GIÁ CHỈ 99.000Đ/ COLLAGEN DƯỠNG TRẮNG DA CAO CẤP
DUY NHẤT NGÀY HÔM NAY
- DA CĂNG MỊN TRẮNG SÁNG
- TRẺ HÓA VÀ NÂNG CƠ VÀ GIẢM NÁM
- CHỐNG LÃO HÓA NGĂN HÌNH THÀNH NẾP NHĂN
- CẤP ẨM CĂNG BÓNG DA
- SĐT: 0869298460
- NHẬN HÀNG KIỂM TRA TRƯỚC KHI THANH TOÁN
Trang Anh - Mỹ Phẩm Chính Hãng
+128.898 nguời đã mua hàng +829.928 người quan tâm về sản phẩm này
Tác dụng của Collagen đẹp da bên em ạ🥰🥰
26/10/2022
Khách hàng phản hồi rất tốt về sản phẩm collagen bên em đây các chị yêu ơi ❤
CHỈ 129K/ 1 HỘP 30 VIÊN COLLAGEN ĐẸP DA
MIỄN PHÍ SHIP DUY NHẤT NGÀY HÔM NAY
- DA CĂNG MỊN TRẮNG SÁNG
- TRẺ HÓA VÀ NÂNG CƠ
- CHỐNG LÃO HÓA NGĂN HÌNH THÀNH NẾP NHĂN
- CẤP ẨM CĂNG BÓNG DA
- SĐT: 0869298460
- NHẬN HÀNG KIỂM TRA TRƯỚC KHI THANH TOÁN
Nạ Viên Dưỡng Da Căng Bóng Mịn Màng (Hộp 30 Viên)
VIÊN DƯỠNG DA CĂNG BÓNG
✅Làm se nhỏ lỗ chân lông
✅Tái tạo da sau laser, da yếu, da nhạy cảm, da nhăn nheo lão hoá, da bị xạm màu
👉Chỉ sau lần đầu sử dụng sẽ thấy da căng mướt, sáng hồng khoẻ khoắn
🛑Serum thuộc hàng CAO CẤP chỉ cần dùng 1 viên là thấy hiệu quả rõ rệt
🛑Một hộp 30 viên
🛑 USE: cắt phía đầu nhỏ của viên rồi nặn kem ra sau đó thoa lên mặt massage 1- 3 phút rồi để nguyên thời gian dài ( để qua đêm). Có thể dùng buổi sáng nếu rảnh
Nạ Viênv Dưỡng Da Căng Bóng Mịn Màng (Hộp 30 Viên)
VIÊN DƯỠNG DA CĂNG BÓNG
✅Tái tạo da sau laser, da yếu, da nhạy cảm, da nhăn nheo lão hoá, da bị xạm màu
👉Chỉ sau lần đầu sử dụng sẽ thấy da căng mướt, sáng hồng khoẻ khoắn
🛑Serum thuộc hàng CAO CẤP chỉ cần dùng 1 viên là thấy hiệu quả rõ rệt
🛑Một hộp 30 viên
🛑 USE: cắt phía đầu nhỏ của viên rồi nặn kem ra sau đó thoa lên mặt massage 1- 3 phút rồi để nguyên thời gian dài ( để qua đêm). Có thể dùng buổi sáng nếu rảnh
CHỐNG NHĂN - DƯỠNG ẨM - TRẮNG DA
🐳 Viên Serum Dưỡng TRẮNG - Phục Hồi Làn Da
💁♀️ BÔI 1 VIÊN HIỆU QUẢ GẤP 5 LẦN KEM DƯỠNG
🌸 Chiết xuất Sụn cá hồi, Tế bào gốc, Collagen, HA và các thành phần tự nhiên khác.
