অক্ষরের আড়ালে

অক্ষরের আড়ালে

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from অক্ষরের আড়ালে, Middle School, Dhaka, Mirpur.

✒️ অক্ষরের আড়ালে
শব্দের আড়ালে লুকিয়ে থাকা গল্প, কবিতা আর অনুভূতির এক ভুবন। এখানে প্রতিটি অক্ষর বলে যায় একেকটি কাহিনি—হয়তো তোমারও মনের মতো। 📖💌
পড়ো, অনুভব করো, আর গল্পের সাথে হারিয়ে যাও।

#অক্ষরেরআড়ালে #গল্প #কবিতা #শব্দ

18/08/2025

#অন্তিমপ্রহর
পর্ব : ২
লেখক : জান্নাতুল মাওয়া

একটা মেয়ে কিছুক্ষণ চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকার পর দুই কদম এগিয়ে এসে আয়াশকে জড়িয়ে ধরে বলে উঠল—
— “ভাইয়া, তুমি এসেছো…!”

মেয়েটা হাউমাউ করে কাঁদতে লাগল। পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটা অবাক হয়ে গেল, কারণ এর আগে ওকে কোনোদিন কাঁদতে দেখেনি।

আয়াশ আস্তে করে মেয়েটাকে ছাড়িয়ে নিয়ে মাথায় হাত বুলিয়ে বলল—
— “কাঁদছিস কেন, বোন? আমি তো বেঁচে আছি, মরে যাইনি।”

একটা হালকা হাসি দিয়ে সোজা হনহন করে বেরিয়ে গেল। নিজের গাড়ির দরজা খুলতেই ইয়াশ দৌড়ে এসে হাঁপাতে হাঁপাতে বলল—
— “ভাইয়া দাঁড়াও, তুমি চলে যাচ্ছো! এতদিন পর দেখা হলো, গল্প করব, আড্ডা দিব, আর তুমি চলে যাচ্ছো!”

আয়াশ মুচকি হেসে বলল—
— “আমি এই বাড়ি আর থাকছি না। তবে এখনো দুই মাস বাংলাদেশে আছি। এজন্য ছোট্ট একটা বাড়ি ভাড়া নিয়েছি। তোকে ঠিকানা ইনবক্স করে দিয়েছি। কাল সকালে, নাস্তা না করেই, তুই আমার বোন আর ভাইয়ের মেয়েকে নিয়ে চলে আসবি।”

গাড়িতে উঠতে উঠতে আবার বলল—
— “আর হ্যাঁ, বাড়িতে বলবি তোমরা কাল রাতে ফিরবে না।”

এ কথা বলে গাড়ি স্টার্ট দিল। মুহূর্তেই চোখের আড়াল হয়ে গেল।

🏠 পরিচিতি

এখন পরিচয়টা দেওয়া যাক—
যে বাড়ি থেকে আয়াশ বের হলো, সেটাই শেখ বাড়ি।

বাড়ির কর্তা ছিলেন নিহাল শেখ, স্ত্রী আনিকা শেখ। তাদের দুই ছেলে— আইনিল আর ইয়াশ। আইনিলের স্ত্রী যামিনী, তাদের এক মেয়ে মেহবাহার, ডাকনাম মেহা।

দুই বছর আগে এক সড়ক দুর্ঘটনায় আনিকা মারা যান। তার কিছুদিন পর নিহালের ক্যান্সার ধরা পড়ে। প্রায় নয় মাস ভোগার পর সেও মারা যান।

তারপর থেকে বাড়ির দায়িত্ব নেয় নিহালের ছোট ভাই আবরার শেখ।
আবরারের স্ত্রী সারা বেগম। তাদের দুই সন্তান— বড় ছেলে আয়াশ, মেয়ে আহিয়া।

এখন শেখ বাড়ির তরুণ প্রজন্ম বলতে বোঝায় ইয়াশ, আহিয়া আর মেহাকে।

মেহার বয়স ১৫, SSC দিয়ে এখন ফ্রি।

আহিয়ার বয়স ১৮, ইন্টার ২য় বর্ষের ছাত্রী।

ইয়াশের বয়স ২১, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি ব্যবসাও করছে।

আর আয়াশের বয়স ২৫, সুইজারল্যান্ডে বড় ব্যবসা গড়ে তুলেছে।

🕰️ বর্তমান সময়

ঘটনার পর সবাই চুপচাপ যে যার ঘরে চলে গেল।

শেখ বাড়ি তিনতলা।

নিচতলায় বিশাল লিভিং রুম, সাথে ডাইনিং, কিচেন, গেস্ট রুম।

দ্বিতীয় তলায় নিহাল-আনিকাদের ঘর, আবরার-সারার ঘর, আইনিল-যামিনির ঘর আর একটা বড় বারান্দা।

তৃতীয় তলায় ইয়াশের রুম, আহিয়া-মেহার রুম, আর তালাবদ্ধ একটা বিশাল রুম— আয়াশের।

বিকাল গড়িয়ে গেলেও আহিয়া-মেহার কারও খাওয়া হয়নি। অবশেষে সারা বেগমের ডাকে সবাই একসাথে খেতে বসল।

খাওয়ার সময় হঠাৎ আবরার শেখ মেহাকে জিজ্ঞেস করলেন—
— “আজ যে ছেলেটাকে দেখলে, তাকে কি চিনিস দাদুভাই?”

