Alfa academy

Alfa academy Physics is the science that deals with all of the physical aspects of the universe.

The Alpha Academy is here to help you build up the attitude to master this enjoyable discipline...

Liton Sir

পৃথিবীর নিকটতম তারা খোঁজার সবচেয়ে কার্যকর উপায় কী?১৯০৩ সালে প্রথমবারের মতো সফলভাবে স্ব-চালিত বিমান তৈরির কৃতিত্ব অর্জন ...
30/06/2024

পৃথিবীর নিকটতম তারা খোঁজার সবচেয়ে কার্যকর উপায় কী?
১৯০৩ সালে প্রথমবারের মতো সফলভাবে স্ব-চালিত বিমান তৈরির কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ‘রাইট ব্রাদার্স’।
এর মাধ্যমে ট্রান্সআটলান্টিক ফ্লাইট, সুপারসনিক ফ্লাইট এমনকি সৌরজগতের সম্ভাব্য তত্ত্বানুসন্ধানের পথ দেখিয়ে ইতিহাসে নাম লিখিয়েছিলেন তারা।
অজানার পানে অভিযানের সেই ধারাবাহিকতা এখন গিয়ে ঠেকেছে মঙ্গলে মানুষ পাঠানো আর মহাকাশের তারা খোঁজায়।
এই সময়ে বড় প্রশ্ন হলো, পৃথিবীর নিকটতম প্রতিবেশী তারাগুলো খোঁজার নির্ভরযোগ্য ও সবচেয়ে কার্যকর উপায় কী?
পৃথিবী থেকে ১১০ আলোকবর্ষের মধ্যে প্রায় ১০ হাজার তারা আছে, তাই এর থেকে বাছাই করার মতো অনেক বিকল্পই আছে বিজ্ঞানীদের হাতে।
শুধু তারাই নয়, আমাদের সৌরজগতের বাইরে এমন অনেক গ্রহ আছে, যা নিয়ে গবেষণার সম্ভাবনা অপার। ১৯৯২ সালে প্রথম এক্সোপ্ল্যানেট (সৌরজগতের বাইরের গ্রহ) সম্পর্কে তথ্য পাওয়ার পর থেকেই পৃথিবীর দূরবর্তী বিভিন্ন তারার আশপাশে পৃথিবীর মতো বাসযোগ্য বিভিন্ন গ্রহ নিয়ে অনুসন্ধান চালিয়ে আসছেন বিজ্ঞানীরা।
এখন পর্যন্ত সাড়ে পাঁচ হাজারের বেশি এক্সোপ্ল্যানেটের অস্তিত্ব নিশ্চিত হওয়া গেছে। আর মানুষ তারাগুলোতে পৌঁছানোর সক্ষমতা অর্জনের আগে এদের ওপর মনোযোগ দেওয়া জরুরী বলে প্রতিবেদনে লিখেছে বিজ্ঞানভিত্তিক সাইট নোরিজ।
বিগত কয়েক বছরে এ বিষয়ে বেশ কিছু ধারণা ও প্রযুক্তির প্রস্তাবনা এলেও পৃথিবীর নিকটতম তারার সিস্টেম ‘প্রক্সিমা সেন্টোরি’ এখনও নাগালের বাইরে।
সম্প্রতি ‘টেকনিশে ইউনিভার্সিটি মুনচেন (টিইউএম)’-এর অধ্যাপক জোহানেস লেবার্ট একটি থিসিস প্রকাশ করেছেন, যেখানে আন্তঃনাক্ষত্রিক অনুসন্ধান ও প্রক্সিমা সেন্টোরি সম্পর্কে প্রচলিত ধারণার ভিত্তিতে একটি কৌশল তৈরির চেষ্টা করেছেন তিনি।
এক্ষেত্রে লেবার্ট অনুপ্রেরণা পেয়েছেন বিভিন্ন এমন এক্সোপ্ল্যানেট অনুসন্ধান থেকে, যেখানে বাণিজ্যিক ও প্রযুক্তিগত উভয়ক্ষেত্রেই আন্তঃনাক্ষত্রিক গবেষণা চালানোর সম্ভাবনা আছে।
লেবার্ট শুধু বিভিন্ন প্রযুক্তিই নয়, বরং এর ফলাফলগুলোও পরীক্ষা করে দেখেছেন।
এ থিসিসে দুটি মূল লক্ষ্যমাত্রায় মনোযোগ দেওয়া হয়েছে, যার একটি হল মিশনের সময়কাল। আর অন্যটি এর থেকে প্রাপ্ত ফলাফল।
এক্ষেত্রে একাধিক পদ্ধতি অবলম্বনের বিষয়টি বিবেচনা করছেন লেবার্ট, যেখানে ব্যবহার করা যেতে পারে বেশ কয়েকটি এমন নভোযান, যেগুলো আর পৃথিবীতে ফিরে ফিরে না এসে বিভিন্ন তারার খোঁজ চালিয়ে যায়। এতে করে কোনও মিশন পরিচালনা করলে তার সাফল্যের সম্ভাবনাও বেড়ে যাবে বলে প্রতিবেদনে লিখেছে নোরিজ।
অবশেষে, এ ধরনের বেশিরভাগ মিশনই যেন সফল হয়, তা নিশ্চিত করার উপায় খুঁজে দেখছেন লেবার্ট, যেটিকে তিনি সংক্ষেপে আখ্যা দিয়েছেন ‘বাই-অবজেকটিভ মাল্টি-ভেহিকল ওপেন রাউটিং প্রবলেম উইথ প্রফিট’ বলে।
থিসিসটি শেষ হয়েছে বেশ কয়েকটি পরামর্শ দিয়ে। এর প্রথমটি হল, তারাগুলোর আশপাশে নির্ভরযোগ্য যাত্রাপথ ব্যবহার ও এমন মিশন পরিচালনার সংখ্যা সীমিত রাখা যাতে জ্বালানির খরচ কমিয়ে আনা যায়।
Source: Bdnews24

