Markazul Quran wal Hikmah

Markazul Quran wal Hikmah

Share

কুরআন ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র

13/05/2026

আপনার কুরবানী হোক আমাদের মারকাযে...

দেখতে দেখতে কুরবানির ঈদ কাছে চলে আসছে। বিগত বছরের মতো এবারও ইনশাআল্লাহ আমাদের মারকাযুল কুরআন ওয়াল হিকমাহ মাদরাসার শিক্ষার্থী ও এলাকার খুবই দরিদ্র মুসলিম পরিবারগুলোতে কুরবানির গোশত বিতরণ করা হবে।

আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের মারকাযুল কুরআন ওয়াল হিকমাহ মাদরাসায় বর্তমানে প্রায় ৯০+( শিক্ষার্থী, উস্তাদ ও স্টাফ মিলিয়ে ১০০+) পড়াশোনা করছে। মাদরাসা সংলগ্ন এলাকার অধিকাংশ জনগণের আর্থিক অবস্থা খুবই করুণ। তার উপর দেশের আর্থ সামাজিক অবস্থা ইত্যাদির কারণে অনেকে খুবই দূরাবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন।

আলহামদুলিল্লাহ, মাদরাসার কারণে আমাদের সাথে সরাসরি ১০০+ পরিবারের সম্পর্ক। বিগত বছরের চাইতে এবার কুরবানীর ঈদে আরেকটু উত্তমভাবে আমরা মাদরাসার পক্ষ থেকে তাদের সাথে থাকতে চাই। তাই এবার ইনশাআল্লাহ আমরা মাদরাসায় কয়েকটি গরু ও ছাগল কুরবানী ও তার গোশত প্রকৃত অভাবীদের মাঝে বিতরণ করবো ইনশাআল্লাহ।

আপনি চাইলে আপনার কুরবানির পশু গরু, ছাগল কিংবা তার অর্থ আমাদের মাদরাসায় প্রেরণ করতে পারেন। আমরা এখানে তা কুরবানী করে বিতরণ করবো। অথবা আপনারা কুরবানীর পর চাইলে গোশতের একটি অংশও পাঠাতে পারেন।

একটি গরু আনুমানিক ১০৫০০০+-
একটি ছাগল আনুমানিক ১৩,০০০+-
গরুতে ১ ভাগ ১৫০০০/=

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা যাদের সামর্থ্য দিয়েছেন, আশাকরি এগিয়ে আসবেন। (ছবি গত বছর কুরবানির)।
জাজাকাল্লাহু খায়রান।

সাদাকা পাঠানোর জন্য

বিকাশ পার্সোনাল 01739578911
নগদ পার্সোনাল 01791156372
রেফারেন্স : কুরবানী।

(ছবি: বিগত বছর কুরবানির।)

17/03/2026

আগামী ২৩ মার্চ, কুমিল্লায় আসবো ইনশাআল্লাহ।
সকলের দাওয়াত।

07/03/2026

এবারের রামাদান, সবচেয়ে কঠিনতম রামাদান, দূআ চাই!

বিগত ৫ বছরের মধ্যে এবারের রামাদানটি সবচাইতে কঠিন রামাদান যাচ্ছে আলহামদুলিল্লাহ। আমাদের মারকাযুল কুরআন ওয়াল হিকমাহ মাদরাসার জন্য অনলাইন থেকে এ পর্যন্ত সংগ্রহ একেবারেই শূন্য। শুধুমাত্র পরিচিত এক ভাই ১০ হাজার টাকা পাঠিয়েছেন। বাকি অনেকেই আশা দিয়েছেন, কিন্তু এখন পর্যন্ত টাকা জমা হয়নি। অতীতের কোনো রামাদানেই এমন অবস্থা হয়নি।

এদিকে দেখতে দেখতে রামাদানও প্রায় শেষের দিকে চলে যাচ্ছে। গত এক বছরের মাদরাসা পরিচালনার ঋণ পরিশোধ, সামনে উন্নয়ন পরিকল্পনা সবই এখন অনিশ্চিত। ইসলামিক দাওয়ার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ থেমে আছে আর্থিক সংকটের কারণে। সকলের খাস দূআ চাই।

মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা যাদেরকে তাওফীক দিয়েছেন, এগিয়ে আসার অনুরোধ।
জাজাকাল্লাহ খাইরান।

20/02/2026

শিক্ষা ব্যবস্থার সহজিকরণে দেওবন্দের অবিস্মরণীয় ভূমিকা!

