For English thirsty students. -By AHM Mazharul Azad Bulbul.

For English thirsty students.  -By AHM Mazharul Azad Bulbul. As a journalist and teacher, I think I have some responsibility towards this society. In this endeavor I walk this path. -AHM Mazharul Azad Bulbul.

I will be able to get out of that responsibility if I can give something to my society and state.

A Debt of Blood Must Be Paid with Minimal Recognition: An Urgent Appeal to Tarique Rahman to Compile a List of Neglected...
06/10/2025

A Debt of Blood Must Be Paid with Minimal Recognition: An Urgent Appeal to Tarique Rahman to Compile a List of Neglected Activists

​A H M Mazharul Azad Bulbul, Mymensingh Correspondent:
​An intense moral demand has been raised to the Bangladesh Nationalist Party (BNP) to immediately compile a National List of its activists and their families who have suffered disappearances, murders, imprisonment, repression, and false cases over the last seventeen years under the relentless political onslaught of the Awami League government. The petitioners argue that the existing case information available with the government and records in the media are sufficient grounds for preparing this list quickly. According to the appeal, this list should not be considered merely 'aid' or 'assistance,' but rather the 'due right' of the persecuted soldiers. The party must restore its credibility at the grassroots level and inject new vitality into its politics through this initiative.
​The core message from the activists is clear: if the party fails to grant recognition for their sacrifice and labour, the BNP will remain eternally indebted to them. The debt will become impossible to repay, particularly to those who might pass away carrying this sense of deprivation. Essentially, those targeted by the Awami League—whose families were ruined, businesses destroyed, who were forced to live in hiding night after night, or kept in 'Aynaghar' (secret detention centers)—are the true leaders and soldiers of the BNP. Ignoring these families would be a 'historic mistake' for the party, forcing it to bear the stigma of betrayal. Therefore, the appeal is to grant at least minimal recognition, as it is essential to honour the sacrifices of loyal workers, even if the party is currently run by opportunists.
​Specifically, all persecuted activists in Mymensingh, like those across the nation, have raised this same strong demand. They fear that many dedicated long-time workers are dropping out of politics due to lack of proper recognition and respect. They argue that while the party focuses on creating opportunities for new members, the failure to secure the recognition and honour of those who endured inhuman repression over the past seventeen years will ultimately undermine the motivation for future sacrifice for the party.
​The appeal emphasizes that there is no scope for compromise or exclusion in preparing this list—even every activist who had to attend court for at least one case, along with their affected families, must be included. The plea is directed sincerely and urgently to the Acting Chairman of the BNP, Tarique Rahman, to take this critical program into his own hands.

ময়মনসিংহের ত্রিশালের সংবাদ
23/05/2025

ময়মনসিংহের ত্রিশালের সংবাদ

04/02/2024

ময়মনসিংহে প্রতিনিধ: গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৩ ফেব্রুয়ারি-২০ ২৪ রাত সাড়ে ৯ টায় ২  আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন মুক্তা....

13/09/2023

♠অনলাইন থেকে সংরক্ষিত সংবাদ ♠

দৈনিক সংগ্রাম

আর্কাইভ › ২৮/০৯/২০১৫ › সম্পাদকীয়
দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের মালিকানা কার?
সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ | প্রিন্ট সংস্করণ

