18/06/2026
মেয়ে বড় হচ্ছে — ৪টি দোয়া ও ৩টি আমল যা প্রতিটি মায়ের এখন থেকেই শুরু করা উচিত।
মেয়ে বড় হচ্ছে।প্রথমে একটা কথা বুঝুন
মেয়েকে দ্বীনদার বানাতে হলে ভয় দেখিয়ে হবে না।
"পর্দা না করলে জাহান্নামে যাবে" — এই কথা ১০ বছরের মেয়ের মনে ভয় ঢোকায়, ভালোবাসা ঢোকায় না।
কারণ আল্লাহ তাআলা বলেন —
ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ
উচ্চারণ: উদ'ঊনি আস্তাজিব লাকুম।
(সূরা গাফির: ৬০)
---
দোয়া ১: মেয়ে যেন চোখের শীতলতা হয়
رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا
উচ্চারণ: রাব্বানা হাব লানা মিন আযওয়াজিনা ওয়া যুররিয়্যাতিনা কুররাতা আ'ইউনিন ওয়াজ'আলনা লিলমুত্তাকীনা ইমামা।
(সূরা ফুরকান: ৭৪)
"কুররাতা আ'ইউন" — চোখের শীতলতা। এর চেয়ে সুন্দর শব্দ আর কী হতে পারে?
মেয়ে যখন নামাজ পড়ছে — চোখ শীতল হয়। মেয়ে যখন কুরআন পড়ছে — চোখ শীতল হয়। মেয়ে যখন হায়া বজায় রেখে চলছে — চোখ শীতল হয়। মেয়ে যখন আদবের সাথে কথা বলছে — চোখ শীতল হয়।
কিন্তু মেয়ে যখন দ্বীন থেকে দূরে সরে যায় — সেই চোখেই পানি আসে।
দোয়া ২: মেয়ে যেন নেক ও সালেহা হয়
رَبِّ هَبْ لِي مِنَ الصَّالِحِينَ
উচ্চারণ: রাব্বি হাব লি মিনাস সালিহীন।
(সূরা সাফফাত: ১০০)
আপনি মেয়েকে সেরা স্কুলে পড়াতে পারেন। সেরা টিচার দিতে পারেন। কিন্তু মেয়ের অন্তরে ঈমান ঢোকানো শুধু আল্লাহর পক্ষে সম্ভব।
তাই চেষ্টা করুন — কিন্তু দোয়া ছাড়বেন না। কারণ দোয়া ছাড়া চেষ্টা অসম্পূর্ণ।
---
দোয়া ৩: মেয়ে যেন নামাজি হয়
رَبِّ اجْعَلْنِي مُقِيمَ الصَّلَاةِ وَمِن ذُرِّيَّتِي ۚ رَبَّنَا وَتَقَبَّلْ دُعَاءِ
উচ্চারণ: রাব্বিজ'আলনি মুকীমাস সালাতি ওয়া মিন যুররিয়্যাতি, রাব্বানা ওয়া তাকাব্বাল দু'আ।
(সূরা ইবরাহীম: ৪০)
এটাই শিক্ষা — মেয়েকে নামাজি বানাতে হলে আগে নিজে নামাজি হতে হবে। মেয়ে দেখবে — আম্মু ফজরে উঠে নামাজ পড়ছেন, মাগরিবের আজান হলেই জায়নামাজে দাঁড়াচ্ছেন — তখন মেয়ের কাছে নামাজ স্বাভাবিক হয়ে যাবে।
দোয়া ৪: মেয়ের অন্তর যেন বাঁকা না হয়
رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً
উচ্চারণ: রাব্বানা লা তুযিগ কুলুবানা বা'দা ইয হাদাইতানা ওয়া হাব লানা মিল্লাদুনকা রাহমাহ।
(সূরা আলে ইমরান: ৮)
এই দোয়াটা বিশেষভাবে দরকার কৈশোরে।
কারণ অনেক মেয়ে ছোটবেলায় নামাজ পড়ে, কুরআন পড়ে, হিজাব পরে — কিন্তু কৈশোরে এসে বন্ধুমহলের চাপে, সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাবে, সমাজের ঠাট্টায় ধীরে ধীরে সরে যায়।
