হেমা মালিনী বিয়ে করেছেন বিবাহিত পুরুষকে।
সুচন্দা বিয়ে করেছেন বিবাহিত পুরুষকে।
শ্রীদেবী বিয়ে করেছেন বিবাহিত পুরুষকে।
সাবিনা ইয়াসমিন বিয়ে করেছেন বিবাহিত পুরুষকে।
রাভিনা ট্যান্ডন বিয়ে করেছেন বিবাহিত পুরুষকে।
কারিশমা কাপুর বিয়ে করেছেন বিবাহিত পুরুষকে।
কারিনা কাপুর বিয়ে করেছেন বিবাহিত পুরুষকে।
জুহি চাওলা বিয়ে করেছেন বিবাহিত পুরুষকে।
বিদ্যা বালান বিয়ে করেছেন বিবাহিত পুরুষকে।
সুবর্ণা মুস্তাফা বিয়ে করেছেন বিবাহিত পুরুষকে।
সোনম কাপুর বিয়ে করেছেন বিবাহিত পুরুষকে।
লারা দত্ত বিয়ে করেছেন বিবাহিত পুরুষকে।
শিল্পা শেঠি বিয়ে করেছেন বিবাহিত পুরুষকে।
মাহিমা চৌধুরী বিয়ে করেছেন বিবাহিত পুরুষকে।
অমৃতা অরোরা বিয়ে করেছেন বিবাহিত পুরুষকে।
রানী মুখার্জি বিয়ে করেছেন বিবাহিত পুরুষকে।
শাবানা আজমি বিয়ে করেছেন বিবাহিত পুরুষকে।
সঙ্গীতা বিজলানী বিয়ে করেছেন বিবাহিত পুরুষকে।
রুনা লায়লা বিয়ে করেছেন বিবাহিত পুরুষকে।
তালিকাটি আরো দীর্ঘ। বোঝা যাচ্ছে, বাজারে বিবাহিত পুরুষদের চাহিদা শীর্ষে।
অতএব...
আনন্দ করুন হে আমার বিবাহিত ভাইয়েরা। ম্যান্দা মেরে থাকবেন না। সুযোগ এখনও আছে। তবে, ঘরের ঝাড়ুটা কোন্ কোণায় রেখেছেন বউ, চোখেচোখে রাখবেন।
ধন্যবাদ।
Salah Uddin Ahmed Jewel
Zannatul Ferdous
You are welcome to the Official FB Page of "Zannatul Ferdous".
-Tech Enthusiast & Consistent Learner-
-- M. A. in English (Comilla University)
16/06/2026
যে ৫টি ইশারা বা লক্ষণ বুঝিয়ে দেয় আল্লাহ চান আপনি এখনই থেমে যান।
হাদিস ও কুরআনের আলোকে হৃদয়ের অস্বস্তি, বাধা, ঈমানের দূরত্ব ইত্যাদি লক্ষণগুলো আল্লাহর পক্ষ থেকে সতর্কবার্তা হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়। নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো সাধারণত উল্লেখিত ৫টি লক্ষণের সাথে হাদিসের আলোকে।
১. হৃদয়ে স্থায়ী অস্বস্তি বা অশান্তি অনুভব করা
যদি কোনো ব্যক্তি, সম্পর্ক, কাজ বা পরিস্থিতিতে আপনার হৃদয় সবসময় অশান্ত, উদ্বিগ্ন বা “টাইট” অনুভব করে, তাহলে এটি আল্লাহর ইশারা যে এটি আপনার জন্য কল্যাণকর নয়।
🌿 হাদিসের আলোকে: রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, “যা তোমাকে সন্দেহের মধ্যে ফেলে, তা ছেড়ে দাও যা তোমাকে সন্দেহে ফেলে না।” (সুনান তিরমিযী, সহীহ)। আরেকটি জনপ্রিয় (যদিও সনদ নিয়ে আলোচনা আছে) উক্তি: “যখন কোনো জিনিস তোমার হৃদয়ের শান্তি নষ্ট করে, তা ছেড়ে দাও।” হৃদয়ের ফিতরাহ (স্বাভাবিক প্রবৃত্তি) আল্লাহর দিকে টানে; যদি কিছু তা নষ্ট করে, তা থেকে দূরে থাকা উচিত। কুরআনে বলা হয়েছে, হৃদয় আল্লাহর স্মরণে শান্তি পায় (সূরা রা’দ: ২৮)।
২. বারবার বাধা, প্রত্যাখ্যান ও দরজা বন্ধ হয়ে যাওয়া
যদি কোনো কাজে বা সম্পর্কে বারবার বাধা আসে, চেষ্টা করেও সফলতা না হয় — এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে সুরক্ষা হতে পারে। জোর করে চালিয়ে যাওয়া উচিত নয়।
🌿 হাদিসের আলোকে: রাসূল ﷺ বলেছেন, “বান্দা আল্লাহর উপর ভরসা করলে তিনি তার রিযিকের ব্যবস্থা করবেন, যেমন পাখিদের রিযিক দেন।” (তিরমিযী)। বাধাগুলোকে “দুর্ভাগ্য” না ভেবে আল্লাহর হিকমত হিসেবে দেখুন। অনেক সময় আল্লাহ ভালো কিছুর জন্য খারাপ পথ বন্ধ করে দেন।
৩. ঈমান (ইবাদত ও আল্লাহর সাথে সম্পর্ক) দুর্বল হয়ে যাওয়া বা আপস করতে বাধ্য হওয়া
যদি কোনো পরিস্থিতি আপনাকে নামাজ, দ্বীনি কাজ বা নৈতিকতা থেকে দূরে সরিয়ে দেয়, বা আপনাকে আপস করতে বাধ্য করে — এটি স্পষ্ট ইশারা যে এখান থেকে বেরিয়ে আসুন।
🌿 হাদিসের আলোকে: রাসূল ﷺ বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে সাক্ষাত পছন্দ করে, আল্লাহও তার সাথে সাক্ষাত পছন্দ করেন...” (সহীহ মুসলিম)। ঈমানের ক্ষতি হলে তা থেকে দূরে থাকা ফরজের কাছাকাছি। হাদিসে মুনকার (খারাপ) দেখলে হাত দিয়ে, না পারলে মুখে, না পারলে অন্তত হৃদয়ে ঘৃণা করার কথা বলা হয়েছে (সহীহ মুসলিম)।