প্রকৌশলী এস, এম, ফজলে আলী : ১৯৭১ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশের সুন্দরবনের জেলেরা সর্বপ্রথম তালপট্টি দ্বীপটির অস্তিত্বের কথা প্রচার করে। বাংলাদেশের বৃহত্তর খুলনা জেলার দক্ষিণের কালিগঞ্জ থানার দক্ষিণে দ্বীপটি অবস্থিত হওয়ায় নতুন দ্বীপটিকে তারা দক্ষিণ তালপট্টি নামে অবহিত করে। পরে বাংলাদেশের খুলনা জেলার প্রশাসন এবং জরিপ বিভাগ স্বীয় প্রশাসনিক দলিল পত্রে ঐ একই নামে নথিভুক্ত করে। এই সময় বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম চলতে থাকায় অত্যন্ত স্বাভাবিক কারণে এ বিষয় জোরালোভাবে কোন প্রস্তাব তুলে ধরতে পারেনি। স্বাধীনতার বেশ কিছুদিন পরেও বিষয়টি ভারতের সাথে বিবেচনায় আসে নাই। ভারত আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে সহায়তা করেছে, তাই প্রথম অবস্থায় কোন বিরোধে বাংলাদেশ যায় নাই। কিন্তু এই সময় দেরী না করে জেগে উঠা নতুন দ্বীপটিকে ভারত নিউমুর নামে এক তরফাভাবে তারা দাবি করে। তা বৃটিশ নৌ-জরিপ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা, ভারতে সব প্রচার মাধ্যমে দ্বীপটি যে ভারতের তার প্রচার প্রপাগাণ্ডা ব্যাপকভাবে চালাতে থাকে। এতে ব্যাপক বিভ্রান্তি লক্ষ্য করা যায়। কলকাতার সংবাদপত্রগুলোতে দ্বীপটিকে কখনো নিউমুর, আবার কখনো পূর্বাশা নামে প্রকাশ করতে থাকে।
ভারত-বাংলাদেশের সমুদ্রসীমানার ওপর আন্তর্জাতিক আদালত যে রায় দিয়েছে তার ওপর নয়াদিগন্তে (২১ শে অক্টোবর ২০১৪) আমার লেখা প্রবন্ধ “তালপট্টি হারালো না জাতীয় নিরাপত্তা অরক্ষিত” তাতে উল্লেখ করেছি- “এ রায় ঠেকানোর জন্য ভারত বহু চেষ্টা চরিত্র করেছে। কিন্তু তা নিয়ে ভারত আর বেশী দূর আগায় নাই, যেহেতু তারা দক্ষিণ তালপট্টি পেয়ে গেছে। ইহা ভারতের বড় অর্জন। ভূ-অঞ্চলীয় কৌশলগত কারণে তালপট্টি একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। ভারত এখানে তার নৌবাহিনী মোতায়েন করে পুরো বঙ্গোপসাগরে তার আধিপত্য খাটাচ্ছে। বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরে নজর রাখার জন্য ভারতের ইহা কৌশলগত বিজয়। ..... এ অঞ্চল চীন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেরও শ্যান দৃষ্টি আছে সমুদ্রে ভারত তার আধিপত্য খাটাবার জন্য এর পুরো ব্যবহার করবে। আন্দামান দ্বীপপুঞ্জে ভারতের যে নৌবহর আছে দক্ষিণ তালপট্টির সাথে যোগসূত্র করে ভারত এ অঞ্চলে তার আধিপত্য মজবুত করতে পারবে। অপরদিকে বাংলাদেশর উপকূল ভাগ অরক্ষিত হয়ে পড়বে। ভারতের নৌ-বহর বা অন্য যুদ্ধ যানের ওপর বাংলাদেশের নজরদারীর সুযোগ থাকবে না। অধিকন্তু চীন, ভারত ও মার্কিন-যুক্তরাষ্ট্রের বঙ্গোপসাগরে আধিপত্য বিস্তারের যে লড়াই শুরু হবে তাতে বাংলাদেশের নিরাপত্তা অবশ্যই বিঘ্নিত হবে।”
নেদারল্যান্ডের হেগে দুইদেশের সমুদ্রসীমা নির্ধারণে সালিসি আদালতের যে রায় পাওয়া গেছে তাতে দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ বঙ্গোপসাগরের যে জায়গাটিতে ছিল, তা ভারতের সীমানায় পড়েছে বলে জানানো হয়। এতে তালপট্টির মালিকানা আর বাংলাদেশের থাকে না। ভারতের সাথে সমুদ্রসীমা মামলার ডেপুটি এজেন্ট ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমুদ্র বিষয়ক ইউনিটের প্রধান রিয়ার এডমিরাল (অব.) খুরশিদ আলম এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে বলেছেন, তালপট্টি দ্বীপকে বাংলাদেশের বলে দাবি করলেও অতীতের কোন সরকার দেশের মানচিত্রে দেখাননি। ভারতের