Mohanganj Pilot Govt. High School

Mohanganj Pilot Govt. High School Mohongonj pilot govt high school...All student of this school pl join & keep in touch
pl provide info & pic of school .......

Permanently closed.

বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় দশক পর্যন্ত মোহনগন্জে কোন উচ্চ শিক্ষার প্রতিষ্ঠান ছিলনা। তখন কাজিয়াটি গ্রামের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজ সেবক আঃ আজিজ আহাম্মদ এখানে একটি উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহন করেন এবং কচুয়ারচরের জহির উদ্দিন মাস্টার, আলোকদিয়ার নিমাই বেপারি, মানশ্রীর মির্জা আঃ আজিজ, নোওহালের সা'দত নূর সহ এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সহযোগিতায় 1926 সালের ডিসেম্বর মাসে টেংগাপাড়ায় তাঁর সাবেক

পৈত্রিক বাড়িতে মোহনগন্জ জুনিয়র মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। জহির উদ্দিন মাস্টারকে এই মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেয়া হয়। 1931 সালে এই মাদ্রাসাকে হাই স্কুলে রূপান্তরিত করা হয়। তখন হাই স্কুলের জন্য বোর্ড কর্তৃক ধার্যকৃত মন্জুরির টাকা প্রায় পুরোটাই নিমাই ব্যাপারী দিয়েছিলেন। যার ফলে তত্‍কালীণ স্কুল পরিচালনা কমিটির সভায় নিমাই ব্যাপারির পরিবারের একজন সদস্যকে আজীবন স্কুল পরিচালনা কমিটির সদস্য রাখার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। 1931 সালে মোহনগন্জ হাই স্কুল প্রতিষ্ঠার পর গয়া প্রসাদ এম স্কুলের প্রধান শিক্ষক ললিত মোহন চৌধুরী তাঁর স্কুলের ছাত্রদের নিয়ে নব প্রতিষ্ঠিত এই স্কুলে যোগদান করেন। এসময় শেলবরশের আঃ খালেক সাহেব বারহাট্টার সি.কে.পি. স্কুলে শিক্ষকতা করতেন। তিনি সেখান থেকে ইস্তফা দিয়ে মোহনগন্জ হাই স্কুলে যোগদান করেন। কিছুদিন পর জহির উদ্দিন সাহেব রাজনৈতিক কাজের চাপে প্রধান শিক্ষক পদ থেকে অব্যাহতি নিলে আঃ খালেক সাহেব প্রধান শিক্ষকের দ্বায়িত্ব গ্রহন করেন। 1951 সালে স্কুলটি এক ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ভস্মিভূত হয়ে যায়। 1953 সালে মোঃ শামসুল হক সাহেব এই স্কুলের প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন এবং ধংসস্তুপ থেকে একটি আদর্শ স্কুলে পরিনত করেন। 1961 সালে স্কুলটি পাইলট স্কীমের অন্তর্ভূক্ত হয়। তত্‍কালীণ পূর্ব পাকিস্তানের মাত্র চারটি স্কুল পাইলট স্কীমের অন্তর্ভূক্ত হয়। এরমধ্যে মোহনগন্জ পাইলট স্কুল অন্যতম।

05/02/2025

আপনার মাথার একটি চুল। সেটা দিয়েই আপনাকে প্রভাবিত করা যাবে। আপনি দূরে বসেই বুঝতে পারবেন, কেউ আপনাকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে।

প্রাচীন, জটিল এবং বিরল এই টেকনিক কিভাবে যেন চিকিৎসাশাস্ত্রেও চলে এসেছে। ফলে চুলের শক্তিকে ব্যবহার করে দূরের রোগীকে নিরাময় করার কাজটিও চলছে হাজার বছর ধরে। জটCAST এর নতুন পর্বে আমাদের সাথে আছেন এমনই একজন। দীর্ঘ আলাপে বেশকিছু গোপনীয় বিষয় প্রকাশ্যে উঠে এসেছে।

জানা গেছে,

১) "ফ্রি-মেসন সাইন" কিভাবে আমরা নিজের অজান্তেই ব্যবহার করে ফেলছি।

২) হোয়াইট ম্যাজিক ও ব্ল্যাক ম্যাজিক মুখোমুখি হলে কী ঘটে?

