Jhulon pole B-M High school,Mirsarai,chittagon

Jhulon pole B-M High school,Mirsarai,chittagon

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Jhulon pole B-M High school,Mirsarai,chittagon, High School, JHULON POLE P. C P. S-ZORARJONG, Mirsarai.

26/01/2016

সাফল্যের অগ্রযাত্রা নিয়ে এগিয়ে
যাচ্ছে ঝুলনপোল বিএম উচ্চ বিদ্যালয়
জয়নাল আবেদীন
মিরসরাই উপজেলার ঝুলনপোল
এলাকায় ছায়া শীতল গ্রামীণ
প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রতিষ্ঠিত
ঝুলনপোল বেনি মাধব (বিএম) উচ্চ
বিদ্যালয়। এলাকাবাসীর
সহযোগীতায় ধীরে ধীরে গড়ে উঠা
এ প্রতিষ্ঠানটি সাফল্যের
অগ্রযাত্রা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।
খেলার মাঠ, বিজ্ঞানাগার,
কম্পিউটার ল্যাব, মাল্টিমিড়িয়া
ক্লাসরুম, গ্রন্থাগার স্বয়ংসম্পুন্ন একটি
আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি; বলা
যায় ইর্শান্বিত বিদ্যাপিট। এই
বিদ্যালয় থেকে পড়ালেখা করে
অনেক ছাত্র এখন প্রতিষ্ঠিত দেশ
বিদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের
গুরুত্বপূর্ণ পদে। বর্তমানে একঝাঁক
উদ্যোমী শিক্ষক ও দক্ষ পরিচালনা
পরিষদের নিপুন প্রচেষ্ঠায় উন্নতির
শিখরে এগিয়ে যাচ্ছে
অজোপাড়াগাঁয়ের এই
বিদ্যাপিঠটি। ১৯৭২ সালে একশত
শিক্ষার্থী নিয়ে প্রাথমিক
বিদ্যালয়ের মাধ্যমে এ
প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হয়।
এলাকাসীর চেষ্টায় ও তৎকালীন
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের উপদেষ্ঠা
এবং চট্টগ্রাম জেলা ত্রান বিতরণ
কমিটির সভাপতি মরহুম সৈয়দ ফজলুল হক
বিএসসির অনুপ্রেরনায় এ বিদ্যালয়
প্রতিষ্ঠা হয়।
পরবর্তীতে বিদ্যালয়ের উন্নয়নে
বিশেষ অবদান রাখেন বর্তমান
সাংসদ এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী
ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। যা
বর্তমানেও অব্যাহত রয়েছে।
উপজেলার ইছাখালী ইউনিয়নের
অধিকাংশ ও কাটাছরা ইউনিয়নের
আংশিক এলাকার প্রায় ১৫টি
গ্রামের ছেলে মেয়েরা এ
বিদ্যালয়ে অধ্যায়ন করছে। পড়লেখার
পাশাপাশি খেলাধুলা ও
সাংস্কৃতি কর্মকান্ডেও ভালো
অবদান রেখে চলছে এ বিদ্যালয়ের
শিক্ষার্থীরা। ২০১৩ সালে
আন্তঃস্কুল-মাদ্রাসা ফুটবল
টুর্ণামেন্টে মিরসরাই উপজেলায়
চ্যম্পিয়ন হয়ে জেলা পর্যায়ে
কোয়াটার ফাইনালে খেলে এ
বিদ্যালয়ের ফুটবল টিম। এছাড়া
বিদ্যালয়ে প্রতিবছর ক্রীড়া,
সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতার
বিভিন্ন অনুষ্ঠান হয় নিয়মিত। গালর্স
গাইড ও বয় স্কাউট টিমও রয়েছে
বিদ্যালয়টিতে।
বিদ্যালয়টি প্রথমে ঝুলনপোল উচ্চ
বিদ্যালয় নামে প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর
বিদ্যালয়ের অর্থনৈতিক অবস্থা দুর্বল
হওয়ার কারণে বিদ্যালয়ের
দৈন্যদশা দেখা দেয়। পরে বিদ্যালয়
সম্প্রসারণের জন্য স্থানীয় বেনি
মাধব দাশের বড় ছেলে নারায়ন চন্দ্র
দাশ বিদ্যালয়ের জন্য ৭৮ শতক জায়গা
দান করেন। শুধু জায়গা দানই নয় বেনি
মাধব দাশের পরিবার বিভিন্ন সময়
আর্থিক সহায়তাও দিয়েছেন
প্রতিষ্ঠানটিকে। যার ফলশ্রুতিতে
বিদ্যালয়টির নামকরণ করা হয়
ঝুলনপোল বেনি মাধব উচ্চ বিদ্যালয়।
বেনি মাধব দাশের ছোট ছেলে
