আরণ্যক

আরণ্যক

Share

আরণ্যক | CMMC 04

https://www.facebook.com/CMMC04

18/01/2025

২ বছর হয়ে গেলো!🙂

২০১৮ সালের ১৬ জানুয়ারি এম.বি.বি.এস. অধ্যায়ের প্রথম ক্লাস ছিলো। নার্সিং হোস্টেলের ছোট্ট গ্যালারি রুমে ক্লাস করেছি প্রথম দুই বছর।

২০২০ থেকে স্থায়ী ক্যাম্পাসে নিজেদের লেকচার গ্যালারি তে ক্লাস করি। সেই ধারাবাহিকতায় ১৮ জানুয়ারি, ২০২৩ এ এম.বি.বি.এস. লাইফের অফিশিয়ালি শেষ একাডেমিক লেকচার ছিলো।

প্রিয় গ্যালারিতে আর আগের মতো ক্লাস করা হবেনা ভেবে মনের অজান্তেই যেন একটা কেমন ছেড়ে যাওয়ার অনুভূতি হচ্ছে। হাসিঠাট্টা, আনন্দ, ঝগড়াঝাটি, তর্কবিতর্ক এরকম অসংখ্য স্মৃতির সাক্ষী আমাদের গ্যালারি।

ক্লাস শুরু হওয়ার আগের সময় টা কিংবা বিরতির সময়টাতে এই গ্যালারিতে দেখা যায় বিভিন্ন চিত্র। কোনো গ্রুপ হয়তোবা পড়াশুনা, ডেমো দেওয়া নেওয়াতে ব্যস্ত থাকতো। কোনো গ্রুপ আবার থাকতো ফেসবুকের নিউজফিডে, কিংবা গেম খেলাতে। এদিকে কোনো গ্রুপের চেঁচামেচি আর হাসিঠাট্টাতে গ্যালারি থাকতো সরগরম। (বিশেষ করে ছেলেদের)

সেই সুন্দর সময়গুলো শেষ হয়ে গেলো, এটা ভাবতেই ইচ্ছে হচ্ছেনা...

~ ১৮.০১.২০২৩ | আরণ্যক

21/12/2024

Time flies...🍂

01/10/2024

Fresher's Day 2019 ✨

29/09/2024

DARE TO DREAM BIG 🔥

01/09/2024

২০১৮ সালের ১৬ জানুয়ারি এম.বি.বি.এস. অধ্যায়ের প্রথম ক্লাস ছিলো। নার্সিং হোস্টেলের ছোট্ট গ্যালারি রুমে ক্লাস করেছি প্রথম দুই বছর।

২০২০ থেকে স্থায়ী ক্যাম্পাসে নিজেদের লেকচার গ্যালারি তে ক্লাস করি। সেই ধারাবাহিকতায় ১৮ জানুয়ারি, ২০২৩ এ এম.বি.বি.এস. লাইফের অফিশিয়ালি শেষ একাডেমিক লেকচার ছিলো।

প্রিয় গ্যালারিতে আর আগের মতো ক্লাস করা হবেনা ভেবে মনের অজান্তেই যেন একটা কেমন ছেড়ে যাওয়ার অনুভূতি হচ্ছে। হাসিঠাট্টা, আনন্দ, ঝগড়াঝাটি, তর্কবিতর্ক এরকম অসংখ্য স্মৃতির সাক্ষী আমাদের গ্যালারি।

ক্লাস শুরু হওয়ার আগের সময় টা কিংবা বিরতির সময়টাতে এই গ্যালারিতে দেখা যায় বিভিন্ন চিত্র। কোনো গ্রুপ হয়তোবা পড়াশুনা, ডেমো দেওয়া নেওয়াতে ব্যস্ত থাকতো। কোনো গ্রুপ আবার থাকতো ফেসবুকের নিউজফিডে, কিংবা গেম খেলাতে। এদিকে কোনো গ্রুপের চেঁচামেচি আর হাসিঠাট্টাতে গ্যালারি থাকতো সরগরম। (বিশেষ করে ছেলেদের)

সেই সুন্দর সময়গুলো শেষ হয়ে গেলো, এটা ভাবতেই ইচ্ছে হচ্ছেনা...

~ ১৮.০১.২০২৩ | আরণ্যক

31/08/2024

মেডিকেলে যারা আসে তারা সবাই আসলে ভালো স্টুডেন্ট। তাদের সবারই কোনো না কোনো স্পেশাল কোয়ালিটি আছে।

কেউ হয়তো অনেক পড়তে পারে, কেউ বা অল্প পড়েই সব পারে। কেউ ভিসেরা একবার দেখলেই আরো দশজনকে ডেমো দিতে পারে, কেউ বা লাস্ট বেঞ্চ থেকেই ম্যাডাম এর পড়ানো সব টপিক বুঝতে পারে। কেউ রাত জেগে পড়ে, কেউ বা সাতসন্ধ্যায় পড়তে বসে সব পড়ে শেষ করে রাত ১০ টায় ঘুমিয়ে পড়ে। কেউ কখনো সাপ্লি দেয়না, কেউ বা সাপ্লিতে কোপায় পড়ে!

আইটেম, কার্ড, টার্ম আর প্রফের দুনিয়া এই মেডিকেল। এখানে যারা আসে তাদের বেশিভাগই শুরুতে হয় তথাকথিত আতেল প্রকৃতির। কেউ কম, কেউ একটু বেশিই। পার্থক্য কিন্তু এতটুকুই!