Milky Way...
14/06/2024

Milky Way...

Pluto
10/06/2024

Pluto

পৃথিবীর শেষতম রাস্তা! এখানেই এসে থেমেছে উত্তরমেরু, কী আছে ‘ই ৬৯’-এর ওপারে?উত্তর মেরু। পৃথিবীর সবচেয়ে উত্তর প্রান্ত (Las...
04/06/2024

পৃথিবীর শেষতম রাস্তা! এখানেই এসে থেমেছে উত্তরমেরু, কী আছে ‘ই ৬৯’-এর ওপারে?

উত্তর মেরু। পৃথিবীর সবচেয়ে উত্তর প্রান্ত (Last Road of The World)। উত্তরমেরু পেরিয়ে আরও উত্তরে গেলে কি পৃথিবী শেষ?

গোলাকৃতি বস্তুর আসলে কোনও অন্ত নেই। মানচিত্রের ভাষা বলছে, উত্তরমেরু পেরিয়ে আরও উত্তরে এগোতে চাইলে কখনও হয়তো দক্ষিণমেরুর দেখা মিলবে। কিন্তু পৃথিবীর উত্তরপ্রান্ত তো এখানেই শেষ! এখানেই তাই রয়েছে পৃথিবীর শেষতম রাস্তা।

উত্তরমেরুর দেশ নরওয়ে (Norway)। পৃথিবীর শেষ রাস্তাটাও এখান থেকেই শুরু হয়েছে। এ রাস্তার নাম ই-৬৯ (E 69)। পৃথিবীর শেষ প্রান্তগুলি সংযুক্ত করে তৈরি হয়েছে এই রাস্তা। সারা বিশ্বের সমস্ত কোলাহল, ঘটনাপ্রবাহ এই পথেই এসে এক্কেবারে থমকে যায়। ই-৬৯’এ দাঁড়িয়ে কারও আর বলার উপায় নেই ‘এই পথ যদি না শেষ হয় তবে কেমন হত…’ এ রাস্তার ওপারে আর কোনও রাস্তা নেই। কেবল দীগন্ত বিস্তৃত সাদা বরফ আর উথালপাথাল সমুদ্র।