নেপাল চন্দ্র দাশ বর্তমানে
বিদ্যালয়ের বিদ্যোসাহী সদস্য
হিসেবে রয়েছেন।
১৯৭৩ সালে ৬০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে
প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক
বিদ্যালয়ে উন্নীত হয় প্রতিষ্ঠানটি।
১৯৭৭ সালে পাশ্ববর্তি বামনসুন্দর উচ্চ
বিদ্যালয়ের মাধ্যমে প্রথম বারের মত
এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় এ
বিদ্যালয়। ১৯৭৭ সালে এসএসসি
পরীক্ষায় ৪ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ
করে ৩ জন পাশ করে। ১৯৭৮ সালে ও
বামনসুন্দর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাধ্যমে ৯
জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ
নিয়ে ৬ জন পাশ করে। ১৯৭৯ সালে
বিশেষ অনুমতিতে ১৮ জন
পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ৯
জন পাশ করে। ১৯৮০ সালে প্রথম
বারের মত ঝুলনপোল বিএম উচ্চ
বিদ্যালয় নিজেদের নামে এসএসসি
পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে। ওই সময় ১৯ জন
পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ৭
জন পাশ করে।
বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠালগ্নে প্রথম
প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব
পালন করেন ফরিদ আহমদ এবং প্রথম
ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির
দায়িত্ব পালন করেন খুরশিদ আলম
আজাদ। তিনি একমাস প্রধান
শিক্ষকের দায়িত্বও পালন করেন।
এরপর থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের
দায়িত্ব পালন করেন বেনি মাধব
দাশের মেঝ ছেলে সুনীল চন্দ্র দাশ।
তার অক্লান্ত পরিশ্রমে বিদ্যালয়টি
একটি আদর্শ বিদ্যালয়ে পরিনত হয়।
বিগত কয়েক বছরে বিদ্যালয়ের
জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার
ফলাফলে এগিয়ে যাওয়ার
প্রতিচ্ছবি পরিলক্ষিত হচ্ছে। ২০১১
সালে জেএসসি পরীক্ষায় ১৯৬ জন
পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ১ জন
জিপিএ-৫ সহ ১৭০ জন শিক্ষার্থী
উর্ত্তীন্ন হয়। পাশের শতকরা হার
৮৬.৭৩%। ২০১২ সালে ১৪২ জন
পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে
১৩৩ জন শিক্ষার্থী পাশ করে। পাশের
শতকরা হার ৯৩.৭৩%। ২০১৩ সালে ২৩৫
জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ
নিয়ে ৮ জন জিপিএ-৫ সহ ২০৪ জন
শিক্ষার্থী পাশ করে। শতকরা
পাশের হার ৮৬.৮০%। ২০১৪ সালে ২০১
জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে
৬ জন জিপিএ-৫ সহ ১৯৬ জন শিক্ষার্থী
পাশ করে। শতকরা পাশের হার ৯৬.৫২%।
অন্যদিকে ২০১২ সালে ১৫০ জন
পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ
নিয়ে ১২৭ জন পাশ করে। শতকরা
পাশের হার ৮৬.৬৬%। ২০১৩ সালে ৯৩
জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ
নিয়ে ৪জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ সহ
৮৫ জন শিক্ষার্থী পাশ করে। শতকরা
পাশের হার ৯১.৩৯%। ২০১৪ সালে ১৫১
জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে
১৫ জন জিপিএ-৫সহ (৮জন গোল্ডেন
জিপিএ-৫) ১৪৮ জন শিক্ষার্থী পাশ
করে। শতকরা পাশের হার ৯৮.০১%।
ভবিষ্যতে শতভাগ ফলাফল সহ আরো
ভালো ফলাফল অর্জন করবে বলে
আশাবাদ ব্যক্ত করেন বিদ্যালয়ের
