College of Knowledge

College of Knowledge We Will Provide online classes & videos about Civics & Political Science. I Think All Students of Bangladesh Can gather knowledge from this page. Thank You!

পবিত্র আখেরি চাহার সোম্বা উপলক্ষ্যে আজ বুধবার (১২ আগস্ট) দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ছুটি থাকবে। কিন্তু আখেরি চাহার সোম...
12/08/2026

পবিত্র আখেরি চাহার সোম্বা উপলক্ষ্যে আজ বুধবার (১২ আগস্ট) দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ছুটি থাকবে। কিন্তু আখেরি চাহার সোম্বা অর্থ কী? সেটা আমরা অনেকেই জানিনা। এ বিষয়ে জানতে নিচের পোস্টটি পড়ে দেখার অনুরোধ রইল।

আখেরি চাহার সোম্বা হলো আরবি হিজরি সনের সফর মাসের শেষ বুধবার। ফারসি ভাষায় 'আখেরি' অর্থ শেষ, 'চাহার' অর্থ চার বা দিন এবং 'সোম্বা' অর্থ বুধবার। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এই দিনে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) দীর্ঘ অসুস্থতার পর কিছুটা সুস্থতা বোধ করেছিলেন।

শব্দটির অর্থ ও পটভূমি: ফারসি ও আরবি শব্দ মিলে এর অর্থ দাঁড়ায় 'শেষ বুধবার'।

ঐতিহাসিক ধারণা: নবীজি (সা.) তাঁর জীবনের শেষ পর্যায়ে সফর মাসে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। এই মাসের শেষ বুধবার তাঁর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছিল বলে প্রচলিত আছে।

সাহাবিদের প্রতিক্রিয়া: নবীজির সুস্থতার খবরে খুশি হয়ে সে সময় সাহাবিরা আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেন এবং মুক্তহস্তে দান-সদকা করেন।

পালন ও সামাজিক প্রভাবইবাদত-বন্দেগী: উপমহাদেশসহ বিভিন্ন দেশের মুসলমানরা দিনটিতে নফল ইবাদত, জিকির-আজকার, দোয়া ও দান-সদকা করে থাকেন।

প্রাতিষ্ঠানিক ছুটি: বাংলাদেশে দিনটি উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঐচ্ছিক বা বিশেষ ছুটি থাকে, তবে এটি কোনো সাধারণ সরকারি ছুটি নয়।

ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গি: নির্দিষ্ট এই দিনটিকে কেন্দ্র করে আলাদা কোনো ফরজ বা ওয়াজিব ইবাদত বা বিশেষ ফজিলতের কথা কোরআন বা সহিহ হাদিসে বর্ণিত নেই বলে অনেক আলেম অভিমত দিয়েছেন।

17/07/2026

মাস্টারদা সূর্য সেন কে মাস্টার দ্যা বলে কেন❓

ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম মহানায়ক সূর্য সেন পেশায় একজন শিক্ষক ছিলেন। শিক্ষকতার পেশা এবং তাঁর নামের সাথে শ্রদ্ধাসূচক ‘দা’ (দাদা) শব্দটি যুক্ত হয়ে তিনি সর্বসাধারণের কাছে ‘মাস্টারদা’ (মাস্টার দা) নামে পরিচিত হন।

বিপ্লবী সূর্য সেন ১৯১৮ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের চট্টগ্রাম শাখার সভাপতি নির্বাচিত হন এবং পরবর্তীতে ন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত হন। তাঁর এই শিক্ষকতার পরিচয় এবং বিপ্লবী দলের তরুণ ও অনুসারীদের কাছে বড় ভাই বা শ্রদ্ধেয় দাদা হওয়ার কারণে তাঁকে সবাই ‘মাস্টারদা’ বলে ডাকতেন। Everyone

চিত্তরঞ্জন দাসকে দেশবন্ধু বলা হয় কেন❓ ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলন, দেশ ও গণমানুষের প্রতি নিঃস্বার্থ ভালোবাসা এবং অস...
16/07/2026

চিত্তরঞ্জন দাসকে দেশবন্ধু বলা হয় কেন❓

ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলন, দেশ ও গণমানুষের প্রতি নিঃস্বার্থ ভালোবাসা এবং অসামান্য ত্যাগের জন্য চিত্তরঞ্জন দাসকে 'দেশবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করা হয়। এর অর্থ 'দেশের বন্ধু'। তিনি তাঁর বিপুল আইনি পেশার আয় দেশের কল্যাণ ও গরিবদের মাঝে অকাতরে বিলিয়ে দিয়েছিলেন এবং হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতি রক্ষায় আজীবন কাজ করেছিলেন।

