খ, ম, নুরুল আমিন।

খ, ম, নুরুল আমিন।

Share

মিথ্যাকে বর্জন করি সত্যকে ধারন করি।

08/01/2026

মন্টি একটি ইঁদুর শিকার করে। সে আমার পোষা বিড়াল।

30/12/2025
30/12/2025

আমার পোষা মন্টি-নান্টি।

30/12/2025

আজ থেকে বাংলাদেশ রাজনৈতিক অভিভাবকহীন হলো।

বাংলাদেশের একটি নক্ষত্রের বিদায়।
আপোষহীন নেত্রী ও গণতন্ত্রের অতন্দ্রপ্রহরী, বাংলাদেশের প্রথম ও মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী, তিনবারের প্রধানমন্ত্রী,দলমত নির্বিশেষে সবার কাছেই জনপ্রিয় ও শ্রদ্ধার মানুষ বেগম খালেদা জিয়া।

ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন। আল্লাহ্ রাব্বুল আ'লামিন আপনাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন,

বিএনপির চেয়ারপারসন তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫, সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে দীর্ঘ জটিল রোগভোগের পর ইন্তেকাল করেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।
১৯৮৩ থেকে শুরু করে বাংলাদেশ রাজনীতির প্রায় চার দশক তার সংগ্রাম, সাহসিকতা ও অটল নেতৃত্বের গল্পে ভরা। তিনি কঠিন সময়েও দেশের গণতান্ত্রিক চেতনা প্রতিরক্ষা ও নারীর নেতৃত্বের এক অমল ধ্রুপদী প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছেন। একজন বিদ্রোহী, আপোষহীন ও দেশের জন্য নিবেদিত নেত্রী হিসেবে তিনি জনগণের মনে স্থায়ী ও ভালোবাসার অধিকারী ছিলেন।
আজকের এই শোকের মুহূর্তে
মহান আল্লাহর দরবারে আমাদের দরুদ ও দোয়া —তিনি তার জীবনের সমস্ত গুনাহসমূহ মাফ করুন। বেগম খালেদা জিয়ার রূহকে জান্নাতুল ফেরদৌস-এ সর্বোচ্চ স্থান দিন।
আমিন।
এমন একজন নেতার বিদায় শুধু একটি রাজনৈতিক শূন্যতা নয়, এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক দুঃখের অধ্যায়ের সমাপ্তি। তার আদর্শ ও সংগ্রাম আমাদের হৃদয়ে চিরদিন স্মৃতিফলকে স্তম্ভিত থাকবে।

27/12/2025

ইতিহাস না জেনেই ভারত বিরোধীতা..?

১. যুদ্ধ শেষে প্রায় দুইশো ওয়াগন রেলগাড়ী ভর্তি করে ২৭০০ কোটি টাকার অস্ত্রসস্ত্র লুটের অভিযোগ ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলার।

(সূত্রঃ দৈনিক অমৃতবাজার, ১২ মে,১৯৭৪)

২. শস্য লুটঃ

★ধান-চাল-গম (৭০-৮০ লাখ টন, গড়ে ১০০ টাকা ধরে): ২১৬০ কোটি টাকা। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার।

★পাট(৫০ লাখ বেলের উপরে): ৪০০ কোটি টাকা। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১.৫ বিলিয়ন ডলার।

★ত্রাণ-সামগ্রী পাচার: ১৫০০ কোটি টাকা। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার।

★যুদ্ধাস্ত্র, ঔষধ, মাছ, গরু, বনজ সম্পদ: ১০০০ কোটি টাকা। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার।

সর্বমোট: ৫০০০ কোটি টাকা যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলার।

(সূত্র: জনতার মুখপাত্র, ১ নভেম্বর ১৯৭৫)

৩.বাংলাদেশের শিল্প কারখানা থেকে যন্ত্রাংশ চুরি করে আগরতলায় পাঁচটি নতুন পাটকল স্থাপন! (সূত্রঃ আখতারুল আলম, দু:শাসনের ১৩৩৮ রজনী, পৃষ্ঠা: ১১৫-১১৬)