প্রাক্তন ছাত্র ও প্রধান শিক্ষক
জাহাঙ্গীর কবির।
বিদ্যালয়ে ঘুরে দেখা গেছে, একটি
প্রত্যন্ত অঞ্চলের বিদালয় হয়েও যে
পরিপূণর্তা লক্ষ্য করা গেছে তা
শহরের অনেক বিদ্যালয়ের চেয়ে
কোন অংশে কম নয়। শিক্ষার্থীদের
জন্য রয়েছে বিজ্ঞানাগার,
কম্পিউটার ল্যাব, পাঠাগার,
গন্থাগার, মালিমিড়িয়া ক্লাসরুম,
ছাত্রীদের কমন রুম, বিশাল খেলার
মাঠ, ইবাদতখানা। শিক্ষক ও
শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা
শোচাগার এবং সুপেয় পানির
ব্যবস্থা রয়েছে।
সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে কথা হয়
ঝুলনপোল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান
শিক্ষক জাহাঙ্গীর কবিরের সাথে।
তিনি ২০১৩ সালের ১ ডিসেম্বর ওই
বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে
যোগদান করেন। তিনি বলেন
বিদ্যালয়ে বর্তমানে শিক্ষক সংকট,
অবকাঠামোগত সমস্যা ও ভবন সংকট
রয়েছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর
তুলনায় ভবন সংকট রয়েছে তাছাড়া
২০১৫ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীর
সংখ্যা বাড়লে তা আরো প্রকট
আকার ধারণ করবে। তবে বর্তমান
সাংসদ, গৃহায়ন ও গনপূর্ত মন্ত্রী
ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের
একান্ত প্রচেষ্ঠায় একটি নতুন ভবন
নির্মাণ প্রক্রিয়ধীন রয়েছে বলে
তিনি জানান। এছাড়া বিদ্যালয়ের
সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব আহমদ
ছোবহান, আলহাজ্ব বেলায়েত
হোসেন ভূঁইয়া, বর্তমান সভাপতি
আলহাজ্ব এসএম আবু সুফিয়ান, আজীবন
দাতা সদস্য মানিক রতন শর্মা,
প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী পরিষদের
সাধারণ সম্পাদক এসএম সিরাজুল
ইসলাম ভূঁইয়া বিদ্যালয়ের জন্য ব্যাপক
কাজ করে যাচ্ছেন। বেলায়েত
হোসেন ভূঁইয়া নিজের ব্যক্তিগত
তহবিল থেকে বিদ্যালয়ের মুল ফটক
নির্মাণ ও একটি মাল্টিমিড়িয়া
ক্লাসরুম প্রতিষ্ঠা করেন। যা বর্তমান
ডিজিটাল বাংলাদেশ
বাস্তবায়নে মুখ্য ভূমিকা রাখবে।
আলহাজ্ব আহমদ ছোবহান নিজের
তহবিল থেকে বিদ্যালয়ের জন্য ভূমি
দান করেন এবং একটি ভবন প্রতিষ্ঠা
করেন। এছাড়া প্রতি বছর দরিদ্র
এসএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রাক্তন
ছাত্রছাত্রী পরিষদের পক্ষ থেকে
সহযোগীতা করা হয়। বিদ্যালয়টির
অতীতের ফলাফল খুব একটা মনে
রাখার মতোনা হলেও ধীরে ধীরে
উন্নতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে
বিদ্যালয়টি। শিক্ষার্থীদের
নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষকদের
মনিটরিংয়ে আগামীতে আরো
ভালো ও শতভাগ ফলাফলের জন্য
শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটি কাজ
করে যাচ্ছেন বলে তিনি জানান।
বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা থেকে এ
পর্যন্ত কর্মরত শিক্ষক আতাউল হক
জানান, বর্তমানে এ বিদ্যালয়ে ৫টি
শ্রেণী ১১টি শাখায় ১০৫৪ জন
শিক্ষার্থী রয়েছে। এমপিওভুক্ত,
খন্ডকালীনসহ ১৮ জন শিক্ষক এবং
অফিস সহকারী ৩জন, চতুর্থ শ্রেণীর
কর্মচারী ৩জন কর্মরত রয়েছে অত্র
বিদ্যালয়ে। যাদের একান্ত নিরলস
প্রচেষ্ঠায় এগিয়ে চলছে
বিদ্যালয়টি।
প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর কবিরের
কাছে বিদ্যালয়কে নিয়ে ভবিষ্যত
