Magura polytechnic Institute

Magura polytechnic  Institute Welcome to ~ Magura Polytechnic Institute (MAPI) Official Page. Here you will get any types of information about MAPI. To get More Information Like our Page.

(MAPI)
Thank you.

21/11/2025

ইসমাইল মেসের রাতের ছায়া — সাজিয়ারার মোড়

২০১১ সালের শীত। মাগুরা পলিটেকনিকের ইলেকট্রনিক্স ডিপার্টমেন্টে ভর্তি হয়েছে রহিম। রাজবাড়ীর গ্রামের বাড়ি থেকে মাগুরা অনেক দূর, আর শহরে তার কোনো আত্মীয়ও নেই। ক্লাস শুরুর নোটিশ আসতেই সে সিদ্ধান্ত নিল—মেসে উঠতেই হবে।

শনিবার সকাল। কাঁপানো শীতের মাঝে রহিম মাগুরায় পৌঁছে বায়না মোড়ে নামল। তারপর অটো ধরে সোজা পলিটেকনিকের গেটে দাঁড়াল। গেটজুড়ে ঝোলানো মেসের নোটিশগুলোর মাঝেই দেখা হলো এক বড় ভাই—মকবুল ভাইয়ের সাথে। তিনি সাজিয়ারার মোড়ের স্টেশনারির ব্যবসায়ী। শুনে নিলেন রহিম কোথায় থাকবে, তারপর বললেন—
“ইসমাইলের একটা মেস আছে সাজিয়ারার মোড়ের ঢাল বেয়ে নিচে। শান্ত জায়গা। চাইলে দেখে আসো।”

রহিম গেল। ঢাল বেয়ে নিচে নামতেই টিনের ছাউনি দেওয়া পুরনো দোতলা মেসটা দেখা গেল। চারপাশে ভয়ানক নীরবতা। ঘরগুলো যেন বহুদিন ধরে অপেক্ষায় আছে। সে সিট ঠিক করল এবং সেদিনই উঠেও গেল।

মেসে অনেক ছেলেরা ছিল—কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ… শুরুতে সবই স্বাভাবিক চলছিল। আড্ডা, গল্প, ক্লাস—সব ঠিকঠাক। কিন্তু সেই শান্ত রাতগুলো যেন অন্য কিছু লুকিয়ে রেখেছিল।

প্রথম ঘটনার দিনটা রাত আড়াইটায়। সবাই গভীর ঘুমে। হঠাৎ—

ধাম! ধোঁওম!!

এমন শব্দ টিনের ওপর হলো যেন কেউ বিশাল পাথর ছুঁড়ে মারল। রহিম চমকে উঠে বসে পড়ল। মনে হলো গাছের ফল পড়েছে। সকালে উঠে দেখল—গাছ আছে, কিন্তু ফল নেই। বন্ধুরা হাসল, “টিন পুরনো, শব্দ হয়।”

রহিমও ভুলে গেল।

কিন্তু দুই দিন পর, একই সময়, রাত আড়াইটায় আবার—

ধাম! ধাম!! ধাম!!!

এবার শব্দটা ঠিক রহিমের মাথার উপর। দরজা খুলে বাইরে তাকাতেই সে দেখল—হলুদ বাল্ব টিমটিম করছে, চারপাশে কুয়াশার মতো অন্ধকার। বাতাস নেই, কিন্তু ঠান্ডা শীতলতা ঘরের ভিতর ঢুকে পড়ছে। ছাদের দিকে তাকাতেই দেখল—টিন কাঁপছে… কিন্তু উপরে কিছুই নেই। কোনো গাছ নেই, কোনো মানুষ নেই।