ই-৬৯ আসলে ঠিক রাস্তা নয়, এটা একটা হাইওয়ে। দৈর্ঘ্য ১৪ কিলোমিটার। নরওয়ের বাসিন্দারা এই রাস্তা ব্যবহার করেন বটে, তবে পৃথিবীর শেষতম এই রাস্তায় একা একা হাঁটাচলা বা গাড়ি চালানো নিষিদ্ধ। দুজন বা তিনজনকেও এ রাস্তায় চলার অনুমতি দেওয়া হয় না। কেবল অনেকে একসঙ্গে থাকলে তবেই এই রাস্তায় পা রাখা যায়।

ই-৬৯ এমন একটা রাস্তা যার চারদিকে বরফের গুঁড়ো ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে সারাক্ষণ। শুনশান এই রাস্তা দিয়ে একা হাঁটা বিপজ্জনক। পা পিছলে তো যেতেই পারে। তার চেয়ে বড় কথা, এ রাস্তা দিয়ে একা চলতে গিয়ে হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। তাই একসঙ্গে দল না বাঁধলে ই-৬৯’এ পা রাখা মুশকিল।

নরওয়ের নিয়ম অনুযায়ী ই-৬৯’ও ঘড়ির কাঁটা মেনে চলে না। এ রাস্তায় তাই শীতকালে কখনও রাত শেষ হতে চায় না, দিনের পর দিন দেখাই দেয় না সূর্য। আর গরমকালে এই রাস্তায় দিনরাত সূর্য জ্বলে থাকে উজ্জ্বল আলোয়। টানা ৬ মাস সূর্য ডোবে না।

শীতের সময় পৃথিবীর এই শেষ প্রান্তে তাপমাত্রা কখনও কখনও পৌঁছে যায় -৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আর গ্রীষ্মে ই-৬৯’এ তাপমাত্রার পারদ থাকে শূন্য ডিগ্রি ছুঁয়ে।

পৃথিবীর এই শেষ প্রান্তেও কিন্তু মানুষ বসবাস করে। আগে এখানে শুধু মাছের চাষ হত। এখানকার বাসিন্দাদেরও ওই একটিই জীবিকা ছিল। ১৯৩০ সালের পর থেকে এই অঞ্চলটি একটু একটু করে উন্নত হয়। এখানে পর্যটন শিল্প গড়ে তোলা হয় সেই তখন থেকেই।

আজ নরওয়েতে পৃথিবীর এই শেষতম রাস্তায় পা রাখতে দূর-দূরান্ত থেকে আসেন পর্যটকরা। উত্তরমেরুর ঠান্ডা সেই উৎসাহের কাছে তুচ্ছ। পৃথিবীর শেষ প্রান্তে পৌঁছতে পারার রোমাঞ্চ গায়ে কাঁটা দেয় সকলের।

01/06/2024

৩০শে মে জোয়ান অব আর্ককে নির্মম ভাবে পুড়িয়ে মারা হয়েছিল।

১৪১২(৬ জুলাই) থেকে ১৪৩১(৩০ মে)মাত্র উনিশ বছরের জীবন। দুনিয়া কাঁপানো যুদ্ধ করে বিদায় নিয়েছিলেন এই বীরকন্যা। তাঁর মৃত্যুকে নিয়ে রচিত হয়েছে গান,কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র। বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের স্মৃতির মণিকোঠায় তিনি বেঁচে থাকবেন তার দেশভক্তি ও অকুতোভয় যোদ্ধা হিসেবে।