৪. সবসময় ক্লান্তি, উদ্বেগ বা আধ্যাত্মিক শূন্যতা অনুভব করা
শারীরিক-মানসিক-আধ্যাত্মিকভাবে ড্রেইনড লাগা, শান্তি না পাওয়া — এটি আল্লাহর সতর্কবার্তা যে এই পথ আপনাকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
🌿 হাদিসের আলোকে: হৃদয়ের গুরুত্ব সম্পর্কে হাদিস: “জেনে রাখো, শরীরে এক টুকরো গোশত আছে; তা ঠিক থাকলে সম্পূর্ণ শরীর ঠিক থাকে, আর তা নষ্ট হলে সম্পূর্ণ শরীর নষ্ট হয়। সেটি হলো হৃদয়।” (সহীহ বুখারী
ও মুসলিম)। পাপ বা খারাপ পরিবেশ হৃদয়কে কালো করে, যা ক্লান্তি ও অশান্তির কারণ।
৫. স্বপ্ন, ঘটনা বা বারবার অন্তর্দৃষ্টির মাধ্যমে স্পষ্ট সংকেত আসা
বারবার একই ধরনের স্বপ্ন, ঘটনা বা অন্তর্দৃষ্টি যা আপনাকে থামতে বলে — এগুলো আল্লাহর তরফ থেকে নির্দেশনা হতে পারে।
🌿 হাদিসের আলোকে: স্বপ্ন সম্পর্কে রাসূল ﷺ বলেছেন যে সত্য স্বপ্ন নবুয়তের ৪৬ ভাগের এক ভাগ (সহীহ বুখারী)। তবে স্বপ্নের ব্যাখ্যায় সতর্ক থাকতে হয়। আল্লাহ বান্দাকে বিভিন্নভাবে হেদায়েত দেন, যেমন ইস্তিখারার মাধ্যমে।
✅ গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ (হাদিসের আলোকে)
▪️তওবা ও ফিরে আসা: রাসূল ﷺ বলেছেন, “সব আদম সন্তানই ভুল করে, আর সর্বোত্তম ভুলকারী হলো যারা তওবা করে।” (তিরমিযী, ইবন মাজাহ)।
▪️আল্লাহর উপর ভরসা: বাধা দেখে হতাশ হবেন না; এগুলো অনেক সময় রক্ষা।
▪️আমল: ইস্তিখারা করুন, কুরআন তিলাওয়াত করুন, সালাতুল হাজাত পড়ুন এবং আলেমের সাথে পরামর্শ নিন।
এই লক্ষণগুলো ব্যক্তিগত জীবনের প্রেক্ষিতে বিবেচনা করুন। সবসময় আল্লাহর কাছে দোয়া করুন: “হে আল্লাহ, আমাকে যা কল্যাণকর তা সহজ করে দিন এবং যা অকল্যাণকর তা থেকে দূরে রাখুন।” (ইস্তিখারার দোয়া অনুসারে)। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক পথে চলার তাওফিক দিন। আমীন।
☞ ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে ইসলামিক অনুপ্রেরণা কে ফলো দিয়ে রাখুন!
বাংলাদেশে সবচেয়ে দুঃখী ও নিরব হতাশার মধ্যে থাকা দুটো মানুষের কথা যদি বলতে হয় , আমি বলবো --
#প্রথমজন , বর্তমান বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি চুপ্পু সাহেব,
#অন্যজন , নায়িকা অপু বিশ্বাস।
দেখেন, আমরা দুঃখ পেলে কাঁদতে পারি, লিখতে পারি, বলতে পারি। অথচ এদের দুঃখগুলো বলার কোনো জায়গা নেই। কিছু বলতে গেলেই বরং দুঃখ বাড়বে, কমবে না।
#এইসব কারণে বলতেই হয় --- জীবনে আত্মতুষ্টি ও আত্মসম্মান নিয়ে বাঁচতে অবশ্যই আপনাকে comfort zone ত্যাগ করতে হবে।
#অপু বিশ্বাস শত অপমান, অবহেলার পরেও নিজের comfort zone তথা চিরকুমার খ্যাত নায়ক শাকিবকে ধরে রাখতে চেয়েছেন। সেই ২০১৫ সাল থেকে অপুকে স্ত্রীর মর্যাদা আজ অবদি না দিলেও, অপু শাকিব শাকিব করেই জীবন পার করছেন। বোঝাতে চেয়েছেন, ঐ বেপরোয়া নায়ক এখনো তার সাথে স্বামীর সম্পর্ক বজায় রেখেছেন।
#অন্যদিকে, রাষ্ট্রপতি চুপ্পু সারাজীবন বঙ্গবন্ধুর বন্দনা গেয়ে, শেখ হাসিনার দানা খেয়ে , আরামের জীবনে পদার্পণ করেছিলেন। আজ ভাগ্যক্রমে, তাকে হাসিমুখে বেগম জিয়া, তারেক জিয়া, মেজর জিয়া নিয়ে বন্দনা করতে হচ্ছে । আবার, শেখ হাসিনার বদনাম করতে হচ্ছে। যদিও বিশ্বাস করি, তিনি বুকে চাপা কষ্ট নিয়েই এমনটি করেন।
সুতরাং, মহান রবকে সবসময় বলবেন --- "এমন কষ্ট আমাকে দিওনা, যেটা পৃথিবীর চোখে স্পষ্ট। কিন্তু, আমার অভিনয় করে ঐ কষ্টকে জান-প্রাণ ঢেলে অস্পষ্ট করতে হবে"।
খুব কঠিন। এটা খুব কঠিন যে, আপনি দ্বীগী-দ্বীগী আগুনে পুড়বেন আর জনসম্মুখে বরফের পানিতে স্বস্তিতে থাকা পেঙ্গুইনের বেশ ধরবেন। এটা এতো সহজ মুছিবত না কিন্তু!
