জরুরী ফরম পূরণ নোটিশ
এতদ্বারা বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ড এর অধীনে এসপিকেএস মেডিকেল ইনস্টিটিউট এর ডিপ্লোমা কোর্সের সকল ছাত্র/ছাত্রীদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, ২য়, ৪র্থ, ৬ষ্ঠ ও ৮ম সেমিস্টার বোর্ড সমাপনী পরীক্ষার ফরম ফিলাপ শুরু হয়েছে।
আগামী ২০/০৬/২০১৮ ইং রোজ বুধবার দুপুর ১.০০ ঘটিকার মধ্যে মধ্যে ফরম ফিলাপ ও অন্যান্য ফিস পরিশোধ করে ফরম ফিলাপ করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হল। বিকাশে টাকা প্রেরণ করিলে অবশ্যই ১৯/০৬/২০১৮ ইং তারিখ বিকাল ৫:০০ ঘটিকার মধ্যে পাঠাতে হবে।
প্রয়োজনেঃ ০১৭৪৩৪৮৭৭৮৮, ০১৭২৮৭৩৪৫৭৭
SPKS Medical Institute.
Shasthaya Paricharja & Kallayan Sangstha (SPKS).
★Special features :
● SPKS MATS.●Pallabi Nursing Institute.● SPKS Medical Service.
Shasthaya Paricharja & Kallayan Sangstha (SPKS) is a Non-Government Organization (NGO). Some organized social workers established it on consensus in 1998 aiming at reducing impact of limited initiatives for human resource development, drug addiction at individual, family & social level and limited health facilities. SPKS has explored a vision, a mission and some objectives including management pol
ধূমপান ছাড়বেন কিভাবে?
বাংলাদেশের একজন সুপরিচিত চিকিৎসক অরূপ রতন চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরেই তামাকজাত পণ্যে ব্যবহারের বিপক্ষে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
মি: চৌধুরীর মতে ধূমপান একটি আসক্তির মতো। এখান থেকে বেরিয়ে আসতে চাইলে নিম্নোক্ত পন্থাগুলো ব্যবহার করা যেতে পারে।
১. আজ এখুনি ধূমপান ছাড়ার প্রতিজ্ঞা করুন। টেবিল কিংবা পকেটে রাখা সিগারেটের প্যাকেট ডাস্টবিনে ছুঁড়ে ফেলুন
২. একদিন ধূমপান না করে দেখুন। এরপর পার্থক্য অনুভব করার চেষ্টা করুন। এরপর দুইদিন , তিনদিন ধূমপান থেকে দূরে থাকুন। তাহলে অভ্যাস গড়ে উঠবে।
৩. আপনার আশপাশে যারা ধূমপান বর্জন করেছে তাদের অনুসরণ করুন। তাদের স্বাস্থ্যগত কী পরিবর্তন এসেছে সেটি জানার চেষ্টা করুন।
৪. একটা হিসেবে করে দেখুন তো সিগারেট কিংবা তামাকজাত পণ্যের জন্য প্রতিমাসে আপনার কত টাকা খরচ হয়? হিসেব করে দেখলে ধূমপান ছাড়া আপনার জন্য সহজ হবে। সে টাকা জমিয়ে অন্য খাতে খরচ করতে পারেন।
৫. আপনার ধূমপায়ী বন্ধুদের সঙ্গ সুকৌশলে এড়িয়ে চলুন।
৬. সিগারেট ছাড়ার পর মুখে চুইংগাম কিংবা আদা চিবোতে পারেন। তাহলে ধূমপানের প্রতি আকর্ষণ কমে আসবে।
৭. যে সময়টিতে আপনার ধূমপান করতে ইচ্ছা করবে সে সময়ে রাস্তায় হাঁটুন। তাহলে ধূমপানের চাহিদা থাকবে না।
৮. যে কোন জায়গায় ধূমপান কর্নার থেকে দূরে থাকুন
৯. ধূমপান বিরোধী এবং স্বাস্থ্য সচেতনতার বই পড়তে পারেন
১০. নিরুপায় হলে সর্বশেষ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে কাউন্সেলিং-এর সহায়তা নিতে পারেন।
18/08/2017
http://m.prothom-alo.com/life-style/article/1292926/সিনিয়র-স্টাফ-নার্স-ও-মিডওয়াইফ-পদে-৪৬০০-নিয়োগ
পাওয়া যায়নি - প্রথম আলো আপনি যে বিষয়টি অনুসন্ধান করছেন তা খুজে পাওয়া যায়নি। বিষয়টি সম্ভবত প্রথম আলোর সাথে সংশ্লিষ্ট নয় অথবা আপনি ভুলভাবে অনুসন্ধান করছেন। অনুগ্রহ করে আপনার অনুসন্ধান বিষয়টি সম্বন্ধে নিশ্চিত হোন।সুনির্দিষ্ট অনুসন্ধানের জন্য প্রথম আলোর সুনির্দিষ্ট অনুসন্ধান পাতাটি ব্যবহার করতে পারেন।ধন্যবাদ।
