20/01/2025
একদিন এক কৌতূহলী ছেলে এক জ্ঞানী বৃদ্ধের কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করল, “জীবনে সবচেয়ে মূল্যবান জিনিস কী?”
বৃদ্ধ ধীরস্থিরভাবে উত্তর দিলেন, “জীবনে সবচেয়ে মূল্যবান জিনিস হলো সময়।”
ছেলেটি ভ্রু কুঁচকে বলল, “সময়? টাকা, খ্যাতি, কিংবা ক্ষমতা নয়?”
বৃদ্ধ হেসে বললেন, “না, কারণ টাকা তুমি উপার্জন করতে পারো, খ্যাতি অর্জন করতে পারো, ক্ষমতাও পেতে পারো। কিন্তু সময়? একবার চলে গেলে, তা আর ফিরে আসে না।”
ছেলেটি ভাবল, তারপর বলল, “কিন্তু টাকা দিয়ে কি সময় কেনা যায় না?”
বৃদ্ধ আরও হাসলেন। “টাকা দিয়ে তুমি ঘড়ি কিনতে পারো, কিন্তু সময় নয়। এবং যদি সময় কিনতে পারতে, তার কোনো মূল্য থাকত না যদি তুমি এটি সঠিকভাবে ব্যবহার করার বুদ্ধি না রাখতে।”
“তাহলে আমি কীভাবে আমার সময়কে সর্বোচ্চ কাজে লাগাব?” ছেলেটি জিজ্ঞেস করল।
বৃদ্ধ একটু থেমে বললেন, “সময়কে সঠিকভাবে কাজে লাগানোর মূলমন্ত্র হলো এটি এমন কাজে ব্যবহার করা যা তোমার চারপাশের মানুষ এবং পৃথিবীকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে। নিজের স্বার্থের বাইরে গিয়ে অন্যকে সাহায্য করো। এমন কিছু শিখো যা তোমাকে আরও সমৃদ্ধ করবে। তোমার আবেগ আর স্বপ্নের পেছনে ছুটো। আর সব সময় মনে রেখো, প্রতিটি মুহূর্তই একটি উপহার। এটিকে অপচয় কোরো না।”
ছেলেটি গভীরভাবে চিন্তা করল। “সময়কে কীভাবে উপহার হিসেবে দেখা যায়?”
বৃদ্ধ বললেন, “প্রতিটি সূর্যোদয় একটি নতুন সুযোগ, প্রতিটি দিন তোমার আমলনামার একেকটি পৃষ্টা। তুমি কীভাবে এটি লিখবে, সেটি তোমার হাতে। তুমি যদি জীবনের ছোট ছোট মুহূর্তগুলো উপভোগ করতে পারো, যদি অন্যদের জন্য কিছু করে যাও, তবে প্রতিটি দিনই তোমার কাছে বিশেষ হয়ে উঠবে।”
সেদিন থেকে ছেলেটি তার সময়কে নতুন দৃষ্টিতে দেখতে শিখল। সে প্রতিটি দিন এমনভাবে কাটাতে লাগল যেন সেটি তার জীবনের সেরা দিন। সে মানুষের পাশে দাঁড়াল, নতুন কিছু শিখল, নিজের স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে গেল।
বছর শেষে, বৃদ্ধ তাকে দেখে বললেন, “দেখো, তুমি সময়কে যেভাবে ব্যবহার করেছ, সেটিই তোমার জীবনের গল্পকে বিশেষ করে তুলেছে। এটা চালিয়ে যাও। কারণ জীবন সত্যিই সুন্দর, যদি আমরা সময়কে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারি।”
তোমার প্রতিটি মুহূর্তই মূল্যবান। এটি এমন কাজে ব্যয় করো যা তোমার হৃদয় ও আত্মাকে পূর্ণ করে, এবং পৃথিবীকে একটি সুন্দর জায়গায় পরিণত করে। সময়ের সঠিক ব্যবহারই জীবনকে অর্থপূর্ণ করে।
সংগৃহীত
12/01/2025
জীবনানন্দ দাশ তাঁর ডায়েরিতে লিখেছেন :
========================
'যখন আমি আমার পরিত্যক্ত ছোট্ট মেয়েটির কথা ভাবি, উদলা টুরটুর করে হাঁটছে এবং সকলের দিকে তাকাচ্ছে, যেখানে সব্বাই সহানুভূতিহীন, আমার চোখের জল বাঁধ মানে না'।
কবিতায় লিখছেন :
'আমার এ ছোটো মেয়ে - সব শেষ মেয়ে এই
শুয়ে আছে বিছানার পাশে...
ভুলে যাই ওর কথা - আমার প্রথম মেয়ে সেই
মেঘ দিয়ে ভেসে আসে যেন
বলে এসে : 'বাবা, তুমি ভালো আছো? ভালো আছো? ভালবাসো'?
হাতখানা ধরি তার : ধোঁয়া শুধু
কাপড়ের মতো সাদা মুখখানা কেন!
তবু তারে চাই আমি - তারে শুধু - পৃথিবীতে আর কিছু নয়...'