ফ্রান্সের মিউজ নদীর তীরে দঁরেমি গ্রামে জোয়ানের জন্ম হয়েছিল এক দরিদ্র কৃষক পরিবারে। লেখাপড়া জানতেন না।জোয়ান যখন জন্মেছিলেন ফ্রানস তখন পরাধীন। ইংরেজদের দখলে। ১৩ বছর বয়েসে একদিন ভেড়ার পাল চড়াতে গিয়ে হঠাৎ দৈববাণী শুনলেন, তুমিই ফ্রানসকে মুক্তি দিতে পারবে। ফ্রানসের হয়ে যুদ্ধ কর। জোয়ান বিস্মিত হয়ে গেলেন! ফ্রানসের সম্রাট তখন ৭ম চার্লস লুকিয়ে বেড়াচ্ছেন। বহু চেষ্টায় এক প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তির সহায়তায় জোয়ান দেখা করলেন সম্রাট চার্লসের সঙ্গে।প্রথমে চার্লস নারী বলে তাঁকে গুরুত্ব দেননি। পরে ধর্ম যাজকদের পরামর্শে তাঁকে সেনাবাহিনীতে নিলেন। জোয়ান নাইটদের মত পুরুষের ছদ্মবেশে যোদ্ধার সাজে সজ্জিত হলেন। এরপর জোয়ান সাদা পোশাক, সাদা ঘোড়া, পঞ্চক্রুশধারী তরবারি হাতে ৪০০০হাজার সৈন্য নিয়ে ফ্রানসের অবরুদ্ধ নগরী অরলেয়াঁরে ১৪২৯, ২৮ এপ্রিল প্রবেশ করলেন। এবং প্রবল বীরত্ত্বে অরলেয়াঁরকে মুক্ত করলেন। এরপর একের পর এক নগরীকে তিনি ইংরেজদের হাত থেকে দুর্দান্ত প্রতাপে সেনাবাহিনীর সাহায্যে মুক্ত করে ফ্রানসকে স্বাধীনতার পথে এগিয়ে দিলেন। সম্রাট চার্লসকে তার সিংহাসনে ফিরিয়ে আনলেন।
এই সময় প্যারিসের কাছে এক যুদ্ধে বার্গেডিয়ানরা তাঁকে আটক করে ইংরেজদের হাতে তুলে দিল। বার্গেনডিয়া হল ফ্রানসের একটি জায়গার নাম। সেখানকার শাসনকর্তা ডিউক ছিলেন ইংরেজের বন্ধু।সে বিশ্বাসঘাতকতা করে জোয়ানকে ইংরেজের হাতে তুলে দেয়। ইংরেজ এ সুযোগের অপেক্ষায় ছিল। তাদের মূল শত্রু জোয়ানকে হাতে পেয়ে এবার বিচারের নামে প্রহসন শুরু করল। (ভারতবর্ষও এই বিচার প্রহসনের সাক্ষী আছে যখন সেই সময়ের অতি উচ্চ পর্যায়ের রাজনৈতিক ব্যক্তিগনের বিশ্বাসঘাতকতায় লালকেল্লায় আজাদ হিন্দ ফৌজের যুদ্ধোপরাধী হিসেবে লোক দেখানো বিচার শুরু হয়)। এই কাজে ইন্ধন দিলেন দেশের ধর্ম যাজকরা। তাঁরা বলল, জোয়ান যা করেছে তা ধর্ম বিরোধী। পুরুষ সেজে যুদ্ধ করে ধর্মের অবমাননা করেছে। ও ডাইনি। বিচারে রায় দেওয়া হল জোয়ানকে পুড়িয়ে মারার। এরপর জোয়ানকে একটি পিলারের সঙ্গে বাঁধা হল। এইসময় জোয়ান একটা ক্রুশ চাইলেন। একজন এসে জোয়ানের গলায় একটি ক্রুশ ঝুলিয়ে দিল। অবশেষে জোয়ানকে আগুনে পুড়িয়ে মারা হল। এরপরই জোয়ানের সেই পুড়ে যাওয়া দেহের ছাই ফ্রান্সের শ্যেন নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়।
কিন্তু তিনি শতশত নারীর প্রেরণাদায়ী হয়ে মানুষের
মনে এখনও অমর হয়ে আছেন।

সৌজন্যে --- বাংলা উইকিপিডিয়া

31/05/2024
" চোখ ধাঁধানো অপরূপ সৌন্দর্যে ভরা নদীটি এতটাই বিষাক্ত, যা আপনার ধারনার বাইরে "পৃথিবীতে জালের মতো ছড়িয়ে আছে হাজার হাজার ন...
30/05/2024

