Bangladesh Diploma Engineer's News

Bangladesh Diploma Engineer's News This is all about of Polytechnic and Diploma related news base platform. It's manage by some present and past students.

আমি একজন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার
এই কথাটি বলতে যে সকল ভাইয়েরা হিনমন্য ও চিন্তিত তারা দয়া করে পড়বেন।
*BSc না করে নাকি নামের আগে ইঞ্জিনিয়ার লিখতে পারবো না।
বিশ্বের কোন দেশে এমন রুল আছে? কারো জানা থাকলে জানাবেন please.
*ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং একটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃত শিক্ষা ব্যবস্থা. A level বা HSC করার পরে কারিগরি ব্যবস্থায় ১ বছর(যেমন:TICI) পড়ালেখা করলে Technician হওয়া যায়। তারপর ১ বছর পড়ালেখা করলে

Diploma certificate পাওয়া যায়। তারপর আরো ১ বছর মোট ৩ বছর পড়ালেখা করলে Heigher Diploma certificate পাওয়া যায়। তারপর ১ বছর পরে BSc এবং তার ১ বছর পরে MSc.
*আমাদের দেশের HSC (12 Y) বিদেশের A level (11 Y)
BSc Engineer হতে হলে A level এর পরে ৪ বছর পড়ালেখা করতে হয়
*সেই হিসাবে International standard এর Diploma certificate চাইলে HSC এর পরে ২ বছর পড়ালেখা করতে হবে। তাই Diploma ৩ বছর থেকে ৪ বছর করা হয়েছে। আর ডিগ্রী ৩ বছর। তাই Diploma Degree equivalent হয় না ।
*কারিগরি ব্যবস্থার সাধারণ শিখ্যার সাথে মিলানো যাবেনা , যেমন Medical MBBS ও একটি World Recognise Education level.এতে ৫ বছর পড়ালেখা করে তা ডিগ্রী সমতুল্য (ঢাকা পিজি তে পড়ে) Postgraduate হতে হয়। কিন্তু General education system এ ৫ বিছরেই Postgraduate degree পাওয়া যায়। কই তারাতো নিজেদের সাথে কারো তুলনা করে না! তাই নিজের পাল্লার ভার নিজেকে বুঝে নিতে হবে।
*যারা ডিপ্লোমা করে 4Y BSc (private) এ করে এবং ভাবে আমার দুই বছর লস হল।আসলে তা নয়, আপনি মূলত দুইটি ইঞ্জিনিয়ারিং সার্টিফিকেট পেলেন, যার মূল্যায়ন দেশীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে একটি ইঞ্জিনিয়ারিং সার্টিফিকেটধারির থেকে অবশ্যই বেশী।
*Diploma একটি কারিগরি Education Level general education এর সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই । অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে General degree pass করা লোকজন Diploma Engineer er under এ কাজ করে।
*বিদেশের মত বাংলাদেশেও Diploma এর পরে ২ বছর পড়ালেখা করলে BSc certificate দেয়া হয় তবে সেটা শুধু (AMIE) তেই সিমাবদ্ধ।যদিও তা সর্বক্ষেত্রে দেয়া উচিৎ কিন্তু সমস্যা হল শিখ্যার মিডিয়াম। Diploma হল বাংলা আর BSc হল English . আর Diploma student দের English এর যে ভয়াবহ অবস্থা Class a Topic ta english এ বললে সবাই হা করে তাকিয়ে থাকে।
*তবে এর জন্য তারা দায়ী নয়। দায়ী কারিগরি শিখ্যা ব্যবস্থা । এখন যারা পলিটেকনিক এ পড়ে তাদের জিপিএ ৩. ৫ এর উপরে এবং কিছু ছাড়া সবাই ভাল ছাত্র । ২ সেমিস্টার ইঞ্জিনিয়ারিং টার্ম বাংলায় পড়ালেখা করে ইংলিশ নামে যে একটা ভাষা আছে তা ভুলতে বসে । কিন্তু চাকুরী জীবন ইঞ্জিনিয়ার দের ইংলিশ ছাড়া মূল্যহীন । তাই Diploma Engineer দের আজ এই অবস্থা। Diploma engineering যখন ইংলিশ মিডিয়াম ছিল তখন কি তারা কিছু জানতেন না ? অনেক ভাল জানতেন এমন কি এখন কার BSc থেকেও।
*আর একটা বিষয় Diploma engineering একটি Applied Science তাতে ভাল কিছু জানতে হলে অবশ্যই Science টা ভাল জান্তেই হবে। মাদ্রাসা, কলা আর ব্যবসায় শিখ্যার ছাত্রদের জন্যে যা অনেকটাই কঠিন। তাই তাদের প্রথম দিকটায় অনেক বেশী পরিশ্রমী হতে হবে।
*আমার পরিচিত অনেক ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার আছেন যাহারা দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে MD, GM বা DGM এর মত উঁচু পদে দায়িত্বরত আছেন এবং সম্মানের সহিত লক্ষ টাকা আয় করছেন।আর বিদেশে যারা আছেন বা নিজস্ব ফার্ম করেছেন তারাতো সোনায় সোহাগা।
*তাই সবাইকে নব উদ্দমে সামনে এগোনোর আহ্বান জানাচ্ছি...