🌈 CÔNG DỤNG:
- Làm sáng da, cải thiện da xỉn màu
- Làm mờ các vết thâm mụn, nám, tàn nhang
- Làm chậm quá trình lão hóa, nâng cơ bổ sung collagen
- Se khít lỗ chân lông
- Tái tạo, phục hồi da
🌸 Dùng được cho cả da mỏng, da yếu và da nhạy cảm
💎 Sản phẩm thuộc dòng CAO CẤP chỉ cần dùng 1 viên là thấy HIỆU QUẢ rõ rệt
--------------------------------------------------------------------
ƯU ĐÃI ĐẶC BIỆT DÀNH CHO 50 KHÁCH ĐẦU TIÊN IB ĐẶT HÀNG
আমাদের কাছে জামাই বশ করার তাবিজ আছে 🐸
28/08/2022
জাপানে যুদ্ধের সময় এই ছেলেটি তার মৃত ভাইকে কবর দিতে পিঠে নিয়ে যাচ্ছিল। একজন সৈন্য তাকে লক্ষ্য করে এবং তাকে এই মৃত শিশুটিকে ফেলে দিতে বলে যাতে সে ক্লান্ত না হয়। তিনি জবাব দিলেন: সে ভারী নয়, সে আমার ভাই!
সৈনিক বুঝতে পেরে কান্নায় ভেঙে পড়ল, সেই থেকে এই ছবিটি জাপানে ঐক্যের প্রতীক হয়ে উঠেছে,
এটিকে আপনি আপনার কর্তব্য মনে করুন:
"সে ভারী নয়, সে আমার ভাই/সে আমার বোন।"
যদি আপনার ছোট ভাই বোন চলার পথে সমাজে পড়ে যায়, তাকে উঠান, যদি সে ক্লান্ত হয়ে যায় যদি তার সমর্থন দুর্বল হয় তা হলে তাকে সাহায্য করুন, আর যদি সে ভুল করেও থাকে তাহলে তাকে দয়া করে ক্ষমা করে দিন,
পৃথিবী যদি তাকে পরিত্যাগ করে তবে তাকে আপনার পিঠে চড়িয়ে নিয়ে যান, কারণ সে ভারী নয় সে আপনার ভাই সে আপনার বোন .,..
(সংগৃহীত)
20/08/2022
পাকিস্তানে একটি কবরের উপর লেখা ছিলো 'ইধার শো রাহা হ্যায় এক গাদ্দার'!
বাংলা অর্থ - 'এখানে শুয়ে আছে এক বেঈমান'
পাকিস্তানের সেই গাদ্দারটি কে তা কি আমরা জানি?
তিনি বাংলাদেশের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান!!
দীর্ঘ ৩৫টি বছর পাকিস্তানের মাটিতে চরম ঘৃণাভরে শায়িত ছিলেন আমাদের মুক্তিযুদ্ধের এই নায়ক। ২০০৬ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের দেহাবশেষ বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়,এবং পরিপূর্ণ মর্যাদায় দেশের মাটিতে দাফন করা হয়। বাংলাদেশে তার মৃতদেহ আসা পর্যন্ত খালেদা জিয়া এয়ারপোর্টে অপেক্ষা করেছিলেন।
হে মৃত্যুঞ্জয়ী! তোমার আত্ম বলিদানের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি একটি স্বাধীন মানচিত্র।
তোমাকে আমরা ভুলি নাই। ভুলবো না। তুমি আছো লক্ষ কোটি বাঙালির হৃদয়ের গভীরে। শ্রদ্ধাঞ্জলি।
(জন্মঃ২৯ অক্টোবর ১৯৪১-মৃত্যুঃ২০ আগস্ট ১৯৭১)
20/08/2022
এ_ক্রিমিনাল
পর্ব_১০
_______________________
রাইসুল সাহেব মারা যাওয়ার পর রবিনের জীবনের মোড়ও ঘুরে যায়। যখন ওর বাবা বেঁচে ছিলেন তখন তিনি যা শেখাতেন ও তাই করতো। যা উদ্দেশ্য রাখতো তার উপরই সবসময় অটল থাকতো। কিন্তু উনি মারা যাওয়ার পর সম্পূর্ণ একা হয়ে পরে রবিন। পরিবারে আর কেউ অবশিষ্ট থাকেনা ওর। দীর্ঘদিন আগে ক্যান্সারে মারা যায় ওর মা। তখন থেকেই বাবার ছায়াতলে থেকে বড় হয়েছে রবিন। এই লম্বা সময়ের মাঝে বাবা কখনই তাকে একাকীত্ব বোধ করতে দেন নি। সর্বত্র ছেলেকে নিজের সর্বোচ্চ দিয়ে আগলে রেখেছিলেন। কিন্তু হঠাৎ একটা সময় এসে এমন হালত হবে কে জানতো? একেবারেই একা হয়ে পরে রবিন, কোনো রাস্তা ওর জন্য অবশিষ্ট থাকেনা আর। ঠিক সেই সময়-ই ওর পাশে এসে দাঁড়ায় মিরাজ, ও মিরাজের পরিবার।
পাঁচ বছর পর...
