20/02/2018
হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নতুন চেয়্যারমান Abdus Shaheed Miah স্যারকে ডিপার্টমেন্টের সকল শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন।
স্যারের বলিষ্ঠ এবং গতিশীল নেতৃত্বে আমাদের প্রাণের বিভাগ আরো এগিয়ে যাবে এবং জব মার্কেটে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর AIS ডিপার্টমেন্টের সাথে প্রতিযোগিতায় প্রথমসারিতে থাকবে, এই প্রত্যাশাই করছি।
স্যারের জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা রইলো।
21/11/2017
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ অনার্স (স্নাতক) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় প্রতি আসনের বিপরীতে লড়বে ৩৮ জন ভর্তিচ্ছু।
ভর্তি পরীক্ষায় ২২৭৫টি আসনের বিপরীতে ৮৭ হাজার ১শত ৩৫টি আবেদপত্র জমা পড়েছে।
এ ইউনিটে ২৪০ আসনের বিপরীতে ২ হাজার ৮২টি, বি ইউনিটে ৪২০ আসনের বিপরীতে ১৪ হাজার ৩শত ৯৮ টি, সি ইউনিটে ৩৭৫টি আসনের বিপরীতে ১৭ হাজার ৪ শত ৩৫টি, ডি ইউনিটে ২৫০টি আসনের বিপরীতে ১৬ হাজার ৬ শত ৪৬টি, ই ইউনিটে ২০০টি আসনের বিপরীতে ১২ হাজার ৯শত ৬৬টি, এফ ইউনিটে ১০০টি আসনের বিপরীতে ৩ হাজার ৭ শত ৫৯টি, জি ইউনিটে ৪৫০টি আসনের বিপরীতে ৯ হাজার ১শত ১৮টি এবং এইচ ইউনিটে ২৪০টি আসনের বিপরীতে ১০হাজার ৭শত ৩১টি আবেদনপত্র জমা পড়েছে।
15/11/2017
ভর্তিযুদ্ধে প্রাণপন লড়াইরত দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তিচ্ছুক প্রিয় বন্ধুরা! নিশ্চয়ই তোমরা এখন পড়াশুনা নিয়ে খুবই ব্যস্ত। লেখাপড়ার চাপে তোমরা কেউই ক্যারিয়ার নিয়ে ভাববার সময় পাও নাই, যা তোমাকে পরবর্তী জীবনে চাকরির প্রতিযোগিতায় জয়লাভ করতে সাহায্য করবে। তবে যুগ উপযোগী এবং চাহিদাসম্পন্ন বিষয় ব্যবসায় প্রশাসন শিক্ষা। দেশ ও বিদেশের চাকরির বাজারে এখন ব্যবসায় প্রশাসনে ডিগ্রিধারীদের চাহিদা ব্যাপক। সেই অর্থে এই সময়েই নিতে হবে ক্যারিয়ার গড়ার সিদ্ধান্ত যা তোমাকে পরবর্তী জীবনে চাকরির বাজারে প্রতিযোগিতায় জয়লাভ করতে সাহায্য করবে। প্রতিযোগিতামূলক এই বিশ্বে পেশার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ এই বিষয়ে পড়ে তোমরাও গড়তে পারো সফল ক্যারিয়ার। তোমরা জানো আগামী ১ ডিসেম্বর স্বাধীন দেশের সর্বপ্রথম দেশের প্রথম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তাই যারা ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদে পড়তে চাও, তাদের জন্য ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের কিছু তথ্য নিচে দেয়া হল।
#ব্যবসায়_প্রশাসন_অনুষদ:
১৯৮৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর যুগোপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা এবং অন্যান্য সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে তাল মিলাতে ইবির ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ প্রতিষ্ঠা লাভ করে। বর্তমানে এই অনুষদের অধিনে ৬ টি বিভাগ চালু রয়েছে। বর্তমানে এই অনুষদের ডিনের দায়িত্ব পালন করছেন হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী আখতার হোসেন। বিভাগগুলো হলো হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগ, ব্যবস্থাপনা বিভাগ, ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগ, মার্কেটিং বিভাগ এবং সদ্য চালু হওয়া হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট ও ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ। এই অনুষদের মোট আসন সংখ্যা ৪৫০ টি।
#হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগ:
