06/06/2017
এক নযরে হযরত ইউসুফ (আঃ) এর কাহিনী
এক নযরে হযরত ইউসুফ (আঃ) এর কাহিনী ( ১) জন্মের বৎসরাধিক কাল পরেই মায়ের মৃত্যু (২) অতঃপর ফুফুর কাছে লালন-পালন...
Poor, orphans, helpless, destitute and unique Islamic educational institutions for poor students. Bhowanigonj. Sador. Lakshmipur. Bangladesh. 3702
06/06/2017
এক নযরে হযরত ইউসুফ (আঃ) এর কাহিনী
এক নযরে হযরত ইউসুফ (আঃ) এর কাহিনী ( ১) জন্মের বৎসরাধিক কাল পরেই মায়ের মৃত্যু (২) অতঃপর ফুফুর কাছে লালন-পালন...
06/06/2017
যাকাত কেন দিবেন ? কোথায় দিবেন ?
সম্মানিত মুসলিম ভাই ও বোনেরা। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ রহমত, বরকত, মাগফিরাত ও নাজাতের আহবান নিয়ে আমাদের মাঝে সমাগত পবিত্র মাহে রমযান........... বিস্তারিত পড়তে ছবিতে ক্লিক করুন....
যাকাত কেন দিবেন ? কোথায় দিবেন ? Bd Jatiya News ইসমাইল খান : স ম্মানিত মুসলিম ভাই ও বোনেরা। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল ¬ াহ রহমত , বরকত , মাগফিরাত ও ...
04/06/2017
প্রিয় ইসমাইল স্যারের কন্ঠে
খুব সুন্দর মাহে রমজান গজল লিংক-
https://youtu.be/aK_s76O1_Lw
Ekti Boshor Pore Abar || Ramadaan Song || Ismail Khan & Azad - মাহে রমযানের গান Bamgla Islamic Song- Singer Ismail Khan & Anisur Rahman Azad Anurag Multimedia
06/12/2016
২০১৩ ইং সনের অত্র মাদরাসার শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সফরের একটি মুহুর্ত
এটি একটি গণসচেতনতা মূলক সর্ট ফিল্ম
আশাকরি আপনাদের ভাল লাগবে ।
শেয়ার করুন, হয়ত আপনার বন্ধুর কাজে লাগতে পারে ।
ডাউনলোড করে রাখুন, আশাকরি সবাই শিখতে পারবে.......
13/07/2016
ভিটামিন এ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন ১৬ জুলাই
আগামী ১৬ জুলাই ২০১৬ সারা দেশে সকাল ৮ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্য ন্ত ৬ মাস বয়স থেকে ৫ বছর পর্যন্ত সকল শিশুকে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে । আপনার আশে পাশের সকল শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়াবেন ।
পোষ্টটি শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ করে দিন ।
জনস্বার্থে : গণ প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
প্রচারে : Bhowanigonj Enayetia Madrasha
05/07/2016
যাকাত কেন দিবেন ? কোথায় যাকাত দিবেন ?
সম্মানিত মুসলিম ভাই ও বোনেরা। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল¬াহ রহমত, বরকত, মাগফিরাত ও নাজাতের আহবান নিয়ে আমাদের মাঝে সমাগত পবিত্র মাহে রমযান। মহান আল্লাহ তায়ালা তার প্রিয় বান্দাদের তাকওয়া বা আল্লাহ ভীতি অর্জনের মূল লক্ষই নির্ধারণ করেছেন এ মাসে। সূরা আল বাকারার ১৮৩ নম্বর আয়াতে আল¬াহ বলেন ‘‘হে ঈমানদার লোকেরা তোমাদের উপর রোজা ফরয করা হয়েছে যেমন ফরয করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর যেন তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো ” রোজা আমাদের যেমন ক্ষুধায় কাতর দুঃখী মানুষের প্রতি মমত্ববোধ জাগিয়ে তোলে তেমনি প্রদান করে ধৈর্য্য, একনিষ্ঠতা, ত্যাগ, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের অনুপম শিক্ষা আর প্রেরণা যোগায় শোষণ, ক্ষুধা, দারিদ্রতা ও বৈষম্যমুক্ত একটি আদর্শিক সমৃদ্ধ সমাজ ও দেশ গড়ার।
রমযানে একমাস সিয়াম সাধনার পর ক্ষুধা, দারিদ্রতা ও বৈষম্য মুক্ত একটি আদর্শিক সমাজ গড়ার মহান লক্ষযে আল্লাহ সমাজের বিত্তশালীদের উপর যাকাত ফরজ করে দিয়েছেন এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তায়ালা বলেন “ধ্বংশ ওইসব মুশরিকদের জন্য যারা যাকাত দেয়না এবং আখিরাতকে অস্বীকার করে” (হা-মীম আস-সিজদা ৬-৭)
যাকাত কি ?