বাবার মারা যাওয়ার শোকটা সবসময় তাড়া করে বেড়ায় রবিনকে। যেখানেই যাক বা যা-ই করুক না কেন, হুটহাট বাবার অকাল মৃত্যুর কথা মনে পরলেই শরীর শিউরে উঠে ওর। তখনই নিজের উদ্দেশ্যে আরো শক্তি দিতে থাকে সে, এতে করে তার উদ্দেশ্য থেকে পিছপা হওয়ার সুযোগ ছিলোনা। তার দায়িত্ব নেয় মিরাজের পরিবার, তারা একত্রে জীবনযাপন করতে থাকে রবিনকে সাথে নিয়েই; যেন রবিন তাদেরই পরিবারের সদস্য।
এদিকে রবিন নিজের পড়ালেখার পাশাপাশি ইন্টারনেটে শিক্ষার প্রতি যথেষ্ট চেষ্টা করতো। একটা স্মার্টফোনের সাহায্যে বিভিন্ন ইন্টারনেট প্লাটফর্ম ও বিভিন্ন স্প্যামার সাইট ভিজিট করতে থাকে সে, কারণ তার যে হ্যাকার হতে হবে। ধীরেধীরে বেশ কিছু সাইট থেকেই হ্যাকিং ক্লাস করা শুরু করে সে।
একটা সময় পর এইসব সাইট থেকে হ্যাকিং বিদ্যা শিখতে শিখতে একসময় বেশ কিছুই শিখে ফেলে সে। সোর্স কোড থেকে শুরু করে বাইনারি কোড পর্যন্ত সব খুঁটিনাটি নিজের মাঝে আয়ত্ত করে ফেলে।
ইন্টারনেট থেকে হ্যাকিং শেখায় দিনকে দিন তার মেধারও বিকাশ ঘটছিল প্রতিনিয়ত। একে একে হ্যাক নিয়ে সে এতই উদ্বিগ্ন হয়ে পরে যে অপ্রয়োজনীয় সমস্ত কাজ বাদ দিয়ে সারাদিন সারারাত কম্পিউটার নিয়ে হ্যাকিং সম্মন্ধে জানতো। এবং সেগুলোই সবসময় এপ্লাই করতো।
ইন্টারমিডিয়েটে পড়ার সময় একটা লটারি থেকে একটা কম্পিউটার জিতে যায় সে। এরপর থেকে তার শেখার মাত্রা ও আকাঙ্খা দিগুণ বেড়ে যায়।
এই একমাত্র হ্যাক শেখার জন্য সে এর বাইরের অনেক কিছুই আরো শিখে ফেলেছিল মাত্র ১৯ বছর বয়সে। তখন সে সবেমাত্র কলেজ লাইফ শেষ করেছে। ভার্সিটি এপ্লাই বাদ দিয়ে সারাদিন কম্পিউটারেই মগ্ন থাকত সে। এসব দেখে মিরাজের বাবা মা যখন কিছু জিজ্ঞেস করতো তাকে তখন তার জবাব ছিল এমন, "আমি অনলাইনে কাজ শিখছি।"
ঠিক তাই! অনলাইনে কাজ শিখছিল সে, কিন্তু কিসের কাজ তা কেউ জানতে চায়নি। একসময় চেনা পরিচিত সমস্ত স্প্যামিং সাইট থেকে কোর্স কমপ্লিট করে ফেলে সে। অতঃপর নিজের শিক্ষাকে এবার এক্সপেরিমেন্ট করবার পালা আসে। বন্ধু মিরাজের বানানো একটা পার্সোনাল ওয়েবসাইট হ্যাক করার সিদ্ধান্ত নেয় সে। কারণ রবিনকে ভরসা দেয়ার মতো একমাত্র মিরাজই ছিল; যে তাকে সবসময় সাপোর্ট দিয়ে এসেছে।
মিরাজের ওয়েবসাইটের লিংক নিয়ে এবার সেখান থেকে কিছু কাঁটাছেঁড়া করে রবিন। অতঃপর সেখানের কিছু কোড চেঞ্জ করে ব্রাউজ করে। অতঃপর অটোমেটিক্যালি সেই সাইটের এডমিন রোল পেয়ে যায় সে। এমনটা করেছিল সে শুধুমাত্র দশ মিনিট সময় নিয়ে।।
