17/05/2020
Countable Noun & Uncountable Noun easily explained পানির মত সহজ করে Countable ও Uncountable Noun ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
Easy Lecture
17/05/2020
Countable Noun & Uncountable Noun easily explained পানির মত সহজ করে Countable ও Uncountable Noun ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
02/12/2016
গোলাপী হ্রদ
প্রকৃতি ও মানবমনের সম্পর্ক চিরদিনের। প্রকৃতির নয়নাভিরাম সৌন্দর্য মানবমানকে সবসময়ই আলোড়িত করে। চোখজুড়ানো প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কোন স্হানের সংস্পর্শে মানবহৃদয় আবিষ্ট হয় গভীর ভালোলাগার অনুভূতিতে। আশ্চর্য এক প্রশান্তিতে ছেয়ে যায় মন।
প্রকৃতির এই রূপ সৌন্দর্য একেক জায়গায় একেক রকম। বিস্তৃত গভীর নীল জলরাশির বিশালতা থেকে অরণ্যের সবুজ সতেজতা সবই আমাদের মন কাড়ে। প্রকৃতি প্রেমের অজস্র উদাহরণ আমরা দেখতে পাই গল্প,উপন্যাস, কাব্যে বা গানে।
পৃথিবী বিখ্যাত হ্রদগুলোর মাঝে রয়েছে -লবণাক্ত পানির হ্রদ কাস্পিয়ান সাগর, সুপেয় পানির হ্রদ লেক সুপিরীয়র, উচ্চতম হ্রদ টিকিটাকা বা গভীরতম হ্রদ বৈকাল।
পৃথিবীর বেশিরভাগ হ্রদই অবস্থিত উত্তর গোলার্ধে। হ্রদের জন্য বিখ্যাত হাজার হ্রদের দেশ ফিনল্যান্ড। এছাড়া প্রাকৃতিক হ্রদের এক বিশাল সমাহার রয়েছে কানাডা এবং সাইবেরিয়ায়।
সাইবেরিয়া নামটা শুনলে আমাদের চোখে যে চিত্রটি ভেসে ওঠে তা হচ্ছে -বরফঢাকা বিস্তৃত একটা অঞ্চল যেখানে রোদের চিহ্নও খুঁজে পাওয়া যায় না। সবসময় তুষার পড়ে,সবমিলিয়ে বরফের এক বিশাল সাম্রাজ্য। বাস্তবতা হল রাশিয়ার এই উত্তরাঞ্চলটিতে গ্রীষ্মমন্ডলীয় অন্যান্য অঞ্চলের মতোই প্রখর রোদ্দুর পড়তে দেখা যায়। তখন এই অঞ্চলের বিচিত্র প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অবলোকনের জন্য পর্যটকের ভীড়ও বেড়ে যায়।
সাইবেরিয়ার একটি বিশেষ হ্রদ হচ্ছে বার্লিনস্কয়ি। এই হ্রদটিকে সাইবেরিয়ার অন্যান্য হ্রদ থেকে আলাদা করেছে এর একটি চমকপ্রদ বৈশিষ্ট্য। তা হচ্ছে -গ্রীষ্মকালে এই হ্রদটি গোলাপী বর্ণ ধারণ করে।
আশ্চর্য হচ্ছেন? ভাবছেন হ্রদের রঙ গোলাপী হয় কিভাবে? নিশ্চয়ই লেখকের মাথা খারাপ।
না,আমার মাথা ঠিকই আছে। হ্রদটার বৈশিষ্ট্যই আশ্চর্যজনক। বছরের অন্যান্য সময়ে হ্রদটির রঙ আর দশটা হ্রদের মতোই থাকে। হ্রদের রঙ কেমন হবে তা মূলত আবহাওয়ার উপর নির্ভর করে। আকাশে মেঘের আনাগোনাও হ্রদের রঙ পরিবর্তনে ভূমিকা রাখে।
burlinskoye
আবহাওয়া মেঘলা হলে হ্রদের রঙ হয় গাঢ় ধূসর। আর আকাশ নীল হলে হ্রদও নীল। কিন্তু গ্রীষ্মকালে হ্রদটির রঙ নাটকীয়ভাবে পরিবর্তিত হয় গোলাপীতে।
কেন? চলুন জানা যাক।
দ্য সাইবেরিয়ান টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমাদের বার্লিনস্কয়ি লেকখানি অতিরিক্ত লবণাক্ত। লেকটি পশ্চিম সাইবেরিয়ার বৃহত্তম লবণের উৎস।
বার্লিনস্কয়ি থেকে তৈরী খাবার লবণেরও রয়েছে এক ব্যতিক্রমী গল্প। বার্লিনস্কয়ির লবণের সাথে জড়িয়ে আছে রাশিয়ান রাজ পরিবারের স্মৃতি।
রাশিয়ার বিখ্যাত রাণী ক্যাথেরিন দ্য গ্রেটের প্রিয় লবণ ছিল এই বার্লিনস্কয়ির লবণ। তার ডিনার টেবিলে শোভা পেত এই লবণটিই।