রহিম বুঝল—এটা স্বাভাবিক কিছু নয়।

ঘরে ফিরে দরজা লাগাতে যাচ্ছে, ঠিক তখনই দরজাটা নিজে থেকেই ধীরে ধীরে খুলে গেল। মনে হলো কেউ ঠিক সামনে দাঁড়িয়ে আছে। পেছনে যেন কারো ঠান্ডা নিঃশ্বাস। রহিম ঘুরে তাকাল—কেউ নেই। কিন্তু ছাদের দিকে তাকিয়েই জমে গেল—টিনের ওপর ভেজা পায়ের দাগ, যেন কেউ ভিজে পা নিয়ে টিনের ওপর হাঁটছে। অথচ সেদিন তো কোনো বৃষ্টি হয়নি।

ভয়ে পরদিন সে ইসমাইল ভাইকে জিজ্ঞেস করল। ইসমাইল ভাই কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,
“দেখো রহিম… এই মেসে আগে একজন ছেলে থাকত। একা। শীতের এক রাতে, ঠিক তোমার ঘরের উপরের ঘরটায় সে মারা যায়। তিন দিন পর লাশ পাওয়া যায়। তারপর থেকে নতুন কেউ এলেই রাত দু’টায় ছাদে হাঁটার শব্দ হয়…”

রহিমের বুকের ভেতর কাঁপুনি বয়ে গেল।

সেই রাতেই সবকিছুর শেষ হলো। ২টা বাজার সাথে সাথে আবার—

ধাম! ধাম!!! ধোঁওম!!!

এবার শব্দটা থেমে গেল রহিমের মাথার একদম ওপরে। ঘরের ভেতর হঠাৎ বরফের মত ঠান্ডা। মনে হলো কেউ ঘরের ভেতর হাঁটছে… ধীরে ধীরে… মেঝে সামান্য কেঁপে উঠছে। তারপর বালিশের পাশে কেউ দাঁড়াল। রহিম নিঃশ্বাস বন্ধ করে শুয়ে থাকল।

ঠিক তখনই—

একটি ঠান্ডা, কর্কশ গলা ফিসফিস করে বলল—
“রহিম… এই জায়গা ছেড়ে দে…”

রহিম চোখ খুলে দেখল—ঘরে কেউ নেই।
কিন্তু বালিশের পাশে একটা গভীর হাতের দাগ।

সেই রাতের পর রহিম আর বেশিদিন ইসমাইল মেসে থাকেনি।
কিন্তু আজও সে যখন সাজিয়ারার মোড় দিয়ে যায়, মনে হয়—
টিনের ওপর ভেজা পায়ের শব্দ আবার তাকে ডেকে বলে—

“ফিরে যা…”

তোমাদের সাথে ঘটে যাওয়া কোন গল্প থাকলে ইনবক্স করতে পারো।

কয়টি?
20/11/2025

কয়টি?

19/11/2025

মাগুরা জেলার সদর থানার হাজীপুর ইউনিয়নের পাশেই আঠারখাদা ইউনিয়ন। সেই ইউনিয়নের শেষ মাথায় ছিল একটা পুরোনো টিনের ঘর। সেখানে একাই বাস করত এক বৃদ্ধ। এলাকায় সবাই তাকে ডাকত—
“কান্না-বাবা”।

রাতে নাকি তার ঘর থেকে অদ্ভুত কান্নার শব্দ ভেসে আসত। কেউ বলে, তার স্ত্রী মারা গেছে তাই কাঁদে। কেউ বলে, তার ছেলে নাকি বিদেশে গিয়ে আর ফেরেনি। কিন্তু বৃদ্ধের মুখ কখনো কেউ দেখেনি। শুধু রাতে… কেবল রাতে সেই কান্না শোনা যেত।

একদিন তিন পোলাপান সাহস করে…

হাজীপুর ইউনিয়নের তিন পোলা—রনি, সামিন আর সাব্বির—শুনলেই হাসত।
“এই আধুনিক যুগে ভূত! কান্না-বাবা নাকি ভূত! চল আজকে গিয়ে দেখি,”—বলল রনি।