" চোখ ধাঁধানো অপরূপ সৌন্দর্যে ভরা নদীটি এতটাই বিষাক্ত, যা আপনার ধারনার বাইরে "

পৃথিবীতে জালের মতো ছড়িয়ে আছে হাজার হাজার নদী। এর মধ্যে কিছু নদী অত্যন্ত নয়নাভিরাম, দেখলে দুচোখ জুড়িয়ে যায়। আবার কিছু নদী রয়েছে যা দেখতে অত্যন্ত সৌন্দর্যপূর্ণ হলেও তার বিশেষত্ব শুনলে ভয়ে চমকে উঠতে হবে। সেরকমই একটি অদ্ভুত নদীর কিছু বিশেষত্ব আলোচনা করব এই প্রতিবেদনে।

রিও টিন্টো নদী,স্পেন::--

ইউরোপের ছোট্ট দেশ স্পেনের রিও টিন্টো নদী। আক্ষরিক অর্থে নদীটি দূর থেকে দেখলে এর সৌন্দর্যে আপনি মোহিত হয়ে যেতে পারেন। কিন্তু নদীটি যে কি পরিমানে বিষাক্ত এবং ভয়ংকর তা চোখে দেখে বুঝতে পারবেন না।

স্পেনের ওয়েলভা প্রদেশ থেকে উৎপত্তি হওয়ার পর আন্দালুসিয়ার মধ্য দিয়ে বয়ে গেছে এটি। রক্তবর্ণ এই নদীর জলের রং যতটা না আপনাকে অবাক করবে তার চেয়ে বেশি চমকে উঠবেন যখন জানবেন এই নদীর জল কতটা ভয়ংকর সেটা জেনে।

এই নদীর জলে উচ্চমাত্রার অ্যাসিড থাকায় কোনো প্রাণীই বাঁচতে পারে না এখানে। স্পেনের এই অঞ্চলের আশপাশের তামা, রুপা এবং স্বর্ণের খনি থেকে নির্গত বিভিন্ন ধাতুর বর্জ্য এই নদীর জলে মিশে এই অদ্ভুত রং এবং খুনে ক্ষমতার সৃষ্টি হয়েছে।

স্পেনের দক্ষিণ পশ্চিম দিয়ে বয়ে যাওয়া এ নদীটির উৎস আন্দালুসিয়া পর্বতে। এই নদীটি এই অঞ্চলের খনি খননের সময় উৎপন্ন হয়েছে।এ নদীর জল অত্যন্ত আম্লিক(পিএইচ মাত্রা প্রায় ১.৭-২.৫ ) এবং এই জল ভারী ধাতুতে সমৃদ্ধ। নদীর জলে রয়েছে প্রচুর ফেরিক আয়রন।

নদীটির ইতিহাস থেকে জানতে পারা যায় প্রায় বেশ কয়েকশো বছর ধরে এখান থেকে কপার তোলা হয়েছে। এই মাইনটির ব্যাপ্তি এতোটাই ব্যাপক যে এই দূষনের ফলে আশেপাশে থাকা গ্রামগুলোকে অন্যত্র সরিয়ে ফেলতে হয়েছে। এমনকি নদীটি বেশ কয়েকটি আস্ত পাহাড়কেও দূষণে গ্রাস করেছে।

এই খননের প্যাটার্ন অর্থাৎ নদীটি এতোটাই দৃষ্টি নন্দিত যে দেখলে আপনার মনে হবে আপনি পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর জায়গায় অবস্থান করছেন। তবে দেখতে যতই সুন্দর হোক এটাকে কোনো ভাবেই স্পর্শ করা যায় না।

১৩৯ বছর আগের পৃথিবী। তখনও বিশ্বযুদ্ধ হয়নি একটিও। মানুষ চাঁদে যাওয়ার যোগ্য হবে এর আরও ৮৪ বছর পরে। এম্পায়ার এস্টেট বিল্ডিং...
29/05/2024