তাঁকে যে কারণে এই উপাধিতে ভূষিত করা হয়, তার প্রধান কারণগুলো হলো:

বিশাল সম্পত্তির ত্যাগ: তিনি ছিলেন সেকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও সর্বোচ্চ উপার্জনকারী ব্যারিস্টার। কিন্তু দেশের স্বাধীনতার জন্য তিনি তাঁর বিলাসবহুল জীবন ও বিপুল উপার্জন ছেড়ে দেন এবং নিজের সব সম্পদ দেশ ও মানুষের সেবায় দান করেন।

আন্দোলনে নেতৃত্ব ও কারাবরণ: অসহযোগ আন্দোলন ও স্বরাজ্য পার্টি প্রতিষ্ঠাসহ ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতিটি পদক্ষেপে তিনি অনন্য নেতৃত্ব দেন। দেশের জন্য তিনি একাধিকবার কারাবরণও করেন।

হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতি: তিনি জাত-পাত ও ধর্মের ঊর্ধ্বে উঠে অখণ্ড ভারতের স্বপ্ন দেখতেন। হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের জন্য তিনি বিখ্যাত 'বেঙ্গল প্যাক্ট' (Bengal Pact) প্রণয়ন করেছিলেন।

সমাজ সংস্কার: তিনি নারী মুক্তি, নারী শিক্ষা, অস্পৃশ্যতা দূরীকরণ এবং বিধবা বিবাহের মতো প্রগতিশীল সামাজিক সংস্কারের পক্ষে আজীবন কাজ করে গেছেন।

দানশীলতা: অনাথ, দরিদ্র ও স্বাধীনতা সংগ্রামীদের জন্য তাঁর হৃদয়ে অগাধ দরদ ছিল। সাহায্যপ্রার্থীরা তাঁর কাছে গেলে তিনি কখনোই তাদের খালি হাতে ফিরআতেন না।

দেশ ও জনগণের প্রতি এই গভীর মমত্ববোধের কারণে দেশের সাধারণ মানুষ তাঁকে অত্যন্ত ভালোবেসে 'দেশবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করে।

মাস্টারদা সূর্য সেন কে মাস্টার দ্যা বলে কেন❓ ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম মহানায়ক সূর্য সেন পেশায় একজন শিক্ষক ছিলে...
11/07/2026

মাস্টারদা সূর্য সেন কে মাস্টার দ্যা বলে কেন❓

ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম মহানায়ক সূর্য সেন পেশায় একজন শিক্ষক ছিলেন। শিক্ষকতার পেশা এবং তাঁর নামের সাথে শ্রদ্ধাসূচক ‘দা’ (দাদা) শব্দটি যুক্ত হয়ে তিনি সর্বসাধারণের কাছে ‘মাস্টারদা’ (মাস্টার দা) নামে পরিচিত হন।

বিপ্লবী সূর্য সেন ১৯১৮ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের চট্টগ্রাম শাখার সভাপতি নির্বাচিত হন এবং পরবর্তীতে ন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত হন। তাঁর এই শিক্ষকতার পরিচয় এবং বিপ্লবী দলের তরুণ ও অনুসারীদের কাছে বড় ভাই বা শ্রদ্ধেয় দাদা হওয়ার কারণে তাঁকে সবাই ‘মাস্টারদা’ বলে ডাকতেন।

আর্সেনিক দূষণ কি?আর্সেনিক দূষণ হলো একটি মারাত্মক পরিবেশগত ও স্বাস্থ্য সমস্যা, যা প্রাকৃতিকভাবে বা মানবসৃষ্ট কারণে মাটি, ...
16/06/2026

আর্সেনিক দূষণ কি?

আর্সেনিক দূষণ হলো একটি মারাত্মক পরিবেশগত ও স্বাস্থ্য সমস্যা, যা প্রাকৃতিকভাবে বা মানবসৃষ্ট কারণে মাটি, পানি বা বাতাসে বিষাক্ত আর্সেনিকের মাত্রাতিরিক্ত উপস্থিতির ফলে ঘটে। এটি দীর্ঘমেয়াদে মানবদেহে প্রবেশ করে প্রাণঘাতী বিষক্রিয়া (আর্সেনিকোসিস) তৈরি করে।

দূষণের প্রধান উৎস:

দূষিত ভূগর্ভস্থ পানি: আর্সেনিক দূষণের সবচেয়ে বড় কারণ হলো মাটির নিচের স্তর থেকে উত্তোলিত নলকূপের পানি পান করা।

খাদ্যশৃঙ্খল: আর্সেনিকযুক্ত পানি দিয়ে কৃষিকাজ করলে তা ফসল (যেমন: ধান) ও শাকসবজিতে ছড়ায়।

শিল্প ও খনি: কীটনাশক, তামাকের ধোঁয়া, এবং খনি বা শিল্পকারখানার বর্জ্য থেকেও আর্সেনিক পরিবেশে মিশে যায়।

স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব:

দীর্ঘদিন আর্সেনিকযুক্ত পানি পান করলে হাত ও পায়ের চামড়া শক্ত বা খসখসে হয়ে যাওয়া এবং কালো বা সাদা ছোপ ছোপ দাগ (মেলানোসিস ও কেরাটোসিস) দেখা দেয়。

মারাত্মক পর্যায়ে এটি ত্বক, ফুসফুস, মূত্রথলি ও কিডনির ক্যান্সারের কারণ হতে পারে。

শিশুদের বুদ্ধির বিকাশ বাধাগ্রস্ত হওয়া এবং গর্ভধারণে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।

প্রতিকার ও প্রতিরোধ:

পানি পরীক্ষা: নলকূপের পানিতে আর্সেনিকের মাত্রা পরীক্ষা করে নেওয়া。

বিকল্প পানির উৎস: আর্সেনিকমুক্ত নিরাপদ পানির জন্য রেইন ওয়াটার (বৃষ্টির পানি) সংরক্ষণ, পুকুরের বালু ফিল্টার (PSF) বা গভীর নলকূপ ব্যবহার করা।

ভূমিধসের কারণসমূহ ব্যাখ্যা কর?ভূমিধস হলো মাধ্যাকর্ষণ টানে পাহাড়-পর্বতের ঢাল বেয়ে মাটি, শিলা বা ধ্বংসস্তূপের বিরাট খণ্ড...
16/06/2026

ভূমিধসের কারণসমূহ ব্যাখ্যা কর?

ভূমিধস হলো মাধ্যাকর্ষণ টানে পাহাড়-পর্বতের ঢাল বেয়ে মাটি, শিলা বা ধ্বংসস্তূপের বিরাট খণ্ড নিচের দিকে ধসে পড়া। মূলত প্রাকৃতিক ও মনুষ্যসৃষ্ট—এই দুই প্রধান কারণে ভূমিধস ঘটে থাকে। প্রধান কারণগুলোর বিস্তারিত নিচে দেওয়া হলো:

১. প্রাকৃতিক কারণ (Natural Causes)

অতি বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢল: একটানা ভারী বৃষ্টিপাত হলে পানি মাটির গভীরে প্রবেশ করে। এতে মাটির ওজন ও অভ্যন্তরীণ পানির চাপ বৃদ্ধি পায় এবং মাটির আঠালো ভাব নষ্ট হয়ে কাদার মতো গলে নিচে নেমে আসে।

ভূমিকম্প: শক্তিশালী ভূমিকম্পের কারণে পাহাড়ের অস্থিতিশীল মাটি ও শিলাস্তর কেঁপে ওঠে এবং আলগা হয়ে যায়, যার ফলে মুহূর্তেই বড় ধরনের ধস নামতে পারে।

দুর্বল মাটির গঠন: যেসব পাহাড় বা ঢাল মূলত বালু, পলি বা দুর্বল শিলা দ্বারা গঠিত, সেগুলো স্বাভাবিকভাবেই ভূমিধসের বেশি ঝুঁকিতে থাকে।

নদী বা সমুদ্রের স্রোত: নদীর তীব্র স্রোত বা সমুদ্রের ঢেউয়ের আঘাতে পাহাড় বা উপত্যকার নিচের অংশ ক্ষয় হয়ে ভারসাম্য নষ্ট হয় এবং ওপরের অংশ ধসে পড়ে।

২. মনুষ্যসৃষ্ট কারণ (Human Causes)

নির্বিচারে বৃক্ষ নিধন: গাছপালা ও শিকড় মাটিকে শক্ত করে ধরে রাখে। পাহাড়ের গাছ কেটে ফেলা বা আগুনে পুড়িয়ে ফেলার ফলে মাটির প্রাকৃতিক বাঁধন দুর্বল হয়ে পড়ে।