হিদায়াত পাওয়া কঠিন — কিন্তু হিদায়াতে টিকে থাকা আরও কঠিন।
এবার ৩টি আমল — যা দোয়ার সাথে সাথে করতে হবে
আমল ১: মা নিজে মেয়ের সামনে হায়ার নমুনা হোন
মেয়ে প্রথম রোল মডেল খোঁজে মায়ের মধ্যে।
আম্মু কী পরছেন, কীভাবে কথা বলছেন, মোবাইলে কী দেখছেন, পর-পুরুষের সামনে কীভাবে চলছেন — মেয়ে এসব খুব গভীরভাবে লক্ষ্য করে।
কিন্তু আপনি যদি মেয়েকে বলেন "পর্দা করো" অথচ নিজে বাইরে গেলে ওড়না রাখেন না — মেয়ে সেই দ্বিমুখিতা ধরে ফেলবে। আর তখন সে আপনার কথাকে গুরুত্ব দেবে না।
মেয়ের হায়ার প্রথম পাঠশালা ইনস্টাগ্রাম না — আপনার ঘর।
---
আমল ২: মেয়েকে ইসলামিক রোল মডেল চেনান
আজকের মেয়েরা রোল মডেল খুঁজছে। সমস্যা হলো — তারা পাচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ার ইনফ্লুয়েন্সারদের। যাদের জীবনে হায়া নেই, ঈমান নেই, দ্বীন নেই।
খাদিজা (রা.) — ইসলামের প্রথম মুসলিমা। নবীজি ﷺ-এর সবচেয়ে বড় সাহায্যকারী। ব্যবসায়ী, বুদ্ধিমতী, সাহসী। নবীজি ﷺ বলেছেন — আল্লাহ আমাকে খাদিজার চেয়ে উত্তম কাউকে দেননি।
(সহীহ বুখারী: ৩৮১৮)
ফাতেমা (রা.) — নবীজি ﷺ-এর কন্যা। জান্নাতে নারীদের সরদার। নবীজি ﷺ তাঁকে দেখলে দাঁড়িয়ে যেতেন, কপালে চুমু দিতেন।
(সুনানে আবু দাউদ: ৫২১৭)
আয়েশা (রা.) — ইসলামের সবচেয়ে বড় নারী আলেমা। সাহাবীরা জটিল মাসালায় তাঁর কাছে আসতেন।
আমল ৩: মেয়ের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখুন
এটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমল।
মেয়ে যখন কৈশোরে পা দেয়, তখন তার মনে হাজারো প্রশ্ন আসে। শরীর বদলাচ্ছে। আবেগ তীব্র হচ্ছে। ছেলেরা কথা বলছে। বান্ধবীরা প্রেমের কথা বলছে।
এই সময়ে মেয়ে যদি মায়ের কাছে খোলামেলা কথা বলতে না পারে — সে বাইরের কারো কাছে যাবে। আর বাইরের মানুষ তাকে কোন দিকে নেবে — সেটা আপনার নিয়ন্ত্রণে থাকবে না।
তাই মেয়ের সাথে এমন সম্পর্ক রাখুন যেন সে আপনাকে সবকিছু বলতে পারে।
সে যদি এসে বলে — "আম্মু, আমার ক্লাসের একটা ছেলে আমাকে মেসেজ করে" — তখন চিৎকার করবেন না। মারবেন না। বরং শান্তভাবে বলুন — "ভালো করেছো আম্মুকে বলেছো। এখন আমরা একসাথে ভাবি কী করবো।
রেফারেন্স:
— সূরা ফুরকান: ৭৪
— সূরা সাফফাত: ১০০
— সূরা ইবরাহীম: ৪০
— সূরা আলে ইমরান: ৮
— সূরা গাফির: ৬০
— সহীহ বুখারী: ৩৮১৮, ৭১৩৮
— সুনানে আবু দাউদ: ৫২১৭
18/06/2026
জীবনের প্রথম ভুল ছিল, তোমার সাথে পরিচয় হওয়া।
দ্বিতীয় ভুল ছিল, তোমাকে ভালো-লাগা।
আর
তৃতীয় ভুল ছিল, যেটা আমিই ইচ্ছে করে করেছিলাম...