শুরুতে এসে সবাই অনেক রেগুলারই থাকে৷ কিন্তু প্রতিটা দিন পড়তে পড়তে আসলে ধৈর্য থাকেনা।

এইজন্যই হয়তো ফার্স্ট ইয়ারের ফার্স্ট ক্লাসে যারা ৮ টার লেকচার করার জন্য ভোর ৬ টায় উঠে ব্যাগ গুছিয়ে রেডি হয়ে পড়াশুনা রিভাইজ করে, তাদেরকেই আবার বছর ঘুরতে না ঘুরতে লেকচার তো দূরের কথা, টিউটোরিয়াল এ আইটেম ছাড়া খুঁজে পাওয়া যায়না।

যে কখনো হাজার দরকার হলেও বৃহস্পতিবার ছাড়া বাইরে বের হতো না, সেও হঠাৎ মাঝসপ্তাহে পরদিন হাজারটা পড়া থাকা সত্ত্বেও রুম্মেটদের বলে "দোস্ত ভাল্লাগতেছেনা, চল ঘুরতে যাই কোথাও!"

আর কিছু আছে যারা দিনে দিনে মাইকেল হতে থাকে৷ তাদের মাথায় কার্ড টার্মের টেনশন থাকেনা, জমা হয় হাজারো সাপ্লি। তাদেরকেও আসলে একদিন প্রেশার নেয়া লাগবে, পড়ার লাগবে, ক্লিয়ার করার লাগবে।

১০ জানুয়ারি, ২০১৮ তে শুরু হওয়া এই জার্নিটা প্রায় শেষের দিকে। এসেছে অনেক পরিবর্তন, কোনোটা ভালো, আবার কোনোটা এইজীবনে টিকে থাকার জন্য জরুরী ছিলো। কারো কাছে ছিলো নিজের স্বপ্নকে বাস্তবে দেখা, কারোটা হয়তো তার বাবা-মার স্বপ্নে নিজেরটা খুজে বেড়ানোর জার্নি।

ভালো থাকুক এই স্বপ্নগুলো। ভালো থাকুক স্বপ্ন বহন করা এই মানুষগুলো। ভালো না থাকলে তারা কিভাবে সামলাবে এই পেশার দায়িত্বগুলোকে?

30/08/2024

এমবিবিএস ডিগ্রি ৫ বছর শুনে ভয় পাবেন না।
কারণ, এই ৬ বছর আপনার জীবনের শ্রেষ্ঠ ৭ বছর...

13/06/2021

একজন মেডিকেল স্টুডেন্ট এর আনন্দ যা অন্য ছাত্রদের থেকে আলাদা...
[সীমাহিন আনন্দের ছোট্ট একটি অংশ]

• ৬ বছরে MBBS শেষ করার আনন্দ যা অন্যদের থেকে ২ বছর বেশি।

• 59% মার্কেও ফেইল করার আনন্দ।

• এনাটমিতে গ্লাভস ছাড়া ফরমালিনের গন্ধযুক্ত, অর্ধেক নষ্ট ভিসেরা ও লাশের সাথে পরিচয় হওয়ার আনন্দ। কংকাল এর সাথে এক বিছানায় ঘুমানোর আনন্দ।

• তীব্র শীতেও সকাল ৬টায় লেকচার অ্যাটেন্ড করার আনন্দ। সাথে অগোছালো চুল/ চেহারা /এপ্রোন দেখে প্রফেসরের মুখে মধুর বানী শোনার আনন্দ তো ফ্রী।

• প্রতিদিন item নামক খেলা খেলার আনন্দ। আর সেখানে pending নামক ট্রফি পাওয়া সত্যি অনেক বড় আনন্দ।

• ওয়ার্ড এ লজ্জা-শরম ভুলে রোগীর সাথে কথা বলার আনন্দ। রোগীর লজ্জার চোখ দেখার আনন্দ।

• ঘন্টার পর ঘন্টা দাড়িয়ে থেকে অসাড় হয়ে আসা পা নিয়ে OT দেখার আনন্দ। রক্ত, কাটাছেড়া দেখে ভয় না পাওয়ার আনন্দ। স্যারদের পিছে ভেড়ার পালের মত এই বেড থেকে অই বেড ঘুরার আনন্দ।

• রোগীর ও রোগীর স্বজনদের কান্নাকাটি-আহাজারি দেখার আনন্দ। তাদের দুশ্চিন্তাযুক্ত চেহারা দেখার আনন্দ।

• রাতের পর রাত না ঘুমিয়ে duty করার আনন্দ। চোখের সামনে রোগী মারা যাওয়ার আনন্দ।

• MBBS পাস করেও ডাক্তারির ড ও শেখোনি শোনার আনন্দ। সাথে বেকার থাকার আনন্দ। তখনও বাবার টাকায় জীবন চালানোর আনন্দ।

• রোগীর লোকের কাছে অপমানিত এমনকি মার খাওয়ার আনন্দ বাদ যাবে কেন!

আরও কত যে আনন্দ আছে...

আমাদের এত আনন্দ বলেই মনে হয় আমরা কসাই হতে পেরেছি। কসাই না হলে এত আনন্দ উপভোগ করা কঠিন।

কিন্তু মনে রাখবেন আপনি পশু বলেই আজ আমরা কসাই। আপনি আগে মানুষ হোন, দেখবেন আমদেরও ডাক্তার মনে হবে।

আর জানেন তো?
"ডাক্তাররা মানুষ না, ডাক্তার ডাক্তারই।"

*ব্যতিক্রম আছে, থাকবে। সাধারণভাবে বললাম...

Want your school to be the top-listed School/college in Manikganj?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address


Manikganj