Bangladesh Astronomical Society

Bangladesh Astronomical Society Spreading astronomy and astrophysics throughout the country through outreach programs.

With a view to creating interest in Astronomy and Space Science among the people of Bangladesh, the Bangladesh Astronomical Society was founded by a group of Astronomy enthusiasts in their meeting held on November 12,1984 in the office of Bangladesh Institute of Distance Education, Dhanmondi, Dhaka, Bangladesh. Since its inception, Bangladesh Astronomical Society has been playing an important role

in popularizing the subject of Astronomy and Space Science among the people of Bangladesh and the success achieved so far is quite spectacular. The Society has arranged lots of Seminars, Meetings on different topics and occasions of Astronomy including Sky Observation camps to lure the people looking their eyes towards the sky.The Halley’s Comet Observation Programme during its apparition in 1985-86, Astronomy Education Programme in 1987, Total Solar Eclipse Observation Programme in October,1995, Leonid Shower Observation Programme in November, 1999 were a few examples in which thousands of Astronomy enthusiasts had participated to enjoy those celestial spectacles. In fact, these programmes were extremely effective for inculcation of knowledge of Astronomy among our people. During the time of Total Solar Eclipse Observation Program on October 24, 1995, in south plaza of the National Parliament building, Dhaka, about 30,000 Astronomy enthusiasts converged into the observation spot and police had to take drastic action to disperse the mob and to save the lives of the organizers from their hands. It is an example how crazy the people of Bangladesh have become to demonstrate their interest towards Astronomy. Presently, articles on Astronomy and Space Science get major coverages in every Newspaper and Magazine in Bangladesh apparently a section of readers want to read these articles to satiate their zeal. One of the spectacular achievements of the Society was the establishment of a major Planetarium in Dhaka. Since 1986, the Bangladesh Astronomical Society had been persuading to the Government for establishment of this project which eventually got approval and funding in 1996 and construction started in 200.The US.$.22 million gigantic Planetarium Project, the costliest of its kind in southeast Asia, is expected to be commissioned at end of 2003.

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে অনুষ্ঠিত হলো জোতির্বিজ্ঞান কর্মশালা ২০২৬হবিগঞ্জের প্রত্যন্ত অঞ্চল চুনারুঘাটে অনুষ্ঠিত হলো "জোতির্বি...
17/06/2026

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে অনুষ্ঠিত হলো জোতির্বিজ্ঞান কর্মশালা ২০২৬

হবিগঞ্জের প্রত্যন্ত অঞ্চল চুনারুঘাটে অনুষ্ঠিত হলো "জোতির্বিজ্ঞান কর্মশালা ২০২৬"। কর্মশালাটিতে প্রায় ৫০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধন করেন।
মূলত দুই দিনব্যাপী কর্মশালার পরিকল্পনা করা হলেও কিছু সমস্যার কারণে কর্মশালাটি একদিনে সম্পন্ন করতে হয়। তবুও দিনব্যাপী এই আয়োজনে রাখা হয় জ্যোতির্বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক আলোচনা, প্রদর্শনী এবং হাতে-কলমের মাধ্যমে কার্যক্রম মুখস্থনির্ভর শিক্ষার গণ্ডি পেরিয়ে শিক্ষার্থীদের কাছে জ্যোতির্বিজ্ঞানকে বাস্তব ও অভিজ্ঞতাভিত্তিকভাবে তুলে ধরাই ছিল কর্মশালার প্রধান লক্ষ্য।
বিভিন্ন শ্রেণির পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়গুলোকে নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে উপস্থাপন করা হয়। কর্মশালায় আলোচিত বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল মহাবিশ্বের পরিচয়, জোতির্বিজ্ঞানের গুরুত্ব, মানবসভ্যতার ইতিহাসে জোতির্বিজ্ঞানের প্রভাব, টেলিস্কোপের কার্যপ্রণালি ও ব্যবহার, সৌরজগৎ, মহাজাগতিক দূরত্ব পরিমাপ এবং আলোর বৈশিষ্ট্য। এছাড়াও আলোচিত বিষয়গুলোর ওপর রাখা হয় কুইজ আয়োজন, এবং সেরাদের মাঝে তুলে দেওয়া হয় বিভিন্ন পুরষ্কার।

