Haji Injad Ali High School

Haji Injad Ali High School

You may also like

Fashion Atelier 9
Fashion Atelier 9

📕হাজী ইনজাদ আলী উচ্চ বিদ্যালয়
🩸গোয়ালবাড়ী, জুড়ী, মৌলভীবাজার।

Operating as usual

Photos from Haji Injad Ali High School's post 08/08/2023

হাজী ইনজাদ আলী স্মৃতি পরিষদের পক্ষ থেকে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

জুড়ীতে এসএসসি উত্তীর্ণ কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছে হাজী ইনজাদ আলী স্মৃতি পরিষদ 08/08/2023

জুড়ীতে এসএসসি উত্তীর্ণ কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছে হাজী ইনজাদ আলী স্মৃতি পরিষদ এস. এম. জালাল উদদীনঃ মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার গোয়ালবাড়ী হাজী ইনজাদ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০২৩ ইং সালের এসএসসি পরী.....

27/07/2023

আলোকিত প্রতিদিন, ছাপা সংস্করণ, শনিবার, ০৮ জুলাই, ২০২৩ খ্রীঃ

শ্রীমঙ্গলের ঐতিহাসিক ত্রিপুরা মহারাজার কাচারী বাড়ি সংরক্ষণের দাবি | Alokitoprotidin 27/07/2023

শ্রীমঙ্গলের ঐতিহাসিক ত্রিপুরা মহারাজার কাচারী বাড়ি সংরক্ষণের দাবি | Alokitoprotidin এস.এম. জালাল উদদীন: মৌলভীবাজার শ্রীমঙ্গলে হবিগঞ্জ রোডে অযত্নে অবহলোয় পড়ে আছে পুরাতন নিদর্শন দৃষ্টিনন্দন ত্রিপুর....

27/07/2023

ছুটি শেষে গ্রামের মেটোপথ ধরে বাড়ির পথে দৃশ্যটি কি সুন্দর।

24/06/2023

আপেল গাছের জীবনের সাথে জড়িয়ে থাকা সেই বালক...

অনেক অনেক দিন আগে একটি বড় আপেল গাছ ছিল। একটি বালককে গাছটি খুব পছন্দ করতো। বালকটিও প্রতিদিন এসে গাছের চারপাশে খেলতো। গাছের ডালে উঠত। আপেল খেত। গাছের গুড়িতে শুয়ে তার ছায়ায় বিশ্রাম নিত। সেও গাছটিকে খুব ভালবাসতো আর আপেল গাছটি ও এতে খুবই আনন্দিত ছিল।

সময় গড়িয়ে যায়, কিন্তু অনেক দিন বালক আর গাছের নিচে খেলতে আসে না। একদিন হটাৎ বালকটি আবার গাছের কাছে ফিরে এলে।

গাছটি বললো, "তুমি আবার ফিরে আসায় আমি খুব আনন্দিত। এসো, আবার খেলা শুরু করো"

কিন্তু বালকটি শুধালো, "আমি এখন আর আগের বালকটি নেই। এখন আমি আর গাছের গুড়িতে দৌড়াদৌড়ি করে খেলা করি না। আমার এখন খেলনা চাই, কিন্তু খেলনা কিনতে টাকা প্রয়োজন।"

গাছটি বললো,"কিন্তু আমার কাছে তো টাকা নেই। তুমি চাইলে আমার সকল আপেল পেরে বাজারে বিক্রি করে টাকা জোগাড় করতে পারো"।

কথাটি বালকটির খুব মনপুত হলো। সে সব আপেল গাছ থেকে পেরে ব্যাগে করে নিয়ে বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হলো। বালকটি খুব আনন্দিত এবং বালকের আনন্দ দেখে গাছটিও খুব তৃপ্ত ও আনন্দিত হলো।

আপেল পেরে নিয়ে যাওয়ার পর অনেকদিন আর বালকটির দেখা নেই সেই আপেল গাছের গোঁড়ায়। গাছটি খুব দুঃখ পেলো।

হটাৎ একদিন বালকটি গাছের কাছে ফিরে এলো , ততদিনে সে পরিপূর্ণ যুবক। গাছটি এতে খুব আনন্দিত হলো।। বালকটিকে আবারো গাছের সাথে খেলতে অনুরোধ করলো সে।

কিন্তু বালকটি জানালো,"এখন আর তার সে সময় নেই। সে এখন অনেক ব্যাস্ত। তার এখন বাড়ি বানানো খুবই দরকার। এ জন্য গাছটির সাহায্য চাইলো"।

কিন্তু গাছটি জানালো তার কোন বাড়ি নেই, তাই তাকে সাহায্য করতে পারছে না। তবে একটা বুদ্ধি দিলো, "তুমি চাইলে আমার কিছু ডাল-পালা কেটে নিয়ে যেতে পারো আর তা দিয়ে বাড়ি বানাতে পারো"।

বালকটি তখন গাছের সকল ডাল-পালা কেটে নিয়ে হাসিমুখে বাড়ি অভিমুখে চলে গেলো, পেছন ফিরে একবার ও গাছটির দিকে তাকালো না। বালকটির আনন্দে গাছটিও খুব আনন্দিত ছিল।

এরপর অনেক দিন আর বালকটির দেখা নেই গাছের গোঁড়ায়।। গাছটি আবারো একা হয়ে গেলো।

অনেক দিন পরে, হটাৎ এক গ্রীষ্মের তপ্ত দুপুরে গাছের গোঁড়ায় বালকটির আগমন। ততদিনে তার যৌবন পড়তির দিকে। জীবনের ঘানি টানতে টানতে ক্লান্ত তখন। গাছটি বালককে দেখে খুব খুশি হলো, আবারো তার সাথে খেলার অনুরোধ করলো।

কিন্তু বালকটি জানালো,"আমার এখন আর খেলার বয়স নেই। আমি বৃদ্ধ হয়ে যাচ্ছি। জীবন যুদ্ধে লড়তে লড়তে আজ আমি ক্লান্ত। আমাকে এখন আনন্দের জন্য, ক্লান্তি কাটাতে নদীতে মাছ ধরতে যেতে হবে। কিন্তু আমার কোন নৌকা নেই। তুমি কি আমাকে কোন সহায়তা করতে পারো??"