লেক বার্লিনস্কয়ির গোলাপী হওয়ার একমাত্র কারণ এর লবণাক্ততা নয়। আরেকটি উল্লৈখযোগ্য কারণ হচ্ছে এক ধরনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র চিংড়ী জাতীয় জীব। এর নাম হচ্ছে Artemia salina. লেকের উষ্ম আবহাওয়া এবং লবণের আধিক্য এই তিনচোখো, বাইশপদী চিংড়ীর বসবাসের জন্য একটি আদর্শ পরিবেশ সৃষ্টি করে। এরা সাধারণত আগষ্ট মাসে দলবেধে বার্লিনস্কয়িতে আসে।
এইজন্যই মূলত লেকটি হয়ে ওঠে উজ্জ্বল ফ্লেমিঙ্গো-গোলাপী বর্ণের। সাইবেরিয়ান টাইমস অনুযায়ী, অত্যধিক গরমের কারণে লেকটি কাঙ্ক্ষিত সময়ের কয়েক সপ্তাহ আগেই গোলাপী বর্ণে রূপ নিয়েছে।
আরেকটি বিস্ময়কর সত্য হচ্ছে বার্লিনস্কয়িই পৃথিবীতে একমাত্র গোলাপী হ্রদ নয়। পৃথিবীর প্রায় সব মহাদেশেই গোলাপী হ্রদ ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। তাদের গোলাপী হওয়ার কারণেও আছে বৈচিত্র্য। মেক্সিকোর জুকাটন উপদ্বীপের একটি গোলাপী হ্রদের পেছনেও কারণ এই চিংড়িগুলো।
একই কারণে গোলাপী বর্ণ ধারণ করে পশ্চিম অস্ট্রলিয়ার এপোনিমাস লেকও। হ্রদগুলোর গোলাপী হওয়ার পেছনে আরেকটি কারণ হচ্ছে লবণপ্রেমী এক ধরনের শৈবাল। Dunaliella salina নামের অতিক্ষুদ্র সবুজ বর্ণের এই শৈবালগুলো ক্যারোটিনয়েডস তৈরী করে। এরা এন্টি অক্সিডেন্ট হওয়ায় পানিতে এদের উপস্থিতি ক্ষতিকর নয়। হ্রদের অতিরিক্ত লবণাক্ত পরিবেশে টিকে থাকতে এই শৈবালগুলো উচ্চ পরিমাণ বিটা ক্যারোটিন ধারণ করে। বিটা ক্যারোটিন রঙিন কসমেটিকস তৈরীতে ব্যবহৃত হয়। ভিটামিন এ যুক্ত লাল ও কমলা শাকসব্জির রঙিন হওয়ার কারণও বিটা ক্যারোটিন।
চলুন এবার জানা যাক পৃথিবীবিখ্যাত আরো কিছু গোলাপী হ্রদের কথা।
লেক হিলার: লেক হিলার আবিষ্কারের পেছনে রয়েছে এক রোমাঞ্চকর গল্প। পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ উপকূলজুড়ে একসারি দ্বীপ আছে। একে বলা হয় রিকার্চি দ্বীপপুঞ্জ। রিকার্চি দ্বীপপুঞ্জের সবচেয়ে বড় দ্বীপটির নাম হল মিডল আইল্যান্ড। জনবসতিহীন এই দ্বীপটি ইউক্যালিপটাসের ঘন বনে আচ্ছাদিত। গাছগাছালিতে ছাওয়া একটি সরু বেলাভূমি নীল দক্ষিণ মহাসাগর থেকে একে আলাদা করেছে। একদিন মিডল আইল্যান্ডে নোঙ্গর করল HMS Investigator নামের একটি জাহাজ। জাহাজটির ক্যাপ্টেন ম্যাথু ফ্লিন্ডারস ছিলেন একজন ইংরেজ অভিযাত্রী। ক্যাপ্টেন দ্বীপটি ঘুরে দেখার উদ্দ্যেশ্যে জাহাজ থেকে তীরে নামলেন। ঘুরতে ঘুরতে তার চোখে পড়ে দ্বীপের সবচেয়ে উঁচু পর্বতটি। তিনি কৌতুহলবশত পর্বতের চূড়ায় উঠেন। পর্বতের চূড়া থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে তাকিয়ে তিনি বিস্ময়ে অভিভূত হয়ে যান গোলাপ রঙা ছোট একটি লেক দেখে। ফ্লিন্ডারস এই লেকের নামকরণ করেন একজন ক্রুর নামে যিনি Investigetor মিডল আইল্যান্ডে থাকাকালীন ডায়রিয়ায় মারা যান। ফ্লিন্ডারস আবিষ্কার করলেন গোলাপী এই লেকটি ডেড সীর মতোই লবণাক্ত। তারা লেকের তীর থেকে জাহাজভর্তি লবণ নিয়ে দেশে ফেরেন। হ্রদটির গোলাপী হওয়ার কারণ সেই শৈবাল Dunaliella salina. এছাড়া লেকে লবণপ্রিয় কিছু আর্কিব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতিও লেক হিলারকে বাবল গামের মতো গোলাপী করে তুলেছে।
Hillier