#এটা চরম অসহায়ত্ব। মূলত,এই অসহায়ত্বে তারাই পড়ে , যাদের self dignity নেই। নিজের ভেতরের সৎ-সাহস, মাথা উঁচু করে বাঁচার শক্তি যার মধ্যে একবার , এক সরষে পরিমাণ জন্ম নিয়েছে, সে কখনোই এরূপ অসহায়ত্বের শিকার হবে না। যেকোনো উপায়ে, আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাকে উদ্ধার করবেন।
কারণ, পবিত্র কোরআনেই আছে ---
"মানুষ তা ই পায়, যা সে মন থেকে চায় "।।
লেখনীতে,
একজন #ফিদা।।
প্রেম-ভালোবাসা, বিয়ে এর ক্ষেত্রে বংশ/ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ড একটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
ধর তুমি বদরুল। পড়ছ প্রাইমারী স্কুলে, পাব্লিক ভার্সিটিতে। ছোটবেলায় শখ আহলাদ বলে কিছুই তোমার ছিল না। সারাজীবন বাবা-মা র কাছে ফিজিকালি আর মেন্টালি এবিউসড হইছ।
আগের জন্মে কোন এক পূণ্যের কারণে ধনীর দুলালী আফসানার সাথে তোমার বিয়ে হল।
আফসানার বাবা-মা আফসানার জন্য কোন কিছু করা বাকি রাখে নাই। সে যা চাইছে পাইছে।
এখন আফসানা তার বন্ধুদের সাথে হ্যাংআউটে গেলে তোমার খারাপ লাগে। কারণ তোমার ফ্যামিলিতে মেয়েদের এত খুশী দেখে তুমি অভ্যস্ত না।
সারাজীবন নিজের মা কে রান্নাঘরে পচতে দেখে তুমি অভ্যস্ত। তুমি বা তোমার মা কেউ ই চাবে না আফসানা রান্না না করে ঘুরে বেড়াক।
আফসানা যে নিজের মত থাকতে চায় এটাও তোমার ভাল লাগে না। কারণ, একে অন্যের পিছে আঙুল দেওয়াই তোমাদের পারিবারিক রীতি।
আফসানার ভাল থাকাটাকে তোমার মনে হবে স্বার্থপরতা। কেননা, নিজের ভালো চাওয়াটাকে তোমার ফ্যামিলিতে এভাবেই দেখা হয়।
আসলে তোমার ও দোষ নাই। যে পাখি উড়তে পারে না সে উড়াটাকে পাপ না ভাবলে মানসিক শান্তি বিঘ্নিত হবে।
এইকারণে বিসিএস ক্যাডার, ইউএস সিটিজেন, ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার এসব দেখে বিয়ে দেওয়ার আগে, পরিবারটাও দেখবেন। পরিবার যদি ফকিন্নী মার্কা হয়, পাত্র/পাত্রী নিজ গুণে বিলগেটস হলেও কোথাও না কোথাও রিস্ক থেকে যায়।
হুট করে দুইটা পয়সা বেশি কামানো যতটা কঠিন
জাতে ওঠা তার চাইতে শত গুণে কঠিন।
-আশিকুর রহমান রুপম
ল' কলেজে হাজারটা ধারা মুখস্থ করে আদালতে গিয়ে যদি দেখেন বিপক্ষ আইনজীবী একটা পেনড্রাইভ আর আইপি অ্যাড্রেসের মেটাডেটা দিয়ে আপনার পুরো কেস ধসিয়ে দিল, তখন কেমন লাগবে? সময় বদলে গেছে, এখন শুধু কাগজের নথি দিয়ে মামলা জেতার দিন শেষ। ২০২২ সালের সংশোধিত সাক্ষ্য আইনের পর একটা হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট বা ইমেইলও আপনার মক্কেলের ভাগ্য বদলে দিতে পারে। কিন্তু সত্যি করে বলুন তো, আমাদের দেশের কজন আইনজীবী ডিজিটাল ফরেনসিক বা ৬৫খ ধারার টেকনিক্যাল সার্টিফিকেট নিয়ে পরিষ্কার ধারণা রাখি? এই টেকনিক্যাল অজ্ঞতার কারণে কোনো নির্দোষ মানুষ ফেঁসে যাচ্ছে না তো? ডিজিটাল প্রমাণের এই যুগে একজন আইনজীবীর কি ল' ডিগ্রির পাশাপাশি বেসিক আইটি বা ফরেনসিকের ওপর কোর্স করা বাধ্যতামূলক হওয়া উচিত বলে আপনি মনে করেন?
এই টেকনিক্যাল অজ্ঞতার চেয়েও বড় আতঙ্ক তৈরি হয় তখন, যখন একজন নির্দোষ মানুষ হুট করে কোনো মিথ্যা অপবাদের জালে জড়িয়ে পড়ে। সিসিটিভি ফুটেজে অবয়ব মিলে গেছে, ইমেইলও আপনার কম্পিউটার থেকে গেছে—পুরো দুনিয়া যখন আপনাকে 'চোর' বা 'অপরাধী' বানিয়ে সমাজচ্যুত করতে রেডি, অথচ আপনি মনে মনে জানেন আপনি নির্দোষ; সেই মুহূর্তের দমবন্ধ করা অনুভূতিটা কেমন হতে পারে? আরিয়ান সাহেবের গল্পে ফরেনসিক ল্যাব তাকে বাঁচিয়েছিল। কিন্তু আমাদের চারপাশে প্রতিদিন কতজন 'আরিয়ান' শুধু সঠিক ডিজিটাল তদন্তের অভাবে বা ফরেনসিক রিপোর্টের দীর্ঘসূত্রতার কারণে বছরের পর বছর জেলের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে দিন কাটাচ্ছে, তার হিসাব কে রাখে? আপনার পরিচিত বা দেখা এমন কোনো ঘটনা আছে কি, যেখানে কেউ স্রেফ ভুল বোঝাবুঝি বা ডিজিটাল জালিয়াতির শিকার হয়ে সামাজিকভাবে পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে?
এই সামাজিক ধ্বংসের পথটা আরও মসৃণ হয় যখন আদালত কক্ষেই পুরোনো ধ্যানধারণার মুখোমুখি হতে হয়। যেমনটা আরিয়ান সাহেবের আইনজীবীর মুখে শোনা গিয়েছিল—"হুজুর, কম্পিউটার ফাইল তো কাগজের দলিল না, একে কীভাবে গ্রহণ করবেন?"—এই আপত্তিটা কিন্তু কোনো কাল্পনিক বিষয় নয়। প্রতিদিন বাংলাদেশের বহু আদালতে প্রথাগত ধারার আইনজীবীরা ডিজিটাল প্রমাণকে হেসেই উড়িয়ে দিতে চান।
অথচ Malek Sarwar v. State(2020) মামলার রায় স্পষ্ট বলে দিয়েছে, আধুনিক প্রযুক্তিকে বিচারব্যবস্থা কোনোভাবেই অস্বীকার করতে পারে না। সিনিয়রদের অভিজ্ঞতা বনাম জুনিয়রদের টেক-স্যাভি স্কিল—এই দুইয়ের সমন্বয় কি আমাদের দেশের আদালতগুলোতে ঠিকঠাক হচ্ছে, নাকি ইগোর লড়াইয়ে বিচারপ্রার্থীরা ভুক্তভুগি হচ্ছেন? আপনি কি কখনো আদালতে ডিজিটাল প্রমাণ সাবমিট করতে গিয়ে কোনো অদ্ভুত বা প্রথাগত আপত্তির মুখোমুখি হয়েছেন?
প্রথাগত আপত্তির দেয়াল ভাঙা যতটা কঠিন, তার চেয়েও বড় মানসিক চাপ তৈরি হয় যখন আমরা নিজেদের ডিজিটাল নিরাপত্তা নিয়ে ভাবি। আপনার ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড হ্যাক করে বা আপনার ল্যাপটপের রিমোট অ্যাক্সেস নিয়ে অন্য কেউ যদি একটা রাষ্ট্রবিরোধী বা অপরাধমূলক ইমেইল পাঠিয়ে দেয়, তবে তার দায় কার? police এসে যখন আপনার ডিভাইস জব্দ করবে, তখন নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার রাস্তা কতটা কঠিন, তা কি কখনো ভেবে দেখেছেন? আরিয়ান সাহেবের পাসওয়ার্ড হ্যাক হয়েছিল, ফরেনসিক আইপি অ্যাড্রেস ট্র্যাক করে তাকে বাঁচিয়েছে। কিন্তু একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে আমরা কি আদৌ জানি যে বিপদে পড়লে কীভাবে এই ফরেনসিক অ্যানালাইসিসের দাবি তুলতে হয়? প্রযুক্তির এই যুগে আপনার নিজের ডিজিটাল ডিভাইসগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে আপনি কতটা আত্মবিশ্বাসী, নাকি ভেতরে ভেতরে একটা অদৃশ্য ভয় সবসময় কাজ করে?