৪.যুদ্ধের পর সীমান্তের ১০ মাইল এলাকা ট্রেডের জন্য উম্মুক্ত ঘোষনা। এর ফলে চোরাচালানের মুক্ত এলাকা গড়ে উঠে। পাচার হয়ে যায় দেশের সম্পদ।

( সূত্রঃ আবুল মনসুর আহমদ: আমার দেখা রাজনীতির ৫০ বছর, পৃষ্ঠা: ৪৯৮)

৫.ভারতে বাংলাদেশী জাল টাকা ছেপে এদেশে ছেড়ে দেয়া হত। অর্থমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদ সে সময় বলতে বাধ্য হয়েছিলেন, ‘জালনোট আমাদের অর্থনীতি ধ্বংস করিয়া দিয়াছে’।

(সূত্রঃ আব্দুর রহিম আজাদ: ৭১ এর গণহত্যার নায়ক কে: পৃষ্ঠা: ৫২)

৬.আমাদের চোখের সামনে চাল-পাট পাচার হয়ে গেছে সীমান্তের ওপারে, আর বাংলার অসহায় মানুষ ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে বিশ্বের দ্বারে দ্বারে। (মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম: :দুঃশাসনের ১৩৩৮ রজনী, পৃষ্ঠা: ১১৯-১২৬)

৭.১৯৭১ এর অবাঙ্গালীদের ফেলে যাওয়া সম্পত্তির হরিলুট (সূত্রঃ এম এ মোহায়মেন: বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামীলীগ, পৃষ্ঠা ১৪, ৪৪)

৮. ফারাক্কা বাধের নামে মরুভূমি করার চক্রান্ত, টাকা বিনিময়ের নামে জাল টাকা ছড়ানো, বর্ডার বানিজ্যের নামে ভারতের বস্তাপঁচা মালের বাজার সৃষ্টি।

(সূত্রঃ আখতারুল আলম, দু:শাসনের ১৩৩৮ রজনী, পৃষ্ঠা: ১১৫-১১৬)

৯.জয়দেবপুর অর্ডিনেন্স ফ্যাক্টরী থেকে অস্ত্র নির্মানের কোটি কোটি টাকার যন্ত্রপাতি ভারতে স্থানান্তরিত হয়। (অলি আহাদ: জাতীয় রাজনীতি ১৯৪৫ থেকে ‘৭৫, পৃ:৫২৮-৫৩১)

১০.❝ ঢাকায় এতসব বিদেশী জিনিস পাওয়া যায়! এসব তো আগে দেখেনি ভারতীয়রা। রেফ্রিজারেটর, টিভি, টু-ইন-ওয়ান, কার্পেট, টিনের খাবার-এইসব ভর্তি হতে লাগলো ভারতীয় সৈন্যদের ট্রাকে। ❞ — সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, পূর্ব-পশ্চিম, পৃ: ৯২৩

এই তথ্যগুলো মোটামুটিভাবে সবার জানা আছে।

ভবিষ্যতে কেউ ভারতের এই অবদান, ওই অবদান বললে এই তথ্যগুলা দেখিয়ে দেবেন রেফারেন্স সহ।

তারপরও আবার উল্লেখ করার কারন খুব চিন্তা হয়.... ৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ে ভারত দ্বারা লুট করে নিয়ে যাওয়া এই সম্পদ রক্ষা করতে যেয়েই, অস্ত্র জমা না দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের একাংশ বিদ্রোহ করেছিল, তার ফলাফল কথিত আছে , ৩০ হাজার মুক্তিযোদ্ধা নিহত বা গুম হয়েছিল।

এখন স্বাধীনতা তথা পুরো দেশটাই লুট করতে চাচ্ছে, কত রক্ত ঝরবে ???

05/12/2025

তারেক জিয়ার দেশে ফিরে আসতে না পারার পেছনে অন্য যে দায়ি তার নাম এক এগারো। মঈন ইউ ফখরুদ্দিন যে প্রজেক্ট নিয়েছিল তার সাথে বেগম জিয়ার পরিবারের লোক (আপন ভাই) যুক্ত ছিলেন।

মইন–ফখরুদ্দিন প্রশাসন যে প্রকল্প বাস্তবায়ন করছিল, তা কখনোই একমুখী ছিল না; বরং এটি ছিল বহুস্তরীয় একটি অ্যালগরিদম, যেখানে বিএনপির পরিবারভিত্তিক নেতৃত্ব কাঠামো ছিল একটি অপরিহার্য ইনপুট।

