Pallabi Bidyaniketan

Pallabi Bidyaniketan It's an offical page of Pallabi Bidyaniketan. Established:1977
EIIN No: 108325
Class: Play to Ten

This is a page of the school named by Bangabandhu Bidya Niketan. This school is located at Mirpur-milk vita road,DhakaBangladesh.The students of this school are appearing in SSC exam since 2009.

10/08/2026

আলহামদুলিল্লাহ!
নিয়মিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৭২% পাশের হার।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে রচনা,আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা।
05/08/2026

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে রচনা,আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬
04/08/2026

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬

জুলাই শহিদ দিবস-২০২৬ ।
16/07/2026

জুলাই শহিদ দিবস-২০২৬ ।

শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে অভিভাবক, শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির যৌথ মতবিনিময় সভা-২০২৬।
27/06/2026

শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে অভিভাবক, শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির যৌথ মতবিনিময় সভা-২০২৬।

26/06/2026

অদ্ভুত নিউজ !
চুইংগাম চিবালে মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন ২৫-৪০% বৃদ্ধি পায়
এবং সতর্কতা ও মনোযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে!
চিবানোর সময় মুখের পেশীর নড়াচড়া হৃদস্পন্দন বাড়ায়
এবং মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ করে।

রেকর্ড ব্রেকিং শক্তিশালী এল নিনোর ঝুকিতে পৃথিবী!! পৃথিবীর আবহাওয়া ও জলবায়ুর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক নিয়ামক হলো ...
03/06/2026

রেকর্ড ব্রেকিং শক্তিশালী এল নিনোর ঝুকিতে পৃথিবী!!

পৃথিবীর আবহাওয়া ও জলবায়ুর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক নিয়ামক হলো ENSO (El Niño–Southern Oscillation), যার দুটি প্রধান পর্যায় হলো এল নিনো (El Niño) ও লা নিনা (La Niña)।

এল নিনো হলো এমন একটি অবস্থা যখন মধ্য ও পূর্ব নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি উষ্ণ হয়ে যায়। অন্যদিকে, লা নিনা হলো এর বিপরীত অবস্থা, যখন ওই অঞ্চলের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কমে যায়।

এই পরিবর্তন সমুদ্র ও বায়ুমণ্ডলের পারস্পরিক ক্রিয়ার মাধ্যমে বিশ্বের আবহাওয়ার ধরনকে প্রভাবিত করে। এল নিনোর সময় বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি, তাপপ্রবাহ, খরা এবং কিছু অঞ্চলে অতিবৃষ্টির প্রবণতা দেখা যায়। লা নিনার সময় সাধারণত বৃষ্টিপাত বৃদ্ধি, বন্যার ঝুঁকি এবং কিছু অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহের প্রবণতা বাড়তে পারে।

যেহেতু সমুদ্রের পানির তাপমাত্রার সাথে সিস্টেমের ডেভেলপমেন্ট ওতপ্রোতভাবে জড়িত তাই এ বছর শক্তিশালী এল নিনোর কারণে প্রশান্ত মহাসাগরে হারিকেন এবং টাইফুনের পরিমাণ বেশ বৃদ্ধি পেতে পারে।

বাংলাদেশে এল নিনোর প্রভাব সরাসরি ও নিশ্চিত নয়। বৈশ্বিকভাবে এল নিনো সাধারণত তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং কিছু অঞ্চলে বৃষ্টিপাত কমার সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এর প্রভাব বছরভেদে ভিন্ন হতে পারে।

ঐতিহাসিকভাবে কিছু এল নিনো বছরে বাংলাদেশে স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টিপাত ও খরার প্রবণতা দেখা গেলেও, অনেক এল নিনো বছরে আবার স্বাভাবিক বা স্বাভাবিকের চেয়েও বেশি বৃষ্টিপাতের রেকর্ড রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ২০১৫-১৬ সালের শক্তিশালী এল নিনোর সময়ও বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত হয়েছিল। একইভাবে, বর্তমান এল নিনো পরিস্থিতিতেও গ্রীষ্মকালজুড়ে ঘনঘন বৃষ্টিপাত, কালবৈশাখী এবং তুলনামূলক কম তাপপ্রবাহ লক্ষ্য করা গেছে।

