13/09/2022
বালিশের দাম ২৭ হাজার আর কভারের দাম ২৮ হাজার টাকা! (পেইজটি ফ।লো করুন👆🙏
Uploaded by: Independent Television, Oct 2, 2019
ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেবেলপমেন্টের সকল ধ?
13/09/2022
বালিশের দাম ২৭ হাজার আর কভারের দাম ২৮ হাজার টাকা! (পেইজটি ফ।লো করুন👆🙏
Uploaded by: Independent Television, Oct 2, 2019
04/09/2022
WordPress Website
04/09/2022
LMS Website
15/08/2022
এমন মৃত্যু কেউ চাই না 😭😭
10/05/2021
Node JS/ Mongo DB/ Wordpress/ Mern Stack / Full Stack অবশ্যই ভালো। কিন্তু Enterprise/Corporate Level এগুলোর ডিমান্ড অনেক কম । আমি সরাসরি Less Value বলে দিচ্ছি মাইন্ড কইরেন না। তবে হ্যাঁ, অবশ্যই নতুন নতুন সুযোগ তৈরি হচ্ছে। অনেকেই যুক্তি-তর্ক দেখাবেন, আমি কোনো তর্কে যাচ্ছি না। আমি ব্যাখা করছি-
................................
কোনো Enterprise/Corporate Solution একদিনে, এক মাসে, এক বছরে Develop হয় না। বছরের পর বছর ধরে এই System গুলো Develop হয়ে আসছে, Continues Development, Management চলতেই থাকে । ধরুন কোনো শিল্প-কারখানার ERP System, কোনো অফিসের Core System --- এই Solution গুলো প্রতিষ্ঠান ভেদে কতটা জটিল এবং বড় হতে পারে, সেটা অনেকেই হয়তো ধারনাই করতে পারছেন না।
................................
আমি কোনো এক ভিডিওতে বলেছিলাম--- ভালো Software Engineer হতে হলে , আপনাকে আগে ভালো ব্যাবসায়ী হতে হবে। অনেকেই হাসা-হাসি করেছেন , তাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। অনেক Enterprise Solution আছে, যে গুলোর Business Flow টা বুঝতেই আপনার বছর কেটে যাবে।
................................
আমরা আসলে Software এর দুনিয়াটা কত বড় সেটা এখনো দেখিনি, এখনো অনেকেই ঐ E-commerce, School, library, Hostel Management এই লেভেল টাই পার হতে পারিনি।
এর বিশালতা দেখতে, আপনাকে আসতে হবে কোনো Paperless কোনো Group of company তে , যেখানে Manually কিছু হয় না, বলতে গেলে পুরোটাই Digital. তাহলে বাস্তবতাটা কাছ থেকে দেখতে পারবেন। আপনার অনেক ভুল ধারনাও হয়তো কেটে যাবে।
............................................
DATABASE:
Enterprise Solution গুলোর সিংহভাগ Database আছে PL-SQL, MSSQL, MYSQL প্লাটফর্ম গুলোতে। So... Software এর বিশাল দুনিয়াতে আসুন দেখবেন Mongo DB আপনার তেমন কোনো কাজেই আসবে না । আর আপনি যদি মনে করেন, Super Man এর মতো নিমেশেই সব বদলে দিবেন, সেই ক্ষমতা থাকলে অবশ্যই বদলে দিবেন।
............................................
SERVER-SIDE:
বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই Server-Side এ আছে ASP Dot Net , PHP Laravel , Java JSP ইত্যাদি । সে ক্ষেত্রেও Node JS আছে এমন Solution খুব একটা নেই।
............................................
WORDPRESS:
এটা অবশ্যই ভালো। ব্যাক্তিগত ব্যাবহার, ছোট খাটো ব্যাবসা, শখ, ইত্যাদি ইত্যাদির জন্যে । Wordpress lover রা মাইন্ড করবেন না। আপনি এইটা দিয়ে খুব বেশি দূর যেতে পারবে না। কোনো Enterprise Solution , Corporate, Govt, Non Govt Institution এই Wordpress দিয়ে চলে বলে আমার জানা নেই।
............................................
Full Stackঃ
একেবারেই Small Scale এর Software এর ক্ষেত্রে এটা খুবি ভালো Practice... কিন্তু Big Solution গুলোতে Full Stack বলে কিছু নেই।
ধরুন XYZ Group of company ২ জন Full Stack নিয়ে তাদের Solution Develop শুরু করলো। তাহলে Development এর কিছু তো হবেই না। বরং ঐ ২ জনের জন্যে পবানার মেন্টাল হাসপাতালে আগে থেকে ২টা সিট বুক দিয়ে রাখতে হবে।
..........................
02/05/2021
What is CSS?
