26/01/2016
সাফল্যের অগ্রযাত্রা নিয়ে এগিয়ে
যাচ্ছে ঝুলনপোল বিএম উচ্চ বিদ্যালয়
জয়নাল আবেদীন
মিরসরাই উপজেলার ঝুলনপোল
এলাকায় ছায়া শীতল গ্রামীণ
প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রতিষ্ঠিত
ঝুলনপোল বেনি মাধব (বিএম) উচ্চ
বিদ্যালয়। এলাকাবাসীর
সহযোগীতায় ধীরে ধীরে গড়ে উঠা
এ প্রতিষ্ঠানটি সাফল্যের
অগ্রযাত্রা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।
খেলার মাঠ, বিজ্ঞানাগার,
কম্পিউটার ল্যাব, মাল্টিমিড়িয়া
ক্লাসরুম, গ্রন্থাগার স্বয়ংসম্পুন্ন একটি
আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি; বলা
যায় ইর্শান্বিত বিদ্যাপিট। এই
বিদ্যালয় থেকে পড়ালেখা করে
অনেক ছাত্র এখন প্রতিষ্ঠিত দেশ
বিদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের
গুরুত্বপূর্ণ পদে। বর্তমানে একঝাঁক
উদ্যোমী শিক্ষক ও দক্ষ পরিচালনা
পরিষদের নিপুন প্রচেষ্ঠায় উন্নতির
শিখরে এগিয়ে যাচ্ছে
অজোপাড়াগাঁয়ের এই
বিদ্যাপিঠটি। ১৯৭২ সালে একশত
শিক্ষার্থী নিয়ে প্রাথমিক
বিদ্যালয়ের মাধ্যমে এ
প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হয়।
এলাকাসীর চেষ্টায় ও তৎকালীন
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের উপদেষ্ঠা
এবং চট্টগ্রাম জেলা ত্রান বিতরণ
কমিটির সভাপতি মরহুম সৈয়দ ফজলুল হক
বিএসসির অনুপ্রেরনায় এ বিদ্যালয়
প্রতিষ্ঠা হয়।
পরবর্তীতে বিদ্যালয়ের উন্নয়নে
বিশেষ অবদান রাখেন বর্তমান
সাংসদ এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী
ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। যা
বর্তমানেও অব্যাহত রয়েছে।
উপজেলার ইছাখালী ইউনিয়নের
অধিকাংশ ও কাটাছরা ইউনিয়নের
আংশিক এলাকার প্রায় ১৫টি
গ্রামের ছেলে মেয়েরা এ
বিদ্যালয়ে অধ্যায়ন করছে। পড়লেখার
পাশাপাশি খেলাধুলা ও
সাংস্কৃতি কর্মকান্ডেও ভালো
অবদান রেখে চলছে এ বিদ্যালয়ের
শিক্ষার্থীরা। ২০১৩ সালে
আন্তঃস্কুল-মাদ্রাসা ফুটবল
টুর্ণামেন্টে মিরসরাই উপজেলায়
চ্যম্পিয়ন হয়ে জেলা পর্যায়ে
কোয়াটার ফাইনালে খেলে এ
বিদ্যালয়ের ফুটবল টিম। এছাড়া
বিদ্যালয়ে প্রতিবছর ক্রীড়া,
সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতার
বিভিন্ন অনুষ্ঠান হয় নিয়মিত। গালর্স
গাইড ও বয় স্কাউট টিমও রয়েছে
বিদ্যালয়টিতে।
বিদ্যালয়টি প্রথমে ঝুলনপোল উচ্চ
বিদ্যালয় নামে প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর
বিদ্যালয়ের অর্থনৈতিক অবস্থা দুর্বল
হওয়ার কারণে বিদ্যালয়ের
দৈন্যদশা দেখা দেয়। পরে বিদ্যালয়
সম্প্রসারণের জন্য স্থানীয় বেনি
মাধব দাশের বড় ছেলে নারায়ন চন্দ্র
দাশ বিদ্যালয়ের জন্য ৭৮ শতক জায়গা
দান করেন। শুধু জায়গা দানই নয় বেনি
মাধব দাশের পরিবার বিভিন্ন সময়
আর্থিক সহায়তাও দিয়েছেন
প্রতিষ্ঠানটিকে। যার ফলশ্রুতিতে
বিদ্যালয়টির নামকরণ করা হয়
ঝুলনপোল বেনি মাধব উচ্চ বিদ্যালয়।
বেনি মাধব দাশের ছোট ছেলে
নেপাল চন্দ্র দাশ বর্তমানে
বিদ্যালয়ের বিদ্যোসাহী সদস্য
হিসেবে রয়েছেন।
১৯৭৩ সালে ৬০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে
প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক
বিদ্যালয়ে উন্নীত হয় প্রতিষ্ঠানটি।
১৯৭৭ সালে পাশ্ববর্তি বামনসুন্দর উচ্চ
বিদ্যালয়ের মাধ্যমে প্রথম বারের মত
এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় এ
বিদ্যালয়। ১৯৭৭ সালে এসএসসি
পরীক্ষায় ৪ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ
করে ৩ জন পাশ করে। ১৯৭৮ সালে ও
বামনসুন্দর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাধ্যমে ৯
জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ
নিয়ে ৬ জন পাশ করে। ১৯৭৯ সালে
বিশেষ অনুমতিতে ১৮ জন
পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ৯
জন পাশ করে। ১৯৮০ সালে প্রথম
বারের মত ঝুলনপোল বিএম উচ্চ
বিদ্যালয় নিজেদের নামে এসএসসি
পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে। ওই সময় ১৯ জন
পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ৭
জন পাশ করে।
বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠালগ্নে প্রথম
প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব
পালন করেন ফরিদ আহমদ এবং প্রথম
ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির
দায়িত্ব পালন করেন খুরশিদ আলম
আজাদ। তিনি একমাস প্রধান
শিক্ষকের দায়িত্বও পালন করেন।
এরপর থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের
দায়িত্ব পালন করেন বেনি মাধব
দাশের মেঝ ছেলে সুনীল চন্দ্র দাশ।
তার অক্লান্ত পরিশ্রমে বিদ্যালয়টি
একটি আদর্শ বিদ্যালয়ে পরিনত হয়।
বিগত কয়েক বছরে বিদ্যালয়ের
জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার
ফলাফলে এগিয়ে যাওয়ার
প্রতিচ্ছবি পরিলক্ষিত হচ্ছে। ২০১১
সালে জেএসসি পরীক্ষায় ১৯৬ জন
পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ১ জন
জিপিএ-৫ সহ ১৭০ জন শিক্ষার্থী
উর্ত্তীন্ন হয়। পাশের শতকরা হার
৮৬.৭৩%। ২০১২ সালে ১৪২ জন
পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে
১৩৩ জন শিক্ষার্থী পাশ করে। পাশের
শতকরা হার ৯৩.৭৩%। ২০১৩ সালে ২৩৫
জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ
নিয়ে ৮ জন জিপিএ-৫ সহ ২০৪ জন
শিক্ষার্থী পাশ করে। শতকরা
পাশের হার ৮৬.৮০%। ২০১৪ সালে ২০১
জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে
৬ জন জিপিএ-৫ সহ ১৯৬ জন শিক্ষার্থী
পাশ করে। শতকরা পাশের হার ৯৬.৫২%।
অন্যদিকে ২০১২ সালে ১৫০ জন
পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ
নিয়ে ১২৭ জন পাশ করে। শতকরা
পাশের হার ৮৬.৬৬%। ২০১৩ সালে ৯৩
জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ
নিয়ে ৪জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ সহ
৮৫ জন শিক্ষার্থী পাশ করে। শতকরা
পাশের হার ৯১.৩৯%। ২০১৪ সালে ১৫১
জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে
১৫ জন জিপিএ-৫সহ (৮জন গোল্ডেন
জিপিএ-৫) ১৪৮ জন শিক্ষার্থী পাশ
করে। শতকরা পাশের হার ৯৮.০১%।
ভবিষ্যতে শতভাগ ফলাফল সহ আরো
ভালো ফলাফল অর্জন করবে বলে
আশাবাদ ব্যক্ত করেন বিদ্যালয়ের
প্রাক্তন ছাত্র ও প্রধান শিক্ষক
জাহাঙ্গীর কবির।
বিদ্যালয়ে ঘুরে দেখা গেছে, একটি
প্রত্যন্ত অঞ্চলের বিদালয় হয়েও যে
পরিপূণর্তা লক্ষ্য করা গেছে তা