তবে কর্মশালার সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ ছিল সরাসরি সূর্য পর্যবেক্ষণ। সোলার ফিল্টারযুক্ত টেলিস্কোপের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সূর্যকে নিজ চোখে পর্যবেক্ষণের সুযোগ পায়, যা তাদের জন্য ছিল এক অনন্য অভিজ্ঞতা।

কর্মশালার মেন্টর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল আউটরিচ কো-অর্ডিনেটর দলের দুই স্বেচ্ছাসেবক খাদিজা সুলতানা ও রওনক শাহরিয়ার। স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে সহযোগিতা করেন ইব্রাহিম নাহিদ, পলাশ ও ঝুমি রানী পাল। সার্বিক সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করেন মোহাম্মদ খালিদ হাসান।

এই আয়োজন বাস্তবায়নে সহযোগিতার জন্য সেবা সায়েন্স ক্লাবকে আন্তরিক ধন্যবাদ। পাশাপাশি কর্মশালাটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে সহায়তা করার জন্য বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতির প্রতি কৃতজ্ঞতা রইলো।

জুন ২০২৬-এ আকাশ পর্যবেক্ষণের দিনসমূহআকাশ পর্যবেক্ষণের মূল আকর্ষণসমূহ :৯ জুন: শুক্র  ও বৃহস্পতি গ্রহের মিলন।১১–১৫ জুন: সূ...
09/06/2026

জুন ২০২৬-এ আকাশ পর্যবেক্ষণের দিনসমূহ

আকাশ পর্যবেক্ষণের মূল আকর্ষণসমূহ :

৯ জুন: শুক্র ও বৃহস্পতি গ্রহের মিলন।
১১–১৫ জুন: সূর্যাস্তের পর শুক্র ও বৃহস্পতির সাথে বুধ গ্রহের অবস্থান।
১৭ জুন: চাঁদ শুক্র গ্রহের সামনে দিয়ে অতিক্রম করবে এবং চাঁদ ও শুক্রের অত্যন্ত কাছাকাছি অবস্থান।
২১ জুন: জুন সলস্টিস এবং উত্তর গোলার্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রীষ্মকালের সূচনা।
৩০ জুনঃ সবচেয়ে ছোটো পূর্ণিমা
পুরো জুন মাস জুড়ে: আকাশে 'সামার ট্রায়াঙ্গেল' বা গ্রীষ্মকালীন ত্রিভুজ এবং গভীর আকাশের অনেক দর্শনীয় বস্তুগুলো দৃশ্যমান হবে।

গ্রহদের মিলনমেলা
মাসের শুরুতে সূর্যাস্তের ঠিক পর পশ্চিম আকাশে তাকালে আকাশের অন্যতম উজ্জ্বল দুটি গ্রহ শুক্র এবং বৃহস্পতি দেখা যাবে। ৯ জুনের দিকে এরা একে অপরের খুব কাছাকাছি চলে আসবে। জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভাষায় একে "প্ল্যানেটারি কনজাংশন" বা গ্রহের মিলন বলা হয়। যদিও মহাকাশে এরা একে অপরের থেকে কোটি কোটি মাইল দূরে, কিন্তু পৃথিবী থেকে এদের খুব কাছাকাছি মনে হবে।

মিনি প্ল্যানেট প্যারেড
১১ জুন থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত পশ্চিম আকাশে শুক্র ও বৃহস্পতির সাথে বুধ গ্রহও যোগ দেবে। শুক্র গ্রহটিকে সবচেয়ে উজ্জ্বল দেখাবে এবং বৃহস্পতি থাকবে তার পাশেই। বুধ গ্রহ দিগন্তের বেশ নিচের দিকে থাকবে, তাই গোধূলির আলোয় এটিকে পরিষ্কারভাবে দেখতে হলে পশ্চিম আকাশে মেঘ বা বাধামুক্ত দৃষ্টি থাকতে হবে।