তারা রাত ১১টার দিকে চুপিচুপি বের হল। কুয়াশা পড়া শীতল হাওয়া… দূরে দূরে কুকুরের হুক্কাহুয়া ডাক… আর পথে কোনো মানুষ নাই।

যেই আঠারখাদার শেষ মাথায় পৌঁছালো, ওরা তিনজনই থমকে দাঁড়াল।
বৃদ্ধের টিনের ঘরটা অন্ধকার, কিন্তু ভেতর থেকে স্পষ্ট শব্দ—

“হুউউউ… হুউউউ… ফিরে যা… ফিরে যা…”

তিনজনের বুক কাঁপতে লাগল, কিন্তু দম্ভ করে এগিয়ে গেল।

রনি বলল,
“চলো, দরজায় নক দেই।”

সে হাত তুলতেই—
দরজাটা নিজে নিজেই কিঁচ করে খুলে গেল!
ভেতরে কেউ নেই। শুধু একটা ডিমলাইট জ্বলছে… আর মেঝেতে পুরোনো লাঠিটা পড়ে।

হঠাৎ বাতাস থেমে গেল। শব্দও থেমে গেল।
তিনজন চুপ… নিস্তব্ধতা কানে বিঁধছে।

তখনই লাঠিটা নিজে নিজে নড়তে লাগল।

সামিন চিৎকার করে বলল,
“ভাই দেখ— লাঠি নড়তেছে!”

লাঠিটা ধীরে ধীরে উঁচু হয়ে দাঁড়াল।

তারপর সেই বৃদ্ধের কর্কশ গলা ভেসে এল ঘরের ভিতর থেকে—
“তোমরা কেন এসেছো…? আমি তো বলেছিলাম… ফিরে যাও…”

গলার শব্দটা যেন চারদিক থেকে আসছে।
বৃদ্ধকে দেখা যায় না—
কিন্তু তার ছায়া তিনটা!
তিনদিকে তিনটা লম্বা ছায়া টানটান হয়ে পোলাপানের দিকে এগিয়ে আসছে!

আর সঙ্গে সেই ভয়ঙ্কর শব্দ—
“আমি এখানে একা না… তোমরাও থাকবা না…”

রনি, সামিন, সাব্বির একসাথে দৌড়!
ধুপধাপ করে দৌড়াতে গিয়েও পিছনে তাকাল—
দেখে ছায়াগুলো মাটির ওপর দিয়ে ভেসে ভেসে তাদের পেছনে আসছে!

রাতের নীরবতা ভেঙে শুধু চিৎকার—

“মা গোওওও!”

পরদিন সকালে এলাকাবাসী দেখে—
বৃদ্ধের ঘরের দরজাটা আবার বন্ধ।
ভেতরে কেউ নেই।
কিন্তু তিন পোলার গত রাতের ঘটনার পর থেকে
ওরা কেউ আর রাতে বের হয় না।

আর অদ্ভুত ব্যাপার—
সেই রাতের পর থেকে বৃদ্ধের কান্নাও আর শোনা যায় না…
কিন্তু মাঝে মাঝে,
হাজীপুর আর আঠারখাদার সীমানায় দাঁড়ালে
শোনা যায়—

“ফিরে যা… ফিরে যা…”

19/11/2025

মাগুরা শ্যাডো কাপ – ফাইনাল ম্যাচ

সেদিন রাত ছিল অমাবস্যা। চারপাশ অন্ধকার, আকাশে চাঁদ নেই। মাঠে লাইট বসানো ছিল, কিন্তু অদ্ভুতভাবে ঠিক ম্যাচ শুরুর ১০ মিনিট আগে সব লাইট ঝটকা দিয়ে নিভে গেল।
খেলোয়াড়রা ভাবল—টেকনিক্যাল সমস্যা। কিন্তু দর্শকদের মধ্যে একজন বৃদ্ধ উঠে দাঁড়িয়ে বলল—