"তুমি চাইলে আমার গুড়ি কেটে নিয়ে যেতে পারো এবং এটা দিয়ে নৌকা বানিয়ে নিতে পারো"।

গাছের এমন পরামর্শে বালকটির চোখে মুখে আনন্দের শিহরন খেলে গেলো। সে তৎক্ষণাৎ কুড়াল দিয়ে গাছের গুড়ি কেটে নিয়ে গেলো। এবং নৌকা বানিয়ে নদীতে চলে গেলো মাছ শিকারে। অনেকদিন আর তার দেখা নেই এখানে। হটাৎ অনেকদিন পর শেষ পর্যন্ত গাছের কাছে ফিরে এলো লোকটি। ততদিনে সে জীবন সীমার শেষ প্রান্তে।

কিন্তু গাছটি শুধালো,"দুঃখিত বালক। আমার কাছে এখন আর তোমাকে দেওয়ার মতো কিছুই নেই।কোন আপেল নেই"।

বৃদ্ধ হাসলো এবং বললো, "আমারও এখন আপেল খাওয়ার মতো দাত ও নেই"। "কোন ডাল- পালা বা গুড়ি ও নেই যেখানে তুমি চড়বে"। "গাছের ডালে চড়ার মতো বয়স ও এখন আমার নেই"।

"সত্যি ই এখন তোমাকে দেওয়ার মতো আমার আর কিছু অবশিষ্ট নেই শুধু মৃতপ্রায় মূলগুলো ছাড়া " - গাছটি বললো।

"আমার এখন এগুলোর কোনটাই দরকার নেই। আমার শুধু বিশ্রাম নেওয়ার মতো একটা জায়গা চাই, যেখানে বসে আমি আমার এতোগুলো বছরের পাওয়া- না পাওয়ার হিসাবটা একটু মিলাবো।"- বৃদ্ধটি বললো।

"তাহলে মৃতপ্রায় গাছের মূল ই এর জন্য আদর্শ জায়গা। এখানে বসো আর ভাবো জীবন তোমাকে কি দিয়েছে, কি দেয় নি। কি করা উচিত ছিল, আর কি করা ঠিক হয় নি"- গাছটি বললো।

লোকটি গাছের মূলে বসলো আর গাছটি অনেক আনন্দিত হলো। আনন্দে গাছের কান্না হয়ে ঝড়ে পড়লো।।

#শিক্ষাঃ আমাদের প্রত্যেকের জীবনেও এমন একটি "আপেল গাছ" আছে, আর তা হলো আমাদের পিতা-মাতা। এবার গাছটির ত্যাগ গুলোর সাথে আমাদের বাবা-মা কে মিলিয়ে দেখুন। আপনি কতটা ব্যাস্ত সেটা কোন কথা নয়, বরং বাবা- মায়ের সাথে জীবনের কথাগুলো শেয়ার করুন, সময় দিন।

📕🖋️ এস. এম. জালাল উদদীন
ফ্রিল্যান্স ক্রাইম জার্নালিস্ট,
সভাপতিঃ বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা, জুড়ী উপজেলা শাখা

23/06/2023

ঝাঁকড়া চুলের বাঁধভাঙা সাহসী যুবক

📕🖋️ এস. এম. জালাল উদদীন
১৯৫৬ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনে ছিলো, একটা ছেলে যদি একজন মেয়ের সাথে কথা বলতে চায়, তবে তাকে প্রক্টর বরাবর দরখাস্ত করে অনুমতি নিতে হবে। প্রক্টর অনুমতি দিলেই সে কথা বলতে পারবে, নইলে নয়। এমনকি তার নিজের ক্লাসের কোন মেয়ের সাথেও না। ব্যতিক্রম ঘটলেই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার সহ কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা।

১৯২৭ সালের ডিসেম্বর মাসের ঘটনা, তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ৬ বছর চলছিল। একদিন ভারতের কলকাতা থেকে একজন যুবক ঢাকায় এলেন এবং কয়েকজন বন্ধু বান্ধব নিয়ে তিনি ঘুরতে বের হলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘুরে দেখবেন বলে।

ঘুরতে ঘুরতে কার্জন হলের সামনে এসে পড়লে সেই যুবক দেখলেন , দূরে একটা থ্রী কোয়ার্টার হাতার ব্লাউজ আর সুতির শাড়ি পরা একটি সুন্দরী মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তিনি তাঁর বন্ধুদের জিজ্ঞেস করলেন, মেয়েটি কে? উত্তরে বন্ধুরা জানালেন, মেয়েটি হলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মুসলিম ছাত্রী। আগত যুবকটি বললেন, সত্যি? আমি এই মেয়ের সাথে কথা বলব।