চিদানন্দ দাশগুপ্তকে চিঠিতে দুঃখ করে সন্তানের পরীক্ষায় ব্যর্থতার কথা জানাচ্ছেন। নিজের সন্তান কুশ্রী হওয়ার জন্য নিজের চেহারাকে দায়ী করছেন।
মেয়ে মঞ্জুশ্রী (১৯৩১-৫৫) যেন কক্ষপথ হারা কোনও গ্রহ। জীবনটাকে কোনওদিনই জুতসই করে বুনতে পারলেন না। ট্রেন থেকে নামার সময় ভুলে গিয়ে বাবার অনেকগুলো খাতা হারিয়ে ফেললেন, অনেক খাতা বন্ধুবান্ধবদের দিয়ে আর ফেরত নিলেন না।
আবার বাবাকে নিয়ে পি.এইচ.ডিও শুরু করলেন।থিসিসটা পড়তে পড়তে বুকে পাথর চেপে বসে। দুয়ারে দুয়ারে ঘুরে মৃত বাবার সম্পর্কে সাক্ষাৎকার সংগ্রহ করছেন। বাবার মতো কোনও চাকরিই টিকিয়ে রাখতেন পারতেন না। জার্মানির বন শহর থেকে কাশ্মীর-পাঞ্জাব কোথাও থিতু হতে পারেননি। সাউথ পয়েন্ট স্কুল থেকে বাংলা একাডেমি থেকে রবীন্দ্র ভারতী কোথায় না চাকরি করেছেন! ব্যক্তিগত জীবনে অনেকের সঙ্গে সম্পর্ক থাকলেও, এমনকি বিয়ে করলেও, কোথাও স্থায়ীভাবে নোঙর ফেলতে পারেন নি। কবিতা লিখতেন যে মেয়েটি!
বাউলমনে মঞ্জুশ্রী যেদিন মারা গেলেন, শুনেছি সামান্য টাকার জন্য তাঁকে দাহ করা যাচ্ছিল না। শ্রদ্ধেয় সুমিতা চক্রবর্তীর সহযোগিতায় তা শেষ অবধি সম্পন্ন হয়। হ্যাঁ, জীবনানন্দ দাশের মেয়ের এই করুণ পরিণতি। ছেলে তো আগেই কোনও মানসিক কেন্দ্র হয়ে পিজি হাসপাতালে রোগভোগে মারা গেছেন। কবির বড়ো আদরের মেয়ে ছিল মঞ্জু। ডায়েরির পাতায় পাতায় তার সাক্ষ্য।
কে একটি ছোট মেয়ে 'বাবা' 'বাবা' বলে ডাকে...মঞ্জুর মতো শোনায়।
সাদা চাদরের মতো বাতাসেরে জড়াল সে একবার...
09/01/2025
#শিক্ষনীয়_গল্প
#মা_অংক_বোঝে_না!
এক চামচ ভাত চাইলে প্লেটে দুই-তিন চামচ তুলে দেয়। কোথাও যাওয়ার সময় আমি পঞ্চাশ টাকা চাইলে একশ টাকা পকেটে ঢুকিয়ে দেয়।
মা ইংরেজিও জানে না!
'I hate you' বললে মানে না বুঝে আমাকে ভালোবেসে বুকে টেনে নেয়।
মা মিথ্যেবাদী!
না খেয়ে বলে খেয়েছি। পেটে খিদে থাকা সত্ত্বেও নিজে না খেয়ে প্রিয় খাবারটা আমার জন্য যত্ন করে তুলে রাখে।
মা বোকা!
সারাজীবন চিনির বলদের মতো সংসারের উন্নতির পিছনে ছুটে কাটিয়ে দেয়।
মা চোর!
আমি বন্ধুদের সাথে পিকনিকে যাবে শুনলে বাবার পকেট থেকে টাকা চুরি করে আমার হাতে গুঁজে দেয়।
মা নির্লজ্জ!
মাকে কতবার বলি আমার জিনিসে যেন হাত না দেয়। তবুও মা নির্লজ্জের মতো আমার এলোমেলো পড়ে থাকা জিনিসগুলো নিজের হাতে গুছিয়ে রাখে।
মা বেহায়া!
আমি কথা না বললেও জোর করে এসে বেহায়ার মতো গায়ে পড়ে কথা বলে। রাতে ঘুমের ঘোরে আমাকে দরজা দিয়ে উঁকি মেরে দেখে যায়।
মায়ের কোনো কমনসেন্স নেই!
আমার প্লেটে খাবার কম দেখলে 'খোকা এত কম খাচ্ছিস কেন?' বলে সবার সামনেই জোর করে খাওয়ায়। মায়ের চোখে আমার স্বাস্থ্য কখনো ভালো হয় না!
মা কেয়ারলেস!
নিজে কোমরের ব্যথায় ধুঁকে ধুঁকে মারা গেলেও কখনো ডাক্তার দেখানোর কথা বলে না। অথচ আমার একটা কাশিতে তার দিনটা যেন ওলটপালট হয়ে যায়।
মা আনস্মার্ট!
মা নতুন দামী শাড়ি পড়ে না। ভ্যানিটি ব্যাগ ঝুলিয়ে, স্মার্টফোন হাতে নিয়ে ঘুরতেও যায় না। সারাদিন সন্তানের ভালোমন্দের কথা চিন্তা করে কাটিয়ে দেয়।
মা স্বার্থপর!
