11/09/2025
চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে যেভাবে দক্ষ হবেন
চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে ইংরেজিতে দক্ষ হবেন যেভাবে | কালবেলা
ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অর্জন এখন আর কঠিন নয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চ্যাটবট ‘চ্যাটজিপিটি’ ভাষা শিক্ষাকে করেছ....
29/05/2025
নজরুল ও নার্গিস -
নজরুলের জীবনে দু’জন নারীর উপস্থিতি খুব গভীর ভাবে লক্ষ্য করা যায়- একজন নার্গিস আরেকজন হলেন প্রমীলা। নজরুলের হৃদয়ের দুই সারথী- একজন চাঁদ তো অন্যজন নীল সরোবর।
প্রিয় কবি নজরুলকে, তার প্রথম স্ত্রী নার্গিস একটি পত্র লিখেছিলেন সেই কুমিল্লা থেকে বিয়ের প্রথম রাতে নজরুলের চলে যাবার অনেক দিন পর।সেই চিঠির উত্তর নজরুল দিয়েছিলেন একটি গানের মাধ্যমে-
“যারে হাত দিয়ে মালা দিতে পার নাই, কেন মনে রাখ তারে্।।
ভুলে যাও তারে ভুলে যাও একেবারে্।।”
-কিন্তু নজরুল কি সত্যিই ভুলতে পেরেছিলেন নার্গিসকে? পনেরো বছর পর একটি আবেগময় চিঠি লিখেন নার্গিসের কাছে- যা হৃদয় ছুঁয়ে যায়- যে চিঠিখানা বিশ্বের সেরা ভালবাসার তথা প্রেমপত্রের একটি। নজরুল নার্গিসকে কতটুকু ভালবাসতেন- সেটা এই চিঠিতেই সেই ভালবাসার রূপ শাশ্বত হয়ে ফুটে উঠেছে- একজন মানুষ কি তার প্রিয়তমাকে এর চেয়ে বেশি ভালবাসতে পারেন! নজরুল দৌলতপুরে বসেই ১৬০টি গান এবং ১২০টি কবিতা রচনা করেন। উল্লেখযোগ্য কবিতাগুলোর মধ্যে- ‘বেদনা-অভিমান’, ‘অবেলা’, ‘অনাদৃতা’, ‘পথিক প্রিয়া’, ‘বিদায় বেলা’ প্রভৃতি- তাই নজরুলের জীবনে যদি নার্গিস না আসতেন তাহলে হয়তো বাংলা সাহিত্য ভান্ডারে এই অমূল্য সম্পাদ থেকে আমরা বঞ্চিত হতাম।
নজরুল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরর মসজিদের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন- আর নার্গিস চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন ম্যানচেস্টার (ইংল্যান্ড) শহরে।
নার্গিস-নজরুল প্রেম-কাহিনী শুধু সাধারণ প্রেম নয়- এটা অমর প্রেম কাহিনী- এযেন কালজয়ী প্রেম-উপাখ্যান। আর এমনি একটি চিঠির জন্য নার্গিস-নজরুলের প্রেমের উপাখ্যান বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছে। নিচে চিঠিটি উল্লেখ করা হলঃ
কল্যানীয়াসু,
তোমার পত্র পেয়েছি সেদিন নব বর্ষার নবঘন-সিক্ত প্রভাতে ।মেঘ মেদুর গগনে সেদিন অশান্ত ধারায় বারি ঝরছিল ।পনর বছর আগে এমনি এক আষাঢ়ে এমনি এক বারি ধারায় প্লাবন নেমেছিল– তা তুমিও হয়তো স্মরণ করতে পারো ।আষাঢ়ের নবমেঘপুঞ্জকে আমার নমস্কার ।এই মেঘদূত বিরোহী যক্ষের বানী বহন করে নিয়ে গিয়েছিল কালিদাসের যুগে, রেবা নদীর তীরে, মালবিকার দেশে, তার প্রিয়ার কাছে ।এই মেঘ পুঞ্জের আশীর্বাণী আমার জীবনে এনে দেয় চরম বেদনার সঞ্চার ।এই আষাঢ় আমায় কল্পনার স্বর্গ লোক থেকে টেনে ভাসিয়ে দিয়েছে বেদনার অনন্ত স্রোতে । যাক, তোমার অনুযোগের অভিযোগের উত্তর দেই । তুমি বিশ্বাস করো, আমি যা লিখছি তা সত্য । লোকের মুখে শোনা কথা দিয়ে যদি আমার মূর্তির কল্পনা করে থাকো,তাহলে আমায় ভুল বুঝবে- আর তা মিথ্যা ।