সেই যুবক মেয়েটির সাথে কথা বলার জন্য একটু এগিয়ে গেলে, তাঁর বন্ধুরা তাকে বাঁধা দিয়ে বলেন, না তুমি যেওনা। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে মেয়েদের সাথে কথা বলতে চাইলে অনুমতি নিতে হয়। তুমি ওর সাথে অনুমতি ছাড়া কথা বললে, তোমার কঠিন শাস্তি হবে।

সেই যুবক বললেন, "আমি মানি নাকো কোন বাঁধা, মানি নাকো কোন আইন," এই বলেই তিনি হেঁটে হেঁটে গিয়ে মেয়েটির সামনে দাঁড়ালেন। মেয়েটিকে বললেন, আমি শুনেছি আপনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মুসলিম ছাত্রী। কি নাম আপনার? মেয়েটি মাথা নিচু করে উত্তর দিলেন, ফজিলাতুন্নেছা। যুবক জিজ্ঞাসা করলেন, কোন সাবজেক্টে পড়েন? উত্তর এলো, গণিতে। গ্রামের বাড়ি কোথায়? টাঙ্গাইলের করটিয়া। ঢাকায় থাকছেন কোথায়? সিদ্দিক বাজার।

এবার যুবক বললেন, আপনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মুসলিম ছাত্রী, আপনার সাথে কথা বলতে পেরে আমি খুবই আপ্লুত হয়েছি। আজ সন্ধ্যায় আমি আপনার সাথে দেখা করতে আসবো।

মেয়েটি তৎক্ষণাৎ চলে গেলেন। দূরে দাঁড়িয়ে এসিস্ট্যান্ট প্রক্টর এসব দেখছিলেন। এই ঘটনার তিনদিন পর, ২৯ ডিসেম্বর ১৯২৭ সাল, কলা ভবন আর বিজ্ঞান ভবনের নোটিশ বোর্ডে হাতে লেখা বিজ্ঞপ্তি টাঙ্গিয়ে দেয়া হলো, ঐ যুবকের নামে। তার নাম লেখা হলো, তার বাবার নাম লেখা হলো এবং বিজ্ঞপ্তিতে বলা হলো, এই যুবকের আজীবনের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হলো।

এই ঘটনার পর ঐ যুবক আর কোনদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আসেননি। বৃদ্ধ বয়সে ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট তিনি মৃত্যুবরণ করলেন। যে যুবকটা আর কোনদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেননি, অথচ তার মৃত্যুর পর রাষ্ট্রিয় মর্যাদায় কবর দেয়া হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ সংলগ্ন স্থানে।

সেদিনের সেই ঝাঁকড়া চুলের বাঁধভাঙা সাহসী যুবক আর অন্য কেউ নয়, আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম।

আর সেদিনের সেই মেয়েটি ছিলেন ফজিলাতুন্নেসা জোহা। কবি কাজী নজরুল ইসলাম তাঁকে নিয়ে 'বর্ষা বিদায়' কবিতা রচনা করেন। ফজিলাতুন্নেসা ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মুসলিম ছাত্রী।

📕🖋️ S.M. Jalal Ahmed
Freelance Crime Journalist

23/06/2023

রাগকে নিয়ন্ত্রন করতে শেখো💠
মানসিক ক্ষত অনেক সময় শারীরিক ক্ষতের চেয়েও ভয়ংকর...

ছোট্ট একটা ছেলে। সে ছিলো প্রচন্ড রাগী। তাই দেখে বাবা তাকে একটা পেরেক ভর্তি ব্যাগ দিল এবং বললো যে, যতবার তুমি রেগে যাবে ততবার একটা করে পেরেক আমাদের বাগানের কাঠের বেড়াতে লাগিয়ে আসবে। প্রথমদিনেই ছেলেটিকে বাগানে গিয়ে ৩৭ টি পেরেক মারতে হলো।

পরের কয়েক সপ্তাহে ছেলেটি তার রাগকে কিছুটা নিয়ন্ত্রনে আনতে পারে তাই প্রতিদিন কাঠে নতুন পেরেকের সংখ্যাও ধীরে ধীরে কমে এলো। সে বুঝতে পারলো হাতুড়ী দিয়ে কাঠ বেড়ায় পেরেক বসানোর চেয়ে তার রাগকে নিয়ন্ত্রন করা অনেক বেশি সহজ।

শেষ পর্যন্ত সেই দিনটি এলো যেদিন তাকে একটি পেরেকও মারতে হলো না। সে তার বাবাকে এই কথা জানালো। তারা বাবা তাকে বললো এখন তুমি যেসব দিনে তোমার রাগকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রন করতে পারবে।

সেসব দিনে একটি একটি করে পেরেক খুলে ফেলো। অনেক দিন চলে গেল এবং ছেলেটি একদিন তার বাবাকে জানালো যে সব পেরেকই সে খুলে ফেলতে সক্ষম হয়েছে।তার বাবা এবার তাকে নিয়ে বাগানে গেল এবং কাঠের বেড়াটি দেখিয়ে বললো।

'তুমি খুব ভাল ভাবে তোমার কাজ সম্পন্ন করেছো,এখন তুমি তোমার রাগকে নিয়ন্ত্রন করতে পারো কিন্তু দেখো, প্রতিটা কাঠে পেরেকের গর্ত গুলো এখনো রয়ে গিয়েছে। কাঠের বেড়াটি কখনো আগের অবস্থায় ফিরে যাবে না।

যখন তুমি কাউকে রেগে গিয়ে কিছু বলো তখন তার মনে ঠিক এমন একটা আচড় পরে যায়। তাই নিজের রাগকে নিয়ন্ত্রন করতে শেখো।মানসিক ক্ষত অনেক সময় শারীরিক ক্ষতের চেয়েও অনেক বেশি ভয়ংকর।

📕🖋️এস. এম. জালাল উদদীন
ফ্রিল্যান্স ক্রাইম জার্নালিস্ট।

23/06/2023

ভয়ানক বিপদের কথা ভুলে...