লুনার অকালটেশন (চাঁদের আড়ালে শুক্র গ্রহ)
১৭ জুন পৃথিবীর কিছু স্থান থেকে দেখা যাবে যে, চাঁদ শুক্র গ্রহের ঠিক সামনে দিয়ে পার হচ্ছে। এর ফলে মনে হবে শুক্র গ্রহ চাঁদের পেছনে হারিয়ে যাচ্ছে এবং কিছুক্ষণ পর আবার ফিরে আসছে। এই বিরল দৃশ্যটি যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ব্রাজিল এবং ভেনিজুয়েলার কিছু অংশ থেকে দেখা যাবে। এর বাইরের অঞ্চলের আকাশ পর্যবেক্ষকরা এদিন চাঁদ ও শুক্রকে খুব কাছাকাছি অবস্থানে দেখতে পাবেন।

সতর্কতা: অনেক অঞ্চলে এটি দিনের বেলায় ঘটবে। তাই উপযুক্ত সোলার ফিল্টার বা সৌর-নিরাপত্তা সরঞ্জাম ছাড়া বাইনোকুলার, টেলিস্কোপ বা ক্যামেরা কখনোই সূর্যের কাছাকাছি তাক করা উচিত নয়। এতে চোখের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।

গ্রীষ্মকালের সূচনা
২১ জুন উত্তর গোলার্ধে 'জুন সলস্টিস' ঘটবে, যা বছরের সবচেয়ে দীর্ঘ দিন এবং সবচেয়ে ছোট রাতের দিন। প্রশান্ত মহাসাগরীয় সময় অনুযায়ী এটি রাতে ঘটবে। এই দিনটি থেকে উত্তর গোলার্ধে জ্যোতির্বিজ্ঞানের গ্রীষ্মকালের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। মজার ব্যাপার হলো, বছরের দীর্ঘতম দিনের অর্থ এই নয় যে ওই দিন সবচেয়ে ভোরে সূর্য উঠবে বা সবচেয়ে দেরিতে সূর্য অস্ত যাবে।

সামার ট্রায়াঙ্গেল ও ডিপ-স্কাই অবজেক্ট
রাতের আকাশ অন্ধকার হওয়ার পর, টেলিস্কোপ ব্যবহারকারী এবং অ্যাস্ট্রোফটোগ্রাফারদের জন্য দারুণ কিছু বস্তু আকাশে উঁকি দেবে। তিনটি উজ্জ্বল তারা - ভেগা (Vega), আলটেয়ার (Altair) এবং ডেনেব (Deneb) মিলে তৈরি করবে "সামার ট্রায়াঙ্গেল"। এর ভেতরে এবং আশেপাশে ডাম্বেল নেবুলা, রিং নেবুলা, নর্থ আমেরিকা নেবুলা এবং ভেইল নেবুলার মতো আকর্ষণীয় বস্তুগুলো দেখা যাবে। ডাম্বেল নেবুলা (যাকে Messier 27-ও বলা হয়) হলো মানুষের আবিষ্কৃত প্রথম প্ল্যানেটারি নেবুলা। সাধারণ চোখে এগুলো গ্রহের মতো উজ্জ্বল না হলেও, টেলিস্কোপ বা লং-এক্সপোজার ক্যামেরার সাহায্যে এই নেবুলাগুলোর জ্বলন্ত গ্যাস, মৃতপ্রায় তারা এবং গ্যালাক্সির নতুন তারা জন্মানোর স্থানগুলো স্পষ্টভাবে দেখা সম্ভব।

মূল লেখাঃ নাসা (NASA)
অনুবাদঃ রওনক শাহরিয়ার

📌১৮তম আব্দুল জব্বার জ্যোতির্বিজ্ঞান কর্মশালা ২০২৬আকাশের দিকে তাকিয়ে কখনও কি ভেবেছেন-একটি ব্ল্যাক হোলের ভেতরে কী ঘটে? দূ...
08/06/2026

📌১৮তম আব্দুল জব্বার জ্যোতির্বিজ্ঞান কর্মশালা ২০২৬

আকাশের দিকে তাকিয়ে কখনও কি ভেবেছেন-একটি ব্ল্যাক হোলের ভেতরে কী ঘটে? দূরবর্তী কোনো নক্ষত্রের চারপাশে ঘুরছে কি আরেকটি পৃথিবী? আমরা কি এই মহাবিশ্বে একাই?