সেটা হচ্ছে... নিজের চেয়েও তোমাকে বেশি ভালবেসে ছিলাম...!!!😅❤️🩹
18/06/2026
জীবনে অনেক তো মুনাজাত করেছেন, এবার উত্তমরূপে এইভাবে একবার করুন
মানুষের কাছে কত কিছু চেয়েছেন!
কত দরজায় কড়া নেড়েছেন!
কত আশা নিয়ে অপেক্ষা করেছেন!
কিন্তু এমন একজন আছেন, যিনি কখনো বিরক্ত হন না।বরং বান্দা না চাইলে অসন্তুষ্ট হন।
তিনি আল্লাহ... ❤️
আজ দুই হাত তুলে একান্তে বলুন—
🤲 হে আমার রব!
আমার সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দিন।যে গুনাহ আমি মনে রেখেছি, আর যে গুনাহ আমি ভুলে গেছি—সব।
আমার হৃদয়কে প্রশান্ত করে দিন।অন্তরের সব অস্থিরতা, ভয়, কষ্ট ও দুশ্চিন্তা দূর করে দিন।
আমাকে এমন রিজিক দিন, যাতে অভাব না থাকে;এমন বরকত দিন, যাতে অল্পেও প্রাচুর্য অনুভব করি।
আমাকে হিদায়াতের উপর জীবিত রাখুন,হিদায়াতের উপর মৃত্যু দিন,এবং হিদায়াতের উপরই আপনার সামনে উপস্থিত করুন।
আমার ঈমানকে কখনো দুর্বল হতে দেবেন না।আমাকে এক মুহূর্তের জন্যও আমার নফসের হাতে ছেড়ে দেবেন না।
আমার চোখকে হারাম থেকে,জিহ্বাকে মিথ্যা ও গীবত থেকে,অন্তরকে হিংসা ও অহংকার থেকে হেফাজত করুন।
আমার মা-বাবার উপর রহম করুন।তাদের জীবনে শান্তি দিন,আর যারা দুনিয়া থেকে চলে গেছেন, তাদের কবরকে জান্নাতের বাগান বানিয়ে দিন।
আমার পরিবারকে হেফাজত করুন।আমার সন্তানদের দ্বীনের খাদেম বানান।আমার ঘরে ভালোবাসা, রহমত ও বরকত নাযিল করুন।
হে আল্লাহ!আমাকে মানুষের মুখাপেক্ষী করবেন না।আপনাকেই আমার জন্য যথেষ্ট করে দিন।
আমার ইজ্জত, আমল ও ঈমানকে মৃত্যু পর্যন্ত নিরাপদ রাখুন।
যেদিন আমার মৃত্যু হবে,সেদিন আমার জিহ্বায় যেন কালিমা থাকে,অন্তরে যেন আপনার ভালোবাসা থাকে,আর আপনি যেন আমার প্রতি সন্তুষ্ট থাকেন।
হে আল্লাহ!আমি দুনিয়া ও আখিরাতের সকল কল্যাণ চাই।যা আমার জন্য ভালো, তা আমাকে দান করুন।আর যা আমার জন্য ক্ষতিকর, তা আমার থেকে দূরে সরিয়ে দিন।
কারণ—আপনি ছাড়া আমার আর কেউ নেই,আপনি ছাড়া আমার কোনো আশ্রয় নেই,আপনি ছাড়া আমার কোনো ভরসা নেই।
اللهم إني أسألك من خير ما سألك منه نبيك محمد ﷺ، وأعوذ بك من شر ما استعاذ منه نبيك محمد ﷺ
🤍 আমীন ইয়া আরহামার রাহিমীন।
13/06/2026
মেয়ের বিয়ের পর, মা নিজেই যখন প্রতিনিয়ত মেয়েকে প্রশিক্ষণ দেয়,
এবং উদ্দেশ্য হয় স্বামীর সংসার কে ধ্বংস করা।
তখন বুঝে নিও যে,
এটা তোমার জন্য বিয়ে ছিল না,
বরং এটা ছিল তোমার বিরুদ্ধে একটি ষড়যন্ত্র।
12/06/2026
অবহেলা"
পুরুষ মৃত্যু সইতে পারে, কিন্তু অবহেলা সইতে পারে না।
প্রিয় জনের লাশ কাঁধে নিয়েও যে পুরুষ শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে, সবার ভরসা হয়ে, পরিবারের ছাঁদ হয়ে।
সেই ইস্পাতের মতো শক্ত পুরুষ টাও কিন্তু কাঁদে কখন জানো,
যখন তার পছন্দের নারী তার ভালোবাসার
মানুষটা তাঁকে বুঝিয়ে দেয় তুমি আমার কেউ নও।
মৃত্যু তাঁকে ভাঙ্গতে পারেনা সত্যি। কিন্তু মায়া তাঁকে চুরমার করে দেয়া।
তোমাকে ভোলার ক্ষমতা সত্যি আমার নেই,
হাজারো কষ্টের মাঝে শুধু তোমাকেই মনে পরে, তোমাকেই মনে পরে...