📕এক ব্যক্তি জঙ্গলে হাটছিলেন। হঠাৎ দেখলেন এক সিংহ তার পিছু নিয়েছে। তিনি প্রাণভয়ে দৌড়াতে লাগলেন। কিছুদূর গিয়ে একটি পানিহীন কুয়া দেখতে পেলেন।

তিনি চোখ বন্ধ করে দিলেন ঝাঁপ। পড়তে পড়তে তিনি একটি ঝুলন্ত দড়ি দেখেতা খপ করে ধরে ফেললেন এবং ঐ অবস্থায় ঝুলে রইলেন। উপরে চেয়ে দেখলেন কুয়ার মুখে সিংহটি তাকে খাওয়ার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছে। নিচে চেয়ে দেখলেন বিশাল এক সাপ তার নিচে নামার অপেক্ষায় চেয়ে আছে। বিপদের উপর আরো বিপদ হিসেবে দেখতে পেলেন একটি সাদা আর একটি কালো ইঁদুর তার দড়িটি কামড়ে ছিড়ে ফেলতে চাইছে।

এমন হিমশিম অবস্থায় কি করবেন যখন তিনি বুঝতে পারছিলেন না, তখন হঠাৎ তার সামনে কুয়ার সাথে লাগোয়া গাছে একটা মৌচাক দেখতে পেলেন। তিনি কি মনে করে সেই মৌচাকের মধুতে আঙ্গুল ডুবিয়ে তা চেটে দেখলেন। সেই মধুর মিষ্টতা এতই বেশি ছিল যে তিনি কিছু মুহূর্তের জন্য উপরের গর্জনরত সিংহ, নিচের হাঁ করে থাকা সাপ, আর দড়ি কাঁটা ইঁদুরদের কথা ভুলে গেলেন। ফলে তার বিপদ অবশ্যম্ভাবী হয়ে দাঁড়ালো।

এই সিংহটি হচ্ছে আমাদের মৃত্যু, যে সর্বক্ষণ আমাদের তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে। সেই সাপটি হচ্ছে কবর। যাহা আমাদের অপেক্ষায় আছে। দড়িটি হচ্ছে আমাদের জীবন, যাকে আশ্রয় করেই বেঁচে থাকা। সাদা ইঁদুর হল দিন, আর কালো ইঁদুর হল রাত, যারা প্রতিনিয়ত ধীরে ধীরে আমাদের জীবনের আয়ু কমিয়ে দিয়ে আমাদের মৃত্যুর দিকে নিয়ে যাচ্ছে। আর সেই মৌচাক হলো দুনিয়া। যার সামান্য মিষ্টতা পরখ করে দেখতে গেলেও আমাদের এই চতুর্মুখি ভয়ানক বিপদের কথা ভুলে যাওয়াটা বাধ্য। তাই আমাদের সচেতন হওয়া জরুরী।

📕🖋️ এস. এম. জালাল উদদীন
সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী।

23/06/2023

মৃত্যু শয্যায় মহাবীর আলেকজান্ডার তার সেনাপতিদের ডেকে বলেছিলেন, 'আমার মৃত্যুর পর আমার তিনটা ইচ্ছা তোমরা পূরণ করবে।

আমার প্রথম অভিপ্রায় হচ্ছে, শুধু আমার চিকিৎসকরাই আমার কফিন বহন করবেন।

আমার ২য় অভিপ্রায় হচ্ছে, আমার কফিন যে পথ দিয়ে গোরস্থানে যাবে সেই পথে আমার অর্জিত সোনা ও রুপা ছড়িয়ে থাকবে। আর শেষ অভিপ্রায় হচ্ছে, কফিন বহনের সময় আমার দুইহাত কফিনের বাইরে ঝুলে থাকবে।'

তার সেনাপতি তখন তাঁকে এই বিচিত্র অভিপ্রায় কেন করছেন প্রশ্ন করলেন। দীর্ঘশ্বাস গ্রহণ করে আলেকজান্ডার বললেন, আমি দুনিয়ার সামনে তিনটি শিক্ষা রেখে যেতে চাই।

আমার চিকিৎসকদের কফিন বহন করতে এই কারনে বলেছি যে যাতে লোকে অনুধাবন করতে পারে যে চিকিৎসকেরা কোন মানুষকে সারিয়ে তুলতে পারে না। তারা ক্ষমতাহীন আর মৃত্যুর থাবা থেকে রক্ষা করতে অক্ষম।

গোরস্হানের পথে সোনা- দানা ছড়িয়ে রাখতে বলেছি মানুষকে এটা বোঝানোর জন্য যে সোনা দানার একটা কণাও আমার সঙ্গে যাবে না। এগুলো পাওয়ার জন্য সারাটা জীবন ব্যয় করেছি, কিন্তু নিজের সঙ্গে কিছুই নিয়ে যেতে পারছি না। মানুষ বুঝুক এসবের পেছনে ছোটা সময়ের অপচয়।

কফিনের বাইরে আমার হাত ছড়িয়ে রাখতে বলেছি মানুষকে এটা জানাতে "খালি হাতেই পৃথিবী থেকে চলে যাচ্ছি"।

23/06/2023

চিতাবাঘটি একটি মা বানরকে হত্যা করে মুখে করে নিয়ে যাচ্ছে। বানরের ছোট্ট বাচ্চাটি তখনো তার মৃত মাকে আঁকড়ে ধরে আছে।

২০২২ সালে ছবিটি তুলেছেন স্পেনের চিত্রগ্রাহক ইগর আলতুনা। লন্ডনের ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়াম জনগণের ভোটের মাধ্যমে এই ছবিকে ওই বছরের সেরা পাঁচ ছবির একটি নির্বাচন করে।

"এই জগতে সন্তানের কাছে সবচেয়ে বড় নির্ভরতার জায়গা হচ্ছে তার মা"।

📕🖊️ S.M. Jalal Ahmed
📝🖍️ Freelance Crime Journalist

23/06/2023

আব্রাহাম লিংকনের সেই বিখ্যাত চিঠি!