পশ্চিমারা শিক্ষাকে পণ্য বানিয়েছে ফলে সেই শিক্ষা দীক্ষা হীন হয়ে পড়েছে।
প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই দারুল উলুম দেওবন্দ শিক্ষা দীক্ষাকে সহজলভ্য এবং মানব গড়ার মিশন হিসেবে গ্রহণ করেছেন। কোন প্রকার সরকারি অর্থায়ন ছাড়া এ বিরল ব্যবস্থাপনা উদ্ভাবক আল্লামা কাসেম নানুতবী রাহ.।

(১) ভর্তি ফ্রি।
(২) কিতাব ফ্রি।
(৩) খাওয়া ফ্রি।
(৪) পরীক্ষা ফ্রি।
(৫) থাকার সিটের সাথে আলমারির সুব্যবস্থা।
(৬) একদিনের যে কোনো ঔষধ এক রুপি।
(৭) প্রতি মাসে দুইশ রুপি ভাতা।
(৮) প্রতি সাপ্তাহে স্পেশাল বিরিয়ানি জন প্রতি এক কেজি।
(৯) শীত মৌসুমে গরম পানির সুব্যবস্থা।
(১০) শীত মৌসুমে কম্বল-লেপ ফ্রি।
(১১) ছাত্রদের জন্য রয়েছে দারুল উলূম কর্ত্তৃক স্টুডেন্ট কার্ড, যা সর্বত্র প্রয়োজনীয় ও গ্রহণযোগ্য। এবং সফর-আসফারে বড় কা‌জের জি‌নিস।
(১২) অজু-গোসল ও শৌচাগারের সুব্যবস্থা।
(১৩) বৈদ্যুতিক ব্যবহার ফ্রি।
(১৪) সনদপত্র ফ্রি।
(১৫) রমযানে আরো উন্নত খাবার ও ডাবল ভাতা।
(১৬) প্রতিটি ছাত্রকে বার্ষিক পুরস্কার।
(১৭) মাঝেমধ্যে বিভিন্ন কিতাবাদি হাদিয়া।
(১৮)ছাত্ররা লিখনী শক্তি অর্জনের জন্য রয়েছে দেয়ালিকার সুব্যবস্থা।
(১৯) কথিত আছে যে,حسن الكتابة نصف العلم তাই ছাত্রদেরকে সুন্দর হাতের লিখা শিখানোর জন্য রয়েছে কিতাবত বিভাগের সুব্যবস্থা।
(২০) ছাত্ররা যেন লেখাপড়ার সাথে সাথে কর্মে অভ্যস্ত হয়ে উঠে, এর জন্য রয়েছে কারিগরি শিক্ষার সুব্যবস্থা।
(২১) ছাত্ররা যেন সুশৃঙ্খলভাবে খানা ওঠাতে পারে, এর জন্য রয়েছে পিতলে নাম্বার অঙ্কিত সকাল-সন্ধার টিকেট।
(২২) ছাত্ররা যেন সুন্দরভাবে পরীক্ষা দিতে পারে, এর জন্য রয়েছে প্রত্যেক ছাত্রের জন্য আলাদা আলাদা ডেক্স। চিত্তাকর্ষক বিশাল দারুল ইমতেহান, যাতে এক সাথে প্রায় পাঁচ হাজার ছাত্র পরীক্ষা দিতে পারে।
(২৩) ছাত্ররা মাসিক ভাতা ওঠানোর জন্য রয়েছে প্রতি মাসের নামসহ অযিফা কার্ড।
(২৪) ছাত্রদের যেন কোন ধরনের অসুবিধা না হয়,এ জন্য ছাত্রদের খেদমতের জন্য রয়েছে বিভিন্ন খেদমত বিভাগ। যেমন : পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগ ইত্যাদি।
(২৫) ছাত্র ও দারুল উলূমের রক্ষণাবক্ষেণের জন্য রয়েছেন প্রতিটি গেইটে দারোয়ান।
(২৬) ছাত্রদের ব‌ক্তৃতাশক্তি অর্জনের নিমিত্তে প্রতি সপ্তাহে বিভিন্ন বিষয়ের উপর সেমিনারের আয়োজন।
(২৭) ছাত্ররা বিরোধীদের সাথে কিভাবে মুনাযারা করবে, তা শিক্ষাদানের জন্য মাঝেমধ্যে বিশাল মুনাযারার আয়োজন।
(২৮) ছাত্ররা ইলম অর্জনের সাথে সাথে আমলে পাবন্দী হওয়ার জন্য সপ্তাহের প্রায় প্রতিদিনই আছরের পর কোন না কোন উস্তাদের ইসলাহী মজলিসের আয়োজন।
(২৯) ছাত্রদের চাহিদা অনুযায়ী কিতাব পড়ার জন্য সর্ববিষয়ের উপর দারুল উলূম লাইব্রেরী সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা।
(৩০) ভর্তীচ্ছুক পরীক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে থাকার সুব্যবস্থা।
(৩১) আধুনিক যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কোর্স।
(৩২) দা'ওয়াত ইলাল্লাহ বা সাধারণ মানুষের মাঝে ইসলামের সহীহ আকিদা বিশ্বাস ও আমল পৌঁছে দেওয়ার নিমিত্তে দা'ওয়াত ও তাবলীগের সাপ্তাহিক ও বাৎসরিক বিভিন্ন কার্যক্রম।
(৩৩) এমন কি বহির্বিশ্বে দাওয়াতের কাজকে ব্যাপক করার জন্য বিশেষ কোর্সের মাধ্যমে ইংরেজি শিক্ষার সুব্যবস্থা।