এই অদৃশ্য ভয়ের বাজারে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য যে নতুন প্রজন্মের আইনজীবীদের প্রয়োজন, তারা কিন্তু ক্যারিয়ারের শুরুতেই এক ধরণের হীনমন্যতায় ভোগেন। বার কাউন্সিল পাস করার পর কোর্টের বারান্দায় যখন একজন জুনিয়র আইনজীবী ফাইল হাতে ঘোরেন, তখন অনেকেই ভাবেন—"আমাকে দিয়ে বড় মামলা হ্যান্ডেল করা সম্ভব তো?" কিন্তু মনে রাখবেন, আধুনিক ডিজিটাল আইনের মারপ্যাঁচ, মেটাডেটা বা সাইবার ল' এর খুঁটিনাটি অনেক সময় প্রবীণদের চেয়ে একজন তরুণ দ্রুত ধরতে পারেন। আরিয়ান সাহেবের কেসটাই ধরুন, যেখানে প্রযুক্তির নিখুঁত বিজ্ঞানই ছিল ট্রাম্প কার্ড। তরুণ আইনজীবীদের এই আধুনিক দক্ষতার কদর কি আমাদের লিগ্যাল কমিউনিটি ঠিকঠাক করতে পারছে? একজন জুনিয়র ল-ইয়ার হিসেবে প্রথাগত প্র্যাকটিসের বাইরে এসে এই ডিজিটাল যুগে টিকে থাকার লড়াইয়ে আপনার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কোনটা মনে হচ্ছে?
এই চ্যালেঞ্জের অন্যতম বড় জায়গা হলো প্রযুক্তির আপাত সত্যতাকে চ্যালেঞ্জ করা, কারণ চোখে দেখা জিনিসও সবসময় ধ্রুব সত্য নাও হতে পারে। "চোখে যা দেখছি, তা-ই কি সবসময় সত্যি?" সিসিটিভি ফুটেজে আরিয়ানের অবয়ব দেখে ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্টরা হলফ করে বলেছিল ওটাই আরিয়ান। অথচ সিআইডি-র Gait Analysis (হাঁটার ধরণ বিশ্লেষণ) প্রমাণ করল ওটা আরিয়ান ছিলেনই না! ডিপফেক আর এআই (AI) এর এই যুগে ভিডিও বা অডিও এডিট করা এখন পানির মতো সহজ। তাহলে আমরা চোখের দেখাকে কতটা বিশ্বাস করব? আইনের চোখ কি এই এআই-ট্যাম্পারিং ধরার জন্য যথেষ্ট আধুনিক হয়েছে? আপনার কি মনে হয়, বর্তমানে সিসিটিভি ফুটেজ বা অডিও ক্লিপকে আদালতে শতভাগ সত্য ধরে নেওয়াটা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যাচ্ছে, নাকি এর পেছনে আপনার অন্য কোনো যুক্তি আছে?
প্রমাণের এই জটিলতার কারণে আদালতে মামলা লড়ার আগেই আইনজীবীদের মক্কেলের সত্যতা নিয়ে এক বিশাল দ্বন্দ্বে পড়তে হয়। "হুজুর, আমি নির্দোষ, ওই সময় আমি একা একা কফি খাচ্ছিলাম।"—আরিয়ান সাহেব যখন তার আইনজীবীকে এই কথা বলেছিলেন, আইনজীবী কি মনে মনে তাকে বিশ্বাস করেছিলেন? কোনো সাক্ষী ছাড়া এই গল্প বিশ্বাস করা একজন আইনজীবীর জন্য কতটা কঠিন! একজন ফৌজদারি আইনজীবীর জীবনের সবচেয়ে বড় নীরব যুদ্ধটা এখানেই। মক্কেল সত্যি বলছে নাকি সাজানো গল্প ফাঁদছে, তা বুঝতে না পারলে আদালতে স্ট্রং ডিফেন্স খাড়া করা অসম্ভব। একজন আইনজীবী হিসেবে, আপনার মক্কেল যখন এমন কোনো দাবি করে যার কোনো চাক্ষুষ প্রমাণ নেই, তখন আপনি ঠিক কীভাবে তার সত্যতা যাচাই করেন?
মক্কেলের সত্যতা যাচাইয়ের পর যখন সেই ডিজিটাল প্রমাণ আদালতে তোলার প্রস্তুতি নেওয়া হয়, তখনই সামনে আসে আইনের এক আমলাতান্ত্রিক গোলকধাঁধা। পেনড্রাইভে করে সিসিটিভি ফুটেজ আনলেই হবে না, সাথে চাই ৬৫খ ধারার আইটি বিশেষজ্ঞের সার্টিফিকেট! আপাতদৃষ্টিতে আইনটা খুব চমৎকার হলেও, প্র্যাকটিক্যাল লাইফে এই 'সার্টিফিকেট' জোগাড় করতে গিয়ে একজন সাধারণ বিচারপ্রার্থীকে কতটা কাঠখড় পোড়াতে হয়, তা কি আমরা জানি? আমাদের দেশে কয়টা সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সার্টিফাইড আইটি এক্সপার্ট আছেন যারা তাৎক্ষণিক এই আইনি প্রত্যয়নপত্র দিতে পারেন? আইনের এই জটিলতায় অনেক সময় সঠিক প্রমাণও কি তামাদি হয়ে যাচ্ছে না? মাঠপর্যায়ের আদালতে ৬৫খ ধারার এই সার্টিফিকেট জমার প্রক্রিয়াটি কি আসলেই ন্যায়বিচার সহজ করছে, নাকি জটিলতা বাড়াচ্ছে বলে আপনার বাস্তব অভিজ্ঞতা বলে?
সার্টিফিকেটের এই কাগজের যুদ্ধ শেষ হতে না হতেই শুরু হয় ল্যাবের রিপোর্টের জন্য অন্তহীন এক অপেক্ষা। আরিয়ান সাহেবের কেসটা সিআইডি ফরেনসিক ল্যাবে গেল এবং রিপোর্ট পজিটিভ এলো, গল্পটা শুনতে চমৎকার। কিন্তু বাস্তবে সিআইডি বা পিবিআই-এর ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাবের ওপর যে পরিমাণ মামলার চাপ, তাতে একটা রিপোর্টের জন্য মাসের পর মাস, এমনকি বছরও পার হয়ে যায়। এই অপেক্ষার দিনগুলোয় একটা নির্দোষ মানুষের ক্যারিয়ার, পরিবার এবং মানসিক স্বাস্থ্যের যে ক্ষতি হয়, তা কি কোনো আদালত বা আইন পুষিয়ে দিতে পারে? বাংলাদেশের ডিজিটাল ফরেনসিক ব্যবস্থার গতি বাড়াতে জেলা পর্যায়ে ল্যাব স্থাপন বা থার্ড-পার্টি প্রাইভেট ফরেনসিক অডিটকে বৈধতা দেওয়া উচিত কি না, এ বিষয়ে আপনার চিন্তাভাবনা কী?