লেক হিলারের এই গোলাপী রঙ স্থায়ী। কখনো এই রঙ পরিবর্তিত হয়না। হিলারের পানি গোলাপী হলেও স্বচ্ছ। গ্লাসে নেয়া হলেও লেক হিলারের পানি গোলাপীই থাকে। এই গোলাপী পানিটি একেবারেই বিষাক্ত নয়। তবে অবশ্যই অত্যধিক লবণাক্ত। তাই খেতে পারবেন না।
লেক রেটবা: সেনেগালের উপকূলে অবস্থিত লেক রেটবা আরেকটি বিশ্ববিখ্যাত গোলাপী হ্রদ। এই লেকটিও অত্যধিক লবণাক্ত। লেক রেটবায় গেলে দেখা যায় লেক থেকে লবণ তুলতে ব্যস্ত লবণচাষীদের। আর লেকের তীরে তাদের সংগৃহীত লবণের স্তূপ। অতিরিক্ত লবণ যেন ত্বকের ক্ষতি না করে সেজন্য এই লবণচাষীদেরদের লবণ তুলতে যাওয়ার আগে শরীরে শিয়া বাটার মেখে নিতে হয়। লেক রেটবার গোলাপী হওয়ার জন্যও দায়ী Dunaliella salina শৈবালটি। শুকনো মৌসুমে লেক রেটবার গোলাপী রঙ উজ্জ্বল হয়। আর বর্ষার মৌসুমে গোলাপী রঙ ফিকে হয়ে আসে।
retba
লেক রেটবার অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আপনাকে অভিভূত করবে। লেকের তীরে লবণের পাহাড়, লেকের গোলাপি জলরাশি এবং লেকের অন্যপাড়ের সোনালি বালুকাবেলা এক অপূর্ব সৌন্দর্যের দ্যোতনা করে।
পিঙ্ক লেক: পিঙ্ক লেক পশ্চিম অস্ট্রলিয়ার গোল্ডফিল্ডস-এসপেরেন্স অঞ্চলে অবস্থিত একটি বিখ্যাত লেক। এই লেকটিও লবণাক্ত এবং গোলাপি বর্ণের। তবে এর গোলাপী বর্ণ সবসময় থাকে না। যখন লেকের লবণাক্ততার মাত্রা বেড়ে যায়,তাপমাত্রা উচ্চ হয়,যথেষ্ট আলো থাকে,তখনই শৈবাল Dunaliella salina বিটা ক্যারোটিন সংশ্লেষ করে। ফলে তার লাল রঙ ছড়াতে থাকে লেকে
pink lake
লেকের তলদেশে জন্মানো Halobacteria cutirbrum নামক লবণখেকো ব্যাকটেরিয়া, লবণপ্রেমী চিংড়ি এবং শৈবালের ভারসাম্যপূর্ণ উপস্থিতি লেকটিকে গোলাপী করে তোলে। লেকটিতে দেখা মেলে নানা জাতের পাখির। এটি একটি গুরুত্বপূ্ণ পক্ষী অভয়ারণ্য।
লাস স্যালাইনাস দ্য টরিভিজা: কল্পনা করুন, আপনি গোলাপী পানিতে অবগাহন করে আছেন আর আশেপাশে উড়াউড়ি করছে গোলাপী ফ্ল্যামিঙ্গোর ঝাঁক। অবাস্তব দৃশ্য মনে হচ্ছে,তাই না? কিন্তু কখনো কখনো বাস্তব কল্পনাকেও হার মানায়। স্পেনের ভ্যালেন্সিয়ায় অবস্থিত গোলাপী হ্রদ লাস স্যালাইনাস দ্য টরিভিজা এরকমই কিছু। এটি ভ্যালেন্সিয়ার অন্যতম মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিকসৌন্দর্যমন্ডিত স্থান। অতিরিক্ত লবণাক্ততার কারণে লেকটির আশেপাশে গাছপালা খুব একটা দেখা যায়না। তারপরও অদ্ভুত কিছু উদ্ভিদ জন্মায়। ফুলের মৌসুমে লাস স্যালাইনাসে স্যালাডিলাস (ল্যাভেন্ডার) এবং বিরল ধরনের প্রস্ফুটিত অর্কিডের দেখাও মিলতে পারে। লেকটির দক্ষিণে লবণাক্ততা অপেক্ষাকৃত কম হওয়ায় সেখানে স্বাভাবিক ভূমধ্যসাগরীয় গাছপালা যেমন -পাইন,ইউক্যালিপটাস প্রভৃতি জন্মাতে দেখা যায়।
las salainas
তবে লাস স্যালাইনাসের সত্যিকার সেলিব্রেটি হচ্ছে আর্কিব্যাকটেরিয়া এবং Dunaliella. অন্যান্য গোলাপী হ্রদের মতোই এদের উপস্থিতিই লেকটিকে গোলাপী করে তোলে। উচ্চ লবণাক্ততা এবং এই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জীবের উপস্থিতির কারণে লেক থেকে উগ্র কটু গন্ধ বের হয়।
স্বপ্নটা সত্যি হয়ে যসয় যখন লেকটিতে ফ্ল্যামিঙ্গোরা আসে। ফ্ল্যামিঙ্গোদের গোলাপী রঙ লেকের গোলাপী রঙের সাথে মিলেমিশে এক অপার্থিব সৌন্দর্য্য সৃষ্টি করে। লেকটিতে হরেক রকম অতিথি পাখির আনাগোনাও দেখা যায়। লেকের জলে অল্প পরিমাণ লবণপ্রেমী চিংড়ীও পাওয়া যায়।