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় যে ৪ টি বিভাগ নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগ তার মধ্যে অন্যতম। ১৯৮৫-৮৬ শিক্ষাবর্ষে এ বিভাগ যাত্রা শুরু করে। এই বিভাগের শিক্ষার মাধ্যম ইংরেজি। বর্তমানে বিভাগের সভাপতির দ্বায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করে যাচ্ছেন অধ্যাপক ড. শেলীনা নাসরিন। বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মো: শাহজাহান আলী বর্তমানে রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিভাগে বর্তমান ১১ জন অধ্যাপক দায়িত্বশীলতা ও কর্মউদ্দীপনার সহিত শিক্ষার্থীদের পাঠদান করে আসছেন।
#ব্যবস্থাপনা বিভাগ:
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সূচনালগ্নে ১৯৮৫-৮৬ শিক্ষাবর্ষে এ বিভাগের কার্যক্রম শুরু হয়। এই বিভাগের শিক্ষার মাধ্যম ইংরেজি। বর্তমানে বিভাগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন অধ্যাপক ড. রুহুল আামিন। এ বিভাগে বর্তমান ৮ জন অধ্যাপক, ৩ জন সহযোগী অধ্যাপক ও ৪ জন সহকারী অধ্যাপক অধ্যাপনায়রত আছেন।
#ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগ:
২০০৯-১০ শিক্ষাবর্ষ থেকে এ বিভাগের কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে বিভাগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন সহকারী অধ্যাপক সুতাপ কুমার ঘোষ। বর্তমানে বিভাগে ৫ জন সহকারী অধ্যাপক ও ১ জন প্রভাষক পদে দায়িত্বরত আছেন।
#মার্কেটিং বিভাগ:
বর্তমান চাকুরির বাজারের চাহিদা মোতাবেক ও বিভাগের সার্বিক গুনগতমানের বিবেচনা করে ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে উক্ত অনুষদে মার্কেটিং বিভাগ চালু করা হয়। বর্তমানে বিভাগে সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন অধ্যাপক ড. জাকারিয়া রহমান।
এছাড়া এবার ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে আরো যুগোপযোগী ও দেশের বর্তমান চাকুরির বাজারের চাহিদানুযায়ী শিক্ষার্থীদের মানসম্মত জ্ঞানলাভের অন্যতম পাথেয় হিসেবে সদ্য চালু হওয়া ইবির ৮ টি বিভাগের মধ্যে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের অধীন হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট ও ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি বিভাগ চালু করা হয়েছে। ইতোমধ্যে হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. কাজী আখতার হোসেন ও ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি বিভাগে অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আরফিনকে সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ থেকে প্রায় ১৫ হাজার শিক্ষার্থী বিবিএ এবং এমবিএ ডিগ্রী লাভ করেছে। এছাড়া প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী এমফিল ও পিএইচডি ডিগ্রী লাভ করেছে।
#চাকুরির_ক্ষেত্রে_সুবিধাসমূহ:
ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীরা সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, উন্নয়ন সংস্থায় উন্নত ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ রয়েছে।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীরা দেশের বিভিন্ন প্রশাসনিক পদে দায়িত্বরত আছে। এছাড়া দেশ বিদেশের বিভিন্ন ব্যাংক, বীমা, মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে সাফল্য দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. কাজী আখতার হোসেন বলেন, আমরা শিক্ষার্থীদেরকে একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রশিক্ষন দিয়ে থাকি যাতে তারা চাকরির বাজারে উপযোগী হয়ে গড়ে উঠতে পারে। আমার জানা মতে এখানে পড়ে কেউ সাধারনত বেকার থাকেনা। এই অনুষদে পড়ে অনেকেই ব্যাংক-বীমা ও দেশের বিভিন্ন বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ পদে কর্মরত আছে। তাই ভর্তিচ্ছুরা ক্যারিয়ার গড়তে এই অনুষদে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে।
23/06/2017
পাবলিক ভার্সিটির গল্প.......
