আলহামদুলিল্লাহ, ঈদুল আযহা উপলক্ষে নাসীহা ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় এবং আদ-দাওয়াহ অর্গানাইজেশনের পক্ষ থেকে কুষ্টিয়া জেলার ১৭টি নওমুসলিম পরিবারের মাঝে কুরবানির গোস্ত পৌঁছে দেয়ার আনন্দঘন কিছু মুহূর্ত
Ad-Dawah Organization
একটি দাওয়াহ, শিক্ষা ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠান
27/05/2026
🌙 ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা 🌙
আদ-দাওয়াহ অর্গানাইজেশনের পক্ষ থেকে
সকলকে জানাই পবিত্র ঈদুল আযহার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ।
✨ ঈদ মুবারক ✨
EID MUBARAK
تَقَبَّلَ اللّٰهُ مِنَّا وَمِنْكُمْ صَالِحَ الْأَعْمَالِ
“আল্লাহ তাআলা আমাদের ও আপনাদের সকল নেক আমল কবুল করুন।”
পবিত্র ঈদুল আযহার শিক্ষা হোক—
ত্যাগ, তাকওয়া, ভালোবাসা ও মানবতার কল্যাণে আত্মনিবেদন।
🤍 সবাইকে জানাই শান্তি, সমৃদ্ধি ও রহমতে ভরপুর একটি সুন্দর ঈদের শুভকামনা।
আদ-দাওয়াহ অর্গানাইজেশন
মানবসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনায় এক বিশ্বস্ত নাম
20/05/2026
প্রেমে পড়ে ধর্মান্তরিত, একসঙ্গে শেষ একটি পরিবার
মাদারীপুরে সৎমায়ের ভাড়া বাসা থেকে এক দম্পতি ও তাদের শিশুসন্তানের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় প্রাথমিক রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, মানসিক বিপর্যয়ের কারণে স্বামী প্রথমে স্ত্রী ও সন্তানকে হত্যা করেন এবং পরে নিজে আত্মহত্যা করেন।
এর আগে গত রবিবার রাত আড়াইটার দিকে মাদারীপুর শহরের আমিরাবাদ এলাকা থেকে স্বামী-স্ত্রী ও সন্তানের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতরা হলেন মাদারীপুর সদর উপজেলার কলাগাছিয়া এলাকার যতীন শিকদারের ছেলে চিন্ময় শিকদার (২৮), তার স্ত্রী ইশা শিকদার ওরফে ইশরাত জাহান (২২) এবং তাদের আট মাস বয়সী মেয়ে জেনি। মঙ্গলবার (১৯ মে) বেলা ১টার দিকে মাদারীপুরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের মর্গ থেকে নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
চিন্ময়ের বাবা যতীন শিকদারকে ইতালি প্রবাসী বলা হলেও পুলিশ তা ভুয়া বলে দাবি করেছে। পুলিশের ভাষ্য, যতীন শিকদার পেশায় ওঝা এবং একটি অপহরণ মামলার পলাতক আসামি। তার দ্বিতীয় স্ত্রী মিষ্টি শিকদার ওরফে মিষ্টি আক্তার (২৪) তিন বছর ধরে মাদারীপুর শহরের আমিরাবাদ এলাকার একটি ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতেন।
রবিবার বিকালে চিন্ময় স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে সৎমা মিষ্টির ভাড়া বাসায় ওঠেন। সন্ধ্যায় মিষ্টি বাজার করতে বাসা থেকে বের হন। রাত ৯টার দিকে তিনি ফিরে এসে চিন্ময় ও তার স্ত্রীকে ডাকাডাকি করেন। দুই ঘণ্টার বেশি সময় কোনও সাড়া না পেয়ে তার সন্দেহ হয়। পরে তিনি ৯৯৯-এ নম্বরে ফোন করে পুলিশকে খবর দেন। রাত ২টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে। এ সময় চিন্ময় ও