৩) অন্তরচক্ষু ও থার্ড আইয়ের মধ্যে পার্থক্য

৪) কিভাবে DNA তে লেপ্টে থাকা বেনিফিশিয়ারি জিন আপনাকে মুহূর্তেই সুস্থ করে ফেলতে পারে

আরও অনেক কিছু। দেখার আমন্ত্রণ।

জটCAST পর্ব-৪ : "চুলের শক্তি" আপনাকে সুস্থ করবে।

৫ ফেব্রুয়ারি, বুধবার, রাত ৮টা।

বিদ্র : এই পর্বটির বেশীরভাগ জুড়ে আছে জেনেটিক হোমিওপ্যাথি এবং বায়োলজিক্যাল সায়েন্স নিয়ে আলোচনা। ফলে অনেকের কাছে বোরিং লাগতেও পারে। তবে কোনোভাবে সাবজেক্টে প্রবেশ করতে পারলে, অপার্থিব আনন্দে ডুবে যাবেন আশাকরি।

টিন এজারদের মতি গতি ও মা-বাবার করনীয়।২০১৩ সালের কথা। আমার মোহাম্মদ পুর চাঁন মিয়া হাউজিং এর বাসায় রাতে ঘুমানোর প্রস্তুতি ...
05/02/2025

টিন এজারদের মতি গতি ও মা-বাবার করনীয়।

২০১৩ সালের কথা। আমার মোহাম্মদ পুর চাঁন মিয়া হাউজিং এর বাসায় রাতে ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছি। রাত ১১টার বেশী বাজে। টিংটং করে কলিংবেল বাজলো। এত রাতে কে এলো আবার ? আমার ছেলে গিয়ে দরজা খুলে আমার মেয়েকে এসে বলে তোমার কাছে কে যেন এসেছে।মেয়ে তখন SSC পরীক্ষা কেবল দিয়েছে।তার বয়েসি একটি মেয়ে এসে তার রুমে ঢুকলো।বউকে জিজ্ঞেস করলাম কে ? বল্লো চিনি না, প্রমির সাথে পড়ে নাকি।

পরে মেয়ে এসে জানালো এই মেয়েটি আজ রাতে আমাদের বাসায় থাকতে চায় ! বল্লাম কেন ? সে বাসা থেকে রাগ করে এসেছে। তুমি চেন একে ? বলে আমাদের সাথে কোচিং এ পড়তো।বাসা চিনলো কি করে, আগে এসেছে আমাদের বাসায় ? মেয়ে জানালো তার বান্ধবীদের সাথে একদিন এসেছিল। তার কাছের কোন বান্ধবী সে না, শুধু কোচিং এ কিছুদিন এক ব্যাচে পড়েছে।বল্লাম ওকে খেতে দাও আগে।

খাওয়া শেষে আমি মেয়ের রুমে গিয়ে দেখি ফুলের মতো সুন্দর এক্টা মেয়ে ! কি সুন্দর চোখ, নাক। হলুদ ফর্সা গায়ের রং, লম্বা স্লিম এক্টা মেয়ে। বয়স ১৫/১৬ হবে। আমাদের পাশেই মোহাম্মদিয়া হাউজিং এ থাকে।কেন রাগ করেছ জিজ্ঞেস করলে বলে। তার বাবা তাকে বকেছে, বাসায় গেলে মারবে। বল্লাম আমি বাসায় দিয়ে আসবো, তোমাকে মারবে না। বলে সে আমার নিজের বাবা না, আমার বাবা আমার দুই বছর বয়সে মারা গেছে, তার পর মা এই লোককে বিয়ে করেছে। আমার নিজের বাবার কথা মনে নাই। তোমার আর ভাই বোন আছে ? না, আমি একা। এই লোককে তুমি কি ডাকো ? বাবা। তারও আর সন্তান নাই সুতরাং তুমিই তাদের একমাত্র সন্তান ? জ্বী।

ওর সাথে কথা বলতে বলতে রাত ১২টার বেশী হয়ে গেছে।এমন একটি মেয়ে রাতের বেলায় ঢাকা শহরে বাসা থেকে রাগ করে একা বেড়িয়ে গেছে। রাত ১২টায় ও বাসায় ফিরেনি ওর মা-বাবার মনের অবস্থা চিন্তা করে আমার রক্ত হিম হয়ে যাচ্ছে। মা সোনা ঢেকে অনেক বুঝিয়ে, অনেক কাকুতি মিনতি করেও মেয়েটির কাছ থেকে ওর মায়ের ফোন নম্বর নিতে পারলাম না। আমরা থাকতে না দিলে সে চলে যাবে ! কিন্তু কিছুতেই সে বাসায় ফিরবে না।শুধু রাতটা থাকতে চায়, সকালে সে চলে যাবে।

সকালে তুমি কোথায় যাবে ? বলে তার খালার বাসায় সাভারে যাবে। বল্লাম খালাকে ফোন দাও আমি কথা বলবো। সে খালাত ভাইকে ফোন লাগিয়ে দিল। কথা বলে দেখি এই ছেলে তার খালাত ভাই না, তার প্রেমিক ! এই ছেলের বাড়ি বাগের হাট। HSC পাস করে ঢাকায় ভর্তি কোচিং করতে আসছে। এসে এই মেয়ের সাথে প্রেম ! বল্লাম বাবা জানে ? দেখলাম ছেলেও চায় না মেয়েটি তার কাছে যাক। সে বোনের বাসায় সাভারে থাকে।পরেছি মহাবিপদে। সকালে অফিসও আছে। এই মেয়ের সাথে বার্গেইনিং করতে করতে রাত ১টা পেরিয়ে গেছে। আমার মেয়ে ওর বাসাও চিনে না।