মোটকথা : কেউ যদি দারুল উলূমের হয়ে যায়, দারুল উলূম তাঁর হয়ে যায়।

অর্থাৎ তাঁর লেখাপড়ার পাশাপাশি ধর্মীয় অঙ্গনে ক্যারিয়ার গড়ার সংক্রান্ত সমস্ত প্রয়োজনাদি পূরণের জন্য দারুল উলূম কর্তৃপক্ষ সবসময় তাঁর খেদমতে নিয়োজিত। মহান আল্লাহ পাক এই ঐতিহ্যবাহী প্রাচীনতম বিশ্বমানের এ সর্ববৃহৎ দ্বীনি প্রতিষ্ঠানটিকে কেয়ামত অবধি কায়েম দায়েম রাখুন। আমীন।

Photos from Markazul Quran wal Hikmah's post 15/02/2026

আহলান সাহলান শাহরু রামাদান!

আলহামদুলিল্লাহ, দেখতে দেখতে প্রায় চলে আসলো বরকতময় মাস রামাদান। রামাদানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল হচ্ছে রোজাদার ব্যক্তিকে ইফতার করানো। বিগত বছরের ন্যায় এবারও আমরা এই বরকময় আমল করতে চাই, ইনশাআল্লাহ।

যারা সারা বছর সামান্য বেতনে মাদরাসার কুরআনের শিক্ষার্থীদের পেছনে পরিশ্রম করেছেন, তাদের জন্য রামাদানের ইফতার হাদিয়া দিয়ে আমরা পাশে থাকতে চাই। পরিবার প্রতি ৩০০০ টাকার মতো খরচ হবে। বিনিময়ে তাদের পুরো পরিবারের সবার রামাদানের রোজার সমপরিমাণ সওয়াব আমরা পাবো ইনশাআল্লাহ।