তার শিশুকন্যাকে ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় এবং তার স্ত্রী ইশাকে বিছানায় মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। পরে পুলিশ তিন জনের মরদেহ উদ্ধার করে মাদারীপুর জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ফারিহা রফিক বলেন, ‘স্বামী-স্ত্রী ও সন্তানের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় আমরা প্রাথমিকভাবে রহস্য উদঘাটন করেছি। প্রথমে চিন্ময় তার স্ত্রীকে হত্যা করেন। কারণ চিন্ময় তার স্ত্রীকে নিয়ে খুবই ডিপ্রেশনে ছিলেন। তার ফোনে আমরা কিছু কনভারসেশন দেখেছি। তার স্ত্রীর পেছনে চিন্ময় ১৪ লাখ টাকা খরচ করেছেন। তারপর তার স্ত্রী আইসিইউতেও ছিলেন। চিন্ময় কিছুই করতেন না। বাবার কাছ থেকে টাকা নিয়েই তিনি সংসার চালাতেন। এখানে চিন্ময়ের স্ত্রী ইশা এবং তার বাবার দ্বিতীয় স্ত্রী মিষ্টি দুজনই ধর্মান্তরিত হয়েছেন। এ কারণে পরিবার তাদের ত্যাজ্য করেছে।’
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, ‘মিষ্টির সংসার চালাতে টাকার দরকার হলে তিনি তার স্বামীর বড় ছেলে চিন্ময়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন। এখানে মিষ্টির সঙ্গে চিন্ময়ের কোনও অনৈতিক সম্পর্ক নেই। চিন্ময় তার স্ত্রীকে নিয়েই খুব ঝামেলার মধ্যে ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি জটিল কিছু রোগে ভুগছিলেন। গত বুধবার তারা ঢাকা থেকে চিকিৎসা নিয়ে মাদারীপুরে আসেন। চিন্ময় নিজেও তার বাবা ও ছোট ভাই জয়ের সঙ্গে একটি অপহরণ মামলার আসামি। তাই তিনি গ্রেফতারের ভয়ে নিজ বাড়িতে থাকতেন না। এসব কারণে হত্যাকাণ্ড ঘটে।’
পুলিশ জানায়, ইশা শিকদারকে তিন বছর আগে ধর্মান্তরিত করা হয়। তার আগের নাম ছিল ইশরাত জাহান। তিনি নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার এরশাদ মিয়া ও শিউলি বেগম দম্পতির মেয়ে। চিন্ময়ের ফাঁদে পড়ে ধর্মান্তরিত হওয়ার পর থেকে পরিবারের সঙ্গে তার কোনও যোগাযোগ ছিল না। অন্যদিকে মিষ্টি শিকদারকেও চিন্ময়ের বাবা যতীন শিকদার ফাঁদে ফেলে ধর্মান্তরিত করেছে। এভাবেই প্রতিনিয়ত প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্মান্তরিত করে হয় ভারতে পাচার করে দিচ্ছে আর না হয় দেশেই এভাবে মেরে ফেলছে হি ন দু রা।
Ad-Dawah Organization
10/05/2026
ঐতিহ্যবাহী ইসলামী পরিভাষা ব্যবহার করে মুসলিমদেরকে খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তর করার মিশনারি কার্যক্রম এখন কোনো রাখঢাক ছাড়াই দেদারসে চলছে।
এই প্রক্রিয়া নিশ্চয় প্রতারণা। এবং নিজেদের ধর্মীয় দেউলিয়াপনার নিকৃষ্ট নজির।
কোরআন হাদিসের নকশা চুরি করে হুবহু মুসলিম নকশারীতি সেঁটে দিয়ে ধর্মের প্রচার কেন ধোঁকাবাজি নয়?
বছর পাঁচেক আগে সম্ভবত মালয়েশিয়ায় এধরনের প্রচারপদ্ধতি নিয়ে মুসলিম সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
বাংলাদেশেও এ বিষয়ে ভাবার দরকার। তবে বিড়ালের গলায় ঘন্টা বাঁধবে কে?