“এই দিনটা আবার এসেছে…
আজ খেলতে নামলে কেউ ফিরবে না।”

সবাই হাসল, ভাবে—বুড়ো মানুষ, পাগল হয়েছে।
ম্যাচ শুরু হলো অল্প আলোতে, মোবাইলের টর্চ জ্বেলে।

শুরুতেই সমস্যা শুরু। বলটা যে যেদিকে মারছে, সেটাই যেন অদ্ভুতভাবে দিক বদলে যাচ্ছে। খেলোয়াড়রা শুনতে পাচ্ছে মাঠের ভেতর কারো হাঁটার শব্দ… কিন্তু মাঠে তাদের ছাড়া আর কেউ নেই।

হঠাৎ ১৫ মিনিট খেলতেই রেফারি সিটি বাজালো—
“খেলা থামাও! কার মাথায় বল লেগেছে?”

সব খেলোয়াড় থমকে দাঁড়ালো।
কারো মাথায় তো লাগে নাই!

তবে মাঠের মাঝখানে একটা বল পড়ে আছে—
রঙ কালো, আর তাতে লাল অদ্ভুত চিহ্ন।
যেন কেউ আগুনে পুড়িয়ে এঁকে দিয়েছে।

গ্যালারির এক বৃদ্ধ ফিসফিস করে বলল—
“ওইটা শ্যাডো কাপের আসল বল…
যে এটা নিয়ে দৌড়াবে, সে আর কখনো বাড়ি ফিরবে না।”

কথাটা বলা শেষ, ঠিক তখনই মাঠের দক্ষিণ কোণা থেকে উঠল থরথর কাঁপানো এক চিৎকার—

“বল… আমাকে দাও…”

সবাই তাকাল।
অন্ধকারের মাঝে দেখা গেল এক লম্বা ছায়া…
মানুষের মতো, কিন্তু লম্বা হাত, কুঁজো পিঠ, আর চোখ দুটো লাল জ্বলছে।

ছায়াটা ধীরে ধীরে মাঠে হাঁটছে।
প্রতিটা পদক্ষেপে মাটি কেঁপে উঠছে।

খেলোয়াড়রা দৌড় শুরু করল।
দর্শকরা পালানোর চেষ্টা করছিল, কিন্তু চারপাশের গেট বন্ধ হয়ে গেছে—
যেন কেউ বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে দিয়েছে।

ছায়াটা বলের দিকে হাত বাড়ালেই মোবাইলের সব আলো একসাথে নিভে গেল।
চারদিক অন্ধকার।

অন্ধকারের ভেতর শুধু একটা শব্দ—

টুপ… টুপ…
কেউ যেন ঘাসের ওপর খালি পায়ে হাঁটছে।

এক মিনিট… দুই মিনিট… তারপর হঠাৎ আলো ফিরে এলো।

মাঠ খালি।
দর্শক শূন্য।
খেলোয়াড় নেই।
রেফারি নেই।

শুধু মাঠের মাঝখানে পড়ে আছে সেই কালো বলটা…
মাটিতে রক্তের মতো দাগ—সোজা গ্যালারি থেকে মাঠের দিকে টেনে আনা।

সেদিনের পর থেকে “মাগুরা শ্যাডো কাপ – ফাইনাল ম্যাচ” আর কোনোদিন হয়নি।
মাঠে রাতের পর কেউ যায় না।

তবে মাঝরাতে মাঝে মাঝে মাঠের ভেতর থেকে শোনা যায়—

“বলটা… ফেরত দাও…”

ছায়াটা এখনও অপেক্ষা করছে।
আরেকটা ফাইনাল ম্যাচের জন্য।

19/11/2025

ইলেকট্রনিক্স — প্রাথমিক ধারণা (Class Lesson)

1. বিদ্যুৎ কী?