লিংক কালেক্ট করে সেই লিংকে প্রবেশ করে লিংকের ভেতর একটা গোপন কোড দিয়ে দেয়া, ব্যাস, সাইট তার হয়ে যায়।
নিজের কাজের প্রতি আরোও বেশি মনোযোগী হয়ে পরে এবার রবিন। তিনটা বছর সময় নিয়ে সে এতকিছু শিখেছে, কিন্তু বড় কোনো হ্যাক করা হয়নি তখনও। সেবার যখন কলেজের ইন্টারমিডিয়েট প্রথম বর্ষের পরীক্ষার রেজাল্টের সময় আসলো, তার ঠিক কিছুদিন আগে রবিন নিজের প্রতিভা দেখাতে মাঠে নামলো। রেজাল্ট প্রকাশ পাওয়ার তিনদিন আগেই কলেজের সমস্ত কম্পিউটার থেকে হঠাৎ গায়েব হয়ে গেল সেই রেজাল্ট ফাইল। কারণ সেই কম্পিউটারগুলোর ড্রাইভ এক্সেস নিয়ে নেয় রবিন। এরপর সেই রেজাল্টের ভেতরে সামান্য কিছু ওলটপালট করে আবার সেগুলো ওই কম্পিউটার সমূহে ফিরিয়ে দেয়।
মাত্র আধাঘণ্টার ব্যবধানে ফাইল গায়েব হয়ে গিয়ে যে পরিবর্তন হয়ে গেল ব্যাপারটা তখন কেউ বুঝতে পারেনি। কিন্তু পরদিন যখন কলেজ কতৃপক্ষ রেজাল্ট পাবলিশ করার জন্য ফাইল খুলে যখন প্রেস করতে নিলো তখনই রেজাল্ট দেখে মাথায় হাত পরলো সবার। রেজাল্ট ফাইলের সব টেক্সট ঝাপসা করে দেয়া, এতটাই ঝাপসা করে দেয়া হয়েছিল যে কোনো লেটারই বোঝার মতো ছিলোনা। আর তার উপর লাল কালি দিয়ে টাইপ করা ছিল, "I think.. I hack your Result papers. My Grateful job"
সেবার এ কাণ্ড দেখে মুহূর্তেই তোলপাড় উঠে যায়, কলেজের কম্পিউটার থেকে কেউ ছাত্রছাত্রীদের রেজাল্ট চুরি করে নিয়েছে ব্যাপারটা একদম অপ্রত্যাশিত ছিল। কেউই এটা ধারণা করতে পারেনি।
কিন্তু অপরদিকে খুশিতে আত্মহারা হয়ে উঠছিল রবিন। কারণ সে এতদিনে যা কিছু শিখেছে তা এবার কাজে লাগাচ্ছে।
-
এভাবেই কেটে যায় আরো একটা বছর।
ভার্সিটি লাইফে এসে পৌঁছায় মিরাজ আর রবিন। সেইসময় রবিন নিজেকে আরো উচ্চমাত্রায় গড়ে তুলেছিল হ্যাকিং লাইফে। ততদিনে সে ডার্ক ওয়েবেও নিজের একটা একাউন্ট খুলে ফেলেছিল। ক্লাস টাইম বাদ দিয়ে বেশিরভাগ সময়ই তার ডার্ক ওয়েবে কাটতো। কারণ সেখানকার পরিবেশ একজন মানুষের মস্তিষ্কে এত পরিমাণ পরিবর্তন এনে দিতে সক্ষম যা তখন রবিন খুব ভালোভাবেই বুঝছিল। সেই সাথে রবিন ডার্ক ওয়েবে একটা নতুন কাজ শিখছিল, কিভাবে হ্যাকিং এর মাধ্যমে ব্যাংক একাউন্ট হ্যাক করা যায়। আর যেহেতু রবিনের মূল উদ্দেশ্য এটাই ছিল, তাই সে এই ক্লাস নিয়মিত ডার্ক ওয়েবে করতে থাকে। তিন মাসের এই কোর্স শেষে সে এবার নিজের সিদ্ধান্তে ফেরে। এতদিন মনের মাঝে বুনন করা স্বপ্নটাকে এবার সে বাস্তবে রূপান্তরিত করার পথে এগোয়।