21/01/2024

✅Ayuda a reducir las arrugas
✅ Promueve el rejuvenecimiento de la piel
✅ Mejora el contornao de ojos
✅ Combate las Arrugas de Expresión

ইঞ্জিনিয়ারিং শুধুমাত্র একটি পেশা নয়, এটি একটি প্যাশন। তবে বর্তমানে অধিকাংশই এই পেশা বেছে নেয় শুধু মাত্র অর্থ উপার্জনের জ...
20/07/2020

ইঞ্জিনিয়ারিং শুধুমাত্র একটি পেশা নয়, এটি একটি প্যাশন। তবে বর্তমানে অধিকাংশই এই পেশা বেছে নেয় শুধু মাত্র অর্থ উপার্জনের জন্যই। তাই হয়ত দক্ষতার অভাব টা একটু বেশিই চোখে পরছে। প্রতিবছর শুধুমাত্র সরকারি পলিটেকনিক থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার বের হচ্ছে ৮০০০ থেকে ১০০০০। প্রাইভেট থেকেও এমনই একটা সংখ্যা পাশ করে বের হচ্ছে। কিন্তু প্রতিবছর সরকারি চাকরিতে কতজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ পাচ্ছে? ১০০০ থেকে ১৫০০ এর মত। দিনশেষে অন্যদের কিন্তু প্রাইভেট জবেই যাওয়া লাগবে।

এই করোনাকালীন সময় অনেক ইঞ্জিনিয়ার তাদের চাকুরি হারিয়েছে। অনেকেই বেতন পেয়েছে অর্ধেক বা তারও কম। একটু খেয়াল করলে দেখবেন একই অফিসের একজন কে ছাটাই করা হয়েছে কিন্তু অন্যজন কে করা হয়নি। আরও একটু ভাল করে খেয়াল করলে দেখবেন যে ব্যক্তির দক্ষতা অনেক ভাল তাকেই ছাটাই করা হয়নি। কারণ কোম্পানি জানে যে ঐ দক্ষলোক টাকে কোম্পানির প্রয়োজন হবে। তাই নিজেকে দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে গড়ে তুলোন যেন কোম্পানিরই আপনাকে প্রয়োজন হয়।