শহরের অনেক বিদ্যালয়ের চেয়ে
কোন অংশে কম নয়। শিক্ষার্থীদের
জন্য রয়েছে বিজ্ঞানাগার,
কম্পিউটার ল্যাব, পাঠাগার,
গন্থাগার, মালিমিড়িয়া ক্লাসরুম,
ছাত্রীদের কমন রুম, বিশাল খেলার
মাঠ, ইবাদতখানা। শিক্ষক ও
শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা
শোচাগার এবং সুপেয় পানির
ব্যবস্থা রয়েছে।
সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে কথা হয়
ঝুলনপোল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান
শিক্ষক জাহাঙ্গীর কবিরের সাথে।
তিনি ২০১৩ সালের ১ ডিসেম্বর ওই
বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে
যোগদান করেন। তিনি বলেন
বিদ্যালয়ে বর্তমানে শিক্ষক সংকট,
অবকাঠামোগত সমস্যা ও ভবন সংকট
রয়েছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর
তুলনায় ভবন সংকট রয়েছে তাছাড়া
২০১৫ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীর
সংখ্যা বাড়লে তা আরো প্রকট
আকার ধারণ করবে। তবে বর্তমান
সাংসদ, গৃহায়ন ও গনপূর্ত মন্ত্রী
ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের
একান্ত প্রচেষ্ঠায় একটি নতুন ভবন
নির্মাণ প্রক্রিয়ধীন রয়েছে বলে
তিনি জানান। এছাড়া বিদ্যালয়ের
সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব আহমদ
ছোবহান, আলহাজ্ব বেলায়েত
হোসেন ভূঁইয়া, বর্তমান সভাপতি
আলহাজ্ব এসএম আবু সুফিয়ান, আজীবন
দাতা সদস্য মানিক রতন শর্মা,
প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী পরিষদের
সাধারণ সম্পাদক এসএম সিরাজুল
ইসলাম ভূঁইয়া বিদ্যালয়ের জন্য ব্যাপক
কাজ করে যাচ্ছেন। বেলায়েত
হোসেন ভূঁইয়া নিজের ব্যক্তিগত
তহবিল থেকে বিদ্যালয়ের মুল ফটক
নির্মাণ ও একটি মাল্টিমিড়িয়া
ক্লাসরুম প্রতিষ্ঠা করেন। যা বর্তমান
ডিজিটাল বাংলাদেশ
বাস্তবায়নে মুখ্য ভূমিকা রাখবে।
আলহাজ্ব আহমদ ছোবহান নিজের
তহবিল থেকে বিদ্যালয়ের জন্য ভূমি
দান করেন এবং একটি ভবন প্রতিষ্ঠা
করেন। এছাড়া প্রতি বছর দরিদ্র
এসএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রাক্তন
ছাত্রছাত্রী পরিষদের পক্ষ থেকে
সহযোগীতা করা হয়। বিদ্যালয়টির
অতীতের ফলাফল খুব একটা মনে
রাখার মতোনা হলেও ধীরে ধীরে
উন্নতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে
বিদ্যালয়টি। শিক্ষার্থীদের
নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষকদের
মনিটরিংয়ে আগামীতে আরো
ভালো ও শতভাগ ফলাফলের জন্য
শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটি কাজ
করে যাচ্ছেন বলে তিনি জানান।
বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা থেকে এ
পর্যন্ত কর্মরত শিক্ষক আতাউল হক
জানান, বর্তমানে এ বিদ্যালয়ে ৫টি
শ্রেণী ১১টি শাখায় ১০৫৪ জন
শিক্ষার্থী রয়েছে। এমপিওভুক্ত,
খন্ডকালীনসহ ১৮ জন শিক্ষক এবং
অফিস সহকারী ৩জন, চতুর্থ শ্রেণীর
কর্মচারী ৩জন কর্মরত রয়েছে অত্র
বিদ্যালয়ে। যাদের একান্ত নিরলস
প্রচেষ্ঠায় এগিয়ে চলছে
বিদ্যালয়টি।
প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর কবিরের
কাছে বিদ্যালয়কে নিয়ে ভবিষ্যত
পরিকল্পনার কথা জানতে চাইলে
তিনি চলমান মিরসরাইকে বলেন,
আমি আইন বিভাগে পড়ালেখা
