Mirkadim Pouroshova, Munshiganj

Mirkadim Pouroshova, Munshiganj It is very populer place

25/06/2025
24/10/2015

#বৃদ্ধাশ্রম_থেকে_ছেলের_উদ্দেশ্যে_লেখা_এক_অসহায়_বাবার_চিঠি :'(
প্রিয় সোনামানিক,
তুমি কেমন আছ একথা জিজ্ঞাসা করা সম্পূর্ণ নিরর্থক মনে করছি। তুমি ভাবছ হয়ত তোমার বাবা আগের মত তোমায় ভালোবাসে না। যদি এটা ভেবে থাক তবে তোমার সেই ছোট্টবেলার মত আরেকটি ভুল করলে। আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি তুমি পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভালো আছ কেননা আমার দোয়া যার সাথে সর্বদা জড়িয়ে থাকে সে খারাপ থাকতে পারে এটা আমি বিশ্বাস করিনা। আমার বউমা এবং প্রিয় দাদুভাইয়েরাও ভালো আছে বলে বিশ্বাস। আমি কোন মেয়ের বাবা হতে না পারলেও তোমাকে বিবাহ দিয়ে যে লক্ষ্মী বউমাকে পেয়েছিলাম তাকে কোনভাবেই কষ্ট দিবে না। লক্ষ্মী মেয়েটি আমার মেয়ের শুণ্যস্থান পুর্ণ করে দিয়েছে! আমার নাতী-নাতনীদের অনেক অনেক আদর দিও এবং তাদের কোন চাওয়া অপূর্ণ রাখবে না। তোমার হতভাগ্য-হতদরিদ্র জন্মদাতা তোমার চাহিদা তো দূরের কথা মৌলিক চাহিদাও সম্পূর্ণভাবে পূর্ণ করতে পারেনি কিন্তু তুমি তো গরীব নও। সুতরাং ছেলে-মেয়ের কোন শখ যেন অপূর্ণ না থাকে। তোমাদের দোয়ায় আমিও অনেক ভালো আছি। পাশের রুমের গণি মিয়া আমার সূখ দেখে ঈর্ষা করে কেননা তুমি প্রতি বছর দু’ইবার আমার কাছে ছুটে আস। তোমার ব্যস্ততা রেখে তোমাকে আসতে বারবার নিষেধ করি তারপরও তুমি কেন আস তা আমি বুঝতে পারি না। এটা ভেবোনা যে, তুমি না আসলে আমি তোমায় ভুলে যাব কিংবা কম দোয়া করবো বরং তোমাদের প্রতি দোয়ার পরিমাণ দিন দিন বাড়তেই থাকবে। কেননা দিন দিন যেভাবে অক্ষম হয়ে যাচ্ছি তাতে আমার পৃথিবীটা সংকুচিত হতে হতে আমার এক চোখ ভাঙা চশমাটির মত হয়ে দাঁড়িয়েছে। আফসুস বেচারা গণি মিঞার জন্য! ওর সন্তানগুলো ওকে এখানে রেখে যাওয়ার পর একবারও খোঁজ নেয়নি; শুধু টাকা পাঠানো ছাড়া। প্রিয় পুত্রধন! জীবন সায়াহ্নে এসে বারবার অনুশোচনা হচ্ছে। মনে হচ্ছে, কোথাও যেন আমি চরম ভুল করেছি। তোমাকে লালন-পালন করতে গিয়ে কোথায় যেন আমি আমার দায়িত্ব ঠিকমত পালন করতে পারিনি। তোমার মা আর আমি তোমাকে বাইরে রেখে জীবনের কোন পরিকল্পনা সাজাই নি অথচ আজ যেন নিজেকে খুব অসহায় মনে হচ্ছে। তোমার কাছে হয়ত এটাই আমার শেষ চিঠি তাই কিছু কথা বলে যাওয়া আবশ্যক। এত তাড়াতাড়ি মরে যাবো সেটা মনে হচ্ছে না কেননা আমি চাইলেই তো আর মৃত্যু আমাকে ধরা দেবে না কিন্তু লিখতে বসলে চোখ যেভাবে ঝাপসা হয়ে আসে, হাত যেভাবে কাঁপতে শুরু করে কিংবা মস্তিষ্ক যেভাবে আমার বিরুদ্ধাচারণ করে তাতে তোমাকে আর লিখতে পারবো বলে মনে হয়না। তাই জীবনের শেষ কথাগুলো আজকেই বলে দিব। ভেবোনা, আমি তোমাকে কৈফিয়তের কাঠগোড়ায় দাঁড় করাবো। মরন সমুদ্রের বেলাভূমিতে দাঁড়িয়ে মনে হচ্ছে, সন্তান হিসেব তুমি সুসন্তানের সম্পূর্ণ দায়িত্ব পালন করলেও আমি পিতা হিসেবে মোটেও সফল নই। বৃদ্ধাশ্র্রম নিয়ে সমাজে বহু ধরণের খারাপ কথা প্রচলিত থাকলেও আমি সেটা মনে করিনা। তুমি আমাকে জোড় করে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠাও নি বরং আমিই তোমার চোখের জলের বিরুদ্ধাচারণ করে এখানে আশ্রয় নিয়েছি। আব্বু, তোমার হয়ত মনে নাই কিন্তু শুধু তোমার লেখাপড়ায় যাতে ব্যাঘাত না ঘটে সেই কথা ভেবে আমার পক্ষের প্রায় সকল আত্মীয়ের সাথে সম্পর্ক শিথিল করে ফেলেছিলাম। তোমার মা তোমার নানা-নানীর একমাত্র মেয়ে হয়েও তাদের থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখেছিল শুধু তোমার উজ্জ্বল ভবিষ্যতের চিন্তায়। আমি এবং তোমার মা-আমাদের উদ্দেশ্যে সফল হয়েছি। দেশের মাত্র কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তির নাম যদি উচ্চারিত হয় তবে সেখানে আমাদের সোনমানিকের নামটিও উচ্চারিত হয়। এটা কি আমাদের কম আনন্দের-কম পাওয়া। এত হিসেব করে তোমাকে মানুষের মত মানুষ করা এই বৃদ্ধ যদি আজ আমার দাদুভাইদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের অন্তরায় ঘটায় তবে সেটা বেমানান বটে! এখানে যে ছেলেটা আমাদের দেখাশুনা করে সে ছেলেটার মত ছেলে খুব কম দেখা যায়। ওর সম্পর্কে বললে তোমার মনে হবে এই জগতেও এমন বোকা ছেলে আছে! সকাল, দুপুর, সন্ধ্যা কিংবা গভীর রাতে মিষ্টি হেসে জিজ্ঞাসা করে, কাকা! কিছু লাগবে? ওর আচরণে তোমার অনুপস্থিতিতে বুকের মধ্যের শূন্যতা কেমন যেন পূণ্য হয়ে যায়। ছেলেটা খুব গরীব। দিনরাত পরিশ্রম করে এখান থেকে যা মাইনে পায় তা দিয়েই ওর বাবা-মা এবং স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে চলতে হয়। আমি মনোযোগ দিয়ে ওর কষ্টের কথা শুনি; আমার মত অক্ষম-অলসের এর বাইরে তো আর কোন কাজ থাকে না। আমার ইচ্ছা হয় ওকে কিছু বাড়তি টাকা দেই। কিন্তু আমার সে সাধ্য তো নাই। ছেলেটাকে বলেছিলাম ওর বাবা-মাকে এই বৃদ্ধাশ্রমে নিয়ে আসতে। এ কথাশুনে ছেলেটা হাউমাউ করে কেঁদে দিয়ে বলেছে, রক্ত বিক্রি করে হলেও বাবা-মাকে নিজের কাছে রাখবে; কোনদিন বৃদ্ধাশ্রমে দিবে না। ছেলেটার কথা শুনে ভেতরটা হঠাৎ মুচড়ে গিয়েছিল কিন্তু ক্ষণিক পরেই বুঝলাম আমি হয়ত আবেগাপ্লুত হয়ে যাচ্ছি! তাই এ নিয়ে আর ও ছেলেটার কাছে কিছু বলতে যাইনি। অল্পশিক্ষিত একটি ছেলে তার বাবা-মাকে নিয়ে যা ভাবছে সেটা কেবল আবেগের কথা! তোমরা যারা উচ্চশিক্ষিত তারা আবেগকে প্রশ্রয় দিবে কেন? আব্বু! আগামী বার আমাকে যদি দেখতে আসো তবে আমার কলিজারটুকরো প্রাণপ্রিয় দাদুভাইদের নিয়ে এসো। আমি দেখতে চেয়েছি শুনলে ওরা আসতে চাইবে। বউমাকে এতদূর আনার দরকার নাই। মামনী আমার গরম সহ্য করতে পারে না। জানি দাদুভাইদেরও কষ্ট হবে। কিন্তু জীবনে এই শেষবার। আর কোনদিন ওদের দেখতে চাইবো না বলে নিশ্চয়তা দিতে পারছি না কেননা দিন যত সামনে এগুচ্ছে ততোই আমার আচরণগুলো শিশুদের মত হয়ে যাচ্ছে। পরবর্তীতে যদি কখনো দাদুভাই কিংবা বউমাকে দেখতে চাই তবে সেটা আমার শিশু সূলভ খামখেয়ালী ভেবে মূল্যায়নের বাইরে রেখো। আসার সময় বাসা থেকে কিছু রেঁধে আনবে না। এখানে যে খাবার দেয় তার তুলনায় বাসার খাবারগুলো অনেক খারাপ! অনেক কথাই লেখার ছিল কিন্তু আর কিছুই লিখতে পারলাম না। কোথা থেকে একটা অন্ধ পোকা এসে আমার চোখের মধ্যে ঢুকে পড়লো! কিছুটা যন্ত্রনাও হচ্ছে বটে। অক্ষমবাবাকে ক্ষমা করো। তোমার সন্তানদের জন্য তুমি যেন আমার মত অক্ষম বাবা না হও তার চেষ্টা করো। কয়েকদিন হল তোমার মা আমায় খুব জ্বালাচ্ছে। তাকে হারানোর ১৫ বছর পর এমনটা কেন ঘটছে তা বুঝতে পারছি না। স্বপ্নে সে কেবল ডেকেই যাচ্ছে। আমার আরও অনেকদিন বাঁচতে ইচ্ছা করে এবং বৃদ্ধাশ্রমের খালি ঘরগুলোতে কারা আমার বন্ধু হয় তা দেখতে সাধ হয় কিন্তু সে সৌভাগ্য আমার হবে না বোধহয়! আমি মারা যাওয়ার পর, তোর মায়ের পাশেই আমাকে কবর দিও। এতে কিছুটা যায়গা নষ্ট হবে ঠিক কিন্তু তোমার মাকে ছেড়ে আমি দূরে থাকতে পারবো না। আমার এ আব্দারটুকু রেখো। রাখবে তো? আমায় ক্ষমা করে দিও।
তোমার অক্ষম জন্মদাতা
বাবা-মাকে কষ্ট না দিয়ে আসুন আমরা আরও দায়িত্ববান হই। ধর্মের নিয়ম কানুন গুলো মেনে চলি। :(
Copyed from

