আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন জুড়ী

আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন জুড়ী

শিক্ষার মানোন্নয়ন তথা শিক্ষকদের বিভি

Operating as usual

18/07/2022

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অবস্থিত কিং সাউদ ইউনিভার্সিটিতে দুই বছর মেয়াদে ডিপ্লোমা ইন অ্যারাবিক লাঙ্গুয়েজ এ ফুল ফ্রি স্কলারশিপের আবেদন চলতেছে।

আবেদন শুরু হয়েছেঃ ১৬ মে ২০২২

আবেদনের শেষ সময়ঃ ১৩ আগস্ট ২০২২

প্রাথমিক রেজাল্ট ঘোষণা: ০৯ নভেম্বর ২০২২

★আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টঃ
১. পাসপোর্ট।
২. এইচএসসি/আলিম/সানাবিয়া সার্টিফিকেট।
৩. এইচএসসি/আলিম/সানাবিয়া মার্কশিট।
৪. ছবি।
৫. CV

★স্কলারশিপ এর সুবিধাঃ
১.টিউশন ফি ফ্রি।
২.ফ্রি আধুনিক আবাসন ব্যবস্থা।
৩.মাসিক স্টাইপেন্ড।
৪.বইয়ের জন্য আলাদা অর্থ প্রদান।
৫.প্রতিবছর ছুটিতে আসা যাওয়ার বিমান টিকেট।
৬.ট্রান্সপোর্ট সুবিধা।
৭. বিনামূল্যে মেডিকেল সুবিধা।
৮.হজ্ব ও ওমরা করার সুযোগ।

→ছেলে-মেয়ে উভয়েই আবেদন করতে পারবে।

🌐 আবেদন করতে ক্লিক করুনঃ

ali-admit.ksu.edu.sa ولمعلومات عن كيفيكية تفعيل هذه الخاصية برجاء متابعة الموقع التالي http://enable-javascript.com

04/07/2022

ইউকের প্রাইমারি শিক্ষা ব্যবস্থা vs বাংলাদেশের সদ্য শিক্ষানীতি
_____________________
২০০২ সালে আমি পোস্ট ডক করার জন্য ইংল্যান্ড যাই। আমার ছেলে সাকিফকে বার্মিংহামের ওল্ড নো জুনিয়র স্কুলে ভর্তি করাই ক্লাস ফোরে। যদিও বাংলাদেশে সে ক্লাস টুতে ছিল। ইংল্যান্ডে বয়সের উপর ভিত্তি করে ক্লাস নির্ধারণ করা হয়। ইংল্যান্ডে চাইলেই সরকারি যে কোন স্কুলে ভর্তি করানো যায় না। আপনি যে এলাকায় থাকবেন, সেটা আপনার Catchment এরিয়া। সেখানকার স্কুলে ভর্তি করাতে হবে। প্রাইভেট স্কুল হলে অবশ্য ভিন্ন কথা।

২০০৩ সালের মে মাসে প্যারেন্টস ইভিনিং এ যোগদানের জন্য স্কুল থেকে নিমন্ত্রণ পাঠানো হয়। সাকিফ চাচ্ছিল আমরা যেন ওর প্যারান্টস ইভিনিং এ যাই। কারণ সে অনেকগুলো এওয়ার্ড পেয়েছিল।

যথাসময়ে আমরা স্কুলে যাই। সেখানে হেড মাস্টার মিস খন্ডালের সাথে পরিচয় হয়। তিনি ইন্ডিয়ার অরিজিন একজন শিখ। তিনি আমার পরিচয় পেয়ে আমাকে ওনার সাথে অফিসে যেয়ে কিছুক্ষণ আলাপ করার আমন্ত্রণ জানান। পরিচয় পর্বের শেষে তিনি আমাকে জানান আমি একমাত্র বাংলাদেশি যে এই বছর প্যারেন্টস ইভিনিং এ যোগ দিয়েছি। ঐ স্কুল ক্লাস থ্রি থেকে সিক্স পর্যন্ত। মোট ছাত্র ছাত্রীর সংখ্যা ছয় শত। সবাই এথনিক মাইনোরিটির। মুসলমান স্টুডেন্টের সংখ্যা প্রায় নব্বই শতাংশ। পরিসংখ্যান অনুযায়ী সেখানে পাকিস্তানি প্রায় ৫০ শতাংশ, বাংলাদেশি ২০ শতাংশ। ঊনি আমাকে বার্মিংহাম সিটি কাউন্সিলের একটি রিপোর্ট দিলেন। সেই রিপোর্ট অনুযায়ী এচিভমেন্ট এর দিক থেকে সবচেয়ে নিচে সোমালিয়ান, তারপর বাংলাদেশি, তারপর পাকিস্তানি।

ঐ স্কুলে এতগুলো বাংলাদেশি স্টুডেন্টস থাকার পর ও ১৩ জন গভর্ণরের মধ্যে কোন বাংলাদেশি গভর্ণর নাই। কেউ ইন্টারেস্ট ও শো করে না। ঊনি আমাকে গভর্ণর হবার আমন্ত্রণ জানান। আমার গভর্ণর হবার অভিজ্ঞতা পরে লিখবো ইন শা আল্লাহ।

আমি তখন নর্থ ওয়েলসে আমার পোস্ট ডক্টরাল রিসার্চ করছিলাম। সপ্তাহে একবার বার্মিংহামে আসি। তিনি আমাকে অভয় দিয়ে বললেন ওনাদের মিটিং সব শুক্রবার বিকালে হয়। মাসে একটা মিটিং হয়। তাছাড়া আমি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এই কারণ দেখিয়ে অগ্রিম ছুটি নিতে পারবো। এটা সরকারি ভাবে অনুমোদিত। আমি আমার পোস্ট ডক্টরোল এসাইনমেন্ট এর কন্ট্রাক্ট অনুযায়ী পোস্ট গ্রেডুয়েট লেভেলে একটি বিষয়ে পড়াতাম। সপ্তাহে তিন ঘন্টা। তাছাড়া পিএইচ ডি রিসার্চ গ্রুপের মিটিং এ অংশগ্রহণ করতে হত সপ্তাহে একদিন। বাকি সময় টা নিজের গবেষণার কাজ। কাজেই সময় ম্যানেজ করাটা সহজ ছিল।

পরের সপ্তাহে শনিবার স্কুলের চেয়ার অব গভর্নরস ড. আহমেদ ডি কস্টা (সাউথ আফ্রিকান ডেন্টিস্ট) আমার বাসায় আসলেন। ওনার সাথে স্কুলের নিয়ম কানুন, গভর্ণর দের ভূমিকা ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা হল। এই স্কুল টা ছিল স্পেশাল মেজার স্কুল। অর্থাৎ বেশির ভাগ স্টুডেন্ডস ফেল্টুস। আমি প্রমাদ গুনলাম। সিটি কাউন্সিল থেকে অলরেডি আল্টিমেটাম দেয়া হয়েছিল তিন বছর আগে। পাঁচ বছরের মধ্যে ৬০ শতাংশ ছাত্র ছাত্রী ক্লাস সিক্সের SAT পরীক্ষায় মিনিমাম থ্রেশহোল্ড গ্রেড ফোর পেতে হবে। বর্তমানে মাত্র ২৫ শতাংশ স্টুডেন্ট এই থ্রেশ হোল্ড অতিক্রম করছে। এই ধরনের স্কুলে কোন ভালো শিক্ষক আসতে চায় না। কারণ তারা ইনক্রিমেন্ট সহ অনেক সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়।

আমি ওনাকে কথায় কথায় বললাম বাংলাদেশি ছাত্র/ ছাত্রীদের ফলাফল বিপর্যয় মেনে নিতে পারছি না। আমি এই নিয়ে গবেষণা করতে চাই। আমি ওনাকে গবেষণার একটা রূপরেখাও দিলাম। সর্বপ্রথম জানতে হবে এরা এচিভ করতে পারছে না কেন। তারপর একশন রিসার্চ করবো ত্রিশ জন সবচেয়ে আন্ডার এচিভার কে নিয়ে। ঊনি ডাইরিতে আমার প্রস্তাবগুলো লিখে নিলেন।