শত সীমাবদ্ধতা আর দীর্ঘসূত্রতার পরেও, দিনশেষে প্রযুক্তির এই ফরেনসিক বিশ্লেষণই কিন্তু মানুষের শেষ ভরসার জায়গা হয়ে উঠছে। "দিন বদলেছে আরিয়ান সাহেব; এখন অপরাধী ডিজিটাল চালাকি করলে যেমন পার পায় না, ঠিক তেমনি প্রযুক্তি একজন নির্দোষ মানুষকেও আলোর মুখে ফিরিয়ে আনতে পারে।"
Malek Sarwar v. State (2020) মামলার সেই ঐতিহাসিক রায় থেকে ২০২২ সালের সংশোধিত আইন—আমাদের বিচারব্যবস্থা ধীরে ধীরে আধুনিক হচ্ছে। কিন্তু আইন কাগজে-কলমে আধুনিক হলেই চলে না, তার সঠিক প্রয়োগের জন্য দরকার আমাদের সচেতনতা। প্রযুক্তি এখন আর শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, এটি এখন ন্যায়বিচারের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার। বাংলাদেশের বর্তমান বিচারব্যবস্থায় ডিজিটাল আইনের এই রূপান্তরকে আপনি ১০-এর মধ্যে কত রেটিং দেবেন এবং কেন?
15/06/2026
বাংলাদেশের প্রকৌশলীরা লাইন দিয়ে বিদেশে যাচ্ছে, ভালো করছে কিন্তু আমরা তাদের দেশে নুন্যতম সুযোগ দিতে পারছি না।
যুক্তরাষ্ট্রের Massachusetts Institute of Technology (MIT) এ গবেষক হিসেবে যোগ দিয়েছেন আশফাক ইফতেখার উদয়।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (BUET) থেকে Chemical Engineering এ স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।
উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্রের Texas A&M University (TAMU) এ পিএইচডি করেন। তাঁর গবেষণাকর্ম বিশ্ববিদ্যালয়টির মর্যাদাপূর্ণ 2026 Distinguished Doctoral Dissertation Award অর্জন করে, যা সারা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরা গবেষণাগুলোর অন্যতম স্বীকৃতি।
বর্তমানে MIT-এর Chemical Engineering বিভাগে Postdoctoral Researcher হিসেবে কাজ করছেন তিনি।
বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট প্রিলিমিনারি (MCQ) পরীক্ষার প্রশ্ন হাতে পেয়ে কি করবেন আর কি করবেন না তা আপনাকে পরীক্ষার কক্ষে প্রবেশের পূর্বেই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রবেশ করতে হবে। উক্ত বিষয়ে আমি আমার ব্যক্তিগত অভিমত অত্র পোস্টের মাধ্যমে Share শেয়ার করছি।
Total Questions: 100
Total Marks: 100
Time: 1 Hour (60 Minutes)
Pass Marks: 50
Negative Marks: - 0.25/Wrong Answer.
১। "আইন পেশা একটি মহান পেশা এবং এই পেশার মানুষজন অনেকাংশে উদার প্রকৃতির হয়ে থাকে।" - কিন্তু পরীক্ষার হলরুমে এমন উদারতা প্রদর্শন না করাই শ্রেয়। কারণ এক্ষেত্রে অন্যের প্রতি উদারতা দেখাতে গিয়ে আপনি নিজেই নিজের খাতা হারাতে পারেন কিংবা নির্ধারিত সময় থেকে আপনার সময় কর্তন করা হতে পারে, এমনকি হল পরিদর্শকের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে আপনাকে বহিষ্কারও (Silent Expell) করতে পারেন। যদিও বিষয়টি একটু আত্মকেন্দ্রিক কিংবা স্বার্থপরতার পরিচয় প্রকাশ করে, তারপরেও এটাই বাস্তবতা! অন্যথায় উদারতার নাম করে কাউকে ভুল উত্তর দিয়ে প্রতারিত কিংবা ভুল উত্তর প্রদানে প্ররোচিত করবেন না। প্রয়োজনবোধে আপনি উদারতা দেখাবেন না। তবে হ্যাঁ, যদি পরিবেশ পরিস্থিতি অনুকূলে থাকে চেষ্টা করবেন কারও প্রতি এমন উদারতা প্রদর্শন করতে।
২। প্রথম ধাপঃ
প্রশ্ন এবং উত্তরপত্র হাতে পাওয়ার পরে প্রশ্নের উপরে উল্লেখিত Set Code এবং উত্তরপত্রের Set Code মিলিয়ে দেখবেন। প্রশ্নের Set Code এবং উত্তরপত্রের Set Code-এ কোনো গরমিল পরিলক্ষিত হলে তৎক্ষণাৎ কক্ষ পরিদর্শককে অবহিত করবেন। এছাড়াও উত্তরপত্রে নিজের নাম (English-এ লিখাই উত্তম) লিখতে হবে এবং Roll No. লিখে বৃত্ত ভরাট করার সময় যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন করবেন। প্রয়োজনবোধে হল পরিদর্শক কিংবা অন্য কোনো পরীক্ষার্থীর সাহায্য নিতে পারেন। মনে রাখবেন, উত্তরপত্রে শুধুমাত্র Roll No. লিখে বৃত্ত ভরাট করতে হবে, Set Code লিখার কিংবা বৃত্ত ভরাটের প্রয়োজন নেই।
৩। দ্বিতীয় ধাপঃ
(ক) প্রশ্নের উত্তর করার সময়ে ১ থেকে শুরু করে ১০০ পর্যন্ত যেই সকল প্রশ্নের উত্তর ১০০% জানা শুধুমাত্র সেই সকল প্রশ্নের উত্তর করবেন। যেই সকল প্রশ্নের উত্তর নিয়ে আপনার কনফিউশন থাকবে কিংবা উত্তর জানা থাকবেনা সেগুলো স্পর্শ করাতো দূরের কথা ভুল করেও সেগুলো নিয়ে ভাববেন না এবং সেই সকল প্রশ্নগুলোর পাশে কলম/পেন্সিল দিয়ে ছোট করে মার্কিং (.) করে রাখবেন। এই ক্ষেত্রে আপনাকেই Ensure করতে হবে আপনি ১-১০০ পর্যন্ত যেই সকল প্রশ্নের উত্তর করেছেন সেগুলোর উত্তর ১০০% সঠিক ছিল।
