Flourish with SA

Flourish with SA

Share

A fast learner and dreamer to shine other’s.
“Built for impact, not attention. The future isn’t awaited, it’s created.”

Thinking beyond limits, leading with vision, and shaping what others only imagine.

10/04/2026

বিরোধী দলকে অনেকে ওয়াক-আউট দল বলতেছেন, অনেকে অকাজের দল বলতেছেন। কিন্তু মজার বিষয়ে হলে এই বিষয়ে বেশিরভাগেরই যথেষ্ট জানা নেই।
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী,
বিরোধী দলের কোনো বিলই পাশ সম্ভব না।
সরকারি দলের সকল বিলই পাশ হবে।
জাস্ট বলা যায়, ঘন্টার পর ঘন্টা ডিবেটটা বৃথা।
এটা করা হয় জাস্ট তাদের সমালোচনা, জবাবদিহিতা বা প্রতিবাদের জন্য। আর এই কারনে ওয়াকআউট একটা কমন বিষয়।

ঝামেলা টা কোথায়?
১/ Cross Voting নাই, তাই রোলিং পার্টি একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী।
২/ ২১০+ আসনে সরকারি দল হলে তো আর কথাই নাই, চাইলে সংবিধানের সাথে যা ইচ্ছে তাই করতে পারে, কারন সেনসেটিভ বিষয়ে ২১০ টা ভোট লাগে, আর অন্য সকল ক্ষেত্রে মাত্র ১৫১ টা।

তাই ওয়াক আউট ছাড়া বিরোধী দলের করারও কিছু নাই। এটা অহেতুক মনে করাটাও বোকামি। এর কারনে আন্তর্জাতিক অনেক ইম্প্যাক্ট পরে এন্ড সরকারি দলের খুটিই আস্তে আস্তে নড়েবড়ে হতে থাকে।
Majority Democracy ভালো, তবে যদি তা সততার সহিত নেতৃত্ব দেওয়া হয়। না হলে সম্পূর্ণ বৃথা।

08/04/2026


চলুন, আজকে আমরা অনুবাদে ১ মার্ক বেশি পেতে পারি কিভাবে তা জানার চেষ্টা করি। আমি প্রতিটা এক্সামে এই ট্রিক টা প্রয়োগ করেছি এবং বিগত সকল ক্লাসেও এটা দেখিয়েছি।
যদি আপনি যখন একটা সুন্দর অনুবাদ করে থাকেন, যদি মোটামুটি সলিড কাজ হয়ে থাকে, আমি ধরে নিচ্ছি, আপনি ২০ এ ১৩ পাবেন যা কিনা ৬৫% মার্ক। কেবল একটি মার্ক বাড়লেই আপনি পাবেন ১৪ যা কিনা ৭০% মার্ক। এছাড়া, আগের পোস্ট গুলোতে বলেছি, ১ মার্ক ও এক্সাম হলে কত পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। আপনাকে এভাবেই একটু একটু করে পার্থক্য গড়ে নিতে হবে।
ধরি, একটা অনুবাদের প্রশ্নে ১০ টা বাক্য আছে। মানে, পুরো প্রশ্নটা ১০ বাক্যের সমষ্টি। আপনি নিজেও খুব মোটামুটি অনুবাদ পারেন। আপনি সুন্দর করে অনুবাদ করে এসেছেন। আপনি যে অনুবাদ করলেন, এগুলো হলো মূলত simple, compound and complex বাক্যের সমষ্টি। এবং যারা মোটামুটি অনুবাদ পারেন, তারা সবাই এইগুলো দিয়েই তো অনুবাদ করবেন। ইন ফ্যাক্ট, এর বাইরে আমি অনুবাদ করবই বা কি দিয়ে, তাইনা? তবে পরীক্ষক কে ইমপ্রেস করার জন্য একটা ধরন (বাক্যের, তবে এটা ভিন্ন কিছু না আবার) প্রায়ই ভুলে যাই. সেটা হলো sentence inversion. আজকে থেকে আমাদের লক্ষ্য হবে যেকোনো অনুবাদের প্রশ্নে কমপক্ষে ১ টা বাক্য এই স্টাইলে লিখা। সেটা অনুবাদ হোক, বা ফোকাস রাইটিং এ হোক। উদাহরণ হিসেবে নিচের বাক্য টা দেখেন।

সংস্থাটি পরিবেশগত নীতিমালাগুলো এতই কঠোরভাবে তদারকি করে যে, যথাযথ পরিপালনের বিস্ময়টি নিশ্চিত।
এবার আসুন, সাধারণ ভাবে সুন্দর একটা অনুবাদ করি।
The organization monitors environmental policies so rigorously that compliance is guaranteed.
এবার inverted sentence এ রূপান্তর করে দেখি।
So rigorously does the organization monitor environmental policies that compliance is guaranteed.
দেখলেন, কত সুন্দর লাগছে। তবে এই বাক্য বেশি ব্যবহার করবেন না, না এবং না।