বিদ্যুৎ হলো ইলেকট্রন নামের ছোট কণার চলাচল।

সহজ উদাহরণ:

যেমন পানি পাইপ দিয়ে যায়, তেমনি বিদ্যুৎ তার দিয়ে প্রবাহিত হয়।

---

2. ভোল্টেজ, কারেন্ট ও রেজিস্ট্যান্স

ভোল্টেজ (V)

চাপ — যা ইলেকট্রনকে ঠেলে এগিয়ে দেয়।

কারেন্ট (I)

ইলেকট্রনের প্রবাহ।

রেজিস্ট্যান্স (R)

যা কারেন্টকে বাধা দেয়।

সূত্র: V = I × R

3. সার্কিট (Circuit)

যখন একটি পাওয়ার সোর্স + তার + ডিভাইস একসাথে যুক্ত হয়, তখন এটাকে সার্কিট বলে।

সার্কিট একদম সহজভাবে:

Battery → Wire → Bulb → Wire → Battery

কারেন্ট পুরোটা ঘুরে আবার ব্যাটারিতে ফেরত আসে।

4. গুরুত্বপূর্ণ উপাদান (Components)

রেজিস্টর (Resistor)

কারেন্ট কমায়।
চিহ্ন: ─///─
ক্যাপাসিটার (Capacitor)

চার্জ জমা রাখে।
চিহ্ন: ┤ ├

ডায়োড (Diode)

কারেন্টকে একদিক যেতে দেয়।
চিহ্ন: →|–

ট্রানজিস্টর (Transistor)

কারেন্ট বাড়ায় বা কমায়, সুইচের মতো কাজ করে।

আইসি (IC)

অনেক ট্রানজিস্টর মিলিয়ে ছোট চিপ।

5. ইলেকট্রনিক্স কোথায় ব্যবহার হয়?

মোবাইল

কম্পিউটার

রোবট

টিভি

মোটর

ঘরের ফ্যান

স্মার্ট ঘড়ি

তুমি যা ব্যবহার করো তার ভেতরেই ইলেকট্রনিক্স কাজ করছে।

6. শেখার জন্য প্রয়োজনীয় টুল

মাল্টিমিটার

ব্রেডবোর্ড

ছোট ব্যাটারি

রেজিস্টর

LED লাইট

জাম্প তার

সোল্ডারিং আয়রন (পরবর্তীতে)

19/11/2025

সবার প্রিয় মানুষ হওয়ার সহজ গাইড


1️ সত্য কথা বলা অভ্যাস করো

মাঝে মাঝে ছোট মিথ্যাও সমস্যা তৈরি করে। সত্য বললে সম্মান বাড়ে, বিশ্বাস তৈরি হয়।

2️ মানুষের সাথে ভদ্রভাবে কথা বলো

একটা ভালো কথা মানুষের মন জয় করে।
“দয়া করে”, “ধন্যবাদ”, “মাফ করবেন”—এগুলো অনেক শক্তিশালী শব্দ।

3️ অন্যের কষ্টকে নিজের মতো করে অনুভব করো

এম্প্যাথি বা সহমর্মিতা ভালো মানুষ হওয়ার সবচেয়ে বড় লক্ষণ।

4️প্রতিশ্রুতি রাখো

যা বলবে, সেটা করার চেষ্টা করো। কথা রাখে এমন মানুষকে সবাই সম্মান করে।

5️ নিজের ভুল স্বীকার করতে শিখো

নিজের ভুল মানা দুর্বলতা না—এটা শক্তি। এতে মানুষ তোমাকে আরও বেশি বিশ্বাস করবে।

6️ কারও ক্ষতি হয় এমন কাজ কখনো করো না

চাই সেটা কথা হোক, আচরণ হোক, বা ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত—কাউকে কষ্ট না দেওয়া একটা বড় গুণ।