প্রাইভেট জব খুজতে ও ক্যারিয়ার গড়তে কিছু করনীয়ঃ
১) প্রাইভেট জবের সার্কুলারের কোন নির্দিষ্ট উৎস নেই। পত্রিকায় বিজ্ঞাপন পাবেন না। কিছু জব পোর্টালে মাঝেমাঝে পোস্ট দেয়া হয়, তবে নিয়োগের ক্ষেত্রে সরকারীর চেয়েও বেশি স্বজনপ্রীতি বেসরকারী খাতে। কোন সার্কুলায় হয় না এবং সাধারনত কর্মকর্তারা তাদের পরিচিতদের নিয়োগ দিয়ে দেয়। তাই ছাত্রজীবনে কানেক্টিভিটি বাড়াতে হবে। বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও অরাজনৈতিক সংগঠনে যুক্ত হন। পাস করার পরে পরিচিতরাই আপনার জন্য জব খুজবে। যত বেশি পরিচিত সিনিয়র থাকবে,তত বেশি আপনার সুযোগ সৃষ্টি হবে। কিন্তু আমরা ছাত্রজীবনে এইসব নিয়ে মাথা ঘামাই কম।
২) ডিপার্টমেন্ট কোন মুখ্য বিষয় নয়। বিষয় হল- স্কিল। যে যত বেশি স্কিলসম্পন্ন, প্রাইভেটে তার ক্যারিয়ার দ্রুত উপরে উঠবে। এটা আমি পারি না. ওটা আমাকে দিয়ে সম্ভব না; এই শব্দগুলো ভুলে যান। প্রাইভেটে সব পারতে হবে।৫-১০বছর পরে সরকারি চাকুরীজীবির তুলনায় আপনার বেতন ও সুযোগসুবিধা অনেক বেশি হবে, যদিআপনি স্কিলসম্পন্ন হন।
৩) কানেক্টিভিটি বাড়ানঃ সারাজীবন এক প্রতিষ্ঠানে জব করা সম্ভব না। কিন্তু জব সুইচ করতে আপনাকে হেল্প করবে আপনার কানেক্টিভিটি। আপনার স্কিল সম্পর্কে আপনার বন্ধু, ছোটভাই ও সিনিয়ররা সবচেয়ে ভাল জানে। তারাই ভাল অফার পেলে আপনার কথা রেফার করবে। তাই আবারো বলব, প্রাইভেটে ক্যারিয়ার শুরু করতে এবং ক্যারিয়ারকে উপরে তুলতে চাইলে ছাত্রজীবনে কানেক্টিভিটি বাড়ান।
৪) প্রতিযোগিতাঃ প্রাইভেট মানেই প্রতিযোগিতা। আরেকজনের পিছে না লেগে, নিজের যোগ্যতা দিয়ে প্রতিষ্ঠানে অবস্থান শক্ত করুন। প্রতিষ্ঠানে এমনভাবে নিজেকে সেট করুন,যেন আপনি প্রতিষ্ঠানের অপরিহার্য্য অংশে পরিণত হন। কোম্পানি আপনাকে মূল্যায়ন করতে এবং প্রমোশান দিতে বাধ্য হবে। মামাখালু জব মেনেজ করে দিতে পারবে, কিন্তু জবের লাইফটাইম গ্যারান্টি দিতে পারবে না। কলিগদের বিরুদ্ধে লেগে না থেকে, নিজের স্কিল ও প্রতিষ্ঠানের সকল কাজ নিজের মনে করে শিখে নিন। নাহয় প্রয়োজন ফুরালে আপনাকে ছাড়তে কোম্পানি পিছপা হবে না।
৫) মানসিক সেটাপঃ অনেকেই জব করেন; পাশাপাশি জব নিয়ে, কোম্পানি নিয়ে, স্যালারি নিয়ে সারাবছর মনখারাপ করে থাকেন। এইসব করে মানসিকচাপ না বাড়িয়ে, হয় জব সুইচ করুন। নাহয় সবকিছুকে মেনে নিয়ে কাজ করুন।
৬) সফট স্কিলঃ একবিংশ শতাব্দীর পৃথিবী প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল। এক যুগ আগের প্রযুক্তি এখন অকেজো। প্রযুক্তির সাথে তাল মিলান। নতুন প্রযুক্তি ও মেশিন সম্পর্কে জানুন। মান্ধাতার আমলের চিন্তা ও প্রযুক্তি নিয়ে পড়ে থাকলে উপযোগিতা হারাবেন। প্রতিদিন নতুন নতুন কিছু শেখার মানসিকতা রাখুন। পারি না বলে এড়িয়ে যাবেন না। AutoCAD, Advance Excel, BIM Software (Revit, Tekla Structure etc) অফিস প্রোগ্রাম, ইমেইলিং, eGP Tender Submission, ব্রাউজিং; প্রাইভেট জবে এইসব সবার জন্য বাধ্যতামুলক কাজ।
৭) ভারবাল স্কিলঃ শুধু কাজ করলেই হবে না, কাজের প্রচার ও উপস্থাপনাও সুন্দরভাবে করতে হবে। ছাত্রজীবনে বিভিন্ন সভা-সেমিনারে বক্তব্য দিলে এবং বিভিন্ন প্রোগ্রাম আয়োজন করলে কমিউনিকেশন স্কিল বাড়ে। অফিসে এবং অফিসের বাহিরে কমিউনিকেশন করতে, স্কিল লাগে।সেই স্কিল বাড়ান।.

৮। সিভিঃ সব কোম্পানিতে আপনি এটেন্ড করতে পারবেন না। কিছু কোম্পানির অফিসের গেটও পার হতে পারবেন না। কিন্তু আপনার সিভি সকল কোম্পানির নিয়োগ কর্তাদের হাতে যেতে সক্ষম। তাই আপনার সিভি এমন স্মার্ট ও প্রেজেন্ট্যাবল হওয়া উচিত যেন প্রথম দর্শনেই নিয়োগ কর্তা বুঝতে পারে আপনি কতটা স্মার্ট। তাই সুন্দর ও প্রফেশনাল সিভির কোন বিকল্প নেই ।

৯। পোর্টফোলিওঃ আপনি আপনার শিক্ষা জীবন & চাকরী জীবনে যত প্রফেশনাল কাজ বা এসাইনমেন্ট কমপ্লিট করেছেন ঐ গুলোই আপনার পোর্টফোলিও। এগুলো গুছিয়ে নিন ও কানেক্টেড সিনিয়র ও কলিগদের সাথে শেয়ার করুন।

