চতুর্ভুজ, বর্গ এবং আয়তক্ষেত্র নির্ণয়
Habib's Study Zone
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Habib's Study Zone, Education, Lalmonirhat.
27/08/2021
যে কোনো জবের এক্সামে ভালো করার জন্য এই বই গুলো সংগ্রহে রাখার চেষ্টা করুন। ইনশাআল্লাহ, ইতিবাচক ফলাফল আসবেই।
04/08/2021
স্ক্যান্ডিনেভিয়ান রাষ্ট্র বা নর্ডিক রাষ্ট্র ৫ টি (ফিডে আসুন)৷
ফিনল্যান্ড
ডেনমার্ক
আইসল্যান্ড
সুইডেন
নরওয়ে
★ ফিনল্যান্ডঃ
১) হাজার হ্রদের দেশ ফিনল্যান্ড৷
২) ফিনল্যান্ডে হ্রদ রয়েছে প্রায় ৫৫ হাজার৷
৩) ইউরোপের মধ্যে ফিনল্যান্ডের নারীরা প্রথম ভোটাধিকার পায়৷
৪) ফিনল্যান্ডের বনভূমিকে সবুজ সোনা বলা হয়৷
৫) ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকি৷
৭) মূদ্রা ইউরো
★ ডেনমার্কঃ
১) স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চলের মধ্যে ক্ষুদ্রতম রাষ্ট্র৷
২) পৃথিবীর প্রথম পতাকার প্রচলন হয় ডেনমার্কে৷
৩) ডেনমার্কের ১ কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভার নাম ফকেটিং৷
৪) পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপ গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের অধীন৷
৫) ফ্যারো দ্বীপপুঞ্জ ডেনমার্কের অধীনে একটি স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চল৷
৬) ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেন (জিল্যান্ড দ্বীপে অবস্থিত)
৭) গ্রিনল্যান্ডের অধিবাসীদের এক্সিমো বলা হয়। এরা ইগলু নামের ক্ষণস্থায়ী বাসায় বসবাস করে।
৮) গ্রিণল্যান্ড উত্তর৷ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত৷ রাজনৈতিকভাবে এটি ইউরোপে, কিন্তু ভৌগোলিক ভাবে উত্তর আমেরিকায় অবস্থিত৷
★ আইসল্যান্ডঃ
১) ইউরোপের মধ্যে কম ঘনবসতিপূর্ণ দেশ আইসল্যান্ড।
২) মধ্য রাতের সূর্যের দেশ বলা হয়।
৩) পৃথিবীতে সবচেয়ে উষ্ণ বসন্তকাল হয় আইসল্যান্ডে৷
৪) আইসল্যান্ড কে আগুনের দ্বীপ বলা হয়।
৫) আইসল্যান্ডে কোন সাপ নেই।
৬) আইসল্যান্ডের অধিবাসীদের প্রধান জীবিকা মৎস শিকার।
৭) রাজধানী রিকজাভিক।
৮) মূদ্রা ক্রোনা।
★ সুইডেনঃ
১) আয়তনে সবচেয়ে বড় স্ক্যান্ডিনেভীয়ন দেশ৷
২) পৃথিবীর প্রথম কল্যাণ রাষ্ট্র৷
৩) রাজধানী স্টকহোম৷
৪) উত্তরের ভেনিস বলা হয় স্টকহোম কে।
৫) পশ্চিম ইউরোপের চিত্র শিল্পীদের একটি সংগঠন "ক্লাব অব ভিয়েনা"
৬) ইউরোপের স'মিল বলা হয় সুইডেন কে।
৭) সুইডেনের মূদ্রা ক্রোনা।
৮) গাড়ী প্রস্তুতকারী কোম্পানি ভলবো সুইডেনের কোম্পানি।
৯) আইনসভা রিক্সদাগ।
★ নরওয়েঃ
১) পৃথিবীর সর্ব উত্তরের শহর হ্যামারফাস্ট নরওয়েতে অবস্থিত।
২) ধীবরের দেশ বলা হয় নরওয়ে কে।
৩) নিশীথ সূর্যের দেশ নরওয়ে।
৪) নরওয়ের মূদ্রা ক্রোনা।
৫) নরওয়ের রাজধানী অসলো। এর পূর্ব নাম ক্রিস্টিনা।
৬) রাজধানী অসলো।
26/06/2021
চলতি বছর থেকে বর্তমান সরকার বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব পদক চালু করেছে।
প্রতি বছর ৮ আগষ্ট বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মদিনে এই পদক দেওয়া হবে।
শিক্ষা, সংস্কৃতি, অর্থনীতি, ক্রীড়া, সমাজসেবা, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ, গবেষণা, কৃষি ও পল্লী উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদা৷ ও গৌরবোজ্জ্বল ভুমিকা রাখার জন্য এই পদক প্রদান করা হবে।।।।।।
01/06/2021
যোগিক শব্দ, রুঢ় বা রুঢ়ি শব্দ এবং যোগরুঢ় শব্দ শেখার শর্ট টেকনিক।।।।
13/05/2021
10/04/2021
১ হইতে ৪৭ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু অনুচ্ছেদঃ
