09/06/2025
A. Malek Institution (রেলওয়ে হাই স্কুল)
Secondary School. EIIN - 105856
09/06/2025
যারা উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেশ যেতে আগ্রহী তারা ইনবক্স করুন
বাংলাদেশের ৩৮ তম বিসিএস
বুয়েট- ৮২ জন
কুয়েট - ৬৪ জন
রুয়েট - ৫৯ জন ও
চুয়েট - ৫৫ জন প্রশাসন ক্যাডারে চাকরিতে প্রবেশ করেছেন।
এরা সবাই দেশের প্রথম সারির প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করে ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে চাকরি না করে আমলা হলেন। তাদেরকে প্রকৌশলী বানাতে সরকারের খরচ হয়েছে ১৫-২০ লক্ষ টাকা। আর আমলা বানানোর পড়ালেখার জন্য সমাজ বিজ্ঞান পড়তে হয়, যা পড়াতে খরচ হয় মাত্র ২-৩ লক্ষ টাকা। এত বেশি টাকা খরচ করে বিশেষায়িত পড়া পড়িয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ কাজে লাগানো জাতির জন্য ভালো লক্ষণ না।
ইঞ্জিনিয়ারগণ একটা দেশের সফলতার বড় শক্তি,
ইঞ্জিনিয়ার মানেই দক্ষ দেশ ও দক্ষ জনশক্তি গঠনের প্রধান চালিকাশক্তি। যেই দেশে যত দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার, সেই দেশ ঠিক ততটাই সফল এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ।
চীনকে কে উন্নত এবং ধনী করেছে ?
জাপানকে কে উন্নত এবং ধনী করেছে?
তাইওয়ানকে কে উন্নত এবং ধনী করেছে?
হংকংকে কে উন্নত এবং ধনী করেছে?
সিঙ্গাপুরকে কে উন্নত এবং ধনী করেছে?
দক্ষিণ কোরিয়াকে কে উন্নত এবং ধনী করেছে?
মালয়েশিয়াকে কে উন্নত এবং ধনী করেছে?
করেছে সেই দেশের ইঞ্জিনিয়ারগণ।
এমনকি ভারতের তামিল নাড়ু কর্ণাটক প্রদেশকেও উন্নত এবং এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় অবদান সেই দেশের ইঞ্জিনিয়ারগণের ।
পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি (লোক সংখ্যার দিক দিয়ে) ইঞ্জিনিয়ার চীনে। অর্থাৎ পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ইঞ্জিনিয়ার চীনে।
ফলাফল: পৃথিবীর মধ্যে এক নম্বর স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ চীন।
পৃথিবীর মধ্যে জনসংখ্যার (%) হারের দিক দিয়ে বেশি ইঞ্জিনিয়ার জাপানে,
জাপানের প্রতি ২০ জনের একজন ইঞ্জিনিয়ার ।
ফলাফল : পৃথিবীর প্রথম সারির স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশগুলোর একটি জাপান।
তাছাড়া পৃথিবীর প্রথম সারির উন্নত এবং ধনী দেশগুলোর একটিও তারা।
কিন্ত আমাদের দেশের ইঞ্জিনিয়ারগণ আর ইঞ্জিনিয়ার হতে চায় না, তারা চায় আমলা হতে।
তারা ইঞ্জিনিয়ার হয়ে কোথায় বাংলাদেশকে ওই চীন, জাপান, তাইওয়ান, হংকং, সিঙ্গাপুর, কোরিয়া,মালয়েশিয়ার মত এগিয়ে নেবে, তা না করে আমাদের ইঞ্জিনিয়ারগণ আমলা হয়ে ঘুষ খেয়ে ধনী হয়ে তারপরে অবসর নিয়ে শেষমেশ কানাডা লন্ডনে চলে যাবেন।
তারা অধিকাংশই ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে আমলা হতে চায়, কিন্ত ইঞ্জিনিয়ার হতে চায় না ! এ যেন ব্রেইন ড্রেনেজ। নেপালিয়ন যদি এখন বেঁচে থাকতেন তাহলে তিনি বাংলাদেশের পরিস্থিতি দেখে বলতেন আমাকে একটা বিসিএস দাও, আমি তোমাকে একটা ধ্বজভঙ্গ আমলাতান্ত্রিক দুর্নীতিবাজ দেশ
30/01/2022
মেয়েটা তো তালাকপ্রাপ্ত! ঐ মেয়ের তো স্বামী মারা গেছে! মেয়েটা কি ভালো হতে পারে?