মাননীয় মহোদয়,
আমার পুত্রকে জ্ঞান অর্জনের জন্য আপনার কাছে পাঠালাম। তাকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবেন এটাই আপনার কাছে আমার প্রত্যাশা। আমার পুত্রকে অবশ্যই শেখাবেন সব মানুষই ন্যায়পরায়ণ নয়, সব মানুষই সত্যনিষ্ঠ নয়। তাকে এও শেখাবেন; প্রত্যেক খারাপের মাঝেও একজন বীর থাকতে পারে, প্রত্যেক স্বার্থপর রাজনীতিবিদের মাঝেও একজন নিঃস্বার্থ নেতা থাকেন। তাকে শেখাবেন, পাঁচটি ডলার কুড়িয়ে পাওয়ার চাইতে একটি উপার্জিত ডলার অধিক মূল্যবান ৷

তাকে শেখাবেন, কীভাবে পরাজয়কে মেনে নিতে হয় এবং কীভাবে বিজয়োল্লাস উপভোগ করতে হয়। হিংসা থেকে দূরে থাকার শিক্ষাও তাকে দেবেন। যদি পারেন নীরব হাসির গোপন সৌন্দর্য তাকে শেখাবেন। সে যেন একথা বুঝতে শেখে, যারা অত্যাচারী তাদেরকে নীরব হাসির গোপন সৌন্দর্য দিয়ে সহজেই কাবু করা যায়। বইয়ের মাঝে কী রহস্য লুকিয়ে আছে, তাও তাকে শেখাবেন।

আমার পুত্রকে শেখাবেন, বিদ্যালয়ে নকল করে পাস করার চেয়ে অকৃতকার্য হওয়া অনেক বেশি সম্মানজনক। নিজের ওপর তার যেন পূর্ণ আস্থা থাকে, এমনকি সবাই যদি সেটাকে ভুলও মনে করে।

তাকে শেখাবেন, ভালো মানুষের প্রতি ভদ্র আচরণ করতে, কঠোরদের প্রতি কঠোর হতে। আমার পুত্র যেন হুজুগে মাতাল জনতার পথ অনুসরণ না করে এ শিক্ষাও তাকে দেবেন। সে যেন সবার কথা শোনে এবং সত্যটা ছেঁকে যেন শুধু ভালোটাই গ্রহণ করে এ শিক্ষাও তাকে দেবেন। সে যেন শেখে দুঃখের মাঝেও কীভাবে হাসতে হয়। আবার কান্নার মাঝে লজ্জা নেই, সে কথাও তাকে বুঝতে শেখাবেন। যারা নির্দয়, নির্মম তাদেরকে সে যেন ঘৃণা করতে শেখে। আর অতিরিক্ত আরাম-আয়েশ থেকে সাবধান থাকে।

আমার পুত্রের প্রতি সদয় আচরণ করবেন কিন্তু সোহাগ করবেননা, কেননা আগুনে পুড়েই ইস্পাত খাঁটি হয়। আমার সন্তান যেন বিপদে ধৈর্যহারা না হয়, থাকে যেন তার সাহসী হবার ধৈর্য। তাকে এ শিক্ষাও দেবেন, নিজের প্রতি তার যেন পূর্ণ আস্থা থাকে আর তখনই তার সুমহান আস্থা থাকবে মানব জাতির প্রতি।

ইতি
আপনার বিশ্বস্ত
আব্রাহাম লিংকন।

23/06/2023

সন্তানের সাথে এভাবে কথা বলার অভ্যাস গড়ুন ...

•• আপনার সন্তানকে এভাবে বলবেন না- উঠো, নামাজ পড়ো, নইলে তুমি জাহান্নামে যাবে। বরং বলুন, আসো আমরা একসাথে নামাজ পড়ি, যাতে আমরা জান্নাতে একসাথে থাকতে পারি।

•• আপনার সন্তানকে বলবেন না- তোমার রুমটি গোছাও এবং ময়লা আবর্জনা পরিস্কার করো। বরং বলুন, তোমার রুম গোছাতে আমার সহযোগীতা প্রয়োজন? তুমি তো সবসময় পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা পছন্দ করো, মাশাআল্লাহ।

•• আপনার সন্তানকে বলবেন না- উঠো, পড়াশুনা করো এবং খেলাধুলা ছাড়ো, কারণ পড়াশোনা করা খেলাধুলার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ। বরং বলুন, তুমি যদি তোমার পাঠ তাড়াতাড়ি শেষ করো, তাহলে তুমি তোমার ইচ্ছেমত খেলতে পারবে।

•• আপনার সন্তানকে বলবেন না- দেয়ালে রং দিয়ে আঁকাআঁকি করো না। বরং বলুন, কাগজে আঁকতে থাকো এবং তোমার অঙ্কন শেষ হলে আমি দেয়ালে ঝুলিয়ে দিবো।

