08/11/2025
মুন্সিগঞ্জ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট—এর ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ১ম পর্বের নবীন শিক্ষার্থীদের নিয়ে "নবীনবরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন” প্রোগ্রামের আয়োজন করে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, মুন্সিগঞ্জ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থানা শাখা।
আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় বিতর্ক সম্পাদক আসাদুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির মুন্সীগঞ্জ জেলা সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সাবেক মুন্সীগঞ্জ জেল সেক্রেটারি ইমরান হোসাইন, ডুয়েট শাখার সাবেক অফিস সম্পাদক ইঞ্জি. মোঃ ইয়াসিন প্রমুখ।
প্রোগ্রামে সভাপতিত্ব করেন মুন্সীগঞ্জ পলিটেকনিক ইন্সঃ থানা সভাপতি আব্দুল করিম।
নবীন শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি ও অতিথিদের মূল্যবান দিকনির্দেশনায় প্রোগ্রামটি হয়ে ওঠে অনন্য এক আয়োজন।
(সংগ্রহ)
06/10/2025
🏗️ ছাদ শাটারিং কতদিন পর খুলবেন?
অনেকেই ভুল সময়ে শাটার খুলে দেন, ফলে কংক্রিট পুরোপুরি শক্ত না হয়ে ভবনের সেফটি ঝুঁকিতে পড়ে।
✅ সঠিক নিয়ম:
🏠 স্ল্যাব (ছাদ): ১৪ – ২১ দিন পর
📐 বিম (Beam): ছোট বিম ১৪ দিন, বড় বিম ২১ দিন বা তার বেশি
🏢 কলাম (Column): ২ দিন পর খোলা যায়
🌀 সিঁড়ি (Staircase): ১০ – ১৪ দিন পর
💧 কংক্রিটকে শক্তিশালী করতে কমপক্ষে ২৮ দিন পানি দেওয়া (Curing) খুব জরুরি।
👉 নিরাপদ ভবনের জন্য সবসময় সঠিক ইঞ্জিনিয়ারিং পরামর্শ নিন।
26/07/2025
📛এডমিশন নিউজ📛
ডিপ্লোমা পর্যায়ের বিভিন্ন শিক্ষাক্রমে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির সময়সূচি।
✅ অনলাইনে আবেদন শুরুঃ ৩০ জুলাই, ২০২৫ ইং তারিখ থেকে।
✅আবেদন শেষঃ ১৪ আগস্ট, ২০২৫ ইং তারিখ।
✅ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবেঃ ২৯ আগস্ট, ২০২৫ ইং তারিখ (শুক্রবার)।
বি.দ্রঃ খুব শীগ্রই ভর্তি নীতিমালা এবং ভর্তি সংক্রান্ত নোটিশ প্রকাশিত হবে।
20/07/2025
⚫শোক সংবাদ ⚫
মুন্সীগঞ্জ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এর ইনস্ট্রুমেন্টেশন অ্যান্ড প্রসেস কন্ট্রোল টেকনোলজির ২০১৫-১৬ সেশনের সাবেক ছাত্র ❝মাহমুদ পাপন❞ ই'ন্তে'কা'ল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া-ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
সংগ্রহ - Polytechnic Notice
17/07/2025
আপনি জানেন কি?
আপনার বাড়ির পাশে, সড়কের পাশে আপনাদের লাগানো গাছ দ্বারাই পরিবেশ হুমকির মুখে।
পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক এই গাছ দুটি হচ্ছে ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি
গাছগুলোর ক্ষতিকারক দিকঃ
ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি, এই গাছগুলো পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর ও মাটির উর্বরতা হ্রাস করে।
এই গাছ অতিরিক্ত পানি শোষণ করে।
এর ফলে পানির স্তর নিচে নেমে যায়।
এ এর পাতা থেকে এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরণ হয় যা অন্যান্য উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে বাধা দেয়।
এ এ গাছের ফুল এবং পাপড়ি বাতাসে ছড়িয়ে মানুষের শ্বাসনালীতে প্রবেশ করে শ্বাসকষ্টের কারণ হয়ে দাড়ায়।
এ গাছের পাতা কোথাও পড়লে অন্য ফসল ফলে না।
বাংলাদেশ সরকারের পদক্ষেপ।
সরকারীভাবে ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি চারা রোপন, উত্তোলন এবং বিক্রয় নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
পরিবেশ সুরক্ষার স্বার্থে এই গাছগুলো রোপণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং দেশীয় ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা
রোপণের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি গাছ নিধন করা হলে উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক দেশীয় ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা
উপহার প্রদান করা হবে।
তাই পরিবেশ সুরক্ষায় ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি গাছ নিধন করার জন্য আপনাদের সহযোগিতা কামনা করা হচ্ছে।
সরকারি আদেশ অমান্য করলে দন্ডবিধি ১৮৬০ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অনুরোধক্রমে:
মাহবুবুর রহমান
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, মুন্সীগঞ্জ সদর।
বাস্তবায়নে। উপজেলা প্রশাসন, মুন্সীগঞ্জ সদর, মুন্সীগঞ্জ।
26/06/2025
মিস্ত্রী কে পয়েন্ট হিসেবে কাজ দেয়া হয়েছিল, বাকিটা ইতিহাস। এটা কি রুম???