২(ক): রাষ্ট ধর্ম ***
৪ঃ জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক **
৪(ক): জাতির পিতার প্রতিকৃতি ***
৬(২): নাগরিকত্ব ***
৭(খ): সংবিধানের মৌলিক বিষয়াবলি সংশোধনের অযোগ্য **
৮: মূলনীতি সমূহ **
১২ঃ ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা ***
১৫ঃ মৌলিক প্রয়োজনে ব্যবস্থা **
১৭ঃ অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা ***
১৮(ক): পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন **
১৯(৩): সুযোগের সমতা **
২১(২): নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্য **
২২ঃ নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ ***
২৩(ক): উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রসারণ সংস্কৃতি ***
২৫ঃ আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন **
২৭ঃ আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান ***
২৮ঃ ধর্মীয় প্রভৃতি কারণে বৈষম্য **
২৯ঃ সরকারি নিয়োগ লাভের সুযোগের সমতা ***
৩৩ঃ গ্রেফতার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ **
৩৬ঃ চলাফেরার স্বাধীনতা ***
৩৮ঃ সংগঠনের স্বাধীনতা **
৩৯ঃ চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা ***
৪১ঃ ধর্মীয় স্বাধীনতা ***
৪৪ঃ মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ **
৪৬ঃ দায়মুক্তি বিধানের ক্ষমতা **
৪৭(৩): কতিপয় আইনের হেফাজত
31/03/2021
একনজরে সংবিধানের ১৭টি সংশোধনী
স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ১৭টি সংশোধনী আনা হয়েছে। এ সময়কালে বসা ১০টি সংসদের মধ্যে সপ্তম সংসদ বাদে প্রতিটি সংসদেই সংবিধান সংশোধন হয়েছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদকালের সপ্তম সংসদে সংবিধানে কোনও সংশোধন হয়নি। অপরদিকে প্রথম সংসদের মেয়াদকালে সব থেকে বেশি ৪ বার সংবিধানে সংশোধনী আনা হয়েছে।
১৭টি সংশোধনীর মধ্যে সব থেকে বেশি ভোট পড়েছে ২০১৪ সালে আনা ষোড়শ সংশোধনীতে। ওই সময় ৩৫০টি ভোটের মধ্যে ৩২৭-০ ভোটে সংশোধন বিল পাস হয়। আর সংসদ নেতা হিসেবে শাহ আজিজুর রহমান, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ ও খালেদা জিয়া পৃথক পাঁচটি সংশোধনী বিল পাসের জন্য সংসদে তোলেন। বাকি বিলগুলো সংশ্লিষ্ট সংসদের আইনমন্ত্রীরাই উত্থাপন করেন। একাদশ, দ্বাদশ, ষোড়শ ও সপ্তদশ সংশোধনীগুলো বিরোধী দলের সঙ্গে ঐকমত্যের ভিত্তিতে সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়।
প্রসঙ্গত: ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭২ সালে প্রথম সংবিধান পায় বাংলাদেশ। ওই বছরের ৪ নভেম্বর সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর থেকে তা কার্যকর হয়।
এক নজরে সব সংশোধনী:
প্রথম সংশোধনী: সংবিধানের প্রথম সংশোধনী বিল পাস হয় ১৯৭৩ সালের ১৫ জুলাই। সংবিধানের প্রথম সংশোধনীটি ছিল যুদ্ধাপরাধীসহ অন্যান্য মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করা। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পরে এই সংশোধনীর মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করা হয়। তৎকালীন আইনমন্ত্রী মনোরঞ্জন ধর বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন। ২৫৪-০ ভোটে বিলটি পাস হয়। তিনজন ভোটার ওই সময় ভোটদানে বিরত থাকেন। পরে এটি ১৯৭৩ সালের ১৭ জুলাই রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পায়।
