Martyr's Memorial High School

Martyr's Memorial High School

Share

ধর্ম ও নৈতিকতার শিক্ষা সন্তানের জন্য সবচেয়ে বড় সম্পদ।
"আল-কুরআন"

19/06/2023

“রক্তপিচ্ছিল পথ বেয়ে ৪৬ বছর”
~মঞ্জুরুল ইসলাম

স্বাধীনতা পরবতীসময়ে শাসকগোষ্ঠীর সীমাহীন নির্যাতন-নিপীড়ন-শোষণে পুরো দেশ শোচনীয় পরিস্থিতিতে উপনীত হয়। রাজনৈতিক কার্যকলাপ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ, বিরোধী দলীয় নেতৃবৃন্দকে জেলের অন্ধকার কুঠুরীতে নিক্ষেপ করে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য করা হয়। সর্বত্র হত্যা ও ত্রাসের রাজত্ব করা হয়। সমস্ত পত্র-পত্রিকা বন্ধ ঘোষণা করে বাকশাল গঠন করা হয় এবং সেখানে যোগ দেওয়ার জন্য আমলা, সাংবাদিক, স্বায়ত্তশাসিত এবং আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীবৃন্দ, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক, কবি, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবিদের উপর চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছিল। নৈতিক সাহস ও মানবিক মূল্যবোধ বাংলাদেশে সর্বপ্রকারের কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলেছিল। সবখানে আতঙ্ক আর উদ্বেগ। গ্রাম-বাংলার সাধারণ মানুষের অবস্থাও দুর্দশার শেষ প্রান্তে এসে উপনীত হয়েছিল। একদিকে অভাব, দুর্ভিক্ষ, মহামারী, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, নির্মম দারিদ্র্য, অন্নের জন্য হাহাকার; অপরদিকে উদ্ধত স্বৈরাচারের উলঙ্গ আস্ফালন এবং বিলাসিতা মানবতাকে লাঞ্চনার চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিল। জাতির এই সংকটকালীন পরিস্থিতি হতে মুক্তি লাভের অল্প দিনের মধ্যেই ১৯৭৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ঈমানদ্বীপ্ত একদল জিন্দাদিল মর্দে মুজাহিদের হাত ধরে যাত্রা শুরু হয়েছিল তাওহীদের ঝান্ডাবাহি কাফেলা, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের। সেই হতে শহীদি কাফেলার পথ চলা শুরু। গুটি গুটি পায়ে বাল্য কৈশোর পেরিয়ে আজ ৪৬ বছরের টগবগে যুবকে পরিণত হয়েছে প্রিয় সংগঠনটি। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি দেশকে সুন্দরভাবে গড়ে তোলার জন্য সৎ ও যোগ্য লোক তৈরির জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনা ছিলো না। ছিলো না দেশ পরিচালনার নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্য। ছাত্ররাই দেশ ও জাতির ভবিষ্যৎ হলেও তাদেরকে দেশগঠনের উপযোগী করে তোলার কোনো পথ তখন ছিলো না। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রতিষ্ঠা ছিলো তৎকালীন সময়ের এক অনিবার্য দাবি। বাংলাদেশের আর্থসামাজিক, ধর্মীয়, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সামগ্রিক প্রেক্ষাপট এ ধরনের একটি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ অনিবার্য করে তোলে। এমতাবস্থায় দেশগঠনের জন্য সৎ, যোগ্য, মেধাবী, দক্ষ ও দেশপ্রেমিক নেতৃত্বের বিকাশ এবং ইসলামী সমাজ বিনির্মাণের মহান ও পবিত্র লক্ষ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঐতিহাসিক পথ পরিক্রমার সূচনা।