তিন চারদিন পর বার্মিংহাম ইউনিভার্সিটির ডিপার্টমেন্ট অব এডুকেশনের সহযোগী অধ্যাপক ড. এড্রিয়ান এন্ড্রু আমাকে ফোন করেন এবং যৌথ ভাবে গবেষণা করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। ঊনি আমাদের চেয়ার অব গভর্নরস ওর পূর্ব পরিচিত। এক পর্যায়ে এন্ড্রু ওনার ফোন টা ধরিয়ে দেন এক ভদ্রমহিলার কাছে। ভদ্রমহিলার সাথে কথা বলে জানতে পারলাম ঊনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজির সহকারী অধ্যাপক এবং এন্ড্রুর অধীনে পি এইচ ডি শুরু করেছেন। ওনার থিসিসের বিষয় হিসাবে এই গবেষণায় অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক।

একজন বাংলাদেশি পেয়ে আমি খুব ই আনন্দিত। প্রায় দুই সপ্তাহ খেটে খুটে প্রপোজাল লিখলাম। এবার ফান্ড এর জন্য কয়েক জায়গায় এপ্লাই করলাম। আমরা BBC Children in needs, ও CfBT র কাছ থেকে তিন বছরের জন্য এক লক্ষ আশি হাজার পাউন্ড পেয়ে গেলাম।

আমি একদিন লিটারেচার রিভিউ করতে যেয়ে দেখলাম ধর্ম একজন ছাত্র/ছাত্রীর এচিভমেন্টে একটা বড় রোল প্লে করতে পারে। স্কুলে ধর্ম শিক্ষা ছিল। কিন্তু সেটা মোস্টলি গুড সিটিজেনশিপের অংশ হিসাবে পড়ানো হতো। আমাকে বিভিন্ন ক্লাসের ষাটজন বাংলাদেশি ছাত্র/ ছাত্র দেয়া হল যারা আন্ডার এচিভার। এর মধ্যে ত্রিশজন আমার কন্ট্রোল গ্রুপ। আর ত্রিশ জন ট্রিটমেন্ট গ্রুপ যারা আমাদের সব ধরনের সহযোগিতা পাবে। আমি এন্ড্রুর সাথে কথা বলে ধর্ম শিক্ষার প্রায়োগিক দিক নিয়ে একটা বিষয় অন্তর্ভুক্ত করলাম। প্রতিদিন স্কুলের পর এক ঘন্টা তাদের জন্য আলাদা ভাবে ধর্ম শিক্ষার ব্যবস্থা করা হল। এজন্য আমরা একজন খণ্ডকালীন ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিলাম।

আশ্চর্যজনক ভাবে হলেও সত্যি এই ত্রিশজন ছাত্র/ ছাত্রী তিন মাসের মধ্যে ক্লাসের টপ পারফর্মার। এদের অনেকের বিহেভিয়ার প্রব্লেম ছিল। এখন ক্লাসের সবচেয়ে ভদ্র ছেলে মেয়ে তারা। এন্ড্রু আমাকে জিজ্ঞেস করলো সে এই সাক্সেস স্টোরির পিছনে কারণ সমূহ আইডেন্টিফাই করতে চায়। ওর মাস্টার্স এর একজন ছাত্র কে এর কারণ নির্ধারণের জন্য নিয়োগ দিল।

ইংল্যান্ডের স্কুল সমুহে রেজাল্ট এর চেয়েও যেটা বেশি প্রাধান্য দেয়, সেটা হল গুড সিটিজেন। আমরা গবেষণায় যে প্যারামিটার গুলো দেখছিলাম, তা হল ছাত্র ছাত্রীদের শিক্ষক ও বন্ধুদের সাথে ক্লাস রুম বিহেভিয়ার, ক্লাসরুম পার্টিসিপেশন, হোম ওয়ার্কে রেগুলারিটি, বাসায় মা বাবা ও ভাই বোনদের সাথে ব্যবহার, ক্রিয়েটিভ রাইটিং এ অংশগ্রহণ, প্লে গ্রাউন্ডে অন্যদের সাথে ব্যবহার, এক্সট্রা কারিকুলার এক্টিবিটিজে অংশগ্রহণ এবং সবশেষে রেজাল্ট। এসব ছেলে মেয়েদের আন্ডার এচিভমেন্ট এর একটা বড় কারণ ছিল তারা ছিল খুব ই আনরুলি, ক্লাসে নিজেরা তো মনযোগ দিত ই না, অন্যদের কে ও ডিস্টার্ব করতো।

যদিও একজন ছাত্র/ছাত্রীর এডুকেশনাল এচিভমেন্ট এ ধর্মীয় শিক্ষার প্রভাব নিয়ে অনেক থিউরি ছিল। কিন্ত এ ধরনের এপ্লাইড রিসার্চ খুব একটা ছিল না। গবেষণায় দেখা গেলো এই ছেলে মেয়েগুলো এখন বাসায় ও অন্য ভাই বোন দের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করছে। বাংলাদেশি কন্ট্রোল গ্রুপের গার্ডিয়ান রা এই পরিবর্তন দেখে হেড টিচার কে অনুরোধ করলো তারা নিজেদের ছেলে মেয়েদের কন্ট্রোল গ্রুপে রাখতে ইচ্ছুক নহে। সবাই চায় তাদের সন্তানদের আমরা ট্রিটমেন্ট গ্রুপে অন্তর্ভুক্ত করি। ছয়মাসের মধ্যে অন্যান্য কমিউনিটির অনেক প্যারেন্টস এক হয়ে হেড টিচার কে অনুরোধ করে যাতে করে সবাইকে ধর্ম শিক্ষায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। আমরা এ সময় একজন মহিলা সহ তিন জন খণ্ডকালীন ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দেই।

কি ছিল সেই ধর্ম শিক্ষায়? আমরা কয়েকটি টপিকের উপর বিশেষ নজর দেই। এর মধ্যে ইসলাম ও হিন্দু ধর্মে (আমাদের ত্রিশজনের মধ্যে ছয়জন বাংলাদেশি হিন্দু ছিল) মা বাবা, প্রতিবেশি, ভাইবোন, শিক্ষক ও বন্ধুদের মর্যাদা ও তাদের প্রতি দ্বায়িত্ব ও কর্তব্য নিয়ে আলোচনা করা, জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে হলে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা, ধর্মীয় দৃষ্টি কোন থেকে সমাজের প্রতি তাদের দ্বায়বদ্ধতা, ড্রাগ ও স্ট্রিট ক্রাইমের অপকারিতা ইত্যাদি। আমরা বিভিন্ন সময়ে কমিউনিটির কয়েকজন রোল মডেল কে নিয়ে এসেছিলাম। তাঁরা তাঁদের অভিজ্ঞতা ও তাদের ব্যক্তিগত জীবনে ধর্ম কিভাবে প্রভাব ফেলেছে এসব নিয়ে আলোচনা করতো। প্রতি সপ্তাহে একদিন বিভিন্ন ধর্মের পন্ডিত ব্যক্তিদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম। ক্লাস টা হতো ওয়ার্কসপ মডেলে। ছাত্র/ ছাত্রীদের কে ডাইরি দিয়েছিলাম যে কোন ভালো কাজ করলে বা খারাপ কাজ করলে তা যেন ডাইরিতে লিখে রাখে। শুক্রবার বিকালবেলা তারা নিজেরাই পর্যালোচনা করতো এবং পরবর্তী সপ্তাহের জন্য একশন প্ল্যান তৈরি করতো।