১০। ড্রয়িং স্টাডি ও এক্সেল এ এস্টিমেট করার দক্ষতা আপনাকে অনেক দূর নিয়ে যাবে। শুধুমাত্র বিল্ডিং এর প্লান ও সেকশন এর ড্রয়িং এর সাথে পরিচিত হলেই হবে না। বিল্ডিং এ কমপ্লিকেডেট অনেক অনেক মেম্বার আছে যে গুলোও জানতে হবে। ও পাশাপাশি প্রতিটি মেম্বারের এস্টিমেট এক্সেল সিটে একটি সুন্দর ও গুছানোভাবে প্রেজেন্ট করতে হবে।

স্যাম্পল গুলো দেখে আপনি নিজেই আপনার দক্ষতা টা যাচাই করে নিন।

নোটঃ সফট কপি চেয়ে কেউ লজ্জা দিবেন না। কারণ এস্টিমেট এর সফট কপি অফিসিয়াল তাই শেয়ার করা যাবে না।

10/07/2020

এম এইচ অনিকঃ করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে দেশের সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। গত প্রায় চারমাস ধর.....

03/07/2020

যতটুকু বুঝলাম, তা হল, উনাদের ছাত্র দরকার, সরকারীতে নয়, কারন সরকারীতে এমনিতেই সবার চান্স হয় না, যাদের সরকারীতে চান্স হচ্ছে না তারাই বেসরকারী পলিটেকনিকে পড়ছে। বেসরকারীতে ১,১৭,০০০ সীট রয়েছে তার মধ্যে গত সেশনে মাত্র ৩৭ হাজার ছাত্র ছাত্রী ভর্তি হয়েছে, তার মানে ৮০ হাজর সীট খালী বেসরকারী পলিটেকনিক গুলোতে, এবার বুঝুন কত টাকা তাদের লস, মাথা নষ্ট উনাদের পুরো ইনভেস্টই দেখি জলে গেল, কাদের??? পলিটেকনিক মালিকদের, এই মালিক কারা??? এই IDEB নেতারা, বিভিন্ন সরকারী পলিটেকনিকের শিক্ষকেরা, কারীগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের বিভিন্ন কর্তারা।দেশে স্বাস্থ্য সেবা যেমন বেসরকারীকরন করে দেশের স্বাস্থ্য খাতকে ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে নেওয়া হয়েছে, ঠিক তেমনি এখন পলিটেকনিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণভাবে বেসরকারি বানিজ্যকিকরনের মাধ্যমে এটাকেও ধ্বংসের পায়তারা চলছে। সরকার যুক্তি দিচ্ছে বিদেশ ফেরত লোকজন পলিটেকনিকে ভর্তি হয়ে কোর্স সম্পন্ন করবে, আচ্ছা উনাদের কি পলিটেকনিকের সিলেবাস সম্পর্কে কি কোন ধারনা আছে??!! বুড়ো বয়সে অ্যাপলাইড ম্যাথ, অ্যাপলাইড মেকানিক্স, ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, হাইড্রোলিক্স, ডিজাইন, সার্কিট এনালাইসিস, মেকাট্রনিক্স, ইলেকট্রিক্স ক্যালকুলেশন এস্টিমেটিং এন্ড কস্টিং ইত্যাদি সাবজেক্টে পাশ করতে পারবে বা কতটুকু আয়ত্ব করতে পারবে ?? সরকার চাচ্ছে জেনারেলের মতো এখানে পরীক্ষায় বসলেই সবাই পাশ করবে আর গলা উচিয়ে বলবে আমাদের পাশের হার ও কারীগরি শিক্ষার হার অনেক বেড়েছে। সব মাকাল ফল, ধিক শত শত ধিক এই সব মাথা মোটা শিক্ষানীতিবিদ ও সংশ্লিষ্ট পাচাটা দালালদের।

অর্থের কাছে মানুষ বিবেক মানুষত্য দুইটাই বেচে খাচ্ছে।

03/07/2020

#পলিটেকনিক_শিক্ষা_ব্যবস্থা
#কার্টেসি_Morshed_hyder_vai

পলিটেকনিক শিক্ষা ব্যবস্থা কোন ছেলে খেলা শিক্ষা ব্যবস্থা নয়, এটা কোন শর্ট কোর্স নয়, এটা কোন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নয়। এটা সেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেখান হতে ডিগ্রি অর্জন করে একজন ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সরকারের দশম গ্রেডে নন-ক্যাডার অফিসার হিসাবে নিয়োগ পান।

"ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং" শিক্ষাক্রমে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীদের বয়স শিথিল করা ও ভর্তির জন্য নূন্যতম পয়েন্ট কমিয়ে আনা, বিষয় গুলো অত্যন্ত ক্ষতিকর হবে এই শিক্ষাব্যবস্থার জন্য। সরকারের উচিত হবে পলিটেকনিক শিক্ষা ব্যবস্থাটাকে উন্নত করার লক্ষ্যে আরোও কিছু ভাল পদক্ষেপ নেওয়া। যেন আরোও দক্ষ জনশক্তি বাংলাদেশে তৈরি হয়, পলিটেকনিক শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে। মিড লেভেলের এই শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি নজরটা উন্নত হলেই দেশকে আরোও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে বলে মনে করছি। সেই সাথে ব্যক্তিগত ভাবে কিছু পদক্ষেপ এর কথা বলছি, যেটা সরকারের পক্ষ হতে পদক্ষেপ নিলে হয়তো ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাক্রমের মান আরোও বৃদ্ধি পাবেঃ-

১) এস, এস, সি পাশের সন হতে পরবর্তী আরোও এক বছর অর্থাৎ পরপর দুইটি বছর পলিটেকনিক এ আবেদন করার সুযোগ রাখতে হবে।

২) পলিটেকনিক শিক্ষা ব্যবস্থাটায় ভর্তির জন্য এস,এস,সি বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের আবেদন করার সুযোগ থাকবে শুধু।

৩) দেশের আনাচে কানাচে গড়ে ওঠা ব্যাঙের ছাতার মত বেসরকারী পলিটেকনিক এর নিবন্ধন বাতিল করতে হবে। যারা শিক্ষার মান ধরে রাখতে পারেনি, এমন পলিটেকনিক বন্ধ করে দিতে হবে।

৪) বাংলাদেশে যে সকল টেকনোলজির উপর কোন সরকারী বা বেসরকারী কর্ম নাই, সেগুলো বন্ধ করতে হবে।

৫) ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাক্রম হতে হবে ১০০% ইংরেজি ভার্সন এ।

৬) ইন্ডাস্ট্রিয়াল এটাসমেন্ট সপ্তম পর্বে দিতে হবে। আর অষ্টম পর্বে থাকতে হবে অফিস ম্যানেজমেন্ট এর উপর যাবতীয় বিষয়ে পড়াশুনা।

৭) সারাদেশের সরকারী ও বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষা চালু করতে হবে। যেন সেখান থেকে ডিপ্লোমা লেভেলের পড়াশুনা শেষ করে একই প্রতিষ্ঠান থেকে বিএসসি লেভেল শেষ করা যায়।

৮) দেশে ভরি ভরি যেন তেন বিষয়ের উপর গড়ে তোলা বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে কারিগরী বিষয়ে পড়াশুনা করার সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।

৯) আইডিইবি এর কেন্দ্রীয় নেতাদের সর্বদা এই শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য আলোচনা, সভা, সেমিনার করতে হবে। ও সরকারের কাছে দাবি জানাতে হবে।

১০) ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের বেতন, প্রমোশন, প্রশিক্ষণ এর পর্যাপ্ত ব্যবস্থা করতে হবে ইত্যাদি।

আশা করি সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত গ্রহনকারীরা এই সকল বিষয়ে সদয় সিদ্ধান্ত নিলে পলিটেকনিক শিক্ষা ব্যবস্থাটাকে উন্নত করা যেতে পারে।

২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বাের্ড আওতাধীন সকল সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব গ্ল...
12/06/2020

২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বাের্ড আওতাধীন সকল সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব গ্লাস এন্ড সিরামিক, গ্রাফিক আর্টস ইনস্টিটিউট, ফেনী কম্পিউটার ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ সার্ভে ইনস্টিটিউট (কুমিল্লা), ভােকেশনাল টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (বগুড়া) এবং সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজসমূহে ০৪ (চার) বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং, ডিপ্লোমা-ইন-টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ডিপ্লোমা-ইন-ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি কোর্সে ১ম ও ২য় শিফটে ছাত্র/ছাত্রী ভর্তির জন্য অন-লাইনে আবেদন করতে পারবে।
ভর্তির জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা:
এস.এস.সি./সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং ছেলেদের ক্ষেত্রে সাধারণ গণিত বা উচ্চতর গণিতে জি.পি.এ. ৩.০০ সহ ন্যূনতম ৩.৫০ জি.পি.এ. প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা এবং মেয়েদের ভর্তির ক্ষেত্রে সাধারণ গণিত বা উচ্চতর গণিতে কমপক্ষে জি.পি.এ. ৩.০০ সহ ন্যূনতম ৩.০০ জি.পি.এ. প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা এবং ‘ও’ লেভেলে যে কোন একটি বিষয়ে ‘সি” গ্রেড এবং গণিতসহ অন্য যে কোন দুটি বিষয়ে কমপক্ষে ‘ডি’ গ্রেডে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে।
এস.এস.সি.সহ বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত ০২ (দুই) বছর মেয়াদী ট্রেড কোর্স পাস প্রার্থীরাও আবেদন করতে পারবে। তবে আবেদন ফরম জমা দেওয়ার শেষ তারিখে প্রার্থীর বয়স অনুর্ধ্ব ২২ বছর হতে হবে।