ডাস্টি রোজ লেক: এটি কানডার বিট্রিশ কলাম্বিয়ায় অবস্থিত একটি গোলাপী হ্রদ। এই হ্রদটি অন্যান্য গোলাপী হ্রদ থেকে আলাদা। অন্যান্য হ্রদগুলো লবণাক্ত এবং বিশেষ ধরনের শৈবালের উপস্থিতির জন্য গোলাপী হয়।
dusty roseকিন্তু ডাস্টি রোজ একট সুপেয়
পানির হ্রদ এবং এতে কোন শৈবালও নেই। উঁচু পর্বতপৃষ্ঠে অবস্থিত এই লেকটি হিমবাহ থেকে সৃষ্টি। আর এর গোলাপী রঙ সম্ভবত এসেছে লেকটির তলদেশে থাকা বিচিত্র রঙের পাথরের কারণে।
শ্যাম্পেন পুল : এই লেকটি নিউজিল্যান্ডে অবস্থিত। লেকটির দৃষ্টিনন্দন সৌন্দর্য আপনার মন কেড়ে নেবেই। লেকটিতে প্রচুর পরিমাণে নানারকম ধাতুর আকরিক আছে। এগুলো থেকে প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস নির্গত হয়।
champagne poolগ্লাসে শ্যাম্পেন ঢাললে যেমন বুদবুদ ভেসে ওঠে, লেকটিতে তেমনি ধোঁয়ার মতো কার্বন ডাই অক্সাইডের বুদবুদ ভেসে ওঠে। এজন্যই লেকটির নাম রাখা হয়েছে শ্যাম্পেন পুল। লেকটির পানির রঙেও আছে বৈচিত্র্য। কোথাও পানি সবুজ রঙের তো কোথাও হলুদ। লেকটি সবচেয়ে সুন্দর দেখায় সূর্যাস্তের সময়। অস্তমিত সূর্যের আলোয় পুরো লেকটি হয়ে ওঠে কমলা রঙের যা এক শ্বাসরূদ্ধকর সৌন্দর্যের সৃষ্টি করে। হ্রদ
লেগুনা কলরাডো : এটি বলিভিয়ায় অবস্থিত একটি অনন্যসাধারণ লেক। উচ্চ পরিমাণ বোরাক্স,লাল রঙের খনিজ এবং শৈবালের উপস্থিতির কারণে লেকটির রঙ হয় গাঢ় লাল থেকে গোলাপী। লেকটিতে ফ্ল্যামিঙ্গোরও দেখা মেলে।
laguna colorado
মাসাজির লেক: এই লেকটি আজারবাইজানের রাজধানী বাকু থেকে থেকে একটু দূরে মাসাজির শহরের নিকট অবস্থিত। মাসাজির লেককটি লাল রঙের। এই লাল রঙের কারণ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অকোষীয় লবণখেকো কিছু জীব। মাসাজির লেক থেকে লবণ সংগ্রহ করা হয়। এই লবণ শোভা পায় স্থানীয় রেস্টুরেন্টগুলোতেও। গ্রীষ্মের প্রখর রোদতপ্ত দুপুরে লেকটি সবচেয়ে উজ্জ্বল দেখায়।
masazir lake
লবণখেকো এইসব জীবদের আমাদের ধন্যবাদ দেয়া উচিত এরকম অনন্যসাধারণ গোলাপী হ্রদ উপহার দেয়ার জন্য। নিঃসন্দেহে গোলাপী রঙা হ্রদ প্রকৃতির বৈচিত্যময় সৌন্দর্যের একটি অভিনব অংশ।
তথ্যসূত্রঃ
১। traveleering.com/10-best-pink- lakes-world
২। www.entraveller.com/stories/2015-03-16
৩। www.lakeretba.com/
৪। theculturetrip.com/europe/spain/articles
৫। www.australia.com/en/places
৬। www.Wikipedia.org/Wikipedia/lakes
৭। Summer heat turns this Siberian lake bright pink,Dannye Lewis,Smithsonian magazine,August,22,2016
ব্ল্যাকহোল
মাধ্যাকর্ষণ আলোকে টান দেয়। আমরা জানি আমরা পাথরকে কক্ষপথে ঘোরাতে পারি, কিন্তু আমরা আলোকে কি কক্ষপথে ঘুরাতে পারি? হ্যাঁ! কিন্তু তার জন্য দরকার খুবই ভারী কোন বস্তু যার ব্যাসার্ধ খুবই ছোট। উদাহরণ স্বরূপ : এমন কিছু দরকার যা সূর্যের মত ভারী কিন্তু ব্যাসার্ধ ৩ কি.মি. এর চেয়ে কম। এমন কিছুর কাছে ঠিক দিকে আলোকে পাঠালে এটি কক্ষপথে ঘোরা শুরু করবে। যদি তুমি আলো ঘোরার সময় নিজেকে আলোর পথে বসাও তাহলে তুমি নিজের পেছন দিক দেখতে পাবে।