শেষে মেয়েটি আমাকে বল্লো, আংকেল, আপনি সকালে অফিসে চলে যান, অফিস থেকে ফিরে বিকালে আমাকে বাসায় দিয়ে আসবেন। মা-বাবাকে বুঝিয়ে দিয়ে আসবেন যাতে আমাকে না মারে।উপায়ান্তর না দেখে আমি মেয়ের কথায় রাজি হলাম।আমার মেয়ের সাথে সে ঘুমালো।

আমার ফ্লাটের মূল দরজা ভেতর থেকে নরমাল লক করে ঘুমাই। আজ ওরা ঘুমিয়ে গেলে আমি চুপ করে গিয়ে দরজাটি চাবি দিয়ে লক করে আসি।এমনিতে তা কখনোই করি না।

ঘুম থেকে উঠে আমি অবাক ! ওই মেয়ে ঘরে নাই। আমাদের ঘুমে রেখে কখন যেন চলে গেছে ! সে চুরি করে আমাদের বেড রুমে ঢুকে ওয়াড্রোবের উপর থেকে চাবী নিয়ে দরজা খুলে চলে গেছে ! এখন পড়লাম আরেক দুঃশ্চিন্তায়। এই মেয়ে কোথায় গেল, কি হলো মেয়েটার, কার মেয়ে নানান চিন্তা। আমার মেয়েকে বল্লাম এই মেয়ে আমাদের বাসায় এসেছিল কাউকে বলার দরকার নাই।

মাস দুয়েক পরে আমার বউ এই মেয়েটিকে জাপান গার্ডেনের সামনে দেখেছে। এই খবর জেনে নিশ্চিন্ত হলাম যে মেয়েটি মা-বাবার কাছে ফিরেছে।মেয়েদের এই বয়সটা সাংঘাতিক রকমের সেনসেটিভ। মা-বাবাকে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে এই বয়সী মেয়েদের হ্যান্ডেল করতে হয়।

সাবা মেয়েটির বয়স ১১ বেশী হলে ১২/১৩ হবে।ঘরে ওর মা ক্যানসারের রুগী।এই মেয়েটিও একটি কিশোর ছেলের সাথে চলে গেছে। মেয়েটি বাসায় কি পরিবেশে আছে, তার পরিস্থিতিগত সাইকোলজি আমরা কিছুই জানি না। ভাল খবর হচ্ছে মেয়েটিকে সুস্থ পাওয়া গেছে।

কিন্তু খুবই দুঃখের বিষয় অনেক শিক্ষিত লোক ফেইসবুকে এই বাচ্চাটিকে নিয়ে অনেক বাজে মন্তব্য করছে। কেউ কেউ বিয়ের বয়স কমানোর প্রস্তাব করছে। বিয়ের বয়স কমিয়ে ১২/১৩ বছরের মেয়েকে বিয়ে দিলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে ? তার জীবন মসৃন হয়ে যাবে ? অদ্ভূত আপনাদের চিন্তা ভাবনা ! এই বাচ্চাটিকে নিয়ে যারা বাজে মন্তব্য করতে পারে তারা কেউ ভাল মানুষ না। মন থেকে তারা খুব নীচু মানসিকতা বহন করে।সকলের শুভবুদ্ধির উদয় হোক। এই বাচ্চাটি একটি সুন্দর জীবন পাক, এই কামনা।

পার্ক হাউস, পার্ক এভিনিউ, নিউ ইয়র্ক
ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২৫ মঙ্গলবার।

আপনার মাথার একটি চুল। সেটা দিয়েই আপনাকে প্রভাবিত করা যাবে। আপনি দূরে বসেই বুঝতে পারবেন, কেউ আপনাকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে।

প্রাচীন, জটিল এবং বিরল এই টেকনিক কিভাবে যেন চিকিৎসাশাস্ত্রেও চলে এসেছে। ফলে চুলের শক্তিকে ব্যবহার করে দূরের রোগীকে নিরাময় করার কাজটিও চলছে হাজার বছর ধরে। জটCAST এর নতুন পর্বে আমাদের সাথে আছেন এমনই একজন। দীর্ঘ আলাপে বেশকিছু গোপনীয় বিষয় প্রকাশ্যে উঠে এসেছে।

জানা গেছে,

১) "ফ্রি-মেসন সাইন" কিভাবে আমরা নিজের অজান্তেই ব্যবহার করে ফেলছি।

২) হোয়াইট ম্যাজিক ও ব্ল্যাক ম্যাজিক মুখোমুখি হলে কী ঘটে?