সব প্ল্যান সাজিয়ে গুছিয়ে নেয় রবিন। সর্বপ্রথম ক্রেডিট কার্ড থেকে টাকা চুরি করে করতে হবে। আর তাও অনলাইনের মাধ্যমে; যাকে বলা হয় সাইবার থিভ।
অর্থাৎ সাইবার কৌশলের মাধ্যমে চুরি করা। ডার্ক ওয়েবে নিজের সব ফাইল আপলোড করে রাখে রবিন। সব আপলোড করা শেষে রবিন অপেক্ষা করতে থাকে মোক্ষম সুযোগের। নোমানের বাবা আব্দুল জব্বার সাহেব রোজ একটা বুথ থেকে টাকা তোলেন, আর সেই বুথেরই একটা গ্লিচ থেকে সেটার এক্সেস নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছে সে। এর ফলে যখনই কেউ এখান থেকে টাকা তোলে তার ক্রেডিট কার্ড ভেসে রবিনের মনিটরের স্ক্রিনে ভেসে উঠে, আর এই ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমেই একাউন্ট লুটে নেয়ার জন্য এক মিনিট সময় পাওয়া যায়। কারণ এখানে থাকা তথ্যগুলোর মাধ্যমেই এর পাসওয়ার্ড বের করে আনতে হবে। সবকিছুই রেডি করা আছে এপাশে।
সময়মত সেই এটিএম বুথের ওখানেই পৌঁছেছে মিরাজ। সে অপেক্ষারত, যখনই জব্ববার সাহেব টাকা তুলতে আসবেন তখনই সে রবিনকে খবর দিয়ে দেবে।
প্ল্যান মোতাবেক জব্বার সাহেব বুথে টাকা তুলতে এলেন। তাকে দেখেই রবিনকে খবর পাঠিয়ে দিলো মিরাজ। খবর পেয়ে কম্পিউটারের সামনে বসে পরলো রবিন। এদিকে জব্বার সাহেব পকেট থেকে কার্ড বের করে বুথে কার্ড ঢোকানোর সাথেসাথেই এপাশে কম্পিউটারে বসা রবিন সেই কার্ডের এক্সেস নিয়ে নিলো। কার্ডের উপস্থিতি পেতেই কাজ শুরু করে দেয় রবিনের কম্পিউটার। কার্ডের তথ্যগুলো এপাশে চলে আসতেই পাসওয়ার্ড মিলে যায়। এবার টাকার সংখ্যা তুমুল গতিতে বাড়তে থাকে তার। একাউন্টে জমা হয়ে যাচ্ছে ওইপাশের কার্ডে থাকা সব টাকা। তুমুল গতিতেই সমস্ত টাকা, যা ক্রেডিট কার্ডে ছিল সব নিজের একাউন্টে ট্রান্সফার করে নেয় রবিন। শুধুমাত্র এক মিনিটে। এরপর ওপাশে থাকা জব্বার সাহেব নিজের একাউন্টের টাকা চেক করতেই দেখেন সেখানে টাকা নেই।
