22/06/2020
আমাদের প্রিয় প্রয়াত শেফালী ম্যাডাম।
Bangladeshi Famous School Kushtia Zilla School (কুষ্টিয়া জিলা স্কু? Kushtia Zilla School কুষ্টিয়া জিলা স্কুল (est. 1960)
22/06/2020
আমাদের প্রিয় প্রয়াত শেফালী ম্যাডাম।
আমাদের প্রিয় শিক্ষিকা শেফালী রহমান আজ বিকেলে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহী রাজিউন। তিনি বেশ কিছু দিন ক্যান্সারে ভুগছিলেন।
27/11/2019
16/11/2019
2020
23/04/2019
13/04/2019
জিলা স্কুল মানেই তো চ্যাম্পিয়ন
12/03/2019
প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক মহোদয়ের কাছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করলেন কুষ্টিয়া জিলা স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র ও সচেতন নাগরিক সমাজ।
অদ্য ১২ মার্চ ২০১৯ খ্রিঃ তারিখ দুপুর ৩:০০ ঘটিকার সময় কুষ্টিয়া জিলা স্কুলের একমাত্র ফুল বাগান অপসারন করে একই স্থানে শৌচাগার নির্মানের প্রতিবাদে কুষ্টিয়া জিলা স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র ও সচেতন নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক মহোদয়ের কার্যালয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করলেন কুষ্টিয়া জিলা স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র ও সচেতন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ। স্মারকলিপি প্রদান শেষে কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিরা বলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজরিত কুষ্টিয়া জিলা স্কুল খুলনা বিভাগের অন্যতম একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠান চত্বরে মহান মুক্তিযুদ্ধর স্মৃতি স্বরুপ একটি স্মৃতি স্তম্ভ স্থাপন স্কুলের প্রাক্তন ছাত্রদের পাশাপাশি কুষ্টিয়ার সর্বস্তরের জনগনের প্রানের দাবী। এই স্মৃতি স্তম্ভ স্থাপন হলে আগামী প্রজন্মের জন্যও মহান মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সম্পর্কে জানার সুযোগ প্রসারিত হবে। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়ালের নামে ফুল বাগান অপসারন করে স্মৃতিস্তম্ভের সাথে শৌচাগার নির্মান কেবল কুরূচিপূর্ন মেধারই পরিচয় নয় বরং মহান মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগকে চরমভাবে অপমান করা হবে। তাই উক্ত কর্মসূচি থেকে প্রতিনিধিরা কুষ্টিয়া জিলা স্কুলের প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্রদের দাবীর যৌক্তিকতা বিবেচনায় এনে নির্মানাধীন মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়ালের নকশায় পরিবর্তন করে সৌচাগারের পরিবর্তে ফুলবাগান বেষ্টিত স্মৃতিস্তম্ভ নির্মানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার কাছে অনুরোধ জানান। উক্ত কর্মসূচি থেকে প্রতিনিধিরা আরো বলেন ইতিপূর্বে বিগত বিএনপি-জামাত সরকারের আমলে কুষ্টিয়া জিলা স্কুলের ছাত্রাবাস, খেলার মাঠ, পুকুর, সুইমিংপুল, আমবাগান সহ অনেক সম্পত্তি দখল করে বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠান নির্মান করা হয়েছে যা স্কুলের শিক্ষার পরিবেশকে নষ্ট করছে এবং পেছনের গেটটি র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটেলিয়নের দখলে থাকায় কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ হাইওয়ে রোড সংলগ্ন গেটটি ছাত্রদের প্রবেশ ও বাহিরের একমাত্র পথ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে ফলে কয়েকটি দুর্ঘটনা হওয়ার পরেও ছাত্রদের চরম ঝুকি নিয়ে স্কুলে আশা যাওয়া করতে হচ্ছে। সুতরাং এই সকল বিষয়গুলি বিবেচনায় এনে বেদখলকৃত সম্পত্তি পুনরায় জিলা স্কুলের অনুকুলে ফেরত দেওয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মাদার অফ হিউম্যানিটি জননেত্রী শেখ হাসিনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষন করা হয়।