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজার যাত্রায় আপনাকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে ১৮তম আব্দুল জব্বার জ্যোতির্বিজ্ঞান কর্মশালা ২০২৬।

বাংলাদেশে জ্যোতির্বিজ্ঞান চর্চার অন্যতম পথিকৃৎ মোহাম্মদ আব্দুল জব্বারের স্মৃতিকে সম্মান জানিয়ে আয়োজিত এই কর্মশালা দেশের অন্যতম বৃহৎ জ্যোতির্বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা ও বিজ্ঞান আয়োজন। তিন দিনব্যাপী এই কর্মশালায় অংশ নিয়ে আপনি জানতে পারবেন মহাবিশ্বের বিস্ময়কর রহস্য, শুনতে পারবেন দেশি-বিদেশি জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও গবেষকদের অভিজ্ঞতা, আর হাতে-কলমে আকাশ পর্যবেক্ষণের সুযোগও পাবেন।

🔭 কর্মশালার আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে-
• ব্ল্যাক হোল
• সুপারনোভা
• গ্যালাক্সি
• এক্সোপ্ল্যানেট
• অ্যাস্ট্রোফিজিক্স
•অ্যাস্ট্রোবায়োলজি
• মহাকাশবিজ্ঞান ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের সমসাময়িক গবেষণা

এছাড়াও থাকছে-
🔭 টেলিস্কোপে আকাশ পর্যবেক্ষণ
🏆 মজার ও শিক্ষামূলক কুইজ প্রতিযোগিতা
🤝 জ্যোতির্বিজ্ঞানী, গবেষক ও বিজ্ঞান শিক্ষকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগ

📅 ২-৪ জুলাই ২০২৬
📍 Green City Center, Dhanmondi, Dhaka

👨‍🎓 অংশগ্রহণ করতে পারবে:
• ৯ম-১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী
• ১১-১২ শ্রেণির শিক্ষার্থী
• স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী

🎁 অংশগ্রহণকারীরা পাবেন সনদপত্র, বিশেষ পুরস্কার, শিক্ষামূলক উপহার, রিফ্রেশমেন্ট এবং জ্যোতির্বিজ্ঞানের জগতে নতুন দিগন্ত উন্মোচনের এক অনন্য অভিজ্ঞতা।

⏳ নিবন্ধনের শেষ তারিখ: ২৫ জুন ২০২৬

মহাবিশ্বের গল্প শুধু বইয়ের পাতায় নয়-এবার তা জানুন সরাসরি বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে, দেখুন নিজের চোখে রাতের আকাশ আর হয়ে উঠুন জ্ঞান ও কৌতূহলের এক অনন্য অভিযাত্রার অংশ।

মহাকাশের বিশালতা কি কেবল বইয়ের পাতাতেই আটকে থাকবে? নাকি তাকে নিজের চোখে দেখার সুযোগ পাবে আমাদের শিক্ষার্থীরা?এই প্রশ্নের...
20/05/2026

মহাকাশের বিশালতা কি কেবল বইয়ের পাতাতেই আটকে থাকবে? নাকি তাকে নিজের চোখে দেখার সুযোগ পাবে আমাদের শিক্ষার্থীরা?

