ইদ্রাকপুর জাতীয় আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়

  • Home
  • Bangladesh
  • Maheshpur
  • ইদ্রাকপুর জাতীয় আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়

ইদ্রাকপুর জাতীয় আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় হাজারো শিক্ষার্থীর প্রাণের স্পন্দন

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে  র‍্যালি ও আলোচনা অনুষ্ঠান। ইদ্রাকপুর জাতীয় আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়।
21/02/2023

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা অনুষ্ঠান।
ইদ্রাকপুর জাতীয় আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

শহীদ মিনার ইদ্রাকপুর জাতীয় আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়
03/09/2022

শহীদ মিনার
ইদ্রাকপুর জাতীয় আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়

ইদ্রাকপুর জাতীয় আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ০৮/০৮/২০২২ তারিখের সমাবেশ।
27/08/2022

ইদ্রাকপুর জাতীয় আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ০৮/০৮/২০২২ তারিখের সমাবেশ।

👉চিরচেনা সেই মুখ 🤔🤔
04/11/2018

👉চিরচেনা সেই মুখ 🤔🤔

13/09/2016

ইদ্রাকপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সবাইকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা।

21/04/2016

রুপকথা
-----------------------------
***** তৃপ্ত সুপ্ত *****
আনন্দ গল্প লিখতে লিখতে আমি ক্লান্ত। আজ
একটা দুখী মেয়ের গল্প বলি? গল্পটা একটা
রুপকথার গল্প, কারন আমার কাছে এটা রুপকথা মনে
হয়। আমি লেখক, আমার গল্প বাস্তবধর্মী না
রুপকথা, তা নির্ধারন করার ক্ষমতা আমার আছে। তবে
রুপকথার মেয়েরা বড় বুদ্ধিমান হয়। ঘুঁটে কুড়োনী
মেয়েই হোক কিংবা রাজকন্যা কিরণমালা। কিন্তু আমি কি
করে যেন একটা বোকা মেয়ের গল্প লিখে
ফেললাম।
যেহেতু এটা আধুনিক রুপকথার গল্প, তাই গল্পের
শেষে শুভ সমাপ্তি হবে কিনা, তার নিশ্চয়তা আমি
দিতে পারবোনা। আমার গল্পটা রাজকন্যার
জীবনের গল্প, তবে আজকাল অহরহ
রাজপুত্রদের সাথেও এমনটা হচ্ছে। আমি বরং
প্রার্থনা করি, আমার গল্প পড়বে যেসব রাজপুত্র
রাজকন্যারা, তাদের জীবনে যেন এমন রুপকথা
তৈরী না হয়।
~~~~~
আজ আমি অনেক খুশি। কারণটা শুনলে আপনাদেরও
খুব মজা লাগবে। আজ আমাকে দেখতে আসবে,
মানে বিয়ের জন্য আরকি। আমি জানি আমাকে সবাই
বেহায়া ভাবছেন। ভাবছেন কি বিয়ে পাগল
মেয়েরে বাবা। তাতে অবশ্য আমার কিছু আসে যায়
না। বেহায়া ভাবলে বেহায়া, আমি মারাত্মক খুশি।
আজকের দিনটার জন্য আমি গত ৬ বছর ২ মাস ২৪ দিন
ধরে অপেক্ষা করছি। আমি প্রেম করতে করতে
ক্লান্ত। এবার সংসার করব। বান্ধবীরা সব চুটিয়ে সংসার
করছে। আমি ই এখনো প্রেমের গন্ডি পার হতে
পারলাম না। আর কত? আব্বু রোজ রোজ নিত্য নতুন
বায়োডাটা নিয়ে আম্মুকে ভায়া করে আমার কাছে
পাঠায়। আমার না শুনতে শুনতে দুজনেই ক্লান্ত।
শেষে প্রায় বাধ্য হয়েই আম্মুকে বলেই
ফেললাম, একজনকে ভালোবাসি।
আমার আম্মুটা এত ভালো না !! কি সুন্দর আব্বুকে
রাজী করিয়ে ফেলেছে। আমিতো ভয়েই
মরে যাচ্ছিলাম, আব্বু যা রাগী। যাই হোক এখন আমি
বুঝে গেছি, আমার আব্বু আম্মু আসলে দুজনেই
ভিষন ভিষন ভিষন ভালো। উফ, খুশীতে নাচতে
ইচ্ছা করছে আমার।
ব্যাপার গুলো অবশ্য এত সহজও ছিলো না। ওর
ফ্যামিলি কিছুতেই রাজী হচ্ছিলো না। আমার বেলায়
সবকিছুই কেমন জানি উল্টোপাল্টা। সারা জীবন
জেনে এলাম, মেয়ের বাবা কিছুতেই রাজী হয় না।
নানা ঘাত প্রতিঘাতের পর মেয়ের বাবা অবশেষে
নায়ক নায়িকা দুজনের মাথায় হাত রেখে বলেন,