যাকাত ইসলামি অর্থব্যবস্থার একটি ফরজ (অতীব গুরুত্বপূর্ণ ) বিধান। ঈমান আনা ও নামাজ আদায়ের পর জাকাত নিয়মিত আদায় করেই একজন বিত্তবান ব্যক্তি মুসলিম সমাজের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেন। জাকাতের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে অপরের জন্য স্বার্থত্যাগের মানসিকতা সৃষ্টি, কৃপণতা বর্জন, দারিদ্র্য বিমোচন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করা। জাকাত কাকে বলে : ‘জাকাত’ শব্দটির অর্থ পবিত্রকরণ, পরিশুদ্ধকরণ ও প্রবৃদ্ধি। শরিয়তের পরিভাষায়- ‘ইসলাম নির্দেশিত পন্থায় সচ্ছল মুসলিম নারী ও পুরুষ কর্তৃক সামাজিক সহায়তা এবং জনকল্যাণের উদ্দেশ্যে কুরআনে বর্ণিত নির্দিষ্ট আটটি খাতে নির্দিষ্ট সম্পদ থেকে, নির্দিষ্ট পরিমাণ ও নির্দিষ্ট সময়ে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন, আত্মশুদ্ধি ও সম্পদের পবিত্রতার জন্য যে সম্পদ ব্যয় করা হয় তাই জাকাত।’
যাকাত কেন দিবেন ?
নিসাব [সাধারণভাবে ৫২.৫ তোলা (ভরি) রুপা বা ৭.৫ তোলা স্বর্ণ বা এর সমমূল্যের সম্পদ) পরিমাণ সম্পদের অধিকারী ব্যক্তির ওপর জাকাত বাধ্যতামূলক। কুরআন মাজিদে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ৮২ বার জাকাতের কথা বলা হয়েছে। বলা হয়েছে, ‘তোমরা নামাজ কায়েম করো এবং জাকাত দাও’ (সূরা বাকারা : ১১০)।
মহানবী সা: বলেছেন, ‘ইসলামের মূল ভিত্তি পাঁচটি : এই সাক্ষ্য দেয়া যে, আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই এবং মুহাম্মদ সা: আল্লাহর বান্দা ও রাসূল, নামাজ কায়েম করা, জাকাত আদায় করা, হজ সম্পন্ন করা এবং রমজানের রোজা রাখা’ (মিশকাত)। জাকাত বাধ্যতামূলক হওয়ার ব্যাপারে সব যুগের এবং সব দেশের মুসলিম উম্মাহ একমত। সুতরাং জাকাত অস্বীকারকারী মুরতাদ হবে। মহান আল্লাহ বলেন, ‘যারা জাকাত দেয় না তারা হলো সেসব লোক, যারা আখিরাতের প্রতিও অবিশ্বাসী’ (সূরা হা-মীম আস-সাজদা : ৭)।
যাদের ওপর জাকাত ফরজ :
প্রাপ্তবয়স্ক এবং বুদ্ধি-জ্ঞানসম্পন্ন নারী ও পুরুষের মালের ওপর কিছু শর্তসাপেক্ষে জাকাত ফরজ করা হয়েছে। কোনো অমুসলিম ব্যক্তির ওপর জাকাত ধার্য করা যাবে না। অপ্রাপ্তবয়স্ক কোনো বালক, বালিকা এবং পাগলের মালের ওপর জাকাত ফরজ নয়।
যেসব শর্তসাপেক্ষে উপরোক্ত ব্যক্তির মালের ওপর জাকাত ধার্য হয় তা হলো : ১. মালের ওপর পূর্ণ একটি (চান্দ্র) বছর তার পূর্ণ মালিকানা বিদ্যমান থাকতে হবে, ২. মাল এমন প্রকৃতির হতে হবে যার ওপর জাকাত ধার্য হতে পারে, ৩. মাল নিসাব পরিমাণ বা নিসাবের মূল্যের সমপরিমাণ হতে হবে এবং ৪. ওই নিসাব পরিমাণ মাল তার মৌলিক প্রয়োজনের অতিরিক্ত হতে হবে।
