05/05/2025
৫ মে ১৯৭৯ , শহরের বুকে প্রতিষ্ঠিত হওয়া আমাদের প্রাণের বিদ্যাপীঠ ।
জীবনের ভিত্তি স্থাপনের স্থান হিসেবে পরিচিত, আমাদের শৈশব এবং কৈশোরের এক অনন্য স্মৃতিস্তম্ভ। বিদ্যালয়ের স্নিগ্ধ পরিবেশ, শিক্ষকদের স্নেহময় আচরণ, আর বন্ধুদের সঙ্গে কাটানো হাসিখুশি মুহূর্তগুলো আজও আমাদের হৃদয়ে জীবন্ত। প্রথম দিন বিদ্যালয়ে যাওয়ার স্মৃতিটি এখনো স্পষ্ট। অজানা এক উত্তেজনা, নতুন বন্ধুদের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার আনন্দ এবং শিক্ষকদের সম্মুখীন হওয়ার উত্তাপ—সব মিলিয়ে এক ভিন্ন অনুভূতি ছিল। বিদ্যালয়ের প্রবেশপথ, যেখানে বড় বড় বট গাছের ছায়া আর একটি সুন্দর খোলা মাঠ ছিল, মনে করিয়ে দেয় শৈশবের নির্ভেজাল আনন্দ। প্রথমদিনের সেই পরিচিতি ক্লাসে শিক্ষক আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে বিদ্যালয়ের ঐতিহ্য এবং গুরুত্ব নিয়ে কথা বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, এই বিদ্যালয় কেবল পড়াশোনার স্থান নয়, এটি তোমাদের মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার ভিত্তি। সেই কথাগুলো আজও আমাদের জীবনের পথচলার অনুপ্রেরণা ।
বিদ্যালয় ছেড়ে এসে যার যার জীবনে বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ফ্লাওয়ার্সিয়ানরা প্রত্যেকে অনুভব করে, এই বিদ্যালয় শুধু একটি ভবন নয়; এটি আমাদের সবার জন্য এক বিশাল পরিবারের মতো। বিদায়ের পর আজও যখন বিদ্যালয়ের সামনে দিয়ে যাই, হৃদয়ে এক অদ্ভুত টান অনুভব করি। মনে হয়, সেই দিনগুলো কি আর কখনো ফিরে আসবে? তবে স্মৃতির পাতায় সেই দিনগুলো আজও অমলিন। এখান থেকে অর্জিত জ্ঞান, মূল্যবোধ, আত্মবিশ্বাস এবং স্মৃতিগুলো আমাদের জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে আমাদের প্রেরণা জোগায়। বিদ্যালয়ের প্রতিটি ইট-পাথর, গাছ-পালা, এবং স্মৃতি চিরকাল আমাদের হৃদয়ে অমলিন থাকবে। এই প্রিয় প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে আমাদের ভালোবাসা চিরকাল অটুট থাকবে।
'দি ফ্লাওয়ার্স কে.জি এন্ড হাই স্কুল' আমাদের শৈশবের আশ্রয়, প্রকৃত মানুষ হয়ে ওঠার কারিগর আর আজ ও ভবিষ্যতের অস্তিত্বের ভিত্তি ।
শুভ জন্মদিন প্রাণের প্রিয় বিদ্যালয় ❤️