7️ নিয়মিত দোয়া ও ইবাদত করো

ইবাদত মানুষকে নরম করে, হৃদয় পরিষ্কার রাখে, অহংকার কমায়।

8️ অন্যকে সাহায্য করো (ছোট হলেও)

হোক সেটা রাস্তা দেখানো, কারও ব্যাগ ধরিয়ে দেওয়া, অথবা ভালো পরামর্শ—ছোট ছোট সাহায্যেই মানুষ বড় হয়।

9️ সময় নষ্ট না করে নিজের জীবনকে শৃঙ্খলায় আনো

শৃঙ্খলাপূর্ণ মানুষ নিজের জীবনে যেমন সফল হয়, তেমনি অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করে।

কৃতজ্ঞ হও

যা আছে তা নিয়ে খুশি হও। কৃতজ্ঞ মানুষ কখনো হিংসা করে না, নেতিবাচকতা ছড়ায় না।

18/11/2025

মাগুরা পলিটেকনিকের “পুরনো ওয়ার্কশপ বিল্ডিং” – হারিয়ে যাওয়া ছাত্রের রহস্য

মাগুরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের পশ্চিম পাশে একটা পুরনো ওয়ার্কশপ বিল্ডিং আছে। জায়গাটা দিনে খুব সাধারণ লাগে, কিন্তু রাত হলেই পরিবেশটা একেবারে পাল্টে যায়। বাতাসে একটা অদ্ভুত ঠান্ডা গন্ধ—লোহার সাথে যেন কেমন পচা কাঠের মিশ্রণ…

সিনিয়ররা বলে, বছর তিনেক আগে এক ছাত্র—রবি—রাতে প্র্যাকটিক্যালের কাজ করতে গিয়েছিল। সকালে তার ব্যাগ, খাতা, সব পাওয়া যায়… কিন্তু ছেলেটার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। সিসিটিভিতে শেষ যে দৃশ্যটা দেখা যায়—রবি ওয়ার্কশপের ভেতরে ঢুকছে, আর দরজাটা ধীরে ধীরে নিজে নিজেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

এরপর থেকেই ওয়ার্কশপে নাকি রাতে অদ্ভুত শব্দ শোনা যায়—

লোহার হাতুড়ির ঠকঠক শব্দ
হুট করে বাতি নিভে যাওয়া
টেবিলের উপর রাখা টুলস নিজেরা নড়াচড়া করা

সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার—কিছু ছাত্র নাকি দূর থেকে একটা ছায়া দেখে। মানুষের মতো, কিন্তু… দাঁড়ানোর ভঙ্গিটা অস্বাভাবিক। যেন মাথা কাত করা, আর চোখ দুটো… অদ্ভুত লাল।

একদিন চারজন বন্ধু মিলে সাহস করে রাতে সেখানে যায়। প্রথমে কিছুই হয় না। তারা ভাবল—সবই গাঁজাখুরি গল্প। কিন্তু ঠিক ১২:১৭ মিনিটে ওয়ার্কশপের জানালায় টন… টন… টন… করে কেউ ধাক্কা দিতে থাকে।

তারা টর্চ ধরতেই দেখে—

জানালার ওপাশে দাঁড়িয়ে আছে এক ছায়া।
চোখ দুটো আগুনের মতো লাল।
আর সেই ছায়াটা ধীরে ধীরে বলে—

“মাস্টারমশাই… আমার কাজটা এখনো শেষ হয়নি…”

তারপরই চারদিকে লাইট অফ।
হাতুড়ির শব্দ শুরু।
বন্ধুরা দৌড়াতে দৌড়াতে বাইরে বেরোয়—
কিন্তু বের হওয়ার সময় দেখে দরজায় একটি লাইন লেখা—

“রবির কাজ শেষ করতে যে আসবে… সেও ফিরবে না।”