দয়া করে এটা কে এডভান্স কোনো বাক্য ভাববেন না। এই বাক্য আপনি বয়স ৩/৪ হতেই শিখেছেন এবং দেখেন। কিন্তু জানার চেষ্টা করেন নি। যেমন ধরেন, একটা চেতকের বয়স ২ বছর ৩ মাস, সে যে itsy bitsy spider এর ছড়া শুনে, এখানেও এই রকম বাক্য আছে। যেমন এই ছড়ার সেকেন্ড লাইন টা হলো, Down came the rain and washed the spider out. আশা করি বুঝতে পেরেছেন। আপনি ভার্সিটি এডমিশনে যে never had, hardly had...... ইত্যাদি দিয়ে স্ট্রাকচার পড়েছেন, এগুলো সব কিছুকেই চাইলে inverted sentence বলা যায়। আমি এই জন্য ক্লাসে বলি, আপনি আসলে অনেক কিছুই জানেন, কিন্তু এটা জানতে হবে, কীভাবে এদের খুব ন্যাচারাল ভাবে ব্যবহার করা যায় এক্সাম হলে। তবে এই ধরনের বাক্যে লেখার মোটামুটি ৫/৭ ধরন শিখে নিলেই হয়। খুব বেশি পড়ে মাথা নষ্ট করার দরকার নেই জীবনে আরও অনেক কাজ আছে, যার জন্য মাথা সবসময় হালকা রাখতে হবে। আমাদের লক্ষ্যে হবে কম পড়ে বেশি মার্ক আদায় করা। যা যা একটু একটু করে আলোচনা করে যাচ্ছি, যদি ব্যাচ শুরু করি (অবশ্যই ইচ্ছে আছে) , ক্লাসে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। নয়তো বিভিন্ন কোচিং এ যারা ক্লাস করছেন, তারাও কোনো না কোনো ভাবে এই আলোচনা গুলো পাবেন। জাস্ট একটু নিজের মতো গুছিয়ে নেবেন। এই রেসে আপনাকে জিততেই হবে। আর যা দিচ্ছি, দয়া করে প্রতি দিন প্রাকটিস করুন।
ধন্যবাদ সবাইকে।

copy: Achilice Barnand

07/04/2026

Locked soul for just
Can do anything like Knowledge, Health, Success and so on...

07/04/2026


পোস্ট টা পড়ে দেখতে পারেন, আশা করি, গতানুগতিক আলোচনার বাইরে কিছু পাবেন।

ধরি, আপনাকে এক্সাম হলে বলা হয়েছে নিচের টপিকে একটা ফোকাস রাইটিং লিখতে, word limit: 300
Topic: unemployment crisis in Bangladesh

এখন একবার ভাবেন, আপনি ৩০০ শব্দের লিমিটে লিখবেন টা কী?
আপনি ভাবতে পারেন, প্রথমে একটা introduction দিয়ে এরপর বাংলাদেশে বেকারত্বের বর্তমান অবস্থা নিয়ে একটা প্যারাগ্রাফ লিখলেন, এরপর কেন এই সমস্যা দিন দিন বাড়ছে, এটা নিয়ে লিখলেন একটা প্যারাগ্রাফ, এরপর বিশ্বের কিছু ফ্যাক্টর ম্যানশন দিলেন যে কারনে এই সমস্যা প্রকট হচ্ছে এটা নিয়ে একটা প্যারাগ্রাফ, সবশেষে আরেকটা প্যারাগ্রাফ এ কিছু সাজেশন দিলেন এই সমস্যা সমাধানের জন্য, এরপর একটা conclusion দিয়ে শেষ করলেন। আমি বলবো, একেবারে ১০০% পারফেক্ট লিখা লিখেছেন। কোন সমস্যা নেই। ধরলাম সব মিলিয়ে আপনি বরাদ্দকৃত ৩০ মার্ক এর মধ্যে ২০ পেলেন। আপনি কিন্তু খুশি হবেন, তাইনা? পারলে না হয়, একটা কোনো কিছুর গ্রাফ দেয়ার ও ট্রাই করলেন। এবার দেখা গেলো যিনি সর্বশেষ হয়েছেন উক্ত এক্সামে, তিনি হয়তো ১২০ পেয়েছেন, আপনি হয়তো ১১৯ পেয়েছিলেন, এটা দেখলে মেজাজ টা খারাপ হবে না? এবং প্রতি এক্সামেই এটা হচ্ছে। কেবল কিছুটা প্রেজেন্টেশনগত পার্থক্যের কারনে কেউ বাদ যাচ্ছে, বা কেউ টিকে যাচ্ছে। আমি চাচ্ছি, এই ফাঁদে যেনো আপনাকে কাঁদতে না হয়। এটা আপনাকে ভয় দেখানো না। এটাই সত্যি যে ক্যান্ডিডেট ১২০ পেয়ে টিকে গেলো আপনি তার চাইতে কোন অংশে কম নন। তাহলে রিফাইনিং টা করবো কোথায়? চলেন দেখাই।

যিনি আপনার খাতা কাটবেন, তিনি কিন্তু প্রতিটা প্যারাগ্রাফ পড়তে পড়তে বুঝবেন যে আপনি কোথায় কী লিখেছেন। তাহলে একটা কাজ করলে কেমন হয়, আমরা আমাদের introduction এ লিখে দেবো যে, আমাদের পরবর্তী প্যারাগ্রাফ গুলোতে কী কী বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে। তাহলে কিন্তু পরীক্ষক introduction পড়ার সময় বুঝে যাবে পুরো লেখায় আপনি কোন বিষয় গুলো তুলে ধরেছেন। যেমন, নিচের বাক্যটা দেখুন।

This essay will examine the current state of unemployment, explore its key causes—including external factors—and present three evidence-based recommendations.