মেহা অবাক হয়ে বলল—
— “না দাদাভাই, উনি কে?”

আবরার শান্তভাবে উত্তর দিলেন—
— “ও আয়াশ, আমার বড় ছেলে। মানে তোর বড় চাচ্চু।”

মেহা বিস্মিত হয়ে বলল—
— “আমার আপন চাচ্চু?”
— “হ্যাঁ।”

তারপর আর কেউ কিছু বলল না। খানিক পর ইয়াশ মুখ খুলল—
— “ছোট আব্বু, কালকে আমি আহিয়া আর মেহাকে নিয়ে বাইরে যেতে চাই। রাতে ফিরব না।”

আবরার অনুমতি দিলেন। এর আগেও ইয়াশ তাদের নিয়ে বাইরে থেকেছে, তাই কিছু বললেন না।

🌙 রাতের আড্ডা

খাওয়া শেষে সবাই রুমে চলে গেল। কিছুক্ষণ পর ইয়াশ এল আহিয়া-মেহার রুমে। প্রতিদিনই তারা একসাথে বসে গল্প করে, আজও তাই হলো।

তবে আজ কেউ কোনো কথা বলছে না। হঠাৎ মেহা বলে উঠল—
— “চাচ্চু, ফোনটা রাখো।”

ইয়াশ ফোন রেখে বলল—
— “বল, কি হলো?”

মেহা দ্বিধা নিয়ে জিজ্ঞেস করল—
— “উনি কি সত্যিই আমার আপন চাচ্চু?”
— “হ্যাঁ।”

— “তাহলে আমি আগে কখনও দেখিনি কেন?”
— “দেখেছিলি। তখন তোর বয়স পাঁচ, আর ভাইয়া তখন বাড়ি ছেড়েছিল।”

মেহা আর কিছু বলতে চাইলে আহিয়া তাকে থামিয়ে দিল—
— “এই বিষয়ে আর কোনো কথা হবে না। সময় হলে সব জানতে পারবি।”

মেহা চুপ করে গেল। বিষয়টা কাটানোর জন্য সে ইয়াশকে জিজ্ঞেস করল—
— “কালকে কোথায় নিয়ে যাবে চাচ্চু?”

ইয়াশ মুচকি হেসে ফিসফিস করে বলল—
— ………

চলবে…

#অন্তিমপ্রহর
#জান্নাতুলমাওয়া
#অক্ষরেরআড়ালে

10/08/2025

অন্তিম প্রহর
সূচনা পর্ব
লেখক: জান্নাতুল মাওয়া

দরজায় দাঁড়িয়ে থাকা এক যুবককে দেখে অবাক হলেন সারা বেগম। ছেলেটির গায়ে সাদা রঙের শার্ট, কালো প্যান্টের সাথে ইন করা। গোলাপি গম্ভীর ঠোঁটে হাসির লেশমাত্র নেই। ঘাড় ছোঁয়া চুলগুলো সে লম্বা হাত দিয়ে যত্ন করে সেট করছে।

কিছুক্ষণ পর্যবেক্ষণের পর সারা বেগম বুঝলেন—এ ছেলেটি আর কেউ নয়, তাঁর নিজের ছেলে। যে কিনা দশ বছর আগে বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছিল।

দরজায় ছেলেকে দেখে সারা বেগম দৌড়ে এসে অঝোরে কান্নায় ভেঙে পড়লেন। কিন্তু ছেলের মুখে গম্ভীরতার ছাপ ছাড়া কিছু নেই। কিছুক্ষণ পর ছেলের কণ্ঠে ভেসে এলো—
— Plz stop your cry.

ছেলের কথা শুনে সারা বেগম অবাক হলেন না। বরাবরই সে এমন। এদিকে সারা বেগমের কান্না শুনে পরিবারের সবাই ড্রয়িংরুমে জড়ো হয়েছে। আয়াশ সবার দিকে একবার চোখ বুলিয়ে মায়ের উদ্দেশ্যে বলল—
— আপনার প্রাণপ্রিয় স্বামীকে ডাকুন। আমার হাতে সময় নেই।

সারা বেগম আয়াশের কথায় গুরুত্ব না দিয়ে ছেলের হাত থেকে সুটকেস নিয়ে বলে উঠল—
— সব হবে, কিন্তু আগে…

কথা শেষ করার আগেই দম নিয়ে আয়াশ বলে উঠল—
— Plz stop your flirtation and plz call your husband.