আমাদের Markazul Quran wal Hikmah মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষিকা স্টাফদের ১০ জনের পরিবারের জন্য, বাজেট ব্যবস্থা হলে মাদরাসার পার্শ্ববর্তী আরো দরিদ্র দ্বীনদার পরিবার গুলোতে আসন্ন রামাদান উপলক্ষ্যে এমন একটি করে ইফতার প্যাকেজ দিতে চাই।

✪ ☞ সরিষার তেল- ৩ লিটার।
✪ ☞ ছোলা-২ কেজি।
✪ ☞ বেশন- ৩ কেজি।
✪ ☞ ডাবলি বুট- ৩ কেজি।
✪ ☞ চিনি- ৩ কেজি।
✪ ☞ পেঁয়াজ- ৪ কেজি।
✪ ☞ আলু - ৪ কেজি।
✪ ☞ খেজুর - ১কেজি।
✪ ☞ সেমাই- ৩ প্যাকেট।
✪ ☞ ট্যাংক- ১ প্যাকেট।
✪ ☞ মুড়ি - ১কেজি।

এক্ষেত্রে স্পন্সর প্রয়োজন। মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা যাদেরকে সামর্থ্য দিয়েছেন পাশে থাকার অনুরোধ। জাজাকাল্লাহ খাইরান। বারাকাল্লাহু ফিকুম।

(ছবি: গত বছর আমাদের মাদরাসার ইফতার সামগ্রী বিতরণের।)

31/05/2025

মাসিক ইসলাহী মাজলিস

প্রধান মেহমান : মাওলানা কামরুল ইসলাম বিন ওলীপুরী হাফিজাহুল্লাহ। বিশিষ্ট দাঈ, গবেষক, আলোচক।
বিশেষ অতিথি : মাওলানা নাজমুল হক সাকীব হাফিজাহুল্লাহ। বিশিষ্ট দাঈ, লেখক, গবেষক।

সভাপতি: মাওলানা আব্দুর রহমান খান চাদপুরী, হাফিজাহুল্লাহ।
প্রবীণ আলিম, দাঈ, অসংখ্য মাদরাসা-মাসজিদ প্রতিষ্ঠাতা।

পরিচালনা : মাওলানা মুহাম্মাদ ইসহাক খান
লেখক, প্রকাশক, মাদরাসা পরিচালক,

স্থান: মারকাযুল কুরআন ওয়াল হিকমাহ মাদরাসা, ইরতা-কাশিমপুর, তালেবপুর (ইসলামনগর), সিংগাইর, মানিকগঞ্জ।
তারিখ : ০৭ জিলহজ্ব, ১৪৪৬ হিজরী (০৩ মে, ২০২৫) রোজ মঙ্গলবার, সকাল ৮ টা।

উক্ত বরকতময় দ্বীনী মাজলিসে আপনারা সবান্ধবে আমন্ত্রিত।

05/03/2025

রামাদানের এই সময়ে আপনার দূআ ও সহযোগিতায় আমাদের মাদ্রাসার কথাও স্মরণ রাখুন!

আলহামদুলিল্লাহ। বর্তমানে আমাদের মারকাযুল কুরআন ওয়াল হিকমাহ মাদ্রাসায় প্রায় ১০২+ জন শিশু-কিশোর কুরআনের শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে।
২০১৭ সালে মাদ্রাসার শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকে নিয়ে একজন একজন করে ছাত্র-ছাত্রী বাড়তে বাড়তে এ বছর আলহামদুলিল্লাহ ১০০ প্লাস হয়েছে।

আমাদের এই প্রতিষ্ঠান আপনাদেরই প্রতিষ্ঠান। ২০১৬ সালে মাদ্রাসার উদ্যোগ গ্রহণ করার সময় থেকে নিয়ে আজ পর্যন্ত আমাদের প্রতিটি উদ্যোগে মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলার রহমত ও আপনাদের নেক দূআ সবসময়ই আমরা পেয়েছি। আপনারা আমাদের পাশে ছিলেন বলেই গত কয়েক বছরে আমরা এতদূর অগ্রসর হতে পেরেছি, আলহামদুলিল্লাহ।
২০২৩ এর রামাদান থেকে আমাদের মাদরাসার পাশে মসজিদুর রহমানও চালু হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। মাসজিদের জন্য আমাদের মাদ্রাসার পাশে জমি কেনা থেকে নিয়ে মসজিদের নির্মাণ কাজ এবং গত বছর মাদ্রাসা পরিচালনা করতে গিয়ে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকার মতো ঋণ হয়ে গেছে।