নিজের সন্তান ও স্বামীর জন্য মা দুনিয়ার সব কিছু ত্যাগ করতে পারে।
পৃথিবীর সবচেয়ে খারাপ মানুষ হচ্ছে মা। তাই বুঝি আমরা সন্তানেরা তাদের এত কষ্ট দিই। তবুও তাদের পরিবর্তন হয় না। প্রতিদিন এসব আচরণ তারা বারবার করে। নিজের পায়ে দাঁড়াতে শিখেই আমরা তাদেরকে আমাদের জীবন থেকে দূরে সরিয়ে রাখি। তবুও তারা নির্বোধের মতো সৃষ্টিকর্তার কাছে আমাদের জন্য প্রার্থনা করে। সারাজীবন তারা আমাদের ভালোবাসা দিয়েই যায়, বিনিময়ে শুধু দিনে একবার হলেও সন্তানের মুখে আদরের 'মা' ডাক শুনতে চায়!
07/01/2025
সিঙ্গাপুরে একটি স্কুলের প্রিন্সিপাল পরীক্ষার আগে অভিভাবকদের কাছে একটি চিঠি লিখেছেন, চিঠিটির বাংলায় অনুবাদ :
প্রিয় অভিভাবক,
কয়েক দিনের মধ্যেই আপনার সন্তানের পরীক্ষা শুরু হবে। আমি জানি, আপনারা খুব আশা করছেন যে, আপনাদের ছেলে-মেয়েরা পরীক্ষায় খুব ভালো রেজাল্ট করবে।
👉একটা বিষয় মনে রাখবেন যে, যারা পরীক্ষা দিতে বসবে, তাদের মধ্যে একজন নিশ্চয়ই ভবিষ্যতে শিল্পী হবে, যার গণিত শেখার কোনো দরকার নেই।
👉একজন নিশ্চয়ই ভবিষ্যতে উদ্যোক্তা হবে, যার ইতিহাস কিংবা ইংরেজি সাহিত্যে পাণ্ডিত্যের প্রয়োজন নেই।
👉একজন সংগীতশিল্পী হবে, যে রসায়নে কত নম্বর পেয়েছে তাতে তাঁর ভবিষ্যতে কিছু আসে-যায় না ৷
👉একজন খেলোয়াড় হবে, তাঁর শারীরিক দক্ষতা পদার্থবিজ্ঞান থেকে বেশি জরুরি।
👉যদি আপনার ছেলে বা মেয়ে পরীক্ষায় খুব ভালো নম্বর পায়, সেটা হবে খুবই চমৎকার। কিন্তু যদি না পায়, তাহলে প্লিজ, তাদের নিজেদের ওপর বিশ্বাস কিংবা সম্মানটুকু কেড়ে নেবেন না।
👉তাদেরকে বুঝিয়ে বলবেন যে, পরীক্ষার নম্বর নিয়ে যেন তারা মাথা না ঘামায়, এটা তো একটা পরীক্ষা ছাড়া আর কিছুই নয়। তাদেরকে জীবনে আরো অনেক বড় কিছু করার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।
👉আপনি আপনার সন্তানকে আজই বলুন যে, সে পরীক্ষায় যত নম্বরই পাক, আপনি সব সময় তাকে ভালোবাসেন এবং কখনোই পরীক্ষার নম্বর দিয়ে তার বিচার করবেন না!
👉প্লিজ, এই কাজটি করুন, যখন এটা করবেন দেখবেন যে, আপনার সন্তান একদিন পৃথিবীটাকে জয় করবে!
👉একটি পরীক্ষা কিংবা একটি পরীক্ষায় কম নম্বর কখনোই তাদের স্বপ্ন কিংবা মেধা কেড়ে নিতে পারবে না ৷
👉প্লিজ, আরেকটা কথা মনে রাখবেন যে, এই পৃথিবীতে কেবল ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, অফিসার, প্রফেসর বা আইনজীবীরাই একমাত্ৰ সুখী মানুষ নন!