10/06/2026
একজন পিতা তার মেয়েকে আইফোন উপহার দিলো। দ্বিতীয় দিন পিতা কন্যাকে জিজ্ঞাসা করলো আইফোন পাওয়ার পর সর্বপ্রথম তুমি কি করেছো ??
মেয়ে : আমি স্ক্রীন গা'র্ড আর কভার অর্ডার দিয়েছি।
পিতা : এটা করার জন্য তোমাকে কি কেউ বাধ্য করেছে ?
মেয়ে : না কেউ করেনি।
পিতা : তোমার এমন লাগে না, যে তুমি আইফোন নির্মাতা কে অপমান করছো ?
মেয়ে : না.. আইফোন নির্মাতা থেকে স্বয়ং কভার ও স্ক্রীন গার্ড লাগানোর জন্য উপদেশ দিয়েছে।
পিতা : ও তাহলে আইফোন অনেক খা'রা'প দেখাবে তবুও তুমি ওর জন্য কভার কিনেছ ?
মেয়ে : না বরং খা'রা'প না হওয়ার জন্য কভার অর্ডার দিয়েছি।
পিতা : কভার লাগানোয় কি ওর সৌন্দর্য কমে যাবে না ?
মেয়ে : না.. কভার লাগানোর পর আরো সুন্দর দেখাবে ।
পিতা মেয়ের দিকে স্নেহের নজরে তাকিয়ে বলল, মা আইফোন এর থেকেও দামি তোমার শরীর। এই ঘরের আর আমাদের সম্মান তুমি, তোমার শরীরকে কাপড়ে কভার করলে তোমার সৌন্দর্য আরো বেড়ে যাবে।
মেয়ের কাছে এই প্রশ্নের কোন উত্তর ছিল না, শুধু চোখ থেকে নির্ঝরে অশ্রু বেরিয়ে যাওয়া ছাড়া।
নারীদের দে'হ আড়াল করলে সৌন্দর্য কমে না, বরং প্র'দর্শন করলে কমে।
লেখা : সংগৃহীত
10/06/2026
যদিও সে যিনা করে..!
যদিও সে চুরি করে!
তবুও জান্নাত! কিন্তু শর্তটি কী জানো..?