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে পাহাড়সম ষড়যন্ত্র, জুলুম নির্যাতন ও নানামুখী অপপ্রচারের শিকার হয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। কোনো আদর্শবাদী দল ষড়যন্ত্র, নির্মম নির্যাতন ও ঘৃণ্য অপপ্রচারে সাময়িক অসুবিধায় থাকলেও চূড়ান্তভাবে এর যাত্রা অব্যাহত থাকে মঞ্জিলের দিকে। ছাত্রশিবিরকে তার যাত্রাপথে এ পর্যন্ত হাজারও বাধা মাড়িয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হয়েছে। ছাত্রশিবির যখন দেশের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আদর্শিক সৌন্দর্যের মাধ্যমে দেশের জনপ্রিয় ছাত্রসংগঠন হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে চলছিল ঠিক তখনই আদর্শিক লড়াইয়ে পরাজিতরা ঘৃণ্য পথে শিবিরের নেতাকর্মীদের ওপর নানামুখী নির্যাতন চালিয়ে তাদের বুলন্দ আওয়াজকে স্তিমিত করতে উদ্যত হয়। যখন খুন, গুম ও নির্যাতন করে এর গতি পথ শ্লথ করা যাচ্ছে না ঠিক তখন অপপ্রচারকে অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে অবলম্বন করে নিয়েছে পরাজিতরা। শিবিরকে বলা হয়েছে চেতনায় রাজাকার, রগকাটা, মৌলবাদী, অনাধুনিক ও স্বাধীনতাবিরোধী, সন্ত্রাসী, নাশকতাকারী ইত্যাদি! এসব অপপ্রচার চালাতে গণমাধ্যম ও প্রশাসনকে সবচেয়ে বেশি অপব্যবহার করেছে সরকার ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। ছাত্রশিবিরের দুর্দমনীয় উত্থানে ভীত হয়ে ছাত্রশিবিরের নিরপরাধ নেতাকর্মীদেরকে নাশকতার অভিযোগে অহরহ গ্রেফতার করে বোমা নাটক, অস্ত্র উদ্ধার নাটক সাজানো হয়েছে, যা ইতিহাসের এক জঘন্যতম মিথ্যাচার ছাড়া আর কিছু নয়। এমন অপপ্রচার অভিযুক্ত দলের পক্ষে প্রচারের সহায়ক ভূমিকা পালন করে। কারণ এমন ঘটনা যখন সাজানো হয় তখন ভুক্তভোগীদের আদর্শিক দৃঢ়তা আরও বেড়ে যায়, তারা তাদের যাত্রাপথে এগিয়ে যেতে আরও তীব্র শক্তি অনুভব করে। যারা এমন হটটক নিউজ পায় তারা উৎসুকের সাথে এমন খবরের আসল সত্য জানতে চেষ্টা করে, এ ক্ষেত্রে যুবকরাই উৎসুক হয়ে থাকে বেশি। শিবিরের বিরুদ্ধে প্রচারিত ঘৃণ্য ঘটনার অন্তরালে ডুবে আসল সত্য জানতে গিয়ে উৎসুকরা নিজেরা ছাত্রশিবিরের সমর্থক হয়ে যায়, তারা বুঝতে পারে এমন অসত্য প্রচার রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। আর যারা অসত্য ঘটনাকে রঙ রস মিশিয়ে প্রচার করার কাজে ব্যস্ত তারাও জানে এটি মিথ্যা, এ কাজ করা তাদের জন্য ঠিক নয়। কিন্তু
তাদের বিবেকবোধ লোপ পেয়েছে, তাই তারা মিথ্যাকে সত্যের প্রলেপে প্রচার চালাতে মোটেও দ্বিধা বোধ করে না। এসব মিথ্যা অভিযোগে হাজার হাজার মিথ্যা মামলা মোকদ্দমায় ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করে জেলে পুরেছে। শহীদ করা হয়েছে সংগঠনের প্রথম দুই কেন্দ্রীয় সভাপতি মীর কাসেম আলী ও কামারুজ্জামানসহ শত শত নেতাকর্মীকে। ছাত্রশিবির কর্মীদেরকে গ্রেফতার করতে গিয়ে অসংখ্য সন্দেহভাজন সাধারণ ছাত্রকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। যারা কখনোই ছাত্রশিবিরের সাথে যুক্ত ছিল না। তারা মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাবরণ করে। সময়ের ব্যবধানে ভিন্নমতের ছাত্ররাও ছাত্রশিবির সম্পর্কে অবগত হয় এবং অনেকে শিবিরে যোগ দিতেও দেখা গেছে। আলহামদুলিল্লাহ! ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে বাতিল শক্তি যে সকল অভিযোগ এনেছে তা বারবার মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। শত শত সাথীর লাশ কাঁধে নিয়ে, নির্যাতন নিপীড়নের স্টিম রোলারকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আদর্শের প্রতি অবিচল আস্থার এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে কাফেলাটি। শত ষড়যন্ত্র, বিরামহীন প্রোপাগান্ডা আর রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের মাঝেও বুক চেতিয়ে দাঁড়িয়ে থেকে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির বিশ্বের বুকে যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে তা বিরল।