05/01/2025
উঠতি বয়সে প্রায় সব মেয়েদেরই প্রচন্ড বিয়ের মোহ থাকে। সারাক্ষন দু’চোখ দিয়ে চারপাশে শুধু সুন্দর ছেলে খুঁজে বেড়ায়। এ বয়সে মেয়েরা প্রেমে পড়লেই বিয়ের জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠে। এমন কি পালিয়ে বিয়ে করতেও এক পায়ে প্রস্তুত থাকে তারা।
কিন্তু যদি না কারো সাথে দীর্ঘ ও গভীর কোন এফেয়ার থাকে, বয়স বাড়লে, শিক্ষিত হলে, বিয়ের প্রতি তাদের অধিকাংশেরই একটা অনীহা জন্ম নেয়। পড়ালেখা করে ক্যারিয়ার গড়বার এক দুরন্ত জেদ চেপে বসে তাদের মনে। সে সময়ে অনেক ছেলেকে ভালো লাগলেও পছন্দ করবার মতো যোগ্য ছেলেটিকে তারা তখন আর খুঁজে পায় না কিংবা খোঁজার গরজও বোধ করে না।
এরপর প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পুরুষদের পাশাপাশি যোগ্যতার প্রমান দেয়ার প্রচন্ড নেশা চাপে তাদের। সে পরীক্ষায় অনেকে সাফল্যও পায়। তারপর চলে নিজের পায়ে দাঁড়াবার, স্বাবলম্বী হবার সংগ্রাম, নিজেকে গুছিয়ে নেয়ার সংগ্রাম।
কিন্তু ততোদিনে পদ্মা যমুনার জল গড়িয়ে যায় অনেক। মেঘে মেঘে হয়ে যায় অনেক বেলা। খরচ হয়ে যায় আয়ুর সোনালী অধ্যায়। বিয়ের বাজারে নিজের চাইতে যোগ্য ছেলে খুঁজে পাওয়া তখন দুস্কর হয়ে দাঁড়ায় তাদের জন্য। প্রচন্ড মেধাবী যে মেয়েটি অনার্স, মাস্টার্স পাশ করে phd শেষ করে ফেলে, কিংবা হয়ে যায় BCS ক্যাডার, বিয়ের বাজারে তারচেয়ে অধিক যোগ্যতাসম্পন্ন পাত্রের খোঁজ করতে গিয়ে এক বিশাল ধাক্কা খায় সে—তিরিশ প্লাস যোগ্য পাত্রগুলি তার তিরিশ প্লাস বয়সটার দিকে আড়চোখে তাকিয়ে মুখ ঘুরিয়ে নেয়।
একুশ বাইশ বয়সের যুবতীর বর্ণিল স্বপ্নগুলি তিরিশ পেরিয়ে বিবর্ণ হয়ে পড়ে। তার একদা উপচে পড়া চকচকে যৌবনের কোথাও কোথাও গোপন মরচে পড়ে। তার বিশাল আর আলো ঝলমলে পৃথিবীতে রাত নামতে থাকে। এই পৃথিবীতে একটা নিরাপদ আশ্রয় আর অবলম্বন ছাড়া যে সে ভীষন অসহায়, এতোদিন পর এই নির্মম সত্য অনুধাবন করে সে কাঁপতে থাকে অনিশ্চয়তায়। স্বামী সন্তান নিয়ে একটা ছোট্ট সুখী সংসারের জন্য সে সারা জীবনের কষ্টার্জিত সকল ডিগ্রী ও যোগ্যতা বিসর্জন দিতেও প্রস্তুত হয়ে পড়ে।
পাত্রী দের অবস্থা কেমন হয় তখন ???
============================
০১। ফ্রেন্ডলিস্টের একজন নারী সফল BCS যিনি ৩৪ বছর বয়সে এসে 'যোগ্য' পাত্র খোঁজা বন্ধ করে এখন 'মোটামুটি' মার্কা পাত্র খুঁজছেন। কতোটা কম্প্রোমাইজ ভাবা যায়???
০২। ফ্রেন্ডলিস্টের একজন ডাক্তার। ৬ বছর ধরে 'যোগ্য' পাত্র খুঁজতে খুঁজতে তিনি নিজেই অযোগ্য হবার যোগাড় হয়ে পড়েছেন। বয়স ৩৫ চলছে। ওনার পরিবারের প্রথম টার্গেট ছিল ডাক্তার পাত্র ছাড়া বিয়ে করবে না। ২৯ বছর বয়সে যখন বিয়ের সিদ্ধান্ত নিলো তখন কিছু সিনিয়র অবিবাহিত ডাক্তার পাত্র পাওয়া যাচ্ছিল, কিন্তু সেগুলো তাদের পছন্দ হচ্ছিল না। পাত্র খুঁজতে খুঁজতে বয়স এখন ৩৫ এ এসে দাঁড়িয়েছে। এখন আর ডাক্তার পাত্র পাচ্ছে না। মনে হয় আর পাবেনও না। এখন 'কম্পাউন্ডার' ছেলে পেলেও চলবে। ইভেন জুনিয়র ডাক্তার বা ওষুধের দোকানের মালিক কোন ব্যাপার না।
০৩। এই আপা একজন উচ্চশিক্ষিত, বিদেশে উচ্চতর ডিগ্রী নিতে গিয়ে বিয়ের বয়স পার হয়ে গেছে। ওনার জীবনের লক্ষ্যই ছিল উচ্চতর ডিগ্রী নেয়া। সেই লক্ষ্য পূরণ হয়েছে কিন্তু ততোদিনে বিয়ের বয়স পার হয়ে গেছে। এখন এতো এতো ডিগ্রী সত্বেও পাত্র পাচ্ছেন না। ওনার বয়স এখন ৩৮/৩৯।
আসলে সময়ের কাজ সময় থাকতেই করতে হয়। লেখাপড়া, ক্যারিয়ার ইত্যাদির জন্য অনেক মেয়ে বিয়ের ব্যাপারে উদাসীন থাকেন।
কিন্তু যতো বড় ক্যারিয়ার থাকুক না কেন ছেলেরা চাইবে তার চাইতে মিনিমাম ৫/৬ বছর জুনিয়র মেয়েকে বিয়ে করতে। সেই হিসেবে শিক্ষিত সমাজে সবচেয়ে বেশি ডিমান্ডের মেয়েরা হয় ২০/২১ থেকে ২৬ বছর বয়সী।
অফিসে এক সিনিয়র কলিগ বললো-- "একটা সময় টাকার অভাবে চুলে শ্যাম্পু দিতে পারতাম না, আর এখন চুলের অভাবে শ্যাম্পু দিতে পারি না"।
সুতরাং সঠিক সময় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
একজন বলেছিল-- বিয়ে প্রেম আবেগের বশেই হয়ে যাওয়া উচিত। বিবেক এসে গেলে সেটা আর সঠিক বয়সে হয় না।
30/12/2024
#শিক্ষনীয়_গল্প
.......সমাজ/কাছের মানুষ থেকে পাওয়া শিক্ষা।
মাঝে মাঝে কেউ মিথ্যা বললে ,তুমি তা বুঝতে পারো কিন্তু তা রিয়েক্ট না করে তুমি নিশ্চুপ থাকো ।তার অর্থ হলো জীবন তোমাকে ম্যাচিউর করে তোলার শিক্ষাটা ভালো ভাবে দিয়ে দিয়েছে ।
তোমার অনেক কথা বলার আছে ! কিন্তু তুমি চুপ থাকাটা বেছে নিয়েছো তার অর্থটা দাঁড়ায় ,রেনডম মানুষের ক্রমাগত নাটক দেখতে দেখতে তুমি ক্লান্ত হয়ে পরেছো ।কখনো কখনো প্রচন্ড ভিরের মাঝেও তুমি নিজেকে একা অনুভব করো !এ অনুভূতি তোমার জন্ম হয়েছে কারন ভূল সম্পর্ক গুলো তোমাকে একের পর এক কষ্ট দিয়ে চলে গেছে জীবন থেকে তাই !