05/08/2015

না পড়লে চরম মিস্
বল্টু গভীর রাতে বাসায় আসলো আস্তে করে বেডরুমের দরজা খুলে বিছানার দিকে তাকাতেই
দেখতে পেল কম্বলের
নিচ দিয়ে দুই জোড়া পা দেখা যাচ্ছে
তার মাথায় মুহূর্তেই রক্ত
চড়ে গেল পাশে থাকা একটি বেসবল
ব্যাট দিয়ে ইচ্ছামত ১০-১৫ মিনিট
পিটিয়ে ক্লান্ত হয়ে ডায়নিং রুমে গেল
পানি পান করতে গিয়ে দেখল তার #স্ত্রী সেখানে খাবার
নিয়ে বসে আছে!!!
বল্টুকে দেখে স্ত্রী বললঃ
“তোমার ভাই- ভাবী ঘন্টা দুই
আগে এসেছেনআমি আমাদের বেডরুমে
উনাদের
থাকতে দিয়েছি
আশা করি তুমি ওঁদের স্বাগত জানিয়ে
এসেছো
কেমন হলো বলতে ভুলবেন না ৷

11/07/2015

লাইলাতুল ক্বদরের কিছু আলামত :
-
(১) রাতটি গভীর অন্ধকারে ছেয়ে
যাবে না।
(২) নাতিশীতোষ্ণ হবে। অর্থাৎ গরম
বা শীতের তীব্রতা থাকবে না।
(৩) মৃদুমন্দ বাতাস প্রবাহিত হতে
থাকবে।
(৪) সে রাতে ইবাদত করে মানুষ
অপেক্ষাকৃত অধিক তৃপ্তিবোধ
করবে।
(৫) কোন ঈমানদার ব্যক্তিকে
আল্লাহ স্বপ্নে হয়তো তা
জানিয়েও দিতে পারেন।
(৬) ঐ রাতে বৃষ্টি বর্ষণ হতে পারে।
(৭) সকালে হালকা আলোকরশ্মিসহ
সূর্যোদয় হবে। যা হবে পূর্ণিমার
চাঁদের মত।
-
(সহীহ ইবনু খুযাইমাহ, বুখারী ও
মুসলিম)

26/06/2015

কিছু অপ্রিয় সত্য ☜ . .
★ একশ টাকা মসজিদে অনেক বড় কিন্তু শপিংমলে অতিক্ষুদ্র ৷
★ মসজিদে দু'ঘন্টা ইবাদত খুব দীর্ঘ কিন্তু বিনোদন অনুষ্ঠানে খুব সামান্য৷
★ তারাবীহ নামাজ দীর্ঘ ১ ঘন্টা সময় লাগে কিন্তু ফুটবল ম্যাচ মাত্র নব্বই মিনিট সময় ৷
★ কুরআনের একটি পৃষ্ঠা পড়া খুব কষ্টকর কিন্তু দুইশ পৃষ্ঠার উপন্যাস পড়া খুব সহজ ৷
★ কনসার্ট বা খেলার মাঠে সামনে বসতে কত প্রতিযোগীতা কিন্তু মসজিদে যত পিছনে বসা যায় তত ভালো ৷
★ ঘন্টার পর ঘন্টা গান শুনতে বিরক্ত লাগে না কিন্তু জুমআর খুতবা শুনতে খুব বিরক্তকর।
#আমি_কি_ভুল_বল্লাম? ★ ★

14/04/2015

"শুভ দিন
"শুভ রাত,
"খাও ইলিশ
"পান্তা ভাত ।
"কষ্ট যাক
"আসুক সুখের দিন,
"শুভ হোক তোমার
"নতুন বছরের প্রতিদিন ।
* শুভ নববর্ষ *

31/03/2015

সকল HSC
Examine দের জন্য
অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল।
Best of Luck...........

30/03/2015

আপনি কি FACEBOOK এর
Status পড়তে দূর্বল?
LIKE দিতে ভয় পান?
কমেন্ট করতে লজ্জা পান?
ব্যবহার করুন পাহাড়ি গাছ-গাছড়া থেকে তৈরি Facebook হারবাল।
1_ফাইলই যথেষ্ট,মূল্য=3kb!
বিফলে মূল্য
কোন পার্শ্ব
প্রতিক্রিয়া নেই।
বিঃদ্রঃ ভিপি ও
পার্শ্বেল
যোগে ঔষধ
পাঠানো হয়।
বুকিং দিতে লাইক দিয়ে
কমেন্ট করুন