আমরা আরো বিশাল ও সঙ্কুচিত কোন বস্তু কল্পনা করতে পারি যেখানে কোন লেজার রশ্মি ছোড়া হলে এটি ঐ বস্তুর পৃষ্ঠেই থেকে যাবে। অর্থাৎ যেহেতু এই বস্তুটি থেকে কোন আলো বেড় হয়ে আসতে পারে না তাই এটি সম্পূর্ণ কালো দেখাবে, এটাই ব্ল্যাকহোল। যেকোন বস্তু ব্ল্যাকহোলের যথেষ্ট কাছে আসা মাত্রই এর ভিতরে গায়েব হয়ে যাবে। (আলোর চেয়ে দ্রুতগতির কিছু নেই আর যা আলোকেই ফাঁদে আটকাতে পারে সেটা বাকি সবকিছুকেই ফাঁদে আটকাতে পারবে)
ব্ল্যাকহোলের প্রভাব মহাকর্ষ প্রভাবের মতই দূরত্ব বাড়ার সাথে সাথে কমে। তার মানে ব্ল্যাকহোলকে ঘিরে একটা সীমানা আছে যেটা কোন কিছু একবার অতিক্রম করলে আর বেড় হতে পারবে না, একে বলে ব্ল্যাকহোল দিগন্ত। যেকোন কিছু এই দিগন্ত একবার পার করলে আজীবন সেখানে আটক।
image
ব্ল্যাকহোল থেকে এই দিগন্তের দূরত্ব নির্ভর করে ব্ল্যাকহোলের ভরের উপর। ভর যত বেশী কেন্দ্র থেকে দিগন্তের দূরত্বও তত বেশী হবে। সূর্যের সমান ভর বিশিষ্ট কোন ব্ল্যাকহোলের দিগন্তের দূরত্ব হবে কেন্দ্র থেকে ৩ কি.মি.। সূর্যের চেয়ে বিলিয়ন গুন বেশী (হ্যা এমন জিনিসও আছে) ভর হলে এই দূরত্ব হবে ৩x১০৯ কি.মি, যা সূর্য থেকে ইউরেনাসের দূরত্বের সমান। কিছু বিশাল ব্ল্যাকহোলের দিগন্ত এত বড় যে কোন পর্যবেক্ষক বুঝতেও পারবে না কি ঘটে গিয়েছে, শুধু এখান থেকে বেড় হওয়ার সব চেষ্টা বৃথা হবার পর বুঝতে পারবে ভয়ঙ্কর কিছু ঘটতে চলেছে।
একজন সাহসী (নির্বোধ?) নভোচারীর কথা কল্পনা করি যিনি সিদ্ধান্ত নিলেন দিগন্তে প্রবেশ করবেন এবং ব্ল্যাকহোলের খুব কাছাকাছি যাবেন আর আমরা তার পর্যবেক্ষণ অনুসরণ করি। প্রথম যে প্রভাব লক্ষ্য করা যাবে তা হল তিনি যত দিগন্তের কাছাকাছি যাবেন তার ঘড়ি মহাকাশযানের ঘড়ির তুলনার ধীর গতিতে চলবে যা ব্ল্যাকহোলের অনেক দূরে অবস্থিত। দিগন্ত অতিক্রম করতে মহাকাশযানের সময়ে অসীম সময় লাগবে। অন্যদিকে নভোচারীর সময়ে সসীম পরিমাণ সময় লাগবে দিগন্ত অতিক্রম করতে, সময়ের আপেক্ষিকতার একটি চরম ক্ষেত্র ।
নভোচারী যে আলো নির্গত করবে তা লালের দিকে স্থানান্তরিত হতে থাকবে। একসময় তা অবলোহিত, তারপর মাইক্রোওয়েভ, তারপর বেতার তরঙ্গ ইত্যাদি। মহাকাশযান থেকে তাকে দেখার জন্য প্রথমে অবলোহিত, তারপর রেডিও, তারপর মাইক্রোওয়েভ ইত্যাদি শনাক্ত করতে হবে।
দিগন্ত অতিক্রম করা নভোচারীর জন্য যন্ত্রনাদায়ক নাও হতে পারে কিন্তু তার চূড়ান্ত পরিণতির ক্ষেত্রে একই কথা বলা যায় না। মনেকরি সে আগে পা দিল, যখন ব্ল্যাকহোলের যথেষ্ঠ কাছাকাছি যাবে তার পায়ের উপর মহাকর্ষীয় টান তার মাথার তুলনায় অনেক বেশী হবে এবং আক্ষরিক ভাবেই তিনি ছিড়ে টুকরা টুকরা হয়ে যাবেন।
সুতরাং ব্ল্যাকহোল হচ্ছে সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের অকাট্য প্রমাণ। এদের বৈশিষ্ট্যই এমন যে এখান থেকে কোন বিকিরণ বেড় হতে পারে না। তাই দূর থেকে ব্ল্যাকহোল শণাক্ত করা যায় না আর তুমি যদি সেখানে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নাও, ফেরত এসে তোমার বন্ধুদের বলতে পারবে না এটা আসলেই ব্ল্যাকহোল ছিল নাকি তুমি উদ্ভট দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছ। কিন্তু এটি বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব অসত্য প্রমাণের জন্য মৌলিক প্রয়োজনের বিরোধিতা করে না?