প্রথম সুযোগে এক মিনিটেই সে হ্যাক করে নেয় জব্বার সাহেবের চল্লিশ হাজার টাকা। তখনও অনেক কিছু হওয়ারই বাকি। প্রথম মিশন সাক্সেসফুল। এরপর ধীরেধীরে, সুযোগ সুবিধা বুঝে একে একে জব্বার সাহেবের ব্যাংকের একাউন্ট থেকেও টাকা সব টাকা হাতিয়ে নেয় রবিন। এর জন্য অবশ্য অনেক কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছিল তাকে। তবে পরিশেষে সে তার উদ্দেশ্য সফল করতে পেরেছে। দেখেছে জব্বার সাহেবের দুই ছেলের কান্নারত চেহারা, যা তাকে স্বস্তি এনে দিয়েছে। দেখেছে তার বাবার খুনীর ঘেমে যাওয়া মুখ, যেই মুখে শুধু ছিল হতাশার চিহ্ন, যেই চেহারায় বোঝা যাচ্ছিল যে, সব শেষ।
এটাই দেখতে চেয়েছিল রবিন। তার স্বপ্ন ও ইচ্ছা যেন পূর্ণতা পেয়ে গেছে।
শিল্পপতি আব্দুল জব্বারের সকল ধরণের একাউন্ট থেকে প্রায় এক কোটি টাকা নিজের বিভিন্ন একাউন্টে ট্রান্সফার করে নিতে সক্ষম হয়েছে রবিন। আর এখানেই শেষ হয়েছে তার মিশন।
--
এরপর থেকে আরাম আয়েশের জীবন পার করতে থাকে রবিন আর মিরাজ। একে একে তারা দেশের এপার ওপাড় ঘুরে শেষ করে দেয়। এরপর মিরাজ তার ফ্যামিলি সহ পারি জমায় থাইল্যান্ডে। অতঃপর আবার একা হয়ে যায় রবিন। এতে করে এত টাকা থাকা সত্বেও শান্তির মাঝে যেন রবিন ছিল ছন্নছাড়া। কেন জানি তার ডার্ক ওয়েব ব্রাউজ না করলে মানসিক শান্তি ফিরে পেতোনা। যতই সে চাইতো এই ডার্ক লাইফ থেকে মুক্তি, ততই যেন আরো ডার্ক লাইফের সাথে তার চুক্তি বেড়ে যেত। সে সবময় চাইতো যে, আর ডার্ক ওয়েবে তার কোনো কাজ নেই; কিন্তু নিয়তি, বারবার তাকে সেখানেই নিয়ে যায়।
অবশেষে সহ্য না করতে পেরে আবারও ডার্ক ওয়েবে রেগুলার হয় রবিন। কিন্তু তার কোনো কাজই ছিলোনা সেখানে। অযথা কী করবে সে ওখানে? অতঃপর এক এক করে বিভিন্ন গ্রুপে গ্রুপে ঘুরতে থাকে রবিন। কোথাও কি এমন কোনো কাজ রয়েছে যা করে সে বিটকয়েন আয় করতে পারবে? এমন কিছু গ্রুপে ঘুরবার পর এক গ্রুপের এডমিনের সাথে পরিচিত হয় সে। সে নিজের ব্যাপারে কিছু তথ্য জানায় ও সেইসাথে নিজের কাজের কিছু রেকর্ডও দেখায়। রেকর্ড চেক করে সেই এডমিন রবিনকে নিজেদের কাজে নিয়ে নেয়। আর তাদের কাজ ছিল 'স্পার্ম ও বেবি পারচেজিং"
ডার্ক ওয়েবে আগেও এই কাজের ব্যাপারে শুনেছে রবিন। আর এটাও জেনেছে যে হাতেগোণা কয়েকজন হ্যাকার ছাড়া আর কেউই এই কাজটা করেনা। রবিনও আর কোনোকিছু না ভেবে সেই কাজেই যোগ দেয়। বিনিময়ে তাকে পে করতে হয় এক লাখ টাকা। অতঃপর সেখান থেকেই তার নতুন কাজ শুরু। টুকটাক কিছু কাজে সেখান থেকে ভালোই ইনকাম হতো তার। একাউন্টে রোজ রোজ কিছু কয়েন জমা হতো। নির্দিষ্ট কতগুলো কয়েন জমলে সেগুলো বিটকয়েনের মাধ্যমে উইথড্র করা যেত। আর তার কাজের মাধ্যমে খুব সহজেই এই সে বিটকয়েন আর্ন করে ফেলত। আর এই বিটকয়েনের লোভই তাকে যেন পৌঁছে দেয় আরো উচ্চ পর্যায়ে। একটা সময় সে ওই কাজ থেকে সরে আসতে চাইলে সেখানকার এডমিনের সাথে তার ঝামেলা হয়।