উল্লেক্ষ যে, সম্প্রতি মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রনালয়ের কর্তৃক সারাদেশের ৭০টি স্থানে মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল নির্মানের উদ্দ্যোগ নেওয়া হয় এবং সেই লক্ষে মন্ত্রণালয় থেকে স্মৃতিস্তম্ভের সাথে শৌচাগার সহ একটি নকশা অনুমোদিত হয়। কিন্তু এরমধ্যে শুধুমাত্র কুষ্টিয়াতেই এটি একটি স্কুলের মাঝে নির্মানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং তার জন্য স্কুলের ফুল বাগান ভেঙ্গে ফেললে বিষয়টি সকলের দৃষ্টিতে আশে। ফলে কুষ্টিয়া জিলা স্কুলের প্রাক্তন ছাত্ররা এই নকশার পরিবর্তনের জন্য গত ০৪/০৩/২০১৯ খ্রিঃ তারিখে স্কুল গেটে মানববন্ধন করে এবং ৫/০৩/২০১৯ প্রেস কনফারেন্স এর মাধ্যমে ধারাবাহিক কর্মসূচি ঘোষনা করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ০৮/০৩/২০১৯ ইং তারিখে ফুলবাগানের স্থানে মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রতিবাদ করে এবং ১২/০৩/২০১৯ প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি জমা দেন।
11/03/2019
কুষ্টিয়া জিলা স্কুলের সৌন্দর্য হানি করে কোন প্রকার স্থাপনা না করার জন্য কুষ্টিয়ার উন্নয়নের রুপকার মাননীয় সাংসদ জননেতা জনাব মাহবুব উল আলম হানিফ ভাই সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি স্কুলের সীমানা ব্যাতিত অন্যত্র সুবিধাজনক জায়গায় এটা করার জন্য বলেন।
জিলা স্কুলের সকল বর্তমান ও সাবেক ছাত্রদের পক্ষ থেকে মাননীয় সংসদ সদস্যকে অশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা 😍
বিঃদ্রঃ আমাদের কুষ্টিয়া জিলা স্কুলের যৌক্তিক দাবিসমূহ চলমান থাকবে।
11/03/2019
আগামীকাল দুপুর ২ঃ০০ টায় স্মারকলিপি জমা দেওয়ার জন্যে সময় দিয়েছেন মাননীয় জেলা প্রশাসক এর পিএস মহোদয়।
সকলকে ১ঃ৪৫ এর ভেতর ডিসিকোর্ট প্রাঙ্গনে উপস্থিত থাকার জন্যে বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা হচ্ছে।
10/03/2019
শৈশব থেকে দুরন্ত ও মেধাবী এই বীর ছিলেন দুর্বাচারা প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দুর্বাচারা জুনিয়র স্কুল, কুষ্টিয়া জিলা স্কুল ও কুষ্টিয়া সরকারী কলেজের ছাত্র। এসএসসি পরীক্ষায় প্রথম বিভাগ পাওয়া এই ছাত্র ১৯৬৭ সালে এইচএসসি পাশ করে ভর্তি হন রাজশাহী প্রকৌশল মহাবিদ্যালয়ের (বর্তমান রুয়েট) ইলেক্ট্রিক্যাল ডিপার্টমেন্টে।
১৯৭১ সালের ৭ মার্চে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণে সাড়া দিয়ে পিতা ছলিম উদ্দীন বিশ্বাস কে সাথে নিয়ে স্থানীয় দুর্বাচারা স্কুল মাঠে এক সভা করেন। উপস্থিত কয়েকশ যোদ্ধা কে আহ্বান করেন যুদ্ধে যাবার জন্য। নিজেও রওনা হন প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যে।
প্রশিক্ষন শেষে ফিরে আসেন নিজ এলাকায়। শুরু হয় পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে এই সাহসী সন্তানের যুদ্ধ। দুর্বাচারা হয়ে উঠে মুক্তিযোদ্ধাদের শক্ত ঘাটি। আক্রমণ করেন পিস কমিটির চেয়ারম্যান আফতাব মুন্সীর বাড়ি। অংশ নেন বিখ্যাত বংশীতলার যুদ্ধে। ৫ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত এই যুদ্ধে কুষ্টিয়া সদরে মুক্তিবাহিনীর আক্রমণে নিহত হয় ৬০ জন পাকিস্তানী সেনা। অংশ নেন কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়কে বালিয়াপাড়া লক্ষীপুরসহ বেশ কয়েকটি সম্মুখ সমরে।
আরো জানতে নিচের লিংকে ক্লিক করুনঃ-
মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানীঃ শহীদ শহিদুল ইসলাম - কুষ্টিয়াশহর.কম ইলেক্ট্রিক্যাল মেশিন, সার্কিট কিংবা পাওয়ার হয়ত এই গুলো ছিল তাঁর আকর্ষণের বস্তু। স্বপ্ন ও লক্ষ্য ছিল তড়িৎ প্রকৌশল...
গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় মুক্তিযোদ্ধা শহীদের স্মরণ এবং ফুলের বাগান রক্ষারতে মোমবাতি প্রজ্বলন কর্মসূচী পরিচালনা করা হয় কুষ্টিয়া জিলা স্কুল।
| Monday | 07:00 - 17:00 |
| Tuesday | 07:00 - 17:00 |
| Wednesday | 07:00 - 17:00 |
| Thursday | 07:00 - 17:00 |
| Saturday | 07:00 - 17:00 |
| Sunday | 07:00 - 17:00 |