৩) অন্তরচক্ষু ও থার্ড আইয়ের মধ্যে পার্থক্য

৪) কিভাবে DNA তে লেপ্টে থাকা বেনিফিশিয়ারি জিন আপনাকে মুহূর্তেই সুস্থ করে ফেলতে পারে

আরও অনেক কিছু। দেখার আমন্ত্রণ।

জটCAST পর্ব-৪ : "চুলের শক্তি" আপনাকে সুস্থ করবে।

৫ ফেব্রুয়ারি, বুধবার, রাত ৮টা।

বিদ্র : এই পর্বটির বেশীরভাগ জুড়ে আছে জেনেটিক হোমিওপ্যাথি এবং বায়োলজিক্যাল সায়েন্স নিয়ে আলোচনা। ফলে অনেকের কাছে বোরিং লাগতেও পারে। তবে কোনোভাবে সাবজেক্টে প্রবেশ করতে পারলে, অপার্থিব আনন্দে ডুবে যাবেন আশাকরি।

মন্তব্য প্রত্যাশিত, তবে রুচিশীলতা কাম্য।

02/10/2024

#হাওর_সাহিত্য_ও_অধ্যত্ববাদ
::কানুনে আঞ্জুমান ও ইব্রাহিম খাঁ::
আঞ্জুমান মফিদুল ইসলাম নামটি ইসলামি হলেও সংঘটনটি ছিলো মধ্যপন্থি অসাম্প্রদায়িক বাঙালি জাতীয়তা বোধের রাজনৈতিক চিন্তা ধারার এবং হিন্দুত্ববাদ বিরোধী একটি সংগঠন। ইব্রাহীম খাঁ ও ইসমাঈল খাঁ সাহেব মূলত স্যার সৈয়দ আহমেদের ভাব শিষ্য ছিলেন। ময়মনসিংহে ১৮৭৫ সালে আঞ্জুমান ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হাওয়ার পর পরই আঞ্জুমান মফিদুল ইসলাম ইব্রাহিম খাঁ সাহেব মোহনগঞ্জের কতিপয় উৎসাহী মানুষ নিয়ে গঠন করেন, তিনি ছিলেন সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। এই সংঘটন থেকেই কলঘর নামক ছাপাখানা তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ১৮৮৭ সালে ও ইব্রাহিম খাঁ সম্পাদিত উদ্দেশ্য মহৎ পত্রিকা আঞ্জুমান মফিদুল ইসলাম কতৃক প্রকাশিত হয়। সেই সময়ে উদ্দেশ্য মহৎ পত্রিকার মাধ্যমে জাতীয় সিলেবাস একটি প্রবন্ধের মাধ্যমে প্রকাশ করেন যা আসাম বেংগলে বাংগালী সমাজে ব্যাপকভাবে আলোরন তৈরী ও প্রসংশা লাভ করেন। তার দুই এক বছর পরেই ব্রিটিশ সরকার এর শিক্ষানীতি মেনেই ১৮৮৮-৮৯ সালে জাতীয় বিদ্যালয়/ জুনিয়র মাদ্রাসা/মিডল মাদ্রাসা/ মাদ্রাসায় মফিদুল ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেন মোহনগঞ্জ টেংগাপাড়ায়। মাদ্রাসাটি ১৯০৮ সালে মিডল মাদ্রাসায় উন্নত হয় যা বর্তমান মোহনগঞ্জ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, ১৯১০ সালে এই মাদ্রাসা থেকে খান সাহেব আব্দুল আজিজ কৃতিত্বের সাথে মেট্রিকুলেশন পাশ করেন,তিনি ইব্রাহীম খাঁ সাহেবের প্রিয় ছাত্রদের মধ্যে একজন ছিলেন। ১৯৩১ সালে এই মিডল মাদ্রাসা কে স্কুলে রুপান্তর করা হয় এবং ইসলামি শিক্ষা ব্যবস্থা বন্ধ করে ইউরোপীয় শিক্ষা ব্যাবস্থা চালু করা হয়, ১৯৩১ সালে তৎকালীন ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্ট হিসেবে আব্দুল আজিজ মাদ্রাসাটি স্কুলে রুপান্তর এর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এবং ব্রিটিশ সরকার খুশি হয়ে পরবর্তীতে তাকে খান সাহেব উপাধি প্রদান করে। ইব্রাহিম খাঁ, ইসমাঈল খাঁ ও আনসার জান বিবি বিদ্যালয় এর জন্য জমি দান করেন ও শিক্ষকতাও করেন। ইসমাঈল খাঁ সাহেবের কন্যা শরিফুন নেসা খানম মাদ্রাসায় মফিদুল ইসলাম এর প্রথম ছাত্রী। ১৯০২ সালে মাদ্রাসায় মফিদুল ইসলাম এর শিক্ষার্থীদের অবৈতনিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে ইব্রাহিম খাঁ সাহেব