এই প্রশ্নের দারুণ এক উত্তর নিয়ে গতকাল, ১৯ মে ২০২৬ তারিখে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি) স্কুল অ্যান্ড কলেজে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘অ্যাস্ট্রোস্কুল বাংলাদেশ’ এর এক ব্যতিক্রমী আয়োজন! ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিয়নের অফিস ফর অ্যাস্ট্রোনমি আউটরিচ এর ন্যাশনাল আউটরিচ কো অর্ডিনেটর বাংলাদেশ (NOC BD) এবং যবিপ্রবির জামাল নজরুল ইসলাম অ্যাস্ট্রোনমি ক্লাবের (JNIAC) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই আয়োজনে অংশ নেয় ৫০ জন বিজ্ঞান পাগল ক্ষুদে শিক্ষার্থী।

মুখস্থ বিদ্যার গণ্ডি পেরিয়ে পুরো ইভেন্টটি সাজানো হয়েছিল সম্পূর্ণ হাতে কলমে শেখার (Hands on) অভিজ্ঞতায়। আমন্ত্রিত স্পিকার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিমুলিয়া কলেজের পদার্থবিজ্ঞানের প্রভাষক ও JNIAC এর প্রাক্তন সভাপতি নাঈমুর রহমান। তাঁর মজার সব গল্পের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই আয়োজনে শিক্ষার্থীরা জেনেছে মহাবিশ্বের বিশালতা (Scale of the Universe) আর আমাদের সৌরজগতের অজানা সব রহস্য। শেখার পাশাপাশি প্রি ও পোস্ট ইভোল্যুশন কুইজের মাধ্যমে চলে শিক্ষার্থীদের মেধার এক আনন্দদায়ক লড়াই।

তবে দিনের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর অংশটি ছিল ইভেন্টের শেষ ভাগে, টেলিস্কোপের লেন্সে চোখ রেখে সরাসরি সূর্য পর্যবেক্ষণ! বইয়ের পাতায় পড়া সূর্যকে এত কাছ থেকে দেখে শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিজ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন যবিপ্রবি স্কুল অ্যান্ড কলেজের সম্মানিত অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। পুরো আয়োজনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ইভেন্ট কো অর্ডিনেটর আসিফ শাহরিয়ার। পাশাপাশি রওনক, ঐশী, হাসানসহ NOC BD ও Jamal Nazrul Islam Astronomy Club, JUST এর স্বেচ্ছাসেবক টিমের নিরলস পরিশ্রমে দিনটি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা হয়ে ওঠে।

এভাবেই আমাদের হাত ধরে মহাকাশবিজ্ঞান ছড়িয়ে পড়ুক দেশের আনাচে কানাচে। কে জানে, অ্যাস্ট্রোস্কুলের পরবর্তী গন্তব্য হয়তো আপনার শহরের কোনো স্কুলই!

ঢাকার ব্যস্ত নগরীতে একদিকে ঝুম বৃষ্টি আর অন্যদিকে তপ্ত রোদ, ঠিক সেই বৈপরীত্যের মাঝেই এক ক্লাসরুম ভরে উঠেছিল মহাবিশ্বের গ...
17/05/2026

ঢাকার ব্যস্ত নগরীতে একদিকে ঝুম বৃষ্টি আর অন্যদিকে তপ্ত রোদ, ঠিক সেই বৈপরীত্যের মাঝেই এক ক্লাসরুম ভরে উঠেছিল মহাবিশ্বের গল্পে।

আজ ১৭ই মে, ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি স্কুল অ্যান্ড কলেজে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘অ্যাস্ট্রোস্কুল বাংলাদেশ’-এর আরেকটি দারুণ আয়োজন। শুরুটা হয়েছিল ক্লাস ৯ ও ১০-এর প্রায় ৫৫ জন বিজ্ঞানপ্রেমী শিক্ষার্থীকে নিয়ে।

টিফিনের ঘণ্টা, রোদের তাপ কিংবা আচমকা বৃষ্টির বাধা, কোনো কিছুই থামাতে পারেনি তাদের জানার আগ্রহকে। কারণ এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্যই ছিল পাঠ্যপুস্তকের গণ্ডি পেরিয়ে জ্যোতির্বিজ্ঞানকে হাতে-কলমে অনুভব করা।
পুরো আয়োজনজুড়ে শিক্ষার্থীরা মহাবিশ্বের বিস্ময়কর নানা বিষয় নিয়ে অংশ নেয় প্রাণবন্ত আলোচনা ও মজার সব কার্যক্রমে। কখনও তারা নিজেরাই তৈরি করেছে পকেট সোলার সিস্টেম, কখনও শিখেছে কীভাবে মহাবিশ্বের বিশাল দূরত্ব মাপা হয়। আর সেই শেখার আনন্দকে আরও রোমাঞ্চকর করে তুলেছিল চিন্তা-জাগানো কুইজ ও মেঘের আড়াল থেকে সূর্য পর্যবেক্ষণের অভিজ্ঞতা।