আমাদের মাদরাসা+মাসজিদের এই ঋণ যেন আমরা এই রামাদানে পরিশোধ করে দিতে পারি, সেজন্য সকলের কাছে নেক দূআ ও সহযোগিতা আশা করছি।

এছাড়াও রামাদানের পর নতুন শিক্ষাবর্ষে আমরা ছেলেদের জন্য স্বতন্ত্র নাজেরা ও হিফজ বিভাগ চালু করার চিন্তা করছি, ইনশাআল্লাহ। তবে এজন্য আমাদের আলাদা একটি ছাত্রাবাস নির্মাণ করতে হবে। যার জন্য অন্ততঃ ৬ লাখ টাকা প্রয়োজন।
মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা সহজ করে দিন, আমীন।

সাদাকা পাঠানোর জন্য-
বিকাশ পার্সোনাল 01739578911
নগদ পার্সোনাল 01791156372
(টাকা পাঠানোর সময় সাধারণ দানের ক্ষেত্রে রেফারেন্স এ দয়া করে "Sadaqa" আর যাকাতের টাকা হলে “Zakat" লিখার অনুরোধ। অথবা টাকা পাঠানোর পর একটি মেসেজ দিয়ে জানাবেন।)

আল্লাহ আমাদের এই কল্যাণময় কাজে পরষ্পর প্রতিযোগিতা করার তাওফীক দিন। আমীন। জাজাকাল্লাহ খায়রান। বারাকাল্লাহু ফিকুম।

Photos from Markazul Quran wal Hikmah's post 28/11/2024

আগামী রামাদানেই আমাদের মাদরাসা'র স্বতন্ত্র বালক শাখা চালু হবে ইনশাআল্লাহ!

আলহামদুলিল্লাহ, মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার অবশেষ রহমতে আপনাদের+আমাদের প্রিয় মাদরাসা বর্তমানে আমাদের গ্রামে উল্লেখযোগ্য মান ও সুখ্যাতি অর্জন করেছে। ১১৫+ কুরআনের শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে।

গত রামাদানের পর থেকে আর আমরা মাদরাসার জন্য কালেকশন করি নি। কিছু ঋণ করে, কিছু নিজেরা দিয়ে মাদরাসা চলছে আলহামদুলিল্লাহ। ছোট খাটো বিষয়ে বারবার চাওয়াটা আমাদের জন্য কষ্টকর।

স্বতন্ত্র বালক শাখা না থাকায় এতোদিন ছেলেদের জন্য নূরানী-মক্তবের পর আর ভর্তি নেয়া যাচ্ছিল না। তবে এবার স্বতন্ত্র বালক শাখা চালু হবে ইনশাআল্লাহ।
তবে এজন্য মাদরাসা মাসজিদের পশ্চিম পার্শ্বের প্রায় ৪৫০০ স্কয়ারফুট নীচু জমি বালু দিয়ে ভরাট করা জরুরী। প্রতি ট্রাক ভিটি বালু ৩১০০ টাকা। আশা করছি ১৫০ গাড়ি বালু (৪৬৫০০০ টাকা) হলেই জমিটা ভরাট হয়ে যাবে। তারপর টীনশেড করে দিলেও ক্লাস করা যাবে, ইনশাআল্লাহ।

সাদকায়ে জারিয়ার এই উত্তম কাজে আপনিও শরীক হতে পারেন আমাদের সাথে। জাজাকাল্লাহ খাইরান।

সাদাকা পাঠানোর জন্য-
নগদ পার্সোনাল 01791156372
ডাচবাংলা/রকেট (পার্সোনাল) মোবাইল নং: 017250432517
বিকাশ পার্সোনাল 01739578911
(টাকা পাঠানোর সময় রেফারেন্স এ দয়া করে "Mati" লিখবেন। অথবা টাকা পাঠানোর পর একটি মেসেজ দিয়ে জানাবেন।)
আল্লাহ আমাদের এই কল্যাণময় কাজে পরষ্পর প্রতিযোগিতা করার তাওফীক দিন। আমীন।

19/10/2024

মাশাআল্লাহ।
কি সুমধুর তিলাওয়াত!