অনেক মানুষ তোমার চারিপাশে অথচ তোমাকে বোঝার মত একটা মানুষ ও নাই এর অর্থ হলো নিজেকে সবার প্রয়োজনে এত বিলিয়ে দিয়েছো যে কেউ কেউ ধরেই নিয়েছে তোমার কাছ থেকে তারা সব সময় কেয়ার পাওয়াটা ওদের জন্মগত অধিকার ।মানুষই একমাত্র প্রানী যারা স্বার্থের জন্য অন্য মানুষকে ব্যবহার করে । আর প্রয়োজন ফুরালে যখন তোমার কাছ থেকে বেনিফিট পায়না তখন তোমার আগোচরে বদনাম করে ।
তারপর একদিন কাঠের চশমা পরে বলে আপনি যেনো কে? তাই নীরবে এই সব মানুষগুলোর কাছ থেকে দূরে সরে আসাটা বোকামী নয় বরং বলব ম্যাচুরিটি ।
ভুলভাল মানুষগুলো দিয়ে জীবন সাজানোর চাইতে একা থাকা অনেক শান্তির । একাকীত্ব তোমার সাথে কখনই চিট করবে না । তোমাকে অনাকাংখিত স্বপ্ন দেখিয়ে কখনও কষ্ট দিবে না।
একা সবাই থাকতে পারেনা । একা থাকতে হলে অনেক শক্তি ও সাহসের প্রয়োজন হয় ।এই যোগ্যতা যে একবার অর্জন করে তার জীবনে মোটেই কিচ্ছু যায় আসেনা তার জীবনে কে থাকল অথবা কে বা না থাকল তাই নিয়ে । ধরে নিবা জীবন তোমাকে পছন্দ করে যথেষ্ট শিক্ষা দিয়ে ফেলেছে বলেই , তুমি একা থাকা শিখে গেছো । কোন অনাকাংখিত নাটকে নিজেকে কিভাবে না জড়িয়ে রাখতে হয় তা জীবন তোমাকে বুঝিয়ে দিয়েছে ।
আত্মবিশ্বাস
26/12/2024
#মেয়েদের_সুখী_হবার_গোপন_সূত্র:
=======================
একজন স্বামী তার স্ত্রীকে কখন পাগলের মত ভালোবাসে জানেন???
এক বৃদ্ধা মহিলার সাক্ষাৎকার। যিনি তাঁর স্বামীর সাথে সফলতার সাথে কাটিয়ে দিলেন দীর্ঘ পঞ্চাশটি বছর। তাদের জীবন শান্তিতে ভরপুর ছিল। ঝগড়া তো দুরের কথা, দাম্পত্য জীবনে কখনো কথা কাটাকাটি পর্যন্ত হয়নি।
🎇একজন সাংবাদিক এই বৃদ্ধার কাছে তার পঞ্চাশ বছরের স্থায়ী সফলতার রহস্যের ব্যপারে জানতে চাইলেন।
কী ছিল সে রহস্য? মজার মজার খাবার বানানো? দৈহিক সৌন্দর্য? বেশী সন্তান জন্ম দেয়া? নাকি অন্যকিছু?