সাথে মামলা দায়েরের পর ইহা বাংলাদেশের মানচিত্রে দেখানো হয়। ওই মানচিত্রে তালপট্টিকে বাংলাদেশের জন্যে দেখালেও আদালত তা গ্রহণ করেননি। ওই দ্বীপটি দীর্ঘদিন বাংলাদেশের মানচিত্রে অনুপস্থিত থাকার অজুহাতে। আর এই কারণে হেগের স্থায়ী সালিশি আদালতের দেয়া রায়ে ওই এলাকা ভারতের অংশে পড়েছে বলে তিনি জানান। ইহা খোঁড়া যুক্তি। ভারত-পাকিস্তান বিভক্তির সময় দুই দেশের সীমানা নির্ধারণের সময় যে সীমারেখা টানা হয় তা হাড়িয়াভাঙ্গা নদী-বঙ্গোপসাগরে পতিত হওয়ায় নদীর মধ্যবর্তী সীমারেখার পূর্বপার্শ্বে তালপট্টি দ্বীপের অবস্থান। ইহাই বড় প্রমাণ যে দ্বীপটি বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা রেখার মধ্যে অবস্থিত। ইহা সঠিকভাবে আদালতে উপস্থাপন করতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা ব্যর্থ হয়েছে। তা ছাড়া বাংলাদেশের রেকর্ডপত্রে বহু পূর্ব হতেই ইহা বাংলাদেশের দ্বীপ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা মেনে নেয় যে ১৯৭০ সালে প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের পর ওই দ্বীপটির অস্তিত্ব ছিল না-তা সমুদ্রে তলিয়ে যায়। ইহা ছিল ভারতের প্রপাগাণ্ডা। দ্বীপটি ঠিক জায়গায়ই ছিল। তা না হলে আবার তালপট্টির উদ্ভব হলো কিভাবে। উপস্থাপনে বাংলাদেশ পক্ষের দুর্বলতার কারণেই আন্তর্জাতিক আদালত ঐ রায় দেন।
তবে তালপট্টি নিয়ে ভারতের প্রচার মাধ্যমে প্রকাশিত হয় যে, ভারতের পাওয়া ৬ হাজার বর্গকিলোমিটারের মধ্যে পড়েছে দক্ষিণ তালপট্টি, সেখানে মজুদ আছে ১০০ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। এ দ্বীপটি ভারতে পেয়ে যেমন অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হয়েছে, তেমনি তাদের সীমান্ত প্রতিরক্ষা জোরদার হয়েছে। আর বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা অরক্ষিত হয়ে পড়লো।
একটি দ্বীপ তৈরী হয়ে থাকে উজানে আসা পলিমাটির দ্বারা। কোন দ্বীপের পলির উৎস যদি হয় মহাদেশীয়, তাহলে সে দ্বীপ বিলীন হওয়ার কোন কারণ তাকে না। তালপট্টি দ্বীপের পলির উৎস হচ্ছে হিমালয়। তাই হিমালয় যত ক্ষয় হতে থাকবে পলির স্রোত ততই বাড়বে। সংগত কারণে তালপট্টি দ্বীপটি বাড়বে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন এক সময় উহা বাংলাদেশের সুন্দরবনের সাথে মিশে যাবে। তবে জাানা গেছে ভারত নাকি শক্তিশালী ড্রেজার দিয়ে দ্বীপের উত্তর অংশের সমুদ্রের পলি সরিয়ে দিচ্ছে যাতে দ্বীপটি বাংলাদেশের ভূখণ্ডের দিকে অগ্রসর না হতে পারে।
বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল বিভাগের অধ্যাপক মাহাবুব হাসানের ‘বাংলাদেশ প্রকৃতি ও সম্পদ’ নামে একটি বইয়ে দেখানো হয়েছে তালপট্টি দ্বীপটির বিভিন্ন সময় আয়তন কত ছিল, এত বলা হয়। ১৯৭৩ সালে এটির আয়তন ছিল ৩৫০ একর। বিভিন্ন সময় উহা বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং সর্বশেষ ১৯৮০-এ দ্বীপটির আয়তন ৮০০ একর। মাহাবুব হাসান যুক্তি দিয়ে দেখান দক্ষিণ তালপট্টি ও ভারতীয় ভূখণ্ডের মাঝামাঝি নয়া ক্ষুদ্র দ্বীপ এবং রায়মঙ্গলের দিকে উত্তর-দক্ষিণ প্রলম্বিত দ্বীপ-এ তিনটি ভূখণ্ড হাড়িয়াভাঙ্গা, রায়মঙ্গল নদীর বর্তমান স্রোতধারা পরিষ্কারভাবে ফুটিয়ে তুলছে যা ভারতীয় জেলেরাও জানে। এ এলাকা ভালভাবে পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যাবে ভারত সত্যকে গোপন করছে। দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর গতিধারায় অবস্থিত নয় বরং একে নদীর পূর্বদিকে ও রায়মঙ্গলের স্রোতধারার পশ্চিম দিকে।