‘মাইনাস টু’ ফর্মুলার জন্ম এখানেই।
তারেক রহমান ও কোকো এই দুইজন উত্তরসূরী থাকলে বিএনপির নেতৃত্বে বিকল্প কারো ওঠার পথ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যেত। ফলে দলের ভেতরের স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী, যারা তারেক রহমানের উত্থানকে নিজেদের রাজনৈতিক বিনাশ হিসেবে দেখেছিল, তারাই রাষ্ট্রযন্ত্রের সাথে সিঙ্ক্রোনাইজ হয়ে এই প্রকল্পকে কার্যকর করে।
এ কারণেই তারেক রহমানকে লক্ষ্য করে চাপ, বন্দি অবস্থা, এবং শেষ পর্যন্ত অঘোষিত মুচলেকা নেওয়ার মতো ধাপগুলো একটির পর একটি সাজানো হয়।

সবচেয়ে বড় প্রশ্নটি আজও অমীমাংসিত:
তারেক রহমানের মুচলেকায় কী ছিল? কারা সেই কাগজের প্রতিটি লাইনের লেখক? এবং কেন সেই নথি আজও রাষ্ট্রীয় অন্ধকারে লুকানো?

রিমান্ডে তারেক ও কোকোর প্রতি যে নির্যাতন চালানো হয়েছিল তা স্রেফ সেনা অভ্যুত্থানধর্মী জিজ্ঞাসাবাদ ছিল না। বিএনপির ভেতরের একটি বিশেষ গোষ্ঠী তখন প্রাসাদ ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে নেতৃত্ব পুনর্বিন্যাসে সক্রিয় ছিল। এক-এগারোর প্রকল্পকে তারা ব্যবহার করেছে নিজেদের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির অ'স্ত্র হিসেবে।

এটাই ছিল বিএনপির প্রাসাদ-ষড়যন্ত্রের সবচেয়ে ভয়াবহ অধ্যায়।
রাষ্ট্রযন্ত্রের সঙ্গে দলের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীর এই জোটই এক-এগারোকে সম্ভব করেছে এবং পরবর্তীতে এর রাজনৈতিক প্রভাবকে দীর্ঘস্থায়ী করেছে।

আজ যখন তারেক রহমানকে আবার “প্রত্যাবর্তনযোগ্য নেতৃত্ব” হিসেবে প্রোজেক্ট করা হচ্ছে, তখন এক-এগারোর সেই পুরনো গোষ্ঠীগুলোর পুনঃসংগঠন আরেকবার দৃশ্যমান। এটি হঠাৎ নয়; বরং এটি ইঙ্গিত করে যে এক-এগারোর রাজনৈতিক প্রকল্প পুরোপুরি ব্যর্থ ছিল না, তার কাঠামো এখনও রাজনীতির নিচের স্তরে সক্রিয়। তারেক রহমান বিরোধি প্রতিটি সিংগাল পাওয়ার ইউনিট এই ইস্যুতে আবার ঐক্য ফিরে পেয়েছে। সাবেক সেনা কর্মকর্তা থেকে শুরু করে বর্তমানে সার্ভিং অনেকেই এর অংশ।

এক-এগারো তাই কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এটি বাংলাদেশের রাষ্ট্র ও দলের ভিতরে বহুস্তরীয় ক্ষমতা-প্রকৌশলের দীর্ঘায়িত ছায়া, যার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল বিএনপির উত্তরসূরী সংকট এবং পরিবারভিত্তিক ক্ষমতা উত্তরাধিকারের দ্বন্দ্ব।

- Ratul Mohammad

03/12/2025

ডঃ মুহাম্মদ ইউনুছ গত এক সপ্তাহের মধ্যে ইতিহাস সৃষ্টিকারী তিনটি কাজ করলেন।এরকম সাহস ও মহানুভব মানুষ জগতেই বিরল।

১) চট্রগ্রাম বন্দর মার্কস লাইন ও এমএসসি এর মত বিশ্ব সেরা প্রতিষ্ঠানকে পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া।এর সুফল সারাদেশ পাবে যুগ যুগ ধরে।