ইভেন্টটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করেন নক বিডি (NOC BD)-এর ভলান্টিয়ার খাদেজা সুলতানা এবং নক বিডি টিমের অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবীরা। শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানচর্চায় আরও উৎসাহিত করতে এবং পুরস্কার তুলে দিতে উপস্থিত ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিয়নের অফিস ফর অ্যাস্ট্রোনমি আউটরিচ-এর ন্যাশনাল আউটরিচ কো-অর্ডিনেটর বাংলাদেশ (NOC BD)-এর দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রফেসর ডক্টর ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী। এছাড়াও পুরো আয়োজন সফল করতে সার্বিক সহযোগিতা করেছে প্রতিষ্ঠানটির সম্মানিত প্রধান শিক্ষক আলমগীর কবির এবং বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

সব মিলিয়ে ঢাকার ব্যস্ত শহুরে ক্লাসরুমে কয়েক ঘণ্টার জন্য যেন খুলে গিয়েছিল মহাকাশ ভ্রমণের এক নতুন জানালা, যেখানে শিক্ষার্থীরা বইয়ের পাতার তারাগুলোকে ছুঁয়ে দেখার সুযোগ পেয়েছে নিজের কৌতূহল আর কল্পনার মাধ্যমে।
এইতো কেবল শুরু! খুব শিগগিরই হয়তো অ্যাস্ট্রোস্কুল পৌঁছে যাবে আপনার স্কুলেও, আর কোনো এক সকালে আপনার ক্লাসরুমও বদলে যাবে ছোট্ট এক মহাবিশ্বে।

We are celebrating the International Day of Light (IDL) 2026 with a week-long online campaign from May 10 to 16. Stay tu...
09/05/2026

We are celebrating the International Day of Light (IDL) 2026 with a week-long online campaign from May 10 to 16.

Stay tuned for more!

পাবনায় অনুষ্ঠিত হলো বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে বিশেষ আয়োজন "বৌদ্ধিচ্ছায়ায় চন্দ্র দর্শন"!বুদ্ধ পূর্ণিমার স্নিগ্ধ আলোয় মহাজাগত...
03/05/2026

পাবনায় অনুষ্ঠিত হলো বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে বিশেষ আয়োজন "বৌদ্ধিচ্ছায়ায় চন্দ্র দর্শন"!

বুদ্ধ পূর্ণিমার স্নিগ্ধ আলোয় মহাজাগতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পাবনায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল এক ভিন্নধর্মী আয়োজন "বৌদ্ধিচ্ছায়ায় চন্দ্র দর্শন"। মহাকাশপ্রেমীদের নিয়ে এই চমৎকার ইভেন্টটির আয়োজন করে 'অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ক্লাব, পাবনা'। এই আয়োজনে সহ-আয়োজক হিসেবে যুক্ত ছিল ন্যাশনাল আউটরিচ কো-অর্ডিনেটর বাংলাদেশ (নক-বিডি)।

এবারের এই আয়োজনে মোট ২০ জন মহাকাশপ্রেমী অংশগ্রহণ করেন। আয়োজনটি শুধু আকাশ পর্যবেক্ষণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না বরং পুরোটা সময় জুড়ে আড্ডা, আনন্দময় খাওয়া-দাওয়া এবং মহাবিশ্বের নানা অজানা রহস্য নিয়ে আলোচনায় মগ্ন ছিলেন উপস্থিত সবাই। বিভিন্ন বয়সী ও পেশার মানুষের উপস্থিতি আয়োজনটিকে আরও বর্ণিল করে তোলে।

