27/06/2020
সংক্রমক রোগের ব্যাপারে ইসলাম কি বলে এবং আমাদের আকিদা কি? করোনার ব্যাপারে আবাক করা তথ্য
✅ Subscribe My Channel: https://www.youtube.com/channel/UC9Ax... Copyright Disclaimer: "Copyright Disclaimer Under Section 107 of the Copyright Act 1976, all...
01/05/2020
বেপর্দা মহিলার কবরের আযাব।🎙
ইমাম আবু বক্কর বিন আবিদ্দুনিয়া কবরের আযাব সম্পর্কে একটি ঘটনা বর্ণনা করেছেন। এ ঘটনাটি গিলগিট নামক অঞ্চলের।
এক ব্যক্তি কবরস্থানের কাছ দিয়ে যাচ্ছিল।লোকটি শুনতে পেল,যে কবরের ভেতর থেকে একটি আওয়াজ আসছে।আমাকে বের করো,আমি জীবিত। কয়েক বার এ আওয়াজ শোনার পর লোকটি মনে করলো এটা তার শোনার ভুল হতে পারে।
কিন্তুু যখন আরও কয়েক বার এ আওয়াজ শুনতে পেল তখন সে বুঝলো,এতো সত্যিই কবর থেকে আওয়াজ আসছে।
লোকটি পাশের গ্রামে গিয়ে মানুষদেরকে বললো যে,সে কবরের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় আমি কয়েকবার কবর থেকে কারও ডাক শুনতে পেলাম, কে যেন কবর থেকে বলছে আমাকে কবর থেকে বের করো। আমি জীবিত।
লোকটির এ কথা শুনে গ্রামবাসী আশ্চর্য হলো❗লোকটি বললো, চলো তোমরাও আমার সাথে কবরস্থানে যাবে। অতএব, গ্রামবাসী কবরস্থানে গেলো। তখন গ্রামবাসীও এ আওয়াজ শুনতে পেল।
সবাই এক কথার উপর বিশ্বাস হলো যে এ আওয়াজ কবরের ভিতর থেকেই আসছে। এখন সবাই নিজ কানে কবর থেকে এ আওয়াজ শোনার পর মহল্লার ইমামের কাছে গিয়ে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলো।
এখন এ অবস্থায় আমরা কি কবর খুরতে পারবো কিনা। ইমাম সাহেব সব কিছু বিস্তারিত শোনার পর বললেন,যদি এ কথা আপনাদের দৃঢ ভাবে বিশ্বাস হয় লোকটি জিন্দা তাহলে কবর খুরে দেখতে পারেন।
এরপর সাহসী কিছু লোক কবরস্থানে গিয়ে কবরটি খনন করলো। কবরের মাটি সরানোর পর যখনই একটা তখতা সরানো হলো। তারা দেখলো ভিতরে একজন মহিলা উলঙ্গ অবস্থায় বসে আছে।
আর তার কাফন পঁচে গেছে এবং মহিলা বলছে, জলদী আমাকে একটি কাপড় দাও। তাকে কাপড় দেয়া হলো। কবরের ভেতরে কাপড় দেয়ার পর মহিলা কাপড় পড়লো।
মহিলা মাথায় ভালো করে কাপড় দিয়ে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে কবর থেকে বের হলো। তারপর এক দৌড়ে নিজের বাড়িতে গিয়ে এক কক্ষে প্রবেশ করলো। পিছনে পিছনে লোকজনও এসে পৌছলো।
লোকজন এসে দেখলো কক্ষের দরজা বন্ধ, লোকজন মহিলাকে ডাকতে থাকলো দরজা খুলার জন্য। মহিলা জবাব দিলো দরজা খুলবো কিন্তুু যারা ভিতরে আসবে তারা কি আমার চেহারা দেখে ঠিক থাকতে পারবে❓