এর কারণ হলো বাংলাদেশের আবহাওয়া শুধুমাত্র ENSO দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না। বঙ্গোপসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা, ভারত মহাসাগরের ডাইপোল (IOD), মাডেন-জুলিয়ান অসিলেশন (MJO), মৌসুমি বায়ুর শক্তি ও অবস্থান, আঞ্চলিক নিম্নচাপ এবং স্থানীয় আবহাওয়াগত প্রক্রিয়াগুলো অনেক ক্ষেত্রে ENSO-এর প্রভাবকে দুর্বল বা পরিবর্তিত করে দিতে পারে।

ফলে এল নিনো শুরু হলেই বাংলাদেশে অবশ্যই কম বৃষ্টি, খরা বা তীব্র তাপপ্রবাহ হবে এমন ধারণা সঠিক নয়। বরং এল নিনো বাংলাদেশের জন্য একটি সম্ভাব্য প্রভাবক মাত্র, যার প্রভাব অন্যান্য আঞ্চলিক ও স্থানীয় আবহাওয়াগত উপাদানের সঙ্গে মিলিত হয়ে চূড়ান্ত আবহাওয়ার ধরন নির্ধারণ করে।

ধন্যবাদ, ©Bangladesh Weather Observation Team Ltd.

ছবি : প্রতিকী

💖💖 হার্ট ব্লকেজ: কী? কারণ? ও সমাধান। হার্টের ওজন: প্রায় ৩০০ গ্রামহার্টের কাজ:পুরো শরীরে রক্ত পাম্প করা। হার্ট প্রতি মিনি...
01/06/2026

💖💖 হার্ট ব্লকেজ: কী? কারণ? ও সমাধান।
হার্টের ওজন: প্রায় ৩০০ গ্রাম
হার্টের কাজ:
পুরো শরীরে রক্ত পাম্প করা। হার্ট প্রতি মিনিটে প্রায় ৭২ বার পাম্প করে।
প্রতিদিন প্রায় ১ লাখ বার হার্ট পাম্প করে রক্ত সারা শরীরে পৌঁছে দেয়।
হার্টের অসুখ কী?

হার্টের অসুখ বলতে বোঝানো হয় করোনারি আর্টারিতে (হার্টের ধমনী) চর্বি, কোলেস্টেরল ও ফ্যাট জমে যাওয়া।
এই জমাট বাধার ফলে ধীরে ধীরে হার্টের রক্ত সরবরাহ কমে যায়, যা হার্টের সমস্যা সৃষ্টি করে।
বর্তমানে এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় হৃদরোগের অন্যতম কারণ।

হার্ট ব্লকেজ কিভাবে হয়?

হার্টের আর্টারিগুলো সাধারণত ৩-৪ মিমি ব্যাসার্ধের হয়।

ব্লকেজ বছরে ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে, সাধারণত ১৮-২০ বছর বয়সের পর শুরু হয়।

ব্লকেজ ৭০-৯০% পর্যন্ত হতে ৩০-৪০ বছর সময় লাগে।

৫০% ব্লকেজ হলেও অনেক সময় কোনো সমস্যা অনুভব হয় না কারণ রক্ত সাপ্লাইয়ের জন্য বাকি ৫০% যথেষ্ট থাকে।

হার্টের রক্ত সরবরাহের চাহিদা:

বসে থাকলে হার্টের রক্তের প্রয়োজন হয় মোটের ১০%।

হাঁটার সময় প্রায় ২০% প্রয়োজন।

দৌড়ানোর সময় প্রায় ৩০% প্রয়োজন।

যখন ব্লকেজ ৭০% ছাড়িয়ে যায়, তখন থেকে মানুষ হার্টের সমস্যার লক্ষণ দেখতে পায়।

ব্লকেজের লক্ষণ:

দৌড়ানোর সময় বুকে ব্যাথা হলে ব্লকেজ প্রায় ৭০% হয়ে গেছে।

হাঁটার সময় ব্যাথা হলে ব্লকেজ ৮০%।

সামান্য হাঁটলেই ব্যাথা হলে ব্লকেজ ৯০% বা তার বেশি।

হাঁটতে গেলে বুকে ব্যাথা অনুভব করা হয়, যাকে বলে "এনজাইনা"।

হার্ট অ্যাটাক (Heart Attack) কী?

ব্লকেজ বাড়তে বাড়তে আর্টারির দেয়ালে একটি পাতলা পর্দা (প্লাক ক্যাপ) তৈরি হয়।

এই পর্দা চাপের কারণে একসময় ছিঁড়ে যেতে পারে।

ছিঁড়ে যাওয়া পর্দার নিচের রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্যকারী কেমিক্যাল রক্তে মিশে রক্ত জমাট বাঁধে (ক্লট তৈরি হয়)।

ক্লট পুরোপুরি রক্ত চলাচল বন্ধ করে দেয়।

এতে হার্টে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়, যা হার্ট অ্যাটাক নামে পরিচিত।

হার্ট ব্লকেজ নির্ণয়ের আধুনিক পদ্ধতি:

এনজিওগ্রাফি (Angiography) দ্বারা ব্লকেজের শতাংশ নির্ধারণ করা হয়।

তবে শতাংশ ফলাফল প্রায়শই গোলাকৃতি (৭০%, ৮০%, ৯০%) দেয়া হয়, যা সম্পূর্ণ সঠিক নয়।

কিছু উন্নত পদ্ধতি যেমন Fractional Flow Reserve (FFR) কিংবা Intravascular Ultrasound (IVUS) দিয়ে ব্লকেজের প্রকৃত প্রভাব নির্ণয় করা যায়।

হার্ট অ্যাটাক থেকে বাঁচার উপায়:

1. ব্লকেজ বাড়ার গতি ধীর করার চেষ্টা করুন।

2. নিয়মিত প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০-৪০ মিনিট হাঁটুন।

3. চর্বি ও কোলেস্টেরল কমানোর জন্য ডায়েট সচেতন হন— বিশেষ করে তেল, মিষ্টি, ভাত, রুটি কম খান।

4. ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, ও কোলেস্টেরল নিয়মিত নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

5. ধূমপান ও অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন।

6. ওজন নিয়ন্ত্রণ করুন ও নিয়মিত ব্যায়াম করুন।

7. ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ করুন।

8. সময়মতো হার্ট পরীক্ষা (ইকোকার্ডিওগ্রাম, স্ট্রেস টেস্ট) করান।

জরুরি পরামর্শ:

বুকে ব্যাথা বা অসুবিধা হলে দেরি না করে ডাক্তার দেখান।

হার্ট ব্লকেজ ও হার্ট অ্যাটাক রোধে সময়মতো চিকিৎসা খুবই জরুরি।
©

"কার্ডিওমিকস্কোর" নামের একটি এআইভিত্তিক নতুন রক্ত পরীক্ষা মানুষের হৃদরোগের ঝুঁকি অনেক আগেই, প্রায় ১৫ বছর আগে পর্যন্ত পূর...
25/05/2026

"কার্ডিওমিকস্কোর" নামের একটি এআইভিত্তিক নতুন রক্ত পরীক্ষা মানুষের হৃদরোগের ঝুঁকি অনেক আগেই, প্রায় ১৫ বছর আগে পর্যন্ত পূর্বাভাস দিতে পারে। এই প্রযুক্তিটি তৈরি করেছেন দ্য ইউনিভার্সিটি অব হংকংয়ের গবেষকরা। তবে এখানে "১৫ বছর আগে" কথাটির মানে এই নয় যে এআই কোনো ভবিষ্যদ্বাণী করছে। এর অর্থ হলো, রোগটি শরীরে প্রকাশ পাওয়ার বা ধরা পড়ার অনেক আগেই এটি মানুষের রক্তে থাকা সূক্ষ্ম জৈবিক পরিবর্তনগুলো ধরে ফেলতে পারে। অর্থাৎ, রোগ শুরু হওয়ার আগেই শরীর যে বিপদের সংকেত দেয়, এটি তা চট করে চিনে নেয়।