(খ) ১-১০০ পর্যন্ত প্রশ্নের উত্তর করা শেষ হলে গুনে দেখবেন মোট কতটি প্রশ্নের উত্তর করেছেন। যদি আপনি দেখতে পান যে, আপনার সঠিক উত্তরের সংখ্যা ৯০/৮০/৭০ কিংবা এর মধ্যে কিংবা কম থাকে, তাহলে একদম মানসিকভাবে চাপ নেবেন না। এরপরে ১-১০০ পর্যন্ত যেই সকল প্রশ্নের উত্তর নিয়ে আপনার কনফিউশন ছিল কিংবা উত্তর জানা ছিলনা, এইবার সেগুলো নিয়ে ক্ষুদ্র পরিসরে রিসার্চ করতে পারেন। রিসার্চ থেকে প্রাপ্ত শুধুমাত্র ১০০% সঠিক উত্তর জানা এমন প্রশ্নের উত্তর করবেন।
(গ) অন্যথায় গণনা শেষ যদি আপনি দেখতে পান যে, আপনার সঠিক উত্তরের সংখ্যা ৬০/৫০ কিংবা এর মধ্যে কিংবা কম থাকে, তাহলে আপনাকে কিছুটা মানসিকভাবে চাপ নিতে হবে। তবে তা যেন সীমার মধ্যে থাকে এবং কোন অবস্থাতেই তা অতিরঞ্জিত হতে পারবে না। এক্ষেত্রে অতিমাত্রায় উত্তেজিত না হয়ে অবশিষ্ট প্রশ্নগুলো নিয়ে কিছুটা বৃহৎ পরিসরে রিসার্চ করতে হবে। রিসার্চ থেকে প্রাপ্ত শুধুমাত্র ১০০% সঠিক উত্তর জানা এমন প্রশ্নের উত্তর করবেন।
(ঘ) এই পর্যায়ে পুনরায় গুনে দেখবেন আপনি কতটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিয়েছেন। যেই প্রশ্নের উত্তর একেবারেই জানেন না ভুল করেও সেই প্রশ্নের উত্তর করতে যাবেন না। কেননা ভুল উত্তর দিলে প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য প্রাপ্ত নম্বর থেকে ০.২৫ নম্বর বাদ যাবে। তাছাড়াও আন্দাজে ঢিল ছুঁড়াও চলবেনা। আপনি যদি একান্তই না পারেন কিংবা ৫০ এর নিচে ইতোমধ্যে সঠিক উত্তর করেছেন কিংবা আপনি যদি মনে মনে ধরেই নেন কিংবা নিয়েছেন যে আপনি এই প্রশ্নে উত্তীর্ণ হতে পারবেন না, সেক্ষেত্রে আপনি আন্দাজে ঢিল ছুঁড়তে পারেন। এক্ষেত্রে সঠিক উত্তর অনেকটা ভাগ্যের উপর নির্ভরশীল।
৪। তৃতীয়/শেষ ধাপঃ
নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হলে কক্ষ পরিদর্শকের নির্দেশনা অনুসরণ করুন এবং উনার হাতে নিজের উত্তরপত্র জমা দিবেন। মনে রাখবেন, নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পূর্বে পরীক্ষার হল ত্যাগ করবেন না এবং নিজের উত্তরপত্র অন্য কাউকে দিবেননা কিংবা অন্য কারো মাধ্যমে তা হল পরিদর্শকের নিকট প্রদান করবেন না। তাছাড়া প্রিলিমিনারি পরীক্ষার উত্তরপত্রে রিভাইস দেওয়ার মত কিছুই নেই। শেষদিকে দেখলেন কোন প্রশ্নের উত্তর ভুল দিয়েছেন, আর তাতে সেইটা কেটে দিয়ে সঠিক উত্তর হিসাবে বৃত্ত ভরাট করতে যাবেন না। কেননা পুরাই বেকার খাটুনি, কোনো লাভ নাই। আবার কোনো প্রশ্নের উত্তর ভুল দিয়ে বৃত্ত ভরাট করে তা কলম দিয়ে খোঁচায় তুলে নতুন করে বৃত্ত ভরাট করতে যাবেন না। কারণ এখানেও বেকার খাটুনি, কোনো লাভ নেই। এই ক্ষেত্রে উত্তরপত্র বাতিল হওয়ারও সম্ভাবনা থেকেই যায়।
সবশেষে, "শেষ ভালো যার সব ভালো তার"। আশা করছি সবার শেষটা অনেক অনেক ভালো হবে সেই প্রত্যাশায়... সবার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইলো। (Y) 💖
বিঃ বিঃ দ্রঃ পরীক্ষার কক্ষে নির্ধারিত সময়ের পরে প্রবেশ করলে কোনো অতিরিক্ত সময় দেওয়া হবেনা এবং ১ ঘন্টার পরীক্ষায় ওয়াসরুমে যাওয়ার সুযোগ নেই।
14/06/2026
মূল ঘটনাঃ- রাজশাহী মেডিকেলের স্বনামধন্য প্রফেসর ডা: শিপ্রা ম্যাডাম এই মেয়েটাকে নিয়ে এসে পালন করেছেন নিজের মেয়ের পরিচয়ে। মেয়ে তাতে লাই পেয়ে মাথায় চড়েছে, ১৫ বছর বয়সে ৩ বছর বাড়িয়ে নিজে নিজে পালিয়ে বিয়ে করেছে।
এখন সে জানতে পেরেছে যে সম্পদে তার আর কোন রাইট নাই। এতদিন দুহাতে টাকা উড়িয়ে এখন দেখছে আর কোন টাকা নাই। এবার মিডিয়ার দারস্ত হয়েছে। দেখ না ভাই, কিছু সম্পত্তি বাগিয়ে দিতে পারলে তোদের ও খুশি করে দেবো!
ইসলাম বলেন, সমাজ বলেন, রাষ্ট্র বলেন- কোথাও পালিত সন্তানের জন্য সম্পত্তির বিধান নেই। কাজেই শিপ্রা চৌধুরী ম্যাডাম যা করেছেন, তার পরিচয় তার বিয়ের পর তাকে বুঝিয়ে দিয়েছেন, যেন সে নিজের দায়িত্বে নিজে চলতে পারে। যেহেতু সে নিজেই বিয়ে করেছে, তাই নিজের পরিচয় ই তার জন্য যথেষ্ট। বিয়ের সময় যেহেতু বাবা মা কে প্রয়োজন হয়নি, তাই পরিচয়ের জন্য প্রয়োজন কিসের?
এখন সম্পত্তির লোভে মিডিয়ার দ্বারস্থ হয়ে কি লাভ? আর মিডিয়া গত ১৫ বছর একটা মিস্ত্রীর সন্তান কে পেলে পুষে বড় করার ইতিবাচক একটা নিউজ রেখে এখন কেন তাকে বাসা থেকে বের করা হল এটা নিয়ে নিউজ করছে। কতোটা হাস্যকর হলে এরকম নিউজ করা যেতে পারে?