দ্বিতীয় সংশোধনী: ১৯৭৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী বিল পাস হয়। এতে সংবিধানের কয়েকটি অনুচ্ছেদে (২৬, ৬৩, ৭২ ও ১৪২) সংশোধন আনা হয়। অভ্যন্তরীণ গোলযোগ বা বহিরাক্রমণে দেশের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক জীবন বাধাগ্রস্ত হলে ‘জরুরি অবস্থা’ ঘোষণার বিধান চালু করা হয় এই সংশোধনীর মাধ্যমে। আইনমন্ত্রী মনোরঞ্জন ধর বিলটি সংসদে উত্থাপন করলে ২৬৭-০ ভোটে তা পাস হয়। সংসদের তৎকালীন বিরোধী দল ও স্বতন্ত্র সংসদেরা বিল পাসের সময় সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেন। বিলটি পাসের দুইদিনের মাথায় ২২ সেপ্টেম্বর এটি রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পায়।
তৃতীয় সংশোধনী: ভারত ও বাংলাদেশের সীমানা নির্ধারণী একটি চুক্তি বাস্তবায়ন করার জন্য ১৯৭৪ সালের ২৩ নভেম্বর এ সংশোধনী আনা হয়। এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত চুক্তি অনুমোদন এবং চুক্তি অনুযায়ী ছিটমহল ও অপদখলীয় জমি বিনিময় বিধান প্রণয়ন করা হয়। আইনমন্ত্রী মনোরঞ্জন ধর উত্থাপিত বিলটি ২৬১-৭ ভোটে পাস হয়। রাষ্ট্রপতির অনুমোদন হয় ১৯৭৪ সালের ২৭শে নভেম্বর।
চতুর্থ সংশোধনী: ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি এ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটানো হয়। সংসদীয় শাসন পদ্ধতির পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি শাসিত শাসন পদ্ধতি চালু এবং বহুদলীয় রাজনীতির পরিবর্তে একদলীয় রাজনীতি প্রবর্তনে এই সংশোধনীর মূল কথা। আইনমন্ত্রী মনোরঞ্জন ধর সংশোধনীর বিষয়টি উত্থাপন করেন। বিলটি ২৯৪-০ ভোটে পাস হয়। বিলটি পাসের সময় সরকারি দলের সদস্য এমএজি ওসমানী ও ব্যারিস্টার মঈনুল ইসলাম সংসদ বর্জন করেন। বিলটি পাস হওয়ার দিন ২৫ জানুয়ারিই তা রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পায়।
পঞ্চম সংশোধনী: জাতীয় সংসদে এ সংশোধনী আনা হয় ১৯৭৯ সালের ৬ এপ্রিল। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর থেকে ১৯৭৯ সালের ৫ এপ্রিল পর্যন্ত সামরিক সরকারের যাবতীয় কর্মকাণ্ডকে বৈধতা দানসহ সংবিধানে এর মাধ্যমে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম সংযোজন করা হয়। সংসদ নেতা শাহ আজিজুর রহমান উত্থাপিত বিলটি ২৪১-০ ভোটে পাস হয়। পরে এ সংশোধনীটি অবশ্য উচ্চ আদালতের রায়ে ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অবৈধ ঘোষিত হয়ে যায়।
ষষ্ঠ সংশোধনী: ১৯৮১ সালের ৮ জুলাই এ সংশোধনী আনা হয়। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর উপরাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তার অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সেই সময়ে বিএনপি রাষ্ট্রপতি পদে তাদের প্রার্থী হিসেবে আব্দুস সাত্তারকে মনোনয়ন দেয়। ষষ্ঠ সংশোধনীতে সেই পথটাই নিশ্চিত করা হয়। উপ-রাষ্ট্রপতি পদে বহাল থেকে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের বিধান নিশ্চিত করা হয় এই সংশোধনীর মাধ্যমে। সংসদ নেতা শাহ আজিজুর রহমান উত্থাপিত বিলটি ২৫২-০ ভোটে পাস হয়। এটি রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পায় ওই বছরের ১০ জুলাই।