তিন মাস পর যখন আমরা প্রথম মনিটরিং রিপোর্ট তৈরি করি, তখন বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমাদের কে ঐ ফাইন্ডিংস প্রেজেন্ট করার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়। আমি সেই প্রেজেন্টেশনে ক্লাস ফোরের দুইজন ছাত্র ও দুইজন ছাত্রী কে নিয়ে গিয়েছিলাম। ওরা নিজেদের অভিজ্ঞতা এত সুন্দরভাবে বর্ণনা করেছিল যে ডিপার্টমেন্ট এর চেয়ারম্যান তাদেরকে ডিপার্টমেন্টের প্যাডে চিঠি লিখে অভিনন্দন জানিয়েছিল। এক বছরের মধ্যে আমাদের স্কুল বার্মিংহামের টপ ৫০ এ চলে আসে। ২০০৮ সালে আমাদের স্কুল টপ থ্রি তে ছিল। ধর্ম শিক্ষা কিভাবে ছাত্র/ছাত্রীদের সার্বিক এচিভমেন্ট এ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে, তা আমাদের গবেষণা থেকে প্রমানিত হয়। আজ পেপারে দেখলাম আমেরিকার সুপ্রিম কোর্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অফিসে মুসলমানদের জামাতে নামাজ পড়ার অনুমতি দিয়েছে। ইংল্যান্ডের শিক্ষা ও সামাজিক ব্যবস্থায় অনেক দিন থেকেই বেক টু দ্যা বেসিক্স এর কথা আলোচনা হচ্ছে যা তে ধর্মের একটি বড় প্রভাব রয়েছে।

বর্তমান টিকটক প্রজন্ম যেভাবে বেড়ে উঠছে, তা তে সংকিত না হয়ে উপায় নাই। আমাদের বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় আমরা একটি নৈতিকতা বিবর্জিত প্রজন্ম উপহার দিচ্ছি। কভিড এর কারণে দেশে শিক্ষা ব্যবস্থার অনেক ক্ষতি হয়েছে। ধর্ম শিক্ষাকে বাদ দিয়ে বা সংকুচিত করে সেক্যুলার শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করে আমরা হয়ত একটি হাইব্রিড প্রজন্ম উপহার দিতে পারবো, কিন্তু এদের দিয়ে দেশ ও জাতির উন্নয়ন কোন ভাবেই সম্ভব হবে না। এটা গবেষণায় প্রমানিত।

আমাদের সন্মানিত শিক্ষা মন্ত্রী ইংল্যান্ডে পড়ালেখা করেছেন। ওনার উদ্যেশ্যে বলতে চাই গত কয়েক বছর যাবত পুরা ইংল্যান্ডে টপ পারফর্মার হিসাবে কয়েক টি মাদ্রাসা স্থান করে নিচ্ছে। এইসব মাদ্রাসা থেকে অনেকেই অক্সফোর্ড ও ক্যাম্ব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে চাঞ্চ পাচ্ছে। কারনটা সহজেই অনুমেয়। উন্নত বিশ্ব যেখানে ধর্ম শিক্ষাকে প্রায়োরিটি দিচ্ছে, সেখানে আমরা কেন উলটা পথে হাঁটছি? আসুন সময় থাকতে আমরা শিক্ষা ব্যবস্থায় ধর্মীয় শিক্ষার গুরুত্ব উপলব্ধি করি এবং দেশকে একটি সুস্থ ভবিষ্যত প্রজন্ম উপহার দেই।

সবচেয়ে দূর্ভাগাজনক বিষয় হল শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে ধর্ম শিক্ষা সংকুচিত করা। আগে প্রতিটি ক্লাসে বাংলায় ইসলাম ও অন্যান্য ধর্মের কয়েকটি প্রবন্ধ অন্তর্ভুক্ত ছিল। সেগুলো যদি এখনো থাকে, তবে প্রসংশনীয়। আর যদি সেগুলো বাদ দেয়া হয়, তবে নিঃসন্দেহে উদ্বেগজনক। যেখানে উন্নত বিশ্বে ধর্ম শিক্ষাকে প্রাধান্য দিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে, সেখানে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় ধর্ম শিক্ষার সংকোচন দূর্ভাগ্যজনক।

লেখক পরিচিতি:
প্রফেসর মোহাম্মদ মোস্তফা
(উনার নিজ ভাষায় উনার সংক্ষিপ্ত পরিচয়-------
"আমি নিজে একজন শিক্ষাবিদ। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ডে ১৬ বছরের শিক্ষকতার বাইরেও ইংল্যান্ডের শিক্ষানীতি নিয়ে আমার দীর্ঘ ছয় বছরের গবেষণার অভিজ্ঞতা রয়েছে বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে। আমি বার্মিংহামের ওল্ড নো জুনিয়র স্কুলে গভর্ণর ছিলাম দীর্ঘ বারো বছর। কারিকুলাম কমিটির সভাপতি ছিলাম দীর্ঘ আট বছর। কো-চেয়ার ছিলাম দীর্ঘ চার বছর। আমার গবেষণার ফলাফলের উপর ভিত্তি করে ২০০৪-০৫ সালে বার্মিংহাম সিটি কাউন্সিল ইথনিক মাইনোরিটি এডুকেশন পলিসিতে অনেক পরিবর্তন আনে। আমি জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে অনেক পুরষ্কার পাই। বিবিসিতে প্রায় ছয় মিনিট আমার লাইভ স্বাক্ষাতকার প্রকাশ করে। আমার গবেষণার উপর অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র মাস্টার্স এর ডিজার্টেশন করে এবং সে ডিস্টিংশন পায়। আমাকে কুইন কর্তৃক MBE খেতাব দেয়ার জন্য স্কুল থেকে প্রস্তাব দিতে চেয়েছিল। আমি রাজি হই নি। সেটার কারণ অন্য সময় বলবো।"

29/01/2022

NTRCA সুপারিশপ্রাপ্ত সবার জন্য।

NTRCA নতুন শিক্ষকদের নতুন এমপিওভূক্তি/ পুরাতনদের ইনডেক্স ট্রান্সপার/নিয়োগপত্র পাওয়ার আবেদনের নমুনাসহ আরো বিস্তারিত, পুরোটাই পড়বেন -

