18/05/2026
পালং শাক আমরা সাধারণত পুষ্টিকর খাবার হিসেবেই চিনি। কিন্তু এই পালং শাকের পাতা ব্যবহার করে ল্যাবরেটরিতে মানুষের হার্ট বা হৃৎপিণ্ডের টিস্যু তৈরি করা সম্ভব। 😦
যুক্তরাষ্ট্রের ওরচেস্টার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের (WPI) একদল গবেষক পালং শাকের পাতা নিয়ে পরীক্ষা চালান। তারা প্রথমে এক বিশেষ প্রক্রিয়ায় পাতার ভেতর থেকে উদ্ভিদের সবুজ কোষগুলোকে ধুয়ে পুরোপুরি বের করে নেন। এর ফলে পাতায় শুধু এর মূল কাঠামো (সেলুলোজ) এবং সূক্ষ্ম শিরা-উপশিরাগুলো রয়ে যায়, যা দেখতে প্রায় স্বচ্ছ মনে হয়।
এরপর বিজ্ঞানীরা সেই স্বচ্ছ পাতার কাঠামোর ওপর মানুষের হৃৎপিণ্ডের পেশীর কোষ (Human heart muscle cells) স্থাপন করেন। কয়েকদিনের মধ্যেই কোষগুলো পাতার শিরার সাথে আটকে যায়, বড় হতে থাকে। একপর্যায়ে সেগুলো আসল হার্টের টিস্যুর মতোই স্পন্দিত হতে বা কাঁপতে শুরু করে!
বিজ্ঞানীদের মতে, পালং শাকের পাতার ভেতরে থাকা শিরার জালের সাথে মানুষের শরীরের রক্তনালীর (Capillary network) অদ্ভুত মিল রয়েছে। মানুষের রক্তনালী যেমন শরীরের কোষে কোষে অক্সিজেন ও পুষ্টি পৌঁছে দেয়, পালং পাতার শিরাগুলোও ঠিক একইভাবে মানুষের টিস্যুতে পুষ্টি সরবরাহ করতে সক্ষম।
টিস্যু ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ক্ষেত্রে এটি এক বিশাল সাফল্য। গবেষকরা আশা করছেন, এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভবিষ্যতে হার্ট অ্যাটাকে ক্ষতিগ্রস্ত রোগীদের জন্য 'হার্ট প্যাচ' (Heart patch) তৈরি করা যাবে, যা নষ্ট হয়ে যাওয়া হার্টকে সারিয়ে তুলবে।
এই গবেষণাটি বর্তমানে পরীক্ষামূলক বা ল্যাবরেটরি পর্যায়ে রয়েছে। মানুষের শরীরে সরাসরি চিকিৎসার কাজে ব্যবহারের জন্য আরও অনেক ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের প্রয়োজন। 👾
11/05/2026
আমাদের শরীরের রক্তে যে iron (লোহা) প্রবাহিত হচ্ছে, সেটি আসলে পৃথিবীর কোনো সৃষ্টি নয়।
কোটি কোটি বছর আগে, মহাবিশ্বের কোনো বিশাল নক্ষত্রের জ্বলন্ত গভীরে প্রচণ্ড তাপ ও চাপের মধ্যে nuclear fusion-এর মাধ্যমে এই iron তৈরি হয়েছিল।
মহাবিশ্বের একেবারে শুরুর দিকে ছিল মূলত শুধু Hydrogen ও Helium। তখন আজকের পৃথিবীতে থাকা carbon, oxygen, calcium, iron কিংবা gold-এর মতো ভারী element-এর অস্তিত্বই ছিল না। সময়ের সাথে সাথে বিশাল massive star-গুলোর কেন্দ্রে fusion চলতে থাকে, আর ধীরে ধীরে জন্ম নেয় এই heavy element গুলো।
একসময় সেই তারার core-এ তৈরি হয় iron।
কিন্তু iron তৈরি হওয়ার পর নক্ষত্রটি আর আগের মতো শক্তি উৎপন্ন করতে পারে না। তখন নিজেরই মহাকর্ষের চাপে শুরু হয় ভয়ংকর collapse, এবং শেষ পর্যন্ত ঘটে এক মহাবিস্ফোরণ — Supernova।
সেই বিস্ফোরণে তারার ভেতরে তৈরি হওয়া iron, carbon, oxygenসহ অসংখ্য element ছড়িয়ে পড়ে পুরো মহাকাশে। কোটি কোটি বছর পরে সেই cosmic dust ও gas একত্রিত হয়ে তৈরি করে নতুন নক্ষত্র, নতুন গ্রহ, পৃথিবী… আর শেষ পর্যন্ত আমাদের শরীর।
অর্থাৎ, আজ আমাদের রক্তে যে iron oxygen বহন করে জীবন বাঁচিয়ে রাখছে, সেটি একসময় কোনো মৃত তারার অংশ ছিল।
সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, আমাদের শরীরের প্রায় প্রতিটি heavy element-ই এসেছে প্রাচীন নক্ষত্রের ভেতর থেকে।
আমরা শুধু পৃথিবীর মানুষ নই, আমরা মহাবিশ্বের বহু পুরোনো ইতিহাসের জীবন্ত ধারক।
এই কারণেই Carl Sagan বলেছিলেন:
“We are made of star stuff.”
