প্রাণীবিদ্যা বিভাগ-Department of zoology. ≡Moulvibazar Govt. College≡

  • Home
  • Bangladesh
  • Moulvi Bazar
  • প্রাণীবিদ্যা বিভাগ-Department of zoology. ≡Moulvibazar Govt. College≡

প্রাণীবিদ্যা বিভাগ-Department of zoology. ≡Moulvibazar Govt. College≡ প্রাণীবিদ্যা বিভাগ-Department of Zoology. Moulvibazar Govt. College.

ডিপার্টমেন্ট রিলেটেড যেকোন বিষয় এই পেজে পোষ্ট করা যাবে ।

এমন‌কি গ্রুপ ভি‌ত্তিক ছ‌বি ও পোস্ট করা যাবে ।

প্রিয় আবুল খায়ের এর এই বিজ্ঞাপনের কথা কারো মনে আছে?বিটিভিতে প্রচারিত অতি-জনপ্রিয় একটি বিজ্ঞাপন!—সব গাছ কাইটা ফালাইতাসে। ...
22/04/2023

প্রিয় আবুল খায়ের এর এই বিজ্ঞাপনের কথা কারো মনে আছে?
বিটিভিতে প্রচারিত অতি-জনপ্রিয় একটি বিজ্ঞাপন!
—সব গাছ কাইটা ফালাইতাসে। আমি ঔষধ বানামু কি দিয়া ?
* কি গো কবিরাজ, কি খোঁজতাসেন ?
-- আইচ্চা, এইখানে একটা অর্জুন গাছ আছিলো না?
*আছিলো, কাইট্টা ফালাইছে।
-- এইখানে একটা শিশু গাছ আর ঐ মাথায় একটা হরতকী গাছ।
* আছিলো , কাইট্টা ফালাইছি।
-- আপনের গাছ ?
* হ । টেকার দরকার পড়ছে তাই বিক্রি করছি।
-- গাছ লাগাইছিলো কে?
* আমার বাবায়।
-- আপনি কী লাগাইছেন ?
-- আমি কী লাগাইছি ?
* হ, ভবিষ্যতে আপনার পোলারও টেকার দরকার হইতে পারে...........
আবুল খায়েরের শেষ কথাটি ছিল: "এক একটা গাছ, এক একটা অক্সিজেনের ফ্যাক্টরী। "
জনস্বার্থে বিজ্ঞাপনটি আবারো প্রচার করা হোক।

সামনে গাছ লাগানোর মৌসুম শুরু হবে। সবার বাড়ির খালি জায়গায় রাস্তার ধারে যার যার পছন্দ অনুযায়ী গাছ লাগাতে পারি।আসুন গাছ লাগাই, অক্সিজেনের ফাক্টরী গড়ে তুলি। কী বলেন ?

#কালেক্টেড


২৫ থেকে ৩০ বয়সটা মেয়েদের জন্য খুব কঠিন সময়। - এই বয়সে কারো হয়ত নতুন বিয়ে হয়েছে কিংবা কারো এক দুটো ছানাপোনা হয়েছে। কিন্তু...
21/09/2022

২৫ থেকে ৩০ বয়সটা মেয়েদের জন্য খুব কঠিন সময়।

- এই বয়সে কারো হয়ত নতুন বিয়ে হয়েছে কিংবা কারো এক দুটো ছানাপোনা হয়েছে। কিন্তু মনের মধ্যে সেই ২০ এর এক রঙ্গিন ছায়া কোথায় যেনো রয়ে গেছে৷ এই বয়সে বিয়ে হলে চাইলেই ২০ এর
মত ন্যাকামি করা যায় না, আবার খুব বেশি জ্যাঠামি'ও করা যায় না, লোকে তখনো জ্যাঠামিকে মেনে নিতে সক্ষম হয় না, আবার ন্যাকামি করলেও সকলের কথা শুনতে হয়৷ অথচ এই ২৫-৩০ এর ন্যাকামিটাই বেশ শক্ত হয়। কোন খাদ থাকে না। কোন চাওয়া পাওয়াও থাকে না। ভালোবাসার মানুষটার সাথে একটু আহ্লাদ করতেই এই ন্যাকামি, কিন্তু তবুও সমাজ এটা মেনে নিতেই নারাজ।