টেংগাপাড়া, কাজীহাটি ও দৌলতপুর মৌজার তার সমস্ত তালুক ওয়াকফে লিল্লা করেন। আসাম বেংগলে তিনি এই প্রকারের অনেক মাদ্রাসা স্থাপন করেন যা উদ্দেশ্যে মহৎ পত্রিকার মাধ্যমে জানা যায়। ১৮৯৭ সালে মাদ্রাসায় মফিদুল ইসলামের আদলে নেত্রকোনায় আঞ্জুমানে ইসলামিয়া এর ব্যানারে মাদ্রাসায় আঞ্জুমান তৎকালীন মহকুমা প্রশাসক খান বাহাদুর আব্দুল করিম, সাবরেজিস্টার তাল্লাতাফ হোসেন সহ আরো বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগীদের নিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন যা আজকের আঞ্জুমান সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। ১৯০৬ সালের ঢাকার কেড়ানীগঞ্জে ইসলামি সম্মেলন এই আঞ্জুমান মফিদুল ইসলাম এর ব্যনারে হয়। সম্মেলনে ইব্রাহীম খাঁ সাহেবের সম্পাদনায় লাল ইস্তেহার প্রকাশিত করা হয়। ইস্তেহারে বঞ্চিত বাংগালী মুসলিম জাতির নানান দুঃখ দূর দশা, ব্রিটিশ ও হিন্দু জমিদারদের অত্যাচার সহ মুসলমানদের পিছিয়ে থাকার কারণ এবং পরিত্রাণের উপায় বর্ননা করেন। অত্যাচার থেকে রেহাই পেতে বাংগালী মুসলিম জাতির উন্নতি,শিক্ষা, চাকুরীসহ নানান সরকারি সুবিধাদি পাওয়ার লক্ষ্যে স্বজাতি আন্দোলন শুরু করেন এবং বাংগালী মুসলিম জাতীয়তা বোধের চেতনা জাগিয়ে তুলে সমস্ত বাংগালী মুসলমানদের একত্রিত করার চেষ্টা করেন ও বাংগালী মুসলিম স্বাতন্ত্র্য বোধ তৈরী করেন। ফলে ব্রিটিশ সরকার সাম্প্রদায়িকতার অভিযোগ তুলে ইব্রাহিম খাঁ সাহেবের নামে কলকাতায় মামলা দায়ের করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে, কোর্টে তিনি ১০০০ টাকা ব্যাক্তিগত জামানতের বিনিময়ে জামিন মঞ্জুর করেন। সম্ভবত কলকাতার ইব্রাহিম ডুপ্লে ঐ সময়ের কাছাকাছি কোন এক সময়ে ইব্রাহীম খাঁ সাহেবের সাথে একত্রিত হয় এবং বর্তমান আঞ্জুমান মফিদুল ইসলাম সারা ভারত বর্ষে ছড়িয়ে দেন।
ব্রিটিশ সরকার ১৯২৮ সালে ইব্রাহীম খাঁ ও ইসমাইল খাঁ সাহেব কে দমনের উদ্দেশ্য আসাম বেংগল রেলওয়ে কোম্পানির মাধ্যমে মোহনগঞ্জে তাদের তালুক অধিগ্রহণ করতে চাইলে তাদের সমস্ত তালুক ওয়াকফ করা বিধায় অধিগ্রহণ করতে পারেনি কিন্তু জোর করে বার্ষিক ভাড়ার বিনিময়ে স্টেশন ও রেল নির্মাণ করে। তাদের মূল বাড়ির ও আবাদি জমির উপর মোহনগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন স্থাপন করতে চাইলে এ নিয়ে আসাম বেংগল রেলওয়ে কোম্পানির সাথে তাদের বেশ হাংগামা হয়। ব্যাপক জনসমর্থন থাকায় রেলওয়ে কোম্পানি তাদের বাড়ি ও আবাদি জমি দখল করতে পারেনি ফলে টেংগাপাড়া খালের উপর থেকে রেললাইন বক্র করে তাদের বাড়ির পেছনের অংশে রেললাইন ও স্টেশন স্থাপন করে। রেললাইন ও স্টেশন স্থাপন করতে মাদ্রাসায় মফিদুল ইসলাম এর মসজিদের (যা পাইলট স্কুল মসজিদ নামে বর্তমানে পরিচিত) সামনের ঈদগাহ মাঠ তৎকালীন মোহনগঞ্জের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠের এর ২০০ শতাংশ জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করে যা পরবর্তীতে "নোয়াখ্যাল্লা পট্টি / কুলি পট্টি" "পাইলট স্কুলের পুকুর" নাম ধারণ করে।

#গবেষণা
#ডাঃ_সৈয়দ_মিনহাজ
চলবে...