25/03/2015

"আল্লাহ যা করেন ভালোর
জন্যই করেন''
এক রাজার এক চাকর ছিল।
চাকরটা সবসময় যেকোন
অবস্থাতেই রাজাকে বলত,
"রাজা মশাই, কখনো মন খারাপ
করবেন না। কেননা আল্লাহ যা
করেন তার সবকিছুই নিখুঁত ও সঠিক।" একবার তারাশিকারে
যেয়ে নিজেরাই এক হিংস্র
প্রাণীর আক্রমণের শিকার
হলো। রাজার চাকর সেই
প্রাণীকে মারতে পারলেও,
ততক্ষণে রাজা তার একটা আঙুল খুইয়ে বসেছেন। রাগে-যন্ত্রণায়, ক্ষোভে রাজা ক্ষিপ্ত হয়ে বলে ওঠে,
"আল্লাহ যদি ভালোই হবে
তাহলে আজকে শিকারে এসে
আমার আঙুল হারাতে হতো না।"
চাকর বলল, "এতকিছুর
পরও আমি শুধু আপনাকে এটাই বলব, আল্লাহ সবসময়ই ভালো ও
সঠিক কাজই করেন; কোনো ভুল
করেন না। চাকরের এই কথায়
আরও ত্যক্ত হয়েরাজা তাকে
জেলে পাঠানোর হুকুম দিলেন। এরপর একদিন রাজা আবার
শিকারে বের হলেন। এবার
তিনি একদল বন্য মানুষের
হাতে বন্দি হলেন। এরা
তাদের দেব দেবির উদ্দেশ্যে
মানুষকে বলি দিত। বলি দিতে যেয়ে তারা দেখল যে, রাজার
একটা আঙুল নেই। তারা এমন
বিকলাঙ্গ কাউকে তাদের
দেবতার উদ্দেশ্যে উৎসর্গ
করতে রাজি হলো না। তাই
তারা রাজাকে ছেড়ে দিল। প্রাসাদে ফিরে এসে তিনি
তার সেই পুরোনো চাকরকে মুক্ত
করে দেওয়ার হুকুম দিলেন।
চাকরকে এনে বললেন, "ভাই,
আল্লাহ আসলেই ভালো। আমি আজ
প্রায় মরতেই বসেছিলাম। কিন্তু আঙুল না-থাকার কারণে
প্রাণ নিয়ে ফিরে আসতে
পেরেছি। "তবে আমার একটা
প্রশ্ন আছে। আল্লাহ ভালো,
এটা তো বুঝলাম। কিন্তু তাহলে তিনি আমাকে
দিয়ে তোমাকে জেলে পুরলেন
কেন?" চাকর বললঃ
"রাজামশাই, আমি যদি আজ
আপনার সাথে থাকতাম, তাহলে
আপনার বদলে আজ আমি কোরবান হয়ে যেতাম। আপনার আঙুল ছিল
না,কিন্তু আমার তো ছিল।
কাজেই আল্লাহ যা করেন
সেটাই সঠিক, তিনি কখনো
কোনো ভুল করেন না।" জীবনের নানা দুঃখকষ্ট নিয়ে
আমাদের শত অভিযোগ......
আমরা ভুলে যাই কোন কিছুই
আপনা- আপনি হয় না, বরং
সবকিছ।। পেছনেই একটি
নির্দিষ্ট কারণ আছে। পোষ্টটা ভাল লাগলে শেয়ার
করে সবাইকে
জানিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করা
গেলো।