- ২৫-৩০ বয়সে চাইলেই নিজের ভুল সিদ্ধান্ত শুধরানোর সময় পাওয়া যায় না। যায় না বলতে, এই বয়সের ভুলটা কেউ একসেপ্ট করতে পারে না। সবাই ভাবে এই বয়সেও ভুল করলে আর শুধরাবে কবে! অথচ পুরো জীবনটাই কিন্তু একটা প্রাথমিক স্কুলের মত। শিখতে শিখতেই একদিন মরে যেতে হয়। এই বয়সে নিজের কোন সিদ্ধান্তে পরিবার কোন দায়িত্ব নিতে চায় না। নিজের ভুল নিজেকে শুধরাতে হবে অথবা পচতাতে হবে নিরবে। কাউকে প্রকাশ করলেও লজ্জা পেতে হবে। জীবনটা এই বয়সে এসেই ফ্যাকাসে লাগা শুরু হয়ে যায়।

- এই বয়সে এসে খুব করে চোখ এঁকে কিংবা চোখ ল্যাপ্টে কাজল পরা যায় না। আবার মুরুব্বিদের মতোও থাকা যায় না। খুব করে সাজলে সমাজ বলবে বাচ্চামি করছে আবার ফ্যাকাসে থাকলে বলবে মুরুব্বি ভাব ধরেছে। এই দো'টানা কথায় জীবনটাকে অদ্ভুত লাগা শুরু হয়ে যায়।

- প্রেম করে বিয়ে করা কিংবা বাবা মায়ের পছন্দে বিয়ে করা মানুষটাও তখন বদলাতে থাকে। প্রেমের বয়সের মত সেই আবেগে এখন আর প্রেম ভিজে না। বছর খানেক হওয়া বিয়েটাও তখন বোরিং লাগা শুরু হয়। তোমার চুল উষ্কখুষ্ক কেনো!? তুমি মোটা হয়ে যাচ্ছ কেনো!? তোমার চোখের নিচে ডার্ক সার্কেল কেনো!? এই কথাগুলো শুনা তখন নিত্য রুটিন হয়ে যায়।

-এই বয়সে মেজাজ হঠাৎ খিটমিট করে উঠে,অনেকের কথাই তখন সহ্য হতে চায় না। অনেকের সিদ্ধান্ত মেনে নিতেও তখন কষ্ট হয়। এই সময়ে সেই ১৬ বছরের মত মাঝে মাঝে আদর পেতে ইচ্ছে করে, আবার মাঝেমাঝে সেটাও খুব অসহ্য লাগে। এটা এক অদ্ভুত অনুভূতি। মুড সুইং করে ক্ষনেক্ষনে। হঠাৎ পাশে থাকা ভালোবাসার মানুষটাকেও তখন অপ্রিয় মনে হয়।

-আয়নায় তাঁকিয়ে নিজের ফ্যাকাসে হয়ে যাওয়া স্কিনের দিকে তাকালেও তখন মেজাজ খারাপ লাগতে শুরু করে। যদি সদ্য বাচ্চা হওয়া মা হয় তাহলে এই সময়টা ভয়ংকর লাগে। হুট করে এত বড় দায়িত্ব নেয়াটাও দম বন্ধের মত লাগে। আবার শারীরিক পরিবর্তনটাও মেনে নিতে কষ্ট হয়ে যায়।

- এই বয়সে আবদার করা যায় না। আবদারটা কেবল নিজের কাছে নিজের করতে হয়। পরিবার তখন বিয়ে না হওয়া মেয়েটাকে নিয়ে চিন্তিত, আবার সদ্য বিয়ে হয়ে যাওয়া মেয়েটা নতুন পরিবারের সাথে এডজাস্ট করতে করতে বিধবস্ত, সদ্য মা হওয়া মেয়েটা বাচ্চা সামলানো শিখাতে ব্যস্ত। জীবনটা কেনো এই বয়সটা দিয়েছে সেটা চিন্তা করতে করতেই মেয়েটার দম বন্ধ লাগা শুরু করে।