•• আপনার সন্তানকে বলবেন না- বাম কাতে ঘুমাবে না। বরং বলুন, জানো! আমাদের রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের ডান কাত হয়ে ঘুমানো শিখিয়ে গেছেন। আমাদের ডান কাতে ঘুমানো উচিত।

•• আপনার সন্তানকে বলবেন না- বোকা, এত সহজ একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে পারলে না কেন? বরং বলুন, তোমার উত্তরটি ঠিক হয়েছে। তবে এ প্রশ্নটির উত্তর তুমি আরো সুন্দর করে দিতে পারতে। এবার দ্বিতীয় প্রশ্নটি শুনে দেখো তো সুন্দর করে উত্তর দিতে পারো কি না? তুমি খুব মেধাবী। আমার বিশ্বাস তুমি পারবে।

এভাবে সন্তানের সাথে কথা বললে আশা করা যায় সন্তান পজিটিভ জিনিষগুলোই শিখবে। পজিটিভলি ভাববে। পজিটিভলি কাজ করবে।

আমরা অনেকেই সন্তানদের সাথে পজিটিভ আচরণ করিনা, যে কারনে সন্তানরা অনেক সময় বিগড়ে যায়। ভাল মন্দ বিচার করার শক্তি হারিয়ে ফেলে। আল্লাহ তায়ালা আমাদের ক্ষমা করুন। আমাদের সন্তানদেরকে দুনিয়া ও আখিরাতে সফলতা দান করুন।

📕🖊️ S.M. Jalal Ahmed
💠 Freelance Crime Journalist
🔷 জুড়ী অনলাইন প্রেসক্লাব ✅

23/06/2023

বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি বিল গেটস।

এই বিল গেটসকে কেউ একজন জিজ্ঞাসা করেছিলেন, "পৃথিবীতে আপনার চেয়ে ধনী আর কি কেউ আছে? বিল গেটস বলেছিলেন, "হ্যাঁ, এমন একজন আছেন, যিনি আমার চেয়েও ধনী।"

এরপর, তিনি একটি গল্পের কথা বর্ণনা করলেন। এটা এমন এক সময় ছিল, যখন আমি ধনী কিংবা বিখ্যাত ছিলাম না। একদিন আমি নিউইয়র্কের বিমান বন্দরে গিয়েছিলাম। তখন আমি একজন সংবাদপত্র বিক্রেতাকে দেখেছিলাম। আমি তার থেকে একটি সংবাদপত্র ক্রয় করতে চেয়েছিলাম।

কিন্তু, তখন আমার কাছে খুচরা পয়সা ছিল না। তাই আমি সংবাদপত্র ক্রয় করার ধারণাটি ছেড়ে সেটা বিক্রেতার কাছে ফিরিয়ে দিয়েছিলাম। আমি তাকে আমার কাছে যথেষ্ট অর্থ না থাকার কথা বলেছিলাম। সে বিক্রেতা আমাকে বলেছিলেন, "এটা আমি আপনাকে ফ্রি দিচ্ছি।" তার অনুরোধে আমি পত্রিকাটি নিয়েছিলাম। কাকতালীয়ভাবে, দুই থেকে তিন মাস পরে আমি একই বিমান বন্দরে আবার অবতরণ করেছিলাম এবং সেদিনও পত্রিকা ক্রয় করার জন্য আমার কাছে খুচরা টাকা ছিল না। বিক্রেতা আবার পত্রিকাটি আমাকে ফ্রি অফার করেছিলেন। আমি সেটা প্রত্যাখ্যান করেছিলাম এবং বলেছিলাম যে আমি এটি নিতে পারব না।

কারণ, আজও আমার কাছে যথেষ্ট অর্থ নেই। তিনি বলেছিলেন, "আপনি পত্রিকাটি নিতে পারেন, আমি এটা আমার লাভ থেকে ভাগ করে দিচ্ছি। এতে আমার কোনও ক্ষতি হবে না।" আমি পত্রিকাটি নিয়েছিলাম। প্রায় ১৯ বছর পরে আমি বিখ্যাত এবং মানুষের কাছে পরিচিত হয়ে উঠেছি। হঠাৎ করে সেই সংবাদপত্র বিক্রেতার কথা মনে পড়ল। আমি তার সন্ধান শুরু করি এবং প্রায় দেড় মাস অনুসন্ধানের পরে আমি তাকে খুঁজে পেয়েছিলাম। আমি তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, "আপনি কি আমাকে চেনেন? তিনি বলেছিলেন, "হ্যাঁ, আপনি বিল গেটস।" আমি তাকে আবারও জিজ্ঞাসা করেছিলাম, "আপনার মনে আছে?!

আপনি আমাকে বিনামূল্যে একটি পত্রিকা দিয়েছিলেন? বিক্রেতা বললেন, "হ্যাঁ, মনে আছে।" আপনাকে দুইবার আমি পত্রিকা দিয়েছিলাম। আমি বলেছিলাম, "সে সময় আপনি আমাকে যে সাহায্যটা করেছিলেন তা আমি আজ ফিরিয়ে দিতে চাই। আপনি আপনার জীবনে কি চান বলুন, আমি সেটা পূরণ করব।’' বিক্রেতা বললেন, "স্যার, আপনি কি করে মনে করেন যে এটা করে আপনি আমার সাহায্যের সাথে মেলাতে পারবেন?" আমি জিজ্ঞাসা করলাম, "কিন্তু, কেন?"