মালিকানা বলতে, ‘কোনো বস্তু ও ব্যক্তির মধ্যকার শরিয়াসম্মত যোগসূত্রকে বুঝায়, যা ব্যক্তিকে ওই বস্তু নিঃশর্তভাবে ভোগ ব্যবহারের অধিকার দেয় এবং অপর লোকের হস্তক্ষেপে বাধা দেয়।’ নগদ অর্থ, সোনা-রুপা, ব্যবসায়িক পণ্য, পালিত পশু, কৃষিজ পণ্য ইত্যাদির ওপর জাকাত ধার্য হয়। ওয়াকফ সম্পত্তি, সরকারি সম্পত্তি, নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যবহার্য জিনিস, বাড়িঘর ইত্যাদির ওপর জাকাত ধার্য হয় না। কৃষিজ ফসল, ফলমূল ইত্যাদির ক্ষেত্রে পূর্ণ এক বছর মালিকের দখলে থাকা শর্ত নয়। তা যখন আহরিত হয় তখন তার ওপর জাকাত (উশর) ধার্য হয়। সম্পদের চল্লিশ ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ শতকরা আড়াই ভাগ জাকাত হিসেবে প্রদান করতে হবে। এ হিসেবে অতিরিক্ত মালের ওপরও জাকাত ফরজ হবে। জাকাত নগদ অর্থ দ্বারাও পরিশোধ করা যায় এবং সংশ্লিষ্ট মাল দ্বারাও পরিশোধ করা যায়। তৈজসপত্র, অলঙ্কার, বাড়িঘর ও বন্ধকী মালের জাকাত : সাংসারিক কাজে ব্যবহৃত জিনিসপত্র যেমন হাঁড়ি-পাতিল, থালা-বাটি, বিছানাপত্র, পোশাক-পরিচ্ছদ ইত্যাদির ওপর জাকাত ধার্য হবে না। হানাফি মাজহাব মতে, ব্যবহৃত অলঙ্কারপত্রের জাকাত দিতে হবে। মূল্যবান পাথর যেমন- হীরক, মণিমুক্তা ইত্যাদির তৈরি অলঙ্কারের ওপর জাকাত ধার্য হবে না। বাড়ি-ঘর, দালান-কোঠা ও যানবাহনের ওপরও জাকাত ধার্য হবে না। তবে এগুলো ভাড়ায় খাটিয়ে যে আয় পাওয়া যাবে, তা মালিকের অন্যান্য আয়ের সাথে যুক্ত হবে এবং যথানিয়মে এর ওপর জাকাত ধার্য হবে। বন্ধকী মাল বন্ধকমুক্ত হয়ে মালিকের দখলে ফিরে আসার পর এর ওপর জাকাত ফরজ হবে।
ব্যবসায়িক পণ্যের জাকাত : ব্যবসায়ের ইচ্ছায় উৎপাদিত বা ক্রয়কৃত পণ্য দ্বারা বাস্তবে ব্যবসায়িক কার্য সম্পাদিত হলে ওই পণ্যকে ‘ব্যবসায়িক পণ্য’ বলে। ব্যবসায়িক পণ্যের নিসাব স্বর্ণ ও রৌপ্যের নিসাবের সমপরিমাণ হলে তার প্রতি চল্লিশ টাকায় এক টাকা জাকাত ধার্য হবে। ব্যবসায়ের কেবল আবর্তনশীল মূলধনের জাকাত দিতে হবে। ব্যবসায়ের স্থাবর সম্পত্তি যেমন দালান-কোঠা, জমি, যন্ত্রপাতি ইত্যাদির ওপর জাকাত ধার্য হবে না। মসজিদ-মাদরাসা বা অনুরূপ জনকল্যাণমূলক কাজের উদ্দেশ্যে ওয়াকফকৃত সম্পত্তি দ্বারা ব্যবসা করা হলেও তার ওপর জাকাত ধার্য হবে না। যেসব মালের ওপর সাধারণত জাকাত ধার্য হয় না সেসব মাল ব্যবসায়িক পণ্য হলে তার ওপর জাকাত দিতে হবে। যেমন পাথর, মণিমুক্তা, আসবাবপত্র, তৈজসপত্র, যন্ত্রপাতি, যানবাহন