- হয়ত প্রিয়জন কাছে এলে ভালো লাগবে, আবার অনেক সময় ভালো নাও লাগতে পারে৷ সারাদিন সংসার সামলানো কিংবা চাকরি করা মেয়েটা অফিস সামলানোর পর কিংবা ঐ যে সদ্য মা হওয়া মেয়েটা বাচ্চাকে সামলানোর পর হয়ত প্রিয়জনের আক্ষেপ মেটাতে একটু বিরক্ত হতেই পারে। মেয়েটা তখন প্রিয়জনের বুকে শুয়ে থাকতে চায়। মাথায় হাত বুলাতে বুলাতে হয়ত প্রিয় মানুষটার নিঃশ্বাসের শব্দ শুনতেই সুখ অনুভব করছে। কিন্তু পাশে থাকা মানুষটা হয়ত সেটা ধরতেই পারছে না কিংবা বুঝতে পারছে না। বাচ্চার কান্নায় ঘুম হবে না, সকালে অফিসের চিন্তায় হয়ত পাশের ঘরে গিয়ে ঘুমাবে, অথবা মেয়েটার গায়ে আগের মত সুঘ্রান আসে না বলে হয়ত ' তুমি কেমন যেনো বদলে গেছো' কথাটা নিমিষেই ছুড়ে মারল মেয়েটার দিকে। মেয়েটা হয়ত তখন অভিমান করে মেনেই নিল জীবনটা এমনই। এভাবেই কাটাতে হবে।

জীবনে মেনে নিতে নিতে আর মানিয়ে নিতে নিতেই এক সময় অনেকেই মৃত্যু হয়। জীবনটা যে আসলেই ভয়ংকর সুন্দর ভাবে কাটানো যায় কিংবা জীবন যে আসলেই সুখে ভাসাতে পারে এমন তৃপ্তি অনেকে না পেয়ে মরে যায়। আশেপাশে খুজলেই এমন অনেক বেঁচে থেকেও মরে আছে এমন মেয়ে পাওয়া যাবে। আফসোস হয়, কষ্টও হয়, তবুও মেনে নিচ্ছি, মানিয়ে নিচ্ছি। জীবন চলে যাচ্ছে! 🙂

-আনিকা তাহসিন সাদিয়া
📸 jithi 🌸

Follow : Md Sagor Hossain

আমি বিশ্বাস করি, পড়ে দেখতে পারেন -আপনি কি জানেন টাইটানিক মুভির সবথেকে ভাগ্যবান লোকটা কে?সে কি জ্যাক? যে কিনা সবথেকে সুন্...
25/05/2022

আমি বিশ্বাস করি, পড়ে দেখতে পারেন -

আপনি কি জানেন টাইটানিক মুভির সবথেকে ভাগ্যবান লোকটা কে?

সে কি জ্যাক? যে কিনা সবথেকে সুন্দরী মেয়ে রোজের প্রেমে পড়েছিল? একদম না!

তবে কি রোজ? যে কিনা মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচার জন্য জ্যাককে পেয়েছিলো? এবারও না!

জ্যাক বা রোজ কেউই না।

ভাগ্যবান লোকটি সেই অপরিচিতজন যে জুয়ায় জ্যাকের কাছে তার টিকিটটি হেরে গিয়েছিলো। যদি সে ওই জাহাজের টিকেট জিতে যেতো তাহলে হয়তো তাকে ঐ হিমশীতল পানিতে ডুবে মরতে হতো।

মাঝেমধ্যে হেরে যাওয়া ভালো।
- আপনি যদি আপনার পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়ে থাকেন।
- আপনি যদি আপনার লাইফে হেরে গিয়ে থাকেন।
- আপনি যদি আপনার লক্ষ্যে না পৌঁছাতে পেরে থাকেন।
- আপনি যদি আপনার ভালোবাসা হারিয়ে থাকেন।

সবকিছুই কোন না কোন কারণে ঘটে থাকে। মাঝেমধ্যে হেরে যাওয়াটাও ভালো। হতে পারে স্রষ্টা আপনাকে আরও বড় কোন বিপদের হাত থেকে রক্ষা করলেন।

17/03/2022

এই মাত্র পাওয়াঃ নাপা নয়, বরং বিষ দিয়ে হত্যা করা হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ২ শিশু।

মাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

 #সতর্কীকরণ_বিজ্ঞপ্তিবেক্সিমকো কোম্পানির "নাপা" সিরাপের নিন্মোক্ত ব্যাচ নং-৩২১১৩১২১ সম্বলিত ঔষধ  কারো কাছে থাকলে দ্রুত ন...
13/03/2022

#সতর্কীকরণ_বিজ্ঞপ্তি

বেক্সিমকো কোম্পানির "নাপা" সিরাপের নিন্মোক্ত ব্যাচ নং-৩২১১৩১২১ সম্বলিত ঔষধ কারো কাছে থাকলে দ্রুত নিকটস্থ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করুন এবং সেটি বিক্রি থেকে বিরত থাকুন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নাপা সিরাপ খেয়ে দুই ভাই মারা যাওয়ায় ঔষধ প্রশাসন কর্তৃপক্ষ নোটিশটি দিয়েছে।