পরিকল্পনার কথা জানতে চাইলে
তিনি চলমান মিরসরাইকে বলেন,
আমি আইন বিভাগে পড়ালেখা
করলেও আমার বাবার অনুরোধে
শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত
রয়েছি। আমি এই বিদ্যালয়ের
প্রাক্তন ছাত্র। প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী
পরিষদের সভাপতির দায়িত্বে
রয়েছি। এ প্রতিষ্ঠানের সাথে
আগে থেকে জড়িত রয়েছি। তবে
প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব গ্রহণ করার
পর আমার দায়িত্ব অনেক বেড়ে
গেছে। আমি এ বিদ্যালয়ের উন্নতির
বিষয়কে চ্যালেঞ্জ হিসেবে
নিয়েছি। শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং
পরিচালনা কমিটি সাথে নিয়মিত
আলোচনা করি কীভাবে
বিদ্যালয়ের ভালো ফলাফল অর্জন
করা যায়। তাদের সহযোগীতায় এবং
একঝাঁক উদ্যোমী শিক্ষকদের নিয়ে এ
প্রতিষ্ঠানকে উপজেলার একটি
শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপিঠে রূপান্তরিত
করতে আমি বদ্ধপরিকর।
বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র ও আজীবন
দাতা সদস্য মানিক রতন শর্মা বলেন,
ঝুলনপোল বেনি মাধব উচ্চ বিদ্যালয়
মিরসরাই উপজেলার মধ্যে একটি
ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। এ বিদ্যালয়
থেকে পাশ করে অনেক শিক্ষার্থী
দেশ-বিদেশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে
উচ্চ পর্যায়ে আসীন রয়েছেন।
বর্তমানে এ বিদ্যালয় পাশ্ববর্তী
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর চাইতে
ভালো ফলাফল অর্জন করছে।
ভবিষ্যতে আরো ভালো ফলাফল
অর্জন করবে বলে আমি আশাবাদী।
বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের
সভাপতি, সদস্যদের সমন্বয়ে ভালো
ফলাফলের জন্য ভূমিকা রাখবে বলে
তিনি আশা করেন ।
তিনি আরো বলেন, বর্তমানে
বিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান সমস্যা ভবন
সংকট। বিদ্যালয়ে প্রায় ১১’শ
শিক্ষার্থী রয়েছে। তাদের
পাঠদানের জন্য শ্রেণী কক্ষ অপ্রতুল।
বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের
সভাপতি আলহাজ্ব এসএম আবু সুফিয়ান
চলমান মিরসরাইকে বলেন, ঝুলনপোল
উচ্চ বিদ্যালয় আমার জীবনের একটি
অংশ। ২০১০ সাল থেকে আমি এ
বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির
সভাপতির দায়িত্ব পালন করে
আসছি। আগামী ২০১৬ সাল পর্যন্ত এই
পরিচালনা কমিটির সময় রয়েছে। এই
সময়ের মধ্যে বিদ্যালয়ের আরো
উন্নতির জন্য আমরা নিরলস ভাবে
কাজ করে যাব। আমি বিদ্যালয়ে
আর্থিক, মানসিক ও শারীরিকভাবে
সহযোগীতা করে আসছি। ভবিষ্যতেও
এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখবো।
বিদ্যালয়ের বর্তমান সমস্যা সর্ম্পকে
তিনি বলেন, আমাদের অন্যতম প্রধান
সমস্যা ভবন সংকট। বর্তমানে
গাদাগাদি করে শিক্ষার্থীদের
পাঠদান করতে হচ্ছে। একটি ভবন
নির্মিত হলে আমাদের সমস্যার
সমাধান হয়ে যাবে। ইতোমধ্যে নতুন
ভবনের জন্য মন্ত্রী মহোদয় আমাদের
আশ্বস্ত করেছেন।
বিদ্যালয়কে নিয়ে ভব্যিষ্যৎ
পরিকল্পনার কথা জানতে চাইলে
তিনি বলেন, এলাকাবাসীর
সহযোগীতায়, ম্যানেজিং কমিটির
সদস্য, শিক্ষকদের নিয়ে একসাথে
কাজ করে শতভাগ ফলাফলের
পাশাপাশি উপজেলায় একটি মডেল
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গড়ে তোলার
চেষ্টা করে যাচ্ছি।y