তোমাদের ক্ষমা করলাম, সুখী হও। আর আমার
বেলায়? আব্বু অবশ্য ব্যাপার গুলোতে তত বেশি
খুশী না, তাও রাজী তো অন্তত হলো, তাই না?
কিন্তু ওর বাবাটা কিছুতেই রাজী না। কারন আছে
অবশ্য। ও তো এখনো তত ভালো চাকরী
করেনা। ছোটখাটো একটা চাকরী, বেতনও
যৎসামান্য। অবশ্য ব্যাপার না। ওই সামান্যতেই আমি
ঠিকঠাক সব ম্যানেজ করে নেবো। অনেক
ভালোবাসি আমি ওকে।
আর সেও এমন গাধার গাধা, কবে থেকে বলছি
মাকে বোঝাও, বাবাকে একটু বোঝাবে। তা না,
সে উল্টো নিজেই আমাকে আরো অপেক্ষা
করতে বলে। আরে গাধা, এমনিতেই আমরা
সমবয়সী, তার উপর আমি বাড়ির বড় মেয়ে। কিভাবে
এত অপেক্ষা করি? আমার সমস্যাটা কি আপনারা বুঝতে
পারছেন?
যদি টিনেজার হতাম, ব্যাগ প্যাক করে দুজনে পালাতাম।
কিন্তু এখন? তাছাড়া আমার বাবা মাকেই বা আমি ব্যাখা
দেবো? তারা তো মেনে নিল আমার সব দাবী !!
তাও কিভাবে আব্বু আম্মুর সম্মানটা নষ্ট করবো
আমি ?
কি যে বিপদ গেলো কটা দিন আমার উপর দিয়ে, এটা
শুধু আমি ই জানি। যাই হোক শেষ পর্যন্ত এর যে
একটা হেস্তনেস্ত হয়েছে, তাতেই আমি খুশী।
ওর মা নিজে আমাকে বলেছেন, আজ আমাকে
ওরা দেখতে আসবে।
সকাল থেকেই বাসায় উৎসব উৎসব একটা আমেজ।
আমার মায়ের পাগলামী দেখে আমি হাসবো না
কাঁদব বুঝতে পারছিনা। সকালে উঠেই যে রান্নাঘরে
ঢুকেছেন, বের হবার আর কোন নাম নেই। কত
শত রান্না যে করেছেন, তা হিসেব করতে
গেলে আমারই মাথা খারাপ হয়ে যাবে। কিছু বললেই
শুধু এক জবাব। আমার প্রথম মেয়ের বিয়ে, আমি
কোন কমতি রাখতে চাইনা। কেউ যেন কোন খুঁত
না ধরতে পারে। বেশ সুখী সুখী আমেজ
চারিদিকে। শুধু আব্বুর মুখের দিকে তাকালে বুকটা
কেমন যেন চিনচিন করে উঠছে। কি যেন একটা
নেই ওখানে। কি যেন একটা. . . . .
অবশ্য এত ভাবার সময় আমার নেই। ভালোয় ভালোয়
সব মিটে গেলে হয়। আব্বু ঠিক একসময় বুঝতে
পারবে, আমি ভুল করিনি। আমি আপাতত রুপচর্চায় ব্যাস্ত।
ওদের বাড়ি থেকে ওর খালা, ফুফু আরও কে কে
যেন আসবে। আমাকে ওরা কখনো দেখেনি।
তাছাড়া প্রথম বারের মত আমাকে কেউ দেখতে
আসবে। তাও আমার প্রিয় মানুষটার প্রিয় মানুষগুলো,
আমারতো একটু সেজেগুজে থাকাই উচিত, তাইনা?
এখন বাজে ছটা। ঠিক সাড়ে ছটায় ওদের চলে
আসার কথা। আমি রেডি, আম্মুও আম্মুর নাস্তা সমেত
রেডি। আমার ফোনটা বাজছে, ওরা রওনা দিয়েছে
বোধহয়। এই গাধাটা আবার আমাকে না জানিয়ে একটা
কাজও করতে পারেনা। দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ গাধা যাকে
বলে আরকী।
ওরা আসবেনা। আমার সত্যি এখনো বিশ্বাস হচ্ছেনা,
ওরা সত্যি আসবেনা। ওই কলটা আমার সবচেয়ে প্রিয়
মানুষটারই ছিলো। যে আমাকে জানালো, ওরা
আসবেনা, আর কোনদিনও না। ওর বাবা এই বিয়েতে
রাজী নয়। আমি যেন তার জন্য অপেক্ষা না করি।
অন্য কাউকে বিয়ে করে সুখী হই। যেন অনেক
সুখী হই। অনেক অনেক অনেক সুখী. . . . . .
গত ছটা বছরের প্রতিটা দিন আমার চোখের সামনে
ভাসছে। আমাদের দুজনকে দেখে হিংসে
করতো অনেকেই। ছবির মত একটা জীবন ছিল
আমাদের। সবকিছু মাপা মাপা, হিসেব করা। আমি তো
আমার রুমের পর্দা থেকে শুরু করে বাচ্চাদের নাম
পর্যন্ত ভেবে রেখেছি। আমি কোনদিন বড়
কোন স্বপ্ন দেখিনি, ভেঙে যাবে বলে।
কারো খারাপ চাইনি কখনো। এই একটা মানুষকে ছাড়া
আর কাউকে ভাবিনি কল্পনাতেও। কি করে
বোঝাবো, কতটা ভালোবাসি, আর কতটা
ভালোবাসলে আমার স্বপ্নগুলো এভাবে
ভেঙ্গে যেতো না? কতোটা. . . . . ??
সেকি কাঁদছিলো? নাহ, তার কন্ঠে আমি কোন
কান্নার রেশ শুনিনি। আমার ভিষন ভয় লাগছে। দরজার
ওপাশে আমার পুরো পরিবার অপেক্ষা করছে। কি
বলবো আমি তাদের? সন্ধ্যাতারার কাছ থেকে
জানতে চাইলাম আমি কি করব। মনে হল তারাও আমার
ভাগ্যের মত আমার দিকে তাকিয়ে নিরবে উপহাস
করছে।
~~~~~