আল্লাহু আকবার! কলিজা কাঁপানো হাদিস
*জি ভাই, জানি* । এটা তো আবু যর (রা.) এর হাদিস ।
রাসূল (সা.) বললেন: *"জিবরীল (আ.) আমার কাছে এসে সুসংবাদ দিলেন - আমার উম্মতের যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে কোনো কিছু শরীক না করে মারা যাবে, সে জান্নাতে যাবে।"*
আবু যর (রা.) বললেন: *"যদিও সে যিনা করে? যদিও সে চুরি করে?"*
রাসূল (সা.) বললেন: *"হ্যাঁ, যদিও সে যিনা করে, যদিও সে চুরি করে"* (বুখারী, মুসলিম)
*কিন্তু শর্ত কী?* ২টা শর্ত ভাই :
*১. শিরক না করা*
*"ইন্নাল্লাহা লা ইয়াগফিরু আইঁ ইউশরাকা বিহি ওয়া ইয়াগফিরু মা দূনা যালিকা লিমাইঁ ইয়াশা"* (নিসা ৪৮)
অর্থ: আল্লাহ শিরক মাফ করেন না, এছাড়া যাকে ইচ্ছা সব মাফ করেন ।
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বুকে নিয়ে মরতে হবে । মাজারে সিজদা, তাবিজে ভরসা, গায়রুল্লাহর নামে মানত - এসব থাকলে হবে না ।
*২. তওবা অথবা শাস্তি*
যিনা-চুরি কবীরা গুনাহ । ৩টা রাস্তা আছে :
- *দুনিয়াতে তওবা করলে*: চোখের পানি ফেলে মাফ চাইলে আল্লাহ সব ধুয়ে দেন । "তওবাকারী এমন যেন গুনাহই করে নাই" ।
- *দুনিয়াতে শাস্তি পেলে*: হাত কাটা, বেত্রাঘাত - এটা কাফফারা হয়ে যায় ।
- *তওবা না করলে*: আল্লাহর ইচ্ছা । চাইলে জাহান্নামে শাস্তি দিয়ে তারপর জান্নাত দিবেন । চাইলে শুরুতেই মাফ করে দিবেন । কিন্তু শিরক না থাকলে জাহান্নামে চিরকাল থাকবে না ।
*খেয়াল করেন ভাই*
এই হাদিস শুনে যিনা-চুরির লাইসেন্স পাই নাই আমরা ।
রাসূল (সা.) আরেক হাদিসে বলছেন: *"যিনাকারী যিনা করার সময় মুমিন থাকে না, চোর চুরি করার সময় মুমিন থাকে না"* (বুখারী) ।
মানে আল্লাহর রহমত আছে, কিন্তু গুনাহকে হালকা ভাবলে ঈমান চলে যাওয়ার ভয় আছে ।
*আসল কথা কী জানেন?*
আল্লাহ চান বান্দা ফিরে আসুক । ১০০ বার যিনা করলেও, ১০০ বার তওবা করলে ১০১ বার মাফ করবেন ।
*"আমার রহমত আমার গজবকে ছাড়িয়ে গেছে"* (বুখারী) ।
ভাই, আপনার-আমার জন্য সুসংবাদ । আমরা গুনাহগার, কিন্তু মুশরিক না ।
*লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ* বুকে আছে । তাই আশা রাখি ।
কিন্তু শর্ত ভুলি নাই তো? *তওবা* । আজই এখনই ।
"আস্তাগফিরুল্লাহ ওয়া আতূবু ইলাইহি" ।
আপনার মনে কোনো গুনাহ খোঁচা দিতেছে? আল্লাহর কাছে বলেন । উনি মাফ করার জন্য বসে আছেন । আল্লাহুম্মাগফিরলি 🤲
"প্লিজ সবাই একটু কপিলিং করে দিবেন"🙏💙
08/06/2026
বট গাছের বিচার করতে বসেছে,
বন্যার পানিতে ভেসে আসা শ্যাওলা,
যাইতেছে দিন, দেখতেছি সিন,
আল্লাহ যদি কখনো ঘুরায় দিন,
তখন আমি চিনাবো তোমায়,
কোনটা উত্তর আর কোনটা দক্ষিণ🔥
06/06/2026
.