👉বৃদ্ধা বললেন, দাম্পত্য জীবনের সুখ শান্তি প্রথমত আল্লাহর ইচ্ছা অতপর স্ত্রীর হাতেই। একজন স্ত্রী চাইলে তার ঘরটাকে জান্নাতের টুকরো বানাতে পারেন আবার চাইলে এটাকে জাহান্নামেও পরিনত করতে পারেন।
👉কীভাবে? অর্থ দিয়ে? তা তো হতে পারে না। কেননা অনেক অর্থশালী মহিলা আছেন, যাদের জীবনে দুঃখ দুর্দশার শেষ নেই, যাদের স্বামী তাদের কাছেই ভিড়তে চান না।
👉সন্তান জন্ম দান? না, তাও নয়। কারণ, অনেক মহিলা আছেন, যাদের অনেক সন্তান আছে, অথচ স্বামী পছন্দ করেননা। এমনকি এ অবস্থায় তালাক দেওয়ার নজিরও কম নয়।
👉ভালো খাবার বানানো? এটাও না, কারণ অনেক মহিলা আছেন, যারা রান্না বান্নায় বেশ দক্ষ, সারা দিন রান্না ঘরে কাজ করে, অথচ স্বামীর দুর্ব্যবহারের সম্মুখীন হন।
🎇তার কথায় সাংবাদিক বিস্মিত হয়ে গেলেন। বললেন, তাহলে আসল রহস্যটা কী? বৃদ্ধা বললেন, যখনই আমার স্বামী রেগে গিয়ে আমাকে বকাবকি করতেন, আমি অত্যন্ত সম্মান দেখিয়ে নিরবতা অবলম্বন করতাম এবং অনুতপ্ত হয়ে মাথা দুলিয়ে তার প্রতিটি কথায় সায় দিতাম।
সাবধান! বিদ্রুপের দৃষ্টিতে কখনো চুপ হয়ে থেকো না, কেননা পুরুষ মানুষ বিচক্ষণ হয়ে থাকে, এটা সহজেই বুঝতে পারে।
🎇সাংবাদিক: ঐ সময় আপনি ঘর থেকে বের হয়ে যান না কেন?
বৃদ্ধা: সাবধান! সেটা কখনো করবেননা। তখন তিনি মনে করবেন, আপনি তাঁর কথায় বিরক্ত হয়ে পালাতে চাচ্ছেন। আপনার উচিত, চুপ থেকে ওর প্রতিটি কথায় হা সুচক সায় দেওয়া, যতক্ষণ না তিনি শান্ত হন।
🎇অতপর আমি তাকে বলি, আপনার শেষ হয়েছে? এবার আমি যেতে পারি? তারপর আমি চলে যাই, আর আপন কাজে লেগে যাই। কারণ চিৎকার করে তিনি ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন, তার বিশ্রাম প্রয়োজন।
👉সাংবাদিক: এরপর কি করেন? এক সপ্তাহ খানেক তার থেকে দূরে থাকেন, এবং কথা বলা বন্ধ রাখেন নিশ্চয়?
বৃদ্ধা: সাবধান! এধরনের বদভ্যাস থেকে দূরে থাকুন।
যা দুধারী তরবারির চেয়েও মারাত্মক। স্বামী যখন আপনার সাথে আপোষ করতে চান তখন যদি আপনি তার কাছে না যান, তখন তিনি একা থাকতে অভ্যস্ত হয়ে যাবেন। কখনো কখনো এ অবস্থা তাকে প্রচন্ড জিদের দিকে ঠেলে দেবে।
🎇সাংবাদিক: তাহলে কি করবেন তখন?
বৃদ্ধা: দুই ঘন্টা পর এক গ্লাস দুধ বা এক কাপ গরম চা নিয়ে তার কাছে যাই, আর বলি, নিন, এগুলো খেয়ে নিন, আপনি খুব ক্লান্ত। এসময় তার সাথে অত্যন্ত স্বাভাবিক ভাবেই কথা বলি। তারপর তিনি বলেন, রাগ করেছো? আমি বলি, না।
তারপর, তার দূর্ব্যবহারে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং স্নেহ ও ভালোবাসার কথা বলেন।
🎇সাংবাদিক: আপনি কি তার কথা তখন বিশ্বাস করেন?
বৃদ্ধা: অবশ্যই। কেন নয়? শান্ত থাকা অবস্থায় যা বলেন তা বিশ্বাস না করে, রাগান্বিত অবস্থায় যা বলেন তা বিশ্বাস করব?
🎇সাংবাদিক: তাহলে আপনার ব্যক্তিত্ব?
বৃদ্ধা: আমার স্বামীর সন্তুষ্টিই আমার ব্যক্তিত্ব। আমাদের স্বচ্ছ সম্পর্কই আমাদের ব্যক্তিত্ব। আর স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কোন ব্যক্তিত্ব থাকে না। যার সামনে তুমি পুরোপুরি ভাবে বস্ত্রমুক্ত হয়েছ, তার কাছে আবার কিসের ব্যক্তিত্ব?