শিক্ষা নিয়ে এখন জাফর ইকবাল গংদের ষড়যন্ত্র জাতির সামনে পরিষ্কার। জাতিকে কখনো নাস্তিক্যবাদের দিকে ধাবিত করার অপচেষ্টা কখনোবা মুশরিকি পৌত্তলিকতার পথে পরিচালিত করার ঘৃণ্য চক্রান্তের প্রতিবাদে সব সময় সরব ভূমিকা পালন করেছে ছাত্রশিবির। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সরকার শিক্ষাব্যবস্থায় নানারকম নিপীড়ণ চালিয়েছে। পাঠ্যপুস্তকে অনৈসলামিক উপাদানের অন্তর্ভুক্তিকরণ, দেরিতে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ, দলীয়করণ, ইতিহাস বিকৃতি ও জাতিকে স্বাধীনতার পক্ষ-বিপক্ষ ধুয়া তুলে বিভক্ত করার গভীর ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে শিবির সবসময় সোচ্চার ভূমিকা পালন করেছে। মিছিল, মিটিং, ছাত্রধর্মঘট, সমাবেশ বিক্ষোভ, ঘেরাও, লিফলেট, প্রচারপত্র বিতরণ ইত্যাদি কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে শিক্ষার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে ভূমিকা পালন করেছে এ সংগঠন। বাংলাদেশের মাদরাসা শিক্ষা বরাবরই অবহেলিত। সাধারণ প্রতিষ্ঠান ও মাদরাসার মধ্যে বিরাট ব্যবধান করে রাখা হয়েছে সবসময়। শিবির তার জন্মলগ্ন থেকেই মাদরাসা শিক্ষার এ বৈষম্য দূর করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং প্রতিবছর এর ধারাবাহিতা অক্ষুন্ন রয়েছে। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সমৃদ্ধ প্রকাশনা বিভাগ আধুনিক রুচিসম্মত এবং সামাজিক চাহিদানির্ভর বিভিন্ন প্রকাশনা সামগ্রী প্রকাশ করে সৃজনশীল প্রকাশনায় অনন্য ভূমিকা পালন করছে। তথ্যবহুল দাওয়াতি কার্যক্রম, উপহার আদান-প্রদান এবং সুস্থ বিনোদন চর্চায় শিবিরের প্রকাশনা সামগ্রী অনন্য। এই প্রকাশনা সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে- নববর্ষের চার প্রকারের তথ্যবহুল, গবেষণালব্ধ ও বৈচিত্র্যময় ক্যালেন্ডার; চার প্রকার ডায়েরি; বিভিন্ন বিষয়ে বহু রকমের কার্ড, ভিউকার্ড, স্টিকার, মনোগ্রাম, চাবির রিং ইত্যাদি প্রকাশনা সামগ্রী ছাত্রসমাজসহ সর্বস্তরের মানুষের কাছে একটি অকৃত্রিম সৌন্দর্যের প্রতীক। শিবিরের ক্যালেন্ডার, ডায়েরি দেশ ও বিদেশে ব্যাপকভাবে সমাদৃত। বিজ্ঞানসামগ্রী প্রকাশনায়ও ছাত্রশিবির প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে নিয়মিতভাবে। দেশে বিজ্ঞানশিক্ষার পশ্চাৎপদতা দূর করার জন্য ইসলামী ছাত্রশিবির প্রকাশ করেছে পদার্থ, রসায়ন ও জীববিদ্যার ওপর রেফারেন্স বই ও চার্ট পেপার। এ বইগুলো এসএসসি/দাখিল, এইচএসসি/আলিম ও ডিগ্রির প্রথম বর্ষের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য অনন্য ও অপরিহার্য শিক্ষাসহযোগী উপকরণ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। ছাত্র-ছাত্রীদের আগ্রহ, প্রয়োজন এবং একাডেমিক শিক্ষার যথার্থ তথ্য উপকরণ দিয়েই এই Understanding Science Series প্রকাশিত হয়েছে। অপসং-স্কৃতির সয়লাব থেকে ছাত্র ও যুবসমাজকে রক্ষা করে তাদেরকে ইসলামী মূল্যবোধে উজ্জীবিত করতে হলেও প্রয়োজন পরিশীলিত সংস্কৃতির আয়োজন। এ প্রয়োজনীয়তা থেকে সাহিত্য ও সাং-স্কৃতিক অঙ্গনে ছাত্রশিবিরের রয়েছে জোরালো পদচারণা। একটি দেশের রাজনৈতিক বিপ্লবের জন্য প্রয়োজন সাংস্কৃতিক বিপ্লব। এ দেশে ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে সফলতার দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যেতে শিবিরের রয়েছে নিজস্ব সাহিত্য সংস্কৃতির সমৃদ্ধ ভাণ্ডার।