পাবলিক ভার্সিটির ছেলেমেয়েরা পড়াশুনা করে ,রাজনীতি করে , প্রেমও করে । তারা একই সাথে রাজনৈতিক গুন্ডাও হয় আবার ট্যালেন্টেড স্টুডেন্টও হয় । রাতের বেলা মারামারি করে সকাল বেলা পরীক্ষা দিতে যায় ।
এরা বাসের ভিড়ে দাঁড়িয়ে যেতেও অভ্যস্ত ,আবার গাড়ির সিটে ভাব নিয়ে বসতেও পটু ।
চটি জুতায় বছর পার করে ,আবার স্নিকার্স পড়ে কুল হ্যান্ডসাম ডিউড সাজতেও এদের জুড়ি মেলা ভার ।
হলের পচা খাবার খেয়েও অভ্যস্ত । আবার দামী রেস্টুরেন্টের ফাস্টফুডও পেটে হজম হয় ।
এখানকার হলে প্রতি রাতে গল্প তৈরি হয় ।
অনুপ্রেরনার গল্প , সম্ভাবনার গল্প , রিলেশন ব্রেকাপ হওয়ার গল্প । পরিবার ছেড়ে দুরে থাকার গল্প । সবাই মিলে একসাথে বাসি মুড়ি খাওয়ার গল্প । রাত জেগে তাস পেটানোর গল্প ।
অসাধারন বন্ধুত্ব আর অপরিসীম শত্রুতা দুইটাই পাবেন এখানে ।
ইন্টারে ডবল এ প্লাস পেয়ে ক্যাম্পাসে এসে সেকেন্ড ক্লাস পাওয়া ছেলে যেমন পাবেন একই ভাবে দুইটা এ মাইনাস পেয়ে ক্যাম্পাসে এসে ফাস্ট হওয়া ছেলেও পাবেন ।
হাইস্ট সিজিপিএ পাওয়া বেকার ছেলে যেমন পাবেন ,আবার কম জিপিএ নিয়ে শাইন করা ছেলেও পাবেন ।
এখানে এক রাত পড়াশুনা করে সি প্লাস পাওয়া ছেলে যেমন আছে , একইভাবে সারা বছর পড়াশুনা করে এ প্লাস পাওয়া স্টুডেন্টও আছে ।
মেকাপের আস্তরনে ঢাকা পটের বিবিও যেমন আছে ,একই সাথে ঘেমে পিঠ ভিজে ব্রা এর লেইস দৃশ্যমান হওয়া সংগ্রামী মেয়েও পাবেন ।
এইটা পাবলিক ভার্সিটি ।
এখানে কেউ কারো ""বস"" নয় । এখানে সবাই একেকটা ""বস "" । এখানে প্রতিটা ছেলে মেয়ে একেকটা ক্রিয়েটর ।
এখানে স্বপ্ন তৈরি হয় না । এখানে স্বপ্নের স্রষ্টা তৈরি হয় । প্রতিটা স্টুডেন্ট তার জায়গা থেকে একেকজন বড় মাপের ড্রিমার ।
কষ্টের মাঝেও ঠোঁটের চিলতে হাসি ধরে রাখার অসাধারণ মানুষটা
কিংবা টিউশনে গিয়ে বেতন না পেয়ে ঠকে যাওয়া মানুষটাকে তাই কেউ দমিয়ে রাখতে পারে না.......
কারন এরা পাব্লিকিয়ান ........
22/06/2017
--DMC পাস করা ছেলেটা BCS দিয়ে এখন মস্ত বড় পুলিশ অফিসার।
-- BUET থেকে EEE পাস করা ছেলেটা এখন ইসলামী ব্যাংকের ম্যানেজার।
-- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কেমিস্ট্রিতে প্রথম শ্রেণী পাওয়া ছেলেটা এখন নামকরা ফটোগ্রাফার।
-- SUST এর CSE পাস করা ছেলেটা এখন শহরের খ্যাতনামা ঔষুধ ব্যবসায়ী।
--ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় এর Accounting থেকে পাস করা ছেলেটা এখন একজন নামকরা এস.আই।
-- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে রেকর্ড মার্ক পাওয়া মেয়েটা এখন Air Force এর অফিসার।
-- প্রাইভেট থেকে পাস করা ছেলেটা আজ Public University (SUST) এর শিক্ষক।
-- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে English এ অনার্স করা মেয়েটা আজ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট।
-- ঢাকা কলেজ থেকে অনার্স পাস করা মানুষটা আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর!
-- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার যোগ্যতা না থাকার মানুষটা এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহ দেশের সব কয়টা Public University এর চ্যান্সেলর!!
ভয় নেই! জীবন থেমে থাকার নয়। জীবনে বড় কিছু হতে হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কিংবা Subject বড় কিছু না। বড় হলো তার ইচ্ছা শক্তি! যে যা হতে চায় তাকে সেইটাই হতে দেয়া উচিৎ। বদলাতে পারে তারে সবকিছু, যেকোনো সময়, যেকোনো ভাবে!
21/06/2017
সাধারণত মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেদের হাতখরচ নিজেরা চালায় দুই একটা টিউশনি করিয়ে!!
বন্ধুরা যখন বিকালে বসে আড্ডা দেয়.. তখন ওই আড্ডাবাজ ছেলেটিকে চলে যেতে হয় সেই জমানো আড্ডা থেকে..!!
ক্রিকেটপাগল ছেলেটিকে বাংলাদেশের খেলা দেখা বাদ দিয়ে পড়াতে যেতে হয়..
তারপরও অনিবার্য কারণে পড়াতে যাইতে লেট হইলে স্টুডেন্টের মায়ের মুখের দিকে তাকানো যায় না..
স্টুডেন্ট পড়ুক আর আর নাই পড়ুক.. ভালো রেজাল্ট চাইই.. চাই..!! নইলে দোষ ঐ ছেলেটার..!!
পড়াশুনার ফাঁকে ফাঁকে যে নাস্তাটা দিয়েছিলো প্রথম কয়েক দিন.. সেটারও খোঁটা শুনতে ঠিক এইভাবে.. "টিচার রাখছি, বাসায় বসায়ে বসায়ে খাওয়ানোর জন্য..??"
প্রচণ্ড আত্নসম্মানহীনতায় ভুগার পরেও ছেলেটিকে আবার পড়াইতে যাইতে হয়.. না পড়ালে চলবে কি করে..
কেননা সারাজীবন কষ্ট করা বাবার কাছে হাত পাততেও খুব কষ্ট হয় এই ছেলেটার..!!
ভেতর ভেতর জ্বলে পড়ে মরলেও.. আব্বু /আম্মু যখন বলে এইবার ঈদে তো আমাদের টান টান কিছু না কিনলে হয় না??তখন ছেলেটা জবাব দেয়,
না ঠিক আছে বাবা/আমি টিউশনিরর ফি দিয়ে নিয়ে নিবো।
ঐ মহুর্তের বাবা/মায়ের কলিজায় ঢুকে পডার আনন্দ আর সুখের চোখের জ্বল এর অনুভূতি।।
প্রকাশ করার ভাষা খুজে পায় না ছেলেটা।।
20/06/2017
তুমি যখন ফেইসবুকিং করে তোমার অলস বিকেল টা
কাটিয়ে দিচ্ছো, তোমারই কোনো বন্ধু সে সময়ে পেটের
দায়ে বা বিবেকের দায়ে টিউশনি করাচ্ছে।
তুমি যখন আড্ডায় কিংবা কার্ড খেলে রাত
জাগছো,তোমারই কোনো বন্ধু রুমের দরজা বন্ধ করে
নিরলস খেটে যাচ্ছে স্বপ্ন পূরণে।
ভোর ৫ টায় যখন তোমার মধ্য রাত, তোমারই কোনো বন্ধু
ধর্মীয় কার্যাবলী সেরে হাড়ভাঙ্গা প্রস্তুতি নিচ্ছে
আগামীর যুদ্ধের জন্য।
তুমি যেখানে ঘুম থেকে উঠে কোনোরকম এ দাঁত ব্রাশ
করে ক্লাসে যাচ্ছো এটেন্ডেন্স এর জন্য, লাস্ট বেঞ্চে
বসে ঘুমাচ্ছো, তোমারই কোনো বন্ধু কোনো নিপুণ
সাংবাদিক এর মতো টুকে নিচ্ছে কাস নোট গুলো।
তুমি যখন ক্লাসের ফাঁকে ডিপার্টমেন্ট এর ফ্রি