1. Institute Head Forwarding
প্রতিষ্ঠান প্রধানের আবেদন। আবেদনের মূল অংশ এটিই। উপ-পরিচালক বরাবর প্রতিষ্ঠান প্রধান সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের এমপিও ভূক্তির জন্য আবেদন করবেন। প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব প্যাডে এই আবেদনপত্র লিখতে হবে এবং নীচে বাম দিকে প্রধান শিক্ষকের সীল, স্বাক্ষর এবং তারিখ থাকবে। ডান দিকে প্রতিষ্ঠানের সভাপতির সীল এবং স্বাক্ষর দিতে হবে।
2. Filled up Applicants information form
এই ফরমটি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের এমপিও সার্ভার থেকেই ডাউনলোড করা যায়। ফরমটি অনেক বড়। এতে শিক্ষকের ব্যক্তিগত তথ্য, একাডেমিক তথ্য, প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত তথ্যসহ অনেক কিছু ফিলাপ করতে হয়। তবে ফরমের প্রথম তিনটি পাতা দিলেই চলে। বাকী পৃষ্ঠাগুলোতে বিভিন্ন তথ্যের নমুনা দেয়া থাকে যেগুলো না দিলেও হয়। ফরমের নির্ধারিত জায়গায় প্রতিষ্ঠান প্রধান এবং সভাপতির সীলসহ স্বাক্ষর দিতে হবে। প্রার্থীর নিজেরও স্বাক্ষর করতে হবে এই ফরমে।
3. Academic Certificate SSC/Equivalent (Original)
এখানে আপনার এসএসসি/দাখিল/ইকুইভ্যালেন্ট পাশ সনদের মূল কপি স্ক্যান করে দিতে হবে। ফটোকপি গ্রহণযোগ্য হবে না। সত্যায়িত করে দিলেও তা গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখবেন, এমপিও আবেদনে যে কোন প্রকার সার্টিফিকেট ফটোকপি বা অস্পষ্ট দিলে আবেদন গ্রহণ করবে না।
4. Academic Certificate HSC/Equivalent (Original)
এখানে আপনার এইচএসসি পাশ/ইকুইভ্যালেন্ট বা সমমান পাশের সার্টিফিকেটের মূল কপি স্ক্যান করে দিতে হবে।
5. Academic Certificate BA/Equivalent (Original)
এখানে আপনার বিএ পাশ/ইকুইভ্যালেন্ট বা সমমান ডিগ্রীর সার্টিফিকেটের মূল কপি স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।
6. Academic Certificate MA/Equivalent (Original)
এখানে আপনার এমএ পাশ/ইকুইভ্যালেন্ট বা সমমান ডিগ্রীর সার্টিফিকেটের মূল কপি স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।
7. Academic Certificate Others (Original)
আদার্স সার্টিফিকেট বলতে উল্লেখিত একাডেমিক সার্টিফিকেট ছাড়াও যদি অন্য কোন ট্রেইনিং বা ট্রেডের সার্টিফিকেট থাকে তবে সেগুলো আদার্স অপশনে আপলোড করতে হবে।
8. B.Ed Certificate (Original)
আপনি যদি বিএড ডিগ্রী অর্জন করে থাকেন তবে এখানে বিএড সার্টিফিকেটের মূল কপি স্ক্যান করে দিতে হবে।
9. NTRCA (Original)
আপনি যদি নিবন্ধনধারী শিক্ষক হন তবে এখানে আপনার এনটিআরসিএ কর্তৃক প্রদত্ত নিবন্ধন সনদের মূল কপি স্ক্যান করে দিতে হবে।
10. Mark Sheet of Bachelor Degree Exam
এখানে আপনার ব্যাচেলর ডিগ্রী বা অনার্সের সার্টিফিকেটের মূল কপি স্ক্যান করে দিতে হবে।
11. Appoinment Letter (Original)
আপনার নিয়োগপত্রের অরিজিনাল কপি স্ক্যান করে দিতে হবে। ফটোকপি গ্রহণযোগ্য নয়।
12. Joining Letter (Original)
আপনার যোগদানপত্রের অরিজিনাল কপি স্ক্যান করে দিতে হবে। ফটোকপি গ্রহণযোগ্য নয়।
13. Bank Account Slip & Certificate
যে ব্যাংকে আপনার হিসাব খোলা হয়েছে সেই ব্যাংক কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যয়নপত্র এবং সাথে টাকা জমা দেওয়ার রশিদ। সাধারণত যে ব্যাংক থেকে প্রতিষ্ঠানের মাসিক বেতনের টাকা উত্তোলন করা হয় সেই ব্যাংকের নির্ধারিত শাখায় যোগাযোগ করলে এই ব্যাংক সনদটি পাওয়া যাবে। অরিজিনাল ব্যাংক সনদের সাথে অবশ্যই টাকা জমা দেওয়ার স্লিপের মূল কপি স্ক্যান করে দিতে ভূলবেন না। এ ক্ষেত্রে ফটোকপি গ্রহণযোগ্য নয়।
14. No. Of Student of Related Subject/ Religion
প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীর তালিকা। অর্থাৎ কোন শ্রেণীতে এবং কোন বিভাগ/গ্রুপে কত জন ছাত্র-ছাত্রী বর্তমানে অধ্যয়নরত আছে তার একটি তালিকা প্রতিষ্ঠানের প্যাডে লিখে দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে হাতের লেখার চেয়ে কম্পিউটারে কম্পোজ করে দেওয়ায় ভালো। তালিকার নীচের অবশ্যই প্রতিষ্ঠান প্রধানের সীলসহ স্বাক্ষর থাকতে হবে।
15. Library Particulars
প্রতিষ্ঠানের লাইব্রেরী সংক্রান্ত তথ্য। লাইব্রেরীতে কোন কোন বিষয়ের কতগুলো পূস্তক মওজুদ আছে এবং কি কি সুবিধা বিদ্যমান তা উল্লেখ করে প্রতিষ্ঠানের প্যাডে প্রতিষ্ঠান প্রধানের সীলসহ স্বাক্ষর করে লাইব্রেরী পার্টিকিউলার্স তৈরি করতে হবে। যদি আপনার প্রতিষ্ঠানে লাইব্রেরী না থাকে তবে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। এবং লাইব্রেরী সংক্রান্ত তথ্যাদি জানা না থাকলে বা ঝামেলা হলে- প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব প্যাডে প্রতিষ্ঠানের নাম ঠিকানা উল্লেখ পূর্বক প্রতিষ্ঠানে যে একটি লাইব্রেরী আছে সেটা উল্লেখ করে প্রত্যয়ন পত্র দিলেও চলবে।
16. Laboratory Particulars
এটাও লাইব্রেরী পার্টিকিউলার্স-এর মতোই। আপনার প্রতিষ্ঠানে যদি বিজ্ঞানাগার বা ল্যাবরেটরী থাকে তবে আপনার জন্য ল্যাবরেটরী পার্টিকিউলার্স প্রয়োজ্য হবে, আর না থাকলে দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
17. Teacher-staff Statement
বর্তমানে প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্যাটার্ন বা তালিকা। এমপিও ভূক্ত কিংবা নন-এমপিও ভূক্ত সকল শিক্ষক-কর্মচারীগণের নাম এই প্যাটার্নে থাকতে হবে। এবং যে এমপিও প্রার্থী তার নামের পার্শ্বে মন্তব্যের ঘরে ‘আবেদিত’ কথাটি লিখে দিলে ভালো হয়।
18. Resignation/Death Certificate/Clearance
পদত্যাগপত্র অথবা মৃত্যু সনদ অথবা ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট। এখানে তিনটা সার্টিফিকেটের কথা বলা হয়েছে। কোনটা কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য তা ভালোভাবে খেয়াল করুন।
আপনি যে পদে এমপিও ভূক্তির জন্য আবেদন করছেন, সেই পদে যদি পূর্বে কোন শিক্ষক/কর্মচারী কর্মরত থেকে থাকেন তবে তিনি চাকুরীতে নেই কেন? তিনি কি পদত্যাগ করেছেন নাকি মৃত্যুবরণ করেছেন নাকি অন্য কোন কারণে চাকুরীতে নেই সে সম্পর্কে একটি সার্টিফিকেট প্রদান করতে হবে। আপনার ক্ষেত্রে কোনটা প্রযোজ্য হবে?
আপনার পূর্বের শিক্ষক যদি পদত্যাগ করে থাকেন তবে ওনার পদত্যাগপত্রটি স্ক্যান করে দিতে হবে। আর যদি পূর্বের শিক্ষক/কর্মচারী মৃত্যুবরণ করে থাকেন তবে ওনার মৃত্যু সনদ স্ক্যান করে দিতে হবে। এবং যদি পূর্বের শিক্ষক/কর্মচারীর চাকুরীর মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়ে থাকে অর্থাৎ ষাট বছর পূর্তিতে চাকুরী হতে অব্যাহতি গ্রহণ বা অন্য কোন কারণে চাকুরি ছেড়ে দিয়ে থাকেন সেই ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে একটি ক্লিয়ারেন্স দিতে হবে যে পূর্বের শিক্ষকের চাকুরীর মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় বা চাকুরি ছেড়ে দেওয়ায় তিনি এখন আর কর্মরত নেই এবং তার পরিবর্তে নতুন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং উক্ত শিক্ষকের এমপিও ভূক্তির জন্য আবেদন জানাচ্ছি।
আর যদি পদটি সৃষ্টপদ হয় অর্থাৎ আগে এই বিষয়টি প্রতিষ্ঠানে ছিল না কিংবা নতুন একটি বিষয় প্রতিষ্ঠানে খোলা হয়েছে এবং সেই বিষয়ে আপনাকে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। তবে সেই ক্ষেত্রেও প্রতিষ্ঠান প্রধানকে বিষয়টি উল্লেখপুর্বক একটি ক্লিয়ারেন্স দিতে হবে।
19. Non drawal Bank Certificate (Original)
আপনি যে পদে নিয়োগ পেয়েছেন সেই পদে পূর্বে যে শিক্ষক কর্মরত ছিল তার ব্যাংক সার্টিফিকেট/প্রত্যয়নপত্র। এটি যে ব্যাংক থেকে প্রতিষ্ঠানের বেতন-ভাতাদি উত্তোলন করা হয় সেই ব্যাংকের নির্দিষ্ট শাখায় যোগাযোগ করলেই পেয়ে যাবেন।
20. Last Recognition of Institute
প্রতিষ্ঠানের সর্বশেষ স্বীকৃতি অনুমোদনের কপি। অর্থাৎ বোর্ড কর্তৃক প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি অনুমোদনের যে পত্রটি দেয়া হয়েছে তার অরিজিনাল কপি স্ক্যান করে আপলোড দিতে হবে। কোন কারণ বশতঃ অরিজিনাল কপি পাওয়া না গেলে ফটোকপি সত্যায়িত করে দিলেই চলবে।
এখানে উল্লেখ্য যে, আপনার প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতির মেয়াদ যদি শেষ হয়ে গিয়ে থাকে তবে স্বীকৃতি নবায়নের জন্য যে আবেদন করা হয়েছে সেই আবেদনের কপি এবং সেই সাথে আবেদনের ফি জমাদানের রশিদের মূলকপি স্ক্যান করে সংযুক্ত করতে হবে। এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়, কারণ প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতির মেয়াদ না থাকলে এমপিও আবেদন মঞ্জুর হবে না।
21. Approval of Present SMC/GB/MMC
প্রতিষ্ঠানের সর্বশেষ অনুমোদিত কমিটি অনুমোদনের কপি। অর্থাৎ বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটি অনুমোদনের যে পত্র দেয়া হয়েছে সেটির অরিজিনাল কপি সংযুক্ত করতে হবে। মূল কপি পাওয়া না গেলে ফটোকপি সত্যায়িত করে দিলেও চলবে। মনে রাখবেন, প্রতিষ্ঠানে যদি কমিটির অনুমোদন না থাকে তবে এমপিও পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।
22. Location Certificate (Where Necessary)
অবস্থানগত সনদপত্র। আপনার প্রতিষ্ঠানটি যে এলাকায় অবস্থিত সাধারণ সেই এলাকার ওয়ার্ড কমিশনার/কাউন্সিলর/মেম্বার কর্তৃক এটি দেয়া হয়ে থাকে। এটিতে প্রতিষ্ঠানের নাম, যে স্থানে অবস্থি সেই স্থানের ঠিকানা উল্লেখ থাকে এবং সব শেষে নীচে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সীলসহ স্বাক্ষর দেয়া থাকে। আপনার প্রতিষ্ঠানে যদি লোকেশন সার্টিফিকেট না থাকে তবে স্থানীয় মেম্বার/কমিশনা/কাউন্সিলর-এর নিকট থেকে এটি সংগ্রহ করুন।
23. Resolution of SMC/GB/MMC
প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি কর্তৃক অনুষ্ঠিত রিজুলেশন/আলোচনা সভার বিবরণী। সাধারণত একটি প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। সেই সভার আলোচ্য বিষয়াদি এবং সিদ্ধান্ত সমূহ রেজুলেশন খাতায় লিপিবদ্ধ করা হয় এবং তা প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষিত থাকে। এমপিও আবেদনে এই রেজুলেশন একটি গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট। সঠিক রেজুলেশন ছাড়া এমপিও পাওয়া অসম্ভব।নতুন এমপিও ভূক্তির আবেদনে সাধারণত পাঁচটি রেজুলেশনের প্রয়োজন হয়। সেগুলোর তালিকা বিশ্লেষণসহ নীচে দেওয়া হলো।
(ক) শূণ্যপদ ঘোষণা এবং নিয়োগ এনটিআরসিএ তে চাহিদা প্রদান সংক্রান্ত রেজুলেশন
আপনি যে পদে নিয়োগ পেয়েছেন। সেই পদটি যদি শূণ্যপদ হয় অর্থাৎ আপনার আগে কেউ উক্ত পদে কর্মরত থেকে থাকেন তবে আপনার জন্য শূণ্যপদের রেজুলেশন প্রয়োজন হবে। কেননা, এটা দিয়ে আপনাকে প্রমাণ করতে হবে যে, আগে যিনি ছিলেন তিনি এখন আর কর্মরত নেই এবং তার পদটি শূণ্য। আর এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজমেন্ট কমিটির সিদ্ধান্ত এবং অনুমোদন রয়েছে। সাধারণত কোন পদ শূণ্য হলে সেই পদে শিক্ষক নিয়োগকল্পে এনটিআরসিএ তে চাহিদা প্রদান করতে হয়। এই বিষয়টিও রেজুলেশন খাতায় লেখা থাকে। সুতরাং নতুন এমপিওর আবেদনে শূণ্যপদ এবং এনটিআরসিএ তে শিক্ষক নিয়োগ এর জন্য চাহিদা দেওয়ার রেজুলেশন অবশ্যই দিতে হবে।