06/10/2023

মোহনগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মুন্সি ইব্রাহিম খাঁ ও তপে সিংধা দর্জিবাজু

নেত্রকোনা শহরের আঞ্জুমান আদর্শ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় আদি রূপে যেমন মাদ্রাসা ছিলো, মোহনগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ও আদি রূপে অনুরূপ একটি মাদ্রাসা ছিলো। তখন তার নাম ছিলো মাদ্রাসা-ই-মফিদুল ইসলাম । ১৮৮৮ সালে এই মাদ্রাসার উদ্যোক্তা এবং প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন মোহনগঞ্জ উপজেলার টেঙ্গাপাড়া গ্রামের ঐতিহ্যধর অভিজাত পরিবারের সন্তান ও ১৮৮৮ সালেই টেঙ্গাপাড়া থেকে প্রকাশিত মাসিক "উদ্দেশ্য মহত" পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মুন্সি ইব্রাহিম খাঁ।
মুন্সি ইব্রাহিম খাঁ তাঁর লেখা কানুনে আঞ্জুমান গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন-- তিনি, তাঁর বড়বোন আনছরজান বিবি ও ছোট ভাই মু. ইসমাইল খাঁ ছিলেন ক্রয়সূত্রে টেঙ্গাপাড়া মৌজার ষোল আনা নিয়ে সৃষ্ট তাঁদের পূর্ব পূরুষ ইসলাম খাঁ নামীয় তালুক ও তাঁদের পিতা আদম খাঁ নামীয় তালুকের উপরিস্থ স্বত্বের মালিক এবং তাঁর বংশীয় পারিবারিক সূত্র মতে ১৮৯৮ সালের আগেই তাঁরা এই তালুক দুটির পূর্ণ মালিকানা অর্জন করেন ।

এর আগে এই মৌজার জমিদারি স্বত্ব ছিলো সোনারগাঁওয়ের জমিদার বারোভূঁইয়া প্রধান ঈসা খাঁর প্রপৌত্র বর্তমান নরসিংদী জেলার অন্তর্গত পারুলিয়ার জমিদার শরীফ খাঁর । শরীফ খাঁ ১৬৬৬/৬৭ সালে তাঁর পিতা মাসুম খাঁর মৃত্যুর পর পৈতৃক জমিদারি হতে নিজ অংশের স্বতন্ত্র বন্দোবস্ত নিয়ে সোনারগাঁও থেকে প্রাগুক্ত পারুলিয়ায় বাসস্থান গড়ে তোলেন । তবে তাঁর কোনো পুত্র সন্তান না থাকায় তাঁর মৃত্যুর পর এ জমিদারির কর্তৃত্ব তাঁর একমাত্র মেয়ে জামাতা ও বর্তমান কিশোরগঞ্জ জেলার হয়বত নগর জমিদারির প্রতিষ্ঠাতা ঈসা খাঁরই বংশধর জঙ্গলবাড়ির অন্যতম জমিদার দেওয়ান হায়াত দাদ খাঁর পুত্র দেওয়ান হয়বত দাদ খাঁ অর্জন করেন ।

ইব্রাহিম খাঁর বংশীয় পারিবারিক সূত্রে জানা যায়--টেঙ্গাপাড়ার ইসলাম খাঁ ছিলেন শরীফ খাঁর প্রিয়পাত্র। ফলে ঐসময়ে সিংধা মৈন পরগনার অন্তর্গত টেঙ্গাপাড়া মৌজার মধ্যস্বত্বযুক্ত জোত বা পাট্টাই তালুক থেকে জমিদার শরীফ খাঁ কোনো খাজনা নিতেন না।