চ্যানেল ওয়ান, কালবেলা দেখলাম। আরও কোন মিডিয়া আছে কিনা খুজতে হবে। কত কমিশনে কাজ করছে কে জানে। তবে শিপ্রা ম্যাডাম যথেষ্ট সাহসী, উনার সাথে পাঙ্গা নেয়ার আগে মেয়েটাকে আরও ভাবা দরকার ছিলো। রক্তের মেয়ে হলে বলতাম শেয়ানে শেয়ানে টক্কর। বাট দু:খিত, তোমার পরিচয় আসলে ওই রাজমিস্ত্রীর মেয়ে+ব্যভিচারী, আর কিছুই না।
ধন্যবাদ শিপ্রা ম্যাডাম, পড়াশোনার সাথে আমাদেরকে আরো অনেক কিছুই শিখিয়ে দিলেন। জীবনে চলার পথে এই শিক্ষা অনেক বেশি কাজে লাগবে।
(( কপি পোস্ট @ Rashida Khatun
বার কাউন্সিল রিটেন পরীক্ষা অভিজ্ঞতা ও প্রিপারেশন নিয়ে কিছু কথা:
আমার গত পোস্টের রিচ দেখে বুঝলাম, বর্তমানে ছেলেমেয়েরা ক্যারিয়ার নিয়ে অনেক বেশি কনসার্ন। গতকাল বার কাউন্সিল প্রিলি পরীক্ষা হয়েছে এবং ৯২০১ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন সবাইকে অভিনন্দন।
আমার কাছে, বার কাউন্সিল পরীক্ষা কঠিন মনে হতো না, ভাবতাম একাডেমিক পড়াশোনা এর থেকে কঠিন ছিল যা পাস করে এসেছি। আর এ কনফিডেন্সের পিছনে এও কারণ ছিল যে নিজে এনরোল হবার আগে একটা কোচিং এর এক্সামিনার হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা ছিল।
তবে নিজের পরীক্ষার আগে আসলেই প্রেসারটা বুঝলাম।
বার কাউন্সিল রিটেনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো ৭ টা সাবজেক্টের পরীক্ষা একই সাথে দিতে হয়। অর্থ্যাৎ একাডেমিক জীবনে যে পরীক্ষা আমরা ৭ দিনে মাঝে দুই চারদিন গ্যাপ দিয়ে দিতাম সেগুলো এখন একদিনে একই বসায় দিতে হবে। যেকারণে বহুবিধ বিষয় একসাথে পড়ায় ব্রেনের ওপর প্রেসার পড়ে অনেক বেশি, স্ট্রেসও হয়।
আলাদা আলাদা করে দেখলে বার রিটেন কঠিন না। এই ধরেন স্পেসিফিক রিলিফ একটের ৭-৮ টা ধারা পড়লে, ১৫ মার্ক, লিমিটেশন একটের মত এক বসায়,২ ঘন্টায় শেষ করা আইন আপনাকে দেবে ১৫ মার্ক, এভিডেন্স এক্টের একাডেমিক লাইফে জানা বেসিক (ডেফিনিশন, বেস্ট এভিডেন্স রুল, এডমিশন কনফেশন, ডাইং ডিক্লারেশন, বারডেন অফ প্রুফ, ইত্যাদি) থেকে পাবেন ১৫, বার কাউন্সিল অর্ডার সংক্রান্ত দুইটা আইন পড়লে ১০। ৫৫ মার্কের উত্তর সিপিসি, সি আর পিসি পেনাল কোড না পড়েই হলো। পাস করতে লাগে ৫০।
তবে, এসব সান্ত্বনার কথা। বিষয়টা এতটা সহজসাধ্যও না। ২০২৩ সাথের বার রিটেনে অনেক মেধাবি ছাত্রগণ (even if from DU, and Judges) যখন রিটেন কুয়ালিফাই করতে পারেনি দেখলাম তখন নড়েচড়ে বসলাম।
আমাদের প্রিলির ২ মাস পড়ে রিটেন হয়েছিল। তো আমি কি করেছিলাম বার রিটেনের আগে?
১. প্রথমেই প্রিভিয়াস বার রিটেন এর সকল প্রশ্ন এক জায়গায় করে কোন কোন টপিক থেকে এসেছে আইডেন্টিফাই করে স্টার মার্ক দিলাম (২ বার আসলে ১ টা স্টার, তিনবার আসলে ২ টা এমন)
২. প্রশ্ন পড়ে বুঝার চেষ্টা করলাম এই উত্তরগুলো আমি জানি কি না, বা পড়ে থাকলে কোন বই থেকে পড়েছি। অজানা কোন বিষয় গুলো আছে। অজানা বিষয় আলাদা নোট রাখলাম।
৩. আচ্ছা এর পরের কাজটাই মুখ্য: সব প্রশ্নগুলোর উত্তর লিখে রাখতে চেষ্টা করলাম একটা খাতায়। এই কাজটা অনেকে রিটেনের এন্সারের বই থেকে করতে পড়ে করতে পারে। কিন্তু আমার কখনোই এন্সার শিটের উত্তর যথেষ্ট মনে হতো না। (যেমন ধরেন, এডমিশন আর কনফেশনের পার্থক্য লিখতে বলা হয়েছে! সেখানে আমার মনে চাইবে একটা কেস রেফারেন্স দিতে, উত্তর করা বইগুলোতে এটা থাকবে না।) প্রয়োজনের অতিরিক্ত পড়া বা নোট করা আমার অভ্যাস, কারণ এ সংক্রান্ত অন্য প্রশ্ন আসলে আমি সেই অতিরিক্ত জ্ঞান কাজে লাগাতে পারব।
৪. নোট করতে একটু সময় লেগেছিল ৭-১০ দিন মত। কারণ আমি ফুলটাইম টিচার ছিলাম সেসময়, টানা পড়তে পারতাম না।
৫. এর পরে যেটা করেছি। মাঝে মধ্যেই উত্তর গুলো রিভিশন দেয়া এবং আরো সংশ্লিষ্ট ধারা গুলো মুল আইন থেকে পড়া।
৬. নিজের কাছে গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য ধারাগুলোও পড়তাম। (যেমন যেগুলো থেকে প্রিলিতে প্রশ্ন এসেছে, জুডিশিয়ারিতে প্রশ্ন হয়।)
বই কি কি পড়েছিলাম?