19/03/2015

পুরোটা পড়ার অনুরোধ রইলো
ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন নিয়ে ১৪ই
ফেব্রুয়ারি শুরু হয়া আইসিসি
বিশ্বকাপের ৭ম ম্যাচটি ছিল
১৮ই ফেব্রুয়ারি, ,বাংলাদেশ ও
আফগানিস্তান এর মধ্যে,,সেই ১ম
ম্যাচেই জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ।।এরপর ২১শে
ফেব্রুয়ারি ২য় ম্যাচটি খেলার
পূর্বেই ব্রিসবেনে বাধা হয়ে
দাড়ায় বৃষ্টির অঝোর প্রবনতা।।
থেমে যায় খেলার কার্যক্রম।।
৩য় ম্যচে শ্রী-লংকার সাথে মেলবর্নে হারে বাংলাদেশ।।সেই
হারের পরেই ফুসে উঠা
বাংলাদেশ নেলসনে নিজেদের
৪র্থ ম্যাচে হারায়
স্কটল্যান্ডকে।।
এরপর আর বাকি মাত্র ২টি ম্যাচ।।একটিতে জিততেই হবে
বাংলাদেশকে,,নয়তো এবারের
বিশ্বকাপ থেকে নিতে হবে
বিদায়।।যে ২টি ম্যাচের একটি
ছিল ইংল্যান্ড এবং অপরটি ছিল
নিউজিল্যান্ডের সাথে।। বাংলাদেশের লক্ষ্য ছিল
ইংল্যান্ডকে হারিয়ে কোয়াটার
ফাইনালে যাওয়ার দরজা উন্মুক্ত
করা।।সেই ৫ম ম্যাচটি যখন
প্রায় চলে গিয়েছিল ইংল্যান্ডের
হাতে ঠিক তখনি দলের ভরসা হয়ে নিজের অসাধারন বোলিং এ
ইংল্যান্ডকে ১৫ রানে হারিয়ে
ঘরে ফেরায় রুবেল হোসেন।।খুলে
যায় কোয়াটার ফাইনালে যাওয়ার
দরজা।।১ম রাউন্ডে ১ম্যাচ হাতে
থাকতেই বাংলাদেশ চলে গেল কোয়াটার ফাইনালে।।১ম
রাউন্ডের শ্রেষ্ঠতা বাছাইয়ের
৬ষ্ঠ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের
সাথে হারে বাংলাদেশ।।তবুও
কস্ট নেই,কেননা ইংল্যান্ডকে
হারিয়েই পেয়েছিলাম কোয়াটার ফাইনালে যাওয়ার রাস্তা।।
কোয়াটার ফাইনালে খেলা ছিল
ভারতের সাথে।।১৯শে মার্চ যখন
বাংলাদেশ স্বপ্ন দেখছে সেমি
ফাইনালে খেলার ঠিক তখনি
আম্পায়ারদের ভুল সিদ্ধান্তের মুখে পড়ে নস্ট হয়ে যায়
বাংলাদেশের সেই স্বপ্ন।।
মাসরাফির বোলিং lbw হয়ার
ক্ষেত্রে জোর আবেদন জানায়
মাশরাফি।।কিন্তু সেই আবেদন
নিকেজো করে দেয় আম্পায়ার।। রোহিত শর্মাকে তার ব্যাক্তিগত
৯০রানেই ঘরে মাঠের বাইরে
পাঠাতে পারত বাংলাদেশ।।সে
বলটি হিট করায় বলটি চলে যায়
ইমরুল কায়েসের হাতে।।কিন্তু
ডাকা হয় নো বল,,অভিযোগ ছিল বলটি কোমরের উপরে উঠে
যাওয়ার।।ভালভাবে খেয়াল করলে
দেখা যাবে যে,,বলটি কোমরের
নিচেই পড়ত।।তবুও সেই
আম্পায়েরের দেয়া নো বল ই মেনে
নিতে হল বাংলাদেশকে।।বাং লাদেশের ব্যাটিংয়ে মাহমুদুল্লাহ
রিয়াদের হিট করা বলটি সোজা
চলে যায় শেখর ধাওয়ানের
হাতে।।যেখানে বলটি হাতে
থাকার স্বত্তেও ধাওয়ানের পা
ছিল বাউন্ডারিতে,,তবুও আম্পায়ারের মতে সেটি ছিল শুধুই
একটি উইকেট।।ভুল সিদ্ধান্তের
জন্য আবার মাঠ ছাড়তে হল,দুই
ম্যাচে টানা সেঞ্চুরি করা
মাহমুদুল্লাহ। ।
আম্পায়ারদের এরকম ভুল বের করতে গেলে হাজারটা বের করা
যাবে,,কিন্তু হারটক হারই রয়ে
যাবে।। হুম,,আমরা হেরেছি,,কেননা
আম্পায়ার এবং আইসিসিকে দিতে
পারিনি চড়া টাকা।।আমরা
হেরেছি,,কেননা ভুল
সিদ্ধান্তকেই মেনে নিতে হয়েছে
আমাদের।। আজকে এমন একটা হারের পরেও
বলব,,আমরাই জিতেছি।।কারন,,,
যেটুকু খেলেছি সুষ্ঠভাবে
খেলেছে,যা পেরেছি সুষ্ঠভাবে
পেরেছি।।চড়া টাকা দিয়ে
সেমিফাইনালে উঠার থেকে ১ম রাউন্ডে বাধ পড়াটাও ভাল,,এতে
আর যাই হোক সুষ্ঠতা বজায়
থাকবে।।
আমরা হারলেও আমরা
গর্বিত,,কেননা সেমিফাইনালে
উঠার জন্য নিজেরা যতটুকু সম্বভ চেস্টা করেছি।।আশ্রয় নেইনি ঘুষ
দেয়ার।।আশ্রয় নেয়নি ছলনার।। আর ইন্ডিয়া বলে,,তোমরা মাত্র
১৬ কোটি আর আমরা ১২৫কোটি।।
হুম,,তাই তো সেই ১২৫ কোটি
মানুষের দেয়া টাকার বিনিময়েই
তো আজ সেমিফাইনালে।।
শুধু একটা কথাই বলবো→১ মাঘে শীত যায় না।।দিন আমাদেরও
আসবে।।সেদিন দেখবো কোথায়
যায় এই ইন্ডিয়া।।