এই এআই প্রযুক্তিটি মাত্র একবার রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমেই স্ট্রোক, হার্ট ফেইলিওর, হার্টের অনিয়মিত স্পন্দন (অ্যাট্রিয়াল ফাইব্রিলিশন), করোনারি আর্টারি ডিজিজ, পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ এবং রক্তনালীতে রক্ত জমাট বাঁধা (ভেনাস থ্রম্বোইম্বোলিজম)—এই ৬ ধরনের বড় হৃদরোগের ঝুঁকি মেপে দিতে পারে।

২০২২ সালে সারা বিশ্বে প্রায় ১ কোটি ৯৮ লাখ মানুষ হৃদরোগে মারা গেছেন, যা বর্তমান বিশ্বের অন্যতম বড় মৃত্যুর কারণ। সাধারণ চিকিৎসকেরা সাধারণত বয়স, রক্তচাপ, ধূমপানের অভ্যাস, কোলেস্টেরল এবং পারিবারিক ইতিহাস দেখে হৃদরোগের ঝুঁকি বোঝার চেষ্টা করেন। কিন্তু এই এআই প্রযুক্তি রক্তের ভেতরে থাকা হাজার হাজার আণবিক তথ্য বিশ্লেষণ করতে পারে। এটি মূলত শরীরের রাসায়নিক পরিবর্তন, প্রোটিন এবং জিনগত তথ্য একসাথে মিলিয়ে মানুষের বর্তমান শারীরিক অবস্থা বোঝার চেষ্টা করে।

এই গবেষণায় প্রোটিন ও মেটাবোলাইটস অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কারণ জিন শুধু মানুষের জন্মগত ঝুঁকির ধারণা দেয়, যা কখনো বদলায় না। কিন্তু প্রোটিন ও শরীরের রাসায়নিক উপাদানগুলো মানুষের বর্তমান ও বাস্তব স্বাস্থ্য কেমন যাচ্ছে, তা পরিষ্কারভাবে বুঝিয়ে দেয়। এই পরীক্ষায় এআই হাজার হাজার মানুষের তথ্য ও প্রোটিনের ধরন বিশ্লেষণ করে একজন ব্যক্তির জন্য একটি ব্যক্তিগত ঝুঁকি স্কোর তৈরি করে, যা সাধারণ পরীক্ষার চেয়ে অনেক নিখুঁত।

তবে প্রযুক্তিটি এখনো গবেষণার পর্যায়ে রয়েছে। ভবিষ্যতে এটি সরাসরি চিকিৎসাসেবায় ব্যবহার করা শুরু হলে, মানুষের রোগের ঝুঁকি সম্পর্কে অনেক আগেই জানা যাবে। এর ফলে জীবনযাত্রার অভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমে সময়মতো রোগ প্রতিরোধ করা সহজ হবে। রোগ হওয়ার পর চিকিৎসা করার চেয়ে, রোগকে আগেই পূর্বাভাস দিয়ে আটকে দেওয়ার এই পদ্ধতি মানুষের আকস্মিক মৃত্যুর ঝুঁকি অনেক কমিয়ে আনবে।

Address

Mirpur 7, Milkvita Road
Mirpur
1216

Opening Hours

Monday 07:00 - 17:00
Tuesday 07:00 - 17:00
Wednesday 07:00 - 17:00
Thursday 07:00 - 15:00
Saturday 07:00 - 17:00
Sunday 07:00 - 17:00

Telephone

+8801309108325

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Pallabi Bidyaniketan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Pallabi Bidyaniketan:

Shortcuts

Share

Category