24/03/2016

# Justice_for_tanu
আমাদের বিশ্বাস মুক্তবুদ্ধির সহায়তায়
সুপরিকল্পিত পথেই কল্যাণময় পৃথিবী রচনা
সম্ভব।কালের বিবর্তনে আমরা এখন আর
গোষ্ঠীবদ্ধ জীব নই-বৃহত্তর মানবতার অংশ।
তাই Go of humanity-কে বিচ্ছিন্ন,বিক্ষিপ্ত
কিংবা খন্ডিতভাবে দেখা বা নেওয়া
যায়না।তেমনি নেওয়া যায় না তার
কল্যাণকর্মকেও খন্ডিত করে।বাইরের
মানুষটি অন্য একটি প্রাণি মাত্র,কিন্তু
ভেতরে মানুষের মধ্যে রয়েছে এক অসীম ও
অনন্ত সম্ভাবনার বীজ।স্রেফ স্বদিচ্ছা
দ্বারা মানব-কল্যাণ সম্ভব নয়।একজন তনুকে
আমরা বাঁচাতে পারিনি নরদানবের হাত
থেকে।নারী বিদ্বেষীদের কাছে প্রশ্ন-তনুর
কী দোষ ছিলো?সে বাঁচতে চেয়েছিলো
কিন্তু আমরা পারিনি তাকে রক্ষা করতে।
এটা আর দশটা হত্যাকান্ড নয়।আজকে
এভাবেই আমাদের একটা বোনকে আমরা
হারিয়ে ফেললাম!আজ তনুকে হারাতে হলো
কাল অন্য কেউ হারালে আমাদের বুকটা কি
চিনচিন করে উঠবে না?একটা মেয়ের
নিরাপত্তা যেদেশে নেই সেই দেশে পুরুষের
ভূমিকাটা কি?তনুর মত মেয়েরা আমাদের
বিবেককে একটু নাড়াতে পারেনি?তনু হত্যার
বিচার হবে না?নাকি আইন তনুর ক্ষেত্রে
প্রযোজ্য নয়?পরিশেষে বলব,বিচার চাই এই
নির্মমতার...
লিখেছেন-ফারহানা আফরিন