゚
゚
26/12/2024
লোকটা মারা যাওয়ার আগে তার নাতিকে তিনটা উপদেশ দিয়ে গেল....😴😴😴
১. ঘরের বউকে কখনও মনের কথা বলবি না!!🤐😶
২. বাড়ির সামনে কখনও বড়ই এর গাছ লাগাবি না!!✌😑
৩. পুলিশের সাথে কখনও বন্ধুত্ব করবি না!!🙃🤐
দাদা মারা যাওয়ার পর নাতির মাথায় সারাক্ষণ একটাই চিন্তা। দাদা কেন এই কাজগুলো নিষেধ করে গেল? নাতির মনে একটা সময় জেদ চেপে বসলো, সে ভাবলো দাদার নিষেধ করা কাজগুলো সে করবে, এবং দেখবে কী ঘটে!😴😴🤥
যেই কথা সেই কাজ। সে সর্বপ্রথম একজন পুলিশের সাথে ইনিয়ে বিনিয়ে বন্ধুত্ব করলো। মাঝে মাঝেই সেই পুলিশ বন্ধুকে বাড়িতে নিয়ে এসে দাওয়াত খাওয়ানো শুরু করলো। পাশাপাশি বাড়ির সদর দরজার সামনে একটি বড়ই গাছ লাগালো। বাকি থাকলো বউয়ের কাছে মনের কথা বলা...🤭🤭🤭
সে বসে বসে প্লান করলো, বউকে মনের কোন কথাটা বলা যায়...😑
সে বাজারে গেল। তিনটা ডাব কিনলো। তিনটা গামছা কিনলো। তারপর দোকান থেকে কিছু লাল রং কিনলো। তারপর বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে পুকুরঘাটে বসে ডাবের উপর লাল রং মেশালো। রং মেশানোর পর গামছা দিয়ে ডাব এমনভাবে পেচিয়ে ফেললে যাতে দেখে মনে হয় গামছার ভিতরে মানুষের কাটা মাথা...🥴🥴🥴
তারপর দৌড়াতে দৌড়াতে বাড়িতে এসেই ভং ধরে বউকে বললো, আমি তো তিনটা মানুষকে খুন করে ফেলছি! তুমি এই কথা কাউকে বইলো না প্লিজ...😰🙏
তারপর স্বামী স্ত্রী দুজনে মিলে একটা গর্ত করলো, সেই গর্তে তিনটা ডাব ( পড়ুন কাটা মাথা ) পুঁতে রাখলো। তারপর অনেক দিন কেটে গেল। কোনো প্রকার সমস্যায় হল না...😯😯
নাতি বসে বসে দাদার কথা ভাবছে আর হাসছে। শালা বুইড়া সবই তো করলাম। কিছুই তো হল না। হা হা হা....😂🤣
সবকিছুই ঠিকঠাক যাচ্ছিলো। ব্যাপারটা একসময় সে ভুলেই গেল। হঠাৎ একদিন বউয়ের সাথে তার প্রচুর ঝগড়া হল। রেগে গিয়ে বউ বললো, তোর গোপন কথা ফাঁস করে দিবো ওয়েট...🥴😐😐
বউ তখন স্বামীর পুলিশ বন্ধুকে ফোন করে বাড়িতে ডাকলো...🤒
পুলিশ আসার পর লোকটির বউ পুলিশকে গর্তের কাছে নিয়ে গিয়ে বললো, এখানে তিনজন মানুষের মাথা আছে, আমার স্বামী এদের খুন করছে...
গর্ত থেকে পুলিশ গামছা পেঁচানো তিনটা মুন্ডু বের করলো। গামছা খুলে দেখা গেল, তিনটা ডাব! বউ তখন বললো, এখানে মানুষের মাথা ছিল, আমার স্বামী মাথা চেইঞ্জ করে ডাব পুঁতে রাখছে!
আমি সাক্ষী...
"ঢাবির রিটেনের জন্য রিটেন সামিট ও জাবির আই-কিউ এর জন্য আই-কিউ সামিট পড়বেই"।
পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে বললো, এরেস্ট হিম!
লোকটি দৌড় দিতে যাবে ঠিক তখনই সদর দরজায় বড়ই গাছের কাটা পায়ে লেগে লোকটি পড়ে গেল। পালাতেও পারলো না...
পুলিশ তাকে ধরে ফেললো, মারতে মারতে জিজ্ঞেস করলো, বল! মুন্ডু গুলা কোথায় লুকিয়ে রাখছিস?
লোকটা আকাশের দিকে মুখ করে কাঁদতে কাঁদতে বললো, দাদা আমারে বাঁচাও, আমার শিক্ষা হয়ে গেছে!! আমারে বাঁচাও!!😬😬😬
C.
25/12/2024
১.কেউ যন্ত্রণা দিচ্ছে?
👤চুপ হয়ে যান।
২.কেউ অনেক ভালবাসার পরও প্রাপ্যটা দেয়নি?
👤চুপ হয়ে যান।
৩.কোন মানুষ অনেক অপমান করছে?
👤চুপ হয়ে যান।
৪.কেউ ঠকিয়ে গেছে?
👤চুপ হয়ে যান।
৪.কেউ আপনাকে নিয়ে তুমুল মিথ্যা দোষারোপ করছে?
👤চুপ হয়ে যান।
৫.কেউ বিশ্বাস ঘাতকতা করছে?
👤চুপ হয়ে যান।
👀এমন নিরব হয়ে যান, সে মানুষগুলো যেনো আর কখনই আপনার শব্দ কিংবা ছায়া না দেখে। মৃত হয়ে যান তাদের কাছে।
প্রতিজ্ঞা করুন আর কখনই ঘুরে তাকাবেন না। শুধু এই প্রতিজ্ঞাটা করতে পারলে আপনি কষ্ট পাবেন না। এই যে নিরবতা আপনাকে দম বন্ধ করা আর্তনাদ দিবে কিন্তু অপর পক্ষকে দিবে আফসোস।
আসলে আমরা হারাবার ভয়ে শব্দ দিয়ে প্রতিবাদ করি।
কিন্তু আপনি জানেন কি?