মোহাম্মদ বিন সীরীন রাহিমাহুল্লাহ বলেন,
আল্লাহর কসম! আব্দুল্লাহর আম্মু (তার স্ত্রী) ছাড়া আমি অন্য কোন মহিলার দিকে দৃষ্টি দেইনি।
জাগ্রতাবস্থায়ও না আর ঘুমন্তাবস্থায়ও না।
স্বপ্নে আমি কোন মহিলাকে দেখলে মনে করছি, এটাতো আমার জন্য হালাল না। অতঃপর তার থেকে আমার দৃষ্টি ফিরিয়ে নিয়েছি।
(সাহমু ইবলিস ওয়া কাওছিহ)
রাবী বিন খায়ছাম রাহিমাহুল্লাহ তার দৃষ্টিকে অবনত রাখতেন।
আর মহিলাদের পাশ দিয়ে অতিক্রম কালে নিজের চোখকে একদম নীচে নামিয়ে রাখতেন, তখন মহিলারা মনে করতো তিনি অন্ধ।
অতঃপর তারা আল্লাহর কাছে অন্ধত্ব থেকে বাঁচার জন্য আশ্রয়প্রার্থনা করত।
(যাম্মুল হাওয়া, ৮০)
আতা রাহিমাহুল্লাহ বলেন,
আমাকে যদি বাইতুল মালের দায়িত্ব দেওয়া হয় তাহলে আমি বিশ্বস্ত হতে পারব।
তবে কুৎসিত বিকৃত দাসীর ক্ষেত্রেও আমি নিজেকে নিরাপদ মনে করিনা।
ইমাম যাহাবী বলেন, তিনি সত্যই বলেছেন।
(সিয়ারু আলামিন নুবালা, ৫/৮৭-৮৮)
আহনাফ বিন ক্বাইস রাহিমাহুল্লাহ বলেন, তোমরা আমাদের বৈঠকগুলোতে খাবার ও নারী সংক্রান্ত বিষয় আলোচনা করা থেকে বিরত থাকবে।
আমি ঐ ব্যক্তিকে ঘৃণা করি, যে নিজের লজ্জাস্থান ও পেটের বিবরণ দেয়।
(সিয়ারু আলামিন নুবালা, ৪/৯৪)।
সাঈদ বিন মুসাইয়িব রাহিমাহুল্লাহুর বয়স ৮৪ বছর, তখন তার এক চোখ নষ্ট, আরেকটির দৃষ্টিশক্তিও একেবারে দুর্বল, এমতাবস্থায় তিনি বললেন, আমার কাছে নারীর চেয়ে বেশি ভয়ঙ্কর আর কিছু নেই।
(সিয়ারু আলামীন নুবালা, ৪/২৩৭)
অন্যত্র তিনি বলেন,
আমি নিজের উপর নারীকে ভয়ের মত অন্য কোন কিছুকে এত ভয় পাই না।
তারা বললেন, হে আবু মুহাম্মদ! আপনার মত বুড়ো মানুষ তো আর মহিলাদেরকে চাইবে না, আর না মহিলারা আপনাকে চাইবে।
তিনি বললেন, সেটাই আমি তোমাদের বলছি।
(কেউ কাউকে চাইবে না, তারপরও আমার এত ভয়)
অথচ সে সময় তিনি ছিলেন ক্ষীণদৃষ্টি সম্পন্ন বৃদ্ধ এক লোক।
(সিয়ারু আলামীন নুবালা, ৪/২৩৭)
আল -আলা বিন যিয়াদ (রাহঃ) বলেন,
কোন মেয়ের উড়নার উপর যেন তোমার দৃষ্টি না পড়ে।
কারণ এই দৃষ্টিই অন্তরে কামনা-বাসনা জাগিয়ে তুলে।
(আহমাদ, যুহুদ, ৩১১)।
আবু হাকীম রাহিমাহুল্লাহ বলেন,
হাসসান বিন আবু সিনান একদিন ঈদগাহে গেলেন।
অতঃপর ঈদগা থেকে ফিরলে তার স্ত্রী তাকে বললেন, আজ কতইনা সুন্দরী রমণীকে তুমি অবলোকন করেছ।
বারবার একই কথা বলার পর তিনি বললেন, তোমার জন্য আফসোস!
বাড়ি থেকে বের হয়ে ফিরে আসা পর্যন্ত আমি আমার বুড়ো আঙুলের দিকেই তাকিয়ে ছিলাম।
(ইবনু আবী দুনইয়া, আল-ওরাআ, ৬)
ওয়াক্বী রাহিমাহুল্লাহ বলেন, আমরা সুফিয়ান সাওরীর সাথে ঈদের দিন বের হলাম।
তিনি বললেন, আজ আমাদের সর্বপ্রথম কাজ হলো, আমরা আমাদের দৃষ্টি অবনত রাখবো।
(ইবনু আবী দুনইয়া, আল-ওরাআ, ৭২)
আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন,
যখন তোমার পাশ দিয়ে কোন মহিলা অতিক্রম করবে তখন তোমার দু'চোখে নিচে নামিয়ে নিবে, যতক্ষণ না সে তোমাকে অতিক্রম করে চলে যায়।
(ইবনু আবী দুনইয়া, আল-ওরাআ, ৭২)
[সংগৃহীত]