সরকার কর্তৃক নির্ধারিত কোটাঃ
মহিলা-২০%, এসএসসি (ভোকেশনাল)-১৫%, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী আবেদনকারীদের –ঢাকা, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ-সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের প্রতিটিতে ৪টি করে ও অন্যান্য পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ২টি করে, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান/সন্তানের প্রতি টেকনোলজিতে প্রতি গ্রুপে ২টি করে, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থী কোটা ৫% এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় এর অধীন কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর ও অধিদপ্তরাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক/কর্মকর্তা/কর্মচারীর সন্তানদের জন্য ২% আসনে মেধা ও আবেদন ফরমে বর্ণিত পছন্দের ভিত্তিতে কোটা সংরক্ষণ করে ভর্তি করা হবে।
কত পয়েন্টে চান্স পাওয়া যাবে সেটা নির্ভর করে কোন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে কোন টেকনোলজি সিলেক্ট করা হচ্ছে । তাই পলিটেকনিক এবং টেকনোলজি পছন্দ ঠিকমত করলে পছন্দ অনুসারে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ভর্তি হওয়া যায়।
আবেদন ফরম পূরণের ন্যূনতম এক ঘণ্টা পূর্বে টেলিটক/রকেট/শিউরক্যাশ এর মাধ্যমে ১ম ও ২য় শিফটের যে কোন এক শিফটের জন্য আবেদন ফি বাবদ ১৫০.০০ (একশত পঞ্চাশ টাকা ) অথবা উভয় শিফটে আবেদনের জন্য আবেদন ফি বাবদ ৩০০.০০ (তিনশত টাকা) আবেদন ফি জমা দিতে হয়।
টেলিটক/রকেট/বিকাশ/নগদ/শিউরক্যাশ অ্যাকাউন্ট মােবাইল ফোনের মাধ্যমে মেসেজ অপশনে গিয়ে BTAD লিখে, স্পেস দিয়ে এস.এস.সি. পাসের সন, স্পেস দিয়ে শিক্ষা বাের্ডের নামের প্রথম তিনটি অক্ষর, স্পেস দিয়ে এস.এস.সি. পরীক্ষার রােল নম্বর, স্পেস দিয়ে ভর্তির শিফট নির্ধারণ অক্ষর লিখে 16222 নম্বরে SMS পাঠাতে হবে। ১ম শিফট (A), ২য় শিফট (B), উভয় শিফট (C) ।
উদাহরণ : BTAD 2019 DHA 654321 A
ONLINE এ আবেদন ফর্ম পূরণের প্রক্রিয়া
www.btebadmission.gov.bd অথবা www.bteb.gov.bd অথবা www.tmed.gov.bdঅথবা www.techedu.gov.bd অথবা www.nsdc.gov.bd ওয়েবসাইটের Home page হতে “পলিটেকনিক-টিএসসি(ডিপ্রােমা) ভর্তি” বাটনে ক্লিক করে Application form Open করতে হবে।
১ম ধাপে, আবেদনকারীর রােল, বাের্ড, পাসের সন এবং রেজিঃ নং পূরণ করতে হবে। আবেদনকারীর তথ্য, ধারা নং ৩’ এ উল্লেখিত যােগ্যতা অনুযায়ী সঠিক হলে এবং টেলিটক/রকেট/শিওরক্যাশ এর মাধ্যমে ফি জমা দেয়া হয়ে থাকলে, আবেদনের পরের ধাপে যেতে পারবে ।
২য় ধাপে টেলিটক/রকেট/শিওরক্যাশ এর SMS এর মাধ্যমে পাওয়া Transaction Code পূরণ করতে হবে । Transaction Code সঠিক হলে পরের ধাপে যেতে পারবে।
৩য় ধাপে আবেদনকারীর তথ্য প্রদর্শিত হবে এবং এখানে আবেদনকারীর ছবি (পরিষ্কার রঙিন ছবি JPEG Format-এ, এবং অনধিক 100 KB) আপলােড করতে হবে । এছাড়াও আবেদনকারীর কোন কোটা যুক্ত হলে সেই সংক্রান্ত document আপলােড করতে হবে।
৪র্থ ধাপে (SMS এ আবেদনকৃত শিফট এর পছন্দ অনুযায়ী) সকল প্রতিষ্ঠান এবং প্রতিষ্ঠানের টেকনােলজি প্রদর্শিত হবে এবং সেখান থেকে প্রতি শিফট এ অনধিক ১০টি করে প্রতিষ্ঠান-টেকনােলজি পছন্দ করতে পারবে। এছাড়া যে কোন প্রতিষ্ঠান, যে কোন টেকনােলজি হিসেবে অতিরিক্ত ১টি পছন্দ দেওয়া যাবে।
প্রতিষ্ঠান-টেকনােলজি পছন্দ শেষ হলে পরের ধাপে পছন্দকৃত সকল শিট-প্রতিষ্ঠান-টেকনােলজি প্রদর্শিত হবে এবং এখানে আবেদনকারী তার পছন্দক্রম পরিবর্তন করতে পারবে।
অতঃপর আবেদনকারীকে তার সকল তথ্য, ছবি, পছন্দকৃত প্রতিষ্ঠান-টেকনােলজি এবং পছন্দক্রম প্রদর্শন করা হবে, এবং আবেদন সম্পন্ন করার সর্বশেষ অনুমতি চাওয়া হবে।
আবেদন সম্পন্ন হলে আবেদনকারীর contact মােবাইলে SMS এর মাধ্যমে আবেদনের Application ID এবং Pin Number পাঠানাে হবে। এই Application ID এবং Pin Number দিয়ে পরবর্তীতে আবেদনকারী তার আবেদনের তথ্যসমূহ পরিবর্তন করতে পারবে।