31/05/2017
বিশ্বজুড়ে প্রতি ১০ জনে একজনের মৃত্যুর কারণ ধূমপান। নতুন এক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে। আজ বৃহস্পতিবার বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে এ কথা জানানো হয়।
গবেষণা প্রতিবেদনটি চিকিৎসা সাময়িকী ‘দ্য ল্যানসেট’-এ প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, ধূমপানে মৃত্যুর অর্ধেকই ঘটছে চারটি দেশে। দেশগুলো হলো চীন, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া।
প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়েছে, দশকের পর দশক ধরে তামাক নিয়ন্ত্রণ নীতির পরও ধূমপায়ীর সংখ্যা বাড়ছে।
গবেষকেরা বলছেন, তামাক কোম্পানিগুলো আগ্রাসীভাবে, বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোয় নতুন বাজার খোঁজায় ধূমপানে মৃত্যুর হার আরও বাড়তে পারে।
২০১৫ সালের হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বে প্রতি চারজন পুরুষের মধ্যে একজন এবং প্রতি ২০ জন নারীর মধ্যে একজন ধূমপান করছেন।
জ্যেষ্ঠ লেখক ইমানুয়েলা গাকিডো বলেন, স্বাস্থ্যের ওপর তামাকের ক্ষতিকর প্রভাবের বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে সুস্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে। ধূমপান এখনো অকাল মৃত্যু ও প্রতিবন্ধিতার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ঝুঁকির কারণ হিসেবে রয়ে গেছে।
Source: prothem alo
ধূমপান ছাড়বেন কীভাবে?
সিগারেটে নিকোটিনসহ ৫৬টি বিষাক্ত রাসায়নিক উপাদান আছে। ধূমপান করলে যক্ষ্মা, ব্রংকাইটিস, ফুসফুসের ক্যানসার, হৃদ্রোগসহ নানা জটিল রোগ হতে পারে—এটা প্রায় সবাই জানে। তবে যেটা অনেকে জানে না, তা হলো নিজে ধূমপান না করেও মানুষ পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হয়ে অসুস্থ হয়ে থাকে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী পরোক্ষ ধূমপানের কারণে প্রতিবছর ছয় লাখ মানুষের মৃত্যু হয়, যার মধ্যে দেড় লাখের বেশি শিশু। পরোক্ষ ধূমপানের কারণে শিশুদের হাঁপানি, নিউমোনিয়া ইত্যাদি হতে পারে।
পরোক্ষ ধূমপানের বড় শিকার নারীরা। নারীদের শারীরিক ক্ষতি পুরুষদের তুলনায় বেশি হয়ে থাকে। তাই ভেবে দেখুন, ধূমপায়ী হলে আপনি নিজের তো বটেই, নিজের পরিবারের সদস্যদের জন্যও কত বিপদ ডেকে আনছেন। ধূমপান ছাড়ার জন্য কিছু পরামর্শ আপনার কাজে আসতে পারে—
সদিচ্ছা: প্রয়োজন দৃঢ় প্রত্যয়। ধূমপানের ক্ষতিকর দিকগুলো সম্পর্কে বারবার পড়ুন, জানুন এবং ভাবুন। এভাবেই সদিচ্ছা গড়ে উঠবে। নিজের কাছে অঙ্গীকার করুন—আপনি ধূমপান ছেড়ে দেবেন এবং নিশ্চয়ই তা পারবেন।
বিকল্প: বিকল্প হিসেবে পান-জর্দা বা অন্য কোনো ক্ষতিকর জিনিস বেছে নেবেন না। চা, কফি, ফলের রস, চুইংগাম ইত্যাদির অভ্যাস করতে পারেন। অন্য কোনো উপাদেয় জিনিসের দিকে ঝুঁকে নিকোটিনের নেশা থেকে মুক্ত হতে পারবেন।
ব্যস্ততা: ব্যস্ততা বাড়ালে নেশা দূর করা সহজ হবে। অধূমপায়ী বন্ধুবান্ধবের সঙ্গ লাভ করার চেষ্টা করুন। বাগান করা, সিনেমা দেখা, বই পড়া, গান শোনা ইত্যাদি নিয়ে সময় কাটাতে পারেন। ব্যায়াম শুরু করতে পারেন।
collected by: prothem alo
কেন মাথাব্যথা হয়?