1.CSS stands for Cascading Style Sheets
2.CSS describes how HTML elements are to be displayed on screen,
paper, or in other media
3.CSS saves a lot of work. It can control the layout of multiple web pages all at once
4.External stylesheets are stored in CSS files
https://www.w3schools.com/css/
04/03/2021
আপনাদের জন্য Coders BD নিয়ে এসেছে freelancer হওয়ার সুযোগ। সম্পূন ফ্রী এই course টিতে থাকছে:
1. HTML
2.CSS
3.JAVASCRIPT
4.BOOTSTRAP
5.WORDPRESS
এবং fiverr, upwork সম্পকে A to Z আলোচনা।এই কোর্সটি করতে page এ like ,follow করে আমাদের সাথে থাকুন।
Thanks
by A.Razzak
কি কি শিখলে ওয়েব ডিজাইনার হতে পারবেন?
এখনকার যুগে ওয়েব ডিজাইন সম্পর্কে টুকটাক আইডিয়া আপনার থাকতেই হবে। আর যাঁরা পুরোপুরি ওয়েব ডিজাইন বা ওয়েবপেজ ডিজাইনার হতে চান তাঁদের তো আটঘাট বেধেই নামতে হবে। কেন হতে হবে ওয়েব ডিজাইনার? যারা ওয়েব ডিজাইন শিখবেন ভাবছেন বা ওয়েব ডিজাইন আসলে কি, কিভাবে কাজ করে কিংবা কি কি শিখলে আপনি ওয়েব ডিজাইনার হতে পারবেন, এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন, আশা করি তারা এই উত্তরগুলো পেয়ে যাবেন এই পোস্টের মাধ্যমে।
ওয়েব ডিজাইন মানে হচ্ছে একটা ওয়েবসাইট দেখতে কেমন হবে বা এর সাধারণ রূপ কেমন হবে তা নির্ধারণ করা। ওয়েব ডিজাইনার হিসেবে আপনার কাজ হবে একটা পূর্ণাঙ্গ ওয়েবসাইটের টেম্পলেট বানানো । যেমন ধরুন এটার লে-আউট কেমন হবে। হেডারে কোথায় মেনু থাকবে, সাইডবার হবে কিনা, ইমেজগুলো কীভাবে প্রদর্শন করবে ইত্যাদি। ভিন্নভাবে বলতে গেলে ওয়েবসাইটের তথ্য কী হবে এবং কোথায় জমা থাকবে এগুলো চিন্তা না করে, তথ্যগুলো কীভাবে দেখানো হবে সেটা নির্ধারণ করাই হচ্ছে ওয়েব ডিজাইনারের কাজ। আর এ ডিজাইন নির্ধারণ করতে ব্যবহার করতে হবে কিছু প্রোগ্রামিং, স্ক্রিপ্টিং ল্যাঙ্গুয়েজ এবং মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ।
কেন শিখবেন ওয়েব ডিজাইন?
বর্তমান যুগে অনেকেই ওয়েব ডিজাইন শিখে লাখ লাখ টাকা আয় করছে। এর কারণ হচ্ছে বর্তমান এ পৃথিবীতে সবকিছুর যোগাযোগ, লেনদেন, কেনাবেচা সবকিছুই হচ্ছে ইন্টারনেটের মাধ্যমে। এক হিসাব অনুযায়ী, প্রতি মাসে প্রায় ১ মিলিয়ন ওয়েবসাইট অনলাইনে যুক্ত হচ্ছে। আর একজন আরেকজনের পণ্য কিনছে একজন আরেকজনের সঙ্গে কথা বলছে, একজন তার কোম্পানির পরিচিতির জন্য ওয়েবসাইট দরকার। আর এ সবকিছুই যখন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে হচ্ছে তাই সবাই চায় যে তার একটা ওয়েবসাইট থাকুক। আর যখনই সে ওয়েবসাইট বানাতে চায় তখনই একজন ওয়েব ডিজাইনারের দরকার হয়। যে তার ওয়েবসাইটটি তৈরি করে দেবে। আর এ কারণেই মূলত ওয়েব ডিজাইনারের এত দাম।
ডিজাইন কি?