মেধাতালিকা প্রণয়নঃ
এসএসসি সমমান পরীক্ষায় পাসের রেজাল্ট, পছন্দের ক্রম, কোটা ও অন্যান্য প্রযোজ্য শর্তের ভিত্তিতে প্রার্থীর মেধা তালিকা প্রণয়ন করা হবে।
আপেক্ষমান তালিকা প্রণয়নঃ
মোট আসন সংখ্যা অনুযায়ী মেধা, পছন্দের ক্রম ও কোটা ভিত্তিক তালিকা প্রণয়নের পাশাপাশি একটি অপেক্ষমাণ তালিকা প্রণয়ন করা হবে।
মেধাক্রম অনুযায়ী ভর্তিকৃত প্রার্থী পছন্দের ক্রমানুসারে প্রতিষ্ঠান-টেকনোলজি ভিত্তিক মাইগ্রেশনের সুযোগ পাবে।
মেধা তালিকা অনুযায়ী ভর্তির সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ার পর প্রতিষ্ঠান/টেকনোলজি ভিত্তিক শূন্য আসনে অপেক্ষমান তালিকা হতে মেধা, পছন্দের ক্রম ও কোটার ক্রমানুসারে ভর্তি করা হবে।
শূন্য আসন পূরণঃ
ভর্তিকৃত ছাত্র/ছাত্রীদের মধ্যে কেউ ক্লাস শুরুর ০৭(সাত) কার্যদিবসের মধ্যে ক্লাসে অনুপস্থিত থাকলে তার ভর্তি বাতিল বলে গণ্য হবে। উক্ত শূণ্য আসনে পরবর্তী ০৭(সাত) কার্যদিবসের মধ্যে নির্বাচিত ও ভর্তিচ্ছুকদের তালিকা হতে মেধার ক্রমানুসারে পূরণ করা হবে।
ভর্তির ক্ষেত্রে ২০% ড্রপ-আউট

04/02/2020

ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার এর দাম চাইনা আমিঃ
একজন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার কিচ্ছু পারে না, কিচ্ছু যানেনা। পারবে কিভাবে বা যানবে কিভাবে সে না করেছে পড়াশোনা আর না করেছে প্র‍্যাক্টিক্যাল কাজ। সরকারী পলিটেকনিক এ গরু ছাগল পড়াশোনা করে তাই তাদের দাম বা নাম নেই। আর বেসরকারি তে গরুর থেকে নিচু শ্রেণীর ছাত্রদের আনাগোনা।
সরকারি পলিটেকনিক এ একজন ছাত্রের গড়ে ২-২.৫ লক্ষ টাকা খরচ হয় আবার তাদের মধ্যে কিছু আবাল মেধাবীদের আবার বৃত্তি দেয়া হয়। আর একজন বেসরকারি ছাত্রের খরচ গড়ে ৩-৫ লক্ষ টাকা তাদের মধ্যেও কিছু বৃত্তি পায়।
পড়াশোনা করতে গিয়ে শুনে চাকরীর অভাব নেই বাস্তবে তাদের এমন অবস্থা যেন তারা বেতন না দিলেও চাকরী করতে ইচ্ছুক। গল্প এটুকু হলেই মনে হয় ভালো হত কিন্তু না গল্পের বাকি অংশ হচ্ছে অভিজ্ঞতা, অভিজ্ঞতা কতটুকু যতদিন সে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার মানে বি.এস.সি শেষ হয় নাই। এটা গেলো ডিপ্লোমার অভিজ্ঞতা এবার নতুন গল্প বিএসসি তেও অভিজ্ঞতা লাগবে, না হলে আপনার দাম বাড়াতে পারবেন্না।