ওয়াইফাই তে সফটওয়্যার আপডেট করছো, তোমার কোনো
ফ্রেন্ড লাইব্রেরি তে বসে ক্লাসের লেকচারের নোট
বানাচ্ছে।
তুমি যখন বাপের টাকায় ধূমপান করে দিব্যি চলে যাচ্ছো,
তোমারই কোনো বন্ধু হলের ডাইনিং এর খাদ্যরূপ
অখাদ্যগুলো দিয়ে উদরপূর্তি করছে।
এই পরিশ্রমী, উদ্যমী, সংগ্রামী ছেলেগুলো জীবনে সফল
হবেনা কি তুমি হবা?আল্লাহ খুব,খুব,খুবই সুবিচারক। তুমি
যাই করবা তার-ই ফল পাবা।
সফলতার কোনো শর্টকাট পথ নেই, সফলতা কোনো
ঠিকানাও না। সফলতা একটা যাত্রা যেখানে তোমাকে
হাঁটতে হবে অনেকটুকু পথ।
চেষ্টা চালিয়ে যাও নিরলস, সফলতা আসবেই ইন-শা-আল্লাহ
20/06/2017
আসসালামু আলাইকুম।
-ওয়ালাইকুম আসসালাম।
-আপনি কি আফতাব রহমান?
-জি, বলছি।
-সাগর রহমান কি আপনার ছেলে?
-জি। আপনি কে বলছেন?
-আমি আপনার ছেলের ভার্সিটি থেকে বলছি। জহুরুল হক। হেড অফ ডিপার্টমেন্ট এক্স।
-ও, আচ্ছা। কেমন আছেন, স্যার?
-জি, ভালো। আপনার ছেলে সম্পর্কে কিছু কথা বলার ছিল। ও তো কিছুদিন আগে থার্ড সেমিস্টার শেষ করেছে। সেমিস্টার ফাইনালের রেজাল্ট প্রকাশ হয়েছে দুই দিন আগে। আপনার ছেলে দুই কোর্সে ফেল। আপনাকে কি বলেছে?
-জি, বলেছে।
-আমাদের ভার্সিটিতে কিছু নিয়ম-কানুন আছে। ফেল করলে আমরা ছাত্রদের আবারও পরীক্ষায় বসে পাস করার সুযোগ দেই। এরপরও ফেল করলে ভার্সিটিতে রাখার নিয়ম নেই।
-তা এসব আমাকে কেন বলছেন?
থতমত খেয়ে গেল ও প্রান্তের ব্যক্তি।
-না, মানে, আমি বলছিলাম আপনার ছেলে ফেল করেছে। আপনার কি উচিত না তার পড়াশোনার প্রতি খেয়াল রাখা?
-আমাকেই যদি তার পড়াশোনার দায়ভার নিতে হয়, তাহলে আপনি কী জন্যে আছেন?
-না, মানে আমি বলছিলাম আপনি কাউন্সেলিং করতে পারেন, বোঝাতে পারেন।
-অবশ্যই আমি তার সাথে কথা বলতে পারি। কিন্তু শিক্ষক হিসেবে আপনি কি তার সাথে কথা বলেছেন?
-মানে? বুঝলাম না।
-আমি বলতে চাইছি, আমার ছেলে যে ফেল করল, গলদটা কোথায় বোঝার চেষ্টা করেছেন কি? দোষ পুরোটা কি ওর একার? আপনার কোনও দায়ভার নেই?
-কী বলতে চাইছেন আপনি?
-দেখুন, স্যার, খুব স্পষ্ট আর সহজ ভাষায় বলছি। এভাবে ছাত্রের ব্যর্থতায় সরাসরি মা-বাবাকে তলব করার আগে আপনাদের পাঁচবার ভাবা উচিত। পড়াশোনার জন্য ছেলেকে পাঠিয়েছি আপনাদের কাছে। তাকে পড়াতে না পারার, পড়ালেখার প্রতি আগ্রহ তৈরি করতে না পারার, সফলতার পথ দেখাতে না পারার ব্যর্থতাটুকু পুরোপুরি আপনাদের। বাবা-মা কোনও শিক্ষক নন যে এসব পালন করবেন। এ দায়িত্বটুকু পালনের ভার আপনাদের উপরে দেয়া হয়েছে। কই, বেতন তো ঠিকই নেন। ছাত্রের সফলতারও ভাগ চান। তাহলে ব্যর্থতার ভার কেন শুধু ছাত্র আর মা-বাবার ওপরে চাপবে?