18/03/2015

মধ্যবিত্ত ফ্যামিলিতে বেড়ে
ওঠা ছেলে মেয়েদের কপাল ই
খারাপ।
না পারে তারা নিজেদের
স্বপ্নগুলোকে
সহজে পূরণ করতে আর না পারে কারও
কাছে হাত পাততে।
struggle করতে করতেই
লাইফ শেষ

15/03/2015

জাহান্নাম কেমন
হবে
১.জাহান্নামের
গভীরতা এমন
যে, এর মুখ
থেকে একটি পাথর ফেলে দিলে জাহান্নামের
তলদেশে
পৌছাতে ৭০ বছর সময়
লাগবে।বিচারের দিন
জাহান্নামকে ৭০
হাজার শিকল দ্বারা টেনে আনা হবে যার
প্রত্যেক শিকল
৭০ হাজার
ফেরেশতা বহন
করবেন।
২.জাহান্নামে চাঁদ
এবং সূর্যকে নিক্ষেপ
করা হবে আর
জাহান্নামে তা অবলীলায়
হারিয়ে যাবে।
৩.জাহান্নাম
বাসীর শরীরের
চামড়া ১২৬ ফুট
পুরো করে দেওয়া হবে যাতে করে আযাব
অত্যন্ত ভয়াবহ
হয়, তাদের শরীরে আরও
থাকবে তিল যার
এক
একটি হবে উহুদ
পাহাড়ের সমান।
আর জাহান্নাম বাসীর বসার
জায়গা হবে মক্কা থেকে মদীনা পর্যন্ত
দূরত্বের সমান।
৪.প্রতিদিন
জাহান্নামের
আযাব
পূর্বের দিন
থেকে আরও তীব্র
আর ভয়াবহ করা হবে।
৫.জাহান্নামের
খাদ্য হবে কাঁটা যুক্ত
গাছ আরপানীয়
হবে ফুটন্ত পানি,
পুঁজ, পুঁজও
রক্তের মিশ্রণ এবং উত্তপ্ততেল,
এরপরও
জাহান্নামবাসীর
পিপাসা এত
বেশি হবে যে তারা এই
পানীয় পান করতে থাকবে।
৬.জাহান্নামের এই
ভয়াবহ
কল্পনাতীত
আযাব অনন্ত কাল
ধরে চলতে থাকবে,
জাহান্নামবাসীরা একপর্যায়ে জাহান্নামের
দেয়াল
টপকিয়ে পালাতে চেষ্টা করলে তাদেরকে লোহার
হাতুড়ি দ্বারা আঘাতকরে ফেলে দেয়া হবে।
আল্লাহতালা আমাদের
জাহান্নামের
আজাব
থেকে রক্ষা করুণ।
(আমিন)

Address

Mirkadim
Munshiganj
007

Telephone

01521494110

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mirkadim Pouroshova, Munshiganj posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share