16/03/2016

সাত কোটি সন্তানেরে, হে মুগ্ধ জননী,
রেখেছ বাঙালী করে, মানুষ কর নি।
আবার রবীঠাকুরের অপ্ত বাক্য ভুল
প্রমাণ করবার নতুন সুযোগ এসেছে
বাংলাদেশের সামনে। আজ টি-টুয়েন্টি
বিশ্বকাপ মিশন শুরু করতে যাচ্ছে
বেঙ্গল টাইগার্স।১৬ মার্চ বিকাল ৩.৩০
মিনিটে সুপার টেনে বাংলাদেশের
প্রথম ম্যাচ পাকিস্তানের বিপক্ষে।
ক্রিকেটের ২২ গজে তরুণ টগবগে রক্ত
এখন বধ করতে চায় সব প্রতিপক্ষকেই।
কেউ এখন বাঘের থাবা থেকে নিরাপদ
নয়। টাইগাররা যদি তাদের সামর্থ্য
অনুযায়ী খেলতে পারে তবে শুধু
পাকিস্তানের বিপক্ষে নয়,
বিশ্বকাপটাও জিততে পারে- এমন
মনোভাব বাঙালির সকল ক্রিকেট
প্রেমীর।
১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি
পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি
পেয়ে দেশে ফিরে দেয়া বঙ্গবন্ধুর
ভাষণে দ্যার্থহীন কণ্ঠে উচ্চারিত
হয়েছিল – “কবিগুরু বলেছিলেন, সাত
কোটি সন্তানেরে, হে মুগ্ধ জননী,
রেখেছ বাঙালী করে, মানুষ কর নি।
কবিগুরুর কথা মিথ্যা প্রমাণ হয়ে গেছে।
আমার বাঙালি আজ মানুষ হয়েছে।”
২৫ বছর আগে ইডেনের মাঠে বাংলাদেশ
খেলেছিল। সেই স্মৃতিও মন্দ না।
শ্রীলংকার বিরুদ্ধে ৯৫ বলে ৭৮ রান
করেছিলেন আতাহার আলী খান। শেষ
পর্যন্ত যদিও ম্যাচটি হেরেছিল
বাংলাদেশ। সময়ের বিবেচনায় সেই
ম্যাচটিও অনেক অনুপ্রেরণার।কিন্তু আজ
নতুন এক বাংলাদেশ বিশ্ব ক্রিকেটের
মঞ্চে। ইডেন গার্ডেনে প্রায় এক লক্ষ
দর্শক বসে খেলা দেখতে পারেন। সেই
মাঠে সুপার টেনের প্রথম ম্যাচটি
খেলতে নামবে টাইগার ক্রিকেটাররা।
বাংলাদেশ দলের সব ক্রিকেটাররা
রোমাঞ্চিত ম্যাচটি ঘিরে। কলকাতাও
কি রোমাঞ্চিত নয় বাঙালির এগারো
সন্তানের খেলা দেখতে? তিলোত্তমা
কলকাতাও কি অপেক্ষায় নাই বাঘের
গর্জনের?
আমার সোনার বাংলা আমি তোমায়
ভালবাসি ইডেনের প্রায় এক লক্ষ ধারণ
ক্ষমতা সম্পন্ন মাঠে যখন বেজে উঠবে
বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত তখন
কেমন অনুভব হবে সবার মাঝে! তখন কি
বাঙালীর ভালবাসার তরঙ্গ সবাইকে
আন্দোলিত করবে না? সকল বাঙালি
অপেক্ষায় আছে, অধীর অপেক্ষায় আছে
সেই দৃশ্য দেখার। মাশরাফিদের সুরে সুর
মিলিয়ে পুরো গ্যালারী গেয়ে উঠছে
আমার সোনার বাংলা আমি তোমায়
ভালবাসি, দৃশ্যটি বারবার কেন যেন
ভাবতে ভাল লাগছে। এক টুকরো
বাংলাদেশ ক্ষণিকের জন্য কবিগুরুর
কলকাতার বুকে ভেসে উঠলে কে রুধিবে
বাংলার জয়?