-আমি আসলে ওভাবে বুঝাতে চাইনি।
-কোনওভাবেই বোঝানোর দরকার পড়ত না, যদি যথাযথ শিক্ষকের দায়িত্ব আপনারা পালন করতে পারতেন।
-আমি রাখছি।
-আপনার বাবার ফোন নম্বরটা পাঠিয়ে দেবেন।
-মানে? কেন?
-ব্যর্থ ছাত্রের পিতাকে ফোন দিয়ে যে দায়িত্ব আপনি পালন করেছেন, ব্যর্থ শিক্ষকের বাবাকে ফোন দিয়ে আমিও একই দায়িত্ব সারতে চাই।
♣♣ সংগৃহীত
19/09/2016
#ইসলামী_বিশ্ববিদ্যালয়_প্রতিষ্ঠার_ইতিহাসঃ
#১৯৮০ সালের ১৮ জুলাই সরকারি আদেশে শান্তিডাঙ্গা-দুলালপুর থেকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় গাজীপুরের বোর্ড বাজারে স্থানান্তর করা হয়।
#১৯৮০ সালের ২০সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে Act No. # # of 1980 বলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ইনস্টিটিউট অব ইসলামিক এডুকেশন এন্ড রিসার্চ সেন্টার প্রতিষ্ঠিত হয়।
#১৯৮০ সালের ২৭ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় আইন (অ্যাক্ট নং ২৭, ১৯৮০) পাশ হয়। অ্যাক্টে বিশ্ববিদ্যালয়কে শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যাবলি পরিচালনায় সায়ত্ত্বসাধন প্রদান করা হয়।
#১৯৮১: সালের ১ জানুয়ারি প্রফেসর এ.এন.এম মমতাজ উদ্দীন চৌধুরীকে প্রথম উপাচার্য নিয়োগ করা হয়।
#১৯৮২: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (সংশোধনী) অর্ডিন্যান্স জারি করে গাজীপুর বোর্ড বাজারে ৫০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়।
#১৯৮২ সালে Ordinance No. XLIII of 1982 এর মাধ্যমে ইনস্টিটিউট অব ইসলামিক এডুকেশন এন্ড রিসার্চ সেন্টার বিলুপ্ত করা হয়।
#১৯৮৩ সালের ২১ জুলাই হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বোর্ডবাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিতীয়বার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ২ অক্টোবর ১৯৮৩ সালে ইনস্টিটিউট অব ইসলামিক এডুকেশন এন্ড রিসার্চ সেন্টার পুনঃস্থাপিত হয়।
#১৯৮৫-৮৬ শিক্ষাবর্ষে থিত্তলজি এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদে আল-কুরআন ওয়া উলূমুল কুরআন এবং উলূমুত তাত্তহীদ ওয়াদ দা’ওয়াহ বিভাগে এবং মানবিক ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদের হিসাব বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগে তিনশত ছাত্র ভর্তি করা হয়।
#১৯৮৬ সালের ২৮ জুন ৮ জন শিক্ষক ও ৩০০ জন ছাত্র নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে গাজীপুর বোর্ড বাজারে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়।
#১৯৮৯ সালের ৩ জানুয়ারি মন্ত্রীসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৪ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষিত হয়।
#১৯৯০ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি এক আদেশে বিশ্ববিদ্যালয় গাজীপুর থেকে কুষ্টিয়া শহরে পুনরায় স্থানান্তর করা হয়।
#১৯৯০ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম মহিলা শিক্ষক নিয়োগ। ১৯৯০-৯১ শিক্ষাবর্ষে প্রথম ছাত্রী ভর্তি করা হয়। জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি ও শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়।
#১৯৯২ সাল পর্যন্ত কুষ্টিয়া শহরে পিটিআই এবং প্যারামেডিক্যাল ভবনে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ১৯৯২ সালে ১ নভেম্বর ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় মূল ক্যাম্পাস শান্তিডাঙ্গা-দুলালপুরে নিয়ে আসা হয়।