Photo copyright:

বৃটিশরা ১০০ বছর আগেও ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ডাবল লাইনের হার্ডিঞ্জ ব্রিজ নির্মাণ করে.. আর আমরা?? 🤫🤔সিঙ্গেল লাইন... তারপ...
02/03/2022

বৃটিশরা ১০০ বছর আগেও ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ডাবল লাইনের হার্ডিঞ্জ ব্রিজ নির্মাণ করে.. আর আমরা?? 🤫🤔
সিঙ্গেল লাইন... তারপর ডুয়েলগেজ.. তারপর ডাবল লাইন.... তারপর প্লাটফর্ম উঁচু করা.... এভাবেই একের পর এক প্রজেক্ট আর প্রজেক্ট। কাজ আর কাজ। কাজের কোন শেষ নাই। 📸 দীপ্ত।

Gallinula chloropus:  জল মুরগি একটি বাংলাদেশর জলজ আবাসিক পাখি‌।শ্রেণিবিন্যাস :Phylum - Chordata Subphylum - Vertebrata C...
08/12/2021

Gallinula chloropus: জল মুরগি একটি বাংলাদেশর জলজ আবাসিক পাখি‌।

শ্রেণিবিন্যাস :
Phylum - Chordata
Subphylum - Vertebrata
Class - Aves
Order - Passeriformes
Family - Rallidae
Genus - Gallinula
Species - G. chloropus

স্বভাব ও বসতি (Habit and habitat) : জল মুরগি বাংলাদেশের জলাভূমিতে বিচরণ করে। জোড়া বা ছােট ছােট দল। তৈরি করে এরা চলাচল করে। এরা অধিকাংশ সময় পানির উপরে অবস্থান করে। জল মুরগি চলাচলের সময় লেজ নাড়তে থাকে। এরা সাধারণত বীজ, ফল, জলজ উদ্ভিদের ডগা, পােকামাকড় ও এর লার্ভা ও পিউপা খেয়ে জীবন ধারণ করে। এছাড়াও জল মুরগি, মাছ, শামুক, কেঁচো ইত্যাদি ভক্ষণ করে। এরা সাধারণত সকাল-সন্ধ্যা ও কিছু রাত পর্যন্ত খাদ্যসংগ্রহ করে। জল মুরগি সকাল-সন্ধ্যা কিরিক ক্রেক রেক রেক করে বার বার ডাকে।

গঠন (Structure) : ১২.৫" পর্যন্ত জল মুরগি লম্বা হয়। এদের পৃষ্ঠদিক পাথুরে ধূসর ও বাদামি বর্ণের হয় ! দেহের নিচের অংশ অপেক্ষাকৃত পাণ্ডুর এবং উদরের নিচের অংশ হালকা সাদা বর্ণের হয়। এদের ঠোট সবুজ ও মাথার সামনের ফলক উজ্জ্বল লাল বর্ণের হয়। এদের পাগুলাে লম্বা ও সবুজ বর্ণের হয়ে থাকে, স্ত্রী ও পুরুষ পাখি বাহ্যিক দিক থেকে একই রকম। এদের তরুণ পাখিগুলাে অধিকতর বাদামি ও হালকা ধূসর বর্ণের হয়।

প্রজনন (Reproduction) : পানির কিছু উপরে জল মুরগি পাতা ও নল জাতীয় উদ্ভিদ দিয়ে বাসা তৈরি করে। স্ত্রী পাখি। মে থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে ঐ বাসায় ৫-১২ টি ডিম পাড়ে। স্ত্রী ও পুরুষ পাখি উভয় মিলিতভাবে বাসা বাঁধে। এরা পালা করে ডিমে তা দিয়ে ডিম ফুটিয়ে বাচ্চা বের করে।


মন যা চায়... মন তো অনেক কিছুই চায়, মন চাইলেই কি সব কিছু করা যায়? যায় না। মনের এই চাওয়াটাকে বাঁধা দেয় অথবা সায় করে আমাদের...
06/10/2020

মন যা চায়... মন তো অনেক কিছুই চায়, মন চাইলেই কি সব কিছু করা যায়? যায় না।

মনের এই চাওয়াটাকে বাঁধা দেয় অথবা সায় করে আমাদের ব্রেইন বা বুদ্ধি, বিবেকও বলা যায়। বিবেকহীন সায় হল বিপদজ্জনক!