অপরিকল্পিত পাহাড় কাটা: বসতি স্থাপন, রাস্তা তৈরি বা ইটভাটার জন্য পাহাড়ের পাদদেশ কেটে ফেলা হলে ওপরের অংশের ভারসাম্য নষ্ট হয় এবং বড় আকারের ধস নামে।

পাহাড়ের ঢালে ঝুঁকিপূর্ণ বসতি: পাহাড়ি অঞ্চলে অপরিকল্পিতভাবে ও নিয়ম না মেনে বসতবাড়ি গড়ে তোলা এবং পাহাড়ের ঢাল কেটে সমতল করার ফলে ভূমিধসের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।

ত্রুটিপূর্ণ নিষ্কাশন ব্যবস্থা: পাহাড়ি ঢালের স্বাভাবিক পানি নিষ্কাশন পথ বন্ধ করে দিলে বা জমে থাকা পানি মাটিতে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করলে ভূমিধস হতে পারে।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং মানবসৃষ্ট এসব ক্রিয়াকলাপের মিলিত প্রভাবেই সাধারণত ভূমিধসের মতো মারাত্মক বিপর্যয় ঘটে থাকে।

মার্কসীয় পরিবেশবাদ (Marxist Environmentalism) কি?মার্কসীয় পরিবেশবাদ (Marxist Environmentalism) বা পরিবেশ-সমাজতন্ত্র (E...
16/06/2026

মার্কসীয় পরিবেশবাদ (Marxist Environmentalism) কি?

মার্কসীয় পরিবেশবাদ (Marxist Environmentalism) বা পরিবেশ-সমাজতন্ত্র (Eco-socialism) হলো এমন একটি রাজনৈতিক ও তাত্ত্বিক দর্শন, যা পরিবেশ সংকটের মূল কারণ হিসেবে পুঁজিবাদী ব্যবস্থাকে দায়ী করে। এটি কার্ল মার্কস ও ফ্রেডরিখ এঙ্গেলসের চিন্তাধারার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে, যেখানে প্রকৃতি ও মানবসমাজকে একে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন না দেখে দ্বান্দ্বিকভাবে সংযুক্ত হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

এই দর্শনের মূল বৈশিষ্ট্য ও সারসংক্ষেপ নিচে তুলে ধরা হলো:

পুঁজিবাদ ও প্রকৃতির শোষণ: মার্কসীয় পরিবেশবাদীদের মতে, পুঁজিবাদী ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য হলো মুনাফার নিরন্তর বৃদ্ধি। এই ব্যবস্থায় প্রকৃতিকে একটি অফুরন্ত "সম্পদ" হিসেবে দেখা হয়, যাকে ব্যবহার করে অবাধে মুনাফা অর্জন করা যায়।

বিপাকীয় ফাটল (Metabolic Rift): কার্ল মার্কসের একটি অন্যতম প্রধান ধারণা হলো, পুঁজিবাদী শিল্পায়ন ও কৃষিকাজ মানুষের সাথে প্রকৃতির স্বাভাবিক আদান-প্রদান বা বিপাকীয় প্রক্রিয়ায় এক বিশাল ফাটল তৈরি করে। এর ফলে মাটির উর্বরাশক্তি হ্রাস পায়, সম্পদ ক্ষয় হয় এবং সামগ্রিক বাস্তুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

শ্রমিক ও পরিবেশের শোষণ: এই দর্শনে বিশ্বাস করা হয়, পুঁজিবাদ যেমন শ্রমিকদের শোষণ করে, ঠিক তেমনি প্রকৃতিকেও ধ্বংস ও শোষণ করে। বিখ্যাত পরিবেশবাদী চিকো মেন্ডেসের মতে, "শ্রেণিসংগ্রাম ছাড়া পরিবেশবাদ নিছকই বাগান পরিচর্যা।"

পরিবেশ-সমাজতন্ত্র (Eco-socialism): মার্কসীয় পরিবেশবাদীরা মনে করেন, ব্যক্তিমালিকানাধীন মুনাফাকেন্দ্রিক ব্যবস্থা বাতিল করে সম্পদের ওপর সামাজিক নিয়ন্ত্রণ ও সাম্যবাদী সমাজ প্রতিষ্ঠা করা ছাড়া পরিবেশ রক্ষা করা অসম্ভব।

পুনঃ নবায়নযোগ্য সম্পদ কাকে বলে?                  যেসব প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহারের ফলে নিঃশেষ হয়ে যায় না এবং প্রাকৃতিকভাবে...
16/06/2026

পুনঃ নবায়নযোগ্য সম্পদ কাকে বলে?