সপ্তম সংশোধনী: ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ থেকে ১৯৮৬ সালের ১০ নভেম্বর পর্যন্ত দেশে সামরিক শাসন বহাল ছিল। ১৯৮৬ সালের ১১ নভেম্বর জাতীয় সংসদে সপ্তম সংশোধনীর মাধ্যমে এরশাদের ওই সামরিক শাসনে বৈধতা দেওয়া হয়। ১৯৮২ সালের ২৪শে মার্চ থেকে ১৯৮৬ সালের ৯ নভেম্বর পর্যন্ত সামরিক আইন বলবৎ থাকাকালীন সময়ে প্রণীত সব ফরমান, প্রধান সামরিক আইন প্রশাসকের আদেশ, নির্দেশ ও অধ্যাদেশসহ অন্যান্য আইন অনুমোদন দেওয়া হয় এই সংশোধনীর মাধ্যমে। আইনমন্ত্রী বিচারপতি কে এম নুরুল ইসলাম উত্থাপিত সংবিধান সংশোধনী বিলটি ২২৩-০ ভোটে পাস হয়। ১০ নভেম্বরই এটি রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পায়। ৫ম সংশোধনীর মত ২০১০ সালের ২৬ আগস্ট এ সংশোধনীকে আদালত অবৈধ ঘোষণা করে।
অষ্টম সংশোধনী: ১৯৮৮ সালের ৭ জুন সংবিধানে অষ্টম সংশোধনী আনা হয়। এ সংশোধনীর মাধ্যমে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদে (২, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০) পরিবর্তন আনা হয়। রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলামকে স্বীকৃতিদান করা ও ঢাকার বাইরে ৬টি জেলায় হাইকোর্টের স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপন করার বিধান চালু করা হয়। Dacca-এর নাম Dhaka এবং Bangali-এর নাম Bangladeshi-তে পরিবর্তন করা হয় এই সংশোধনীর মাধ্যমে। সংসদ নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ উত্থাপিত এ বিলটি ২৫৪-০ ভোটে পাস হয়। এটি রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পায় দু’দিন পর অর্থাৎ ৯ জুন। তবে পরবর্তীতে ঢাকার বাইরে হাইকোর্টের বেঞ্চ গঠনের বিষয়টি বাতিল করে দেন সর্বোচ্চ আদালত।
নবম সংশোধনী: নবম সংশোধনী আনা হয় ১৯৮৯ সালের ১০ জুলাই। এ সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতিকে নিয়ে কিছু বিধান সংযোজন করা হয়। এ সংশোধনীর আগে রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতি যতবার ইচ্ছা রাষ্ট্রপতি পদের জন্য নির্বাচন করতে পারতেন। এ সংশোধনীর পর অবস্থার পরিবর্তন হয়। রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের সঙ্গে একই সময়ে উপরাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠান করা, রাষ্ট্রপতি পদে কোনও ব্যক্তির পর পর দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন সীমাবদ্ধ রাখা হয়। উত্থাপনকারী সংসদ নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। বিলটি ২৭২-০ ভোটে পাস হয়। রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পায় ১১ জুলাই। অবশ্য দ্বাদশ সংশোধনীর পর এ সংশোধনীর কার্যকারিতা আর নেই।
দশম সংশোধনী: এই বিলটি পাস হয় ১৯৯০ সালের ১২ জুন । রাষ্ট্রপতির কার্যকালের মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বে ১৮০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ব্যাপারে সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদের বাংলা ভাষ্য সংশোধন ও সংসদে মহিলাদের ৩০টি আসন আরও ১০ বছর কালের জন্য সংরক্ষণ করার বিধান করা হয়। আইনমন্ত্রী হাবিবুল ইসলাম উত্থাপিত বিলটি ২২৬-০ ভোটে পাস হয়। এটি রাষ্ট্রপতির অনুমোদন হয় ১৯৯০ সালের ২৩শে জুন।
একাদশ সংশোধনী: গণঅভ্যুত্থানে এইচ এম এরশাদের পতনের পর বিচারপতি মো. সাহাবুদ্দিনের দায়িত্ব গ্রহণ নিয়ে ১৯৯১ সালে ৬ আগস্ট এ সংশোধনী পাস হয়। এর মাধ্যমে প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমেদের উপরাষ্ট্রপতি হিসেবে নিয়োগদান বৈধ ঘোষণা করা হয়। অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের প্রধান বিচারপতির পদে ফিরে যাবার বিধান পাস করানো হয় এই সংশোধনীতে। আইনমন্ত্রী মির্জা গোলাম হাফিজ উত্থাপিত বিলটি ২৭৮-০ ভোটে পাস হয়। এ বিলটি সরকারি ও বিরোধী দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে পাস হয়। এটি রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পায় ১০ আগস্ট।