করলেও আমার বাবার অনুরোধে
শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত
রয়েছি। আমি এই বিদ্যালয়ের
প্রাক্তন ছাত্র। প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী
পরিষদের সভাপতির দায়িত্বে
রয়েছি। এ প্রতিষ্ঠানের সাথে
আগে থেকে জড়িত রয়েছি। তবে
প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব গ্রহণ করার
পর আমার দায়িত্ব অনেক বেড়ে
গেছে। আমি এ বিদ্যালয়ের উন্নতির
বিষয়কে চ্যালেঞ্জ হিসেবে
নিয়েছি। শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং
পরিচালনা কমিটি সাথে নিয়মিত
আলোচনা করি কীভাবে
বিদ্যালয়ের ভালো ফলাফল অর্জন
করা যায়। তাদের সহযোগীতায় এবং
একঝাঁক উদ্যোমী শিক্ষকদের নিয়ে এ
প্রতিষ্ঠানকে উপজেলার একটি
শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপিঠে রূপান্তরিত
করতে আমি বদ্ধপরিকর।
বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র ও আজীবন
দাতা সদস্য মানিক রতন শর্মা বলেন,
ঝুলনপোল বেনি মাধব উচ্চ বিদ্যালয়
মিরসরাই উপজেলার মধ্যে একটি
ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। এ বিদ্যালয়
থেকে পাশ করে অনেক শিক্ষার্থী
দেশ-বিদেশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে
উচ্চ পর্যায়ে আসীন রয়েছেন।
বর্তমানে এ বিদ্যালয় পাশ্ববর্তী
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর চাইতে
ভালো ফলাফল অর্জন করছে।
ভবিষ্যতে আরো ভালো ফলাফল
অর্জন করবে বলে আমি আশাবাদী।
বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের
সভাপতি, সদস্যদের সমন্বয়ে ভালো
ফলাফলের জন্য ভূমিকা রাখবে বলে
তিনি আশা করেন ।
তিনি আরো বলেন, বর্তমানে
বিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান সমস্যা ভবন
সংকট। বিদ্যালয়ে প্রায় ১১’শ
শিক্ষার্থী রয়েছে। তাদের
পাঠদানের জন্য শ্রেণী কক্ষ অপ্রতুল।
বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের
সভাপতি আলহাজ্ব এসএম আবু সুফিয়ান
চলমান মিরসরাইকে বলেন, ঝুলনপোল
উচ্চ বিদ্যালয় আমার জীবনের একটি
অংশ। ২০১০ সাল থেকে আমি এ
বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির
সভাপতির দায়িত্ব পালন করে
আসছি। আগামী ২০১৬ সাল পর্যন্ত এই
পরিচালনা কমিটির সময় রয়েছে। এই
সময়ের মধ্যে বিদ্যালয়ের আরো
উন্নতির জন্য আমরা নিরলস ভাবে
কাজ করে যাব। আমি বিদ্যালয়ে
আর্থিক, মানসিক ও শারীরিকভাবে
সহযোগীতা করে আসছি। ভবিষ্যতেও
এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখবো।
বিদ্যালয়ের বর্তমান সমস্যা সর্ম্পকে
তিনি বলেন, আমাদের অন্যতম প্রধান
সমস্যা ভবন সংকট। বর্তমানে
গাদাগাদি করে শিক্ষার্থীদের
পাঠদান করতে হচ্ছে। একটি ভবন
নির্মিত হলে আমাদের সমস্যার
সমাধান হয়ে যাবে। ইতোমধ্যে নতুন
ভবনের জন্য মন্ত্রী মহোদয় আমাদের
আশ্বস্ত করেছেন।
বিদ্যালয়কে নিয়ে ভব্যিষ্যৎ
পরিকল্পনার কথা জানতে চাইলে
তিনি বলেন, এলাকাবাসীর
সহযোগীতায়, ম্যানেজিং কমিটির
সদস্য, শিক্ষকদের নিয়ে একসাথে
কাজ করে শতভাগ ফলাফলের
পাশাপাশি উপজেলায় একটি মডেল
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গড়ে তোলার
চেষ্টা করে যাচ্ছি।y