জ্ঞানার্জন ও মেধা বিকাশের পাশাপাশি একজন ছাত্রকে মানসিক বিকাশের জন্য এবং তার মধ্যে সহজভাবে ইসলামের জীবনপদ্ধতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরার জন্য রয়েছে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। সাহিত্য-সংস্কৃতি মানেই অশ্লীলতা-বেহায়াপনা, পাশ্চাত্য ও ব্রাহ্মণ্যবাদের অন্ধ অনুকরণ- এই ধারণার পরিবর্তন করতে শিবির বদ্ধপরিকর। ইসলামী ছাত্রশিবির সে জন্যই ইসলামী সংস্কৃতির এক বিরাট জগত গড়ে তুলেছে। বাংলাদেশে ইসলামী সংস্কৃতির প্রতীকে পরিণত হয়েছে এবং ইসলামী সংস্কৃতির একটি নতুন ধারা তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।
হক ও বাতিলের দ্বন্ধ চিরন্তন। দিনের আলো যেমন পেঁচার সহ্য হয় না, তেমনি অসত্যের ধ্বজাধারীরাও সত্যকে মেনে নিতে পারে না। তারা মুখের ফুৎকারে হকের আলোকে নিভিয়ে দিতে সর্বদা তৎপর থাকে। এর ব্যত্যয় ঘটেনি প্রিয় কাফেলার ব্যাপারেও। অন্যায় ও অসত্যের ধারক-বাহকেরা সংগঠনটির যাত্রা শুরুর কয়েকদিনের মধ্যেই এর কণ্ঠকে চিরতরে নিস্তব্ধ করে দেওয়ার জন্য অপতৎপরতা শুরু করে। সম্পূর্ণ বিনা উস্কানিতে ১৯৮২ সালের ১১ মার্চ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মতিহার চত্বরে ইট দিয়ে নিষ্ঠুরভাবে মাথা থেতলিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করা হয় প্রিয় ভাই সাব্বির, হামিদ, আইয়ুব এবং জব্বারকে। সেই থেকে শুরু। রাশিদুল, শীশ মুহাম্মদ, আইনুল, আমিনুল, আসলাম, আসগর, শেখ আমানুল্লাহ, মুজাহিদ, শিপন, নোমানী-শতশত নিষ্পাপ সাথীর রক্তস্নাত এই কাফেলা। কোনো ঠুনকো দুনিয়াবি স্বার্থের কারণে আমাদের তরুণ প্রতিভাবান এই শহীদেরা তাদের মহামূল্যবান জীবন বিলিয়ে দেননি। তারা শাহাদতের সুমহান নজরানা পেশ করেছিলেন ইসলামী আদর্শের পূর্ণ বাস্তবায়ন এবং সুখী সমৃদ্ধ ইনসাফভিত্তিক একটি কল্যাণ ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মহান উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে। তাদের এই আত্মত্যাগ ব্যর্থ হতে পারে না। তাদের কোনো অপরাধ ছিল না; তারা কেবল একটাই স্বপ্ন লালন করতো আর তা হলো- আল্লাহর দ্বীনের বিজয়।