দেখেন, বাক্যটা দেখলেই শান্তি লাগে মনে। পরীক্ষক তো এটা পড়েই বুঝে যাবে আমি কি লিখছি। যান আমি গ্যারান্টি দিলাম, এর জন্য ১ মার্ক বেশি পাবেন আপনি। হা হা হা .........।।

মূলত এই বাক্যকে বলা হয় Thesis Statement

মূলত কিছু স্টুডেন্ট আছে, অনেক মেধাবী। কিন্তু আমি অতোটা মেধাবী না, আমি তাই এইভাবেই একটু একটু করে সব কিছুতে ১ মার্ক বা হাফ মার্ক করে বেশি তুলবো। সব মিলিয়ে হয়তো ৩/৪ মার্ক বেশি পেলেই তো কাজ হয়ে গেলো। এই কথাটাই ক্লাস এ আমি বারবার বলি, যে অনেক মেধাবী, তার হিসেব টা আলাদা। কিন্তু আমার মতো এস এস সি ইংরেজি তে ডি গ্রেড পাওয়া ছেলের জন্য আইবিএ এবং বাংলাদেশ ব্যাংক ক্রাক করার মূল মন্ত্র হলো প্রেজেন্টেশন। আবার এটা ভেবে নেবেন না যে আপনি কেবল এসব দিয়েই টিকে যাবেন। সলিড বেসিক এর বিকল্প নেই। তবে উপরের টেকনিক এর কার্যকরিতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন যাবে না।

বিদ্র: এই শুক্রবারে রাইটিং এর জন্য দরকারী ১০০ শব্দ নিয়ে একটা ভিডিও দেবো, যেগুলো আপনি যেকোনো লেখায় কাজে লাগাতে পারবেন। পোস্ট শেয়ার করে রাখুন। এর কমেন্ট বক্সে আমি সেদিন লিঙ্ক টা শেয়ার করে দেবো।
ধন্যবাদ সবাইকে।
Cooy

Photos from Flourish with SA's post 07/04/2026



ফোকাস রাইটিং, সেটা ইংরেজি বা বাংলা যেটাতেই হোক, এর প্রস্তুতির সময় কিছু ব্যাপার মাথায় রাখবেন।

১। মনে রাখবেন, ডাটা আপনার লেখার মান অবশ্যই বাড়াবে। কিন্তু এর পেছনে বেশি সময় দেয়া যাবে না। একেবারে দরকারি ইনফরমেশন টুকু ভালো ভাবে জেনে নেবেন। যেমন ধরুন, বর্তমানে যে জ্বালানী সংকট নিয়ে প্রচুর আলোচনা হচ্ছে। এই টপিক টা একটা হট টপিক বলতে পারেন। এখন এর ডাটা-র তো শেষ নেই। যেমন ধরেন, তেলের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিদিন পরিবর্তন হচ্ছে। এজন্য, আপনি কি তাহলে প্রতিদিন ডাটা আপডেট করবেন? না, বরং আপনি দেখুন, কোন ডাটা গুলো স্ট্যাটিক। অর্থাৎ, পরিবর্তন হবে না। যেমন ধরুন, ই*রানে যেদিন হা*লা শুরু হয়, সেদিন তেলের দাম ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটে কত ছিল, এটা কিন্তু পরিবর্তন হবে না। তাই এই তথ্য টা আপনাকে মনে রাখতে হবে। এখন বর্তমান দাম আপনি কেবল এক্সামের আগে দেখে গেলেই হবে। যেহেতু দাম নিয়মিত পরিবর্তন হয়, এজন্য এটা এক্সেট না হলেও সমস্যা নেই।
২। এরপর ধরা যাক, কিছু হিস্টরিক্যাল তথ্য। যেমন ধরুন, কবে থেকে ইরান ইসলামিক প্রজাতন্ত্র, কোন বিপ্লবের মাধ্যমে হয়, তাদের পরমাণু কার্যক্রমের কেন্দ্র বিন্দু গুলো কোথায় অবস্থিত, বিভিন্ন সংস্থার তথ্য অনুসারে তাদের কাছে কত % সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম আছে, এই তথ্য গুলো জেনে নেবেন। বলা যায়, এগুলো আপনার কিছু বেসিক পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করবে।
৩। এই পর্যায়ে, আপনাকে একেবারে মূল বিষয়ে হাত দিতে হবে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের কত % তেল পরিবহন হয়, বাংলাদেশের কত % তেল এই স্থান দিয়ে পরিবহন হয়, এই দুইটা তথ্য জেনে নেয়া দরকার।
৪। এবার তেলের জন্য বাংলাদেশ বিকল্প কোন সোর্স ব্যবহার করতে পারে।
৫। এই মুহূর্তে আমাদের দৈনিক চাহিদা কত, এবং ঘাটতি কত।
৬। তেলের কারনে কোন সেক্টরে কি রকম সমস্যা হবে। যেমন ধরুন, সেচ কাজে তেলের দরকার প্রচুর। এবার এই খাতে যদি তেল কম পাওয়া যায়, তাহলে প্রোডাকশন কতটা ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।
৭। বিকল্পও কিছু উপায়, যেমন, কিভাবে তেলের অপচয় কমানো যায়, তা নোট করে নিন।
দেখুন, আপনার কাজ কিন্তু মোটামুটি শেষ।