মাথাব্যথা দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। প্রতিবছর শতকরা প্রায় ২০ জন শিশু ও কিশোর মাথাব্যথায় আক্রান্ত হয়। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটালের সহকারী অধ্যাপক ডা. এম এস জহিরুল হক চৌধুরী বলেন, সব মাথাব্যথাই মাইগ্রেন নয়। দৃষ্টিস্বল্পতা, মস্তিষ্কের টিউমার প্রভৃতি কারণেও মাথাব্যথা হতে পারে।
মাথাব্যথা প্রধানত দুই প্রকার
প্রাইমারি হেডেক, যেমন: মাইগ্রেন, টেনশন টাইপ হেডেক, ক্লাস্টার হেডেক ইত্যাদি সেকেন্ডারি হেডেক, যেমন সাইনোসাইটিস, মাসটয়ডাইটিস, গ্লুকোমার, স্ট্রোক, মাথার আঘাতজনিত, মস্তিষ্কের টিউমার ইত্যাদি।
চিকিৎসা ও প্রতিকার
মাথাব্যথার ধরন বা কারণ অনুযায়ী চিকিৎসা দিতে হয়। এ জন্য প্রথমে প্রয়োজন রোগ নির্ণয় করা।
মাইগ্রেন থেকে রেহাই পাওয়ার কিছু উপায়:
* প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে হবে এবং সেটা হতে হবে পরিমিত।
* অতিরিক্ত বা কম আলোতে কাজ না করা।
* কড়া রোদ বা তীব্র ঠান্ডা পরিহার করতে হবে।
* উচ্চশব্দ ও কোলাহলপূর্ণ পরিবেশে বেশিক্ষণ না থাকা।
* বেশি সময় ধরে কম্পিউটারের মনিটর ও টিভির সামনে না থাকা।
মাইগ্রেন শুরু হয়ে গেলে, প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা (বিশেষ করে বমি হয়ে থাকলে), বিশ্রাম করা, ঠান্ডা কাপড় মাথায় জড়িয়ে রাখা উচিত।
যেসব খাবার মাইগ্রেনের সমস্যা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে:
* ম্যাগনেশিয়ামসমৃদ্ধ খাবার, যেম: ঢেঁকি ছাঁটা চালের ভাত, আলু ও বার্লি মাইগ্রেন প্রতিরোধক।
* বিভিন্ন ফল বিশেষ করে খেজুর ও ডুমুর ব্যথা উপশম করে।
* সবুজ, হলুদ ও কমলা রঙের শাকসবজি নিয়মিত খেলে উপকার হয়।
* ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি মাইগ্রেন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। তিল, আটা ও বিট ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম রয়েছে।
* আদার টুকরো বা রস দিনে দুবার জিঞ্জার পাউডার পানিতে মিশিয়ে খেতে পারেন।
কী ধরনের খাবার এড়িয়ে চলবেন:
* চা, কফি ও কোমলপানীয়
* চকলেট, আইসক্রিম, দই, ডেইরি প্রোডাক্ট (দুধ, মাখন)
* টমেটো ও সাইট্রাস জাতীয় ফল খাবেন না
* গমজাতীয় খাবার, যেমন: রুটি, পাস্তা, ব্রেড ইত্যাদি
* আপেল, কলা ও চিনাবাদাম
যা খেয়াল রাখবেন
তবে ব্যক্তিভেদে ভিন্ন ভিন্ন খাবারে সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই সবচেয়ে ভালো হয় একটা ডায়েরি রাখা। যাতে আপনি নোট করে রাখতে পারেন কোন কোন খাবার ও কোন কোন পারিপার্শ্বিক ঘটনায় ব্যথা বাড়ছে বা কমছে। এ রকম এক সপ্তাহ নোট করলে আপনি নিজেই নিজের সমাধান পেয়ে যাবেন। তবে ব্যথা বেশি হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
সাইনোসাইটিসের কারণে মাথাব্যথা
যাদের ঘন ঘন সর্দি-কাশি হয়, তাদের সাইনোসাইটিস থেকে এ ধরনের মাথাব্যথা হয়। তখন গরম পানির ভাপ নিতে পারেন। এভাবে কিছুটা আরাম পাবেন, নাকের বন্ধ ভাবটাও কাটবে বেশ। নাক পরিষ্কার করতে হবে খুব ভালোভাবে। তবে ঘরের চিকিৎসায় কাজ না হলে চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক এবং অ্যান্টিহিস্টামিন-জাতীয় ওষুধ খেতে হতে পারে। যাঁদের ধুলাবালিতে অ্যালার্জি আছে, তাঁরা ধুলার সংস্পর্শে আসা থেকে বিরত থাকুন। যে কেউ যখনই সর্দির সমস্যায় আক্রান্ত হোন, সব সময় খেয়াল রাখুন যেন নাক সঠিকভাবে পরিষ্কার করা হয়। সাইনোসাইটিসের ব্যথার সঙ্গে খাদ্যাভ্যাসের তেমন কোনো সম্পর্ক নেই। আলো বা শব্দের কারণে এ ব্যথা বাড়ার কোনো কারণ নেই।