supernova-1993j-before
ব্ল্যাকহোল নক্ষত্র থেকে পদার্থ গ্রাস করছে। ডান দিকে ব্ল্যাকহোল, বাম দিকে নক্ষত্র। ব্ল্যাকহোলের মহাকর্ষীয় টানে নক্ষত্রের আকারের বিকৃতি ঘটেছে
কিন্তু না, এমন কি সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের এই চরম ভবিষ্যদ্বাণীকেও ভুল প্রমাণ করা যায়। ব্ল্যাকহোলের চারপাশ ঘিরে থাকা বিভিন্ন পদার্থ এই পরিস্থিতি প্রদান করে। এসব পদার্থকে ক্রমাগত ব্ল্যাকহোল টেনে নিয়ে গ্রাস করে, কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় পদার্থগুলি অনেক উত্তপ্ত হয়ে যায় আর আলো, অতিবেগুনী রশ্মি এবং এক্স-রে বিকিরণ করে। এই মহাজাগতিক ধ্বংসলীলা এতই বিশৃঙ্খল যে এই বিকিরণ খুবই দ্রুত পাল্টাতে থাকে, কখনও খুবই তীব্র, কখনও খুবই দুর্বল আর এই পরিবর্তন খুবই দ্রুত ঘটে। এই পরিবর্তন থেকে যে বস্তু বিকিরণ করছে তার আকার নির্ণয় করা যায়।
অন্যদিকে নভোচারীরা নিকটবর্তী নক্ষত্রের উপর এই বিকিরণের মহাকর্ষীয় প্রভাব দেখতে পাবে যেখান থেকেই বিকিরণ আসুক না কেন। আর এই প্রভাব থেকে তারা ঐ দানবের(ব্ল্যকহোল) ভর নির্ণয় করতে পারবে। আকার, ভর আর বিকিরণের পদ্ধতি জানার পর কেউ সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের ভবিষ্যদ্বানীর সাথে তুলনা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে এটি ব্ল্যাকহোল কিনা। এই পদ্ধতিতে পাওয়া ব্ল্যাকহোলের সবচেয়ে ভাল প্রার্থী হল সিগনাস এক্স-১। (সিগনাস নক্ষত্রপুঁঞ্জে প্রথম পরিলক্ষিত এক্স-রে উৎস, দ্যা সোয়ান)
ব্ল্যাকহোল শণাক্ত করার সব উপায় নির্ভর করে এটি এর চারপাশের পদার্থের উপর কিভাবে প্রভাব ফেলে। কিছু বহুদূরবর্তী এক্স-রে উৎস সবচেয়ে আকর্ষণীয় উদাহরণ প্রদান করে যেগুলো আপেক্ষিক ভাবে সঙ্কুচিত (ছায়াপথ আকৃতির) এবং অনেক দূরে অবস্থিত। আমাদের দেখার জন্য এগুলোকে হতে হবে খুবই উজ্জ্বল, আর আমরা জানি এই উজ্জ্বলতার উৎস শুধু একটা জিনিসই হতে পারে: ব্ল্যাকহোল পদার্থকে গ্রাস করার সময় পদার্থ থেকে নির্গত বিকিরণ। আমাদের কাছে এসব বস্তুর যে ছবি আছে তাকে সাধারনত বলা হয় সক্রিয় ছায়াপথ কেন্দ্রীণ। এগুলো হচ্ছে অসীম ভরের ব্ল্যাকহোল (সোইরভরের বিলিয়ন গুণ বা এমন কিছু) যা প্রতি সেকেন্ডে অসংখ্য নক্ষত্র হজম করছে এবং নির্গত শক্তি নক্ষত্রের মৃত্যু ঘোষণা করছে।
জ্যোতিষী কি পাথর দিয়ে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারেন?