একই শরীর (মেয়েদের) আপনি যখন মায়ের দিকে তাকান শ্রদ্ধা, বোনের দিকে যখন তাকান শ্রদ্ধা/স্নেহ, বউয়ের দিকে যখন তাকান প্রেম-ভালোবাসা, মেয়ের দিকে যখন তাকান স্নেহ/মমতা এবং পরিচিতি/অপরিচিত কোনে মেয়ে/মহিলার দিকে যখন তাকান শ্রদ্ধা বা স্নেহ ই তো থাকার কথা। সেই শ্রদ্ধা ও ভালোলাগা কখনো কখনো প্রেমেও পরিনত হতে পারে।

তবে কেন ধর্ষণ? কেন ভালবাসবার যোগ্যতা নাই?

নাই, কারণ এরা বিকৃত, এদের যা কিছু জানা সেখানে কোন আলো নেই, শুধুই অন্ধকার।

এরা নিজের বিবেক বা বুদ্ধি দিয়ে শরীরের উপর চেহারাটাকে সম্পর্ক দিয়ে আলাদা করতে পারে না।

এরা বিবেক ও বুদ্ধি শুন্য, শুধু আছে হিংস্র কদর্য ও নোংরা মন। এদের নোংরা মন যা চায় তাই এরা করে ফেলতে পারে কারণ এরা জানে এই জঘন্য অপরাধের কোন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নাই।

এদের কাছে ৪ বছরের শিশু ও যা ৬০ বছরের বৃদ্ধও তা। ওদের চাই একটা শরীর। চাই মৃত্যুদণ্ড!

#সংগৃ‌হিত

এদেশে একটা সময় ছিলো যখন প্রায়শই মেয়েদের মুখে ও শরীরে এসিড নিক্ষেপ করার ঘটনা ঘটতো। আমাদের দেশে খুবই কমন হয়ে গেছিল ব্যাপ...
06/10/2020

এদেশে একটা সময় ছিলো যখন প্রায়শই মেয়েদের মুখে ও শরীরে এসিড নিক্ষেপ করার ঘটনা ঘটতো। আমাদের দেশে খুবই কমন হয়ে গেছিল ব্যাপারটা! শুধু মাত্র ১৯৯৯ সালেই দেশে মোট এসিড মারার ঘটনা ঘটেছিল ৩৪১২ টি।
কিন্তু ২০২০ সালে এসিড মারার ঘটনা এখন পর্যন্ত মাত্র ১৮ টি!

এইটা এতটা কমলো কিভাবে? এর কারন এসিড অপরাধ দমন আইন ২০০২ এ এসিড হামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড করা হয় এবং ক্ষেত্র বিশেষে এই আইন প্র‍য়োগও হয়।

সুতরাং এখানে লক্ষণীয় এটাই যে, এধরনের কোনো অন্যায় রোধ করার উপায় একটাই, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি। ধর্ষণের বিচার হতে হবে দ্রুত আইনে এবং সর্বোচ্চ শাস্তি হইতে হবে মৃত্যুদন্ড (ভিকটিম না মারা গেলেও)।

সংগৃহীত

যে মুচি ছেলেটির হাতের উপর অবজ্ঞাভরে জুতাসমেত পা-টা উঠিয়ে দেন, পরিশ্রমের ভারে ময়লাযুক্ত সেই হাত দুটো কারও কারও মুখে রিজিক...
05/09/2020

যে মুচি ছেলেটির হাতের উপর অবজ্ঞাভরে জুতাসমেত পা-টা উঠিয়ে দেন, পরিশ্রমের ভারে ময়লাযুক্ত সেই হাত দুটো কারও কারও মুখে রিজিক তুলে দেয়। তার সেই নোংরা হাতেও কেউ একজন রোজ চুমু খায়।

যে টোকাই ছেলেটিকে সামান্য কারণেও কষে চড়থাপ্পড় মেরে দিচ্ছেন, সেই টোকাই ছেলেটি কারও-না-কারও কলিজার টুকরা। তার সামান্য জ্বর হলেও কেউ একজন কপালে জলপট্টি বেঁধে দিয়ে সারারাত তার মাথার পাশে উদ্‌বিগ্ন হয়ে জেগে থাকে।

রাস্তায় ময়লার কাজ-করা যে মানুষটিকে দেখে নাকসিটকে দূরে সরে যান নাকে রুমাল চেপে, তাঁর ঘরেও এমন কেউ একজন অপেক্ষায় আছে, যে তাঁকে বুকের মধ্যে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরে টুক করে ঘুমিয়ে পড়বে রাত নামলে।

