আবুল হাসান আলি Abul Hasan

আবুল হাসান আলি  Abul Hasan

Share

আমার সম্পর্কে...

25/08/2021

সর্ব প্রথম কারা হাদিস অস্বীকার করেছিলো ////////এক্ষেত্রে তিনটি ফিরকার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা যায় ১মূতাজিলাফিরকা ২রাফিজিয়াফিরকা ৩শিয়া সম্প্রদায় তবে হাদিস অস্বীকােরর সকল ফিরকার উদ্দেশ্য কিন্তু এক ছিলনা তাই প্রত্যেকটা ফিরকা নিয়ে একটু আলোচনা করতে চাই \\\\\\মুতাজিলা সম্প্রদায় এবং তাদের হাদিস অস্বীকারের কারণ/////মুতাজিলারা সকল বিষয় বিবেক বুধিধর লাগামহিন ব্যাবহার করত এবং যে সকল বিষয় খালেস নস ভিত্তিক সেখানেও আকলের লাগামহীন ব্যাবহার করতো এটাই ছিল নুসুসের ক্ষেত্রে তাদের স্বীকৃত মূলনীতি এই মূলনীতির আলোকে তারা যখন ঐ সকল হাদিসের দিকে তাকাল যা ছিল খালেস গাইবি ও অদ্রিসস বিষয় সম্বলিত এবং যাতে বিবেক বুদ্ধি ব্যাবহারের কোন option ই ছিলোনা তখন সাবাভিক ভাবেই তারা ঐ সকল হাদিস অস্বীকার করে বসলো বা এমন তাওিল করে বসলো যেগুলো অস্বীকারের নামান্তর ///////// শিয়া সম্প্রদায়ের হাদিস অস্বীকারের কারণ \\\\\ শিয়া সম্প্রদাএর প্রতিষ্ঠাতা ও স্তম্ভ পুরুস আব্দুল্লাহ ইবনে সাবা সে ছিল খাঁটি ইয়াহুদি এবং ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষী একজন কাফের কিন্ত ইসলামের বিজয় দ্রত গতিতে ছড়িয়ে পড়লে এবং পারসবরতি অঞ্চলগুল ইসলামের পতাকাতলে আবধধ হতে থাকলে অনন্নপায় হয়ে সেও ইসলাম গ্রহন করে ফেলে কিন্ত হৃদয় ও মন দিয়ে মেনে নেয়না বরং এর সুশীতল ছায়া বের হওার জন্য বিভন্নরকম ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকে আর সেই ষড়যন্ত্রের অনিবার্য পরিণতি হিসেবে তারা হাদিসকে অস্বীকার করে বসে \\\\\\রাফিজি সম্প্রদায় ও তাদের হাদিস অস্বীকারের কারণ \\\ হাদিস অস্বীকারের ক্ষেত্রে রাফিজিয়া সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যও সেটাই ছিল যেটা শিয়াদের ছিল অর্থাৎ ইসলামের সুসিতল ছায়া থেকে বের হয়ে জাওয়া কিন্ত স্পষ্টরপে এমনটা করলে জেহেতু পারতিভ সুজুগ সুবিধা হতে বঞ্চিত হতে হবে তাই প্রকাশ্যরপে এমনটা করতনা বরং এই উদ্দেশ্য পূরণে সবচেয় বড় যে বাঁধা ছিল হাদিস সেটাকেই অস্বীকার করে বসত কারণ হাদিস অস্বীকার করতে পারলেই তো ইসলামের হাজারও বিধান পালন থেকে নিজেকে বিরত রাখা যাবে ঠিক ঐ প্রবাদ বাক্কের নেয় শাপও মরবেনা লাঠিও ভাঙ্গবে না

25/08/2021

হাদিস অস্বীকারের ফিতনা ও তার সূচনা!

এই ফিতনার বিস্তার যদিও আজ নতূন ভাবে প্রকট আকার ধারণ করেছে। কিন্তু, এটা মোটেও নুতন কোন ফিতনা নয় বরং এর বহিঃপ্রকাশ হয়েছিল বহুত আগে। আজ থেকে চৌদ্দশত বছর পূর্বে। যার সংক্ষিপ্ত বিবরণ হলোঃ-

ইসলামের দাওয়াত যখন চার দিকে ছড়িয়ে পড়লো এবং লোকেরা দলে দলে ইসলাম গ্রহন করতে লাগলো, তখন তাতে এমন কিছু মানুষের প্রবেশ ঘটলো, যারা বাহ্যিকভাবে ঈমান আনলেও মনে-প্রাণে তার বিধান মেনে নেয়নি। বরং এগুলো তাদের নিকট একটি বোঝা ছিল এবং তারা এর শৃঙ্খল থেকে বের হয়ে যেতে চাইতো।

কিন্ত, ইসলামের এই শৃঙ্খল ভেঙ্গে ফেলা এবং নিজেকে অমুসলিম কাফির হসেবে তুলে ধরা এটাও তাদের পক্ষে সম্ভব ছিলো না। কারণ, এমন করলে তো পার্থিব সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে হবে। তাই তারা ভেবে-চিন্তে দেখলো কোন্‌ বিষয়গুলো এ ক্ষেত্রে তাদের জন্য বাধার প্রাচীর হয়ে আছে!

তারা দেখতে পেলো হাদিস এক্ষেত্র পাহাড়সম একটি প্রাচীর যা যতদিন সুদৃঢ় থাকবে ততদিন তাদের পক্ষে ইসলাম থেকে বের হয়ে যাওয়া সহজ হবেনা। তাই তারা ইসলামকে অস্বীকার না করতে পেরে হাদিস কেই অস্বীকার করে বসলো এবং এভাবেই হাদিস অস্বীকারের ফেতনার সূচনা হলো!

Want your school to be the top-listed School/college in Mirpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Section 12, Block E, Road 4, Pallabi, Dhaka
Mirpur
1216