08/08/2024
মহান আল্লাহ্ নাহিদ ইসলামকে উসামা ইবনে যায়িদ (রা) এর মত কবুল করুন।
উসামা ইবনে যায়িদ (রা) মাত্র ১৮ বছর বয়সে মুসলিম বাহিনির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন অর্থাৎ নাহিদ ইসলামের চেয়ে ৫বছরের ছোট ছিলেন । সুতরাং আল্লাহ চাহেনত নাহিদ ইসলামও পারবে।
উসামা ইবনে যায়িদ (রা) হিজরতের ৭ বছর পূর্বে (৬১৫ খ্রিস্টাব্দে) মক্কায় জন্মগ্রহণ করেন।কারো কারো মতে তিনি হিজরতের ১০ বছর পূর্বে জন্মগ্রহণ করেন।তার পিতা মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দত্তক পুত্র এবং তার মাতার ঘনিষ্টতা রাসুল(সা) এর মায়ের মতো হওয়ার কারনে তাকে রাসুল(সা) এর নাতি হিসেব বিবেচনা করা হতো।রাসুল (সা) তাকে তার নিজ সন্তানের মতো লালন-পালন করেন।তার মাতা ছিলেন রাসুল (সা) এর জননী হজরত আমিনার দাসি।যদিও তাঁর পিতা ছিলেন সাদা ও খাটো, উসামা ছিলেন কালো,লম্বা ও পাতলা।উসামার যৌবনকালে মুহাম্মাদ সা. এর একটি দামী চাদর ছিল।তিনি মাত্র একটি জুমার তা ব্যাবহার করে উসামাকে উপহার দিয়ে দেন।দশ বছর বয়সে উসামা উহুদ যুদ্ধে অংশগ্রহণের ইচ্ছা পোষণ করেন কিন্তু ছোট হওয়ার কারনে তিনি অনুমতি পান নি।সতের বছর বয়সে তিনি প্রথম খন্দকের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।হুনাইনের যুদ্ধে মুসলিম বাহিনী অতর্কিত আক্রমনের শিকার হয়,উসামা ছিলেন সেই ছয় জনের মধ্যে একজন যারা রাসুল সা. এর সাথে যুক্ত হয়ে শত্রু বাহিনীর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান এবং পরাজয়কে বিজয়ের রূপদান করেন।
উসামা বিন যায়িদের অভিযানটি ছিল উসামা ইবনে যায়িদের নেতৃত্বে প্রাথমিক মুসলিম খিলাফতের একটি সামরিক অভিযান যা ৬৩২ সালের জুন মাসে সংঘটিত হয়েছিল, যেখানে মুসলিম বাহিনী বাইজেন্টাইন সিরিয়া আক্রমণ করেছিল।[১][২] অভিযানটি মুতার যুদ্ধের তিন বছর পর হয়েছিল।
বিদায় হজ্জের পরে ইসলামের নবি মুহাম্মাদ উসামা ইবনে যায়িদকে বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের বলকা অঞ্চলে আক্রমণ করার জন্য একটি অভিযাত্রী বাহিনীর কমান্ডার নিযুক্ত করেছিলেন। মুতার যুদ্ধের মুসলিম শহীদদের প্রতিশোধ নিতে মুহাম্মাদ উসামাকে সিরিয়ায় পাঠান, যেখানে উসামার পিতা ও মুহাম্মাদের দত্তক পুত্র যায়িদ ইবনে হারেসা নিহত হয়েছিলেন।[৩]
উসামার অভিযান সফল হয়েছিল এবং তার সেনাবাহিনীই ছিল প্রথম মুসলিম বাহিনী যারা সফলভাবে বাইজেন্টাইন অঞ্চলে আক্রমণ ও অভিযান চালায়, এইভাবে পরবর্তী মুসলিমদের পূর্ব-ভূমধ্যসাগরীয় বিজয় এবং মিশরের মুসলিম বিজয়ের পথ প্রশস্ত করে, উভয়টিই উসামার জীবদ্দশায় হয়েছিল।