এখন ধরেন এটা না হয়, আপনি জ্বালানী সংকট নিয়ে লিখার জন্য এই ডাটা কালেক্ট করলেন। এটা কি অন্য কাজে লাগবে না? অবশ্যই লাগবে।
ধরেন মধ্যপ্রাচ্য সংকট e বাংলাদেশের অবস্থা ভবিষ্যতে কেমন হবে, এটা নিয়ে লিখতে বলল। সেক্ষেত্রে আমাদের অনেক সমস্যার পাশাপাশি জ্বালানী সংকট হবে, এটা যেহেতু বাস্তব, তাই উপরের ডাটা মধ্যপ্রাচ্য সংকট e বাংলাদেশের অবস্থা ভবিষ্যতে কেমন হবে-এই টপিকে এসে কাজে লাগবে। অর্থাৎ, আপনাকে বিভিন্ন টপিকের উপর লিখতে গিয়ে বিভিন্ন টপিক কে একীভূত করতে হবে। তাহলেই দেখবেন, আপনি অল্প প্রস্তুতি দিয়ে অনেক কিছু লিখতে পারবেন।
যেমন আরেকটা এক্সামপল দেই। মধ্যপ্রাচ্য সংকট এ বাংলাদেশের অবস্থা ভবিষ্যতে কেমন হবে টপিক নিয়ে লিখতে গেলে তো আপনাকে রেমিটেন্স নিয়ে লিখতে হবেই, তাইনা? ebar আপনি হয়তো নোট নিলেন যে কত % মানুষ আমাদের দেশ থেকে বিদেশ গেলে তাদের গন্তব্য হয় মধ্যপ্রাচ্য, এবং সবচেয়ে বেশি কোন দেশটিতে যাচ্ছে, এবং ঐ দেশটি কতটা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে, এতে করে আমাদের শ্রমবাজার কতটা ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।
এখন এই টপিক নিয়ে আপনি যখন ডাটা প্রস্তুত করেছেন, তা কিন্তু রেমিটেন্স নিয়ে কোনো টপিক আসলেও কাজে লাগবে।
তাই বারবার বলছি, অযথা বেশি পড়বেন না, আপনি আপনার মতো করে একটা স্ট্রাটেজি ফিক্সড করুন।
বিদ্রঃ রেফারেন্স নিয়ে অন্য একদিন কথা হবে।

এবার অন্যদিকে যাওয়া যাক। শব্দ ভান্ডার কে আরও এনরিচড করতে হবেই। এর বিকল্প নেই। এমরা প্রথম টপিকে ফিরে যাই চলুন। জ্বালানী সংকট নিয়ে আপনি যখন লিখতে যাবেন, নিচের এই বাংলা শব্দ গুলো আপনার লাগবেই। কেবল এই টপিক নয়, বরং যেকোনো সমস্যা সম্পর্কিত টপিকে আপনার এই শব্দ গুলো লাগবেই।

সংকট, মোকাবিলা, তীব্রতা, অশনি সংকেত, ব্যয় সংকোচন, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বর্তমান প্রেক্ষাপট, ব্যবস্থা, গ্রহণযোগ্যতা, সুবিধা।
এবার এই শব্দগুলোর ইংরেজি যদি আপনি নিচের মতো করেন, তাহলে দেখুন, এগুলো সবাই পারবে। ভিন্নতা কোথায়?
Crisis, deal with, strength, warning sign, cost cutting , relationship between two sides, current situation, steps, acceptance, benefit ......
এবার নিচের শব্দ গুলো দেখুন, এবং কতটা প্রফেশনাল।
Crisis/calamity, mitigate, intensity, ominous sign, fiscal austerity, bilateral ties/relations , contemporary context/status quo, measures, viability, leverage
আমি বলছি না, যে উপরের শব্দগুলো ভুল আর ২য় সারির গুলোই সঠিক। এটা দাবি করা কোনো ভাবেই ঠিক হবে না। তবে ঐযে আগেই বলেছি, আমাদের টার্গেট কম লিখে কিছুটা বেশি মার্ক পাওয়া। ১ম সারির গুলো আপনি পারেন এবং আমি মনে করি, ২য় সারির গুলোও আপ্নি ৬/৭ টাই পারবেন। কিন্তু সমস্যা হবে লিখতে গিয়ে মনে আসবে ১ম সারির গুলোই। এখানেই মূল খেলাটা হবে। বাসায় বসে অবসর সময়ে ২ইয় সারির শব্দগুলোকে চর্চা করুন। সারাজীবন কাজে লাগবে।

যাই হোক, অনেক বকবক করলাম। এবার ধরেন, এক্সাম হলে গিয়ে দেখছেন, নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে টপিকে এসেছে, তাহলে উপরের যে আলোচনা, তা কি নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে লেখার সময় ব্যবহার করা যাবে? উত্তর, হা অবশ্যই যাবে, সেটা নেক্সট আরেকটা পর্বে আলোচনা হবে। ভিডিও বানানোর জন্য অনেকেই অনুরোধ করছেন। হ্যাঁ, কিছু ভিডিও বানানোর প্লান আমারও আছে। কাজ চলছে।
ধন্যবাদ সবাইকে।
আশীর্বাদ করবেন, আমি যেন পরিবার কে নিয়ে একটু স্থির থাকতে পারি।
Copy