(খ) নিয়োগ অনুমোদন সংক্রান্ত রেজুলেশন
প্রতিষ্ঠানে কোন শিক্ষক/কর্মচারী নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যখন সমস্ত কাজ সম্পন্ন হয় এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষক/কর্মচারীকে নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয় তখন তাঁর নিয়োগ ম্যানেজিং কমিটি কর্তৃক অনুমোদন করতে হয়। এটাই নিয়োগ অনুমোদন রেজুলেশন।

(গ) যোগদান অনুমোদন সংক্রান্ত রেজুলেশন
নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সমস্ত কাজ শেষে যখন সংশ্লিষ্ট শিক্ষক/কর্মচারী নিজ পদে যোগদান করে তখন আবারও ম্যানেজিং কমিটি কর্তৃক তাঁর যোগদান অনুমোদন করতে হয়। এটাকেই বলে যোগদান অনুমোদন রেজুলেশন।
উপরোক্ত রেজুলেশনগুলা ছাড়া নতুন এমপিও আবেদন কোনভাবেই এক্সেপ্ট হবে না। তাই আবেদন করার আগে রেজুলেশনগুলো সংগ্রহ করে তবেই আবেদন সম্পন্ন করুন। অন্যথায় আবেদন রিজেক্ট হবে। উল্লেখ্য যে, রেজুলেশন গুলো মূল খাতা থেকে স্ক্যান করে দেওয়ার চেষ্টা করবেন। কিন্তু কোন কারণে মূল খাতা সংগ্রহ করতে ঝামেলা হলে ফটোকপি সত্যায়িত করে দিলেই চলবে।
24. Original News Paper
এনটিআরসিএ কর্তৃক শিক্ষক/কর্মচারী নিয়োগের জন্য যে পত্রিকায় গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল সেই পত্রিকার মূল কপি স্ক্যান করে দিতে হবে। উল্লেখ্য যে, ফটোকপি গ্রহণযোগ্য নয়। তবে কোন ক্ষেত্রবিশেষ যদি অরিজিনাল কপি না পাওয়া যায় তাহলে ফটোকপি সত্যায়িত করে দিলে হবে।
25. First MPO Copy
এটা হলো ডিজি কর্তৃক প্রদত্ত মাসিক স্যালারি শীট। এমপিও ভূক্ত শিক্ষকগণের নামের তালিকা সংবলিত এই শীটটি প্রতিষ্ঠানেই সংরক্ষিত থাকে। প্রতিষ্ঠান প্রধান বা কেরানিকে বললেই পেয়ে যাবেন।
26. Last MPO Copy
এটা হলো ডিজি প্রদত্ত মাসিক সর্বশেষ স্যালারি শীট। এমপিও ভূক্ত শিক্ষকগণের নামের তালিকা সংবলিত বর্তমানে অন লাইনে পাওয়া যায়। এটাও সাধারণত প্রতিষ্ঠানেই সংরক্ষিত থাকে। প্রতিষ্ঠান প্রধান বা কেরানিকে বললেই পেয়ে যাবেন।
27. E-Requisition paper-Application Copy-Result-yes-no status
এই অপশনে E-Requisition paper,Application Copy,Result, yes-no status সহ অন্যান্য ডকুমেন্ট একত্রে পিডিএফ করে দিতে হবে।
28. Recommendation Letter of NTRCA
এনটিআরসি কর্তৃক সুপারিশকৃত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে এনটিআরসি অফিস হতে নিয়োগের জন্য সুপারিশপত্র। যা প্রত্যেক প্রার্থী যার যার এপ্লিকেশন আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে এনটিআরসি এর ওয়েব সাইট হতে ডাউনলোড করে নিতে হবে।
29. Last Recognition of Institute
প্রতিষ্ঠানের সর্বশেষ স্বীকৃতি অনুমোদনের কপি। অর্থাৎ বোর্ড কর্তৃক প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি অনুমোদনের যে পত্রটি দেয়া হয়েছে তার অরিজিনাল কপি স্ক্যান করে আপলোড দিতে হবে। কোন কারণ বশতঃ অরিজিনাল কপি পাওয়া না গেলে ফটোকপি সত্যায়িত করে দিলেই চলবে।
এখানে উল্লেখ্য যে, আপনার প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতির মেয়াদ যদি শেষ হয়ে গিয়ে থাকে তবে স্বীকৃতি নবায়নের জন্য যে আবেদন করা হয়েছে সেই আবেদনের কপি এবং সেই সাথে আবেদনের ফি জমাদানের রশিদের মূলকপি স্ক্যান করে সংযুক্ত করতে হবে। এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়, কারণ প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতির মেয়াদ না থাকলে এমপিও আবেদন মঞ্জুর হবে না।
30. Subject Approval/Section opening Letter (Original)
আপনি প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ পেয়েছেন সেই প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিষয়/বিভাগ বা শাখা খোলার অনুমোদনের কপি সংযুক্ত করতে হবে। কোন প্রতিষ্ঠানে যখন নতুন কোন বিষয় বা শাখা খোলা হয় তখন বোর্ড থেকে অনুমোদন আনতে হয়। এমপিও আবেদনে সেইসব বিষয় বা শাখা অনুমোদনের কপি সংযুক্ত করতে হবে। অরিজিনাল পাওয়া না গেলে ফটোকপি সত্যায়িত করে দিলেও চলবে।
31. Class wise student Information
প্রতি ক্লাসে শাখা উল্লেখ পূর্বক কত জন ছাত্র-ছাত্রী আছে তার তালিকা।