ইত্যাদি। ঋণ ও জাকাত : কোনো ব্যক্তির ঋণমুক্ত হওয়াও তার ওপর জাকাত ফরজ হওয়ার জন্য একটি অপরিহার্য শর্ত। তার ঋণের অংক বিয়োগ করার পর নিসাব পরিমাণ মাল না থাকলে তার ওপর জাকাত ফরজ হবে না। তবে ঋণদাতাকে তার প্রদত্ত ঋণ ফেরত পাওয়ার পর যথারীতি এর জাকাত দিতে হবে। যে ঋণ ফেরত পাওয়ার আশা নেই ওই ঋণ ফেরত পাওয়া গেলে অতীতের বছরগুলোর এমনকি ফেরত পাওয়ার বছরের জাকাত প্রদান করতে হবে না। বরং পরবর্তী বছর থেকে জাকাত দিতে হবে। ঋণ গ্রহণ করে ব্যবসায়ের জমি, দালান-কোঠা, যন্ত্রপাতি ও পণ্য ক্রয় করা হলে কেবল পণ্য ক্রয় বাবদ যতটুকু ঋণ খরচ হয়েছে তা থেকে ততটুকু বিয়োগ করার পর ওই পণ্যের ওপর জাকাত ধার্য হবে। জাকাত দেয়ার অভিপ্রায় : জাকাতদাতার জাকাত দানকালে বা মাল হতে জাকাতের অংশ পৃথক করাকালে তার অভিপ্রায় থাকতে হবে যে, সে তার জাকাত পরিশোধ করছে। অভিপ্রায়হীন সব মাল দান করলেও জাকাত আদায় হবে না।
যাকাত পরিশোধের সময় :
জাকাত ফরজ হওয়ার সাথে সাথেই তা পরিশোধ করা ফরজ হয়। জাকাত ফরজ হওয়ার আগে অগ্রিম পরিশোধ করলে তা ধর্তব্য হবে না। জাকাত ফরজ হওয়ার পর পরিশোধের নির্দিষ্ট সময় আসার আগেই জাকাত দেয়া যায়।
কোন কোন খাতে যাকাত দিবেন ?
কুরআনে আল্লাহ তায়ালা যাকাত প্রদানের জন্য শুধু তাকিদই প্রদান করেননি বরং বিশদভাবে তা ব্যয় করার খাতগুলো বলে দিয়েছেন- “এ সদকা তো ফকির মিসকিনদের জন্য এবং তাদের জন্য যারা সদকার কাজে নিয়োজিত এবং তাদের জন্য যাদের মন জয় করা উদ্দেশ্য এবং শৃক্সখল মুক্ত করার জন্য। ঋনগ্রস্থদের সাহায্যের জন্য। আল্লাহর পথে এবং মুসাফিরদের জন্য ব্যয় করার উদ্দেশ্যে অবশ্য পালনীয় ফরয আল্লাহর পক্ষ থেকে এবং আল্লাহ সবকিছু সম্পর্কে ওয়াকিফহাল এবং মহাজ্ঞানী।”(সূরা আত তওবাহ ঃ ৬০)
এ আয়াতে যাকাতের আটটি খাতের কথা বলা হয়েছে।(১) ফকির বা দরিদ্র (২) মিসকিন অভাবগ্রস্থ অথচ অন্য কারো নিকট হাত পাতে না (৩) যাকাত আদায় ও বন্টনে নিয়োজিত কর্মচারী (৪) নওমুসলিম (মন জয় করার উদ্দেশ্যে) (৫) শৃংখলমুক্ত করার জন্য (৬) ঋনগ্রস্থদের জন্য (৭) জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ বা আল্লাহর পথে এবং (৮) পথিক বা মুসফিরের জন্য।
যাকাত এ আটটি খাতেই ব্যয় করা যায় এর বাইরে নয়। তবে যাকাতের সমুদয় অর্থ সকল খাতেই ব্যয় করতে হবে বা যে কোন একটি খাতে ব্যয় করতে হবে এমন কোন বাধ্যবাধকতা নেই। আপনি ইচ্ছা করলে আটটি খাতের যে কোন একটি খাতে ও ব্যয় করতে পারেন। আবার উল্লিখিত একাধিক খাতেও ব্যয় করতে পারেন।
কোথায় যাকাত দিবেন ?