বাংলাদেশে হাজার রকমের কুসংস্কারের মধ্যে জ্যোতিষী ও জ্যোতিষশাস্ত্র নিয়ে কুসংস্কার ব্যাপক ডালপালা বিস্তার করে বট বৃক্ষের রূপ লাভ করেছে। তবে বৃক্ষ আমাদের বাচাঁতে যেই ত্যাগ স্বীকার করে এবং আমাদের বেচেঁ থাকার ক্ষেত্রে যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন, এই বট বৃক্ষ সেই কাজের সম্পূর্ণ বিপরীত কাজ করে। অর্থাৎ আমাদের বাচাঁনোর পরিবর্তে মারার ব্যবস্থা করে থাকে। বাংলাদেশে এই ক্ষতিকর বটের ডালপালা এতোই বিস্তৃত যে বিভিন্ন স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেলে সেগুলোর চটকদার বিজ্ঞাপন দেখা যায় অহরহ। জ্যোতিষবিদদের ডালপালার বিস্তার দেখা যায় অন্য আরেকটি দিকে আর সেটা হলো আমাদের বিভিন্ন পত্রিকা, যেখানে বিজ্ঞানের খবরের সাথে সাথে দেওয়া থাকে জ্যোতিষবিদদের করা ভবিষ্যৎ বাণী অর্থাৎ আজ আপনার দিনটি কেমন যাবে । এইক্ষেত্রে পত্রিকা অলাদের যুক্তি থাকে (অনেকাংশে) সাধারণ মানুষ এই ধরনের খবর চায়। কিন্তু এই সাধারণ মানুষ কারা এর কোনো ব্যাখ্যা কোথাও থাকে না। সাধারণ মানুষের নাম ভেঙ্গে যে বা যারা এই কুসংস্কার প্রচার করে অথবা প্রচারে সহায়তা করে তারাও সেই বটের মত যা মানুষের ক্ষতিই শুধু করে। এই বিষয়গুলো চিন্তা করে অনুসন্ধৎসু চক্রের মুগদা পাড়া শাখার সদস্যরা একটি এলাকাভিত্তিক জরিপ পরিচালনা করে। তবে চক্রের সদস্যদের মাঝে উক্ত কুসংস্কার নিয়ে ভাবনার খোরাক যোগায় কুসংস্কার নিয়ে একটি লেখা।
আলোচনার শুরু চক্রের ঝিনাইদহ শাখা কর্তৃক “কৃত্তিকা” প্রত্রিকার একটি লেখা পড়ার মাধ্যমে, যা “উৎস মানুষ” পত্রিকা থেকে নেয়া হয়েছে। যেখানে একজন ভন্ড জ্যোতিষীর ভন্ডামী প্রকাশ করা হয়। সেই ভন্ড জ্যোতিষী মানুষের হাত দেখে তার ভবিষ্যৎ গণনা করতো, যখন তাকে একটি বানরের হাতের ছাপ দেখানো হলো তখন সেই জ্যোতিষী মানুষের ভাগ্য গণনার মতোই বানরের ভাগ্য গণনা করে ভবিষ্যৎ বাণী করলেন যে বানর জীবনে অনেক বড় কর্ম করতে পারবে। এই লেখা পড়ার পর এবং তা নিয়ে আলোচনা করার পর চক্রের সদস্যরা একটি জরিপ করবে বলে সিদ্ধান্ত নেয়। জরিপের উদ্দেশ্যে তিনটি দলে ভাগ হয়ে চক্রের সদস্যরা জরিপ পরিচালনা করেন। জরিপের প্রশ্ন ছিলো “আপনি কি জ্যোতিষীর দেওয়া পাথরে ভাগ্য পরিবর্তন হয় বলে বিশ্বাস করেন?”
জরিপে শাখার সদস্যরা মোট ৪০ জন মানুষের কাছে উক্ত প্রশ্ন নিয়ে যায় এবং উত্তর ও মতামত সংগ্রহ করে তা লিপিবদ্ধ করে। জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ক্ষেত্রে নারী পুরুষের সমতা রাখার চেষ্টা করা হয়েছে এবং সকল বয়সের মতামত নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে, যদিও বিভিন্ন কারণে সমতা বজায় রাখা যায়নি তবে সন্তোষজনক রাখা সম্ভব হয়েছে। জরিপে অংশগ্রহণ কারী মোট ৪০ জনের মধ্যে ৩৪ জনের (৭৫%) জবাব ছিলো “না” অর্থাৎ তারা জ্যোতিষীর দেওয়া পাথর ও তাদের করা ভবিষ্যৎ বাণীতে বিশ্বাস করেন না। ৩ জন (৭.৫ %) বলেছেন তারা কোনো মতামত দিতে ইচ্ছুক না এবং ৩ জন ( ৭.৫%) বলেছেন তারা বিশ্বাস করেন। যারা বিশ্বাস করেন বলেছেন তাদের বিশ্বাস করার কারণ হিসেবে তারা যেই ব্যাখ্যা দিয়েছেন তা ছিলো উল্লেখ করার মত। তারা (যারা হ্যাঁ বলেছেন) বলেন “অনেক মানুষ যেহেতু ব্যবহার করেন সেহেতু জ্যোতিষীর পাথরে তাদের হইতো উপকার হয়, না হলে তারা কেন করবে? তাই বিশ্বাস করি” । জরিপে অংশগ্রহণ কারী একজন রিকশা চালকের জবাব ছিলো,“পাথরে যদি ভাগ্য পরিবর্তন হইতো তাইলে আমি পাথর হাতে দিয়া রাজার হালে থাকতাম”। ২ জন ভিক্ষুক, যাদের বয়স আনুমানিক ৭০ এর কাছাকাছি, জ্যোতিষীর দেওয়া পাথর কে ব্যবসা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “সবই বাটপারি, ভণ্ডামী ব্যবসা”।
ওয়াই-ফাই খুঁজে দেবে ফেসবুক
আশপাশের কোথায় ওয়াই-ফাই সুবিধা আছে, তা খুঁজে দেবে ফেসবুক। এ-সংক্রান্ত একটি নতুন ফিচার আনছে প্রতিষ্ঠানটি।