তবে শুনে রাখো হে সমাজ, বিয়ে করলে বিধবা কিমবা তালাকপ্রাপ্ত নারীকেই বিয়ে করবো ইনশাআল্লাহ, যদি দ্বীনদার এরকম কোনো নারীর খোঁজ পাই!
সমাজ কে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে মনে করিয়ে দিবো, হে সমাজ! তোমরা যাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করো! অপমান কিমবা ঘৃণার চোখে দেখো... মনে করিয়ে দেই, আমাদের সবার প্রিয় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিন্তু বিধবা কিমবা তালাকপ্রাপ্ত নারীর স্বামী ছিলেন!
জান্নাতি চার নারীর একজন উম্মুল মুমিনিন হযরত খাদিজা বিনতে খুওয়াইলিদ রাযিয়াল্লাহু আনহা ছিলেন বিধবা নারী। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে বিয়ের পূর্বে তাঁর দুজন স্বামী মারা গিয়েছিলো এবং সে সকল স্বামীর সন্তানও ছিলো।
এছাড়া রাসূলুল্লাহ ﷺ এর অন্যান্য স্ত্রীগণ তথা উম্মুল মুমিনিন সাওদা বিনতে জামআ, হাফসা বিনতে উমার, জয়নব বিনতে খুযাইমা, উম্মে সালামা (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) ছিলেন বিধবা। রামালা বিনতে আবু সুফিয়ান, সাফিয়া বিনতে হুওয়াই (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) ছিলেন তালাকপ্রাপ্ত।
এবং জয়নব বিনতে জাহশ (রাযিয়াল্লাহু আনহা) ছিলেন বিধবা এবং তালাকপ্রাপ্ত।
রাসূল ﷺ এর আদরের দুই কন্যা রুকাইয়া বিনতে মুহাম্মাদ এবং উম্মে কুলসুম বিনতে মুহাম্মাদ (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) ছিলেন তালাকপ্রাপ্ত নারী। রুকাইয়া (রাঃ) এর প্রথম বিয়ে হয় উতবাহ ইবনে আবু লাহাবের সাথে এবং উম্মে কুলসুম (রাঃ) এর প্রথম বিয়ে উতাইবা ইবনে আবু লাহাবের সাথে হয়েছিলো। পরবর্তীতে হযরত উসমান ইবনে আফ্ফান রাযিয়াল্লাহু আনহু এর সাথে যথাক্রমে রুকাইয়া এবং উম্মে কুলসুম (রাঃ) এর বিয়ে হয়, যে কারনে তাকে জিন্নুরাইন বলা হয়ে থাকে। অর্থাৎ দুই নূরের অধিকারী।
শুধু কি তাই? ইসলামের ইতিহাস ঘেটে দেখুন, অনেক সাহাবি শুধুমাত্র সওয়াবের নিয়তে এই আশায় থাকতেন, কোনো বিধবা কিংবা তালাকপ্রাপ্ত নারী আছে কিনা যাকে বিয়ে করা যায়।
নবী ও সাহাবিরা যেখানে বিধবা ও তালাকপ্রাপ্ত নারীদের সম্মান দিয়েছেন, বিয়ে করে তাদের নিরাপত্তা ও নিরাপদ জীবন দিয়েছেন। সেখানে আমাদের সমাজে তালাকপ্রাপ্ত কিংবা বিধবা নারীদের খারাপ চোখে দেখার প্রবণতা কি ঈমান নষ্টের কারণ নয়? যেখানে রাসূলের (ﷺ) স্ত্রীগণ ছিলেন বিধবা কিমবা তালাকপ্রাপ্ত, সেখানে স্বামীর মৃত্যুর কারণে কিংবা তালাক হওয়ার কারণে কোনো মেয়েকে অপয়া, অলক্ষ্মী, চরিত্রহীন বলে গালি দেওয়া কি গোনাহের কাজ নয়?
