25/08/2021
সর্ব প্রথম কারা হাদিস অস্বীকার করেছিলো ////////এক্ষেত্রে তিনটি ফিরকার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা যায় ১মূতাজিলাফিরকা ২রাফিজিয়াফিরকা ৩শিয়া সম্প্রদায় তবে হাদিস অস্বীকােরর সকল ফিরকার উদ্দেশ্য কিন্তু এক ছিলনা তাই প্রত্যেকটা ফিরকা নিয়ে একটু আলোচনা করতে চাই \\\\\\মুতাজিলা সম্প্রদায় এবং তাদের হাদিস অস্বীকারের কারণ/////মুতাজিলারা সকল বিষয় বিবেক বুধিধর লাগামহিন ব্যাবহার করত এবং যে সকল বিষয় খালেস নস ভিত্তিক সেখানেও আকলের লাগামহীন ব্যাবহার করতো এটাই ছিল নুসুসের ক্ষেত্রে তাদের স্বীকৃত মূলনীতি এই মূলনীতির আলোকে তারা যখন ঐ সকল হাদিসের দিকে তাকাল যা ছিল খালেস গাইবি ও অদ্রিসস বিষয় সম্বলিত এবং যাতে বিবেক বুদ্ধি ব্যাবহারের কোন option ই ছিলোনা তখন সাবাভিক ভাবেই তারা ঐ সকল হাদিস অস্বীকার করে বসলো বা এমন তাওিল করে বসলো যেগুলো অস্বীকারের নামান্তর ///////// শিয়া সম্প্রদায়ের হাদিস অস্বীকারের কারণ \\\\\ শিয়া সম্প্রদাএর প্রতিষ্ঠাতা ও স্তম্ভ পুরুস আব্দুল্লাহ ইবনে সাবা সে ছিল খাঁটি ইয়াহুদি এবং ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষী একজন কাফের কিন্ত ইসলামের বিজয় দ্রত গতিতে ছড়িয়ে পড়লে এবং পারসবরতি অঞ্চলগুল ইসলামের পতাকাতলে আবধধ হতে থাকলে অনন্নপায় হয়ে সেও ইসলাম গ্রহন করে ফেলে কিন্ত হৃদয় ও মন দিয়ে মেনে নেয়না বরং এর সুশীতল ছায়া বের হওার জন্য বিভন্নরকম ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকে আর সেই ষড়যন্ত্রের অনিবার্য পরিণতি হিসেবে তারা হাদিসকে অস্বীকার করে বসে \\\\\\রাফিজি সম্প্রদায় ও তাদের হাদিস অস্বীকারের কারণ \\\ হাদিস অস্বীকারের ক্ষেত্রে রাফিজিয়া সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যও সেটাই ছিল যেটা শিয়াদের ছিল অর্থাৎ ইসলামের সুসিতল ছায়া থেকে বের হয়ে জাওয়া কিন্ত স্পষ্টরপে এমনটা করলে জেহেতু পারতিভ সুজুগ সুবিধা হতে বঞ্চিত হতে হবে তাই প্রকাশ্যরপে এমনটা করতনা বরং এই উদ্দেশ্য পূরণে সবচেয় বড় যে বাঁধা ছিল হাদিস সেটাকেই অস্বীকার করে বসত কারণ হাদিস অস্বীকার করতে পারলেই তো ইসলামের হাজারও বিধান পালন থেকে নিজেকে বিরত রাখা যাবে ঠিক ঐ প্রবাদ বাক্কের নেয় শাপও মরবেনা লাঠিও ভাঙ্গবে না