১৩৯ বছর আগের পৃথিবী। তখনও বিশ্বযুদ্ধ হয়নি একটিও। মানুষ চাঁদে যাওয়ার যোগ্য হবে এর আরও ৮৪ বছর পরে। এম্পায়ার এস্টেট বিল্ডিং নির্মিত হতে আরও ৪৫ বছর। নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মাতে আরও ৩৩ বছর লাগবে, মাইকেল জ্যাকসনের প্রয়োজন ৭৩। জগদ্বিখ্যাত আবিষ্কার পেনিসিলিন উদ্ভাবিত হবে এর আরও ৪৩ বছর পরে; এর উদ্ভাবক আলেকজান্ডার ফ্লেমিং-ই মাত্র ৪ বছরের শিশু তখন, খেলছেন স্কটল্যান্ডের বাড়িতে এবং, ওসময়, ওই স্কটল্যান্ডেই, আরও বেশ ক'বছর পরে ভারতবর্ষ থেকে পড়তে আসা একজন রসায়নবিদ্যার ছাত্র, প্রফুল্লচন্দ্র রায়, ইউনিভার্সিটি অভ এডিনবরায় অধ্যয়নরত, ২৪ বছর বয়সী একজন তরুণ মাত্র, যে-ছাত্র, আরও বেশ ক'বছর পরে জগদ্বিখ্যাত একজন বিজ্ঞানী হয়ে উঠবেন।

হ্যাঁ, ছবিটি সেই বছরই তোলা, ১৩৯ বছর আগে, ১৮৮৫ সালে। অক্টোবরের ১০ তারিখে।

ছবিটিকে 'বিশ্ব-নারীর ক্ষমতা ও জ্ঞানের আদর্শ ছবি' বলা হয়। শিরোনাম─ women in medicine. ছবিতে ৩ জন তরুণীকে দেখা যাচ্ছে। চিকিৎসাশাস্ত্রের ছাত্রী। তাঁদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মার্কিনদেশের পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের ফিলাডেলফিয়া শহরের 'women's medical college of philadelphia'য় তোলা হয়েছিলো ছবিটি। ছবিটিকে বৈশ্বিক ছবি বলার কারণ─ ছবির তিন ছাত্রী পৃথিবীর সুদূরবর্তী এশিয়ার তিন ভিন্ন দেশের মানুষ। ছবির বাঁয়ে, বসা─ ডাক্তার আনন্দাবাই জোশী, ভারতের সেরানিসোরের (কল্যাণ); মাঝখানে, দাঁড়ানো─ ডাক্তার কেই ওকামি, জাপানের টোকিওর; এবং ডানে, বসা─ ডাক্তার তাবাত এম. ইসমবুলী সিরিয়ার দামেস্কের, অধিবাসী। ওই সময়ে, পড়তে এবং ডাক্তার হওয়ার ইচ্ছেয় পৃথিবীর প্রায় উল্টোপিঠের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি দেওয়াটা, এক শব্দে─ অকল্পনীয়! এখনকার মানবাধিকারের মডেল যে-দেশটিতে, নারীদের ভোটাধিকার পেতে লেগে যাবে এই ছবিটির পরের আরও ৩৫ বছর! অহ্!

আপনারা, মানবেতিহাসের তিনজন শ্রেষ্ঠতম মেধাবী ও জেদি জিনিয়াস মস্তিষ্কের নারীকে দেখতে পাচ্ছেন, তাঁদের স্ব-স্ব দেশের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরনে, যাঁরা তৎকালীন সমাজের (বলতে গেলে এখনকারও) সমস্ত সাম্প্রদায়িকতা, কুসংস্কার, তাচ্ছিল্য, প্রতিবন্ধকতা ভেঙে দিয়ে ও ডিঙিয়ে, নিজেদের জ্ঞান ও ক্ষমতাকে, জগতের ও জীবনের সর্বোচ্চ শিখরে তুলে নিয়েছিলেন।

অজানাকে জানার উদ্দেশ্যে তাঁরা পাড়ি দিয়েছিলেন সাত সমুদ্র তেরো নদী। আপনি কী করছেন?

সংগৃহীত

Address

Matuail

Telephone

+8801771831566

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Alfa academy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Alfa academy:

Shortcuts

Share

Category