আগের পড়া বই গুলোই (একাডেমিক লাইফে যা পড়েছি এবং প্রিলির আগে যা পড়েছি।)
এর মধ্যে কয়েকটা উল্লেখযোগ্য
১. বিচার প্রক্রিয়া (ইংরেজিটা, কারণ আমি ইংরেজি ভাষায় উত্তর করেছিলাম)
২. সিপিসির জন্য - মুল আইন ও Takwani (আগের পড়া)
৩. সি আর পিসি - মুল আইন ও বিজেএস রিটেন এর প্রশ্ন সলভ।
৪. এভিডেন্স এক্ট - মুল আইন ও বিজেএস এর রিটেন প্রশ্ন সলভ।
৫. স্পেসিফিক রিলিফ এক্ট ও লিমিটেশন - মুল আইন ও বিজেএস এর রিটেন প্রশ্ন সলভ।
৬. পেনাল কোড- এল কবির, ও মুল আইন
৭. বার রুলস, অর্ডার- মুল আইন
৮. ড্রাফটিং- সাউদ হাসান স্যারের বই থেকে স্যাম্পল প্র্যাকটিস।
পরীক্ষার হলে যেসব চ্যালেঞ্জ ছিল:
১. ৪ ঘন্টা পরীক্ষা, ৭ টা প্রশ্ন প্র্যাকটিস ছিল না, ক্লান্ত হয়ে যাওয়া স্বাভাবিক।
২. আবহাওয়া: অত্যন্ত গরম ছিল। আমার ডিহাইড্রশন ও মাথা ঘোরায় ১০-১৫ মিনিট নষ্ট হয়েছে।
৩. সম্পুর্ন উত্তর লেখা: শোনা যায়, যারা সব প্রশ্নের উত্তর করে তাদের দুই একটা উত্তর বেঠিক হলেও পাস করার চান্স বেশি। সব প্রশ্নের উত্তর করতে আপনাকে প্রতিটা সাবজেক্টকেই গুরত্ব দিতে হবে।
৪. সময়ে সব লিখে শেষ করা। লিখতে লিখতে কয়েকবার মনে হয়েছে আর লিখব না, ছেড়ে দিই।
সুতরাং রিটেনে ভালো করতে যেসব কাজ জরুরি:
১. স্যাটিসফ্যাক্টরি প্রিপারেশন: অনেকে অনেক পড়তে পারে অনেকে কম। আপনার কাছে যথেষ্ট মনে হলে ওকে। বলা হয় Well plan, half Done. সময় কাজে লাগিয়ে যথেষ্ট প্রিপারেশন নিলে ভালো ফলাফল করা যেতে পারে।
২. ছোট আইনগুলোকে কম গুরুত্ব না দেয়া। অনেকে সিপিসি, সি আর পিসি, পেনাল কোড পড়তে গিয়ে ছোট আইনগুলোকে বেশি সময় দিতে পারেন না। ফলে ওখানের অবভিয়াস মার্ক ছেড়ে যেতে পারে। এরকম যাতে না হয় এর জন্য প্রতিদিন একটা বড় আইনের পাশাপাশি দুইটা ছোট আইন পড়তে পারেন।
৩. সময় ধরে লেখার চর্চা করা। পরীক্ষার হলে প্রতিটা প্রশ্নের জন্য যতটুকু সময় রাখবেন বাসায় তার থেকে ৫ মিনিট কম ধরে চর্চা করবেন। কারণ প্রশ্ন বুঝতেই অনেক সময় ৫ মিনিট চলে যায়।
৪. ড্রাফটিং প্র্যাকটিস খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে বিভিন্ন এপ্লিকেশন ফোরাম (কোন কোর্টে), আইন, আইনের ধারা, ও ফরম্যাট খেয়াল রাখা জরুরি।
৫. জানা বিষয়গুলো রিভিশনের কোন বিকল্প নেই।
৬. সব প্রশ্নের উত্তর করার মানসিকতা নিয়ে লেখা শুরু করবেন।
৭. পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর উঠানোর চেষ্টা করা। রিটেনে ভালো নম্বর থাকলে ভাইভা থেকে সাধারণত বাদ দেয় না।
এইতো।
আজ অন্য একটা পরিচয় লিখি:
তানিয়া মুস্তারী
আইনজীবী, ঢাকা বার এসোসিয়েশন, ঢাকা।
মেম্বার আইডি: ৩৩৩৯১।
13/06/2026
জুলজি প্রাণী বিজ্ঞান থেকে কম্পিউটার সাইন্সে ফুল ফান্ডেড মাস্টার্স! তারপর মাইক্রোসফটে অফার!
সাদিয়া আপরোজ মনিকা ঢাকার মিরপুরে বেড়ে উঠেছেন। ইচ্ছে ছিল মেডিকেলে পড়ার। তবে পরবর্তীতে তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের জুলজি বিভাগে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পান এবং খুব বেশি দ্বিধা না করেই সেখানে ভর্তি হয়ে যান।
প্রতিদিন মিরপুর থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে যাতায়াত করে ক্লাস করতেন। এভাবেই তার বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রথম বছর কেটে যায়। লেখা পড়ার পাশাপাশি অনলাইনে ইনকাম ফ্রিল্যান্সিংয়ের প্রতিও আগ্রহ ছিল। তাই তিনি নিজ উদ্যোগে অনলাইনের ফ্রি বিভিন্ন রিসোর্স ব্যবহার করে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শেখা শুরু করেন।
ধীরে ধীরে আন্তর্জাতিক ক্লায়েন্টদের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পান এবং বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ দক্ষতা অর্জন করেন। এক পর্যায়ে আপওয়ার্কসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম থেকে স্বীকৃতি ও পুরস্কারও অর্জন করেন। আন্তর্জাতিক পরিবেশে কাজ করতে গিয়ে তার ইংরেজি দক্ষতাও উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়।
ফলে একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি আইটি সেক্টরেও নিজের একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হন। অনার্সে জুলজি প্রাণী বিজ্ঞান থেকে তার সিজিপিএ ছিল ৩.৭১।
অনার্স শেষ করার পর তিনি কম্পিউটার সায়েন্সে উচ্চশিক্ষার বিষয়ে চিন্তা করতে শুরু করেন। জুলজি থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে যাওয়া সম্ভব কি না, তা নিয়ে শুরুতে কিছুটা সংশয়ে ছিলেন। পরে জানতে পারেন যে বিষয় পরিবর্তন কঠিন হলেও যুক্তরাষ্ট্রে তা অসম্ভব নয়। তখন তিনি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট ঘাঁটতে শুরু করেন এবং একসময় সেন্ট্রাল ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের একজন অধ্যাপকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
অধ্যাপক তাকে জানান যে কম্পিউটার সায়েন্সে ভর্তি হওয়া সম্ভব, তবে কিছু প্রি রিকুইজিট কোর্স সম্পন্ন করতে হবে। রিকুয়ারমেন্ট ফুল ফিল করতে পারলে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবে। তবে নিজের টাকায় যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা করা তার পক্ষে সম্ভব ছিল না। তাই তিনি অধ্যাপকের সঙ্গে ফান্ডিং ও স্কলারশিপের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যান। অধ্যাপক তার ইইন্টারভিউ নেন এবং পরবর্তীতে তাকে গ্র্যাজুয়েট টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ অফার করেন।
এর মাধ্যমে তিনি জুলজি থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে ফুল ফান্ডেড মাস্টার্স করার সুযোগ অর্জন করেন।
মাস্টার্সে তার সিজিপিএ ছিল ৩.৮১। মাস্টার্স সম্পন্ন করার পর তিনি প্রায় ছয় মাস জুনিয়র সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করেন। এরপর বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফটে ডাটা অ্যানালিস্ট হিসেবে যোগদানের সুযোগ পান। প্রায় দেড় বছর সেখানে কাজ করার পর কেপিটাল ওয়ান থেকে ডাটা ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে অফার পান এবং নতুন এই দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
২০২৩ সাল থেকে তিনি কেপিটাল ওয়ানে ডাটা ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত আছেন। তার গল্পটি প্রমাণ করে যে বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন বিষয়ে পড়েছেন সেটিই শেষ কথা নয়। সঠিক পরিকল্পনা, দক্ষতা অর্জনের প্রতি একাগ্রতা এবং ধারাবাহিক পরিশ্রম থাকলে একজন শিক্ষার্থী সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি ক্ষেত্রেও সফল ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারেন। জাহাঙ্গীরনগরের জুলজি বিভাগ থেকে শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের টেক ইন্ডাস্ট্রিতে ডাটা ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার এই যাত্রা অনেক শিক্ষার্থীর জন্য অনুপ্রেরণার উদাহরণ।
© Scholarship Funding with Low CGPA
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Website
Address
Lalmonirhat
5500