20/03/2026
তাক্বাব্বালাল্লহু মিন্না ওয়া মিনকুম 🌙
এক মাসের সিয়াম সাধনা ও ইবাদত শেষে আমাদের জীবনে ফিরে এলো আনন্দের ঈদ-উল-ফিতর। আমাদের প্রিয় শিক্ষার্থী ও সম্মানিত অভিভাবকদের জানাই পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ।
জেনে নিন ঈদের দিনের ৪টি বিশেষ আমল এবং ছোটদেরকেও উৎসাহিত করুন।
🔹ঈদের নামাজের আগে বিজোড় সংখ্যক খেজুর বা মিষ্টি কিছু খাওয়া।
🔹অভাবী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে নামাজের আগেই ফিতরা আদায় করা।
🔹ঈদগাহে যাওয়া-আসার পথে মনে মনে ‘আল্লাহু আকবার’ পাঠ করা।
🔹সামর্থ্য অনুযায়ী পরিষ্কার পোশাক পরিধান ও সুগন্ধি ব্যবহার করা।
মহান আল্লাহ আমাদের সবার সিয়াম, সালাত ও নেক আমলগুলো কবুল করে নিন এবং এই ঈদের মাধ্যমে সবার জীবনে নিয়ে আসুন অনাবিল প্রশান্তি ও সমৃদ্ধি। ঈদ মুবারাক!
12/03/2026
এই মহিমান্বিত রাতে আপনার সন্তানকে জাগিয়ে রাখুন..
আজ ২৩শে রমাদানের দিবাগত রাত। প্রিয় নবী ﷺ-এর ঘোষণা অনুযায়ী, শেষ দশকের এই বিজোড় রাতেই লুকিয়ে থাকতে পারে মহিমান্বিত 'লাইলাতুল কদর'। যা হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও উত্তম।
🕋 অভিভাবক ও সন্তানদের জন্য বিশেষ আমল:
🔹সন্তানদের সাথে নিয়ে দীর্ঘ সময় নফল নামাজ ও কুরআন তিলাওয়াতে মশগুল হোন।
🔹বারবার পাঠ করুন: 'আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউউন, তুহিব্বুল আফওয়া, ফা’ফু আন্নি' (হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল, আমাকে ক্ষমা করুন)।
🔹এই বরকতময় রাতে সামর্থ্য অনুযায়ী দান সদকা করুন।
পার্থিব ব্যস্ততা সরিয়ে আসুন এই সংক্ষিপ্ত সময়ে রবের নৈকট্য খুঁজি। আজকের একটি রাতই বদলে দিতে পারে আপনার ও আপনার সন্তানের পরকাল।
[শেয়ার করে অন্যকেও এই সওয়াবের সুযোগ করে দিন।]
10/03/2026
দেখতে দেখতে শুরু হয়ে গেলো রমাদানের শেষ দশ দিন! আজ ২১তম রমাদানের রাত, যা হতে পারে হাজার মাসের চেয়েও সেরা সেই 'লাইলাতুল কদর'।
বাচ্চাদের এই বিশেষ রাতের গুরুত্ব বোঝাতে এবং ইবাদতে উৎসাহিত করতে নিচের বিষয়গুলো অনুসরণ করতে পারেন:
✅ বাচ্চাদের সাথে নিয়ে নফল নামাজ পড়ুন। তাদের শেখান যে সিজদায় গিয়ে আল্লাহর কাছে যা চাওয়া হয়, আল্লাহ তা কবুল করেন।
✅ এই দোয়াটি বাচ্চাদের মুখস্থ করান এবং বারবার পড়তে উৎসাহিত করুন:
اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউউন, তুহিব্বুল আফওয়া, ফা’ফু আন্নি।
অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল এবং ক্ষমা করতে পছন্দ করেন। অতএব আমাকে ক্ষমা করে দিন।
✅ নিজের হাতে কিছু টাকা বা খাবার কোনো গরিব মানুষকে দিতে বলুন। এতে তাদের অন্তরে দয়ার উদ্রেক হবে। পাশাপাশি সদকাতেও আগ্রহী হবে।
অলসতা বা মোবাইল স্ক্রিনে সময় নষ্ট না করে সন্তানদের নিয়ে জান্নাত পাওয়ার এই প্রতিযোগিতায় মেতে উঠুন। হতে পারে আজকের এই ছোট ছোট আমলগুলোই তাদের সুন্দর ভবিষ্যতের উসিলা হবে।
শেয়ার করে অন্য বাবা-মাকেও স্মরণ করিয়ে দিন। আল্লাহ আমাদের সন্তানদের নেককার হিসেবে কবুল করুন। আমিন।
09/03/2026
আলহামদুলিল্লাহ!