সত্যিই, আমাদের শরীরের ভেতরে আজও বেঁচে আছে বহু কোটি বছর আগের তারাদের স্মৃতি।
10/05/2026
মেক্সিকোর এই বিস্ময় বালিকার নাম আদহারা পেরেজ সানচেজ (Adhara Pérez Sánchez)। 👾
৩ বছর বয়সে আদহারার 'অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডার' (বিশেষ করে অ্যাসপারগার্স সিনড্রোম) ধরা পড়ে। অন্য শিশুদের চেয়ে একটু আলাদা হওয়ায় এবং কথা বলতে সমস্যা থাকায় স্কুলে সহপাঠীরা তাকে 'উদ্ভট' বা 'অদ্ভুত' (Weirdo) বলে চরম বুলিং করতো। শিক্ষকরাও তাকে বুঝতে ব্যর্থ হন। একটা সময় এই ছোট্ট মেয়েটি তীব্র বিষণ্ণতায় (Depression) চলে যায় এবং নিজেকে গুটিয়ে নেয়।
কিন্তু এরপর, একজন থেরাপিস্টের পরামর্শে তার বুদ্ধিমত্তা বা আইকিউ (IQ) টেস্ট করানো হয়। আদহারার আইকিউ স্কোর ১৬২! যেখানে সর্বকালের অন্যতম সেরা দুই বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইন এবং স্টিফেন হকিংয়ের আনুমানিক আইকিউ স্কোর ধরা হয় ১৬০!
১. মাত্র ৫ বছর বয়সে সে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (Primary School) গণ্ডি পেরোয়।
২. এরপর মাত্র এক বছরের ব্যবধানে (৬ বছর বয়সে) সে মিডল এবং হাই স্কুল পাস করে ফেলে!
৩. সমবয়সী বাচ্চারা যখন স্কুলে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেয়, তখন সে সিএনসিআই (CNCI) ইউনিভার্সিটি থেকে সিস্টেমস ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং—এই দুটি আলাদা বিষয়ে স্নাতক (Bachelor's Degree) সম্পন্ন করে ফেলে।
৪. বর্তমানে সে মেক্সিকোর টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটিতে গণিত ও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ওপর মাস্টার্স (Master's Degree) করছে!
ছোটবেলাতেই কারো সাহায্য ছাড়া নিজে নিজে অ্যালজেবরা আর রসায়নের পর্যায় সারণি (Periodic Table) শিখে ফেলা আদহারার এখন একটাই স্বপ্ন—নাসার (NASA) অ্যাস্ট্রোনট হওয়া। সে মঙ্গলে মানুষের বসতি স্থাপনের (Mars Colonization) মিশনে সরাসরি কাজ করতে চায়।
বর্তমানে সে মেক্সিকান স্পেস এজেন্সির সাথে যুক্ত হয়ে শিশুদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে (STEM) উৎসাহিত করার কাজ করছে এবং মেয়েদের মহাকাশ বিজ্ঞানে এগিয়ে আসার অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে। 🌼
21/04/2026
নবগঠিত এডহক কমিটির পরিচিত সভা।
১৯/০৪/২০২৬ খ্রিঃ
18/04/2026
এসএসসি-২০২৬ ব্যাচের জন্য রইল শুভ কামনা।
15/04/2026
এসএসসিতে থাকছে ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’👇
13/04/2026
সবাইকে শুভ নববর্ষের শুভেচ্ছা ✨
06/04/2026
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস-২০২৬ উদযাপন ব্রেকিং দ্যা সাইলেন্স এর সৌজন্যে।