24/02/2016

মুশফিক সাকিবকে ধরে হাউমাউ করে কাঁদছে, অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা সাকিবের চোখ বেয়ে পানি পরছেই তো পরছেই,নাসির নামের দূরন্ত ছেলেটাও জার্সি দিয়ে চোখের কান্না মুঝছে।এক ম্যাচও না খেলা এনামুল ছেলেটারও চোখ বেয়ে পানি পরছে।তামিম ছেলেটারও মুখের দিকে তাকানো যাচ্ছে না।দূরে দাড়িয়ে থাকা মাশরাফি ভাই তো রীতিমত নির্বাকই হয়ে গেছেন। দেখে মনে হচ্ছে, এক পা বাড়ানোরও শক্তি পাচ্ছেন না... গ্যালারিতে স্কুলপড়ুয়া ছোট্ট ছেলেটিও কাঁদছে, তার সাথে খেলা দেখতে আসা তার আম্মুটিও কাদছে। বৃদ্ধ চাচাটাও মাথা নিচের দিকে দিয়ে চুপচাপ দাড়িয়ে আছেন। টিভির শো-রুমের সামনে ঘন্টার পর ঘন্টা দাড়িয়ে খেলা দেখতে থাকা রিক্সা চালকটিও একভাবে দাড়িয়ে থেকে চুপচাপ কাঁদছে।বাসার সবার চোখে পানি দেখে,খেলা না বুঝা..বাসার কাজের বুয়াটিরও চোখ দিয়ে অবিরত পানি পরছে। _ আপনি যদি এশিয়া কাপের এই ম্যাচটি দেখে থাকেন,তবে হাজারও চেষ্টা করেএই দৃশ্যগুলো ভুলতে পারবেন না। আপনি হয়ত অনেক চেষ্টা করেছেন এই দৃশ্যগুলো ভুলে যেতে,কিন্তু পেরেছেন কি?

10/02/2016

ক্লাসের শেষ রোলের ছেলেটি
— যে কি না
প্রায়ই বিরক্ত হয়ে বই ছিঁড়ে
পুড়িয়ে
ফেলতো, তাকেই আজ দেখা যায়
পাজারোতে চেপে অফিস
যেতে ।
হ্যাঁ, সে আজ কম্পিউটার
ইঞ্জিনিয়ার ।
রাগের কারণে যে ছেলেটি
ছিল সবচেয়ে
বিখ্যাত, পাড়ার যেকোন
গন্ডগোলে যেই
ছেলেটিকে ছুঁড়ি হাতে
দৌঁড়াদৌঁড়ি করতে
দেখা যেত, সেই আজ মাথা
ঠান্ডা রেখে
পরিচালনা করে পুরো একটি
ব্রিগেড ফোর্স ।
কাঁধভর্তি চকচকে স্টার আর
জাতীয় প্রতীক
শাপলা । সে আজ
সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ
একজন কর্মকর্তা ।
যে ছেলেটি এক ফোঁটা রক্ত
দেখলেই মাথা
ঘুরে পড়ে যেত, সেই আজ
অপারেশন
থিয়েটারে রক্ত নিয়ে হাত
মাখামাখি করে
ফেলে । হ্যাঁ, সে আজ দেশের
নামকরা একজন
ডাক্তার ।.........সবকিছই বদলে যায় । বদলে
যায় সমাজ, বদলায়
মানুষ আর মানুষের জীবন ।
শুধু দরকার একটু ধৈর্যের ।
ক্লাসের সবচেয়ে সুন্দরী
মেয়েটার কাছে
ছ্যাঁকা খেয়ে আজ আপনি
আত্মহত্যা করতে
দৌঁড়াচ্ছেন, অথচ আপনি জানেনই
না
সৃষ্টিকর্তা আপনার জন্য ক্লাসের
নয়, পুরো
স্কুলের সবচেয়ে সুন্দরী
মেয়েটাকে সৃষ্টি
করে রেখেছেন আপনার জন্য
ক্লাস টেস্টে ফেল করে আপনি
পড়ালেখাই
বাদ দিতে চাইলেন, অথচ
ভবিষ্যতে
মেডিকেলের গেটটি আপনার
পদধূলির জন্য
উন্মুখ হয়ে অপেক্ষা করছে ।
ছোটখাটো ব্যর্থতা সবার
জীবনেই থাকে,
থাকবে ।
এই ব্যর্থতায় হতাশ হলে চলবে না ।
তাহলে
দুঃখী মুখটাতে কখনোই হাসির
ঝিলিক দেখা
যাবে না ।
সবকিছুই একসময় বদলে যাবে ।
আপনার
হতাশাও একসময় রুপ নেবে
প্রাণোচ্ছ্বল
হাসিতে ।
কিন্তু দরকার একটু ধৈর্য । হতাশার
সময়টিতে
শুধু এই একটি জিনিসই বদলে দিতে
পারে
আপনার পুরো জীবনকে ।........তাই মানসিকভাবে
ভেঙ্গে না পড়ে
একটু ধৈর্য ধরুন ।
সৃষ্টিকর্তার উপর বিশ্বাস রাখুন,
বিশ্বাস
রাখুন নিজের উপর । বিশ্বাস রাখুন
এই
কথাটির উপর— **হ্যাঁ, আমি পারবই*
........ sohel....

Address

Idrakpur High School
Maheshpur
IDRAKPUR2016

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইদ্রাকপুর জাতীয় আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category