পবিত্র মাহে রমাদানের নূরানি আবহে, ইসলামিক অনলাইন মাদ্রাসা (IOM) কর্তৃক আয়োজিত "কুরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা ২০২৬" আল্লাহর অশেষ রহমতে অত্যন্ত শৃঙ্খলার সাথে সম্পন্ন হয়েছে।
গত ৮ই মার্চ, ২০২৬ তারিখে মিরপুরের উম্মাহ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। জেনারেল লাইনে পড়ুয়া ভাই-বোনদের মাঝে কুরআনের চর্চা ও সহিহ তিলাওয়াত ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানের উল্লেখযোগ্য দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
💠 প্রায় ১০টি ভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অর্ধশত প্রতিযোগী এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। শিশু, কিশোর ও প্রাপ্তবয়স্ক, এই তিনটি ভিন্ন স্তরে বিভক্ত প্রতিযোগীদের স্বতঃস্ফূর্ত তিলাওয়াতে, অনুষ্ঠানস্থল এক জান্নাতি আমেজে ভরে ওঠে।
💠 অনুষ্ঠানে প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের উৎসাহিত করেছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর খন্দকার কায়েস সাহেব। তাঁর মূল্যবান নসিহত উপস্থিত সবাইকে কুরআনের পথে অবিচল থাকার প্রেরণা জুগিয়েছে।
💠 প্রতিযোগিতার মানদণ্ড নিশ্চিত করতে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনজন বিজ্ঞ ও বরেণ্য আলেমে দ্বীন। তাঁদের সূক্ষ্ম বিচারকার্য প্রতিযোগিতার গুরুত্বকে আরও মহিমান্বিত করেছে।
💠 কুরআন তিলাওয়াতের পাশাপাশি প্রতিযোগীদের পরিবেশিত মনোমুগ্ধকর হামদ ও নাত অনুষ্ঠানটিতে এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করে।
💠 সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের শেষভাগে বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। প্রতিযোগীদের প্রতিভা ও প্রচেষ্টার স্বীকৃতিস্বরূপ প্রদান করা হয়:
🔸নগদ অর্থ
🔸সম্মাননা ক্রেস্ট
🔸মূল্যবান ইসলামী গ্রন্থাবলী
আল্লাহ সুবহানাহু তাআলার ইচ্ছায় ও আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই ধরণের আয়োজন আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত ভাই-বোনদের আল-কুরআনের ছায়াতলে আসতে সাহায্য করবে, ইন শা আল্লাহ।
মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা কবুল করুন এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে জাযায়ে খায়ের দান করুন। আমিন।
[সদকায়ে জারিয়ার নিয়তে পোস্টটি শেয়ার/ট্যাগ/মেনশন করে ছড়িয়ে দিন সর্বত্র]
06/03/2026
জুমুআর দিনের শেষ প্রহর আর ইফতারের ঠিক আগের মুহূর্ত; দুআ কবুলের দুটি শ্রেষ্ঠ সময় আজ মিলেমিশে একাকার।
জুমুআর দিনে বাদ আসর থেকে মাগরিব পর্যন্ত এমন একটি সময়, যখন দুআ কবুল হওয়ার বিশেষ সম্ভাবনা থাকে। আর ঠিক সেই সময়েই ইফতারের আগ মুহূর্ত যে মুহূর্তকে রাসূল ﷺ দুআ কবুলের বিশেষ সময় হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