সারা বেগমের চোখ দুটো চিকচিক করে উঠল। তিনি পেছন ফিরেই একটা মেয়েকে ইশারা করলেন। সঙ্গে সঙ্গে মেয়েটি সরে গেল।

আয়াশ তখনো শান্ত দৃষ্টিতে দাঁড়িয়ে আছে। ইয়াশ বলল—
— ভাই, চলো বসে কথা বলি।

আয়াশ কণ্ঠে দৃঢ়তা এনে উত্তর দিল—
— Sorry bro, I have no time.

এমন সময় দোতলা থেকে পেছনে হাত গুঁজে শান্ত ভঙ্গিতে নেমে এলেন আবরার শেখ। তাকে দেখে আয়াশের ঠোঁটে ফুটে উঠল বিজয়ী হাসি। আবরার শেখ আয়াশের মুখোমুখি দাঁড়ালেন। দু’জনের মুখে একই গম্ভীর অভিব্যক্তি। বাড়ির সবাই দূর থেকে দৃশ্যটা পর্যবেক্ষণ করছে।

হঠাৎ নীরবতা ভেঙে আয়াশ বলল—
— So, Mr. Abrar Shaikh, আমার কাছে বেশি সময় নেই এবং আপনি জানেন, আমি সোজাসাপ্টা কথা বলতে পছন্দ করি। এবার মূল কথায় আসি।

সে নিজের বড় সুটকেসটা খুলে আবরার শেখের সামনে ধরল। ভেতর ভর্তি টাকা দেখে সবাই অবাক হয়ে গেল। আবরার শেখ একবার সুটকেসের দিকে, আরেকবার শান্ত চোখে ছেলের দিকে তাকালেন।

আয়াশ বলল—
— আমার জীবনের পনেরো বছরে আপনি আমার পেছনে যত টাকা নষ্ট করেছেন, সব এখানে আছে।

তারপর পকেট থেকে একটা কার্ড বের করে টেবিলের ওপর রাখল—
— আর তাতেও যদি না হয়, আপনি এটা ব্যবহার করতে পারেন।

সারা বেগম স্বামীর পাশে দাঁড়িয়ে চিৎকার করে বললেন—
— আয়াশ, ভুলে যেও না তুমি আমাদের ছেলে। তোমাকে মানুষ করাটা আমাদের কর্তব্য ছিল। এসব টাকা আমাদের দরকার নেই, নিয়ে যাও।

আয়াশ মায়ের দিকে তাকিয়ে বলল—
— হ্যাঁ, আমাকে মানুষ করাটা আপনাদের দায়িত্ব ছিল। কিন্তু যদি সেটা হালাল টাকায় হতো! আপনাদের হারাম টাকায় মানুষ হয়েছি ভাবতেই গা ঘিনঘিন করে ওঠে। তাই এই সব টাকা দিয়ে দিচ্ছি। চিন্তা নেই, সব হালাল টাকা। আর আপনি জানেন, আপনার স্বামী হারাম পথে থেকে যত টাকা রোজগার করেছেন, তার চেয়ে চার গুণ বেশি আমি হালাল পথে রোজগার করেছি। যা তিনি পারেননি, আমি করে দেখিয়েছি।

তারপর শান্ত কণ্ঠে বলল—
— যাই হোক, ভালো থাকবেন সবাই।

সে চলে যেতে উদ্যত হলো। দরজার সামনে যেতে না যেতে দুজন মেয়ে এসে হুমড়ি খেয়ে পড়ল । তাদের গায়ের রং আয়াশের থেকেও উজ্জ্বল। টানা টানা চোখ, ঠোঁট যেন গোলাপের পাপড়ি। গায়ে অফ-হোয়াইট রঙের চুড়িদার। চুলগুলো হাতখোপা করা, দেখে মনে হচ্ছে এক্ষুনি খুলে যাবে। দেখে মনে হচ্ছে স্বর্গ থেকে নেমে আসা দুই পরী।

কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকার পর, একটি মেয়ে দুই পা এগিয়ে এসে আয়াশকে জড়িয়ে ধরে বলল…

চলবে…

#অন্তিমপ্রহর #বাংলাগল্প #গল্পেরভুবন #নতুনগল্প #গল্পপাঠ #বাংলালেখা #গল্পপাঠক #বাংলাসাহিত্য #গল্পেরপাঠশালা #বাংলাগল্পপেজ #গল্পপ্রেমী #গল্পেরমায়া #অক্ষরেরআড়ালে

12/02/2025

AssalamuAlaikum
Todays Topic is - "How to make good Apologize"

31/01/2025

AssalamuAlaikum everyone💖
Today our topic is..." 7 types of Professions "



31/01/2025

InshaAllah💖



29/01/2025

Good Night everyone ☺️☺️☺️


29/01/2025

AssalamuAlaikum everyone💖
Today we learn about basic structure 🥰





Want your school to be the top-listed School/college in Mirpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Dhaka
Mirpur