পোশাকে অপরিপাটি যে গার্মেন্টসকর্মীকে দেখে কুৎসিত, ক্ষ্যাত, অসুন্দর আখ্যা দিচ্ছেন প্রতিনিয়তই, লিপস্টিক, কাজল আর জামাকাপড়ের টাকা বাঁচিয়ে সে হয়তো সেই টাকায় মা-বাবার ওষুধ কিনে। কারও-না-কারও চোখে সে ক্লিওপেট্রার চেয়েও শতগুণ বেশি সুন্দরী।

এ পৃথিবীতে প্রতিটি মানুষই অদ্ভুত রকমের সুন্দর। প্রান্তিক মানুষগুলোর সৌন্দর্যের বিচার করার দায়িত্ব আপনাকে আমাকে দেওয়া হয়নি। খেটে-খাওয়া দিনমজুর এইসব মানুষগুলোরও ছালার তৈরি নড়বড়ে একটা ঘর আছে, ঘরে দু-একটা শুকনো প্রিয় মুখ আছে, মুখগুলোতে একটু-আধটু ধূসররঙা দু-চারটা স্বপ্নও আছে। তাদেরও আবেগ অনুভূতি আছে। তাদের কাছেও, প্রিয় মানুষদের মুখের হাসি স্বর্গের চেয়েও দামি লাগে।

ওদের ভালোবাসুন, সম্মান দিয়ে বিনয় মিশিয়ে দু-একটা ভালো কথা বলুন। দেখবেন, ওদের কাছ থেকে পাওয়া ফিরতি যে কৃতজ্ঞতার হাসিটুকু পাবেন, সেটা হয়তো সেই রাতে আপনার সবচেয়ে শান্তি আর তৃপ্তির ঘুমের কারণ হবে, যে ঘুমটি হয়তো আপনি গত কয়েক বছরেও ঘুমোতে পারেননি।

'আত্মহত্যা কখনওই কোনও সমাধান নয়।' বলা মানুষটাও হঠাৎ টুক্‌ করে আত্মহত্যা করে বসে!'যা-কিছুই হোক, তোমাকে কোনও দিনই ছেড়ে যাব...
31/08/2020

'আত্মহত্যা কখনওই কোনও সমাধান নয়।' বলা মানুষটাও হঠাৎ টুক্‌ করে আত্মহত্যা করে বসে!

'যা-কিছুই হোক, তোমাকে কোনও দিনই ছেড়ে যাব না।' বলা মানুষটিও একদিন রৌদ্রোজ্জ্বল কড়া দুপুরে অন্যের হাত ধরে গড়গড় করে চোখের সামনে দিয়ে হেঁটে চলে যায়।

'তোমাকে সারাজীবনের জন্য ছেড়ে গেলাম।' বলা মানুষটিও ওই ছেড়ে-আসা মানুষটিকে বুকের ভেতরে বড়ো যত্ন করে পুষে রেখে দেয় যুগের পর যুগ ধরে।

হারানোর ভয়ে প্রায়ই আঁতকে-ওঠা মানুষটিও অন্যের ঘরে গিয়ে দিব্যি সংসারী হয়ে ওঠে।

সামান্য অন্ধকারেও ভয়ে জড়সড় হয়ে ক্ষণে ক্ষণেই কেঁপে-ওঠা মানুষটিও একদিন ঠিকই ঘনঘোর অন্ধকার কবরে নির্ভার চিত্তে নির্ভীক অবয়বে শুয়ে থাকে।

সময়ের সাথে সাথে বদলে যায় মানুষের স্বপ্ন, কখনওবা, এর সাথে বদলে যায় প্রিয় হাতটিও। মানুষ কখন যে কী চায়, কখনও কখনও সে নিজেও সেটা বুঝে উঠতে পারে না।

আসলে আমরা কেউই সুখী নই, কেবলই সুদক্ষ অভিনেতার মতো সবাইকে দেখিয়েই যাচ্ছি---হ্যাঁ হ্যাঁ, এই তো খুউব ভালো আছি!

অথচ এই 'ভালো আছি!' বাক্যটিই পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি বার ব্যবহৃত সর্বজনমান্য নিখুঁত একটি মিথ্যে কথা!

Address

Court Road, Moulvibazar
Moulvi Bazar

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when প্রাণীবিদ্যা বিভাগ-Department of zoology. ≡Moulvibazar Govt. College≡ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share