অভিভাবক হিসেবে আমাদের দায়িত্ব ব্যস্ততার মাঝেও এই বরকতময় সময়টির গুরুত্ব সন্তানদের বুঝিয়ে বলা। ইফতারের আয়োজনে ব্যস্ত থাকার পাশাপাশি আসুন ছোটদেরও পাশে বসাই এবং তাদের শেখাই যে, এই সময়ে আল্লাহর কাছে যা চাওয়া হয়, তিনি তা ফিরিয়ে দেন না। তাদের হাত তুলে দুআ করতে উৎসাহিত করি, যাতে শৈশব থেকেই তারা আল্লাহর ওপর ভরসা করতে এবং চাওয়ার আদব শিখতে পারে। আমাদের সামান্য এই সচেতনতা তাদের মনে দ্বীনের প্রতি ভালোবাসা ও দুআর গুরুত্ব গেঁথে দেবে।
আল্লাহ আমাদের সন্তানদের নেককার হিসেবে কবুল করুন এবং আমাদের সবার দুআগুলো গ্রহণ করুন। আমিন।
27/02/2026
এই রমাদানে ছোটদেরকে কেবল রোজা থাকতে শেখানোই সিয়ামের সার্থকতা নয়, বরং প্রতিটি ধাপে রাসুলুল্লাহ (সা.) এর সুন্নাহর শিষ্টাচারে অভ্যস্ত করানো উচিত।
তাই আপনার সন্তানদের মাঝে ইফতারের এই সুন্নাহগুলো গেঁথে দিন:
✅দ্রুত ইফতার: সময় হওয়ার সাথে সাথে দেরি না করে ইফতার করা সুন্নাহ। সন্তানদের শেখান যে, আল্লাহর বিধান সময়মতো পালন করার মাঝেই বরকত নিহিত থাকে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
"মানুষ ততদিন কল্যাণের ওপর থাকবে, যতদিন তারা দ্রুত ইফতার করবে।" (বুখারি ও মুসলিম)
✅দুআর গুরুত্ব: ইফতারের ঠিক পূর্ব মুহূর্তটি দুআ কবুলের শ্রেষ্ঠ সময়। সন্তানদের শেখান যেন তারা হুলস্থুল না করে শান্তভাবে বসে আল্লাহর কাছে দুআ করে। ইফতারের সময়কার বিশেষ দোয়াটি তাদের মুখস্থ করান:
ذَهَبَ الظَّمَأُ وَابْتَلَّتِ الْعُرُوقُ وَثَبَتَ الأَجْرُ إِنْ شَاءَ اللَّهُ
অর্থ: "পিপাসা দূরীভূত হয়েছে, শিরা-উপশিরা সিক্ত হয়েছে এবং আল্লাহ চাহেন তো পুরস্কার (সওয়াব) নির্ধারিত হয়েছে।" (সুনানে আবু দাউদ; সুনানে নাসাঈ)
✅সুন্নতি খাবার: ইফতারের শুরুতে খেজুর খাওয়া সুন্নাত। খেজুর না থাকলে সাধারণ পানি দিয়ে ইফতার শুরু করা উচিত। অতিরিক্ত ভাজাপোড়া এড়িয়ে সাধারণ খাবারের প্রতি তাদের আগ্রহ তৈরি করুন।
✅পরিমিতিবোধ: সারা দিন ক্ষুধার্ত থাকার পর মাত্রাতিরিক্ত ভোজন বা অপচয় ইসলাম সমর্থন করে না। খাবারের অপচয় রোধে তাদের সচেতন করুন।
শিশুরা উপদেশের চেয়ে উদাহরণ থেকে বেশি শেখে। আপনি নিজে যখন ইফতারের এই সুন্নাহগুলো নিষ্ঠার সাথে পালন করবেন, আপনার সন্তানও নিজের মাঝে সেই আদর্শ ধারণ করবে।
এই রমাদানে আমাদের ঘরগুলো হয়ে উঠুক সুন্নাহর জীবন্ত পাঠশালা।
[সদকায়ে জারিয়ার নিয়তে পোস্টটি শেয়ার/ট্যাগ/মেনশন করে ছড়িয়ে দিন সর্বত্র]
23/02/2026
মাহে রমাদান উপলক্ষ্যে জেনারেল ভাই-বোনদের জন্য Islamic Online Madrasah-IOM এর উদ্যোগে আয়োজিত দেশ ব্যাপী কুরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা-২০২৬।
সহিহ তিলাওয়াত ও দ্বীনি জ্ঞানে নিজেকে শাণিত করার এক অনন্য আয়োজন। যুক্ত হোন এই নূরানী কাফেলায়।
🕘 তারিখ :১৮ ই রমাদান
▶️ প্রতিযোগিতার বিষয়াবলী:
ক)তেলাওয়াত- ৩০ নং পারা
খ) মুখস্থ: সূরা ফাতিহা সহ শেষের ১০ টি সূরা
গ) মাসআলা: নামাজ ভঙ্গের কারণ ১৯ টি অথবা ঈমান ভঙ্গের কারণ দশটি
🔶 পুরস্কার: ক্রেস্ট, নগদ অর্থ এবং মূল্যবান সামগ্রী
▶️ বিস্তারিত জানতে ও অনলাইনে ফরম পূরণ করতে কমেন্ট বক্স চেক করুন।
সরাসরি অংশগ্রহণের জন্য আজ থেকেই আমাদের অফলাইন ক্যাম্পেইন ও ফরম বিতরণ শুরু হয়েছে!