গতকাল মঙ্গলবার ফেসবুক কর্তৃপক্ষ ঘোষণা দিয়েছে, তারা এমন একটি ফিচার নিয়ে আসছে, যাতে রিয়েল টাইম বা তাৎক্ষণিক তথ্য শেয়ার করতে নিকটস্থ ওয়্যারলেস হটস্পটের তথ্য জানাতে পারবে। আগে ফেসবুক ‘পেজেস’ থেকে ওয়াই-ফাইয়ের অবস্থান শনাক্ত করত।
প্রযুক্তি-বিষয়ক ওয়েবসাইট দ্য নেক্সট ওয়েবের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শক্তিশালী ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়া লাইভ ভিডিও দেওয়া কষ্টকর হয়। ওয়াই-ফাইয়ের নিকটতম অবস্থান সম্পর্কে ফেসবুক যতটা তথ্য দিতে পারবে, তাৎক্ষণিক তথ্য বিনিময়ের মান আরও বেড়ে যাবে।
শিগগিরই অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস প্ল্যাটফর্মের স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা এ সুবিধা পেতে পারেন। তবে ফেসবুক এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। তথ্যসূত্র: আইএএনএস।
29/11/2016
মায়ের পেটে থাকা শিশুকে দেখার নতুন প্রযুক্তি
সন্তানপ্রত্যাশী মা-বাবা তাঁদের অনাগত সন্তানের বেড়ে ওঠা ও তার হৃৎস্পন্দন থ্রিডি ভার্চ্যুয়াল রিয়্যালিটি যন্ত্রের মাধ্যমে দেখতে ও শুনতে পাবেন। সম্প্রতি গবেষকেরা এমআরআই ও আলট্রাসাউন্ড তথ্য ব্যবহার করে শিশুর (ফিটাস) সত্যিকারের একটি মডেল মা-বাবার সামনে তুলে ধরার প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন।
এটি ভার্চ্যুয়াল রিয়্যালিটির একটি জাদু। ভার্চ্যুয়াল রিয়্যালিটির নাম শুনেছেন নিশ্চয়ই? প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের চেতনার উদ্যোগকারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চ্যুয়াল রিয়্যালিটি বা অনুভবের বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে। ভার্চ্যুয়াল রিয়্যালিটি হচ্ছে কম্পিউটারনিয়ন্ত্রিত সিস্টেম, যাতে মডেলিং ও অনুকরণবিদ্যা প্রয়োগের মাধ্যমে মানুষ কৃত্রিম ত্রিমাত্রিক ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য পরিবেশের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন বা উপলব্ধি করতে পারে। ভার্চ্যুয়াল রিয়্যালিটিতে অনুকরণ করা পরিবেশ হুবহু বাস্তব পৃথিবীর মতো হতে পারে। এ ক্ষেত্রে অনেক সময় ভার্চ্যুয়াল রিয়্যালিটি থেকে বাস্তব অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়। আবার অনেক সময় অনুকরণকৃত বা সিম্যুলেটেড পরিবেশ বাস্তব থেকে আলাদা হতে পারে। যেমন ভার্চ্যুয়াল রিয়্যালিটি গেমস। এতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।
ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইমেজিং (এমআরআই) সাধারণত উচ্চ রেজল্যুশনে ভ্রূণ ও প্ল্যাসেন্টার ছবি দেখাতে পারে। আলট্রাসাউন্ডে যেহেতু উন্নত ছবি পাওয়া যায় না, তাই ভ্রূণের অবস্থা বুঝতে এমআরআই ব্যবহার করা হয়।
ভ্রূণের এমআরআই ফলের ওপর ভিত্তি করে গবেষকেরা ভার্চ্যুয়াল রিয়্যালিটি থ্রিডি মডেল তৈরি করেছেন।
ক্রমে এমআরআইয়ের সবকিছু একসঙ্গে যুক্ত করে এই মডেল তৈরি করা হয়। নিখুঁতি থ্রিডি মডেল তৈরির পর ভার্চ্যুয়াল রিয়্যালিটি যন্ত্রটি যে প্রোগ্রাম করে, তা ওই মডেলের সঙ্গে যুক্ত করা হয়।
ব্রাজিলের ক্লিনিকা দ্য ডায়াগনস্টিকো পর ইমাজেমের গবেষক হেরন ওয়ারনার বলেন, ‘থ্রিডি ভ্রূণের মডেলকে ভার্চ্যুয়াল রিয়্যালিটি প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত করলে ভ্রূণের শারীরিক বৈশিষ্ট্য বোঝার বিষয়ে কাজে লাগে। শিক্ষণীয় উদ্দেশ্য ছাড়াও মা-বাবা তাঁদের অনাগত সন্তানকে দেখতে পান।
এভাবে ভ্রূণের যে ছবি দেখা যায়, তা সদ্যোজাত সন্তানের কাছাকাছি। গবেষকেরা ভ্রূণের অভ্যন্তরীণ কাঠামো তৈরি ছাড়াও ভার্চ্যুয়াল রিয়্যালিটি ডিভাইস হিসেবে হালনাগাদ সংস্করণের অকুলাস রিফট ২ হেডসেট ব্যবহার করেন। তথ্যসূত্র: পিটিআই।
29/11/2016
বলুন তো গিরগিটি টির রং কি ?
26/11/2016
নিজে চেষ্টা করে দেখুন
25/11/2016