07/04/2026


যদি পুরো লেখাটা মন দিয়ে পড়তে পারেন, তবেই পড়েন, এছাড়া পড়ার দরকার নেই।
গত পোস্টের ধারাবাহিকতায় আজকে লিখবো আর্গুমেন্ট রাইটিং এর কিছু গুরুত্বপূর্ন দিক নিয়ে যদি exam হলে প্রয়োগ করতে পারেন, আপনি প্রত্যাশিত মার্ক হতে ২ মার্ক হলেও বেশি পাবেন। মূলত রাইটিং এর মজাটা এখানেই। ধরেন, আপনি এখনে এক্সাম হলে বসলে ১১৫ পাবেন (ধরে নিচ্ছি), কিন্তু ফাইনালি চান্স পেতে লাগবে ১২০ মার্ক (ধরে নিচ্ছি)। আপনি যদি কয়েকটা জায়গাতে কিছু রিফাইনিং করতে পারেন, তাহলেই আপনি ১২০+ এর রেঞ্জে চলে আসলেন। এবং, ১১৫-১২০ এই রেঞ্জে অনেক ক্যান্ডিডেট থাকবে, যারা কিন্তু জাস্ট একটু রিফাইনিং করতে পারলেই রেসের ট্র্যাকে ফাইনালি জিতে যেতো। আমাদের টার্গেট হবে প্রস্তুতির শুরু থেকে এই দিকে নজর রাখা। জেনো পুরো ম্যাচ ভালো খেলে শেষ ওভারে গিয়ে ম্যাচ হাতছাড়া না হয়।
আমি ধরে নিচ্ছি আপনি আর্গুমেন্ট রাইটিং এর ফরম্যাট/টেমপ্লেট সম্পর্কে কিছুটা হলেও আইডিয়া রাখেন। মার্কেটে যত রকম ফরম্যাট পাওয়া যায়, আমি কোনোটাকে খারাপ বলবো না। এই অভ্যাস আমার নেই। আমিও চাইবো কেবল কিছু জিনিস যোগ করতে যা আপনাকে এগিয়ে নেবে এক অনবদ্য লেভেল এ। অতএব, আপনি যেকোনো ফরম্যাট প্রয়োগ করতে পারেন, সমস্যা নেই। কেবল নিচে উল্লেখ করা বিষয় গুলো মাথায় রাখবেন। এতে করে যদি আপনার ২/৩ মার্ক এগিয়ে যাওয়া হয়, খারাপ কী, তাইনা?
১। আপনি যখন বর্ণনামূলক ফোকাস রাইটিং লিখছেন, তার জন্য শব্দ চয়ন এবং আর্গুমেন্ট ভিত্তিক কোনো টপিক নিয়ে লিখছেন, তার শব্দ চয়ন একই হবে না। তাই শব্দ চয়নের ক্ষেত্রে নিচের ২০+ শব্দ জেনো আপনার লেখায় থাকে। এতে করে আপনার লেখার মান বাড়বেই।
Assumption, substantiate, conclusion, fallacious, debate, unconvincing, advocate, postulate, readily, provide, refute, assert, contend, example, instance, fail, consider, pivotal, stated, cited, noticed, hastily ইত্যাদি।
এই রকম অনেক শব্দ আছে, যা আমাদের লাগবে না, আপনি এই গুলোই ব্যবহার করে দেখেন, আপনার লেখার মান কোন দিকে যাচ্ছে। ২০+ না পারেন, ১০+ শব্দ ব্যবহার করে দেখেন। ব্রেইন করে বেশি প্রেশার দেবেন না। তবে এই শব্দ গুলোকে দৈনন্দিন কথা বার্তায় ব্যবহার করেন, দেখবেন, exam হলে ব্যবহার করতে পারছেন। অনেকেই দেখবেন, অনেক শব্দ পারেন, কিন্তু লিখতে গেলে মনে আসে না। এজন্য নিয়মিত শব্দ কে ব্যবহার করতে হবে, তবেই ব্রেইন লেখার সময় সিগন্যাল দেবে, কখন কোনটা ব্যবহার করতে হবে।
২। আপনার আলোচনাতে তিনটা পার্ট থাকবে।
Assumption নিয়ে, conclusion নিয়ে, এবং own position নিয়ে।
আলোচনাতে এক্সাম্পল নিয়ে আসবেন। কোনভাবেই এক্সাম্পল দেয়া বাদ দেবেন না। এটা আপনার আর্গুমেন্ট কে আর কার্যকরী করে তুলবে।
৩। বেশি লিখবেন না। কতটা লিখবেন এটা আগেই কয়েকবার লিখে নিজের ক্যাপাসিটি সম্পর্কে ধারনা রাখবেন।
বিদ্রঃ ছবিতে আমি আমার নিজের একটা টেম্পলেট দিয়েছি আর্গুমেন্ট রাইটিং এর. চাইলে এইটা ট্রাই করতে পারেন। আবারো বলছি, মার্কেটে অনেক রকম ফরম্যাট পাবেন, যেটা আপনার ভালো লাগে, সেটাই ব্যবহার করবেন। তবে ১,২ এবং ৩ নং এ যা বলেছি, তার দিকে খেয়াল রাখবেন।
ধন্যবাদ সবাইকে।
However, should you be highly interested, I can upload a video on this topic.