দ্বাদশ সংশোধনী: ১৯৯১ সালের ৬ আগস্টের এ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৭ বছর পর দেশে পুনরায় সংসদীয় সরকার প্রতিষ্ঠিত হয় এবং উপরাষ্ট্রপতির পদ বিলুপ্ত করা হয়। সংশোধনীটি উত্থাপন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। ৩০৭-০ ভোটে বিলটি পাস হয়। একাদশের মত এ বিলটিও সরকারি ও বিরোধী দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে পাস হয়। এটি রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পায় ওই বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর।
ত্রয়োদশ সংশোধনী: ১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ এ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নিরপেক্ষ-নিদর্লীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী জমির উদ্দিন সরকার এই সংশোধনীটি উত্থাপন করেন। এটি ২৬৮-০ ভোটি পাস হয়। রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পায় ২৮ মার্চ। উচ্চ আদালতের আদেশে ২০১১ সালে এই সংশোধনীটি বাতিল হয়।
চতুর্দশ সংশোধনী: ২০০৪ সালের ১৬ মে এ সংশোধনী আনা হয়। এ সংশোধনীর মাধ্যমে সংরক্ষিত মহিলা আসন ৩০ থেকে ৪৫টি করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অবসরের বয়সসীমা ৬৫ থেকে ৬৭ বছর করা হয়। এছাড়া রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি এবং সরকারি ও আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও বিদেশে বাংলাদেশ মিশনে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি বা ছবি প্রদর্শনের বিধান করা হয়। আইনমন্ত্রী মওদুদ আহমেদ উত্থাপিত বিলটি ২২৬-১ ভোটে এটি পাস হয়। এটি রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পায় ১৭ মে।
পঞ্চদশ সংশোধনী: সংবিধান আইন ২০১১ (পঞ্চদশ সংশোধনী) পাস হয় ২০১১ সালের ৩০শে জুন এবং রাষ্ট্রপতির অনুমোদন হয় ২০১১সালের ৩রা জুলাই। এই সংশোধনী দ্বারা সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয় এবং রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়। এই সংশোধনীর মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের নায়ক শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতিও দেওয়া হয়। এই সংশোধনীর দ্বারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়, জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়। সংবিধানে ৭ অনুচ্ছেদের পরে ৭ (ক) ও ৭ (খ) অনুচ্ছেদ সংযোজন করে সংবিধান বহির্ভূত পন্থায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের পথ রুদ্ধ করা হয়। এই সংশোধনীর বিষয়টি উত্থাপন করেন সেই সময়ের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমদ। বিরোধী দল বিএনপির বর্জনের মধ্যে ২৯১-১ ভোটে বিলটি পাস হয়।
ষোড়শ সংশোধনী: ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বরে এই সংশোধনী আনা হয়। ৭২ এর সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ পুনঃস্থাপনের মাধ্যমে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদকে ফিরিয়ে দেওয়ার বিধান পাস করা হয় এই সংশোধনীর মাধ্যমে। এটি উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক। ৩৫০ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে ৩২৭-০ জনের ভোটে সর্বসম্মতভাবে পাস হয় বিলটি। বিরোধী দল জাতীয় পার্টি বিলটির পক্ষে ভোট দেয়। পরে হাইকোর্ট একে অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেয়। আপিল বিভাগও ওই রায় বহাল রাখে। তবে, বর্তমানে এই রায়টি রিভিউতে রয়েছে।