কিন্তু তাকে ভুলভাল বুঝিয়ে নিজেকে সেখান থেকে ছাড়িয়ে আনে রবিন। এরপর নিজেই খুলে ফেলে তেমনই একটা গ্রুপ। ঠিক সেই টপিকেই, যেখানে মানুষ নিজেদের স্পার্ম দিয়ে রেন্ডম নারীর গর্ভে বাচ্চা ধারণ করাতে পারবে।
এই কাজ শুরু করার পর, প্রথম প্রথম সময়ে খুব একটা সুবিধা না করতে পারলেও একবছর পর তার এই ব্যবসা হুরহুর করে তীব্র গতিতে গ্রো করে যায়। উক্ত বিষয়ের উপর যেহেতু খুব কম মানুষই কাজ করতো তাই এই একবছরেই তার নাম চলে আসে লিস্টের শীর্ষে। আর সেখান থেকেই ডার্ক ওয়েবে নিজের পরিচিতি নিমিষেই বাড়িয়ে নেয় রবিন।
নিজের একটা ডাকনামও সে দিয়ে দেয়, যেই নামে তাকে সবাই জানে। যা এখন সবারই জানা।
সেই থেকেই এই ব্যবসার সাথে লেগে আছে সে। এবং লেগে থাকতে চায় সর্বত্রই।
--
#চলবে...
লেখা -- রাফিক রহমান
পূর্ববর্তী পর্বের লিংক --
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=494461376015609&id=100063552528268
আজকের পার্ট ছোট করেই দিলাম,তাও ছোট না; ১,৬০০ শব্দের আর কি। আশা করছি উপভোগ্য হবে সবার।
আর রিয়েক্ট ও কমেন্ট করে সবাই পাশে থাকবেন। আসলে পাঠকদের রেসপন্স কমে গেলেই লেখার প্রতি আস্তে আস্তে অনিহা চলে আসে। তখন চাইলেও লেখতে পারা অনেক কঠিন হয়ে যায়। এজন্যেই মাঝেমাঝে থেমে যেতে হয়। তাই বলব সাইলেন্ট না থেকে রেসপন্স করুন। বুঝতে হবে তো, আপনার রেসপন্সের মাধ্যমেই লেখক আরো ভালোভাবে লেখার শক্তি ও অনুপ্রেরণা পাবে। নীরব পাঠকেরা কী একথা চিন্তা করেনা?
পুরুষ মানুষের সাথে রাগ অভিমান করার সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে তারা বোঝে না যে তার উপর রাগ করা হইসে।তাদের কে মুখে বলে বিস্তারিত বুঝায় দিতে হবে যে তাদের উপর রাগ করা হইসে,এখন যদি তাদের মর্জি হয় তারা যেন এসে রাগ টা ভাঙায়।কেমনে সেটা করতে হবে তা বলে দিলে আরও ভালো।
এত কিছু করা লাগলে ওইটাকে আর রাগ বলে লাভ আছে কোন?ওই প্রসেস টা তো একটা শিক্ষামূলক ক্লাস নেয়া টাইপ হয়ে গেলো :3
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Website
Address
Muradpur