একটি দেশে তরুণ ছাত্রসমাজ হলো জাতি, সমাজ ও সভ্যতা-সংস্কৃতি বিনির্মাণের ভবিষ্যৎ কাণ্ডারি। এজন্য ছাত্রসমাজের মূূল্যবোধ, দেশপ্রেম ও নৈতিক মানদণ্ড অর্জনের ওপর দেশ ও জাতির অগ্রগতি নির্ভর করে; ক্ষেত্রবিশেষে অধগতিও। তাই জাতির প্রত্যাশা পূরণে নৈতিকতাসম্পন্ন দেশপ্রেমিক তরুণ্যের প্রয়োজন অপরিসীম। নানান সমস্যায় জর্জরিত বাংলা ভূখণ্ডের মানুষ প্রাচীনকাল থেকে বারবার স্বাধিকারের জন্য সংগ্রাম করে যাচ্ছে। সকল আন্দোলন ও সংগ্রামের লক্ষ্য ছিলো বাংলার সাধারণ মানুষের মুক্তির স্বাধীনতা। ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতাযুদ্ধের পাঁচ দশকেও দারিদ্র্য, দুর্নীতি, শোষণ ও সন্ত্রাসমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে ওঠেনি আজও। ভোটে জনগণের প্রতিনিধি নির্বাচনের কথা থাকলেও অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন এখনও অধরাই রয়ে গেছে। প্রচলিত গণতন্ত্র রয়ে গেছে কার্যত তাত্ত্বিক পর্যায়ে। সুশাসন তো দূরের কথা, সাংবিধানিক আইনের শাসনও প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে না। মানবাধিকার আজ ফাঁকা বুলিতে পরিণত হয়েছে; যার লঙ্ঘন মামুলি ব্যাপার। দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, দলীয়করণ, জবর দখলসহ নানান সব নেতিবাচক দিক আজ প্রাতিষ্ঠানিকতা লাভ করেছে যেন। বাকস্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এখন শৃঙ্খলিত। পরমত সহিষ্ণুতা গণতন্ত্রের একটি মৌলিক শর্ত হলেও তার বিকাশ রুদ্ধ হচ্ছে প্রতিনিয়ত। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের প্রকৃত দায়িত্ব পালনে যথাযথ ভূমিকা রাখছে না, বরং সেগুলো গণমানুষের প্রতিষ্ঠানের পরিবর্তে বিশেষ দলের অঙ্গসংগঠনে পরিণত হয়েছে। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে পরিশ্রমী কৃষক তাদের উৎপাদনের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে এসাইনমেন্টের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা চালুর ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার কবলে পড়ে মেধাবীদের মেধার যথার্থ মূল্যায়ন হচ্ছে না বরং দলীয় লেজুড়বৃত্তি বেড়ে চলেছে ক্রমশ। মাদকদ্রব্য ও নেশাজাত দ্রব্যের সহজলভ্যতা, পাশ্চাত্য সংস্কৃতির অন্ধ অনুকরণের ফলে মূল্যবোধ ও নীতি-নৈতিকতার সর্বগ্রাসী অবক্ষয় সমগ্র তরুণ সমাজকে বিপথগামী করছে। যার ধ্বংসাত্মক ফলাফল হিসেবে অব্যাহতভাবে ধর্ষণ-গণধর্ষণ প্রত্যক্ষ করছে জাতি। বাংলাদেশকে একটি সুখী-সমৃদ্ধশালী কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত করা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এখন একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে জাতির সামনে। এই চ্যালেঞ্জ তারাই মোকাবেলা করতে পারবে যাদের ইচ্ছাশক্তি সূর্যের মতো প্রখর, বিশ্বাস যাদের পাহাড়ের মতো অটল। বহু গুণে গুণান্বিত বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় অগ্রসেনানী।