তোমার উপর আমি কোনো ‘জিঘাংসা’ পোষণ করিনা –এ আমি সকল অন্তর দিয়ে বলছি ।আমার অন্তর্যামী জানেন তোমার জন্য আমার হৃদয়ে কি গভীর ক্ষত, কি আসীম বেদনা ! কিন্তু সে বেদনার আগুনে আমিই পুড়েছি—তা দিয়ে তোমায় কোনোদিন দগ্ধ করতে চাইনি । তুমি এই আগুনের পরশ মানিক না দিলে আমি ‘অগ্নিবীণা’ বাজাতে পারতাম না—আমি ধুমকেতুর বিস্ময় নিয়ে উদিত হতে পারতাম না । তোমার যে কল্যান রূপ আমি আমার কিশোর বয়সে প্রথম দেখেছিলাম, যে রূপকে আমার জীবনের সর্বপ্রথম ভালবাসার আঞ্জলি দিয়েছিলাম, সে রূপ আজো স্বর্গের পারিজাত-মন্দারের মতো চির অম্লান হয়েই আছে আমার বক্ষে । অন্তরের সে আগুন- বাইরের সে ফুলহারকে স্পর্শ করতে পারেনি ।
তুমি ভুলে যেওনা আমি কবি—আমি আঘাত করলেও ফুল দিয়ে আঘাত করি । অসুন্দর কুৎসিতের সাধনা আমার নয় । আমার আঘাত বর্বরের কাপুরুষের আঘাতের মতো নিষ্ঠুর নয় ।আমার অন্তর্যামী জানেন (তুমি কি জান বা শুনেছ জানিনা) তোমার বিরুদ্ধে আজ আমার কোন অনুযোগ নেই, অভিযোগ নেই, দাবীও নেই ।
তোমার আজিকার রূপ কি জানিনা । আমি জানি তোমার সেই কিশোরি মুর্তিকে, যাকে দেবী মূর্তির মতো আমার হৃদয় বেদীতে অনন্ত প্রেম,অনন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলাম । সেদিনের তুমি সে বেদী গ্রহণ করলেনা । পাষান দেবীর মতই তুমি বেছে নিলে বেদনার বেদিপাঠ …জীবন ভ’রে সেখানেই চলেছে আমার পূজা আরতি । আজকার তুমি আমার কাছে মিথ্যা,ব্যর্থ ; তাই তাকে পেতে চাইনে । জানিনে হয়ত সে রূপ দেখে বঞ্চিত হব,অধিকতর বেদনা পাব,--তাই তাকে অস্বীকার করেই চলেছি ।
দেখা? না-ই হ’ল এ ধূলির ধরায় । প্রেমের ফুল এ ধূলিতলে হয়ে যায় ম্লান,দগদ্ধ,হতশ্রী ।তুমি যদি সত্যিই আমায় ভালবাস আমাকে চাও ওখান থেকেই আমাকে পাবে ।লাইলি মজনুকে পায়নি, শিরি ফরহাদকে পায়নি, তবু তাদের মত করে কেউ কারো প্রিয়তমাকে পায়নি ।আত্মহত্যা মহাপাপ, এ অতি পুরাতন কথা হলেও প্রেম সত্য ।আত্মা অবিনশ্বর,আত্মাকে কেউ হত্যা করতে পারেনা । প্রেমের সোনার কাঠির স্পর্শ যদি পেয়ে থাকো, তাহলে তোমার মতো ভাগ্যবতী আর কে আছে ? তারি মায়া স্পর্শে তোমার সকল কিছু আলোয় আলোময় হয়ে উঠবে । দুঃখ নিয়ে এক ঘর থেকে অন্য ঘরে গেলেই সেই দুঃখের অবসান হয়না ।মানুষ ইচ্ছা করলে সাধনা দিয়ে, তপস্যা দিয়ে ভুলকে ফুল রূপে ফুটিয়ে তুলতে পারে । যদি কোনো ভুল করে থাক জীবনে, এই জীবনেই তাকে সংশোধন করে যেতে হবে; তবেই পাবে আনন্দ মুক্তি; তবেই হবে সর্ব দুঃখের অবসান । নিজেকে উন্নত করতে চেষ্টা করো, স্বয়ংবিধাতা তোমার সহায় হবেন । আমি সংসার করছি, তবু চলে গেছি এই সংসারের বাধাকে অতক্রম করে উর্ধ্ব লোকে—সেখানে গেলে পৃ্থিবীর সকল অপূর্ণতা, সকল অপরাধ ক্ষমা সুন্দর চোখে পরম মনোহর মূর্তিতে দেখা যায় ।…