Copy

07/04/2026


মাঝপথে যেনো সহকারী পরিচালক (বাংলাদেশ ব্যাংক) এর লিখিত প্রস্তুতি নিয়ে আলাদাভাবে ভাবতে না হয়।

আমি সবসময় কথা বলেছি বা বলতে পারেন, বেশিরভাগ সময় কথা বলে থাকি লিখিত এক্সাম নিয়ে। তাই আজকে লিখবো সহকারী পরিচালক (বাংলাদেশ ব্যাংক) এর লিখিত এক্সামের প্রস্তুতি নিয়ে। এটা একান্তই আমার মতামত। আপনি চাইলে এটাকে এড়িয়ে যেতে পারেন। ব্যাক্তিভেদে স্ট্রাটেজি ভিন্ন হতেই পারে।

আমি সব সময় কম লেখার পক্ষে। আমার আজকের এই পোস্ট এর মূল কথা এটাই। অনেক জানতে হবে, বা অনেক লিখতে হবে, আমি এর ঘোর বিরোধী। একটা কথা বিশ্বাস করবেন কিনা জানিনা, আপনি যদি একটা সলিড প্রস্তুতি নিয়ে থাকেন কিন্তু শেষ হাসিটা না হাসতে পারেন, এর একটা বড় কারণ হলো এক্সাম হলে ঠিক মতো ডেলিভারি না দিতে পারা। একটা সলিড প্রস্তুতি নেয়া ক্যান্ডিডেট যদি যা জেনে থাকে, তা সঠিক ভাবে উপস্থাপন করতে পারে, তার বিজয় সুনিশ্চিত। এটা কোন মোটিভেশনাল কথাবার্তা না। আশেপাশে একটু খেয়াল করুন। অনেক ক্যান্ডিডেট আছেন যারা দেখবেন বারবার বলে, ইশ আর একটু ঠাণ্ডা ভাবে লিখতে পারতাম, বা ম্যাথ ক্যাল্কুলেশন টা যদি শেষে গিয়ে ভুল না করতাম, তাহলেই কাজ হয়ে যেতো। কারণ এখানে ২/৩ মার্ক অনেক বড় পার্থক্য গড়ে দিচ্ছে। তাই লিখিত এক্সাম টা কিছুটা হলেও সাইকোলজিক্যাল টেস্ট ও বটে। এজন্য কিছু অতি অপ্রয়োজনীয় চাপ মাথা থেকে দূর করতে হবে, যার একটা হলো, অনেক লিখতে হবে। এই ধারনাটাই বাদ দিয়ে দেন।

পুরো ২০০ মার্কের এক্সামে আমি মাত্র ৮ বা ৯ পেজ লিখেছিলাম। এত কম লিখেও খুব কনফিডেন্ট ছিলাম কিভাবে আমি এক্সাম হলে? চলুন, আজকে এই গল্পটাই বলি।

আমাদের দুইটা ফোকাস লিখতে হয়েছিলো। ১টা ছিল বাংলায় যা লিখেছিলাম মাত্র ২ পেজ এবং যেটা ইংরেজিতে ছিল সেটা মাত্রও ২.৫ পেজ লিখেছিলাম। মানে হলো সাড়ে চার পেজে বিশাল যন্ত্রণা থেকে মুক্তি। প্যাসেজ যেটা এসেছিলো, সেটা উত্তর করেছিলাম মাত্র হাফ পেজে। ৫ টা ম্যাথ ২.৫ পেজ এ সমাধান করেছিলাম। একটা সামারি দিয়েছি যা কিনা হাফ পেজ এর চাইতে কম জায়গাতে লিখেছিলাম। দুইটা অনুবাদ ছিল যা ১ পেজের কম জায়গাতে লিখেছিলাম। আর জেনারেল নলেজ এর ১০ টা প্রশ্ন কিছুটা জায়গা লেগেছিল, মূলত উত্তর গুলো দিয়েছিলাম এক কথায়। পুরো বাক্য লিখার প্রয়োজন মনে হয়নি। বুঝতেই পারছেন সব মিলিয়ে প্রায় 9 পেজের মতো লিখেছিলাম। পেজ বলতে আমি এপিট ওপিঠ দুইটা ধরে এক পেজ বুঝাচ্ছি না। ওপিঠ দুইটা কে আমি দুইটা পেজ বুঝাচ্ছি। আশা করি বুঝতে পেরেছেন, কত কম লিখেছিলাম। এই কথাটা লিখলাম এই কারণে যে আপনি যেনো এক্সাম হলে বসে এটা ভেবে নিজেকে সাইকোলজিক্যালি দুর্বল করেন যে আপনাকে অনেক লিখতে হবে।

এখানে ফ্যাক্ট হলো একটাই। তাহলো কোয়ালিটি ধরে লিখতে পারা। যারা আপনার খাতা দেখবেন, তারা আপনার লেখার প্রতিটা লাইন মন দিয়ে পড়েন। আপনার প্রতিটা শব্দ ওনার মার্কিং এ প্রভাব ফেলবে। অযথাই বেশি লিখতে কোয়ালিটি লস করবেন না। আর কোয়ালিটি রেখে বেশি লিখতে পারলে তো আরও ভালো।
এবার আরেকটু ভেতরে যাই আলোচনার।