ওয়েব ডিজাইন, খুব সহজ করে বলতে গেলে বলতে হয়, ওয়েবসাইট তৈরির প্রক্রিয়া। সোজা কথায় ইন্টারনেটে আমরা একটা ওয়েবসাইটে যা দেখি তাই ওয়েব ডিজাইন। একটা ওয়েবসাইট দেখতে কেমন হবে, কি রং ব্যবহার করলে ইউজারের কাছে ভালো লাগবে কিংবা কোন জিনিসটা কোন জায়গায় রাখলে ভালো দেখাবে, এসব এক সাথে করতে পারলে আপনিও হতে পারবেন একজন ওয়েব ডিজাইনার। কিন্তু এসব করবেন কিভাবে? এসব করতে হলে আপনাকে যা যা শিখতে হবে, একটু নিচেই পেয়ে যাবেন সেগুলোর বর্ণনা। তার আগে ওয়েব ডিজাইন সম্পর্কে আরো একটু ধারণা নেওয়া যাক। ওয়েব ডিজাইনের কয়েকটা উপাদান রয়েছে। যেমন-
লেআউটঃ একটা ওয়েবসাইট কিভাবে দেখাতে চান, কোন জিনিসটা কোন জায়গায় থাকবে যেমন-মেনুবার, টেক্ট কিংবা অন্য কোন উপাদান যা আপনার ওয়েবসাইটে আছে, এটা ঠিক করেই লেআউট তৈরী করা হয়। এটা আপনার কাস্টমার বা ক্লায়েন্ট বলেও দিতে পারে কিংবা আপনি নিজের মতো করতে পারেন।
রংঃ একটা ওয়েব সাইটের সৌন্দয্য নির্ভর করে রং নির্বাচন করার উপর। রং কাস্টমারের পছন্দমতো নেওয়া উচিত। তবে রং নির্বাচন নির্ভর করে ওয়েবসাইটের উদ্দেশ্য আর কিসের ওয়েবসাইট সেটার উপর।
গ্রাফিক্সঃ গ্রাফিক্স বলতে লোগো, ছবি, আইকন এ-সব, যা একটা ওয়েবসাইটের সৌন্দয্য বৃদ্ধি করে । সঠিক জায়গায় সঠিক জিনিস বসাতে পারলেই হবে।
ফন্টঃ আপনি যেই ওয়েব ডিজাইন করুন না কেন, ওই ওয়েবে যে টেক্সট্ ব্যবহার করবেন তার ফ্রন্ট যেনো ভালো হয়। কেননা, বিভিন্ন ধরণের ফন্ট বিভিন্ন ওয়েবসাইটকে সুন্দর করে। ফ্রন্ট বলতে যে লেখাগুলো দেখাবেন সেগুলোর স্টাইল।
কন্টেন্টঃ কন্টেন্ট বলতে ওয়েবসাইটের ম্যাসেজ। কি বলতে চান সেটা ভালোভাবে ফুটিয়ে তোলা। ওয়েবসাইটের কন্টেন্ট যেনো দরকারি আর গুরুত্বপূর্ণ হয়।
উপরের এই জিনিসগুলো মাথায় রাখলে একটা ভালো ওয়েব ডিজাইন সহজেই করা সম্ভব। এর বাইরেও কিছু জিনিস আমাদের জানা উচিত সেগুলো হচ্ছে-
নেভিগেশনঃ নেভিগেশন বলতে আমরা ওয়েবসাইটে যে মেনুবার দেখি সেটা। আপনার ওয়েবসাইটের সবগুলো বিষয় যেনো সহজেই ইউজার খুঁজে পায় কিংবা সার্চ করতে পারে, এই জন্য নেভিগেশন ব্যবহার করা।
মাল্টিমিডিয়াঃ মাল্টিমিডিয়া বলতে ভিডিও কিংবা অ্যানিমেশন ব্যবহার করা, যেন ইউজার আপনার বক্তব্য বা ম্যাসেজ সহজেই বুঝতে পারে।
আর একটা জিনিস না জানলেই নয়, খেয়াল রাখতে হবে ওয়েব ডিজাইন এমনভাবে করতে হবে যেনো সব ব্রাউজারে সাপোর্ট করে। আশা করবো ওয়েব ডিজাইন কি, কিভাবে একটা ভালো ওয়েব ডিজাইন করা সম্ভব বুঝতে পেরেছেন।
সফটওয়্যার: নোট প্যাড, ওয়েবস্ট্রম এখন ভালো সফটওয়্যার।
কি কি শিখবেন?
এবার তাহলে জানা যাক কি কি শিখলে আপনি ওয়েব ডিজাইন করতে পারবেন বা ডিজাইনার হতে পারবেন। এই প্রশ্ন অনেকের মনেই আসে বিশেষ করে যারা একদমই নতুন। নানারকম কনফিউশন কাজ করে তাদের মধ্যে। কি শিখবো আগে, কি কি শিখলে ওয়েব ডিজাইন করতে পারবো ,আরো অনেক কিছু। ওয়েব ডিজাইন করতে গেলে আপনাকে যা আগে জানতেই হবে সেগুলো হচ্ছে-
এইচটিএমএল (HTML)
সিএসএস (CSS)
জাভাস্ক্রিপ্ট (JAVASCRIPT)