তিনি বলেছিলেন, "আমি যখন দরিদ্র সংবাদপত্রের বিক্রেতা ছিলাম, তখন আপনাকে সাহায্য করেছিলাম আর আপনি আমাকে সাহায্য করার চেষ্টা করছেন তখন-ই যখন আপনি বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধনী ব্যক্তি হয়ে উঠলেন। তাহলে কীভাবে আপনার সাহায্য আমার সাহায্যের সাথে মিলে?" বিল গেটস বলেছিলেন, "আমি সেদিন বুঝতে পেরেছিলাম যে, সংবাদপত্রের বিক্রেতা আমার চেয়ে বেশি ধনী ছিলেন।

কারণ, তিনি কাউকে সাহায্য করার জন্য ধনী হওয়ার অপেক্ষা করেননি।" আমাদের বুঝতে হবে যে, সত্যিকারের ধনী ব্যক্তি হলো তারা যাদের প্রচুর অর্থের চেয়েও ধনী একটি মন আছে। দামী একটি মন থাকা প্রচুর অর্থের চেয়েও প্রয়োজনীয়।

23/06/2023

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার্থীদের জন্য দোয়া ও শুভকামনা ❤️

শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ✅
ছবি : সংগৃহীত।

Photos from S.M. Jalal Ahmed's post 23/06/2023
23/06/2023

"ক" ব্যবহার করে এতো দীর্ঘ লেখা আমি প্রথম পড়লাম। লেখক বা লেখিকার নাম উল্লেখ ছাড়াই লেখাটা পেলাম। অসাধারণ দক্ষতা। "ক" কে সালাম জানাই 🤦👮🙏🏻

পুরোটা পরে দেখুন খুব ভালো লাগবে আপনাদের।

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী কলেজের কনিষ্ঠ কেরাণী কার্তিক কুমার কর্মকারের কোকিল কন্ঠী কন্যা কপিলা কর্মকার কাশিতে কাশিতে করুণ কন্ঠে কমল কাকাকে কহিল, "কাকা, কড়ি কাঠের কেদারা কিংবা কারখানার কাপড় কেনাকাটায় কৃষাণীরা কিছুটা কৃচ্ছতা করিলেও কলকাতার কিশোরী কন্যাদের কাছে কুষ্টিয়ার কুচকুচে কালো কাতান কাপড়ের কদর কল্পনাতীত।

কীর্তিমান কতিপয় কলাকুশলী কিংবা কিশোর কবিরাও কালি-কলমের কল্যাণে- কদরের কিছু কার্যকর কথা কৌশলে, কখনো কবিতার কিতাবে, কখনো 'কালের কন্ঠ' কাগজের কলামে কহিয়াছেন।

কিন্তু কাকা, কষ্মীনকালে কেউ কী কখনো কহিয়াছেন? কী কারণে, কিসের কারসাজিতে, কেমন করিয়া কোথাকার কোন কাশ্মিরী কম্বল কিংবা কর্ণাটকের কমলা কাতানের কাছে কালক্রমে কুলীন কূলের কায়িক কৃষাণীদের কাঙ্খিত কালজয়ী কারুকার্যময় কাতান কাপড়ের কদর কমিল"?

কাজে-কর্মে কুশীলব কিন্তু কেবলই কৌতুহলী কপিলা কর্মকারের কঠিন কথায় কিঞ্চিত কর্ণপাত করিয়া ক্লান্ত কাকা কুষ্টিয়ার কিংবদন্তি কালো কাতানের ক্রমেই কদর কমার কয়েকটি কারণ কোমল কন্ঠে কপিলার কানে কানে কহিলেন।

কৃষ্ণকায় কাকাকে কাপড়ের কষ্টের কিচ্ছা কাহিনী কহিয়া কপিলা কর্দমাক্ত কলস কাঙ্খে করিয়া কালোকেশী কাকিকে কহিল, _"কাবেরী কোলের কেয়া-কুঞ্জে কোয়েলের কলকাকলি কিংবা কেতকী কদম কুসুম কাননে কোকিলের কন্ঠে কুহু কুহু কুজনের কতই কারিশমা! কিন্তু কাকী, কদর্য কাক কী কারণে কর্কশ কন্ঠে কানের কাছে কেবল কা-কা করে"?_

কাঁচের কংকন করিয়া কিংকর্তব্যবিমূঢ় কাকী কিলানো কাঁঠালের কদলি কচলাইতে কচলাইতে কহিলেন, _"কুৎসিত কেতাদুরস্ত কাকের কাজই কা-কা কলরবে কোলাহল করিয়া কেরামতির কৃতিত্ব কুড়ানো"।
সংগৃহীত।

25/01/2023

অভিভাবক হিসেবে মা’কে স্বীকৃতি দিয়ে হাইকোর্টের রায়।।

শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণে সন্তানের অভিভাবক হিসেবে মাকেও স্বীকৃতি দিয়ে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। এখন থেকে কারও বাবা না থাকলে কিংবা ইচ্ছাকৃতভাবে বাবার পরিচয় ব্যবহার করতে না চাইলে মা কিংবা আইনিভাবে অন্য কোনো অভিভাবকের নাম যুক্ত করা যাবে।

মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।

আইনজীবীরা বলছেন, ঐতিহাসিক এই রায়ের ফলে এখন থেকে বাবার নামের পাশাপাশি আরও দুটি অপশন যুক্ত হলো। এতে করে কেউ চাইলে বাবার পরিচয় ব্যবহার না করেও ফরমপূরণের সময় মা কিংবা আইনিভাবে বৈধ অভিভাবকের নাম লিখতে পারবেন।