আমি ম্যাথ ৫ টা আসলেও এর মধ্যে একটা ম্যাথ সমাধান করতে পারিনি। প্রশ্নটাতে হাত দিয়েই বুঝেছি, এটা আমার কাজ নয়, তাই সঙ্গে সঙ্গে বাদ। মানে ৭ মার্ক আমার অলরেডি নাই। বুঝতেই পারছেন। অন্যদিকে জেনারেল নলেজ ১০ টা প্রশ্নের মধ্যে আমি ৪ টা প্রশ্ন পুরো পারতাম আর একটার অর্ধেক পারতাম। বুঝতেই পারছেন এখানেও বলা যায় ১৮ মার্ক নেই। অর্থাৎ মূল এক্সাম ২০০ মার্কের হলেও আমি এক্সাম দিয়েছি ১৭৫ মার্কের। এই ১৭৫ মার্কের মধ্যে এক্সাম দিয়ে আমার হিসেব মতে ৫৬ তম হতে গেলে আমাকে কমপক্ষে ১২৫+ মার্ক পেতে হবে যা কিনা ১৭৫ মার্কের প্রায় ৭২% মার্ক। কিন্তু দেখেন, আমি খুব সহজেই এটা করেছি, তাইনা? কোয়ালিটি রাইটিং এর এটাই মজা। অনেকটা প্রিসিশন স্ট্রাইক এর মতো। আপনার টার্গেট হবে একেবারে নির্ভুল।

যাই হোক, মূল কথা হলো, আপনি আজকে থেকে পড়ার টেবিলে বসার প্লান যখন করছেন, তখন এটা মাথায় সেট করে নিন যে, যা দরকার নেই, তা মাথায় রাখবো না। জাস্ট দরকারি বিষয় গুলো জানতে হবে। এক্সট্রা জিনিস এক্সাম হলে অযথাই প্রেশার সৃষ্টি করে। যতটা মনে আছে, আমি এক্সাম হলে লেখা শেষ করে ৫ বা ৬ মিনিট সময় বসে ছিলাম, কারণ লেখার কিছু নেই।

এইযে এতো ভাব নিলাম, কিন্তু জানেন, নিজের প্রথম দুইটা ব্যাংক রিটেন আমি ঢাহা ফেল করেছিলাম। কিন্তু নিজের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে টানা ৯ টা রিটেন পাশ করেছিলাম এই রকম কনফিডেন্স নিয়ে। আপনি আপনার ভুল থেকে শিক্ষা নিন। সফলতা আপনার জন্য অপেক্ষা করছে। আমি কাউকে বলে এসেছিলাম যে, যে চাকুরী আমাকে তোমার সমাজ থেকে বিচ্যুত করে দিলো, আমি তোমাকে একই রকম ৫ টা চাকুরী পেয়ে দেখাবো। উল্লেখ্য, তখন আমি অই দুইটা রিটেন ফেল মেরেই বসে আছি। কিন্তু আমি কনফিডেন্ট ছিলাম, যে আমার যা দরকার, তা আমি জেনে গিয়েছি। তাই বাস্তবতা যখন আমার পরাজয় দেখে অট্টহাসি হাসছিল, আমার তখন আপাত বৃহৎ অট্টহাসির প্রকৃত সীমিত সীমারেখার উপর দাঁড়িয়ে তাচ্ছিল্যের অবজ্ঞাটুকু দেখানো ছাড়া উপায় ছিল না।

এই চাকুরীর বেতন কম, এই নেই, সেই নেই, ইত্যাদি ইত্যাদি বলার জন্য হলেও ১০৮ টা পোস্ট এর একটা রোল নাম্বার যেনো আপনার হয়, এজন্য শেষ বারের জন্য হলেও রেসে ট্র্যাক এ আসুন।

আগামী পর্বে কথা হবে রাইটিং এর কোয়ালিটি নিয়ে।

যাই হোক, আমি আসলে আমার ডিসেম্বরে মায়ের স্ট্রোক, জানুয়ারিতে একটা চেতকের হাসপিটালে ভর্তি হওয়া, এখন আমার বড় ভাই এর দুইটা সার্জারি, সব মিলিয়ে অনেক পিছিয়ে গিয়েছি। তারপরেও ক্লাস গুলো নিচ্ছি। তবে আর ১৫ টা দিন সময় দেন আমাকে, আমি রেগুলার হচ্ছি, এবং কথা দিচ্ছি, ব্যাচ আসবে এই সার্কুলারের উপর ভিত্তি করে।