29/09/2024

আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম 'আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ।
নিশ্চয় মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ হলেন আশরাফুল আম্বিয়া, ইমামুল মুরসালিন, খাতামুন নাবিয়্যিন। নাবীউল মারহামা ওয়া নাবীউল মালহামা।

স্ক্রিনশটটা আবু সাইদ সাহেবের বই থেকে নেয়া। এই লোক শুধু হাদীস অস্বীকারকারী-ই না, সে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর মর্যাদা সম্পর্কেও বেখেয়াল। মিথ্যা প্রচারকারী।

এই লোককে রাখা হয়েছে পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জন ও সংশোধনের কাজ করা ৪১সদস্যের টিমে। এবং সে নাকি ইসলাম ধর্ম সংক্রান্ত আলোচনা দেখবে।

এই হল মিলাদ-কাওয়ালী করা আশেকে রাসূল দাবিদাররদের অবস্থা। বেছে বেছে যিন্দিক আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর শানের খেলাফ কথা বলা লোকদের এরা নিয়ে এসেছে ইসলাম শেখাতে।

আরবের ইসলাম চলবে না, বাংলার ইসলাম চলবে - এই কথার অর্থ কি তাহলে এগুলোই?

- আসিফ আদনান

19/06/2024

বর্তমানে কওমি মাদরাসাগুলো জনগণের সাহায্য সহযোগিতায় চলার যে পদ্ধতিটা দেখা যাচ্ছে এটা মূলত আমাদের আকাবিরদের তরীকার বিপরীত। দেওবন্দে কালেকশনের জন্য আলাদা মুহাসসিল আছে।

এটা উস্তাদ ছাত্রের কাজ নয়। আমাদের দেশে ব্যাপকভাবে উস্তাদ ছাত্ররা এটা আঞ্জাম দেয়। কোরবানির সময় ছাত্রদের দিয়ে চামড়া কালেকশন করার বিষয়টা সব সময় আমাদের বিবেকে বাধে, আমাদেরকে পীড়া দেয়। একই বাড়ির সামনে ছাত্র-উস্তাদ দাঁড়িয়ে আছেন চামড়ার জন্য, ভিক্ষুক দাঁড়িয়ে আছে গোশতের জন্য। বাড়িওয়ালা ভিক্ষুকদেরও ধমকাচ্ছে, ছাত্র-শিক্ষকদেরও ধমকাচ্ছে। বাড়ি থেকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়ার ঘটনাও তো আমাদের সামনেই ঘটেছে। এমন দৃশ্যগুলো আমরা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারি না। এছাড়াও আরও কত লাঞ্ছনাকর পরিস্থিতির শিকার হতে হয়। তা তো আমরা নিজ চোখেই দেখেছি। আবার অল্প সময়ে ভালো পরিমাণ অর্থ আয় হওয়াতে কমিটির লোকেরা এটা কোনোভাবেই বন্ধ করতে সম্মত হয় না। তাছাড়া রমজান মাসে কালেকশনের জন্য শিক্ষকদের বাধ্য করাও আমাদের মাদরাসাগুলোতে বিচিত্র নয়। সে কালেকশন করতে গিয়ে তাদের মান-মর্যাদা ঠিক থাকবে কিনা তা দেখার যেন কেউ নেই।

