05/01/2026
বর্তমান সময়ের নারীদের সবচেয়ে বড় ব্যাধি হলো স্মার্ট ফোন, যে নারী অ্যান্ড্রয়েড অ্যাডিকটেড সে—নারী স্বামীর আনুগত্য ও হক আদায় করতে ব্যর্থ।
যে নারীর হাতে স্মার্টফোন থাকে, তার সন্তানও অ্যান্ড্রয়েড ছাড়া খায় না, কান্নাও বন্ধ করে না, উশৃংখল হয়ে ওঠে।
একটা ডিভাইস তখন সন্তানের শান্তির মাধ্যম হয়ে দাঁড়ায়।
যে নারীর হাতে স্মার্টফোন থাকে, সে নারী অধিক যুক্তিপ্রবণ ও দাম্ভিক হয়ে ওঠে— স্বামীর মুখের উপর তর্ক শুরু করে।
স্মার্টফোন ব্যবহারকারী ৫০% নারী পর—পুরুষে আসক্ত, এবং দাম্পত্যকলহ সমতা—ও প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়।
স্মার্টফোন আছে—এমন নারী নিজের ভূল সহজে স্বীকার করে না, ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করে!
অ্যান্ড্রয়েড থাকলে স্বামীর প্রয়োজনই পড়ে না, দিনের পর দিন কেটে যায়—একই ছাদের নিচে থেকেও কথা বলে না, স্মার্টফোন মানসিক এন্টারটেই ফুল্ফিল করে ফলশ্রুতি এক বিছানায় দুইজন অপরচিত, ডিভাইস নিয়ে ব্যাস্ত, সঙ্গীহীন।
অথচ ২৫–৩০ বছর আগে আমাদের মা-দাদিরা স্বামীর নামধরে ডাকত না, অসম্মান মনে করত এবং স্বামীভক্তা ছিলো, স্বামীর পরিপূর্ণ হক ও আনুগত্য আদায় করার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা করত!
স্বামীর কষ্ট বুঝত, স্বামীর ক্লান্তিকে সম্মান করত, স্বামীর সামনে কণ্ঠ উঁচু করত না, নিজেকে মানিয়ে নিত, স্বামীকে অন্যকারো সাথে তুলনা করত না!
স্বামীরা গৃহে ফেরার আগেই সব কাজ সেরে নারীরা পরিপাটি হয়ে থাকত, স্বামীরা সারাদিন পরিশ্রম করে ঘরে এসে প্রশান্তিতে ঘুমাত!
সে—সংসারগুলোতে উল্লেখযোগ্য ডিভোর্স হত না।
এখন—স্বামীরা ৮–১০ ঘণ্টা পরিশ্রম করে এসেও ঘরে শান্তি পায় না। এই অশান্তির অন্যতম প্রধান কারণ—স্মার্টফোন।
এই স্মার্টফোন নারীদের হায়া-লজ্জা, গাইরত, ব্যক্তিত্ব—
এমনকি পর্দার মতো অকাট্য বিধানকেও ধূলিসাৎ করে দিয়েছে। —কথাগুলো উভয়ের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য!!