হঠাৎ মনে পড়ে গেল পনর বছর আগের কথা । তোমার জ্বর হয়েছিল, বহু সাধনার পর আমার তৃষিত দুটি কর তোমার শুভ্র ললাট স্পর্শ করতে পেরেছিল; তোমার তপ্ত ললাটের স্পর্শ যেন আজো অনুভব করতে পারি ।তুমি কি চিয়ে দেখেছিলে? আমার চোখে ছিলো জল, হাতে সেবা করার আকুল স্পৃহা, অন্তরে শ্রীবিধাতার চরণে তোমার আরোগ্য লাভের জন্য করুন মিনতি । মনে হয় যেন কালকের কথা । মহাকাল যে স্মৃতি মুছে ফেলতে পারলেননা। কী উদগ্র অতৃপ্তি, কী দুর্দমনীয় প্রেমের জোয়ারই সেদিন এসেছিল । সারা দিন রাত আমার চোখে ঘুম ছিল না ।
যাক আজ চলেছি জীবনের অস্তমান দিনের শেষে রশ্মি ধরে ভাটার স্রোতে, তোমার ক্ষমতা নেই সে পথ থেকে ফেরানোর । আর তার চেষ্টা করোনা । তোমাকে লিখা এই আমার প্রথম ও শেষ চিঠি হোক ।যেখানেই থাকি বিশ্বাস করো আমার অক্ষয় আশির্বাদ কবচ তোমায় ঘিরে থাকবে । তুমি সুখি হও, শান্তি পাও— এই প্রার্থনা । আমায় যত মন্দ বলে বিশ্বাস করো, আমি তত মন্দ নই –এই আমার শেষ কৈফিয়ৎ ।
ইতি—
নিত্য শুভার্থী—
নজরুল ইসলাম।
29/05/2025
প্রিয় সন্তান
আমি যখন বার্ধক্যে যাব, আশা করব, তুমি আমাকে বুঝবে এবং আমার সঙ্গে আচরণে ধৈর্যশীল হবে।
ধরো, আমি যদি হঠাৎ খাওয়ার প্লেট ভেঙে ফেলি অথবা টেবিলে স্যুপ ফেলে নষ্ট করি, বুঝবে আমি দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেছি।
আশা করি, তখন তুমি চিৎকার করবে না। আর যদি উঁচু স্বরে কথা বলো, বুঝবে তখন আমি নিজের কাছে খুব ছোট হয়ে যাই, অসহায় আর অপরাধী মনে করি নিজেকে।
যখন আমার শ্রবণশক্তি শেষ হয়ে আসছে এবং শুনতে পাচ্ছি না আমাকে তুমি ঠিক কী বলছ, তখন আমাকে ‘বধির’ বলা উচিত নয়।
দয়া করে তুমি আবার বলো অথবা লিখে দেখাও।
আমি দুঃখিত বাবা। বৃদ্ধ হয়ে যাচ্ছি, আমার পা দুর্বল হয়ে আসছে। আমি মনে মনে চাই, তোমার ধৈর্য থাকবে আমাকে দাঁড়াতে সাহায্য করতে।
যেভাবে আমি তোমার পাশে ছিলাম, যখন তুমি ছোটবেলায় হাঁটতে শিখছিলে।
আমার কিছু কথা শোনো, যখন আমি অসহায়ের মতো তোমাকে কিছু বলব...তোমার কাছে ভাঙা রেকর্ডের মতো লাগলেও আমার কথা শুনে বিরক্ত হোয়ো না।
তোমার মনে আছে? তুমি ছোট থাকতে আমার কাছে একটা বেলুন চেয়েছিলে। সেটা না পাওয়া পর্যন্ত বারবার আমাকে সেটাই বলতে। সারাক্ষণ জিজ্ঞেস করতে, ‘কখন দেবে, কখন দেবে...।’