32. Other Documents
উপরোক্ত ডকুমেন্ট ছাড়াও যদি আপনার এমপিও আবেদনে অন্য কোন ডকুমেন্টস প্রয়োজন হয়, তাহলে এই অপশনে আপলোড করতে হবে।

#ট্রান্সফার_এমপিও ------

Ø মাউশি থেকে মাউশি
কোন শিক্ষক মাউশি অধিদপ্তরের কোন প্রতিষ্ঠান হতে মাউশি এর অধীনে অন্য কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যোগদান করলে প্রথমে পূর্বের প্রতিষ্ঠান হতে অন লাইনে রিলিজ নিতে হবে তার পর ট্রান্সফার এমপিও এর জন্য আবেদন করতে হবে।
Ø মাদ্রসা থেকে মাউশি
কোন শিক্ষক মাদ্রাসা অধিদপ্তরের কোন প্রতিষ্ঠান হতে মাউশি এর অধীনে অন্য কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যোগদান করলে দুই টি পদ্ধতিতে ট্রান্সফার এমপিও এর জন্য আবেদন করা যায়।
ক) মাদ্রাসার যে সকল শিক্ষকের ইনডেক্স
EMIS এবং MEMIS আলাদা হওয়ার পূর্বের অর্থাৎ যাদের ইনডেক্স EMIS সার্ভারে এখও আছে তারা সরাসরি ট্রান্সফার এমপিও এর জন্য আবেদন করতে পারবে।
খ) যাদের ইনডেক্স MEMIS এর অধীনে হয়েছে তারা মাউশি এর অধীনে যোগদানের পর মাউশির নির্দেশনা মোতাবেক প্রথমে EMIS সাভারে MEMIS এর অধীনে যে ইনডেক্স হয়েছে, সেই ইনডেক্স EMIS এর সাভারে আপডেট করার পর ট্রান্সফার এমপিও এর জন্য আবেদন করতে হবে।
Ø কারিগরি থেকে মাউশি
কারিগরি অধিদপ্তরের কোন শিক্ষক মাউশি এর অধীনে কোন প্রতিষ্ঠানে যোগদান করলে প্রথমে EMIS সাভারে কারিগরি অধিদপ্তরের অধীনে যে ইনডেক্স হয়েছে, সেই ইনডেক্স EMIS এর সাভারে মাউশি এর নির্দেশনা অনুসারে আপডেট করার পর ট্রান্সফার এমপিও এর জন্য আবেদন করতে হবে।
Ø মাউশি-কারিগরি থেকে মাদ্রাসা
মাউশি বা কারিগরি হতে মাদ্রাসা ডিজির অধীনে কোন প্রতিষ্ঠানে যোগদান করলে সেই শিক্ষকদের বিষয়ে এখনও ট্রান্সফার এমপিও সিস্টেম চালু করা হয়নি। এ বিষয়ে মাদ্রাসা ডিজিতে যোগাযোগ করা যেতে পারে।
Ø মাউশি- মাদ্রাসা থেকে কারিগরি
মাউশি বা মাদ্রাসা হতে কারিগরি ডিজির অধীনে কোন প্রতিষ্ঠানে যোগদান করলে তার পূর্বের ইনডেক্স ও অভিজ্ঞতা বজায় থাকবে। তবে কারিগরি ডিজির আবেদন অফ লাইনে করতে হবে।
ট্রান্সফার এমপিও এর জন্য পূর্বের প্রতিষ্ঠান হতে যে সকল ডকুমেন্ট আনতে হবে।
1)ছাড়পত্র
2) নন ড্রয়াল সনদ
3) শিক্ষকের প্রথম এমপিও কপি
4) শিক্ষকের শেষ এমপিও কপি।
5) অভিজ্ঞতা সনদ, ছাড়পত্র ও অভিজ্ঞতা সনদের রেজুলেশন।

যারা NTRCA কর্তৃক সিলেক্টেড হয়েছেন তারা নিয়োগ পত্র প্রাপ্তির আবেদন জানিয়ে নিচের ফরমেটে লিখতে পারেন।

তারিখঃ
বরাবর
প্রধান শিক্ষক /অধ্যক্ষ
---------------
-----------------
বিষয়ঃ নিয়োগ পত্র প্রাপ্তির জন্য আবেদন।

জনাব,
সবিনয় নিবেদন এই যে, আপনার প্রদত্ত চাহিদার প্রেক্ষিতে আমি আপনার বিদ্যালয়ে এন টি আর সি এ কর্তৃক সহকারী শিক্ষক (বিষয়ের নাম) হিসেবে সিলেক্ট হয়েছি। আমার ব্যাচ ---- রোল নং -------.
অতএব মহোদয় সমীপে আবেদন আমাকে উক্ত পদে নিয়োগ পত্র প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আপনার যেন একান্ত মর্জি হয়।

বিনীত
আপনার বিশ্বস্থ
(প্রার্থীর স্বাক্ষর ও নাম)
মোবাইল : ০১৭০০০০০০

♦আবেদনের সাথে প্রার্থীর করণীয় :
#নিয়োগের জন্য প্রধান শিক্ষকের কাজে জমা দিন।
ক) রিকমেন্ডেশন লেটার(সুপারিশ পত্র)। NTRCA ঠিকানা হতে গৃহীত প্রিন্ট কপি।
খ) NTRCA-তে চাকুরির জন্য আবেদনের প্রিন্ট কপি।
গ) ভোটার আইডি কার্ডের সত্যায়িত ফটোকপি।
ঘ) চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট এর সত্যায়িত ফটোকপি।
ঙ) এসএসসি. এইচএসসি ও ডিগ্রি/অনার্সের সনদের সত্যায়িত ফটোকপি।
চ) পাসপোর্ট সাইজ ছবি ৩ কপি।
ছ) এস এম এস প্রিন্ট কপি।
জ) এনটিআরসিএ কতৃক প্রাপ্ত নিবন্ধন সার্টিফিকেট।

♦প্রতিষ্ঠান প্রধান যা করবেন:
প্রার্থীর আবেদন পেয়ে প্রতিষ্ঠান প্রধান, সুপারিশপত্র নিয়ে কমিটি সমন্বয় সকল সনদ ও সুপারিশ পর্যালোচনা করে রেজুলেশন করবেন এবং
প্রার্থীর নামে নিয়োগপত্র ইস্যু করবেন। নিয়োগ পত্র প্রার্থীকে সরাসরি বা ডাকযোগে পাঠাতে পারেন।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