#১৯৯৭-৯৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রচলিত ৩ বছরের পরিবর্তে ৪ বছরের অনার্স কোর্স এবং ২০০৬-২০০৭ শিক্ষা বর্ষ থেকে গ্রেডিং পদ্ধতি চালু করা হয়।
28/04/2016
http://bangla.thereport24.com/article/110425/index.html
ফুল-ফলে ভরা ক্যাম্পাস
রাশেদুন নবী রানা, ইবি : আকাশ ছুঁয়ে লাল কৃষ্ণচুড়া, দিগন্ত জুড়ে হলুদ রঙয়ের মাখামাখি সোনালী ফুলের সোনা রং, বাতাসে কদম আর বকুলের সৌরভের ছড়াছড়ি, গ্রীষ্মের রোদে মানুষ আর পশু পাখির যখন ত্রাহিত্রাহি অবস্থা।
19/04/2016
" #ইবিতে শিক্ষক সমিতির কর্মবিরতি প্রত্যাহার"
শিক্ষকদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করায় কর্মকর্তাদের শাস্তির দাবিতে চলা কর্মবিরতি প্রত্যাহার করছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শিক্ষকরা।
গত ১৬ এপ্রিল থেকে দ্বিতীয় দফায় ইবি শিক্ষক সমিতির ডাকে তারা এই কর্মবিরতি শুরু করেন। এর আগে আরো এক দফায় গত ২০ মার্চ থেকে ২২ মার্চ পর্যন্ত তারা প্রথম দফায় কর্মবিরতি পালন করেন।
পরে আজ মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি প্রফেসর ড. আবদুল হাকিম সরকারের আশ্বাসের ভিত্তিতে এই কর্মবিরতি আগামী ৮ মে পর্যন্ত প্রত্যাহার করেছেন শিক্ষক সমিতি।
এই সময়ের মধ্যে দাবি আদায় না হলে ৯ মে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সভা করে কঠোর আন্দোলন করা হবে বলে জানান ইবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. এমতাজ হোসেন।
মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় এই কর্মবিরতি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন শিক্ষক নেতারা।
এ সময় মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন ইবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. এমতাজ হোসেন, শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি প্রফেসর ড. এম এয়াকুব আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মোস্তাফিজুর রহমান, ইবি প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক শরিফুল ইসলাম জুয়েল, দফতর সম্পাদক ইকবাল হোসেন রুদ্র, প্রচার সম্পাদক শাহাদাত তিমির, ইবি সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মোস্তফা জুবাইর আলম অমি, যুগ্ম সম্পাদক রাসেদুন্নবী রাশেদ, অর্থ সম্পাদক এ বি ফারুক, দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ রনি প্রমুখ।
07/04/2016
শিক্ষক নামের এই ক্যাডারের শাস্তি দাবি
করছি।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় বনাম যশোর বিজ্ঞান
ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যকার ফুটবল
খেলার ফাইনাল ম্যাচে অনুষ্ঠিত হয় আজ
(৫/৪/১৬) তারিখে। ওই খেলায়
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলোয়াড়রা ভাল
খেলায় তাদেরকে বেদম মারধোর করেছে
যশোরের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা। ইবির
খেলোয়াড়দের মারতে লাঠি হাতে তেড়ে
যাচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সম্মানিত
(জ্ঞানপাপি) শিক্ষক। তাদের এই আচরণের
নিন্দা জানানোর ভাষা নেই। কেন তাদের
সাথে এধরণের আচরণ করা হলো, কি অপরাধ
ছিল ???
শিক্ষক নামের ওই জ্ঞান পাপির শাস্তি
হওয়া উচিত নয় কি ??? আমার জানামতে
যশোরের ভিসি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের
শিক্ষক। তিনি থাকাবস্থায় এধরণের ঘটনা
নিন্দনীয়।
আমি ইবি প্রশাসন, শিক্ষক সমিতিসহ
বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল দায়িত্বশীল পর্যায়ের
নেতৃবৃন্দের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার দাবি
করছি।