দয়া করে আমাকে গোসল করার জন্য জোর কোরো না। আমার শরীর দুর্বল। ঠান্ডায় বয়স্ক মানুষ খুব তাড়াতাড়ি অসুস্থ হয়ে যায়। তুমি যখন ছোট ছিলে...আমাকে তোমার পেছনে দৌড়াতে হতো।
কারণ, তুমি গোসল করতে চাইতে না।
তোমার অলস সময়ে, আশা করব তুমি আমার সঙ্গে একটু সময়ের জন্য হলেও কথা বলবে। আমি সব সময় একাকিত্বে ভুগি এবং কথা বলার মানুষ পাই না।
জানি তুমি ব্যস্ত থাকো কাজে অথবা আমার কথায় ও গল্পে আনন্দ পাও না তেমন, তবু আমার জন্য কিছু সময় রেখো। তোমার কি মনে পড়ে? যখন ছোট ছিলে, তখন তোমার টেডি বিয়ারের গল্প আমি শুনতাম।
যখন আমার মৃত্যু আসবে, তুমি কি আমার হাত ধরে থাকবে? যা আমাকে সাহস জোগাবে।
তুমি চিন্তা কোরো না, মৃত্যুর পর যখন আমার সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে দেখা হবে, আমি তাঁর কানে কানে অবশ্যই বলব, তোমাকে অনুগ্রহ করতে, তোমার প্রতি দয়াশিল হতে......
কারণ, তুমি তোমার মা-বাবাকে ভালোবেসেছিলে।
ভালো থাকবে সব সময়।
©
17/04/2025
Lakshmipur district is our dearest homeland. For those who do not know Lakshmipur district.
For those who say our home is Lakshmipur and say Noakhilla, the history and heritage of this district is highlighted.
*This district is named after the historical king and landowner Sri Sri Lakshmi Narayan.
The area of this district is 1456 square kilometers.
*On February 2, 1984, it was divided from the larger Noakhali district and transformed into Lakshmipur district.
*Lakshmipur district is surrounded by Chandpur in the north, Noakhali and Bhola in the south, Noakhali in the east, Bhola and Barisal in the west.
*This district consists of 5 upazilas.
1. Lakshmipur Sadar,
2. Kamalnagar,
3. Raipur,
4. Ramganj and
5. Ramgati.
Our Laxmipur district is surrounded by the Meghna, Dakatiyao and Rahmatkhali rivers.
*Historical and scenic places in this district are: Alexander Meghna Beach, Comrade Towaha Memorial, Kamala Sundari Dighi, Dattapara Kalimata Devottar and Mohanganj Ashram, Meghna River, Raipur Fish Breeding and Training Center (which is still the largest in Asia)
Shahapur Neel Kuthibari, Harishchar Dargah, Srirampur Rajbari (Ramganj), Aiddara Dighi, Khoasagar Dighi, Shri Jiu Kuthi Akhra, Ramgati Rani Bhabani Kamda Math, Titakhan Jame Mosque in the city, Majupur Matka Mosque, Abdullahpur Jame Mosque, Dalal Bazar Zamindar Bari, Raipur Jinn Mosque.
People of Lakshmipur district are always conscious about their individuality. They work hard to survive and live well.