🚓 ভেন্যু: উম্মাহ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল
🔶 লোকেশন: হোল্ডিং নং ১০, সেলিনা মার্কেট ,দ্বিতীয় তলা, মেট্রো পিলার নং ২৯২, বিন্দু বৃত্ত গলি, পূর্ব শেওড়াপাড়া,মিরপুর, ঢাকা।
📞01842172596
01772433311
✴️শেয়ার করে নেকির অংশীদার হোন।
19/02/2026
আহলান সাহলান, মাহে রমাদান।
রমাদান মুমিনের জীবনে কেবল ক্যালেন্ডারের পাতা পরিবর্তন নয়, বরং নিজের নফসকে নিয়ন্ত্রণ করার এক কঠোর অনুশীলন।
এই বরকতময় মাসে আমাদের আমলনামায় যে পরিবর্তনগুলো আনা জরুরি:
✅প্রতিটি কাজে আল্লাহর উপস্থিতি অনুভব করা এবং লোকচক্ষুর অন্তরালে থেকেও পাপাচার থেকে বিরত থাকা।
✅কুরআন পাঠের পাশাপাশি প্রতিদিন অন্তত কিছু সময় কুরআনের অর্থ ও ব্যাখ্যা নিয়ে তাদাব্বুর করা।
✅অনর্থক বিতর্ক, গীবত এবং মিথ্যাচার থেকে নিজেকে মুক্ত রাখা। মনে রাখা প্রয়োজন, আচরণ সংযত না হলে অনাহার কেবলই উপবাস।
✅তারাবীহ ও শেষ রাতের ইবাদতে অভ্যস্ত হওয়া। নিস্তব্ধ রাতে স্রষ্টার সাথে একান্ত আলাপনই আত্মিক প্রশান্তির মূল উৎস।
✅সামর্থ্যের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে আর্তমানবতার পাশে দাঁড়ানো।
"হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেভাবে তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর ফরজ করা হয়েছিল; যাতে তোমরা তাকওয়া অবলম্বন করতে পারো।" (সূরা আল-বাকারা: ১৮৩)
রমাদান আসুক আমাদের চরিত্রের ইতিবাচক পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসেবে। আল্লাহ আমাদের সিয়াম ও কিয়াম কবুল করুন।
রমাদানুল মুবারক।
[সদকায়ে জারিয়ার নিয়তে পোস্টটি শেয়ার/ট্যাগ/মেনশন করে ছড়িয়ে দিন সর্বত্র]
10/02/2026
🏆 সাফল্যের শীর্ষে উম্মাহ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল!
যেন মেধা ও মননের এক মহিমান্বিত মহাকাব্য রচিত হলো। দেশজুড়ে ৫,০০০ স্কুলের প্রায় ১ লক্ষ শিক্ষার্থীর এক বিশাল প্রতিযোগিতায় মেধা ও মননের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করলো উম্মাহ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল।
আলহামদুলিল্লাহ! ২০২৫ সালের কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশন বৃত্তি পরীক্ষায় প্রথম অংশগ্রহণে আমরা অর্জন করেছি এক অনন্য গৌরব।
📊 আমাদের সাফল্যের খতিয়ান:
🔹ঢাকা মহানগর উত্তরে: প্রথম স্থান অধিকার।
🔹অংশগ্রহণকারী ১৭ জনের মধ্যে ১৪ জনই অভাবনীয় সাফল্যের সাথে বৃত্তিপ্রাপ্ত।
🔹৪ জন মেধাবী শিক্ষার্থী ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত।
🔹২ জন শিক্ষার্থী ১০০% নম্বর পেয়ে সারা বাংলাদেশে প্রথম স্থান অধিকার করেছে।
✨ সাফল্যের নেপথ্যে:
এই ঈর্ষণীয় সাফল্যের মূল চালিকাশক্তি হলো আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার অশেষ রহমত এবং আমাদের নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিরলস মেহনত ও শিক্ষার্থীদের পরিশ্রম। ১৬,০০০ বৃত্তিপ্রাপ্তদের ভিড়ে আমাদের শিক্ষার্থীরা প্রমাণ করেছে যে, সঠিক দিকনির্দেশনা থাকলে যেকোনো লক্ষ্য জয় করা সম্ভব। সুবহানাল্লাহ!
🏫 কেন উম্মাহ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল?