কেননা আমার যে অবস্থা, তা দেখে সহ্য করা সব মানুষের জন্য সম্ভব নয়। সুতরাং অত্যন্ত সাহসী কোনো লোক যদি থাকে, তাহলে যেনো ভিতরে এসে আমার অবস্থা অবলোকন করে।
মহিলার এ কথা শুনে সবাই ভয় পেয়ে গেলো। কয়েক জন লোক অত্যান্ত সাহসী ছিলো তারা বললো তুমি দরজা খুলো, আমরা ভিতরে আসবো।
মহিলা দরজা খুলে দিলো। লোকগুলো ভিতরে প্রবেশ করলো। ভিতরে মহিলা নিজেকে চাঁদর দ্বারা সম্পূর্ণ আবৃত করে বসেছিলো।
লোকগুলো ভিতরে প্রবেশ করার পর মহিলা প্রথমে নিজের মাথা থেকে চাঁদর সরিয়ে ফেললো। লোকগুলো মহিলার মাথায় কোনো চুল দেখতে পেলেন না। আর মাথায় কোন গোশতও নেই শুধু হাড্ডি।
লোকগুলো মহিলাকে জিজ্ঞেস করলাে, তোমার মাথার চুল কোথায়❓মহিলা জবাব দিলো, জিন্দা অবস্থায় আমি যখন ঘর থেকে বের হতাম তখন আমার মাথায় কোন কাপড় থাকতো না। লম্বা লম্বা চুল পর-পুরুষকে দেখিয়ে বেড়াতাম।
মৃত্যুর পর যখন আমাকে কবরে রাখা হলো, তখন ফেরেশতারা প্রথমে আমার মাথার চুলগুলো একটি একটি করে টেনে তুলে ফেললো। প্রত্যেকটি চুলের সাথে আমার মাথার চামড়া উঠে গেলো।সে কারণে আমার মাথায় চুলও নেই, চামড়াও নেই।
তারপর মহিলা, নিজের চেহারা থেকে চাঁদর সরালো লোকগুলো দেখলো মহিলার ভয়ংকর চেহারা। মুখে দাঁত ছাড়া আর কিছুই নেই। আর ঠোঁটের কোন অস্তিত্ব ছিলো না।
এ অবস্থায় শুধু দাঁতগুলো দেখা যাচ্ছিল। একবার ভেবে দেখুন। যদি কোন মানুষের মুখের দাঁত গুলো ছাড়া আর কিছুই না থাকে তাহলে কেমন ভয়ানক লাগবে দেখতে❓
এরপর লোকগুলো মহিলাকে জিজ্ঞেস করলো, তোমার ঠোঁট কোথায় ❓মহিলা জবাব দিলো আমার ঠোঁট লিপিষ্টিক দিয়ে রাঙ্গীয়ে পর - পুরুষের সামনে যাতায়াত করতাম। এর জন্যই শাস্তি স্বরুপ আমার ঠোঁট কেটে ফেলা হয়েছে।
তারপর মহিলা নিজের হাত দেখালো,পা দেখালো লোকগুলো দেখলো তার হাত ও পায়ের আঙ্গুলে কোন নখ নেই। মহিলাকে জিজ্ঞেস করলে, সে বললো, নখ পালিশ লাগিয়ে হাতের পায়ের আঙ্গুল গুলো রঙ্গীন করে পর পুরুষের সামনে যাতায়াত করতাম, তাই আমার হাত পায়ের নখ তুলে ফেলা হয়েছে।
মহিলা বললো,দেখুন আমি জীবিত অবস্থায় সেজে গুজে মানুষকে দেখাতাম, নিজেকে বেপর্দা করে পর-পুরুষের সামনে প্রদর্শন করতাম।যার শাস্তি আমার মৃত্যুর পর কবরে দেয়া হচ্ছে।
এ কথা বলে মহিলা অজ্ঞান হয়ে জমিনে পড়ে গেলো। দেখা গেল মহিলার প্রাণ নেই মৃত। এরপর দ্বিতীয় বার তাকে কবর দেয়া হলো।