আসুন, একটা হাদিসের গল্প শোনানো যাক! হাদিসটি প্রায় সব হাদিসগ্রন্থে বর্ণনা করা হয়েছে।
যাবির ইবনে আব্দুল্লাহ রাযিয়াল্লাহু আনহু কে একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন, ‘তুমি কেমন নারীকে বিয়ে করেছো? কুমারী নাকি পূর্বে বিবাহিতা?’
যাবির (রাঃ) বললেন, ‘বিধবা নারী কে বিয়ে করেছি ইয়া রাসূলুল্লাহ।’ (কোনো বর্ণনায় তালাকপ্রাপ্ত নারী)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, ‘তুমি কেন কুমারী নারীকে বিয়ে করলে নাহ!? তুমি চাইলে তার সাথে খেলতে পারত, আমোদ-স্ফুর্তি করতে পারতে। সে তোমার সাথে খেলতে পারতো, আমোদ-স্ফুর্তি করতে পারতো!’
যাবির (রাঃ) বললেন, ‘আমার পিতা আব্দুল্লাহ অনেকগুলো কন্যা সন্তান রেখে শহীদ হয়েছেন। তাই আমি তাদের মতই কুমারী মেয়ে কে বিয়ে করা পছন্দ করিনি। আমি পূর্বে বিবাহিতা মেয়েকে বিয়ে করেছি, কারন তিনি যেন আমার বোনদের দেখাশোনা করতে পারেন। তাদের দোষত্রুটি সংশোধন করে দিতে পারেন।’
তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কি বলেছিলেন জানেন, বলেছিলেন, ‘যাবির, তুমি উত্তম কাজটাই করেছো। আল্লাহ তোমায় বরকত দান করুক। আল্লাহ তোমার কল্যাণ করুক।’
সর্বশেষ আরেকটা হাদিস,
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন,
“বিধবা ও মিসকীনের প্রতি অনুগ্রহকারী লোক আল্লাহর রাস্তায় জিহাদকারী লোকের পর্যায়ভুক্ত। বর্ণনাকারী বলেন, আমার মনে হয় তিনি এটাও বলেছেন যে, ঐ লোক অক্লান্ত সলাত আদায়কারী ও অনবরত সিয়াম সাধনাকারী ব্যক্তির পর্যায়ভুক্ত।”
(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ)
—শাহীন (একজন প্র্যাক্টিসিং মুসলিম)
নোট- আমার পোস্টের উদ্দেশ্য বিধবা বা তালাকপ্রাপ্ত দ্বীনদার নারীদের কে বিয়ে করায় অনুপ্রানিত করা।
সরকারী চাকরি নয়, দ্বীনদার কর্মঠ পাত্রই "সোনার হরিণ"। কারণ সে দুনিয়াতে প্রশান্তি এবং চিরস্থায়ী জান্নাত লাভের প্রধান সহযোগী হবে!
মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামী ২৩ থেকে ২৭ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকাশ হতে পারে।
স্ত্রীর বেপর্দা ছবি আপলোড করলেন, যতজন ছবিটি দেখবে, সব গোনাহের একটি কপি আপনার আমলনামায় চলে আসবে! মৃত্যুর পরেও আসতেই থাকবে!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Laksam (লাকসাম), Cumilla
Laksham
3570
Opening Hours
| Monday | 10:00 - 16:00 |
| Tuesday | 10:00 - 16:00 |
| Wednesday | 10:00 - 16:00 |
| Thursday | 10:00 - 16:00 |
| Saturday | 10:00 - 16:00 |
| Sunday | 10:00 - 16:00 |