চক্ষুজনিত মাথাব্যথা
শতকরা ৫ ভাগ মাথাব্যথা চক্ষুজনিত। চোখের দৃষ্টিশক্তি কম থাকলে মাথাব্যথা হতে পারে। অনেকক্ষণ পড়াশোনা করা, সেলাই করা, সিনেমা দেখা বা কম্পিউটার স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে মাথাব্যথা হতে পারে। চোখের কোনো রোগের কারণেও মাথাব্যথা হতে পারে। চক্ষুজনিত মাথাব্যথা সাধারণত চোখে, কপালের দুদিকে বা মাথার পেছনে হয়ে থাকে | চক্ষুজনিত মাথাব্যথায় বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।
হরমোনজনিত মাথাব্যথা
মেয়েদের ঋতুচক্রের সময়ে হরমোনের ওঠানামার কারণে মাথাব্যথা হতে পারে। জন্মনিয়ন্ত্রণ ওষুধ খেলেও এমনটা হতে পারে।
ঘরোয়া উপায়ে মাথাব্যথা দূর করার উপায়:
পানি পান করা: পানিশূন্যতার কারণে অনেক সময় মাথাব্যথা হতে পারে। তাই মাথাব্যথা অনুভূত হলে প্রচুর পানি পান করতে হবে। পাশাপাশি তাজা ফলের রস ও পানিসমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।
সময়মতো খাবার খান: সঠিক সময় পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার যাঁরা খেয়ে থাকেন তাঁদের অযথা মাথাব্যথা হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে। নিয়মমাফিক কাজ চালানোর জন্য মস্তিষ্কের গ্লুকোজ প্রয়োজন হয় আর সময়মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টি মস্তিষ্কে সরবরাহ না হলে মাথাব্যথা হয়।
পর্যাপ্ত ঘুম: একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দিনে ছয় থেকে আট ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। যদি ঘুমের সমস্যা হয় এবং পর্যাপ্ত সময় ঘুম না হয় তখন মাথাব্যথা হতে পারে
বিশ্রাম করুন: কাজের ফাঁকে চোখ বন্ধ করে কিছু সময় বিশ্রাম করা উচিত। ঘরের আলো কমিয়ে চেয়ার বা বিছানায় হেলান দিয়ে বসে বা শুয়ে কিছু সময় বিশ্রাম নিলে মাথাব্যথা কমে আসবে।
গরম পানি দিয়ে গোসল: মাথাব্যথা হলে কুসুম গরম পানি দিয়ে গোসল করলে আরাম পাওয়া যাবে। মাথায়, ঘাড়ে ও কাঁধে কুসুম গরম পানি ঢাললে মাথা ও ঘাড়ের পেশিগুলো শীতল হয় এবং মাথাব্যথা কমে আসে।
হাসুন: হালকা মাথাব্যথা উপশমে হাসি বেশ উপকারী। হাসলে ভালো লাগার অনুভূতি সৃষ্টিকারী হরমোন এন্ড্রোফিন হরমোন মস্তিষ্কে নিঃসৃত হয়। এন্ড্রোফিন মাথাব্যথা কমিয়ে আনতে সাহায্য করে।
প্রাণভরে শ্বাস নিন: বুক ভরে শ্বাস নিলে তা ব্যথা উপশমে সাহায্য করে। বিশুদ্ধ বাতাসে প্রাণ ভরে শ্বাস নিলে তা প্রাকৃতিকভাবে মাথাব্যথা কমিয়ে আনতে সাহায্য করবে।
অবসাদ থেকে ছুটি নিন: যে পরিস্থিতিতে মানসিক চাপ বেড়ে যাচ্ছে বলে মনে হবে সেখান থেকে সরে যান। এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে খোলা কোনো জায়গা থেকে হেঁটে আসতে পারেন অথবা মানসিক চাপ দূর করতে সাহায্য করবে এমন কিছু করতে পারেন।
collected from: Prothem-alo
24/02/2016
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the school
Telephone
Website
Address
House #69, Road/06, Block/A, Pallabi, Mirpur 12
Mirpur
1216