সিংধা মৈন পরগনাটিও খুব ছোট ছিলো। এর অন্তর্গত ভূমির পরিমাণ ২০থেকে২৫ হাজার একরের বেশি ছিলোনা। অর্থাৎ ময়মনসিংহ পরগনার কম/বেশি দেড় আনা অংশের সমান। বারহাট্টা, কলমাকান্দা,মোহনগঞ্জ ও নেত্রকোনা সদর থানারও আমতলা ইউনিয়নের অনেকাংশ জুড়ে সিংধা মৈন পরগনাটি বিস্তৃত ছিলো । লখনৌতির ( গৌড়ের ) কররানী আফগান মালিকদের শাসন সময়েও বারহাট্টা থানার সিংধা গ্রামেই ছিলো পরগনাটির সদর দফতর । সরকারি নথিপত্রে সিংধা মৈন পরগনা ১৭৯৩ সালে বিভক্ত হয়ে তপে সিংধা বরদাখাত পরগনা নামে একাংশ তৎকালীন সরকারের মালিকানায় ময়মনসিংহের জেলা কালেক্টরের কর্তৃত্বাধীন হয় এবং অপর অংশ তপে সিংধা দর্জিবাজু পরগনা নামে হয়বত নগরের জমিদার দেওয়ান মাহমুদ খাঁর মালিকানাধীন থাকে। তাঁর মৃত্যুর পর এটি তার নিজ উত্তরাধিকার দেওয়ান সাহনেওয়াজ খাঁর মালিকানাধীন হয়। আর সাহনেওয়াজ খাঁর উত্তরাধিকারীদের সময় থেকেই তপে সিংধা দর্জিবাজু পরগনা থেকে ১৩ টি অতিশয় ক্ষুদ্র তালুক বেরিয়ে যায় এবং এগুলোর অন্যতম তালুক ইসলাম খাঁ ও তালুক আদম খাঁরও পূর্ণ মালিকানা টেঙ্গাপাড়ার আদম খাঁর উত্তরাধিকারীরা অর্জন করেন। ক্যাডাস্ট্রাল সার্ভে রেকর্ডে পরগনার কম/বেশি ১২ আনা অংশ তালুক সাহনেওয়াজ নামে বন্দোবস্ত বহাল থাকে ।
ইব্রাহিম খাঁ এবং তাঁর বড়বোন ও ছোট ভাইও প্রাগুক্ত তালুক ইসলাম খাঁর ও তালুক আদম খাঁর ভূমি বা
উপরিস্থ স্বত্বের আয় সমাজ সেবামূলক কাজে ওয়াকফ করেছিলেন বলে উল্লেখ পাওয়া যায় ইব্রাহিম খাঁর আত্মজীবনীমূলক লেখায়। মাদ্রাসা-ই-মফিদুল ইসলাম এবং মাসিক উদ্দেশ্য মহত পত্রিকাও এই সমাজসেবারই অন্তর্গত ছিলো ।
১৯০৮ সালে মাদ্রাসা-ই-মফিদুল ইসলাম মিডল মাদ্রাসা স্কিমের আওতাভূক্ত হয়। আর ১৯৩১ সালে এই মিডল মাদ্রাসাটিই স্থানীয় উদ্যোগে মোহনগঞ্জ হাই স্কুলে রূপান্তর করা হয় এবং এটিই মোহনগঞ্জ থানা এলাকার প্রথম উচ্চ বিদ্যালয়। আর এ সময়েই স্কুলটিতে মোহনগঞ্জের বিরল দৃষ্টান্তের ত্যাগী সন্তান কম্যুনিস্ট পার্টির অন্যতম নেতা জহুর উদ্দিন শিক্ষকতা করেন । যে জন্যেই তাঁর নামের সঙ্গে মাস্টার পদবী যুক্ত হয়।