২)বাংলাদেশের ইতিহাসের জঘন্যতম সেনা হত্যাকাণ্ডের নীরপেক্ষ রিপোর্টে ভারত ও সেসময়ের সরকার প্রধান হাসিনার সম্পৃক্ততা সারা বিশ্বের কাছে স্পষ্ট করে দিলেন।

৩)দেশের জনপ্রিয়তম সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সন্মানিত করে “অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি” হিসেবে ঘোষণা।

উনি ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর হয়তো আর কোনো সরকারি পদে থাকতে চাইবেন না কিন্তু তিনি যতদিন বেঁচে থাকবেন ততদিন তাঁকে কাজে লাগানোর সকল প্রচেষ্টা চালাতে হবে আগামী সরকারকে।যত সমালোচনাই থাকুক ডঃ মুহাম্মদ ইউনুছ আমাদের ২০ কোটি মানুষের বাতিঘর হিসাবেই আলো ছড়াবেন।

15/11/2025

“দুর্নীতি যখন সংস্কৃতিতে পরিণত হয়, তখন সততা অপরাধ হয়ে যায়।”

26/10/2025

অস্থির এক জেনারেশনের সাথে আছি আমরা। বিলিভ ইট অর নট, এই জেনারেশনের নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্য নেই, আদর্শিক কোনো এমবিশান নেই, পবিত্র কোনো মিশন নেই।

এরা রোদে হাঁটতে পছন্দ করে না, বৃষ্টিতে ভিজতে চায় না। কাঁদামাটি, ঘাস, লতাপাতায় এদের এলার্জি। এরা আধা কিলোমিটার গন্তব্যে যেতে আধা ঘন্টা রিক্সার জন্য অপেক্ষা করে। এরা অস্থির, প্রচণ্ড রকম অস্থির এক জেনারেশন।

এরা গান শোনে না, সিনেমা দেখে না, খেলাধুলাতেও এদের অনীহা। এরা এক্সারসাইজ করে না, সকালে ব্রেকফাস্টও করে না।

এরা সিনিয়রদের সম্মান করে না —রাস্তা আটকে পথ চলে। রাস্তার মাঝে দাঁড়িয়ে আড্ডা দেয়। পথ আটকে আছে দেখেও ছেড়ে দেয়ার মানসিক তাড়া নেই। সিনিয়রদের না দেখার ভান করে পাশ কাটিয়ে হেঁটে চলে যায়, গায়ে ধাক্কা দিয়ে বা পায়ে পাড়া দিয়ে দাঁত কেলিয়ে হাসে। সরি বলার টেণ্ডেন্সিও এদের মধ্যে নেই। গুরুজনদের সাথে অনর্থক তর্ক জুড়ে দিতে এদের জুড়ি মেলা ভার।

এদের মাঝে না পাবেন বিনয়ী ভঙ্গি, না পাবেন কৃতজ্ঞতাবোধ। এদের উদ্ধত আচরণ, ড্যাম কেয়ার অ্যাটিচিউডে আপনি পদে পদে বিব্রত হবেন। সংযত হওয়ার উপদেশ দিতে চাইলেই বিপদ, অপর পক্ষের নাজেহাল হওয়ার সম্ভাবনা একশোতে একশো।

আপনি পাবলিক বাসে চড়ছেন, দেখবেন খালি সিটটায় জায়গা পেতে সবচেয়ে জুনিয়র ছেলেটাই বেশি প্রতিযোগিতা করছে। আপনাকে ধাক্কাটাক্কা দিয়ে সটান বসে পড়বে। তার বয়সের দ্বিগুণ হয়েও দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখা ছাড়া আপনার তেমন কিছু করার থাকে না।

বলছিলাম বর্তমান জেনারেশনের কথা। সবচেয়ে ভয়াবহ কথা, যে আসরে এদের দাঁড়িয়ে থাকার কথা, সেই আসরে এরা নিজের জন্য চেয়ার খোঁজ করে। যেখানে চুপ থাকার কথা, সেখানে জ্ঞান দিতে চেষ্টা করে।

সারা রাত ধরে অনলাইনে থাকে, সারা সকাল ঘুমায়। এরা সূর্যোদয় দেখে না, সূর্যাস্ত দেখে না। সূর্যোদয়ে বিছানায় থাকে, সূর্যাস্তে মোবাইলে থাকে।