২০০৭ সালের এপ্রিল মাসে বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে, মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় অংশগ্রহণের পূর্বে শিক্ষার্থী তথ্য ফরমে অত্যাবশ্যকীয়ভাবে বাবার নাম পূরণ করতে না পারার কারণে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, রাজশাহী ঠাকুরগাঁওয়ের এক তরুণীকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের প্রবেশপত্র দিতে অস্বীকৃতি জানায়। উল্লেখ্য যে, মা ও সন্তানকে কোনোরূপ স্বীকৃতি না দিয়ে বাবার চলে যাওয়ার পর ওই তরুণী তার মায়ের একার আদর স্নেহে বড় হয়েছিলেন।

পরে এ ঘটনার যথাযথ অনুসন্ধানের ওপর প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এবং সন্তানের অভিভাবক হিসেবে মায়ের স্বীকৃতি প্রতিষ্ঠার দাবিতে ২০০৯ সালের ২ আগস্ট তিনটি মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন— বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট), বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ ও নারীপক্ষ যৌথভাবে জনস্বার্থে রিট দায়ের করে।

রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ওই বছরের ৩ আগস্ট বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহম্মেদ এবং বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ মানবাধিকার, সমতার পরিপন্থি ও বিশেষভাবে শিক্ষার অধিকারে প্রবেশগম্যতার বাধাস্বরূপ বিদ্যমান বৈষম্যমূলক এ বিধানকে কেন আইনের পরিপন্থি এবং অসাংবিধানিক হিসেবে ঘোষণা করা হবে না- এই মর্মে রুল জারি করেন।

একইসঙ্গে বর্তমানে কোন কোন শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন কার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর বাবা ও মা উভয়ের নাম সম্পর্কিত তথ্য বাধ্যতামূলকভাবে উল্লেখ করতে হয় তার একটি তালিকা এবং যেসব যোগ্য শিক্ষার্থী তাদের বাবার পরিচয় উল্লেখ করতে অপারগ তাদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে কি ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়, সে সম্পর্কে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়।

পরে ২০২১ সালের ৬ জুন ব্লাস্ট আবেদনকারীদের পক্ষে একটি সম্পূরক হলফনামা আদালতে দাখিল করে। রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে হাইকোর্ট রায় ঘোষণার জন্য ২৪ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন।

📕🖋এস. এম. জালাল উদদীন
Freelance Crime Journalist

23/01/2023

Haji Injad Ali High School
হাজী ইনজাদ আলী উচ্চ বিদ্যালয়

23/01/2023
23/01/2023

মূর্খ লোকের জন্য সমাজ নষ্ট হয় না। সমাজ নষ্ট হয় শিক্ষিত লোকের মূর্খ স্বভাবের জন্য।

🖋️ এস. এম. জালাল উদদীন

Want your school to be the top-listed School/college in Moulvi Bazar?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Moulvi Bazar
3251

Opening Hours

Monday 09:30 - 16:00
Tuesday 09:30 - 16:00
Wednesday 09:30 - 16:00
Thursday 09:30 - 01:30
Saturday 09:30 - 04:00
Sunday 09:30 - 04:00

Other Schools in Moulvi Bazar (show all)
B.T.R.I HIGH SCHOOL,SRIMANGAL B.T.R.I HIGH SCHOOL,SRIMANGAL
BTRI, Srimanal
Moulvi Bazar, 3210

BTRI HIGH SCHOOL IS THE BEST.

Moulvibazar Govt. High School Moulvibazar Govt. High School
Old Hospital Road Moulvibazar
Moulvi Bazar, 3200

মৌলভীবাজার শহরের শ্রেষ্ঠ এবং প্রাচী?

Birointola Govt. Primary School Birointola Govt. Primary School
গ্রাম: বিরইনতলা, ডাক: বিটুলী-৩২৫১, উপজেলা: জুড়ী, মৌলভীবাজার।
Moulvi Bazar

Atgoan Govt. Primary School Atgoan Govt. Primary School
Atgoan, Moulvibazar
Moulvi Bazar

Shah Mostafa Jamea Islamia High School,SSC 2022 Batch Shah Mostafa Jamea Islamia High School,SSC 2022 Batch
Dewan Bari, College Road, Srimangal
Moulvi Bazar, 3210

The page of Shah Mostafa Jamea Islamia High School's SSC 2022 Batch's All Students.

Sona pur High School, Rajnagar Sylhet, BD Sona pur High School, Rajnagar Sylhet, BD
Mokam Bazar, Rajnagar
Moulvi Bazar, 3120

۞সরল, সহজ একটি বাক্যও বদলে দিতে পারে আপ

Moulvibazar Government High School, Moulvibazar. Moulvibazar Government High School, Moulvibazar.
Syed Mujtoba Ali Road
Moulvi Bazar, 3200

A Government High School in Moulvibazar, Bangladesh

Aptab uddin high school kazirbazar, moulvibazar Aptab uddin high school kazirbazar, moulvibazar
Moulvi Bazar, 3200

we proud to our school.......

Iqra Bangladesh school.Moulvibazar branch Iqra Bangladesh school.Moulvibazar branch
Moulvi Bazar, 3200

কুরআনের আলোকে আধুনিক শিক্ষা

Success couching centre Success couching centre
Borni Kajirbond Brolekha
Moulvi Bazar, 3250

Moulvibazar Govt College Moulvibazar Govt College
Court Road, Moulvibazar
Moulvi Bazar, 3200

A Page For Ex-Student of MGC