ওদের একজন নাকি আজও রাতে ঘুমাতে গেলে হাতুড়ির ঠকঠক শব্দ শুনতে পায়…

"আলো থেকে অন্ধকারে, আবার আলোতে ফিরে আসা…🌟"দুদিন আগেও যেখানে ইরা মনির মা না খেয়ে রাস্তায় শুয়ে ছিলেন, আজ সেখানে তার মুখ...
10/07/2025

"আলো থেকে অন্ধকারে, আবার আলোতে ফিরে আসা…🌟"
দুদিন আগেও যেখানে ইরা মনির মা না খেয়ে রাস্তায় শুয়ে ছিলেন, আজ সেখানে তার মুখে এক প্রশান্তির হাসি। 🥹
এই পরিবর্তনের পেছনে রয়েছে দুই সাংবাদিক ভাইয়ের নিঃস্বার্থ উদ্যোগ ❤️
তাদের তোলা একটি নিউজ বদলে দিয়েছে একটি জীবনের গতিপথ।

ইরা মনির মা এখন একটি সম্মানজনক চাকরিতে আছেন, মাসিক বেতন ৭০০০ টাকা 🥰
এই ছোট্ট শি/শু ও তার মায়ের মুখে আজ যে হাসি, তার কৃতিত্ব এই দুই সাংবাদিক ভাইয়ের 💛

ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা তাদের প্রতি। 🙏💖
#ইরামনি #সাংবাদিকতা_মানবতার_জন্য #আলোরপথে #ভালোবাসারগল্প

05/07/2025

📝 মাগুরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
🎯 কুইজ প্রতিযোগিতা

📅 তারিখ: ০৬ জুলাই ২০২৫
⏰ সময়সীমা: রাত ১২টার মধ্যে উত্তর জমা দিতে হবে
📊 পূর্ণ নম্বর: ১৫

---

🔔 নির্দেশনা:
১. প্রতিটি প্রশ্নের ৪টি বিকল্প দেওয়া আছে।
২. সঠিক উত্তরটি বেছে নিচের উত্তরপত্রে লিখুন।
৩. নাম, রোল, ডিপার্টমেন্ট ও সেমিস্টার উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক।

---

📌

১. রেফ্রিজারেশনের প্রধান উদ্দেশ্য কী?

A) তাপ উৎপাদন করা
B) ঠান্ডা গ্যাস উৎপাদন করা
C) কোনো বস্তু বা স্থানকে ঠান্ডা করা
D) তাপমাত্রা বৃদ্ধি করা

---

২. রেফ্রিজারেন্ট বলতে কী বোঝায়?

A) গরম বায়ু
B) ঠান্ডা পানি
C) এমন পদার্থ যা তাপ স্থানান্তর করে
D) ধাতব বস্তু

---

৩. নিচের কোনটি একটি রেফ্রিজারেশন সিস্টেমের অংশ নয়?

A) কম্প্রেসর
B) কনডেন্সার
C) মোটর
D) ইভ্যাপোরেটর

---

৪. কনডেন্সারে রেফ্রিজারেন্টের কী পরিবর্তন ঘটে?

A) তরল থেকে গ্যাস
B) গ্যাস থেকে তরল
C) কঠিন থেকে গ্যাস
D) গ্যাস থেকে কঠিন

---

৫. R-134a কোন শ্রেণির রেফ্রিজারেন্ট?

A) CFC
B) HCFC
C) HFC
D) Ammonia

---

৬. কম্প্রেসরের কাজ কী?

A) গ্যাস শীতল করা
B) তরলকে সংকুচিত করা
C) গ্যাসকে সংকুচিত করে উচ্চচাপে পরিণত করা
D) গ্যাসকে তরলে রূপান্তর করা

---

৭. BTU এর পূর্ণরূপ কী?

A) British Thermal Unit
B) Basic Thermal Unit
C) Balanced Temperature Unit
D) Best Temperature Unit

---

৮. HVAC বলতে কী বোঝায়?

A) High Volume Air Compressor
B) Heat and Vacuum Control
C) Heating, Ventilation and Air Conditioning
D) Heat Value and Air Cycle

---

৯. এক্সপ্যানশন ভালভের কাজ কী?