♦প্রার্থী নিয়োগ পত্র পেয়ে যা করবেন।
দুই কপি যোগদান পত্র লিখবেন- যার এক কপি প্রতিষ্ঠান প্রধান রেখে দিবেন- আর এক কপির উপর প্রতিষ্ঠান প্রধান “ তার সিল ও স্বাক্ষর দিয়ে যোগদান পত্র "গ্রহণ করা হল" লিখে দিয়ে আপনাকে ফেরত দিবেন।
#যোগদান_পত্রের_নমুনাঃ
তারিখঃ ০০/০২/২০১৯ খ্রিঃ
প্রধান শিক্ষক
কে. এস. পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়
গ্রামঃ সাগরদী,পোঃ কাফিলাতলী, রায়পুর,লক্ষ্মীপুর ।

বিষয়ঃ সহকারী শিক্ষক (বিষয়) পদে যোগদান প্রসঙ্গে।
জনাব,
যথাযথ সম্মান প্রদর্শন পূর্বক নিবেদন এই যে, আমি নিম্ন স্বাক্ষরকারী ০০/০২/২০১৯ খ্রিঃ তারিখে আপনার প্রতিষ্ঠানে সহকারী শিক্ষক (বাংলা) পদে নিয়োগের জন্য এনটিআরসিএ কর্তৃক সুপারিশ পেয়ে, বিগত ০০/০২/২০১৯ খ্রীঃ তারিখে আপনার প্রদত্ত নিয়োগপত্র মর্মে (সূত্রঃ নিয়োগ-সহঃশিঃ-দাউবি/১৯ ও তারিখঃ ০০/০২/২০১৯ খ্রিঃ) আজ ০০/০২/২০১৯ খ্রীঃ তারিখ পূর্বাহ্নে সহকারি শিক্ষক (বিষয়) পদে যোগদান করিলাম।
সে মতে মহোদয়ের সমীপে প্রার্থনা আমার যোগদান পত্র গ্রহণ পূর্বক পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে জনাবের মর্জি হয়।

বিনীত
আপনার বিশ্বস্থ
(প্রার্থীর স্বাক্ষর ও নাম)
মোবাইল: ০১৭০০০০০০
এই তালিকা হতে কোন বিষয়ে না বুঝলে আমার ইনবক্সে লিখতে পারেন। আমার জানার মধ্যে চেষ্টা করবো সহায়তা করার জন্য ইনশাহ আল্লাহ।

সমপদে যারা নতুন স্কুল,কলেজ ও মাদ্রাসায় সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন তাদের এমপিওভুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র।

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট বদলি/পুন: নিয়োগ/এবতেদায়ী প্রধান গ্রেড এর জন্য
• ১. আবেদন (প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব প্যাডে বিস্তারিত এবং সভাপতি প্রতিষ্ঠান প্রধানের ফোন নম্বর/মোবাইল নম্বর উল্লেখসহ প্রেরণ করতে হবে)
• ২. শিক্ষক কর্মচারীর তালিকা (পদবী, যোগ্যতা, যোগদান, এমপিওর তারিখ উল্লেখসহ)
• ৩. শিক্ষার্থীর সংখ্যা সংক্রান্ত টর্টলিস্ট (শিক্ষাবোর্ড/বিশ্ববিদ্যালয় প্রদত্ত প্রিন্ট আউট কপি eSIF)
• ৪. শিক্ষাগত যোগ্যতার সকল সনদ ও নম্বর পত্র মূল কপি
• ৫. NTRCA নিবন্ধন সনদ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ সনদপত্র সহ)
• ৬. পেশাগত ও অভিজ্ঞতা সনদ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)
• ৭. ডিজি/বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি মনোনয়নের পত্রের কপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)
• ৮. সর্বশেষ অর্জিত ডিগ্রির নম্বর পত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)
• ৯. নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি পত্রিকার সকল কপি (এনটিআরসিএ এর গণবিজ্ঞপ্তি)
• ১০. নিয়োগ পত্র ও যোগদান পত্র
• ১১. আবেদন কারীর প্রথম ও সর্বশেষ এমপিও কপি
• ১২. নিয়োগ পরিক্ষার মূল্যায়ন পত্র (নম্বর পত্র)
• ১৩. নিয়োগ ও যোগদান অনুমোদনের রেজুলেশন
• ১৪. সর্বশেষ গর্ভনিং বডির/ম্যানেজিং কমিটির (নিয়মিত) কপি
• ১৫. গ্রন্থাগার সংক্রান্ত তথ্য (সহকারী গ্রন্থগারিকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য)
• ১৬. বিজ্ঞানাগার সংক্রান্ত তথ্য (প্রদর্শকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য)
• ১৭. প্রতিষ্ঠানের প্রথম ও সর্বশেষ এমপিও কপি
• ১৮. সর্বশেষ বেতন বিলের কপি
• ১৯. সর্বশেষ স্বীকৃতি ও অধিভুক্তি পত্রের কপি
• ২০. ব্যাংক হিসাব খোলার ব্যাংক সনদ ও জমা রশিদের মূল কপি
• ২১. ব্যাংক নন-ড্রয়াল সনদ
• ২২. শাখা খোলার অনুমতি পত্র (অনুমোদন থাকলে)
• ২৩. পূর্ব প্রতিষ্ঠানের ছাড়পত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)
• ২৪. প্রতিষ্ঠানের অবস্থান সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র (পৌরসভার চেয়ারম্যান/ইউএনও/ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কর্তৃক পদত্ত মূল কপি) - সংগৃহীত

ধন্যবাদ।

01/01/2022

Happy New Year 2022

16/12/2021

মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা ও সেই সাথে সকল শহীদদের প্রতি রইলো বিনম্র শ্রদ্ধা।

05/12/2021

আমরা কি মানুষ হবো না ? এই নির্মমতার সমাপ্তি কোথায় ??

এবার ছাত্র নামধারী কুলাঙ্গারদের নির্যাতনের শিকার হয়ে স্বাধের দুনিয়াকে গুডবাই জানালেন কুয়েট শিক্ষক ও প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. সেলিম হোসেন।

মেধাবী শিক্ষাগুরুর এভাবে বিদায় নেওয়াটা নিঃসন্দেহে মর্মান্তিক এবং চরম লজ্জার। বুদ্ধিজীবীদের হত্যার অপরাধে আজও আমরা পাকিদেরকে গালি দেই, ভর্ৎসনা করি। কিন্তু স্বাধীন বাংলাদেশে এখনো এমন জঘন্য, নির্মম, পৈশাচিক ঘটনা ঘটলে লজ্জায় মুখ লুকানোর আশ্রয় পাই না। একজন শিক্ষক তারই ছাত্রদের হাতে অপদস্ত হয়ে দুনিয়া ছেড়ে বিদায় নিবেন!! চোখের লোনা পানি ছেড়ে মনিবের দরবারে আর্তনাদ করা ছাড়া কোন গত্যন্তর নেই আমাদের। আমরা আজ বড় অসহায়। আইন কি পারবে কিছু করতে? নাকি তদন্তেই ভেস্তে যাবে সব?

বিশ্ববিদ্যালয়টির জরুরী সিন্ডিকেট সভা হত্যার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকসহ ৯ জনকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে। এই পদক্ষেপ নিতান্তই প্রাথমিক পর্যায়ের। তার পরিবার এবং বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির অভিযোগ, অধ্যাপক মো. সেলিম হোসেনকে এই ছাত্ররাই মানসিক নির্যাতন করে হত্যা করেছে। এদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত পদক্ষেপ এখনই নেওয়া উচিত।

এদের দ্বারা এটিই একমাত্র ঘটনা নয়। ঘটনার ফিরিস্তি এতো লম্বা যা লিপিবদ্ধ করা অসম্ভব। ধর্ম বিমুখ শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয় সমাজের এই পচনের জন্য দায়ী। আর এগুলো হচ্ছে তার বাস্তব প্রতিচ্ছবি।

05/10/2021

বিশ্ব শিক্ষক দিবস হোক শিক্ষা ও শিক্ষকের মুক্তি দিবস:
মোঃ মোকাররম হোসেন

আজ ৫ অক্টোবর ২০২১ বিশ্ব শিক্ষক দিবস। ১৯৯৫ সাল থেকে ইউনেস্কোর মতে বিশ্ব শিক্ষক দিবস শিক্ষা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে, শিক্ষকদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ ধরে রাখতেএই দিনটি পালন করা হয়।