জঙ্গী আর মৌলবাদী গালি, ক্রসফায়ারের নামে কাপুরুষিত হত্যাকাণ্ড কোনো আদর্শবাদী দলকে দমাতে পারে না; বরং বাতিলপন্থীদের এমন জীঘাংসা বাস্তবায়নের মনোভাবে হকপন্থী দলগুলোরই বিজয়ের ক্ষেত্র তৈরি করে। প্রশাসন এবং মিডিয়া ব্যবহার করে অন্যকে খুনি-সন্ত্রাসী-জঙ্গী আখ্যা দিলেই নিজেদের অপকর্ম আড়াল করে রাখা যায়না। কাক কাকের মাংস খায় না অথচ নিজেরা নিজেদের হত্যা করে, চেতনার কথা বলে মাতৃভূমির সম্পদ লুণ্ঠন করে- এমন দলগুলো আর যাই হোক নৈতিক বলে বলীয়ান হতে পারে না। তাদেও পতন হবেই; পক্ষান্তরে যারা পরস্পরের মধ্যে ‘বুনিয়ানুম মারছুস’ বা সীসাঢালা প্রাচীরের মতো সম্পর্ক তৈরি করেছে এবং আর্তমানবতার সেবায় সর্বস্ব উজাড় করে ঝাঁপিয়ে পড়ছে তারা কোনোদিনও ব্যর্থ হবেনা।

যে সংগঠন তরুণ-যুব-ছাত্রদের ইসলামের সুমহান আদর্শের দিকে আহ্বান করে, আদর্শ ও নৈতিকতার বলে বলীয়ান হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে সৎ ও যোগ্য করে গড়ে তোলার কর্মসূচী প্রদান করে তা বাস্তবায়নের জন্য সচেষ্ট, সেই সংগঠনের পথ রুদ্ধ করতে পারে এমন শক্তি বাতিলপন্থীদের নাই। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের বৃক্ষরোপণ অভিযান, ব্লাড-ডোনেশান, গরীব ছাত্রদের জন্য মেধাবৃত্তি, শিক্ষা ও শীতবস্ত্র বিতরণ, ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্পের মতো সামাজিক কাজ এবং স্বৈরাচার ও ফ্যাসিষ্ট সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী আন্দোলন সর্বশ্রেণির মানুষের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে। এসব কার্যক্রম সংগঠনটিকে সুসংহত এবং জনমানুষের আস্থার প্রতিকে পরিণত করেছে। টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া, রুপসা থেকে পাথুরিয়া পর্যন্ত পথহারা দিশেহারা মানুষ এই সুশৃঙ্খল সংগঠনটিকেই ভরসাস্থল হিসেবে গ্রহণ করেছে এবং সাধারণ ছাত্র জনতা ইসলামী ছাত্রশিবিরের পতাকাতলে আবদ্ধ হতে পেরে গর্ব অনুভব করছে। দেশের প্রতিটি জনপদের প্রতিটি গৃহের মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে পেরেছে সংগঠনটি। প্রতিটি গ্রাম-গঞ্জে, শহরে-নগরে গড়ে উঠেছে শিবিরের শক্তিশালী ঘাঁটি। শিবিরের প্রতি ভালোবাসা এদেশের মানুষের হৃদয়ে গ্রোথিত হয়েছে। শত শত হাজার হাজার আল্লাহর দ্বীনের সৈনিকেরা একই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য হাত-পা-চক্ষু বিলিয়ে আজও মানবেতর জীবনযাপন করছে এবং একটি সোনালী সময়ের প্রত্যাশায় দিনানিপাত করছেন। এ রকম শত হত্যা, নির্যাতন, নিপীড়ন আর পাশবিকতা উপেক্ষা করে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির তার দুর্গম যাত্রা অব্যাহত রেখেছে একটি সোনালী ভোরের প্রত্যাশায়। লাশের পর লাশের মিছিল মাড়িয়ে প্রিয় কাফেলা শাহাদতের রক্ত পিচ্ছিল পথ ধরেই ইনআশাল্লাহ একদিন তাদের কাক্সিক্ষত ঠিকানায় পৌঁছে; যাবে সেই দিন আর বেশি দূরে নয়। এই জমিনে শহীদ, পঙ্গু, আহত ও নির্যাতিতদের ত্যাগ ও কুরবানি একদিন কথা বলবেই; বাতিলের আঘাত, অত্যাচার, জুলুম এবং নিপীড়ন বুমেরাং হবেই হবে ইনশাআল্লাহ। এত খুন, এত শাহাদত ব্যর্থ হতে পারে না। কেননা তরুণ প্রজন্মের সিপাহসালাররা বুকের তপ্ত রক্ত দিয়ে প্রমাণ করেছেন বাতিলের সমস্ত মারণাস্ত্র তাদের কাছে তুচ্ছ। আমরা বিশ্বাস করি খুনের দরিয়া পাড়ি দিয়ে প্রিয় সংগঠন কাক্সিক্ষত বন্দরে নোঙ্গর করবে।