21/08/2015

এই পেজের জন্য এক জন এডমিন দরকার।তাকে স্কুল এর Running ছাএ হতে হবে।
দয়া করে ইনবক্স যোগাযোগ করুন।
By.......Hridoy.

03/08/2015

ইসলাম ডেস্ক: ৪০ হিজরির একুশে রমজান। সব-হারানোর বেদনায় গোটা বিশ্ব জগত যেন ব্যথিত, প্রকৃতি যেন নির্জীব, অচল, স্পন্দনহীন। ইয়াতিম, বঞ্চিত আর মজলুমের মর্মভেদী কান্নায় আকাশ-বাতাস ভারাক্রান্ত! যে অবিস্মরণীয় নিষ্পাপ-ফুলেল সত্তা হিজরি-পূর্ব ২৩ সনের ১৩ই রজব পবিত্র কাবা ঘরে জন্ম নিয়ে তাঁর বহুমুখী সৌরভে ও অতুলনীয় সব গুণের ছোঁয়ায় বারে বারে ইসলামকে দিয়েছে নব-জীবন এবং টিকিয়ে রেখেছিল ইসলামের প্রকৃত প্রাণ ও চেতনা সেই পবিত্র ব্যক্তিত্বের শাহাদত শোক-সাহারায় তুলেছে অনন্ত মাতম! প্রায় ১৪০০ বছর ধরে মু'মিনের চোখে রক্ত-অশ্রু-ঝরাচ্ছে এই রাত! কিন্তু সে রাতে বিশ্বনবী (সা.)'র পর হেদায়াতের উজ্জ্বলতম প্রদীপ অসময়ে চিরতরে নির্বাপিত হলেও মানুষের অন্তরে তিনি আজো অমর, অক্ষয় এবং ঈমানের অফুরন্ত শক্তির উৎস !
একুশে রমজান পৃথিবী হারিয়েছিল বিশ্বনবী-(সা.)'র শ্রেষ্ঠ প্রতিনিধি ও শ্রেষ্ঠ অনুসারীকে, হারিয়েছিল বিশ্বনবী (সা.) এর জ্ঞান-নগরীর মহাতোরণকে, হারিয়েছিল রাসূল (সাঃ)'র পর সবচেয়ে দয়ালু ও উদার আত্মার অধিকারী মানুষ এবং হেদায়াতের উজ্জ্বলতম প্রদীপকে। সেদিন মুসলিম বিশ্ব তার অত্যন্ত দুঃসময়ে হারিয়েছিল সাধনা ও আধ্যাত্মিক পূর্ণতার সর্বোত্তম আদর্শকে, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় মহানবী (সাঃ)'র নিজ হাতে গড়ে তোলা ইসলামের শ্রেষ্ঠ সেনাপতি ও সবচেয়ে আপোষহীন নেতা হযরত আলী (রা.)কে।
আলী (আ.) ছিলেন যুবকদের জন্য বীরত্ব ও সাহসিকতার আদর্শ, সরকার-প্রধানদের জন্য ন্যায়বিচারের আদর্শ, ইবাদত, খোদাপ্রেম ও ভারসাম্যপূর্ণ অনাড়ম্বর জীবনের জন্য সব মুমিন মুসলমানের জন্যই আদর্শ। তাঁর মুক্তিকামীতা বিশ্বের সব মুক্তিকামীর আদর্শ এবং প্রজ্ঞাময় বক্তব্য ও চিরস্মরণীয় উপদেশগুলো আলেম, বিজ্ঞানী, দার্শনিক ও চিন্তাবিদদের জন্য আদর্শ।