মহান আল্লাহ্ তায়ালা এ ঘটনা দ্বারা এটাই দেখাতে চেয়েছেন যে দেখ, এ মহিলার কি করুন অবস্থা হয়েছে। যাতে দুনিয়ার মানুষ শিক্ষা গ্রহণ করে।
নিশ্চিত আমরা সবাই একদিন কবরবাসী হবো। আমাদের কবরে রাখা হবে।সাড়ে তিন হাত সে গর্তই আমাদের শেষ মনজিল। সে দিন আমাকে যখন দাফন করা হবে, আমাকে দাফন করতে আসা লোক গুলোকেও আমি দেখবো।
যখন তারা মাটি দেবে আমার কবরে। প্রিয়জনের কান্নার আওয়াজও কানে আসবে। কিন্তুু কিছুই বলার থাকবে না।দাফন করে যখন স্বজনরা চলে যাবে, তাদের পায়ের আওয়াজও কানে আসবে।
এরপর ফেরেশতাগণ আসবেন। আমার আমল অনুযায়ী আমার সাথে আচরণ করা হবে। দুনিয়ার জীবন খুবই সংক্ষিপ্ত। ঠিক নেই কোন সময় শেষ নিঃশ্বাস ফেলি। কখন আমার জানাযা উঠে যায় স্বজনদের কাঁধে।
আহ্❗আমাদের সমস্ত ইচ্ছা শ্রম সাধনার সমাপ্তি ঘটবে। আমার রক্ত পানি করা সম্পদ আমার সাথে যাবে না। সে সম্পদ আমার কোন কাজেও আসবে না।
কবি বলেন-
لا تثق في العالم يمر ،
لأنك ستموت فجأة.
تذكر الموت قادم ،
تذكر أن حياتك ستزول.
ক্ষণস্থায়ী জগতের প্রতি ভরসা করো না,
কারণ তুমি হঠাৎ মৃত্যুর শিকার হবে।
মৃত্যু আসবেই আসবে মনে রেখো,
তোমার প্রাণ চলেই যাবে মনে রেখো।
দুনিয়াতে শত বছরও যদি বেঁচে থাকো, কবরের মধ্যে একাকী কেয়ামত পর্যন্ত থাকবে।
কিমিয়ায়ে সায়াদাত কিতাবে ইমাম গাজ্জালী (রহ.) লিখেছেন, যখন গুনাহগার ব্যাক্তিকে কবরে দাফন করা হয়, তখন থেকেই তার কবরের আযাব শুরু হয়ে যায়। তখন তার প্রতিবেশী কবরবাসী মুরদাগণ বলতে থাকেঃ
হায়❗হতভাগা, তুমি আমাদের পরে দুনিয়া থেকে এসেছো, তুমি কি আমাদের মৃত্যু থেকে উপদেশ গ্রহণ করো নি❓ আমাদের আশা ছিলো আমাদের মৃত্যু তোমাদের জীবিতদের জন্য উপদেশ গ্রহণের সুযোগ হবে।
তাহলে তুমি এমনটি কেন করলে❓খালি হাতে কবরে কেন এলে❓মৃত্যু আমাদের আমল বন্ধ করে দিয়েছিলো।
কিন্তুু তোমার আমল করার তো সুযোগ ছিলো। আমরা যে নেকী করতে পারি নি তুমি কেন তা ছেড়ে এলে❓
30/04/2020
আলহামদুলিল্লাহ, দাওয়াতের উদ্দেশ্যে আমাদের এই চ্যানেলটি খোলা,
নিজে উপকৃত হন, এবং অন্যকে জানিয়ে দিয়ে উপকৃত করুন।
জাযাকাল্লাহ।
IBADAT
30/04/2020
সবাই দেখবেন। ইন শা আল্লাহ উপকৃত হবেন ।
তারাবীহ নামাজের আমল ও কিছু হাদিস । আলোচনায়ঃ মুফতি ইকবাল হোসাইন রহমানি
এই ভিডিওতে তারাবীহ নামাজ এর ব্যাপারে আলোচনা করা হয়েছে। এখানে রেফারেন্সসহ কিছু হাদিস উল্লেখ করা হয়েছে। কারো কো....