দেশ ও জাতির ঐতিহাসিক প্রয়োজনে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের পথ চলা শুরু হয়েছিল- যা এখনও দুর্বার গতিতে অব্যাহত রয়েছে। এই দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় অনেক ঘাত-প্রতিঘাত, চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে ইসলামী ছাত্রশিবির শুধু বাংলাদেশ নয়; পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ ইসলামী ছাত্র আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। এই সুদীর্ঘ ৪৬ বছরে সংগঠনটিকে পাড়ি দিতে হয়েছে বহু বন্ধুর পথ। অপপ্রচার, বিদ্রুপ, অপবাদ সব কিছু অতিক্রম করে শিবির আজ অপরাজেয় কাফেলায় পরিণত হয়েছে। শিবিরের তরুণ মেধাবী সিপাহসালারদের আত্মত্যাগ বৃথা যায়নি। ইনশাআল্লাহ একদিন বাংলাদেশসহ পুরো বিশ্বের অন্ধকার অমানিশা দূরিভূত করে ন্যায় ও সাম্যের বিজয়ী পতাকা উড্ডীন করবে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।

লেখক : সেক্রেটারি জেনারেল, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির

25/05/2023

আজ ২৫ মে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের
১২৪তম জন্মবার্ষিকী।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকীতে তাঁর প্রতি রইল
বিনম্র শ্রদ্ধা।

17/05/2023
21/03/2023

প্যারোগ্রীন_ফ্যালকন সর্বোচ্চ প্রায় 350 কিমি প্রতি ঘন্টা গতিতে বাতাসে উড়ে যেতে পারে।।

প্রচন্ড উচ্চতায় সর্বোচ্চ গতিতে উড়ে যাওয়ার সময়ে তাদের নাকের মধ্য দিয়ে যে গতিতে বাতাস প্রবেশ করে,, সেটা তাদের ফুসফুস ব্লাষ্ট করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।।

কিন্তু,, তাদের নাকের ঠিক ভিতরিভাগে হাড়ের একটা ট্যাপ দেওয়া রয়েছে।। যে ট্যাপের সাহায্যে তারা বাতাসের তীব্র গতিকে রুখে দিয়ে,, নিজেদের ফুসফুস তথা জীবন রক্ষা করে যেতে পারে।।

ঠিক একই টেকনোলজি ব্যাবহার করা হয়ে থাকে বিমানের ইঞ্জিনের ক্ষেত্রে।। বাতাসের তীব্র প্রেশার হতে বিমানের ইঞ্জিনকে সুরক্ষিত রাখতে প্যারোগ্রীন_ফ্যালকন টেকনলজি ব্যাবহার করা হয়ে থাকে।।

বিজ্ঞানের সমস্ত সাফল্য রহস্য,, সৃষ্টিকর্তার প্রতিটি সৃষ্টির মধ্যে অন্তর্নিহিত রয়েছে।।

কেবলমাত্র খুঁজে নিতে হবে !!

সৃষ্টিকর্তার প্রত্যেকটি সৃষ্টির মধ্যে রয়েছে নির্ভূল আর নিখুঁত ইঞ্জিনিয়ারিং।। আর,, তিনিই হলেন সমগ্র বিশ্ব-ব্রম্ভ্রান্ডের সর্বশ্রেষ্ঠ ইঞ্জিনিয়ার।।

© ❤️❤️❤️

Photos from Martyr's Memorial High School's post 12/02/2023

সাহিত্যে নামের সাদৃশ্য---
---------------
একাত্তারের দিনগুলি- জাহানার ইমাম,
একাত্তরের ডায়েরী (স্মৃতিকথা)- সুফিয়া কামাল,
একাত্তরের নিশান- রাবেয়া খাতুন,
একাত্তরের বর্ণমালা- এম. আর. আখতার মুকুল,
একাত্তরের বিজয়গাথা - মেজর রফিকুল ইসলাম,
একাত্তরের রণাঙ্গন- শামসুল হুদা চৌধুরী,
একাত্তরের যীশু- শাহরিয়ার কবির,
একাত্তরের চিঠি- গ্রামীনফোন- প্রথম আলো প্রকাশিত,