আলী (আ.) ছিলেন সেই ব্যক্তিত্ব নদী-দখলকারী শত্রুরা যার বাহিনীর জন্য নদীর পানি ব্যবহার নিষিদ্ধ করলে সেই শত্রুদের পরাজিত করার পরও তিনি ওই নদীর পানি কোনো শত্রুর জন্য নিষিদ্ধ করেননি। জালিমদের বিরুদ্ধে আলী (আ.) সবচেয়ে কঠোর হলেও তিনি ব্যক্তিগত ক্রোধের বশে নয় বরং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য তাদের ওপর আঘাত হানতেন।
হযরত আলী (আঃ) ছিলেন সেই ব্যক্তিত্ব যার সম্পর্কে রাসূলে পাক (সাঃ) বলেছেন, মুসার সাথে হারুনের যে সম্পর্ক তোমার সাথে আমার সেই সম্পর্ক, শুধু পার্থক্য হল হারুন (আঃ) নবী ছিলেন, তুমি নবী নও। রাসূল (সা.) বলেছেন, " আমি জ্ঞানের নগরী, আলী তার দরজা, যে কেউ আমার জ্ঞানের মহানগরীতে প্রবেশ করতে চায় তাকে এ দরজা দিয়েই আসতে হবে"।
বিশ্বনবী (সাঃ) আরো বলেছেন: আমি আলী থেকে, আর আলী আমার থেকে, যা কিছু আলীকে কষ্ট দেয়, তা আমাকে কষ্ট দেয়, আর যা কিছু আমাকে কষ্ট দেয় তা আল্লাহকে কষ্ট দেয়।
হযরত আলী (আ.)'র আকাশ-ছোঁয়া বীরত্ব ও মহত্ত্বে অমুসলিম পণ্ডিতরাও অভিভূত ও হতবাক হয়েছেন। আর ডি ওসবোর্ন বলেছেন, আলী (আ.) ছিলেন মুসলমানদের ইতিহাসের সর্বোত্তম আত্মার অধিকারী সর্বোত্তম ‍ব্যক্তি।
ওয়াশিংটন আরভিং বলেছেন, "সব ধরনের নীচতা ও কৃত্রিমতা বা মিথ্যার বিরুদ্ধে আলী (আ.)'র ছিল মহত সমালোচনা এবং আত্মস্বার্থ-কেন্দ্রীক সব ধরনের কূটচাল থেকে তিনি নিজেকে দূরে রেখেছিলেন।"
ঐতিহাসিক মাসুদির মতে, রাসূল (সা.)'র চরিত্রের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি মিল যার ছিল তিনি হলেন আলী (আ.)।
শাহাদত-প্রেমিক আলী(আ.) যখন মৃত্যুশয্যায় শায়িত, তাঁর সঙ্গীরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত, সবাই কাঁদছে, চারিদিকে ক্রন্দনের শব্দ, কিন্তু আলী (আ.)-এর মুখ হাস্যোজ্জ্বল। তিনি বলছেন,
“আল্লাহর শপথ! আমার জন্য এর চেয়ে উত্তম কি হতে পারে যে, ইবাদতরত অবস্থায় শহীদ হব?”
ঘাতকের প্রাণঘাতী আঘাতে ধরাশায়ী আমিরুল মু'মিনিন এ ঘটনা নিয়ে কোনো ধরনের বাড়াবাড়ি বা অবিচার না করার আহ্বান জানিয়ে বলেছিলেন,