তিনি আরো বলেন, হাড়িয়াভাঙ্গার স্রোত বিভক্ত হয়েছে দক্ষিণ তালপট্টির পশ্চিমে জেগে ওঠা ক্ষুদ্র দ্বীপের অবস্থানের জন্য। যদি র‌্যাটক্লিক রোয়েদাদ অনুযায়ী হাড়িয়াভাঙ্গার মধ্যস্রোত ভারত-বাংলাদেশের সীমান্ত হয়ে থাকে, তা হলে নয়া দ্বীপ নিয়ে মালিকানা বিরোধ চলতে পারে ও দক্ষিণ তালপট্টি নয়। দক্ষিণ তালপট্টি সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশের উপকূলীয় সমুদ্রসীমানায়। ১৯৭১ সালে প্রণীত ভারতের নৌপথের ছক, যা বৃটিশ এডমিরালটির চার্টে তোলা হয়েছে, তা অবৈধ ও ভুল।
দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের আয়তন বেড়েই চলেছে। কালক্রমে উহা বাংলাদেশের উপকূলে এসে মিশে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তাই আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এখন থেকেই আমাদের সতর্ক হতে হবে। দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপটি ভারত গ্রাস করে আমাদের সার্বভৌমত্বের ওপর হুমকি হিসেবে দেখা দিয়েছে। তাদের নৌ-বাহিনী সেখানে আস্তানা গেড়ে বসেছে। আমাদের জেলেরা বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় মাছ ধরতে পারছে না ভারতীয় নৌবাহিনীর বাধার মুখে। তা ছাড়া সমুদ্রে যে প্রচুর গ্যাসের সম্ভাবনা রয়েছে তা ভারত জবর দখল করার চেষ্টা করে। এ সব বিষয় আমাদের সচেতন হতে হবে। আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বিষয়টি পুনঃবিবেচনায় আনা যায় কিনা তা ভেবে দেখা দরকার। বর্তমান সরকার নানা কারণে ভারত ঘেঁষা। তারা বাংলাদেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে ভারতকে অযাচিতভাবে অনেক কিছু দিয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে আখাউড়া হয়ে ভারতের পূর্বের সপ্তকন্যার সাথে সংযোগ করে যে প্রশস্ত রাস্তা করেছে তাতে ভারত আমাদের নদী পথ দিয়ে মালামাল এনে অতি অল্প খরচে ওইসব রাজ্যে পাঠাচ্ছে। তার জন্য তেমন কোন শুল্ক দিচ্ছে না। কানেক্টিভিটির নামে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে যে সব রুট করা হচ্ছে তাতে বাংলাদেশের লাভ হবে নগণ্য। ভারত শুল্কের ব্যাপারে যে প্রস্তাব দিয়েছে তা গ্রহণযোগ্য নয়। বিশ্বের কোন দেশই এত স্বল্প শুল্কে মালামাল পার হতে দেয় না। অথচ সরকার বর্তমানে তা মেনে নিতে আগ্রহী। ভারত ব্যবসা বাণিজ্যে বাংলাদেশে একচেটিয়াভাবে করে যাচ্ছে, অথচ বাঙলাদেশে কোন পণ্য ভারতের বাজারে পাঠাতে হাজারো বাঁধা। ফলে ব্যবসা-বাণিজ্যে দুই দেশের বৈষম্য বিরাট আকার। তারা ৫৪টি অভিন্ন নদীর পানি প্রত্যাহার করে নিচ্ছে ভাটির দেশ বাংলাদেশের প্রয়োজনের কোন তোয়াক্কা না করে। অনেক আলোচিত তিস্তা নদীর পানির বণ্টন চুক্তি আজও করে নাই। তাই একটা কথা প্রচলিত আছে যে, “ভারত নিতে জানে, দিতে জানে না।” দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপটিও সেভাবে তারা জবর দখল করে আছে হেগের সিদ্ধান্তের বহু পূর্ব থেকে।
লেখক : পানি বিশেষজ্ঞ ও পরিবেশবিদ।

21/07/2023
21/07/2023

Address

Muktagachha

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when For English thirsty students. -By AHM Mazharul Azad Bulbul. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to For English thirsty students. -By AHM Mazharul Azad Bulbul.:

Shortcuts

Share

Category