মরুভাস্কর (জীবনীগ্রন্থ)- মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী,
মরু-ভাস্কর (কাব্য), মরুসূর্য- কাজী নজরুল ইসলাম,
মরুসূর্য (কাব্য)- আ.ন.ম বজলুর রশীদ,
মরুচন্দ্রিকা (কাব্য)- কাজী কাদের নেওয়াজ,
মরুদুলাল (গদ্যগ্রন্থ)- গোলাম মোস্তফা,
মরুমায়া, মরুশিখা (প্রবন্ধ)- যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত,

দেনা পাওনা (ছোটগল্প)- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর,
দেনা পাওনা (উপন্যাস)- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়,

পদ্মগোখরো(গল্প)- কাজী নজরুল ইসলাম,
পদ্মরাগ (উপন্যাস)- বেগম রোকেয়া,
পদ্মা মেঘনা যমুনা (উপন্যাস)- আবু জাফর শামসুদ্দীন,
পদ্মা নদীর মাঝি (উপন্যাস)- মানিক বন্দোপাধ্যায়,
পদ্মাবতী (কাব্য)- আলাওল,
পদ্মাবতী (নাটক)- মাইকেল মধুসূদন দত্ত,
পদ্মাবতী(সমালোচনামূলক গ্রন্থ)- সৈয়দ আলী আহসান,

জননী (উপন্যাস)- মানিক বন্দোপাধ্যায়,
জননী (উপন্যাস)- শওকত ওসমান,

সাম্য (প্রবন্ধ)- বঙ্গিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়,
সাম্যবাদী (কবিতা সংকলন)- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর,

বন্দীর বন্দনা (কাব্য)-বুদ্ধদেব বসু,
বন্দী শিবির থেকে (কাব্য)- শামসুর রাহমান,

সঞ্চয়িতা (কাব্য সংকলন)- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর,
সঞ্চিতা (কাব্য সংকলন)- কাজী নজরুল ইসলাম,
সঞ্চয়ন (প্রবন্ধ সংকলন)- কাজী মোতাহার হোসেন,

শেষ পান্ডুলিপি- বুদ্ধদেব বসু,
শেষ লেখা(কাব্য), শেষ সপ্তক(কাব্য), শেষের কবিতা (উপন্যাস)- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর,
শেষ প্রশ্ন, শেষের পরিচয় (উপন্যাস)- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়,
শেষ বিকেলের মেয়ে (উপন্যাস)- জহির রায়হান,

ভাষা ও সাহিত্য (প্রবন্ধ)- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ,
ভাষা ও সাহিত্য(প্রবন্ধ)- ড. মুহম্মদ আব্দুল হাই,
ভাষার ইতিবৃত্ত (প্রবন্ধ)- সুকুমার সেন,
বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত (প্রবন্ধ)- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ,
বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত (প্রবন্ধ)- মুহম্মদ আব্দুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান,
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস(প্রবন্ধ ৪ খন্ড)- ড. কাজী দীন মুহম্মদ

Photos from Martyr's Memorial High School's post 25/01/2023

Scientific calculator use of wonderful technique.

Photos from Martyr's Memorial High School's post 02/01/2023

Intermediate ICT

16/11/2022

Find the missing number!

16/11/2022

✍️ ছাত্রজীবনেই ৪টি কাজ করুন ➤

✪ পাসপোর্ট যাদের নেই তারা ৫ বা ১০ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট করে ফেলুন।

✪একটা ব্যাংক আ্যকাউন্ট খুলে প্রতি মাসে অল্প অল্প করে সেভিংস করুন। এক্ষেত্রে ইসলামী ব্যাংকের স্টুডেন্ট আ্যকাউন্ট ভালো।

✪ একটা ইনকাম সোর্স তৈরি করুন বা এমন একটা দক্ষতা অর্জন করুন যা দিয়ে ইনকাম করা যায়।

✪ ম্যাথ এবং ইংরেজিতে দক্ষ হয়ে উঠুন।

একটা সময় এর গুরুত্ব অনুধাবন করতে পারবেন, ইনশাআল্লাহ।

- collected

Want your school to be the top-listed School/college in Lakshmipur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Lakshmipur
3731