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম মন্ত্রনালয়ের একটি যাকাত তহবিল রয়েছে । দেশের অধিকাংশ ব্যাংকে সরকারী যাকাত তহবিল নামে একাউন্টে দিতে পারেন ।
অত্র মাদরাসার গোরাবা ফান্ড রয়েছে, যার মাধ্যমে সারাবছর অসংখ্য মেধাবী ও দরীদ্র ছাত্র/ছাত্রীদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। এ ফান্ডের একমাত্র আয়ের উৎস আপনাদের দানকৃত যাকাতের অর্থ। আপনার যাকাতের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ অত্র মাদরাসার যাকাত ফান্ডে দান করার অনূরোধ করছি। এ খাতে আপনার দান অত্র মাদরাসার প্রায় ১৫০ জন ছাত্র/ছাত্রীর শিক্ষা জীবন হবে আলোকিত। দেশের আদর্শ নাগরিক তৈরীতে যাদের ভূমিকা অপরিসীম।
যাকাতের অর্থ পাঠানোর ঠিকানা ঃ ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড, লক্ষ্মীপুর শাখা, হিসাব নং 26921
মা’আসসালাম
মুহাম্মদ ইসমাইল হোসাইন
প্রধান শিক্ষক ও সেক্রেটারী
দক্ষিন ভবানীগঞ্জ এনায়েতিয়া ইবতেদায়ী মাদরাসা
ভবানীগঞ্জ, সদর- লক্ষ্মীপুর।
বিকাশ নং- 01845985982
যাকাত কেন দিবেন ? কাকে দিবেন ? সম্মানিত মুসলিম ভাই ও বোনেরা। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল¬াহ রহমত, বরকত, মাগফিরাত ও নাজাতের আহবান নিয়ে আমাদের মাঝে সমাগত পবিত্র মাহে রমযান। মহান আল্লাহ তায়ালা তার প্রিয় বান্দাদের তাকওয়া বা আল্লাহ ভীতি অর্জনের মূল লক্ষই নির্ধারণ করেছেন এ মাসে। সূরা আল বাকারার ১৮৩ নম্বর আয়াতে আল¬াহ বলেন ‘‘হে ঈমানদার…
28/06/2016
শব-ই-কদরে নামাজ আদায়ের নিয়ম
মহান আল্লাহ বলেন লাইলাতুল ক্বদরের রাত হাজার মাসের থেকেও উত্তম। অর্থাৎ এই এক রাতের ইবাদত হাজার মাসের থেকেও উত্তম। [আল্ মিসবাহ আল্ মুনীর/১৫২১] তাই এই রাতটি ইবাদতের মাধ্যমে অতিবাহিত করাই হবে আমাদের মূল উদ্দেশ্য।.............. বিস্তারিত পড়তে ছবিতে ক্লিক করুন ।
http://www.iqragp.com/sob-e-qadar.html
শব-ই-কদরে নামাজ আদায়ের নিয়ম || Bhowanigonj Enayetia Madrasha মহান আল্লাহ বলেন লাইলাতুল ক্বদরের রাত হাজার মাসের থেকেও উত্তম। অর্থাৎ এই এক রাতের ইবাদত হাজার মাসের থেকেও উত্তম। [আল্ মিসবাহ আল্ মুনীর/১৫২১] তাই এই রাতটি ইবাদতের মাধ্যমে অতিবাহিত করাই হবে আমাদের মূল উদ্দেশ্য।
আনাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কর্তৃক বর্ণিত, তিনি বলেন, মদীনার আনসারীগণের মধ্যে আবূ তালহা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু সবচেয়ে অধিক খেজুর-বাগানের মালিক ছিলেন। মসজিদে নববীর নিকটবর্তী বায়রুহা নামক বাগানটি তাঁর কাছে অধিক প্রিয় ছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বাগানে প্রবেশ করে সুপেয় পানি পান করতেন। আনাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হল; যার অর্থ, ‘‘তোমরা কখনও পুণ্য লাভ করতে পারবে না, যতক্ষণ না তোমাদের প্রিয় জিনিস আল্লাহর পথে ব্যয় করেছ।’’ (আলে ইমরান ৯২আয়াত) তখন আবূ তালহা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গিয়ে বললেন, ‘ইয়া রাসূলুল্লাহ! আল্লাহ আপনার উপর (আয়াত) অবতীর্ণ করে বলেছেন, ‘‘তোমরা কখনও পুণ্য লাভ করতে পারবে না, যতক্ষণ না তোমাদের প্রিয় জিনিস আল্লাহর পথে ব্যয় করেছ।’’ আর বায়রুহা বাগানটি আমার নিকট সবচেয়ে প্রিয়। এটি আল্লাহর নামে সদকাহ করা হল। আমি এর কল্যাণ কামনা করি এবং তা আল্লাহর নিকট আমার জন্য জমা হয়ে থাকবে। কাজেই আপনি যাকে দান করা ভাল মনে করেন, তাকে দান করে দিন।’ তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘‘আরে! এ হচ্ছে লাভজনক সম্পদ। এ হচ্ছে লাভজনক সম্পদ। তুমি যা বলেছ, তা শুনেছি। আমি মনে করি, তুমি তোমার আপন-জনদের মধ্যে তা বণ্টন করে দাও।’’ আবূ তালহা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বললেন, ‘ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি তাই করব।’ তারপর তিনি তাঁর আত্মীয়-স্বজন, আপন চাচার বংশধরদের মধ্যে তা বণ্টন করে দিলেন। [ সহীহুল বুখারী ১৪৬১, ২৩১৮, ২৭৫২, ২৭৬৯, ৪৫৫৫, ৪৬১১, মুসলিম ৯৯৮, তিরমিযী ২৯৯৭, নাসায়ী ৩৬০২, আবূ দাউদ ১৬৮৯, আহমাদ ১১৭৩৪, ১২০৩০, ১৩২৭৬, ১৩৩৫৬, ১৩৬২২]
সম্মানিত সূধী,
আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুলাহ।
আপনাদের প্রিয় প্রতিষ্ঠান ভবানীগঞ্জ এনায়েতিয়া মাদরাসা লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ভবানীগঞ্জ গ্রামে অবস্থিত ।
প্রখ্যাত আলেমে দ্ধীন, স্বনামধন্য শিক্ষাবিদ ও নিবেদিত সমাজ সেবক মরহুম হযরত মাওলানা এনায়েত উল্যাহ সাহেব এর প্রতিষ্ঠিত ও স্মৃতি বিজড়িত অত্র ভবানীগঞ্জ এনায়েতিয়া মাদরাসা এলাকার সাধারণ মানুষের কোমলমতি শিশুদের ইসলাম ও আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা কেন্দ্র হিসেবে পরিচালিত হয়ে আসছে ।
অত্যন্ত অজোপাড়া গায়ে অবস্থিত ও গরীব জনসাধারনের কষ্টার্জিত অর্থ ও মরহুম মাওলানা এনায়েত উল্যাহ সাহেবের জীবদ্দশায় প্রদত্ব অনুদান দিয়েই প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হয়ে আসছে । সরকারী কোন প্রাকার অনুদান না থাকলেও গণপ্রাজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের প্রদত্ব পাঠ্যক্রম অনুযায়ী একাডেমিক কার্যক্রম চলছে।
আপনাদের আন্তরিক সহযোগিতা অত্র প্রতিষ্ঠানের পথ চলাকে আরও গতিশীল করবে ইনশা-আল্লাহ।
07/06/2016
যে ১০টি অনিয়মের কারণে কিডনি নষ্ট হয়
*******************************************
১) প্রস্রাব আটকে রাখা।
২) পর্যাপ্ত পানি পান না করা।
৩) অতিরিক্ত লবন খাওয়া।
৪) যেকোন সংক্রমনের দ্রুত চিকিৎসা না
করা।
৫) মাংস বেশি খাওয়া।
৬) প্রয়োজনের তুলনায় কম খাওয়া।
৭) অপরিমিত ব্যথার ওষুধ সেবন।
৮) ওষুধ সেবনে অনিয়ম।
৯) অতিরিক্ত মদ খাওয়া।
১০) পর্যাপ্ত বিশ্রাম না নেওয়া।
বিঃদ্রঃ আমাদের পোষ্টগুলো যদি আপনার ভাল লাগে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। আপনার যদি লিখতে কষ্ট হয় তাহলে অন্তত G or N (G=good, N=nice ) লিখে কমেন্ট করবেন।
আরো ভাল পোষ্ট নিয়ে হাজির হবার আশায় ....
06/06/2016
এসেছে রমযান
বইছে খুশির বান ।