হযরত থানবী রহ. এর বক্তব্য ছিল কোনো ছাত্র তো নয়; কোনো শিক্ষকও কালেকশন করতে যাবে না। এমনকি যদি এর জন্য মাদরাসার সংখ্যা কমে যায়, তাও দীনের জন্য ভালো। তাই আমরা আমাদের এখানে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছি যেন ছাত্র-শিক্ষক সকলেরই ইজ্জত সুরক্ষিত থাকে। কালেকশনের জন্য তারা মানুষের বাড়ি-বাড়ি যাবে না। চামড়ার কালেকশন করবে না। এমনিভাবে উস্তাদরাও রমজানে যাকাত কালেকশনের জন্য রশিদ বই নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করবে না। হ্যাঁ, নিজের ইজ্জত রক্ষা করে যতটুকু করা যায় তা করবে। পারলে করবে, না পারলে না করবে। কোনও বাধ্যবাধকতা নেই। অর্থনৈতিক বিষয়টা আমরা সামনে রেখে তা'লীম গ্রহণে আসলাফ ও আকাবিরের যে চেতনা ও পদ্ধতি ছিল তা আবার ফিরিয়ে আনার চিন্তা করেছি। অর্থাৎ ইলম হাসিলের পথে ছাত্র তার সাধ্যমত খরচ করবে। যেমন সালাফের যামানায় ইলম হাসিলের যাবতীয় খরচ শিক্ষার্থী নিজে বহন করত। কারও কারও জীবনীতে পাওয়া যায়, বাবার রেখে যাওয়া বিপুল সম্পদের পুরোটাই ইলমের পথে ব্যয় করে দিয়েছেন। তাই আমাদের চিন্তা হল প্রতিষ্ঠান নয়; শিক্ষার্থী নিজেই নিজের খরচ বহন করবে। সাধারণত আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ম হল, নির্ধারিত নম্বর পেলে মাসিক প্রদেয় মওকুফ হয়ে যায়। কিন্তু এই ফিকির সামনে রেখে আমরা সিদ্ধান্ত নিই, মাসিক প্রদেয় ফ্রি হওয়ার সম্পর্ক থাকবে সামর্থ্যের সাথে, নম্বরের সাথে নয়। নম্বর বিবেচ্য হবে কেবল ভর্তির ক্ষেত্রে। নম্বর পেলে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবে, না হয় না। এর অর্থ এই নয় যে, এখানে কেবল ধনীরাই সুযোগ পাবে। ধনী-গরীব নির্বিশেষে সবার জন্য অবারিত সুযোগ থাকবে। তবে প্রত্যেকেই সাধ্য অনুযায়ী ব্যয় করবে; স্বচ্ছলতা নেই বলে। সে কিছুই দিবে না- এমন যেন না হয়। যে যতটুকু পারে ততটুকুই দিবে, বাকিটুকু প্রতিষ্ঠান বহন করবে। খরচ করতে অভ্যস্ত হওয়া ইলমের জন্য যেমন দরকার তেমনি দরকার নিজের ব্যক্তিত্ব গঠনের জন্য। এই অভ্যাস না থাকলে ব্যক্তিত্ব প্রতিষ্ঠিত হয় না। একজন লোক যত বড়ই হোক যদি অন্যকে দেওয়ার অভ্যাস তার মাঝে গড়ে না উঠে, কেবল গ্রহণ করেই সন্তুষ্ট থাকে, তাহলে কোনদিন তার মানসিকতা বড় হয় না। তার প্রতি মানুষের ভক্তি-শ্রদ্ধা জন্মায় না। মানুষ তাকে শ্রদ্ধার দৃষ্টিতে দেখে না। তাই সমাজে সে কোনো প্রভাবও রাখতে পারেনা, সে গলে যায় অর্থবিত্তের সামনে। এজন্য কেবল যোগ্যতাই যথেষ্ট নয়, যোগ্যতার ব্যবহারের জন্য এই ব্যক্তিত্বকেও ধরে রাখা অত্যন্ত জরুরি।


🎤শায়েখ আবুল বাশার সাইফুল ইসলাম হাফিজাহুল্লাহ।

শাইখুল হাদীস, জামিয়াতুল উলূমিল ইসলামিয়া ঢাকা (ঢাকা জামিয়া)

Want your school to be the top-listed School/college in Manikganj?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Manikganj