আয়োজনের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিল টেলিস্কোপে সরাসরি আকাশ পর্যবেক্ষণ। অংশগ্রহণকারীরা রাতের আকাশে উজ্জ্বল চাঁদ এবং সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ বৃহস্পতিকে খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ পান। আকাশ পর্যবেক্ষণের এই রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা দিতে আয়োজনে যুক্ত ছিল দুটি টেলিস্কোপ: নক-বিডির সেলেস্ট্রন ১৩০ইকিউ (Celestron 130EQ) এবং অন্যটি সেলেস্ট্রন ৮০ইকিউ (Celestron 80EQ)। টেলিস্কোপের লেন্সে চাঁদের গর্ত এবং বৃহস্পতি ও তার চাঁদগুলোর সৌন্দর্য দেখে উপস্থিত সবাই রীতিমতো অভিভূত হন।

অ্যাস্ট্রোস্কুল এবার নাটোরে! নাটোর-পাবনা সীমান্তের প্রত্যন্ত এলাকার স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের কাছে জ্যোতির্বিজ্ঞানকে ...
27/04/2026

অ্যাস্ট্রোস্কুল এবার নাটোরে!

নাটোর-পাবনা সীমান্তের প্রত্যন্ত এলাকার স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের কাছে জ্যোতির্বিজ্ঞানকে তুলে ধরতে আজ ২৭শে এপ্রিল (সোমবার) দিয়াড় গাড়ফা খৈরাশ (ডি.কে) উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল 'অ্যাস্ট্রোস্কুল বাংলাদেশ'-এর এক দারুণ আয়োজন।

এবারের আয়োজনে ৮ম থেকে দশম শ্রেণির প্রায় ৮০ জন বিজ্ঞানপ্রেমী শিক্ষার্থী স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে। স্রেফ থিওরি নয়, হাতে-কলমে বিজ্ঞান শেখার দারুণ সব অ্যাক্টিভিটির পাশাপাশি মহাবিশ্বে আমাদের অবস্থান এবং সৌরজগতের খুঁটিনাটি নিয়ে চলে দারুণ আড্ডা। আর ইভেন্টের সবচেয়ে আকর্ষণীয় পর্ব হিসেবে ছিল টেলিস্কোপে সরাসরি আকাশ পর্যবেক্ষণ!

সবচেয়ে আনন্দের বিষয় হলো, টেলিস্কোপে আকাশ পর্যবেক্ষণের সময় এবং ইভেন্টের শুরুতে পুরো স্কুলের প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিল! তাদের মনের নানা প্রশ্নের জবাব খোঁজার প্রবল ইচ্ছা এবং জ্যোতির্বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা শোনার আগ্রহ উপস্থিত সবাইকে রীতিমতো অভিভূত করেছে।

পুরো ইভেন্টটি দারুণভাবে পরিচালনা করেছেন নক বিডি (NOC BD) টিমের ভলান্টিয়ার রওনক শাহরিয়ার। শিক্ষার্থীদের সামনে মহাকাশের জটিল বিষয়গুলোকে তিনি তুলে ধরেছেন একদম সহজ ও সাবলীল ভাষায়। এছাড়াও পুরো কার্যক্রমে স্থানীয় ভলান্টিয়ার হিসেবে যুক্ত ছিলেন খাদেম আলী এবং মোসাঃ তাজকেরাতুন আম্বিয়া।

শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দিতে এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সম্মানীত শিক্ষক মোঃ হায়দার আলী এবং মোঃ আবুল কাহার। ইভেন্টটি আয়োজন করতে সার্বিক সহায়তার জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জানাই অসংখ্য ধন্যবাদ।

উল্লেখ্য, ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিয়নের 'অফিস ফর অ্যাস্ট্রোনমি আউটরিচ'-এর ন্যাশনাল আউটরিচ কো-অর্ডিনেটর বাংলাদেশ (নক বিডি) অফিসের সার্বিক দায়িত্বে রয়েছেন প্রফেসর ডক্টর ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী। এই বিশেষ উদ্যোগে সহ-আয়োজক হিসেবে যুক্ত ছিল বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি (BAS)।

শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানচর্চায় অনুপ্রাণিত করার এই তো কেবল শুরু! মহাকাশ নিয়ে স্বপ্ন দেখার এই কার্যক্রম ভবিষ্যতে দেশের আরও অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছড়িয়ে দেওয়ার পথ তৈরি হলো এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে। হয়তো খুব শিগগিরই অ্যাস্ট্রোস্কুল পৌঁছে যাবে আপনার শহরের কোনো স্কুলেও!

মহাবিশ্বের খোঁজে এবার আমরা সৈয়দপুরে! বইয়ের পাতার বিজ্ঞান যখন চোখের সামনে বাস্তবে ধরা দেয়, তখন শেখার আনন্দই অন্যরকম হয়ে য...
24/04/2026

মহাবিশ্বের খোঁজে এবার আমরা সৈয়দপুরে!

বইয়ের পাতার বিজ্ঞান যখন চোখের সামনে বাস্তবে ধরা দেয়, তখন শেখার আনন্দই অন্যরকম হয়ে যায়! স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের কাছে জ্যোতির্বিজ্ঞানের বিস্ময়কর জগৎকে তুলে ধরতে গত ২১ ও ২২শে এপ্রিল (মঙ্গল ও বুধবার) সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল 'অ্যাস্ট্রোস্কুল বাংলাদেশ'-এর এক দারুণ আয়োজন। এই আয়োজনটি বাংলাদেশ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অলিম্পিয়াডের দুই দিন ব্যাপি কার্যক্রমের সাথে সমন্বয় রেখে করা হয়।

এবারের আয়োজনে ৬ষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির প্রায় ৬০ জন বিজ্ঞানপ্রেমী শিক্ষার্থী স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে। স্রেফ থিওরি নয়, হাতে-কলমে বিজ্ঞান শেখার দারুণ সব অ্যাক্টিভিটির পাশাপাশি মহাবিশ্বে আমাদের অবস্থান এবং সৌরজগতের খুঁটিনাটি নিয়ে চলে দারুণ আড্ডা। আর ২য় দিনে ইভেন্টের সবচেয়ে আকর্ষণীয় পর্ব হিসেবে ছিল টেলিস্কোপে সরাসরি সূর্য পর্যবেক্ষণ!

পুরো ইভেন্টটি দারুণভাবে পরিচালনা করেছেন নক বিডি (NOC BD) টিমের ভলান্টিয়ার রওনক শাহরিয়ার। শিক্ষার্থীদের সামনে মহাকাশের জটিল বিষয়গুলো তিনি তুলে ধরেছেন একদম সহজ ও সাবলীল ভাষায়। এছাড়াও এআই অলিম্পিয়াডের তাসনিম মাহফুজ নাফিজ ইভেন্টকে আরও করে তোলে এস্ট্রোনমির বিভিন্ন বিষয়ের আলোচনার মাধ্যমে। ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিয়নের অফিস ফর অ্যাস্ট্রোনমি আউটরিচ এর ন্যাশনাল আউটরিচ কো-অর্ডিনেটর, বাংলাদেশ (নক বিডি) অফিসের এই বিশেষ উদ্যোগে সহ-আয়োজক হিসেবে যুক্ত ছিল বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি (BAS)।

শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানচর্চায় অনুপ্রাণিত করার এই তো কেবল শুরু! মহাকাশ নিয়ে স্বপ্ন দেখার এই কার্যক্রম ভবিষ্যতে দেশের আরও অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছড়িয়ে দেওয়ার পথ তৈরি হলো এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে। হয়তো খুব শিগগিরই অ্যাস্ট্রোস্কুল পৌঁছে যাবে আপনার শহরের কোনো স্কুলেও!

Address

200 West Monipur
Mirpur
1215

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh Astronomical Society posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Bangladesh Astronomical Society:

Shortcuts

Share

Category