A) রেফ্রিজারেন্ট গরম করা
B) চাপ কমানো
C) রেফ্রিজারেন্টের বাষ্প উৎপাদন
D) গ্যাস সংকুচিত করা

---

১০. কোন অংশে রেফ্রিজারেন্ট সবচেয়ে ঠান্ডা থাকে?

A) কম্প্রেসর
B) কনডেন্সার
C) ইভ্যাপোরেটর
D) এক্সপ্যানশন ভালভ

03/07/2025

📝 মাগুরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
🎯 কুইজ প্রতিযোগিতা

📅 তারিখ: ০৪ জুলাই ২০২৫
⏰ সময়সীমা: রাত ১২টার মধ্যে উত্তর জমা দিতে হবে
📊 পূর্ণ নম্বর: ১৫

---

🔔 নির্দেশনা:
১. প্রতিটি প্রশ্নের ৪টি বিকল্প দেওয়া আছে।
২. সঠিক উত্তরটি বেছে নিচের উত্তরপত্রে লিখুন।
৩. নাম, রোল, ডিপার্টমেন্ট ও সেমিস্টার উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক।

---

📌

1. ওহমের সূত্রে কারেন্ট (I) নির্ণয়ের সঠিক সূত্র কোনটি?
A) I = V × R
B) I = R / V
C) I = V / R
D) I = V + R

2. একটি AC সার্কিটে ভোল্টেজ 220V এবং কারেন্ট 2A হলে পাওয়ার কত?
A) 440W
B) 220W
C) 110W
D) 440W

3. সিমেন্টের প্রধান উপাদান কোনটি?
A) ক্যালসিয়াম সালফেট
B) ক্যালসিয়াম সিলিকেট
C) ফ্লাই অ্যাশ
D) বালি

4. একটি ত্রিভুজের কোণের যোগফল কত ডিগ্রি?
A) 360°
B) 90°
C) 180°
D) 270°

5. LED-এর পূর্ণরূপ কী?
A) Light Emission Device
B) Light Enhanced Diode
C) Light Emitting Diode
D) Low Energy Diode

6. বাংলাদেশের সংবিধান কত সালে প্রণীত হয়?
A) ১৯৭১
B) ১৯৭২
C) ১৯৭৫
D) ১৯৭৩

7. ‘রেইনফোর্সড কংক্রিট’ বলতে কী বোঝায়?
A) শুধুই সিমেন্ট ও পানি
B) স্টিল দিয়ে শক্তিশালী কংক্রিট
C) বালির সাথে চুন
D) প্লাস্টিক মিশ্রিত কংক্রিট

8. শর্ট সার্কিট সাধারণত ঘটে—
A) উচ্চ রেজিস্ট্যান্সে
B) খোলা সার্কিটে
C) তারে লাইন সরাসরি সংযুক্ত হলে
D) ব্যাটারি পুরাতন হলে

9. বাংলাদেশে গণপূর্ত অধিদপ্তর কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে?
A) স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়
B) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
C) গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়
D) পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়

10. ১০, ২০, ৩০, ৪০... এই ধারা কত ধাপে ২০০ হবে?
A) 20
B) 25
C) 10
D) 30

সবার জন্য শুভকামনা
03/07/2025

সবার জন্য শুভকামনা

Thanks for being a top engager and making it on to my weekly engagement list! 🎉 Rover Md Ashraful Islam, Sanjid Ahamed, ...
03/07/2025

Thanks for being a top engager and making it on to my weekly engagement list! 🎉 Rover Md Ashraful Islam, Sanjid Ahamed, Ŕj Súḿőń

Address

Magura

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Magura polytechnic Institute posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Magura polytechnic Institute:

Shortcuts

Share

Category