যে মানুষগুলো আপনাকে মানুষ বলে মূল্যায়ন করেনি , আপনাকে দমবন্ধ কান্নার অনুভূতি দিয়েছে তারা আপনার কেউ না।
👀তাই নিজের স্বার্থে বাঁচুন, নিজেকে ভালোবাসুন,,
আপনার একজন "সৃষ্টিকর্তা" আছেন।
সকল দুঃখ, কষ্ট, চাওয়া,পাওয়া'র কথা সৃষ্টিকর্তাকে বলুন তিনি সব কিছুর সমাধান করবেন।
12/12/2024
২০২৫ খ্রিষ্টাব্দের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ হয়েছে। আগামী ১০/০৪/২০২৫ খ্রি: থেকে পরীক্ষা শুরু হবে।
21/11/2024
স্বামী-স্ত্রী কখনো দীর্ঘদিন দূরে থাকবেন না।
=========================
বিয়ের পর দয়া করে স্বামী-স্ত্রী বেশিদিন দূরে থাকবেন না। বিস্বাস করুন ভালো থাকার জন্য অনেক বেশি টাকার দরকার একদম-ই নেই। দরকার আপনার ভালোবাসার।
জীবন থেকে যে একটা সেকেন্ড চলে যায় সেটা আমরা আর কখনো ফিরে পাই না। আর আপনি বছরের পর বছর স্ত্রী, সন্তান রেখে বহুদূরে পরে আছেন!
এই কি জীবন? কোথায় সুখ? কোথায় আপনার স্ত্রীর জন্য ভালোবাসা? কোথায় সন্তানের জন্য স্নেহ?
হ্যাঁ, টাকা-পয়সা জীবনে অনেক দরকার কিন্তু; ভেবে দেখেন তো সারাদিনে ৩০০ টাকা রোজগার করা মানুষটা যখন দিনশেষে বাসায় ফিরে তার সামনে পানি দেওয়ার জন্য একজন মানুষ আছে, সে রাতে তার স্ত্রী, সন্তানদের পাশে ঘুমাতে পারে, তার অসুস্থতায় তার স্ত্রী তাকে সেবা করে, তার সন্তান দূর থেকে তাকে দেখে দৌড়ে এসে কোলে ওঠে।
কোনো নারীর জীবন থেকে এমন সময় কেঁড়ে নিবেন না যে সময়টায় সে শুধু আপনাকে কাছে চায়।
বাইরে গেলে যখন তার চোখে পরে পাঞ্জাবি পরা কোনো এক ছেলে তার প্রিয়তমার হাত ধরে রাস্তা পার করে দিচ্ছে, তখন আপনার স্ত্রীর ভেতর থেকে দীর্ঘস্বাস বের হওয়া ছাড়া আর কিছু-ই করার থাকে না।
.
আপনি সারাদিন মাথার ঘাম পায়ে ফেলে টাকা রোজগার করে বউকে দামী শাড়ি আর গহনা-ই পরিয়ে গেলেন। কিন্তু যে সময়গুলো আপনারা হারিয়েছেন সেটা আর আসবে না কোনোদিন। উত্তপ্ত প্রেম টাকার তলায় চাপা দিয়ে দিলেন।
আপনার সন্তান যখন রাস্তায় দেখে কোনো বাবা তার ছেলেকে রঙিন বেলুন কিনে দিচ্ছে, তখন সে আপনাকে খোঁজে।
সন্তান যখন দেখে তার বয়সী বাচ্চা তার বাবার হাত ধরে মাদ্রাসাই যাচ্ছে তখন সে আপনাকে খুব মিস করে।
সন্তানের জন্য মাসে এতো হাজার টাকা না পাঠিয়ে হাত ধরে মাদ্রাসাই দিয়ে আসুন।
সে আপনার আদর্শে বড় হবে। তখন সে আপনার কাছে ৫ টাকার প্রয়োজনে ১০ টাকা চাইবে না। বরং ১০ টাকার কাজ টা ৫ টাকায় মিটমাট করার চেষ্টা করবে।
কাজের চাপে আপনি সারাদিনে বউকে মনে করার তেমন সময়ও পান না অনেক সময়। এদিকে দুপুরের নাওয়া-খাওয়া শেষ করার পর আপনার স্ত্রীর অলস বিকালে আর সন্ধ্যা নেমে আসতে চায় না।
জানালা দিয়ে সে বাইরে তাকিয়ে দূরের ঐ নীল আকাশে রং বেরঙের কত কী দেখে। দেখে না শুধু আপনাকে।
মাঝরাতে ঘুম ভাঙার পর বাম পাশে আপনাকে না পেয়ে বুকে আকাশ সমান বোঝা নিয়ে আপনার স্ত্রী ঘুমিয়ে যায়। এভাবেই আপনার বয়স ৫০ পেড়িয়ে যাবে, স্ত্রীর চোখ ধূসর হয়ে আসবে।
হলো না আপনাদের কদম হাতে বৃষ্টিতে ভেজা।
আর হলো না আঁকাবাকা রাস্তায় পা মিলিয়ে সামনে হাটা। হলো না সন্তান বুকে নিয়ে ঘুমানো।
হলো টাকার পাহাড়, বিষের পাহাড়, বিষাদের পাহাড়। যার চাপায় পিষে যাবে কতগুলো রঙিন স্বপ্ন, পিষে যাবে স্ত্রীর প্রেম, খসে যাবে আপনার যৌবন।