যেসব প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহারের ফলে নিঃশেষ হয়ে যায় না এবং প্রাকৃতিকভাবেই দ্রুত পুনরায় সৃষ্টি বা পূরণ হয়, সেগুলোকে নবায়নযোগ্য সম্পদ (Renewable Resources) বলে। এগুলি অনন্তকাল ধরে ব্যবহারযোগ্য এবং পরিবেশবান্ধব।

নবায়নযোগ্য সম্পদের প্রধান বৈশিষ্ট্যঃ

অক্ষয়যোগ্য: ক্রমাগত ব্যবহারের ফলেও এই সম্পদ ফুরিয়ে যায় না।

প্রাকৃতিক পুনরাবৃত্তি: প্রাকৃতিক নিয়মে বা চক্রাকারে এগুলো খুব দ্রুত পুনরায় ব্যবহারযোগ্য হয়ে ওঠে।

নবায়নযোগ্য সম্পদের উদাহরণঃ

সূর্যের আলো (Solar Energy)

বায়ু প্রবাহ (Wind Energy)

পানি (Water)

গাছপালা ও বনজ সম্পদ

ভূ-তাপীয় শক্তি (Geothermal)

ইত্যাদি!

মানব উন্নয়ন (Human Development) কি?মানব উন্নয়ন (Human Development) হলো মানুষের সামর্থ্য ও স্বাধীনতার পরিধি বাড়িয়ে তাদে...
16/06/2026

মানব উন্নয়ন (Human Development) কি?

মানব উন্নয়ন (Human Development) হলো মানুষের সামর্থ্য ও স্বাধীনতার পরিধি বাড়িয়ে তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করার একটি বহুমুখী প্রক্রিয়া। এটি কেবল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর নির্ভর না করে, মানুষের মৌলিক অধিকার, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং সামাজিক ক্ষমতায়নের ওপর জোর দেয়।

জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP)-এর মতে, মানব উন্নয়নের প্রধান তিনটি সূচক রয়েছে:

স্বাস্থ্য: দীর্ঘ ও সুস্থ জীবনযাপন এবং উন্নত চিকিৎসা সুবিধা প্রাপ্তি।

শিক্ষা: জ্ঞান অর্জন, সাক্ষরতা এবং বিদ্যালয়ে যাওয়ার সুযোগ।

জীবনযাত্রার মান: একটি শালীন বা উন্নত জীবনযাপনের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থনৈতিক সম্পদের (মাথাপিছু আয়) সহজলভ্যতা।

মানব উন্নয়নের মূল লক্ষ্য হলো মানুষকে নিজের জীবন নিজের মতো করে সাজানোর সুযোগ তৈরি করে দেওয়া, যাতে তারা সমাজ ও রাষ্ট্রে সক্রিয় অবদান রাখতে পারে।

পরিবেশ রাজনীতি কি?পরিবেশ রাজনীতি হলো এমন একটি রাজনৈতিক ক্ষেত্র, যা প্রাকৃতিক পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং প্রাকৃতিক সম্প...
16/06/2026

পরিবেশ রাজনীতি কি?

পরিবেশ রাজনীতি হলো এমন একটি রাজনৈতিক ক্ষেত্র, যা প্রাকৃতিক পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহার ও সংরক্ষণের সাথে রাজনৈতিক ক্ষমতা, নীতিনির্ধারণ এবং সামাজিক আন্দোলনের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করে। এটি বিশ্লেষণ করে কীভাবে সরকার, বিভিন্ন গোষ্ঠী ও মানুষ পরিবেশগত সমস্যা মোকাবিলা করে এবং অর্থনীতি ও পরিবেশের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখে।

পরিবেশ রাজনীতির মূল দিকগুলো:

নীতিনির্ধারণ ও শাসন: সরকার কীভাবে জলবায়ু পরিবর্তন, দূষণ রোধ এবং বন উজাড়ের বিরুদ্ধে আইন তৈরি ও প্রয়োগ করে।

সামাজিক আন্দোলন: পরিবেশ রক্ষায় সাধারণ মানুষের প্রতিবাদ, যেমন—গ্রিনপিস (Greenpeace) বা বিভিন্ন স্থানীয় পরিবেশ সংরক্ষণ আন্দোলন।

অর্থনৈতিক দ্বন্দ্ব: অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং পরিবেশ সংরক্ষণের মধ্যকার বিতর্ক ও স্বার্থের সংঘাত।

Address

Manikganj
1800

Telephone

+8801832231231

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when College of Knowledge posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to College of Knowledge:

Shortcuts

Share

Category