সপ্তদশ সংশোধনী: সর্বশেষ রবিবার সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচনের বিধি আরও ২৫ বছর বহাল রাখার প্রস্তাব সম্বলিত সংবিধানের সপ্তদশ সংশোধনী বিল পাস হয়েছে। সংসদের ৩৫০ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে ২৯৮-০ ভোটে বিলটি পাস হয়। আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এ প্রস্তাব উত্থাপন করেন। রাষ্ট্রপতি বিলটির অনুমোদন দিলে এটি আইনে পরিণত হবে।
25/03/2021
আজকের প্রাইমারি মডেল-৩ এর প্রশ্ন।।।
23/03/2021
█▒▒▒ বাংলাদেশের অর্থনীতি ▒▒▒█
সূচিপত্র
বাজেটের ইতিহাস
বাংলাদেশের বাজেট ২০২০-‘২১
বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন
বাংলাদেশের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা
৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম
যৌথ অর্থনৈতিক কমিশন
বাংলাদেশের অন্যান্য উন্নয়ন কর্মসূচী
দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচী
রাজস্ব নীতি ও কর
এনজিও
মধ্যম আয়ের দেশে বাংলাদেশ
🔴 বাজেটের ইতিহাস:
বিশ্বের প্রথম বাজেট প্রণয়ণ করে? – ১৭৩৩ সালে যুক্তরাজ্যে।
উপমহাদেশে প্রথম বাজেট ঘোষণা করেন?-১৮৬১ সালে লর্ড ক্যানিং।
বাংলাদেশে প্রথম বাজেট ঘোষণা করেন?-৩০ জুন, ১৯৭২ সালে তাজউদ্দিন আহমেদ (৭৮৬ কোটি টাকা)।
রাষ্ট্রপতি হিসেবে বাজেট ঘোষনা করেন?- জিয়াউর রহমান।
সবচেয়ে বেশি বাজেট পেশ করেন?-সাইফুর রহমান ও আবুল মাল মুহিত (১২ বার)
আওয়ামীলীগ সরকার একটানা ১২ বার বাজেট পেশ করেছে।
বাংলাদেশের সংবিধানে বাজেটকে ‘বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি’ বলা হয়েছে। (৮৭ নং অনুচ্ছেদে)
🔴 বাংলাদেশের বাজেট ২০২০-‘২১
বাজেট
৪৯ তম (অন্তর্বতীকালীনসহ ৫০তম)
স্লোগান
অর্থনৈতিক উত্তরণ ও ভবিষ্যৎ পথ পরিক্রমা
আকার
৫ লক্ষ ৬৮ হাজার কোটি টাকা (জিডিপির-১৭.৯%)
রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা
৩ লক্ষ ৭৮ হাজার ৩ কোটি (জিডিপির-১৩.১%)
বাজেট ঘাটতি
১ লক্ষ ৯০ হাজার কোটি (জিডিপির-৬%)
সবোর্চ্চ বরাদ্দ
পরিবহন ও যোগাযোগ খাত-২৫.২%, শিক্ষা-১৯.৪%
সামাজিক নিরাপত্তা খাতে
৯৫ হাজার ৫৭৪ কোটি
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি
২ লক্ষ ৫ হাজার ১৪৫ কোটি
জিডিপির আকার
৩১ লক্ষ ৭১ হাজার ৮০০ কোটি
প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা
৮.২%
মুদ্রাস্ফিতির হার
৫.৪%
করোনা বাবদ বরাদ্দ
১০ হাজার কোটি টাকা থোক বরাদ্দ
পদ্মাসেতুতে বরাদ্দ
৫ হাজার কোটি টাকা
করমুক্ত আয়সীমা
পুরুষ-৩ লক্ষ, নারী-৩.৫ লক্ষ (পরবর্তী ১ লাখের উপর ৫% হারে )
🔴 বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন
পরিকল্পনা কমিশন গঠিত হয়-জানুয়ারি, ১৯৭২
অবস্থান- আগারগাঁও, ঢাকা।
চেয়ারম্যান-প্রধানমন্ত্রী।
চেয়ারম্যান নিয়োগ দেন- রাষ্ট্রপতি
🔴 বাংলাদেশের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা
পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার প্রবর্তক হলেন?-রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট জোসেফ স্ট্যালিন।
বাংলাদেশে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে?-পরিকল্পনা কমিশন।
প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা
১৯৭৩-১৯৭৮ (বরাদ্দ: ৪,৪৫৫ কোটি)
দ্বি-বার্ষিকী পরিকল্পনা
১৯৭৮-১৯৮০ (২ বছর মেয়াদী)
দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা
১৯৮০-১৯৮৫
তৃতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা
১৯৮৫-১৯৯০
চতুর্থ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা
১৯৯০-১৯৯৫
পঞ্চম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা
১৯৯৭-২০০২
পঞ্চদশ বার্ষিকী পরিকল্পনা
১৯৯৫-২০১০ (১৫ বছর মেয়াদী)
দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র-১
২০০৫-২০০৮
দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র-১
২০০৮-২০১১
সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা
২০১৬-২০২০
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা
২০২০-২০২৫
🔴 ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা
মেয়াদ- জুলাই, ২০২০ থেকে জুন, ২০২৫
লক্ষ্যঃ দক্ষতার উন্নয়ন। এছাড়া-
২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৮.৫% অর্জন
৭৫ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি
৭৭ লাখ কোটি টাকা বিনিয়োগ। যার ৭৬% বেসরকারি খাতের।
ডেল্টা ২১০০ প্ল্যানের কার্যক্রম শুরু।
ভিশন-২০৪১ বাস্তবায়নে ৪টি পঞ্চবার্ষিকীর প্রথমটা হলো ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা৷
দারিদ্র্যের হার ১২.১৭% এ নামিয়ে আনা৷
🔴 বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম
বৈদেশিক সাহায্যের পরিমাণ নির্ধারনকারী সংস্থা ?- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম।
প্রতিষ্ঠাকালীন নাম-বাংলাদেশ এইড গ্রুপ।
পূর্বনাম-প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ।
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম এর সভা ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়?-২০০৩ সাল থেকে।
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম এর সভা পূর্বে অনুষ্ঠিত হত?-প্যারিসে।
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম এর সমন্বয়কারী সংস্থা-বিশ্বব্যাংক।
বাংলাদেশকে সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক সাহায্যে দেয়?-এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।
জাপানের বৈদেশিক সাহায্যে সংস্থার নাম-জাইকা।
বাংলাদেশ ককাশ-যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে বাংলাদেশের পক্ষে কথা বলার জন্য ১৮ জন কংগ্রেস সদস্যের সংগঠন।
৩৮তম বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়?- ২৯ জানুয়ারী ২০২০।
🔴 যৌথ অর্থনৈতিক কমিশন
বাংলাদেশে প্রথম যৌথ অর্থনৈতিক কমিশন গঠিত হয়?-১৯৮২ সালে।
বাংলাদেশে বর্তমানে যৌথ অর্থনৈতিক কমিশন রয়েছে-
(ক) দেশ-১৭টি
(খ) সংস্থা-০১টি [ইউরোপীয় অর্থনৈতিক পরিষদ]
IDA-Soft Loan Window
IBRD-Hard Loan window
🔴 বাংলাদেশের অন্যান্য উন্নয়ন কর্মসূচী
উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী প্রকল্প
শুরু হয়-১৯৯৫-৯৬ অর্থবছরে।
উদ্দেশ্য-উপকূলীয় ১০টি জেলাকে ঝড়, জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষা করা।
আদর্শ গ্রাম প্রকল্প
উদ্দেশ্য-ছিন্নমূল ভূমিহীন পরিবারের পুনর্বাসন ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন।
আওতাধীন জেলা-৬১টি।
বরেন্দ্র বহুমূখী প্রকল্প
আওতাধীন জেলা-উত্তরাঞ্চলের ১৬টি জেলা।
শুরু হয়-১৯৮৫ সালে।
🔴 দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচী
দরিদ্র-২১২২ কিলোক্যালরি খাবার কেনার সামর্থ্য+ অন্যান্য খরচ
দারিদ্র্যের হার-২১.৮%
অতি দরিদ্র-২১২২ কিলোক্যালরি খাবার কেনার সামর্থ্য+ অন্যান্য খরচ করতে পারবে না।
অতি দারিদ্র্যের হার-১১.৩%