নাকি ব্যাটম্যান খেলার মাঠ???
20/05/2025
র'ক্তদানের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ❝লিফলেট বিতরণ❞ কর্মসূচি পালন করেছে বন্ধুমহল ব্লাড ডোনার সোসাইটি'র মুন্সিগঞ্জ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সেচ্ছাসেবীরা।
(সংগ্রহ)
20/04/2025
বেকার সমস্যার কথা আসলেই অনেকে শিক্ষার্থীদের বেশি করে কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করবার কথা বলেন। কিন্তু কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিতদের কর্মসংস্থানের কি পরিস্থিতি, কারিগরি শিক্ষিতদের আয় ও কর্মপরিবেশ কেমন সে বিষয়ে কয়জন খোজ রাখেন সেটা নিয়ে সন্দেহ আছে।
আজকে বণিক বার্তায় এ বিষয়ে একটা রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। রিপোর্টে কিছু কেস স্টাডি ও পরিসংখ্যান আছে, যেগুলো সবার জানা দরকার।
উদাহরণ স্বরূপ রবিউল ইসলামের কথাই ধরা যাক। রবিউল ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করেছেন ২০২০ সালে। এরপর তিনটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেছেন। প্রথমটিতে বেতন ছিল মাত্র সাড়ে ৮ হাজার টাকা। তাও আবার চাকরির তিন মাসের মাথায় কোনো ধরনের নোটিস ছাড়াই ছাঁটাই হন। এরপর আরো একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন ১২ হাজার টাকায়। সেখানে আবার বেতনের তুলনায় কাজের চাপ ছিল অনেক বেশি। অথচ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা তারই সহকর্মীরা একই পদে পেতেন প্রায় তিন গুণ বেতন। সেই কষ্টে চাকরি ছেড়ে দিয়ে রবিউল এখন ব্যবসা শুরু করেছেন।
আরেক তরুণ শাহরিয়ার আহমেদ সরকারি একটি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে ২০২২ সালে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং করেন। তিনিও এরপর মোট তিনটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেছেন। বর্তমানে যে প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন সেখানে বেতন পান কেবল ১৫ হাজার টাকা। শাহরিয়ার আহমেদ বণিক বার্তাকে বলেছেন, ‘আমরা চাকরি পাচ্ছি না, বিষয়টি এমন নয়। কিন্তু যে কাজ পাচ্ছি তা মানসম্মত নয়। আমার অনেক সহপাঠী চাকরি না করে গ্রামের বাড়িতে বসে আছে, কারণ যে বেতনে তারা চাকরি পাচ্ছে তা দিয়ে ঢাকায় থাকাই সম্ভব নয়। আমার পরিবার গ্রামে থাকে। ঢাকায় নিজের খরচ চালিয়ে তাদের তেমন সহযোগিতা করতে পারি না।’
এ বিষয়ে পরিসংখ্যানও বেশ হতাশাজনক চিত্র তুলে ধরে। জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমিতে (নায়েম) ২০২১ সালে জমা দেয়া এক গবেষণা প্রতিবেদন অনুসারে, ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারীদের মধ্যে ৫৪ শতাংশ কর্মজীবী, ৪ শতাংশ উদ্যোক্তা, ৩৮ শতাংশ বেকার ও ৪ শতাংশ কাজে আগ্রহী নয়।
যারা কাজ করছেন, তাদের আয়ের কি অবস্থা? ঐ গবেষণা অনুসারে, ৪৪ শতাংশের মাসিক আয় ১০-১৫ হাজার টাকার মধ্যে এবং ৪৩ শতাংশের আয় ১০ হাজার টাকার কম। মাত্র ১৩ শতাংশের মাসিক আয় ১৫ হাজারের ওপর।
প্রায় একই চিত্র উঠে এসেছে বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) জরিপেও। ব্যানবেইসের ওই জরিপের তথ্য অনুযায়ী, ডিপ্লোমা প্রকৌশলীর ডিগ্রি নিয়ে চাকরিতে প্রবেশ করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৭১ শতাংশ বেতন পাচ্ছে ১০ থেকে ২০ হাজার টাকার মধ্যে।
আসলে যারা বিভিন্ন দেশি বিদেশী বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন তাদের একটা উল্ল্যেখযোগ অংশকে কাজ করতে হয় অস্থায়ী ভিত্তিতে, আউটসোর্সিং মডেলে যাদের চাকুরির কোন নিশ্চয়তা থাকে না, নির্দিষ্ট কর্মঘন্টা থাকে না, কাজের পরিবেশও জঘন্য।
সরকারের উচিত বিভিন্ন দেশি বিদেশী বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কারিগরী জনবলের প্রকৃত পরিস্থিতি কি তার খোজ নেওয়া এবং যথাযথ আইন, নীতিমালা ও তাদরকির মাধ্যমে তাদের মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থানের অধিকার নিশ্চিত করা। মর্যাদাপূর্ণ কারিগরি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি না করে কারিগরি শিক্ষার বিষয়ে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করা চরম দায়ীত্বহীনতা।
(সংগ্রহ)