দিনটি জনসচেনতা বৃদ্ধির সাথে সাথে শিক্ষকতা পেশার অবদানকে স্মরণ করিয়ে দেয়।শিক্ষা যদি জাতীর মেরুদণ্ড হয় তাহলে শিক্ষক রা সেই মেরুদন্ডের কারিগর।একটা রাষ্ট্রে শিক্ষকতা পেশার থেকে উত্তম পেশা আর কিছুতেই নেই।

অপ্রিয় হলেও সত্য যে, গতবছরে বাংলাদেশের শিক্ষকদের সাথে রাষ্ট্রীয় ইতিহাস ছিলো এক কলঙ্কিত ইতিহাস।নন এমপিও শিক্ষকদের নিকট এই দিনটি প্রতিদিনের মতোই লাঞ্চিত, বঞ্চিত, নির্যাতিত, অবহেলিত অপমানিত কষ্টদায়ক এক বেদনাময়।

রাষ্ট্রীয় ও সমাজের প্রয়োজনে সরকারি বিধিবিধান মেনেই,বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় স্কুল,কলেজ ও মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়।সেখানে সরকারের জনবল কাঠামোর আলোকে শিক্ষা দানের জন্যই শিক্ষক নিয়োগ করা হয়,আর সেটাও সরকারের তত্বাবধানে হয়ে থাকে।নিয়ম অনুযায়ী অনুমতি ও স্বীকৃতি পেলে সরকারি ভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হলে তখন নন এমপিও শিক্ষকেরাও এমপিওভুক্ত হয়। কিন্তু সরকারের অবহেলা ও অনিচ্ছায় ২০১০ সালের পর এমপিওভুক্তি প্রক্রিয়া থমকে দাঁড়ায়। শিক্ষকরা তাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য মানবিক আন্দোলন করলে, তারা বারবার বিভিন্ন কর্তা ব্যক্তিবর্গের কাছে প্রতিশ্রুতি পেলেও তার বাস্তবতা একেবারেই ভিন্ন।যার ইতিহাস মিডিয়ার বদৌলতে দেশবাসী জানেন। শুধু তাই নয় এই শিক্ষকদেরকে টিয়ার গ্যাস,প্রি পার স্প্রে,রাবার বুলেটের সম্মুখীন হতে হয়।হতে হয় পুলিশি নির্যাতনের শিকার।শুনতে হয়েছে এমপিও ধ্বংস করে দেবো।এটা বাজে প্রক্রিয়া, খামোখা,চলমান পক্রিয়া ইত্যাদি উপহাস মূলক কথা।

পরিশেষে চরম বাস্তবতাকে উপেক্ষা করতে না পেরে ২০১৮ সালে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকের কন্ঠরোধ করা করার জন্য, অযৌক্তিক নীতিমালার ফাঁদে ফেলে রাখেন। প্রবল প্রতিরোধের মুখে সেই নীতিমালা সহনশীল করতে শিক্ষক নেতাদের সমন্বয়ে দীর্ঘ দেড়বছর ধরে সংশোধনের কাজ করে,শিক্ষকেদের দেওয়া যৌক্তিক কোনো সুপারিশের তোয়াক্কা না করেই ২০২১ নীতিমালা প্রকাশ করে। যার ফলে নন এমপিওদের ওখানেই থেমে যেতে যায়। হয়তো এমপিওর দেখা না পেয়েই অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান বন্দ হয়ে যাবে।

ইতিমধ্যে এমপিওভুক্তির জন্য গণবিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে। এটা নিয়ে শিক্ষকরা চরম হতাশাগ্রস্ত! তারা মনে করছে শুধু শিক্ষক, আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, বরং শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষারই কন্ঠ রোধ করে ধরেছে। অবশ্য এমন ধারনা করার পেছনে যথেষ্ট যুক্তিও আছে।
১/ প্রতিষ্ঠান গুলো ২০/২২ বছর আগে সমকালীন সরকারি নিয়মে প্রতিষ্ঠিত।

২/ বিনা পারিশ্রমিকে শিক্ষকদের পাঠদান অব্যাহত।

৩/ নতুন নীতিমালার খড়গে পড়ে প্রতিষ্ঠানগুলো এমপিওভুক্ত হতে পারবেনা ফলে শিক্ষকরাও বেতন থেকে বঞ্চিতই থেকে যাবে।

৪/ এমন অবস্থায় স্বল্প আয়ের পরিবারের শিক্ষার্থীরা কাঙ্খিত শিক্ষা থেকে পিছিয়েই থাকছে।

এমন পরিস্থিতিতে নন এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষক কর্মচারী ফেডারেশনর সভাপতি,অধ্যক্ষ গোলাম মাহমুদুন নবী ডলার বলেন, স্বীকৃতিই এমপিওভুক্তির মানদণ্ড এমপিওভুক্ত করলেই সকল সমস্যার সমাধান সম্ভব। বিষয়টি তিনি দেশের শিক্ষানুরাগী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন,তিনি বলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয় কতৃপক্ষকে বিভিন্নভাবে বুঝানোর চেষ্টা করে ব্যার্থ হয়েছেন।তাই বিষয়টি নিয়ে ভাবার জন্য এবং কতৃপক্ষকে অনুধাবন করাতে,দেশের শিক্ষানুরাগী, সুশীল সমাজের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয় যদি জাতীয় শিক্ষানীতি ও জনবল কাঠামোর,এমপিও নীতিমালা'২০২১ থেকে কঠোর শর্ত বাদ দিয়ে যৌক্তিক দাবী স্বীকৃতিই এমপিওভুক্তির মানদন্ড বিবেচনা না করেন, তাহলে হাজার হাজার শিক্ষক পরিবার যেমনি ধ্বংস হবে তেমনি যুগ যুগ ধরে স্বল্প আয়ের অধিকাংশ গ্রমীন,বস্তুি পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীরাও শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হবে।

দেশের সকল নন এমপিও শিক্ষকরা আশায় বুক বেঁধে আছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এই মুজিব বর্ষেই সকল নন এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির নির্দেশনা জারি করে সকল পর্যায়েই তার গৃহীত উন্নয়নের আলোকচ্ছটা পৌঁছাতে সাহায্য করবে।

Want your school to be the top-listed School/college in Maulvi Bazar?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address

Juri, Moulvibazar
Maulvi Bazar
3251
Other Maulvi Bazar schools & colleges (show all)
BijoY BijoY
Maulvi Bazar, 3210

Be Professional😶

Rokib zia Rokib zia
Maulvi Bazar

নীতিকথায় নয় বাস্তবতায় বিশ্বাসী।

Global Pathway Consultancy Global Pathway Consultancy
Shamsher Nagar Road, Chowmuhuna
Maulvi Bazar, 3200

^Student Visa Assistance. ^Work Visa Assistance. ^IELTS or English Proficiency Support.

Home Tutor Service,Moulvibazar Home Tutor Service,Moulvibazar
Maulvi Bazar

গৃহশিক্ষক খুজতেছেন,,, Call now 01717-021443

ATAUR RAHMAN ATAUR RAHMAN
Sylhet
Maulvi Bazar, 3200

Like, Comment & Share

Najatul Ummah Model Madrasah Najatul Ummah Model Madrasah
Maulvi Bazar

একটি আন্তর্জাতিক মানের হিফযুল কুরআন প্রতিষ্ঠান।আপনার সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যত তৈরীতে আমরা বদ্ধপরিকর।

Android Trich Android Trich
Maulvi Bazar, 3250

Android tarich

AIM Education Consultancy AIM Education Consultancy
Noor Mansion, 2nd Floor, Court Road, Chowmuhana(opposite Of Pansi Resturant)
Maulvi Bazar, 3200

We are processing Student visa. besides working for Work permit.

Darul Quran Madrasha Darul Quran Madrasha
Molvibazar
Maulvi Bazar

Darul Quran Madrasha

MD Nizam uddin MD Nizam uddin
Maulvi Bazar

আমার এই ছোট্ট পেইজটিতে আপনাকে সাগতম। ?

Ahmed Helal Ahmed Helal
Bhairab Gonj Bazar
Maulvi Bazar, NARAINCHARRA

Allan is powerfully......?