিক সৌরজগৎ সঠিক বলে মনে করতেন। এর আগে বিভিন্ন বিজ্ঞানীদের জন্মদিনে দিবস প্রস্তাব করেছি। ব্রুনোর ক্ষেত্রে সেই উপায় নেই। তার জন্মদিন অজানা।

এই সপ্তাহেই কোপার্নিকাস আর গ্যালিলেওর জন্মদিন। কোপার্নিকাসেরটা দুইদিন পরে (১৯ তারিখ), আর গ্যালিলেওর দুইদিন আগে (১৫ তারিখ)। কোপার্নিকাস সৌরকেন্দ্রিক মডেলের জনক (যদিও দুই হাজার বছর আগেই লাইব্রেই অফ আলেকজান্দ্রিয়ার বিজ্ঞানীরা এটা জানতেন)। আর গ্যালিলেও সেই মডেলের সমর্থনে প্রমাণ হাজির করায় তাকে গৃহবন্দী হতে হয়েছিলো। কিন্তু জিওর্দানোকে তারা পুড়িয়েই মারলো।

আজ আমরা সেই অত্যাচারীদের নাম জানি না। কিন্তু ব্রুনোর নাম জানি। আজ আমরা জানি, কে সঠিক ছিলো!

16/02/2026

১৮৩৪ সালের এই দিনে, জার্মানির পটসড্যাম শহরে বিখ্যাত এই জীববিজ্ঞানীর জন্ম। প্রচুর প্রাণীর শ্রেণীবিন্যাসের পাশাপাশি জীববিজ্ঞান জগতের অনেক অনেক ভোকাবুলারি তার উত্থাপন করা। যেমন ecology, phylum, phylogeny, stem cell, and Protista, এই নামগুলো তিনিই রেখেছেন।

Want your school to be the top-listed School/college in Muradpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Muradpur