নিম্ন দারিদ্র্য রেখায় বসবাসকারী জনসংখ্যা-১২.৯%
উচ্চ দারিদ্র্য রেখায় বসবাসকারী জনসংখ্যা-২৪.৩%%
সবচেয়ে দরিদ্র জেলা-কুড়িগ্রাম, বিভাগ-রংপুর।
সবচেয়ে কম গরিব জেলা-নারায়নগঞ্জ, বিভাগ-ঢাকা।
ক্ষুদ্র ঋণ কর্মসূচী দারিদ্র্য বিমোচনে এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে সফল।
বাংলাদেশে বয়স্ক ভাতা চালু হয়-১৯৯৮ সালে।
সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য মাত্রার প্রথম লক্ষ্য ছিল-ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্তি। (২০১৩ সালেই অর্জিত হয়)
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার মেয়াদ?-২০১৬-২০৩০ সাল
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার মোট লক্ষ্য-১৭টি।
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার প্রথম লক্ষ্য-দারিদ্র্য দূরীকরণ।
উত্তরাঞ্চলের রংপুরে ‘মঙ্গা’ দেখা দিত?- ভাদ্র-আশ্বিন-কার্তিক মাসে।
VGF-Vulnerable Group Feeding
VGD-Vulnerable Group Development
🔴 রাজস্ব নীতি ও কর
বাংলাদেশে কর আদায়ের দায়িত্ব-জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর)
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড গঠিত হয়?-১৯৭২ সালে।
ই-টিন প্রবর্তিত হয়?-২০১৩ সালে।
কর বাহাদুর পরিবার পুরস্কার প্রবর্তিত হয়?-২০১৭ সালে।
জাতীয় আয়কর দিবস-৩০ নভেম্বর
জাতীয় কর দিবস-১৫ সেপ্টেম্বর
ভ্যাট বা মূসক দিবস-১০ ডিসেম্বর
বাংলাদেশে ভ্যাট চালু হয়?-১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
ভ্যাটের স্তর-৫টি
চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা-
ভ্যাট-পরোক্ষ কর।
দেশের প্রথম কর ন্যায়পাল হলেন?-খায়রুজ্জামান চৌধুরী ২০০৬ সালে।
কর পরিশোধের অনলাইনভিত্তিক পদ্ধতি ই-পেমেন্টে উদ্বোধন হয়?-২০১২ সালে।
মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন ২০১২ বাস্তবায়ন হয়?- ১ জুলাই ২০১৭ সালে।
পুণ্যাহ অনুষ্ঠান যেটির সাথে সম্পৃক্ত?- রাজস্ব আদায়।
ট্যাক্স হলিডে হলো?- ট্যাক্স খেলাপিদের জন্য আইন।
মূল্য সংযোজন কর ফাঁকি বন্ধে ' ইলেকট্রনিক ফিসক্যাল ডিভাইস (EFD) পরীক্ষামূলকভাবে চালু?-৩০ জানুয়ারি ২০২০।
🔴 এনজিও
বাংলাদেশ এনজিও বিষয়ক ব্যুরো প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯০ সালে যা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন।
NGO-Non-Governmental Organization
BRAC-Bangladesh Rural Advancement Committee (১৯৭২ সালে স্যার ফজলে হোসেন আবেদ)
CARE-Co-Operation for Assistance and Relief Everywhere (আমেরিকান সংস্থা)
PRSP-Poverty Reduction Strategy Papers
IPRSP-Interim Poverty Reduction Strategy Papers
BARD-Bangladesh Academy for Rural Development (১৯৫৯ সালে আখতার হামিদ খান কুমিল্লায়)
RDA-Rural Development Academy (১৯৭৪ সালে শেরপুর, বগুড়ায়)
🔴 বাংলাদেশ বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা
বাংলাদেশ একটি মিশ্র অর্থনীতির দেশ।
বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়?-১ জুলাই, ২০১৫ সালে।
জাতিসংঘ উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের যোগ্য হিসেবে ঘোষনা করে-১৫ মার্চ, ২০১৮ সালে।
বাংলাদেশ বর্তমানে কততম অর্থনীতির দেশ?- ৪১ তম
বাংলাদেশে বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ?-৩৬ বিলিয়ন ডলার।
রেমিটেন্স প্রবাহের জন্য সরকার ২% প্রণোদনা দিয়েছে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Lalmonirhat
5500