“আব্দুল মুত্তালিবের সন্তানেরা তোমরা এমন যেন না কর, যখন আমি পৃথিবী থেকে বিদায় নেব তখন মানুষের উপর হামলা করবে এ অজুহাতে যে, আমীরুল মু'মিনীনকে শহীদ করা হয়েছে। অমুকের এটার পেছনে হাত ছিল, অমুক এ কাজে উৎসাহিত করেছে। এসব কথা বলে বেড়াবে না, বরং আমার হত্যাকারী হল এই ব্যক্তি।”
এবারে হযরত আলী (আঃ)'র প্রবাদতুল্য কয়েকটি বাণী শুনিয়ে শেষ করব আজকের আলোচনা:
*বাহ্যিক অলংকার ও পোশাক-পরিচ্ছদ সৌন্দর্য নয়, সৌন্দর্য হল-জ্ঞান ও সভ্যতা। যার পিতা-মাতা মারা গেছে সে এতীম নয়, প্রকৃত এতীম সে যার মধ্যে জ্ঞান ও বিবেক নেই।
*সত্যকে আঁকড়ে ধর, যদি তাতে তোমার ক্ষতিও হয় এবং মিথ্যাকে বর্জন কর যদি মিথ্যা দিয়ে তোমার লাভও হয়। আর এটাই হল ঈমান।
* আমি তাদের সম্পর্কে বিস্মিত হই যারা কিছু হারিয়ে ফেললে তা ফিরে পাবার জন্য ব্যাকুল হয়ে পড়ে, অথচ নিজ আত্মাকে হারিয়ে ফেলার ব্যাপারে তাদের মধ্যে সচেতনতা নেই।
সূত্র: রেডিও তেহরান

01/06/2015

জীবনের
প্রয়োজনে যদি
নিজেকে বদলে
ফেলতে হয়
তবে তাই করো।
হয়তো কিছুটা
কষ্ট পেতে হবে
তবুও যে তোমার
মূল্য বোঝে না, তার
জন্য অপেক্ষায়
থেকো না।

30/11/2014

Hi...ei page er jonno 1 Jon admine lagbe......must be take jhulon pol er hote hobe.....plsss comment kro..

14/11/2014

HI Everybody......!!!!!!!

17/08/2014

H.B.O-Pirates of the Caribbean.....Just now......(y)

05/07/2014

........Good news.........
Sazzat Hossain Bappy is a Admin at Jhulon pole B.M High school page.....

28/05/2014

HI....EVERYBODY......!!!.
Ei page tar jonno 1 jon admin lagbe...take must be school student hote hobe......pls send me ur email id.......

13/04/2014

Admin lagbe page tar jonno...........comment korun.....

Want your school to be the top-listed School/college in Mirsarai?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


JHULON POLE P. C P. S-ZORARJONG
Mirsarai
4324