উল্লেখ্য, মাদ্রাসাটি হাই স্কুলে রূপান্তরের সময়ে নব গঠিত মোহনগঞ্জ ইউনিয়ন বোর্ডের প্রথম নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট আব্দুল আজিজ আহাম্মদ ছিলেন উদ্যোগীদের মধ্যে শীর্ষজন। ঐ সময়ে বর্তমান ১নং বিরামপুর বড়কাশিয়া ইউনিয়ন সহ মোহনগঞ্জ পৌরসভারও সিংহ ভাগ ছিলো মোহনগঞ্জ ইউনিয়ন বোর্ডের অন্তর্ভূক্ত। মাদ্রাসাটি হাই স্কুলে বা পাশ্চাত্য বিদ্যাপীঠে রূপান্তরের উদ্যোগ ও নেতৃত্বে ইউনিয়ন বোর্ড প্রেসিডেন্ট আব্দুল আজিজ আহাম্মদের সঙ্গে স্কুলের প্রধান শিক্ষক মৌলবী আব্দুস সামাদ, সহকারী শিক্ষক জহুর উদ্দিন মাস্টার প্রমুখ যুক্ত ছিলেন।
মরহুম আব্দুল আজিজ আহাম্মদ এর পরের বছর বা তার পরের বছর সমাজ সেবামূলক কাজের জন্যে বৃটিশ সরকার প্রদত্ত খান সাহেব খেতাব অর্জন করেন। খান সাহেব আব্দুল আজিজ আহাম্মদের পৈতৃক নিবাসও টেঙ্গাপাড়া এবং তাঁর পিতা মরহুম মির হোসেন ও পিতৃব্য মরহুম রিয়াজ উদ্দীন ক্যাডাস্ট্রাল সার্ভে রেকর্ড অনুসারে তালুক আদম খাঁর অন্তর্গত একটি ক্ষুদ্র অত্রস্বত্বভূক্ত বা মধ্যস্বত্বযুক্ত জোতের স্থায়ি দখলস্বত্বভোগী ছিলেন ।
তালুক ইসলাম খাঁ ও তালুক আদম খাঁর ভূমির পরিমাণ ছিলো ১৫৭ একর ( স্থানীয় পরিমাপ অনুসারে কিঞ্চিতধিক ৬ পুরা ১৩ আরা )। এ পরিমাণ বা কিঞ্চিত কম/বেশি পরিমাণ ভূমি নিয়ে তপে সিংধা দর্জিবাজু পরগনায় আরো ১১ টি উপরিস্থ স্বত্বযুক্ত তালুকের মধ্যে ২টি বড়পাইকুড়ার মিয়া পরিবার এবং খুরশিমুলের চক্রবর্তী পরিবারেরও ছিলো । বাহামের দত্ত মজুমদার ও বড়তলীর সিংহ মজুমদারদের বড়হিস্যার--যাঁদের বর্তমান প্রজন্ম সিলেটে বাস করে; তাঁদেরও ছিলো বলে জানা যায়। পাঁচ শ' থেকে হাজার একর পরিমাণ জমি নিয়ে বিচ্যুত কয়েকটি তালুক হয়বত নগরের জমিদার পরিবারের কন্যাপক্ষীয় ফারায়েজদের মালিকানায়ও ছিলো বলে জানা যায়।
এখন পর্যন্তও মুসলমান সমাজে ইসলামী শিক্ষার দুটি ধারার প্রচলন আছে । একটি সুফিবাদী পীরালি ধারা অন্যটি মাদ্রাসা ভিত্তিক শরিয়াবাদী উলামা ধারা । মুন্সি ইব্রাহিম খাঁ ক্বোরআন-সুন্নাহ বা শরিয়া পন্থী মুসলমান এবং তাঁর সময়ে তিনি ছিলেন--যথাযথ ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত স্থানীয় মুসলমান সমাজ জাগরণের অন্যতম দিশারী , তবে কখনোই সাম্প্রদায়িকতা দোষে দুষ্ট ছিলেন না । ইব্রাহিম খাঁ ছিলেন কবি ও সাংবাদিক । তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত "উদ্দেশ্য মহত" তৎকালীন নেত্রকোনা মহকুমা থেকে প্রকাশিত প্রথম সংবাদপত্র । ১৮৮৮ সালের আগে ( ১৮৭৬--১৮৭৮ সালের মধ্যে ) সুসং দুর্গাপুরের জমিদারদের পৃষ্ঠপোষকতায় একটি কবিতা পত্র ও একটি সঙ্গীত বিষয়ক পত্রিকা নেত্রকোনা থেকে প্রকাশিত হলেও ১৮৮৮ সালের আগে কোনো সংবাদ পত্র নেত্রকোনা থেকে প্রকাশ হয়েছে বলে এখনও কোনো বস্তুনিষ্ঠ তথ্য পাওয়া যায়না ।" উদ্দেশ্য মহত" মাসিক হলেও তাতে সংবাদ থাকতো। মুন্সি ইব্রাহিম খাঁ শুধু মোহনগঞ্জেরই নয়, নেত্রকোনা জেলারও গর্ব ।

#গবেষণা নেত্রকোনার ইতিহাস।
সৈয়দ নাজমুল করিম
সাংবাদিক ও গবেষক
প্রতিষ্ঠাতা, নেত্রকোনা সাহিত্য সমাজ।

*শোক সংবাদ* গভীর শোক ও দুঃখের সাথে জানানো যাচ্ছে যে, শ্রদ্ধেয় আবুল হোসেন স্যারের ছোট মেয়ে,পরিকল্পনা কমিশনের যুগ্মসচিব মা...
13/02/2023

*শোক সংবাদ*

গভীর শোক ও দুঃখের সাথে জানানো যাচ্ছে যে, শ্রদ্ধেয় আবুল হোসেন স্যারের ছোট মেয়ে,পরিকল্পনা কমিশনের যুগ্মসচিব মাকসুদা হোসেন হাসি’র স্নেহের ছোট বোন ,৯৯ ব্যাচের কৃতি পাইলটিয়ান,২৮ তম বিসিএস এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, পুলিশ স্টাফ কলেজ এ কর্মরত জনাব মারুফা হোসেন লাইফ সাপোর্ট এ থাকা অবস্থায় আইসিইউতে রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ রাত ০৯:৪৫ ঘটিকায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। তিনি ব্রেইন ক্যান্সার এ মারাত্মকভাবে আক্রান্ত হয়ে ২০২১ থেকে রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন

মৃত্যুকালে তিনি স্বামী এবং বহু আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই মেধাবী ছাত্রী অত্যন্ত হাসিখুশি, প্রানোৎচ্ছল, অমায়িক , ভদ্র , বিনয়ী এবং জনবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন। মেধাবী এই পুলিশ কর্মকর্তার অকাল মৃত্যুতে আমরা সবাই গভীরভাবে শোকাহত।

মরহুমার রুহের মাগফেরাত কামনা করার জন্য সকলকে বিনীতভাবে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

Address

Mohangonj Pilot Gov't High School
Mohanganj
2446

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mohanganj Pilot Govt. High School posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category