একজন লেবার বা মিস্ত্রী যেখানে ১৫-২১ হাজার টাকার দামী হয় সেখানে একজন ডিপ্লোমা ইঞ্জিয়ার এর দাম ৮-১৪হাজার। কিন্তু কাজ টা মিস্ত্রীর থেকে ভালো জানতে হবে, না হলে সে মিস্ত্রীকে কাজ বোঝাবে কি করে? আরো একটু বলি আমরা যারা সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে আছি তাদের আবার পাহারাদারিও করতে হয়, মালামাল রিসিভ করতে হবে।

এখানে আমাদের মানে ইঞ্জিনিয়ারদের দোষ আছে, তাদের দোষ হল তারা কেন অভিজ্ঞ হল না। তারা কেন ৪বছরে বাস্তব কাজ শিখলো না।
ব্যাপারটা বড় বড় কোম্পানির চোখে খুব কটু কিন্তু এর থেকে আরো বেশী খারাপ লাগে যখন একজন কন্টাক্টারো একজন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার কে দাম দেয় না।
যদিও এ যুগে কেউ কাউকে দাম দেয় না, দাম আদায় করে নিতে হয়।
অবশেষে বলবো চমৎকার সিস্টেম।

©Rayhan Tanmoy

সিংগাপুরের পলিটেকনিক্যালের আদলে দেশে ৭টি আন্তর্জাতিক মানের পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট গড়ে তোলার প্রকল্প
16/12/2019

সিংগাপুরের পলিটেকনিক্যালের আদলে দেশে ৭টি আন্তর্জাতিক মানের পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট গড়ে তোলার প্রকল্প

স্টাফ রিপোর্টার : ঈশ্বরদীর পিজিসিবিতে আর্ন্তজাতিক মানের দেশের প্রথম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের উদ্বোধন করা হয়েছে। ...

08/12/2019

অর্থনৈতিক_সমীক্ষা_২০১৯
# মোট_জনসংখ্যা -১৬ কোটি ৩৭ লক্ষ
# জনসংখ্যা_বৃদ্ধির হার -১.৩৭%
# জনসংখ্যার_ঘনত্ব -১১০৩ জন
# নারী_পুরুষের_অনুপাত - ১০০ঃ১০০.২
# স্থুল_জন্মহার -১৮.৫ জন
# স্থুল_মৃত্যুহার - ৫.১ জন
# প্রতিহাজারে_শিশু মৃত্যুর হার-২৪ জন
# গড় আয়ুষ্কাল -৭২ বছর
# সাক্ষরতার_হার -৭২.৩%
# দারিদ্রের_হার - ২১.৮%
# চরম_দারিদ্র্যের হার-১১.৩%
# জিডিপি 'র প্রবৃদ্ধির হার-৮.১৩%
# মাথাপিছু আয়- ১৯০৯ মার্কিন ডলার
# শ্রমশক্তিতে_নিয়োজিত #
# কৃষি কাজে-৪০.৬%, শিল্প খাতে-২০.৪%,সেবাখাতে-৩৯%
# মোট ব্যাংক-৫৯ টি
# রাষ্ট্রীয়াত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক-৬ টি
# বিশেষায়িত ব্যাংক- ৬টি
# বেসরকারি ব্যাংক- ৪১ টি
# বৈদেশিক ব্যাংক -৯ টি
মুদ্রাস্ফীতি - ৫.৪৪%
# বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানি তে শীর্ষ দেশ- যুক্তরাষ্ট্র।
# বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি পণ্য আমদানি করে- চীন থেকে।
#বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স পায়- সৌদি আরব থেকে ( রেমিটেন্স প্রাপ্তিতে নবম)
# জিডিপি_তে_অবদান ঃ
#কৃষি খাতের অবদান - ১৩.৬০%
# শিল্প_ খাতের অবদান- ৩৫.১৪%
# সেবা_খাতের_অবদান -৫১.২৬%

তাইলে এখন সকল ইন্সটিটিউটের খবর নেয়া উচিত। আপনার ইন্সটিটিউটে কি এমন টর্চার সেল আছে? থাকলে ইন্সটিটিউটের নাম বলুন
03/11/2019

তাইলে এখন সকল ইন্সটিটিউটের খবর নেয়া উচিত। আপনার ইন্সটিটিউটে কি এমন টর্চার সেল আছে? থাকলে ইন্সটিটিউটের নাম বলুন

রাজশাহী পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে ছাত্রলীগের টর্চার সেলের সন্ধান পাওয়া গেছে। শনিবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ....

Address

Muhammadpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh Diploma Engineer's News posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share