*My beloved Lakshmipur in the south is famous for coconut - betel nut, but in the last few years, a silent soybean revolution has taken place. Almost 80 percent of the soybean produced in the country is produced in this region. It has already made it to the list as the top soybean producing district in the country. Lakshmipur is famous as the "Coconut Queen of Bangladesh" and "Soyland".
*Raipur Fish Breeding and Training Center (largest in Asia)
Ramgati is a suitable place to develop as a tourist center. The natural scenery here is very picturesque. During the visit to Ramgati, tourists prefer the traditional yogurt made from buffalo milk there. Here, one can watch the sunrise and sunset like Kuakata. The rows of colorful sailed boats attract the attention of tourists. The vast afforestation of the forest department, the green beauty of the Keyavan will also come to mind.
The Meghna River adjacent to Ramgati from Moju Chowdhury Ghat area, Raipur is famous for Hilsa fishing. Directly collecting silver Hilsa, colorful sail boats, can be seen in the Meghna.
08/04/2025
মাত্র ১০ টাকায় অসাধারণ চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায় ঢাকার এই হাসপাতালগুলোতে। নাম, ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দেওয়া হলো, যেখানে মাত্র ১০ টাকার টিকিটে চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায়।
১. কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল
ঠিকানা: কুর্মিটোলা, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা-১২১৬
ফোন: +880-2-55062350
ওয়েবসাইট: http://kurmitolahospital.gov.bd
২. ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটাল
ঠিকানা: শের-ই-বাংলা নগর, আগারগাঁও, ঢাকা-১২০৭
ফোন: 02-58151368, 02-48120079
ইমেইল: [email protected]
ওয়েবসাইট: https://www.nins.gov.bd
৩. ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইএনটি (নাক-কান-গলা) অ্যান্ড হসপিটাল
ঠিকানা: লাভ রোড, বেগুনবাড়ি, তেজগাঁও, ঢাকা-১২০৮
ফোন: 02-8878155
ইমেইল: [email protected]
ওয়েবসাইট: https://nient.gov.bd
৪. ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (DMCH)
ঠিকানা: বকশিবাজার, ঢাকা-১২০৩
ফোন: 02-9668690
ওয়েবসাইট: https://www.dmc.gov.bd
৫. মুগদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
ঠিকানা: মুগদা, ঢাকা-১২১৪
ফোন: 02-7215400
ওয়েবসাইট: https://mmch.gov.bd
৬. শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
ঠিকানা: শের-ই-বাংলা নগর, ঢাকা-১২০৭
ফোন: 02-9122560
ওয়েবসাইট: https://shsmc.gov.bd
৭. জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল
ঠিকানা: শের-ই-বাংলা নগর, আগারগাঁও, ঢাকা-১২০৭
ফোন: 02-9137292
ওয়েবসাইট: https://www.nhf.gov.bd
৮. জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল
ঠিকানা: মহাখালী, ঢাকা-১২১২
ফোন: 02-9893491
ওয়েবসাইট: https://www.nicrh.gov.bd
এই হাসপাতালগুলোতে সকাল বেলা বহির্বিভাগে (OPD) মাত্র ১০ টাকায় টিকিট কেটে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া যায়। ওষুধও অনেক সময় বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়।
৯. ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটাল
ঠিকানা: শের-ই-বাংলা নগর, আগারগাঁও, ঢাকা-১২০৭, বাংলাদেশ
ফোন নম্বর:
০২-৫৮১৫১৩৬৮
০২-৪৮১২০০৭৯
০২-৪৮১১৮৮০৮
ইমেইল: [email protected]
ওয়েবসাইট: https://www.nins.gov.bd
১০. ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইএনটি (নাক-কান-গলা) অ্যান্ড হসপিটাল
ঠিকানা: লাভ রোড, বেগুনবাড়ি, তেজগাঁও, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
ফোন নম্বর: ০২-৮৮৭৮১৫৫
ইমেইল: [email protected]
ওয়েবসাইট: https://nient.gov.bd
kurmitolahospital.gov.bd