এটি কেবল একটি সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়; বরং আগামী প্রজন্মের জন্য এক আদর্শ বিদ্যাপীঠ। এখানে আধুনিক শিক্ষার সমান্তরালে নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধকে দেওয়া হয় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
এই গৌরবময় পথচলায় আমাদের সাথে থাকা সকল অভিভাবক ও শুভানুধ্যায়ীদের জানাই আন্তরিক মোবারকবাদ ও অভিনন্দন।
📢 সদকায়ে জারিয়ার নিয়তে পোস্টটি শেয়ার করে এই খুশির সংবাদটি ছড়িয়ে দিন সর্বত্র।
03/02/2026
আজ শবে বরাত নাকি "লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান"? আসুন একটু ঘেটে দেখা যাক।
ভারতীয় উপমহাদেশে ১৫ই শাবান শবে বরাত নামে সুপরিচিত হলেও হাদিস শরীফে এমন শব্দযুগলের দেখা মেলে না। হাদিস শরীফের ভাষা অনুযায়ী শাবান মাসের মধ্য রজনী তথা ১৪ই শাবানের দিবাগত রাত অর্থাৎ ১৫ই শাবানের রাতকে লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান বলা হয়। এদিকে প্রচলিত শবে বরাত শব্দদ্বয় দ্বারা ভাগ্য রজনী বুঝানো হয় যা কোনো সহিহ হাদিস থেকে নেয়া হয় নি। তাহলে এই রাতের তাৎপর্য কী?
ইবনে মাজাহতে উল্লেখিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, ❝মহান আল্লাহ মধ্য শাবানের রাতে দুনিয়ার কাছাকাছি আকাশে অবতরণ করেন এবং কালব গোত্রের মেষপালের পশমের চাইতেও অধিক সংখ্যক লোকের গুনাহ মাফ করেন।❞
অর্থাৎ ১৫ই শাবানের এই রাত্রি আমাদের জন্য গুনাহ মাফের সুযোগ। পাশাপাশি এ রাতে দুআ কবুলের সম্ভাবনাও রয়েছে। ইবনে ওমর রাদিআল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, ❝এমন পাঁচটি রাত রয়েছে, যেগুলোতে আল্লাহ তাআলা বান্দার দুআ ফিরিয়ে দেন না। সেই রাতগুলো হলো, জুমার রাত, রজবের প্রথম রাত, শাবানের ১৫ তারিখের রাত, দুই ঈদের রাত।❞ [সুনানে বায়হাকি: ৬০৮৭]
আরেকদিকে দুঃখজনক হলেও বাস্তব যে, এই রাতকে কেন্দ্র করে নানান কালচার গড়ে তোলা হয়েছে যার প্রমাণ কুরআন ও হাদিসে নেই। এই যেমন:
1️⃣ নির্দিষ্ট সালাত: শবে বরাতের আলাদা সালাত আছে মনে করা, যা কোনো সহিহ হাদিসে পাওয়া যায় নি।
2️⃣ নির্দিষ্ট সিয়াম: শাবান মাসে সিয়াম পালন করা নিশ্চয়ই উত্তম। এছাড়া ১৫ই শাবান আইয়ামে বীজের অন্তর্ভুক্ত। তাই এ দিনে সিয়াম পালনে বাড়তি সাওয়াব মিলবে ইনশা আল্লাহ। তবে এই সিয়ামকে শবে বরাতের বিশেষ আমল বা সুন্নাহ ভাবা হিতের বিপরীত। কারণ আমাদের নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এমনটি করেন নি।
3️⃣ আতশবাজি, আলোকসজ্জা, মেলা: উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করা যার সাথে ইবাদতের কোনো সম্পর্ক নেই।
4️⃣ ভাগ্য রজনী মনে করা: এই রাতে ভাগ্য নির্ধারণ করা হয় ভেবে বিশেষ খাবার যেমন হালুয়া-রুটি বিতরণ করা, উত্তম পোশাক পড়া ইত্যাদি ভিত্তিহীন।
5️⃣ কবর জিয়ারতকে এই রাতে আবশ্যক মনে করা: অনেক এলাকায় দলবেঁধে কবর জিয়ারত করা এই রাতের একটি কালচার হিসাবে ধরা হয়। কুরআন ও হাদিসে এমন কোনো রেফারেন্স পাওয়া যায় নি।
মোদ্দাকথা ১৫ই শাবানের রাতকে হাদিসের ভাষায় বলা উচিত লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান। এ রাতে আল্লাহ রব্বুল আলামিন তাঁর অসংখ্য বান্দাদের গুনাহ মাফ করেন ফলে এটি কোনো সাধারণ রাত নয়। তাই কুরআন-হাদিসে নেই এমন বিষয়গুলো পরিহার করে ইখলাসের সহিত জিকির, সালাত ও তিলাওয়াতের মাধ্যমে এই রাতে আল্লাহর দরবারে মাফি চেয়ে দু'হাত তুলতে কার্পণ্য করবেন না!
📜 প্রচলিত ভুল থেকে বেরিয়ে আসতে পোস্টটি শেয়ারের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিতে পারেন ইনশা আল্লাহ।