Copy

07/04/2026

#রাজনৈতিক_পোস্ট_০১
প্রত্যেকের একটা নিজস্ব রাজনৈতিক মতাদর্শ রয়েছে। আর রাজনীতির সাথে ইতিহাস ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই ইতিহাস অস্বীকার করে রাজনীতি হয় না। আবার ইতিহাসকে পুঞ্জীভূত করে একটা জাতিকে জবরদস্তি দমিয়ে রাখাও সমীচীন নয়।
বাংলাদেশের কথা আসলেই সবার প্রথম মুক্তিযুদ্ধের কথা আসবে। এটা অস্বীকার করার সাহস কারো থাকার কথাও না। এবং এই মুক্তিযুদ্ধে অবদান নিয়ে যত কথা।
(ঐতিহাসিক পত্রিকা, বই ইত্যাদি দেখে দেখে যারা বয়ান দেন তাদের বশিরভাগই বায়াসড নেস বুঝতে চান না। আবার পত্রিকা যে ক্ষমতার গোলাম। ক্ষমতাকে প্রশ্ন করতে চায় না এটাও বুঝতে চান না। তাই ওটাকে দলীল হিসেবে নিয়ে ইতিহাস নিয়ে গোঁজামিলপূর্ণ কথাবার্তা সমীচীন নয়)
মুক্তিযুদ্ধে শেখ মুজিবুর রহমান এর অবদান অস্বীকার করার কোনো জায়গা নেই। কিন্তু স্বাধীনতার পর তার দেশের প্রতি, দেশের মানুষের প্রতি অন্যায়ও অস্বীকার করার জায়গা নেই। তাই Conclusion line বলার আগে introduction ও বললে বিষয়টা নিয়ে কোনো বিতর্ক হওয়ার জায়গা নেই। অন্ধত্বদের কথা আলাদা।
আবার জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক হোন বা না হোন তাতে তার অবদানও এতটুকু কমে যাবে না। এবং স্বাধীনতার পরেও তার ধারাবাহিক অবদান কেউ অস্বীকার করবে না।
আবার, মুক্তিযুদ্ধের সময়ে জামায়াতের অবস্থান নিয়েও বিতর্কের জায়গা নেই। স্বাধীন দেশে যখন একটি রাজনৈতিক দলের এক্সিটেন্স থাকে, তখন সকল রাজনৈতিক দলই যে আন্ডার টেবিল সব মিটিয়ে নিয়েছে তা বলাই বাহুল্য। কিন্তু রাজনীতির ডার্ক সাইড হইল আন্ডার টেবিল আর ফিল্ড দুটো সম্পূর্ণ বিপরীতমুখি। এর জেরে সাধারণ জনগন দ্বন্দ্বে লিপ্ত থাকে, আর নেতারা ক্ষমতা ভোগ করে।

প্রতিটি ক্ষেত্রেই দুটো প্রেক্ষাপট বিবেচনায় রাখলেই সকল সমস্যার সমাধান হয়ে যায়, মুক্তিযুদ্ধের আগের এবং পরের প্রেক্ষাপট।
এখন এই মহান মুক্তিযুদ্ধকে যখন বারবার একটি গোষ্ঠী নিজেদের স্বার্থে নোংরাভাবে ব্যবহার করতে থাকে। বিভিন্ন ভাবে উপস্থাপন করতে থাকে তখন তা ব্লাস্টার তৈরি করে। এবং তারই ফল,, বর্তমান জেনারেশনের অনেকেই এই বিষয়ে কথা বলাটা পছন্দ করেন না।

তাই ইতিহাস নিয়ে কথা বলার সময় সকলের সতর্ক থাকা উচিত। বললে পুরোটাই বলতে হবে না হয় চুপ থাকতে হবে। আবার ইতিহাসকে রাজনৈতিক ঢাল কিংবা অ*স্ত্র বানানো যাবে না।
দেশ, ইতিহাস, ঐতিহ্য অপরিবর্তনীয় থাকাটা জরুরী না হলে পুরো জাতি অস্তিত্ব সংকটে পরে যাবে এবং বারংবার পিছিয়ে পরবে যেটা গত ৫৫ বছরে পড়েছে।

মুসলিম হিসেবে, আমি যেমন ইসলামপন্থী এবং তেমনি দেশের প্রতি ভালোবাসার জন্য আমি বাংলাদেশপন্থী।
রাজনৈতিক মতাদর্শের কারনে যদি কেউ বাংদেশপন্থীতা নিয়ে নোংরামো করবে তাকে অন্তত সুশীলতার সহীত বিবেচনা করব না।

11/05/2024

If milk gets bad, it becomes yoghurt. Yoghurt is more valuable than milk. If it gets even worse, it turns to cheese. Cheese is more valuable than both yoghurt and milk. And if grape juice turns sour, it transforms into wine, which is even more expensive than grape juice.

You are not bad because you made mistakes. Mistakes are the experiences that make you more valuable as a person. Christopher Columbus made a navigational error that made him discover America. Alexander Fleming’s mistake led him to invent Penicillin.

Don’t let your mistakes get you down. It is not practice that makes perfect. It is mistakes we learn from that makes perfect!

Don't be scared of mistakes, more bigger steps ahead just keep going....

দুধ খারাপ হলে দই হয়ে যায়। দই দুধের চেয়ে দামি। যদি এটা আরো খারাপ হয়, এটা পনির হয়ে যায়। দই এবং দুধের চেয়ে পনিরের মূল্য অনেক বেশি। আর আঙুরের রস টক হলে তা ওয়াইনে রূপান্তরিত হয়, যা আঙ্গুর রসের চেয়েও দামী।

তুমি খারাপ না কারণ তুমি ভুল করেছ। ভুল হল সেই অভিজ্ঞতা যা আপনাকে একজন ব্যক্তি হিসেবে আরো মূল্যবান করে তোলে। ক্রিস্টোফার কলম্বাস একটি নেভিগেশন ভুল করেছেন যা তাকে আমেরিকা আবিষ্কার করতে বাধ্য করেছে। আলেকজান্ডার ফ্লেমিং এর ভুল তাকে পেনিসিলিন আবিষ্কার করতে বাধ্য করেছে।

আপনার ভুলগুলিকে আপনাকে নিচে নামাতে দেবেন না। এটি অনুশীলন নয় যা নিখুঁত করে তোলে। আমরা ভুল থেকে শিখি যা নিখুঁত করে তোলে!

ভুলকে ভয় পেয়ো না, আরো বড় পদক্ষেপ এগিয়ে যাও

শুধু এগিয়ে যাও....

Want your school to be the top-listed School/college in Madaripur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


মাদারীপুর সদর
Madaripur
7900