আলহামদুলিল্লাহ
উজ্জ্বল দাস এখন আব্দুল্লাহ জুবায়ের
তারিখ: ০৩/০৫/২০২৬ রবিবার
মুসলিম থেকে খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহন করে কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এর ইলেক্ট্রনিকস ৭ম পর্বের নাইমুজ্জামান নাইম সহ পুরো পরিবার। তবে এতদিন মুসলিম পরিচয়ে থাকতো।
তার বাবা আনিস বিশ্বাস কয়েক বছর আগে খ্রিস্টান মিশনারিদের চক্রান্তে ইসলাম ধর্ম পরিত্যাগ করে খ্রিস্টান হয়ে যায়। তার ভুলভাল অপপ্রচার এবং প্রলোভনে কুষ্টিয়া সহ বিভিন্ন জায়গায় অনেক সরলমনা মুসলিম ইসলাম ছেড়ে খ্রিস্টান হয়ে গিয়েছে। এর বিনিময়ে আনিস বিশ্বাস খ্রিস্টান মিশনারিদের থেকে বিপুল পরিমাণ ডোনেশন পায়।
এতদিন পরিচয় গোপন রেখে মুসলিমদের ধোঁকা দিয়ে মুসলিমদের মধ্যে মিশে গোপনে তাদের অপতৎপরতা চালিয়ে গিয়েছে। এমনকি আনিস বিশ্বাস তার ছেলে নাইমুজ্জামান নাইমকে পরিচয় গোপন রেখে এলাকার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের মেয়ের সাথে বিয়ে দিতে যায়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় এলাকাবাসী তাদের পুলিশে সোপর্দ করলেও প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি উপরন্তু উপস্থিত কিছু স্থানীয় মুসলিমদের ঘটনার সমাধান করার আশ্বাস দিয়ে থানায় ডেকে নিয়ে যায়। থানায় নিয়ে গিয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি মোঃ কবির হোসেন মাতুব্বর স্থানীয় সেসকল মুসলিমদের প্রচণ্ড শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতন চালায়। দীর্ঘ ০৯ ঘন্টা জেলে বন্দি করে রাখে। যা প্রচলিত আইনবিরোধী।
পরবর্তীতে কুষ্টিয়া ডিসি কোর্টে, এডিসি, এসপি, ওসি, বিএনপি, জামায়াত, আইনজীবি সহ বৈষম্যবিরোধী সহ সব স্তরের মানুষজন উপস্থিত হয়ে সবার বিষয়টি সমাধান করেন। সবার সামনে তারা স্বীকার করে তারা খ্রিস্টান ধর্মের অনুসারী এবং আটককৃত মুসলিমদের মুক্তি দেয়া হয়।
01/05/2026
সাবধান! মিশন স্কুলের আড়ালে খ্রিস্টান মিশনারিদের চক্রান্তের ফাঁদ!
আপনার সন্তানের শিক্ষার ব্যাপারে সচেতন হওয়া শুধু দুনিয়াবি দায়িত্ব না—এটা একটি ঈমানি দায়িত্বও।
বর্তমানে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মিশন স্কুল নামের যে প্রতিষ্ঠানগুলো আছে, সেগুলো খ্রিস্টানদের আদর্শ ও দৃষ্টিভঙ্গির ভিত্তিতে পরিচালিত। এসব প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনার পরিবেশ, মূল্যবোধ ও সাংস্কৃতিক প্রভাব—সবকিছুই একটি শিশুর চিন্তা ও পরিচয় গঠনে ভূমিকা রাখে। খ্রিস্টান মিশনারিরা এই মিশন স্কুলে শিক্ষার আড়ালে ধীরে ধীরে কোমলমতি শিশু-কিশোরদের মন ও মস্তিষ্কে খ্রিস্টান ধর্মের বীজ বোপন করে যাচ্ছে! এভাবেই আমাদের সন্তানদের ঈমানের আলোটুকু ছিনিয়ে নিচ্ছে।
একজন মুসলিম অভিভাবক হিসেবে আমাদের ভাবা দরকার—
আমাদের সন্তান যে পরিবেশে বড় হচ্ছে, তা কি তার ঈমান, আকীদা ও ইসলামী পরিচয়কে শক্তিশালী করছে, নাকি ধীরে ধীরে দুর্বল করে দিচ্ছে?
অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, বাহ্যিকভাবে ইসলামী পরিচয় (যেমন হিজাব, পর্দা, নামাজ) বজায় থাকলেও, ভেতরে ভেতরে চিন্তা ও দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন চলে আসে—যা আমরা সহজে বুঝতেও পারি না।
তাই সন্তানকে কোথায় পড়ানো হচ্ছে, কী শেখানো হচ্ছে, কাদের প্রভাবের মধ্যে সে বড় হচ্ছে—এসব বিষয়ে সচেতন হওয়া খুবই জরুরি।
আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত— সন্তান যেন শুধু ভালো ছাত্র না, বরং দৃঢ় ঈমান ও সঠিক পরিচয়ের একজন মুসলিম হিসেবে গড়ে ওঠে। নয়তো আপনার সন্তানের দুনিয়া এবং আখিরাত উভয়ই নষ্ট হবে।
-
Ad-Dawah Institute
মসজিদের ইমাম সেজে খ্রিস্টান মিশনারী চক্রের ভয়ংকর ফাঁদ
নওমুসলিম কুষ্টিয়া
বিষ্ণু থেকে আবু দাউদ
আল্লাহ কবুল করুন
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
বউ বাজার, জামতলা মোড়, কুষ্টিয়া সদর, কুষ্টিয়া।
Kushtia
7000