এরা মোবাইল গেমস আর ফার্স্টফুডে আসক্ত। নির্দিষ্ট করে বললে মূলত অনলাইন গেম, ফেসবুক, ইউটিউব, রিলস দেখা এদের ফার্স্ট প্রায়োরিটি।

এরা ইতিহাস জানে না, সাহিত্য বোঝে না, শিল্প সংস্কৃতি কি বস্তু তা চেনে না। এরা বই কেনে না, এরা বই পড়ে না, বই বোঝে না।

এরা নন-স্কিলড। এরা হাঁটতে পারে না, দৌড়াতে পারে না, গাছে চড়তে জানে না, সাঁতার কাটতে পারে না, গান গাইতে পারে না, ছবি আঁকতে পারে না। এদের মধ্যে সাগর পাড়ি দেওয়ার দু:সাহস নেই, পাহাড় কেটে পথ তৈরি করার অদম্য মনোবল নেই। এদের উচ্ছ্বাস নাই, আবেগ নাই, ভালোবাসা নেই। এদের একটাই স্কিল, স্মার্ট ফোন দ্রুত স্ক্রল করতে পারা৷

এদের না আছে মূল্যবোধ, না আছে শ্রদ্ধাবোধ, না আছে শৃঙ্খলা। কখন চলতে হবে, কখন থামতে হবে, কখন বলতে হবে, কখন শুনতে হবে, এরা জানে না। এরা কি যে জানে না সেটাও জানে না।

15/09/2025

২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণির ছাত্রদের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজ সভাপতি ও প্রতিষ্ঠাতা সবেক সাংসদ আলহাজ্ব এড. সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

31/08/2025

আপনি ফেসবুক ভেরিফিকেশন ফর্ম কিভাবে পূরণ করবেন সেটা ধাপে ধাপে উদাহরণ সহ দিচ্ছি—

🔵 ধাপ ১: ফর্মে যান

👉 Facebook Verification Request Form

🔵 ধাপ ২: কোনটি ভেরিফাই করতে চান নির্বাচন করুন

প্রোফাইল (Profile) → নিজের ব্যক্তিগত একাউন্ট হলে।

পেজ (Page) → ব্যবসা/ব্র্যান্ড/সংগঠন হলে।

🔵 ধাপ ৩: পরিচয়পত্র আপলোড করুন

📌 ব্যক্তি হলে:

জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)

পাসপোর্ট

ড্রাইভিং লাইসেন্স

📌 প্রতিষ্ঠান হলে:

ব্যবসার লাইসেন্স

ট্যাক্স ফাইল

ইউটিলিটি বিল

🔵 ধাপ ৪: আপনার তথ্য দিন

Country/Region: বাংলাদেশ

Category: আপনার একাউন্ট/পেজ যে বিষয়ে, যেমন → News/Media, Entertainment, Sports, Government Official ইত্যাদি।

Audience: আপনার ফলোয়ার বা ভিজিটর কারা, কোথা থেকে আসছে।

Also known as (ঐচ্ছিক): যদি আপনার নাম অন্য নামে পরিচিত হয়, সেটি দিন।

Links: আপনার নাম/ব্র্যান্ডের রিলেটেড ওয়েবসাইট, সংবাদ, বা সোশ্যাল মিডিয়ার লিঙ্ক দিন।

🔵 ধাপ ৫: Submit

সব কিছু পূরণ করে Send বাটনে চাপুন।

📌 এরপর কি হবে?

ফেসবুক টিম আপনার আবেদন রিভিউ করবে।

সাধারণত ২–৩০ দিনের মধ্যে উত্তর পাওয়া যায়।

অনুমোদন হলে আপনার নামে নীল টিক (Blue Tick) আসবে।

আপনি চাইলে আমি আপনার জন্য একটি Sample ফর্ম পূরণ করা উদাহরণ (স্ক্রিনশট-স্টাইল গাইড) বানিয়ে দিতে পারি। চাইলে করে দিই?

Want your school to be the top-listed School/college in Monohardia?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Itakhala-Motkhola-Kotiadi Road, Monohardi Pawrasava, Narsingdi
Monohardia